কেউ সমাধান দেন।

O'Hare Airport Hires Goats to Mow the Lawn
http://www.good.is/posts/o-hare-airport-hires-goats-to-mow-the-lawn
নির্ঘুম রাতগুলি আমাকে অতীতের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারেনা। আবার আমি হতে পারি না বাস্তবমুখী। কিংবা 'আলাদা' কিছু করে দেখানোর রুচিও নেই আজকাল। তাহলে ? বিশ্বাস এবং অবিশ্বাস এই দুই এর পরের কোন যায়গা আছে কি? থাকবে নিশ্চয়ই; আপাতত সেই যায়গাই আমার জন্যে বরাদ্দ থাকুক। ভয়, সংশয়, আঁধারের পর আলোর জন্য প্রতীক্ষা করা ছেড়েছি সে বহুদিন আগে। তবে আলো এবং আঁধারের মাঝেও তো কিছু থাকতে পারে?
আমি স্বদেশকে নিয়ে লিখতে বসেছিলাম
কঠিন পোড়ামাটি তখন আমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে
তখন আমাদের ওলাওঠা দিন চলছিল
অতৃপ্ত ছায়াপথের জৌলুশে
অনেক দূর হেঁটে এসেছি বলে তো মনে হয়না। তবুও পেছনে তাকালেই দেখি মাইলের পর মাইল পথ। কত কথা বলার তো বাকি ছিল। কিন্তু ফুরিয়ে যাচ্ছে কেনো? কেনো 'কেউ কথা রাখেনি'? কেন সব পরবাস্তব আমার আস্তিনেই এসে ভিড় করে? কেন সব যায়গায় গিয়ে আমিই হেরে যাই? মানুষ হিসেবে বোধ আর প্রত্যয় নিয়ে শুধু 'মানুষ' হবার রাস্তাটা মসৃণ নয় সেটা অনেক আগেই জেনেছিলাম। কিন্তু কখনো কখনো এত ক্লান্ত লাগে কেনো? একটু আশ্রয় আমার জন্যে জুটেনা কেন?
ডাক্তারের চেম্বার থেকে ফিরে চেয়ারে বসে আছি। ভাবছি কি করা যায়। না, ওষুধ তো খাচ্ছি, খেয়েই যাচ্ছি। নিজেকে 'চলতি ফিরতি মেডিসিন শপ' বলতে হয় এখন। আসলে অনেক কিছু ঘিরে ধরেছে যেন মনে হয়। আবার কখনো কখনো মনে হয় কই কিচ্ছু না তো, সব ওকে আছে বস। দু'টানায় জীবনছন্দ। একহাতে স্রেফ থেকে যায় অযাচিত বিস্ময় অন্যহাতে লটকে থাকে ঘুনে ধরা ফেরারি একাকীত্ব
তিনি মরিয়াছেন। তিনি মরিয়া বহু মানুষের উপকার করিয়া গেছেন আপাতত। জীবিত অবস্থায় উনার আস্ফালনে মহারাষ্ট্র রাজ্যটির রাজপাঠ এর স্বঘোষিত দন্ড উনার হস্তেই ছিল। নামকরণের মাহাত্ম মাথায় নিয়া তিনি বালের প্রতীক হইয়া উঠিয়াছিলেন
মন খারাপ হতে ঠিক কোন কারণ লাগেনা। কখনো কখনো এমনিই মন খারাপ হয়ে যায়। কোন দৃশ্য যখন ভ্রমান্ধ দৃশ্য হয়ে বায়স্কোপে ফুটে উঠে ঠিক সুপান্থ দার গল্পগুলির মতো তখন একটা উদ্ভ্রান্ত সম্ভাষণ সৃষ্টি হয়। বেশ কিছুদিন ধরে ডুবে আছি সেই গল্পগুলিকে নিয়েই। একটু একটু করে জমা করা বিশ্বাস কিংবা বোধ যখন হঠাত ছাই হয়ে যায় তখন কষ্ট হয়না, কারণ কষ্ট শব্দটা সেই অনুভূতির কাছে ফিকে পড়ে যায়। কেমন জানি একটা হতাশা; এই হতাশা জিনিষটা
সিভিল রাইটস কথাটির অর্থ আমার কাছে এখনো ধোঁয়াশার মত। আসলে আমাদের জন্যে আদৌ কি কোন রাইটস আছে? আমরা একবার ভেবে দেখি, একবার আওয়াজ উঠাই, একবার নিরুদ্দেশভাবে কোন উদ্দেশ্যকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নতজানু হই। আর যাবতীয় প্রক্রিয়া চলতেই থাকে...
কোন এক মনোহর বৈকালের ঘটনা, হ্যাঁ; ঠিক কবেকার সংযোগ তাহা মনে নাই। তবে সেই দিনটি বড্ড মনোহর ছিল। আমাদিগের সহিত ঠেলাকাকার পরিচিতি ঘটিয়াছিল তাহা স্মৃতির পাতা ঝাড়িয়া বাহির করিতে পারি না আপাতত। তবে দিনটি মনোহর ছিল উহা মনে করিতে পারি। কেননা কাকার কুষ্ঠির নাম মনোহরপ্রসাদ বিশ্বাস এবং পরিচিতিকালে কাকা ঐ নামেই নিজের গুণকীর্তন করিয়াছিলেন। তবে সামান্য কাল অতিবাহিত হওয়ার পর কাকা আমাদিগের আড্ডায় থিতু হইলে স্কন্দ
“......আমার আর কোথাও যাবার নেই। কিচ্ছু করার নেই।"
সকাল।
- রাইত পোয়াইতে না পোয়াইতেই আইয়া পড়ছে ছাগলের চাক। যা, বাড়িত যা, যা কইতাছি
দুপুর।
- মাজ্ঞো মা মাজ্ঞো মা। পোলাপাইনডি কিতা গো? দুফর নাই আফর নাই, তোরার বাড়ি ঘর নাই? যা, বাড়িত যা, যা কইতাছি
সন্ধ্যা।
এই যে সকালবেলা আইয়ে হকুনের চাক, সইন্দা মইজ্যা গেলেও বাড়িত যাওনের নাম নাই। মাগো গো মা, এইডির মা বাবাও কি ডাক দোয়াই দেয় না। যা, বাড়িত যা, যা কইতাছি