| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
অ্যানিমেটেড ইমেজ
নরমাল ইমেজ
ইন্টারনেটের গলা টিপে ধরা হচ্ছে এবার। এ বিষয়ে আপনি-আমি কিছুই করতে পারবো না শব্দযুদ্ধ আর সচেতনতা সৃষ্টি ছাড়া। প্রস্তাব করছি সহমত পোষনকারী সবাইকে উপরের ছবিটিকে প্রোফাইল পিকচার বা সকল লেখায় ব্যবহার করতে অন্তত আগামী ১ সপ্তাহের জন্য..
ছবির লিংকঃ
http://www.sachalayatan.com/free_internet_bd.gif
http://www.sachalayatan.com/free_internet_bd.jpg
ছবি ব্যবহার করতে কোন অনুমতি গ্রহন বা সূত্র উল্লেখ করার বাধ্যতা নাই..
২
প্রোফাইলে দিলে বেশী রিপিটেশন হয় আর একটা অদ্ভুত চেহারা হয় সব কমেন্টের। দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য ভালো। তবে যেভাবে দিতে চায় সেভাবেই দিক... ![]()
৩
হাত-পা গুটিয়েই থাকি, কিন্তু কিছু করতে ইচ্ছা করে। কেমন করে কি জানি না। একটা কিছু তবু...কোন একটা উপায়ে...
প্রতিবাদ করছি।
--তিথি
৪
ধন্যবাদ অরুপ। হাত পা গুটিয়ে না থেকে কিছু একটা শুরু করা দরকার।
দুটি বড় ব্যানার করবে কেউ? ইংরেজী ও বাংলায়? সবার ব্লগের (ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস যে কোন প্লাটফর্মে) সাইড বারে ডিসপ্লের জন্যে। একটি এইচটিএমএল কোড করে দিলে ভাল হয়-ইমেজে সচলায়তনের লিন্ক থাকতে পারে -পাবলিসিটিও হবে সাথে সাথে।
এটি বিশ্বজুড়ে প্রচারের দায়িত্ব আমি নিচ্ছি।
আর দৈনিক পত্রিকায় যার যোগাযোগ আছে তারা কি পত্রিকায় একটি লেখা দিতে পারেন সেন্সরশীপের ব্যবাপরে? বা তাদের বলবেন এনিয়ে রিপোর্ট করতে? তাহলেও কিছুটা এগোয় ব্যাপারটা - লোকের জানা প্রয়োজন।
××××××××××××××××××××××××××××××××××××××××××
পৃথিবী কথা বলছে আপনি কি শুনছেন?
৬
বাঘ না থাকলে গোলপাতা নড়লো যে!
গণহারে ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর তত্ত্বহাঙ্গরের চোঁয়াল বসানো সুস্পষ্টভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন। প্রতিবাদ!
৯
আছি!
১০
সচলায়তনের সদস্য না হলেও সামিল হচ্ছি,
আগামী ১ সপ্তাহ অবশ্যই এ ছবি থাকবে আমার প্রোফাইলে, সেটা বাড়তেও পারে দরকার হলে।
১১
ইন্টারনেটের গলা টিপে ধরা হচ্ছে এবার। এ বিষয়ে আপনি-আমি কিছুই করতে পারবো না শব্দযুদ্ধ আর সচেতনতা সৃষ্টি ছাড়া।
একমত নই।করা যাবে বহু কিছুই ।কথা হচ্ছে কতোদূর পর্যন্ত আমরা যেতে চাই।
১২
একটা কার্টুন আঁকবেন কেউ? বাংলাদেশের মানচিত্র আঁকা হচ্ছে, কিন্তু মাঝপথে থেমে যেতে হল শিল্পী ধৃত হওয়ায়। ধরুন 'এ-খাঁচা ভাঙবো আমি'র মত। খন্ডিত মানচিত্রের ধারটা দেখতে কোন এক প্রাণির মত হোক, নয়তো জলপাই। অথবা বাংলাদেশের মানচিত্রের মাঝে একটা বুটের ছাপ/ছেড়া।
১৪
আমার ব্লগে ব্যবহার করলাম। কোন আপত্তি আছে কি?
১৬
চাই না কোনো বিধিনিষেধ
আমার ব্লগে ব্যবহার করলাম ছবিটা।
১৭
সামিল হলাম।
চমৎকার উদ্যোগ! একটা অনলাইন পিটিশনের ব্যবস্থা করলেও চমৎকার হত। সবাইকে অনুরোধ করা যেত সচলায়তনে এসে সাইন করে যেতে।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
১৮
Arup: Greetings from E-Bangladesh. I was wondering if it will be possible for you to publish a new post with your campaign proposal in Bengali and English. That way we can aim for international participation also. We are interested to link this campaign from our sidebar. Please let me know your take ![]()
১৯
সুমন, পিটিশনটাকে কাকে করলে কার্যকর হবে?
××××××××××××××××××××××××××××××××××××××××××
পৃথিবী কথা বলছে আপনি কি শুনছেন?
২০
সরকারকে এড্রেস করে পিটিশন করলে কার্যকর হবে বলে মনে হয় না। আমি ভাবছিলাম ইউএন কে এড্রেস করে করা যায় কিনা। সেটাও এপ্রোপ্রিয়েট হবে না, এটা আমাদের ইন্টারনাল ব্যাপার। আর কাকে করা যেতে পারে?
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
২১
আমার মনে হয় আমাদের ব্যাপারে প্রথমে সরকারকেই আমাদের উদ্বেগের কথা জানানো উচিৎ। তার পর না হলে পরবর্তী করনীয় ঠিক করা যাবে। কি বলেন?
২২
আপাতত: রাষ্ট্রপতি বরাবর করা যায়।
অবশ্য সংবিধান অনুযায়ী যে কেউ মামলাও করতে পারেন।
-----------------------------------------------
খড়বিচালি জোগাড় করি, ঘর বানাবো আসমানে
http://www.sachalayatan.com/free_internet_bd.gif
২৩
সামিল হলাম।
----------------------------------------------
আমাকে নিঃশব্দে অনুসরণ করে একটা নদী-
সাথে নিয়ে একটা পাহাড় আর একটা নিঃসঙ্গ মেঘ।
২৪
অরূপকে অশেষ ধন্যবাদ, আর সাথে তো আছি-ই।
২৫
ফর দ্য রেকর্ড, ছবির স্বত্ব পাবলিক ডোমেইনে দেওয়া হল।
ছবিটি যে কোন মিডিয়ামে বিনানুমতিতে ব্যবহার করতে পারা যাবে।
এতো কিছু করে কিছুই হবে না, তবে সবাই কন্ঠ মেলালে সমবেত কন্ঠের জোরটা টের পাওয়ানো যায়.. আপাতত সেইটাই লক্ষ্য হোক সবার..
যারা শামিল হলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা
২৬
আমিও আছি।
২৭
২৮
মেঘ
বালিত মুখ লুকায়ে আর কত নজিদের ঢাকবে?
সাথে আছি যে কোন প্রতিবাদের
২৯
http://www.sachalayatan.com/free_internet_bd.gif
দরখাস্তটা রাষ্ট্রপতি বরাবরে করা যায়।
-----------------------------------------------
খড়বিচালি জোগাড় করি, ঘর বানাবো আসমানে
৩১
ফেসবুক আর সামহোয়ারইনে যোগ করব
______ ____________________
suspended animation...
৩২
তীব্র প্রতিবাদ, ঘৃণা!
৩৪
সঙ্গে আছি.........
৩৫
আমি আপাতত ব্যানারটা বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন অরকুটে ভূত-থেকে-ভূতে পদ্ধতিতে ছড়াচ্ছি।
আমি ও আমার স্বপ্নেরা লুকোচুরি খেলি
৩৬
এই পোস্টটা গতকাল থেকেই দেখতেছি। বিষয়টা যদ্দুর বুঝলাম, এইটা ব্যক্তির বা সংগঠনের গোপনীয়তার যে অধিকার আছে, তার পরিপন্থী একটা পদক্ষেপ, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে, যেখানে রাষ্ট্র তার খবরাদারির ক্ষেত্রটাকে আরো বিস্তৃত করতে চায়। যারা সচেতন, তারা এর তীব্র প্রতিবাদ করতেছেন। একটা বিষয় নিয়া আলাপ-আলোচনার দরকার আছে, যা হৈতেছে, তা কেন খারাপ, এই নিয়া যারা বলতেছেন, বিচার-বিশ্লেষণ করতেছেন, তা পড়ে জানতে পারতেছি।
এই যে, ইন্টারনেট এর উপর রাষ্ট্রের তদারকি ব্যবস্থা, এর পদ্ধতিগুলি নিয়া কথা বলাটা দরকার বলে মনে হৈছে। মানে কি কি ভাবে এটা আগাচ্ছে এবং কিভাবে এটা মুক্ত যোগাযোগের উপর বাড়তি চাপ প্রয়োগ করবে বা এর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। কিন্তু এইখানে যা হচ্ছে, তা হলো সমর্থন এবং প্রচারণার একটা তৎপরতা। এইটা খারাপ না, কিন্তু এটা প্রথম থেকেই বিষয়টাকে কোনভাবে মোকাবেলা করার সামর্থ্য রাখে না।
আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা যদি বলেন, গত প্রায় এক বছর ধরে আমি অফিসের সার্ভার ব্যবহার করেছি, যেখান থেকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইন্টারনেটে আমার যাবতীয় যোগাযোগ দেখতে এবং কন্ট্রোল করতে পারতেন বলে আমি জানতাম, যদিও এই বিষয়ে আমার জ্ঞান খুবই সীমিত। আমি তা জেনেও আমার মতো করে ব্যবহার করতাম, যেহেতু আমার অন্য কোন উপায় ছিল না। তার মানে আবার এই না যে, গোপনীয়তার অধিকার ব্যক্তি-মানুষের থাকা উচিত না। এই বিষয়ে আমার চিন্তা-ভাবনা শেয়ার করার ইচ্ছা আমার আছে।
কিন্তু আমি এই প্রসঙ্গে আসলে বলতে চাচ্ছি অন্য একটা কথা। সচলায়তনের সদস্য হিসাবে আমার মনে হচ্ছে, এইখানে কর্তপক্ষ তর্ক করাটাকে সন্দেহের চোখে দেখেন। এইটা বললাম, আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই। তো আমার ধারণা, তর্ক কোন খারাপ বিষয় না। পক্ষ-বিপক্ষ জানা এবং ঠিক করার দরকার আছে। তর্ক করলে নিজেদের অবস্থান সর্ম্পকে আরো ভালোভাবে বোঝা যায় বলে আমার মনে হয়। এইখানে যারা লেখালেখি করেন, নিজ নিজ অবস্থানকে ব্যাখ্যা করার মতো সামর্থ্য এবং সাবালকতা প্রত্যেকেরই আছে। তর্ক, সমালোচনা এই বিষয়গুলি আমাদের জীবনে এবং চিন্তা-চেতনায় আছে, ধমাচাপা দেয়ার কোন কারণ আছে বলে আমি মনে করি না। শিল্প-সাহিত্য-বিজ্ঞান কোনটাই রাজনীতির বাইরে না।
সচলায়তনের জন্য সার্থকতা হবে সম্ভবত একটা প্যার্টান হয়ে যাওয়ার চাইতে বরং বিভিন্ন প্যার্টানকে, মতভেদ এবং মতপার্থক্যগুলিকে যতোটা বেশি সম্ভব জায়গা দিতে পারা। এই বিষয়ে সচলায়তনে কোন বাধা আছে বলে আমি মনে করি না, কিন্তু মাঝে মাঝে দোলাচল আছে বলে মনে হৈছে।
এইটা সচলায়তন সর্ম্পকে আমার ব্যক্তিগত অভিমত।
. . . . . . . . .
ভ্রমণ বিলাসী হও, কাতর হয়ো না
৩৭
ইমরুল ভাই এর বিশাল মন্তব্য! তর্ক করা নিয়ে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভালো না। অন্যদের কথা অন্যরা বলতে পারবে। তর্ক, কনফ্লিক্ট এইসবকে কিছু ক্ষেত্রে, কখনওবা অফিসিয়ালী প্রমোট করা হয়। এখানে কি হয়?
বিভিন্ন ফোরামে তর্কের চেহারা যেটুকু দেখা তা সুখকর না। (সেইটা আপনে খুবই ভালো জানেন) আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে তর্ক শেষে কুতর্কে গড়ায় (এইটাও আপনে খুবই ভালো জানেন), সেটা আর যন্ত্রনাদায়ক। কুতর্কহীন থাকাটা জরুরী, আমরা কুতর্কহীন থাকি। কুতর্ক করার জায়গার যেহেতু অভাব নাই (ইভেন এইটাও আপনে খুবই ভালো জানেন), যাবতীয় কুতর্ক সেসব স্থানেই অ্যাপ্লাই করাই কি ভালো না? সাবালকত্বের বিষয়েও একমত হওয়া গেল না। প্রবাসী কিশোরী, প্রতিক্রিয়াশীল যুবক কিংবা প্রগতিশীল কবি, রামছাগল দেখে দেখে সচলের পেছনের সবাই ব্যাপক বিরক্ত। ছাগলের মাংসে বিরিয়ানী হয়, ছাগলের সাথে কুতর্ক করে লাভ হয়না। মাঝথেকে সময় ও শক্তি নষ্ট!!!
আমরা সচলায়তন করেছি মাথাভারীদের জন্য না, মাথাহালকাদের জন্য। লক্ষ্য করবেন অফিসিয়ালী একে ব্লগ বলা হয় না, বলা হয় রাইটার্স কমিউনিটি। কমিউনিটি আর ব্লগের পার্থক্য অনেক। এখানে শিং ঠুকিয়ে যুদ্ধ করার চেয়ে একসাথে থাকাটা বড় বিষয়, এতে কেউ ভেড়া বললে তাই সই। তাই কুতর্কের চেষ্টা না করাই ভালো। প্রমোট করার চেষ্টাও পরিহার্য।
৩৮
ব্যক্তিগতভাবে তর্ক এর অভিজ্ঞতা যে আমার জন্য সুখকর তাও বলবো না। কারণ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তর্ক এর সাথে ইগো জড়িত হয়ে পড়ে। আর তাছাড়া স্বস্তি উৎপাদন করাটাও তর্ক এর কাজ না, কারণ আমাদের নিজেদের অবস্থানটা তর্ক এর মধ্য দিয়ে ক্রমাগত প্রশ্নবিদ্ধ হতে থাকে বলে আমার ধারণা।
অফিসিয়ালি প্রমোট করার কথা আমি বলি নাই, আমার মনে হৈছে তর্ক করাটাকে এইখানে সন্দেহজনক বলে মনে করা হয়, সেইটা যে কোন কারণেই হোক, এইটা লং রানে এক ধরণের প্যার্টান হিসাবে দেখা যাইতে পারে, যা হয়তো সচলায়তনের বিকাশের ব্যাপারটাকেই সংকুচিত করতে পারে বলে আমার আশংকা প্রকাশ করতে চাচ্ছিলাম . . . .
কুতর্কের বিষয়টা বলতে পারবো না, তবে তর্কহীন থাকাটা মনে হয় একটু অসম্ভবই, কেননা নিজেদের অবস্থানগুলিকে প্রশ্ন করার ভিতর দিয়ে, নানারকম তর্কের ভিতরই দিয়েই ভালো করে বুঝতে পারি, এইটা সবসময় হয়তো জরুরি না, কিন্তু অনাবশ্যক বলে বলে মনে হয় না . . . .
আর আপনি তর্ক ও কুর্তক ব্যাপারটাকে একসাথে করতে চাইছেন যে, তর্ক মানেই কুতর্ক, আমি এই বিষয়টাকে সমর্থন করি না। আর আমার ধারণা, মাথাভারী এবং মাথাহালকা বলে যে বিভাজনটা তৈরি করলেন, এইটা এক ধরণের কুর্তক।
সচলায়তন যে বাংলাভাষায় নিজেদের চিন্তা-ভাবনা শেয়ার করার একটা ভালো জায়গা হিসাবে গড়ে উঠছে, এটা হয়তো অনেকের ঈর্ষা আরো ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে। কিন্তু যে কোন পাথর্ক্য আসলে তার নামই সূচিত করে না, তার কার্য-কলাপের ভিতর দিয়েই তৈরি হয়।
আমি কি এতক্ষণ আপনার সাথে তর্ক করার চেষ্টা করলাম নাকি কুর্তক, আপনার মতামতটা জানায়েন।
. . . . . . . . .
ভ্রমণ বিলাসী হও, কাতর হয়ো না
৪০
আমি আসলেই আইকন ব্যবহার করতে পারি না। কিভাবে করবো একটু শিখাইয়া দেন।
আমি যা দেখাইতে চায়, তা হচ্ছে, কেউ তার মাথা চুলকাচ্ছে, মানে কি বললাম, কি বলবো অথবা আপনি-ই বা কি বললেন, এইরম একটা কিছু . . . .
. . . . . . . . .
ভ্রমণ বিলাসী হও, কাতর হয়ো না
৪১
মনিটরিং বিষয়কঃ
মনিটরিং নতুন না। সব ISPই এই কাজ করে। আমরাও করি। প্রশাসনিক কাজে সামান্য হলেও করতে হয়। সরকার করলে কেন তাহলে প্রতিবাদ? প্রধান কারন এর রাজনৈতিক ব্যবহার। আপনার ISP মনিটরিং ডেটা দিয়ে বিলিং করে। সরকার এই ডেটা দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা বা নিয়ন্ত্রনে ব্যবহার করতেই পারে, যেটা আমাদের দেশে মনে হয় অস্বাভাবিক নয় (সব চ্যানেল যখন বিটিভি হয়ে গেছে তখন আমাদের শেষ ভরসাটা কিন্তু ইন্টারনেট)
মনিটরিং এর চেয়ে অনেক বড় সমস্যা আছে দেশে। ইন্টারনেটে একটা আশা দেখাচ্ছিল (আপনারা সবাই এর বেনেফিসিয়ারী, সেটা অনুভব না করলে লজ্জার কথা) বলে আমার ব্যক্তিগত উৎসাহ এই বিষয়ে। সমর্থন করা না করা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। বাধ্য অনুভব করবেন না দয়া করে।
৪২
প্রথমেই বলে নেয়া ভালো, আমার দিক থেকে, অসমর্থনের কোন প্রশ্নই আসে না। বরং, আমি প্রচারণার চাইতে ব্যাখ্যামূলক জায়গাটাতে কনসানট্রেট করতে বেশি আগ্রহী। বিভিন্ন দিক দিয়ে আমরা যে, একটা কন্ট্রোল্ড সোসাইটির দিকে যাচ্ছি, তার স্বরূপ তুলে ধরাটাকে কাজ বলে মনে করছি . . . . .
. . . . . . . . .
ভ্রমণ বিলাসী হও, কাতর হয়ো না
৪৩
এই সুত্রে আরেকটা ব্যাপার উল্লেখ করতে চাই।
আইএসপি যে মনিটরিং করে সেটাকে ইউসেজ এবং এবিউজ মনিটরিং বলা যায়। ইন্টারনেট স্পীডের কতখানি ব্যবহার করল, অর্থাৎ কতখানি ডাউনলোড এবং আপলোড করল এই তথ্য গুলো ইউসেজ তথ্য বলা যায়। আর এবিউজ হল, আপনি পর্ণো সাইটগুলোতে যাচ্ছেন কিনা, পি২পি ব্যবহার করে কোন ইল্লিগাল গান বা মুভি ডাউনলোড করছেন কিনা এগুলো।
কনটেন্ট মনিটরিং হল আপনি কোথায় কি লিখছেন। কাকে কি ইমেইল করছেন। এইসব মনিটরিং করা। এগুলো কোন আইএসপি করে না। আর সরকারের এইটাই উদ্দেশ্য বলে আন্দাজ করা হচ্ছে।
তাছাড়া প্রাইভেসীও এরসাথে জড়িত। আপনার ক্রেডিট কার্ডের তথ্য, ব্যক্তিগত তথ্য, আপনার প্রেম ভালোবাসার কথা এসব কেন সরকার হাতাবে?
সরকার যদি বলে, যে তারা কনটেন্ট মনিটরিং করবে না। তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায় তাহলে কেন তারা ব্যক্তিগত তথ্যের এক্সেস চাইবে? তথ্যগুলো দিয়ে কি করবে তাও কোথাও স্পষ্ট নয়। এখানেই লংঘিত হয় ব্যক্তি স্বাধীনতা, এভাবেই ধর্ষিত হয় গণতন্ত্র।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
৪৪
আপনার ব্যাখ্যাটা আমার কিছু অস্পষ্টতাকে দূর করতে পারলো। তার মানে বুঝতে পারলাম, আইএসপি যে মনিটরিং করে তার মাধ্যমে কনটেন্ট মনিটরিং হয় না।
যেহেতু এই বিষয়ে আমার জানাশোনাটা কম, আরো কিছু বিষয় জানতে চাইছি: রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কি কোন ধরণের ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে যে, কেন এইটা তারা করতে চাচ্ছে? পৃথিবীর অন্য কোন দেশে কি রাষ্ট্র এই ধরণের ক্ষমতার চর্চা করে ?
রাষ্ট্রের এই ধরণের পদক্ষেপের প্রতিবাদ করার পাশাপাশি, এর একটা বিস্তারিত আলোচনা বিষয়টাকে আ
১
প্রোফাইল ছবি হিসেবে না দিয়ে, লেখার শুরুতে বা শেষে এই ছবি ব্যবহার করা যায়। প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে।
কারণ মন্তব্যেও প্রোফাইল ছবি আসে। সব মন্তব্যে একই ছবি বিভ্রান্তিকর হবে।
সিগনেচারে এই ছবি দিতে পারলে অবশ্য খারাপ হতো না। সিগনেচারে কি ছবি দেয়া যায়?
-----------------------------------------------
খড়বিচালি জোগাড় করি, ঘর বানাবো আসমানে