তিথীডোর এর ব্লগ

'পাঁউরুটি আর ঝোলা গুড়'

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: রবি, ২৬/০৯/২০১০ - ১২:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
'আয়রে ভোলা, খেয়াল-দোলা স্বপনদোলা নাচিয়ে আয়...
আয়রে পাগল, আবোল -তাবোল মত্ত মাদল বাজিয়ে আয়'

-----------------------------------------------------------------------------------------

নেহায়েতই সাদামাটা বালিকা আমি।
স্নো -পমেটম মাখি না.. 'গরীব বেজায়, কষ্টেসৃষ্টে দিন চলে যায়'। 'সটান বসে চুলকে খানিক মাথা' মাঝে মাঝে 'হিসেব লেখার খাতা' হাতে নিই।


'অপরাজিত'

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: রবি, ১৯/০৯/২০১০ - ৫:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

"অন্য কিছুই চাইনে,
এ গাঁয়ের বনঝোপ, নদী, মাঠ বাঁশবনের ছায়ায় অবোধ, উদগ্রীব, স্বপ্নময় আমার সেই যে দশ বৎসর বয়সের শৈশবটি--
তাকে আর একটিবার ফিরিয়ে দেবে দেবী?"
#অপরাজিত : বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
_______________________________________________

সাতজন ছিলাম আমরা,
এক, দুই,তিন..... ছয়, সাত!


বিষাদনগর ইষ্টিশনে......

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: মঙ্গল, ১৪/০৯/২০১০ - ৬:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
'ডুবসাঁতারের চিহ্নমাখা মানুষ আমি--
জলের কাছে, স্রোতের কাছে সমর্পিত মানুষ।
বিষাদনগর ইষ্টিশনে,
গাঁয়ে ফেরার ট্রেনের জন্যে হন্যে হয়ে টিকেট খুঁজি!'
#সুমন সুপান্থ
----------------------------------------------------------------------------------

ঈদবাড়ি এক্সপ্রেস:


ঝিঁ ঝিঁ পোকা কিংবা তিতিরপাখির গল্প ।।

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০৮/২০১০ - ৭:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

''পিছনে ফেলে আসি একটি বাড়ি---
বয়ঃপ্রাপ্ত কিছু বৃক্ষ, শুকনো ডালপালা;
কিশোর ঘুড়িগুলো, শিউলিঝরা ভোর, শ্যাওলাসবুজ জলের পুকুর...
কিংবা কোন আকাশউপুড় জলবতী মেঘের মৃদু একটানা বর্ষণ।
'বিদায়' বলা একটি মুখের কান্নাচাপা হাসি.. পিছনে ফেলে আসি।''
# রফিক আজাদ
____________________________________________

খট খট খটাং.. বাইরের দরজায় শব্দ।


শহরবন্দী মেঘ আর জলপাই সবুজ স্কুটার ..

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৪/০৬/২০১০ - ৪:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
আমাদের ঠিক উল্টোদিকের হলদেটে তেতলা বাড়ির ডানদিকে থাকতো মায়িশারা।

ফ্ল্যাটগুলো জুড়ে আরো অনেকেই থাকতেন বটে, তবে কেবল এই একটি পরিবারকেই আমি খেয়াল করেছি খুঁটিয়ে! ওরা মানে মায়িশা, ওর মা আর বাবা.. মেয়েটা তখন এট্টুশখানি, প্লে কিংবা কেজিতে পড়ছে বড়জোর!
আমাকেও বলা চলে সদ্য কিশোরী, সেভেনের ক্লাস করা ছেড়েছি বেকায়দায় পিছলে পড়ে পা ভেঙেছে বলে।


'কাশ ফুলের কাব্য'

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: শুক্র, ০৭/০৫/২০১০ - ৬:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
আমার নানাভাই যৌবনে বেশ রাশভারি মানুষ ছিলেন। মোটা কালো ফ্রেমের চশমা চোখের পুরোনো ছবিগুলোর দিকে তাকিয়ে আরেকটা ব্যাপার বোঝা যায়, তিনি ছিলেন দুর্দান্ত সুর্দশন! হাসি
কথিত আছে, কেবল রাজপুত্রের মত পাত্রের দিকে তাকিয়েই ধনাঢ্য বাবা তাঁর দশ ছেলেমেয়ের মধ্যে সবচেয়ে আদরের মেয়েটিকে ছাপোষা চাকুরের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। কাজটা যে মোটেই সুবিবেচনাপ্রসূত ছিলোনা এই নিয়ে নানুমণি প্রায়ই প্রবল হাহুতাশ করেন।


'ওরা ১১ জন'

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: শনি, ২০/০৩/২০১০ - ১:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
আমি শিশু ভালবাসিনে!
আঁতকে উঠিলেন? কি পাষণ্ড মেয়ে রে বাবা। শিশুরা হলো স্বর্গের দূত, ফুলের মতো!
জ্বি তাহা জানি, মানিও।
ফুটফুটে বাচ্চা দেখিলে আদরই করি, হাত বাড়াইয়া কোলেও টানিয়া লই।
তবে?
তবে পালিতে চাহিনে, দশ'বারোটা তো দূর... দুটো ছানাও বড় করিতে গিয়া আমি জীবন বিসর্জন দিতে রাজি নহি।

আলটপকা বকিতেছি না, এ শিক্ষা হাড়ে মাংসে প্রাপ্ত...


নৈঃশব্দের গান...

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: শুক্র, ২২/০১/২০১০ - ১১:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
নুতন বাড়ির কাজ প্রায় শেষ, বাকি দু-একটা টুকিটাকি।
সদর দরোজায় বেল, বাথরুমে গীজার-- এইই সব। সপ্তাহের দুটো অবসরদিনে কোমরে ওড়না পেঁচিয়ে ঝাড়পোঁচ চালাই। এককালে আঁকাআঁকির নেশা ছিলো, বেশিদূর এগোয়নি।
ধূলোপড়া ফ্রেমে দু-তিনটে জলরং ছোপ এদিক ওদিকের দেয়ালে ঝোলে শুধু।

আমি এমনিতেই একটু বেশি খুঁতখুঁতে। বেডকভার টানটান, সবকিছু নট নড়নচড়ন থাকতেই হবে। মেঝেতে এককণা বালিও থাকা চলবে না!


'পাখি আমার একলা পাখি..'

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০১/২০১০ - ১০:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
সময় পেলেই চিলেকোঠার সিঁড়ি ভাঙ্গা অরণির অভ্যাস।
মা রাগ করেন, বন্ধুরা ইয়ার্কি করে-- ছাদে উঠে কি টাংকি মারিস নাকি রে?
ও রাগ করেনা, সমানতালে হাসে।


'সে আমার ছোটবোন....'

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: বুধ, ০৬/০১/২০১০ - ৭:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
হিংসুটি হিংসুটি--- হ্যাঁ বাবা, আমি তাই। টুকরো -টাকরা জমিয়ে ভাগের জমিতে জাঁকালো ম্যানসন বানাতে আমার বয়েই গেছে। তার চেয়ে নিজের ঝুপড়িঘর ঢের খাশা!

ছোট থেকে এই বাতিকে মাকে বড্ড জ্বালিয়েছি। আম্মু তো আমার, ও আরেকটা ছোট্ট বাবুকে অতো আদরে খাওয়ায় কেন? এমন হাজারটা সওয়ালের ঠেলায় মা জেরবার সারাদিন!
ও কেন আমার খেলনা ধরবে? ছোটভাইয়ের সঙ্গে ভাগ করে নিতে হয় মা।
না, আমার ভাগাভাগি ভাল্লাগেনা!