কিছু বানানবিভ্রাট আর একটু সতর্কতা

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি
লিখেছেন মৃত্যুময় ঈষৎ [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৬/০৬/২০১১ - ৯:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বানানবিভ্রাট আর একটু সতর্কতা

[justify][left]বাংলা ব্যাকরণ পড়েছি সেই ৭/৮ বছর আগে। খুব প্রিয় বিষয়গুলোর একটি ছিল। তখন মাঝে মাঝে মনে হত বড় হয়ে ঢাবিতে বাংলায় পড়ব। আরো কত আকাঙ্ক্ষা ছিল তার ইয়ত্তা নাই! যদিও উচ্চ মাধ্যমিকে বা পরে ভার্সিটি ভর্তির সময় দৃঢ় সংকল্প ছিল ঢাবির ফার্মেসিতে পড়ব, চান্স পাওয়ার পরও পিতাজান ভর্তি হতে দেন নাই! যাই হোক বাজে কথা রেখে এই পোস্ট যে কারণে সে কথায় আসি। দেঁতো হাসি

সচলে লেখালেখি পড়ার সময় বা অন্তর্জালে অন্য লেখা পড়ার সময় মাঝে মাঝে অল্পকিছু বানান খুব চোখে লাগে, যার শুদ্ধরূপটি বেশির ভাগই হয়তো লেখকের জানা, শুধুমাত্র একটু সচেতন থাকলেই এই ত্রুটিগুলো এড়ানো যায়। এখানে কিছু প্রচলিত ভুল বানান আর তার শুদ্ধরূপটি উল্লেখ করব। যার বেশকিছুই সবার জানা, তবু উল্লেখ করব(বিরক্ত করার জন্য দু:খ প্রকাশ করছি), আর কিছু থাকবে যা সবারই কাজে লাগতে পারে। প্রথমে সূত্রপাত ব্যাকরণ নিয়ে করার কারণ হল ৭/৮ বছর আগের নিয়মগুলো বোঝা আর পড়া কিছুই মনে তেমন নেই, যতটুকু মনে আছে তার সাপেক্ষে কয়েকটি বানান কেন অমন হল তা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করব।

‘আ’ কার আছে নাকি নাই?:

সন্ধিবদ্ধ হবার পর ‘বি’ উপসর্গের হ্রস্ব ই কার ‘য’ ফলা হয়ে যায়, আর এরপর স্বর ‘অ’ থাকলে সন্ধির পর ‘আ’ কার হবে না (বি+অতীত=ব্যতীত, বি+অতিক্রম=ব্যতিক্রম), আর স্বর ‘আ’ থাকলে ‘আ’ কার হবে (বি+আখ্যা = ব্যাখ্যা)।
তদ্রূপে ‘আ’ কার হবে না:
ব্যথিত, ব্যক্তি, ব্যতীত (ব্যতিত নয় কিন্তু)
ব্যতিক্রম, ব্যয়, ব্যভিচার, ব্যতিরেকে।

‘আ’ কার হবে:
ব্যাখ্যা, ব্যাধি, ব্যাকরণ।

দীর্ঘ ঈ কার না হ্রস্ব ই কার?:

কিছু শর্টকাট হল শব্দের শেষে ‘-বর্তী’, ‘-বতী’, ‘-হীন’, ‘-অনীয়’ থাকলে ঈ কার হবে।
যেমন: অন্তর্বর্তী, চন্দ্রাবতী, শঙ্কাহীন, পছন্দনীয় ভাই দেঁতো হাসি !

আর ই কার হবে বিদেশি শব্দে সর্বদা। যেমন: শহিদ, গরিব।

অনেককেই দেখেছি ‘উল্লেখিত’ ব্যবহার করে ফেলেন! মূলত হবে ‘উৎ+লিখিত = উল্লিখিত’। তাই সন্ধির কথাটা একটু মাথায় রাখলেই আর ভুল হয় না!

হ্রস্ব উ কার না দীর্ঘ ঊ কার?:

সংস্কৃত ধূলি দীর্ঘ ঊ কার; বাংলা ধুলা হ্রস্ব উ কার।
সংস্কৃত ধূম দীর্ঘ ঊ কার; বাংলা ধুয়া হ্রস্ব উ কার।

আর এই সংস্কৃত শব্দগুলোর বানানে দীর্ঘ ঊ কার বজায় থাকবে:
ভূত
পূজা
গোধূলি
দূষণ
দূর
স্ফূর্তি, স্বত:স্ফূর্ত
স্থূল
শূন্য
মুহূর্ত
শূয়র
মূর্খ
রূপ

তবে ‘রুপা’ বানানে বেশি ঔজ্জ্বল্য বোঝাতে দীর্ঘ ঊ কার দেওয়া যাবে না কিন্তু, অর্থাৎ ‘রূপা’ নয়!!!
স্ফুরণ এও হ্রস্ব উ কার হবে।


ও কার হবে না হবে না?:

ও কার হবে
ভালোবাসা (ভালবাসা লিখলে কিন্তু এই মহার্ঘ্য কখনই ধরা দিবে না! চোখ টিপি )
মনোজগৎ (মনজগৎ নয়)।

ও কার হবে না
আপস (আপোস বা আপোষ নয়)

ষ্ণ্য, তা ও ত্ব প্রত্যয়:

প্রত্যয় আমার খুবই ভালো লাগার বিষয় ছিল। এর কিছু নিয়ম আজো মনে আছে। সবচেয়ে সমস্যা দেখেছি এই ত্রিতদ্ধিত প্রত্যয় নিয়ে। তিনটি প্রত্যয়ই ব্যবহৃত হয় বিশেষণকে বিশেষ্য করার জন্য। একটি ব্যবহৃত হলে অন্যটি প্রয়োগ করার আর প্রয়োজন নেই। কারণ বিশেষ্যকে তো আরো বিশেষ্য করার কিছু নেই। উদাহরণ দেই:

দীন, দৈন দুটোই সমার্থক এবং বিশেষণ। একে আমাদের বিশেষ্য করতে হলে এই ত্রিপ্রত্যয়ের যে কোন একটি ব্যবহার করব। দীনতা, দীনত্ব অথবা দৈনতা, দৈনত্ব অথবা দৈন্য; এই পাঁচটি একই অর্থ প্রকাশ করে, সবগুলোই বিশেষ্য। (দৈন্যতা ভুল)

তদ্রুপে বিশেষণ মধুর কে বিশেষ্য করতে মধুরতা/ মধুরত্ব/ মাধুর্য ব্যবহার করব। (মাধুর্যতা ভুল)
তদ্রুপে বিশেষণ দরিদ্র কে বিশেষ্য করতে দরিদ্রতা/ দরিদ্রত্ব/ দারিদ্র্য ব্যবহার করব। (দারিদ্র্যতা ভুল)
তদ্রুপে বিশেষণ সুন্দর কে বিশেষ্য করতে সুন্দরতা/ সুন্দরত্ব/ সৌন্দর্য ব্যবহার করব। (সৌন্দর্যতা বা সৌন্দর্য্য ভুল)

সৌন্দর্য্য কেন নয় তা বুঝতে ষ্ণ্য প্রত্যয়ের কারসাজিটা আবার দেখতে হবে:
ষ্ণ্য, ষ্ণ, ষ্ণিক প্রত্যয়গুলো নামপ্রকৃতির সাথে যুক্ত হবার আগে মাথা ‘ষ্ণ’ লোপ পায়, তখন পড়ে থাকে যথাক্রমে য/য-ফলা, অ, ইক। তখন সুন্দরের শেষে এগুলো যুক্ত হল তখন সুন্দর হয়ে যাবে যথাক্রমে সুন্দর্য, সন্দর, সুন্দরিক। কিন্তু এখানেই শেষ নয় এই প্রত্যয়গুলো আমার নামশব্দের আদিস্বরের বৃদ্ধিও ঘটায়। বৃদ্ধি হল স্বরবর্ণ গুলোর পরিবর্তন হওয়া; যেমন:
্,অ হবে আ
ই, ঈ হবে ঐ
উ, ঊ হবে ঔ
ঋ হবে আর্
তাহলে সুন্দরের আদিস্বর আছে স এর সাথে তা হল হ্রস্ব উ কার, যা প্রত্যয়ান্ত হয়ে ঔ কার হবে অর্থাৎ স+ঔ = সৌ হবে। আর সব অপরিবর্তিত থাকবে। তাহলে শব্দ ৩ টি হল যথাক্রমে সৌন্দর্য, সৌন্দর, সৌন্দরিক। তাই দেখা গেল’ য’ একবার ব্যবহার হয়ে গেছে পুনর্বার ব্যবহারের সুযোগ নেই অর্থাৎ সৌন্দর্য্য ভুল।
(উদাহরণ দেওয়ার জন্য সৌন্দর, সৌন্দরিক ব্যবহার করলাম, বাংলা ভাষায় এগুলো অর্থহীন!! দেঁতো হাসি )

প্রত্যয় নিজেই একটি পোস্ট হতে পারে, যদি সময় করে উঠতে পারি তবে যে প্রত্যয়গুলো বহুল ব্যবহৃত তা নিয়ে একটি পোস্ট লেখার চেষ্টা করব..... হাসি

মূর্ধন্য ণ নাকি দন্ত্য ন?:

এক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান পরিধানযোগ্য। তা নিয়ে চমৎকার পোস্ট আছে। বিস্তারিত লিখছি না তবে সবচেয়ে ব্যবহৃত হয় যে দুটো নিয়ম তা হল ট-বর্গীয়(ট, ঠ, ড, ঢ) ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হবে। আর ঋ, র, স এর পরে মূর্ধন্য ণ হয়। সবচেয়ে বেশি যে বানানে মূর্ধন্য ণ এর স্থলে সচলেও দন্ত্য ন দেখি তা হল "অসাধারণ, দারুণ, বিষণ্ন" এ! আশা করি আর ভুল হবে না!

ইংরেজি শব্দ:

ইংরেজি শব্দগুলোতে মূর্ধন্য ণ, মূর্ধন্য ষ কখনই হবে না। যেমন: পোস্ট, ফটোস্ট্যাট....ফ্রন্ট.........।

কতিপয় ফলা:

ব-ফলা আমসত্ত্ব এ হবে, সত্তায়(অস্তিত্বার্থে) হবে না!
ন-ফলা রয়েছে মধ্যাহ্ন, সায়াহ্নে (হ্+ন);
ণ-ফলা রয়েছে পূর্বাহ্ণ, অপরাহ্ণে (হ্+ণ);

আর মাঝে মাঝে কিছু যুক্ত ব্যঞ্জন লিখতেও অনেককে সমস্যায় পড়তে দেখেছি তা হল:
জ+ঞ=জ্ঞ, বিজ্ঞান
ঞ+চ=ঞ্চ, মঞ্চ
ঞ+জ=ঞ্জ, ব্যঞ্জন

চন্দ্রবিন্দু আছে নাকি নেই?:

একটি নিয়ম হল সংস্কৃত থেকে তদ্ভব হবার সময় চন্দ্রবিন্দু যুক্ত হয় যদি সংস্কৃতে নাসিক্য বর্ণ (ঙ, ণ, ন, ঞ, ম) থাকে। কণ্টক>>কাঁটা।
এছাড়া চন্দ্রবিন্দু হবে
হুঁশিয়ার
ঢেঁকুর/ঢোঁক
আঁকা বাঁকা
ধোঁয়া।

তবে আড় (অন্তরাল/বাঁকা/প্রস্থার্থে) এ চন্দ্রবিন্দু নাই!

কখন 'পরা' আর কখন 'পড়া'?

পরা-পরিধান করা
পড়া- উপর থেকে পড়ে যাওয়া, মনে পড়া, ধরা পড়া, বসে পড়া, অসুখে পড়া, কবিতা পড়া, গরম পড়া।

বিশেষ বা অন্যান্য:

আকাংখা/আকাঙ্খা নয় হবে আকাঙ্ক্ষা
অজান্তে নয় হবে অজ্ঞাতে ( এটি বাদ দেওয়া হল। অজ্ঞাতে, অজান্তে দুটোর ব্যবহারই বৈধ)
ফলশ্রুতি নয় হবে ফলস্বরূপ (ফলশ্রুতি শুধুমাত্র ধর্মীয় শ্লোকের ক্ষেত্রে ফলাফল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে)
সন্যাস/সন্নাস/সন্নাসি নয় হবে সন্ন্যাসী
ঝর্ণা/ঝরণা/ঝর্না নয় হবে ঝরনা
কিংবদন্তী নয় হবে কিংবদন্তি
পংক্তি/পঙ্ক্তি নয় হবে পঙ্ ক্তি
কাহিনী নয় হবে কাহিনি
মুহর্ত/মুহুর্ত/মূহুর্ত নয় হবে মুহূর্ত
চিক্বণ/চিক্বন নয় হবে চিক্কণ(ক+ক, ক-ফলা আর কী, ব-ফলা নয়!)
সাবাস/সাবাশ নয় হবে শাবাশ।
আর সঠিক হল
শুশ্রূষা
শ্মশান
মনীষী
অসাড়-সেন্স নাই
অসার-তুচ্ছ/সারহীন
জ্যোৎস্না (সচলে সবাই ঠিক লিখে)
মুমূর্ষু (সচলে সবাই ঠিক লিখে)।

দু একটা উচ্চারণ:

যে কোন ‘-ফলা’ প্রথমে বাদে মাঝে/শেষে থাকলে দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়। শাশ্বত(শা শোতো নয়, হবে শাশ্ শোতো)

এছাড়া আরো কিছু হল:
হত্যা -> হোত্ তা (হত্ তা নয়)
ভরসা -> ভর্ সা (ভরোসা নয়)
নিজ নিজ->নিজো নিজো (নিজ্ নিজ্ নয়)।

'হ্ব' থাকলে উচ্চারণের সময় ও+ভ পড়তে হবে,
আহ্বান->আওভান ( আহ্ বান/ আব্ভান নয়)
বিহ্বল->বিওভল (বিহ্ বল নয়)
গহ্বর->গওভর (গহ্ বর/গব্ভর নয়)
জিহ্বা->জিওভা (জিহ্ বা/জিব্বা নয়)

বিশেষ বানান আর উচ্চারণগুলো স্মরণ করতে গিয়ে অনেক কিছুই করতে পারি নি, যতগুলো দিলাম তা আসলে শিখেছি শ্রদ্ধেয় রাজ্জাক স্যারের(গল্যাহাস) কাছ থেকে, স্যারের ক্লাশগুলোর কথা মনে পড়ল!! সে এক অসামান্য পাণ্ডিত্য!! স্যারের খাতাটাও হারিয়ে ফেলেছি তা না হলে সবই দিতে পারতাম!! মন খারাপ

[অফটপিক: এই পোস্ট পড়ার পর একথা ভাবার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই যে আমি নিজে বানান ভুল করি না, ভুল হয়-হয়তো হবেও! তবু আমাদের আরো সচেতন হতে হবে; কারণ যে বানানটি জানি তা ভুল কেন লিখব? আর এও বোঝা যাচ্ছে এটা একটি জগাখিচুড়ি পোস্ট হয়ে গেছে, অনেক কিছু এনেছি কিন্তু তা সম্পূর্ণভাবে আনি নি/মনে করতে পারি না/নেই চিন্তিত আর ১ সপ্তাহ পরেই পরীক্ষা শুরু হবার কথা ছিল, তাই ভেবেছিলাম এ সপ্তাহে আর পোস্ট দেওয়া হবে না, কিন্তু যথারীতি পরীক্ষা আরো ১ সপ্তাহ পিছিয়ে গেছে, তাই আর পায় কে, সচলের নেশাতেই আরেকবার মগ্ন হলাম!!! দেঁতো হাসি ]


মন্তব্য

অপছন্দনীয় এর ছবি

নামের আগে একটা অ কেন আছে এইবার বুঝবেন...

আমার রয়্যালটি কই?

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

দেঁতো হাসি রয়্যালটি ইয়ে, মানে... কই যে পালাই চিন্তিত

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

প্রথমে একবার পোস্ট করার ১ ঘণ্টা পর পড়ার সময় কিছু ভুল মন খারাপ সংশোধন করে আরেকবার পোস্ট করেছিলাম। আর প্রকাশিত হয়ে পড়ল আগেরটা।

রিপোস্ট না করে এখানে আবার উল্লেখ করছি:
# আর সর্বদা বিদেশি শব্দে ই কার হবে। যেমন: শহিদ, গরিব, জরুরি (জরুরী নয়)
# আর ঋ, র, এর পরে মূর্ধন্য ণ হয়।
# অজান্তে নয় হবে অজ্ঞাতে ( সবাই অজান্তে লিখে থাকে এই শব্দটি আমি ) এটুকু বাতিল।
# ফলশ্রুতি নয় হবে ফলস্বরূপ (ফলশ্রুতি শুধুমাত্র ধর্মীয় শ্লোকের ক্ষেত্রে শ্রবণোত্তর ফলাফল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে)

** শুধুমাত্র বোল্ডকৃত অংশগুলো পরিবর্তিত/মাত্রসংযুক্ত।

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

এবং তদ্রূপ দেঁতো হাসি

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

# অজান্তে নয় হবে অজ্ঞাতে যতক্ষণ পর্যন্ত আমি ব্যাখ্যা দিতে না পারছি ততক্ষণ এই বাক্যটি বাতিল। এবং অসহযোগিতার জন্য দু:খপ্রকাশ করছি। মন খারাপ

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

পোস্টলেখক নিজের নাম/নিক দেন নি। "রূপা" কীভাবে ভুল সেটা একটু ব্যাখ্যা করুন।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

নিক 'কবি মৃত্যুময়', যদিও অ-কবি/নিম্ন মানের কবি, তাই নিক থেকে যুতসই শব্দ পেলেই 'কবি' বাদ দিব হাসি

রুপা বানানটাতো শিখেছিলাম স্যারের কাছ থেকেই। যেমন অভিধানে 'কাহিনী'ই লেখা আছে নি:সন্দেহে! স্যার তো ব্যাখ্যা দিতেন ঠিকই, কিন্তু আমি তো ভুলে গেছি, 'কহনি/কহানি' থেকে 'কাহিনি' হবে। রুপার ক্ষেত্রেও তাই, মনে নেই। তবে 'রূপ(আকৃতি)' থেকে জাত/নির্ভর সবগুলোতে দীর্ঘ ঊ কার (রূপান্তর, রূপক) হলেও; এ ক্ষেত্রে সংস্কৃত শব্দ থেকে তদ্ভব হবার সময় খুব সম্ভবত হ্রস্ব উ কার চলে এসে হয়েছে 'রুপা'। হাসি

পড়ার জন্য আর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।(আপনার প্রথম মন্তব্য পেলাম) হাসি

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

রৌপ্য > রূপা এমনটা হবার কথা না? এটা রূপের সাথে সম্পর্কিত নয়। কাহিনী তো হিন্দী বা ফার্সী জাত শব্দ নয়, তাহলে কাহিনী লিখতে অসুবিধাটা কোথায়?

আমি মন্তব্য করি কম, আর লিখি আরো কম। আর আমার মতো পাঠকের মন্তব্য পাওয়াতে উচ্ছ্বসিত হওয়ার কিছু নেই।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

পাণ্ডবদা, তখন একটু ভুলভাবে কথাটা লেখায় মনে হচ্ছিল যে রূপের সাথে রূপা মেলাচ্ছি। মন খারাপ আপনি যা বলেছেন তাই, রূপের সাথে রুপার সম্পর্ক নেই; আমি এটা বোঝাতেই বলতে চাচ্ছিলাম রূপে দীর্ঘ ঊ কার আছে দেখে যে রুপায়ও হবে তা নয়, হ্রস্ব উ কার হবে। দু:খিত ভাইয়া।

রৌপ্যের আদিস্বর ঔ দেখে যা বুঝছি এর তদ্ধিদান্ত হয়ে বৃদ্ধি ঘটেছে, তাহলে এর নামপ্রকৃতিতে হয় রু/রূ ছিল, অর্থাৎ মূল সংস্কৃত শব্দটি হল রুপ্য/রূপ্য। তাহলে সংস্কৃত রুপ্য/রূপ্য থেকে বিবর্তনে রুপা/রূপা হয়েছে ধরা যায়, দীর্ঘ ঊ কার রক্ষিত হয় নি ধরে নিলে রুপাই হবে। আমি সিদ্ধান্তে আসতে পারছি না।

আর কাহিনি তো ভাইয়া সংস্কৃত কহানিকা থেকে এসেছে, সেখান থেকে প্রাকৃতে কহানি, আর তারপর পরবর্তী স্বর হ্রস্ব ই কারের প্রভাবে 'হ' তেও স্বরসাম্য রক্ষায় হ্রস্ব ই কার চলে এসেছে, হয়েছে কাহিনি। এখন সংস্কৃত/প্রাকৃত কোনটাতেই যেহেতু 'ন' তে দীর্ঘ ই কার নাই, এটা কেন আসবে সেটাই চিন্তার বিষয়। আমার কাছে তো মনে হচ্ছে কাহিনিই যুক্তিযুক্ত।

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

উচ্ছ্বসিত না হয় একটু হলামই পাণ্ডবদা। দেঁতো হাসি

আশালতা এর ছবি

এত কিছু মনে থাকলে হয় চিন্তিত

----------------
স্বপ্ন হোক শক্তি

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

আমারো কী আর সব মনে থাকে আপু? তাইতো একত্র করে রাখা। আমি চেষ্টা করেছি যে শব্দগুলো বহুল ব্যবহৃত তা উল্লেখ করতে, আশাকরি সবারই কাজে লাগবে। দেঁতো হাসি

মাহবুব লীলেন এর ছবি

ভাবলাম বানান শেখাবে এখন দেখি ভাষা বকরণ (বকলম মানে কলমহীন হলে বকরণ মানে কর্মহীন/পঙ্গু/টুণ্ডা বুঝতে হবে)

০২

ডরাইলাম

০৩

বাংলা দাবি করে যে জিনিস বাঙালিদের বোঝাতে অত কষ্ট করতে হয় সেটার আদৌ কোনো দরকার আছে কি না এই প্রশ্নটা কিন্তু আমার আছে

আমার মনে হয় বস্তাপচা ব্যাকরণ মুখস্থ করিয়ে বাংলা ভাষাকে দুর্বিসহ করার চেয়ে বরং ওই বকরণটাকে একটু রিকন্ডিশন করা দরকার

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

দুর্বিষহ আসলেই করে লীলেন ভাই!! ব্যাকরণ তো লাগবেই, তাই রিকন্ডিশন করার সাথে সহমত, তবে তা কিছু ক্ষেত্রে!! যে কোন বানানেরই বৈধতা দিয়ে দিলে তো ভাষার সৌন্দর্য আর লিখিত বা আদর্শ রূপ হারিয়ে যাবে। তাই কিছু বানানে বকরণ করা যেতে পারে যেমন স/ষ, ন/ণ, ি/ী, ু/ূ এই ঝামেলাগুলোর বদলে শুধুমাত্র যে কোন একটি বাছাই করা যেতে পারে, এবং এরকম আরো কিছু ক্ষেত্রে। আর ব্যাকরণপণ্ডিতদের উচিৎ এই খটর মটর বকরণটাকে আরো কীভাবে সহজপাচ্য করে 'করণ' করা যায়! দেঁতো হাসি

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

বাংলা ব্যাকরণ বলে বাস্তবে কিছু নাই স্যার। যেটাকে বাংলা ব্যাকরণ বলে চালানো হয় সেটা সংস্কৃত ব্যাকরণের অপভ্রংশ মাত্র। এই সত্য আপনিও জানেন। জিন্দা মরাকে কাঁধে নিয়ে গোরস্থানে যেতে পারে এটা সবাই জানে। কিন্তু এখানে মরা যে জিন্দাকে প্রতিনিয়ত নাকানিচুবানি খাওয়াচ্ছে এটা ভাবলেই আমার আশ্চর্য লাগে।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

সত্যি অপভ্রংশ। কিন্তু ভাইয়া এটা ছাড়া কি আর কিছু করার ছিল?

এখানে মরা যে জিন্দাকে প্রতিনিয়ত নাকানিচুবানি খাওয়াচ্ছে এটা ভাবলেই আমার আশ্চর্য লাগে।

ভাইয়া কী করলে এই অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব?

মণিকা রশিদ এর ছবি

আমার মনে হয় বস্তাপচা ব্যাকরণ মুখস্থ করিয়ে বাংলা ভাষাকে দুর্বিসহ করার চেয়ে বরং ওই বকরণটাকে একটু রিকন্ডিশন করা দরকার

। আমারো ঠিক তাই মনে হয়!

বাংলা দাবি করে যে জিনিস বাঙালিদের বোঝাতে অত কষ্ট করতে হয় সেটার আদৌ কোনো দরকার আছে কি না এই প্রশ্নটা কিন্তু আমার আছে

। সহমত

----------------------------------------------
We all have reason
for moving
I move
to keep things whole.
-Mark Strand

অলকা সান্যাল এর ছবি

বানান ভুল বড় দুঃখ দেয়, মাতৃভাষার অপমান । সময়োচিত লেখাটির জন্য ধন্যবাদ ।

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আপনাকেও ধন্যবাদ।

আসলেই মাতৃভাষা বলে কথা। ইংরেজির একটা বানানও যেন ভুল না হয় সেজন্য আমাদের কতই না প্রাণান্ত থাকতে হয়, অথচ বাংলা শুদ্ধ বলা/লেখার কথা আমরা বিলকুল ভুলে যাই। এটাই হতাশার জায়গা!!

তিথীডোর এর ছবি

ব্যাকরণ ডরাই! মন খারাপ
পোস্টে চলুক

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

ব্যাকরণের কিছু অংশ ছাড়া আমিও ডরাই, বিশেষ করে যা মুখস্থনির্ভর।

পড়ার জন্য আর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ তিথীআপু।

মৌনকুহর. এর ছবি

কাজের পোস্ট......... চলুক

এত বিদ্যা মাথায় থাকলে হয়......... চিন্তিত

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ ভাই। হাসি এত নিয়ম অবশ্য আমারো মাথায় থাকে না, লেখার সময় কত ভুল করে বসি!! দেঁতো হাসি

জাতিস্মর এর ছবি

" অজান্তে নয় হবে অজ্ঞাতে " --- এটার ব্যাখ্যা চাই । বাংলা একাডেমীর অভিধানের পৃষ্ঠা ৯ এ " অজান্তে " শব্দটি লিখা আছে । অজানত ,অজানতে ,অজান্তে --- ক্রি-বিণ,অজ্ঞাতসারে , না জানিয়া , গোপনে । আপনি না জেনে এধরনের ভুল তথ্য প্রচার করছেন কেন ? পুরো লেখা ভালোভাবে পড়লে আরও ভুল বের করা যাবে হয়তো ।
না জানাটা খারাপ কিন্তু ভুল জানাটা অপরাধ , আর ভুল তথ্য প্রকাশ করা আরও বেশী অপরাধ ।

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

আমি জানি অভিধানে 'কাহিনী', 'অজান্তে' আছে। এগুলো ব্যবহারের বৈধতা আছে, শুদ্ধতা নেই। কেন 'কাহিনি' হবে আমি বলার চেষ্টা করেছি। অজ্ঞাতে কেন হবে তার ব্যাখ্যা এ মুহূর্তে দিলাম না। পাওয়া/বের করতে পারলেই জানাবো। যদি না পারি স্পষ্ট উল্লেখ করে দিব এটা আমি ব্যাখ্যা করতে পারছি না।

আমি মূর্খ হলেও আমার শিক্ষকরা পণ্ডিত ছিলেন, তাদের কাছ থেকে যা শিখেছি তার যতটুকু মনে আছে এখানে উল্লেখ করেছি, এ বিষয়ে আমি নিজের কাছে সৎ আছি, তাদের কাছ থেকেই 'কাহিনি' আর 'অজ্ঞাতে' ব্যবহার করা উত্তম জেনেছি।

"পুরো লেখা ভালোভাবে পড়লে আরও ভুল বের করা যাবে।" আপনার জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ আছে! তা হল আপনি উত্তমরূপে পড়ুন, ভুল বের করে বলুন, মোটা অংকের ভুল বের করতে পারলে এই পোস্ট রিমুভ করার জন্য আমি সচল কর্তৃপক্ষকে নিজে অনুরোধ করব।

ব্যাখ্যা চাইতে পারতেন, নিজে সঠিকটা বলে শুধরে দিতে পারতেন, তা না করে আমাকে তো আক্রমন করলেন। যাই হোক আমাকে আরো অপমান করার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করবেন না যেন।

জাতিস্মর এর ছবি

"অজান্তে না অজ্ঞাতে হবে" --- এর ব্যাখ্যা চাই । বাংলা একাডেমী অভিধানের পৃষ্ঠা ৯ এ "অজান্তে " শব্দটি এবং এর অর্থ লিখা আছে । আপনি না জেনে অথবা অল্প জেনে ভুল তথ্য প্রচার করছেন কেন ?

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

আমি জানি অভিধানে 'কাহিনী', 'অজান্তে' আছে। এগুলো ব্যবহারের বৈধতা আছে, শুদ্ধতা নেই। কেন 'কাহিনি' হবে আমি বলার চেষ্টা করেছি। অজ্ঞাতে কেন হবে তার ব্যাখ্যা এ মুহূর্তে দিলাম না। পাওয়া/বের করতে পারলেই জানাবো। যদি না পারি স্পষ্ট উল্লেখ করে দিব এটা আমি ব্যাখ্যা করতে পারছি না।

আমি মূর্খ হলেও আমার শিক্ষকরা পণ্ডিত ছিলেন, তাদের কাছ থেকে যা শিখেছি তার যতটুকু মনে আছে এখানে উল্লেখ করেছি, এ বিষয়ে আমি নিজের কাছে সৎ আছি, তাদের কাছ থেকেই 'কাহিনি' আর 'অজ্ঞাতে' ব্যবহার করা উত্তম জেনেছি।

"পুরো লেখা ভালোভাবে পড়লে আরও ভুল বের করা যাবে।" আপনার জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ আছে! তা হল আপনি উত্তমরূপে পড়ুন, ভুল বের করে বলুন, মোটা অংকের ভুল বের করতে পারলে এই পোস্ট রিমুভ করার জন্য আমি সচল কর্তৃপক্ষকে নিজে অনুরোধ করব।

ব্যাখ্যা চাইতে পারতেন, নিজে সঠিকটা বলে শুধরে দিতে পারতেন, তা না করে আমাকে তো আক্রমন করলেন। যাই হোক আমাকে আরো অপমান করার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করবেন না যেন।

ইস্কান্দর বরকন্দাজ এর ছবি

পড়তেই ভাল্লাগেনা। লেখতেতো আরও বেশি। বানান ডরাই... রেগে টং

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

হো হো হো ভালোই বলছেন।

guest এর ছবি

কিছু কিছু শব্দের একাধিক বানান প্রচলিত আছে এবং সবগুলোই শুদ্ধ। যেমন: বাড়ী ও বাড়ি, ভালোবাসা ও ভালবাসা ইত্যাদি। অনেকেই একাধিক বানানের মধ্যে একটিমাত্র বিকল্প বানান রেখে অন‌্যগুলো বর্জন করার পক্ষপাতী। যেমন হায়াৎ মামুদ তাঁর "বাংলা লেখার নিয়মকানুন" গ্রন্থে (পৃষ্টা ১৭৭) 'ভালোবাসা'-কে বর্জন করে 'ভালবাসা' গ্রহণ করার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। আবার বাংলা একাডেমী প্রকাশিত অভিধানে এখনোও টিকে আছে 'ভালোবাসা'। এতো মহাসমস্যা!

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

ভাই ধন্যবাদ। ঠিক এরকম আলোচনাই প্রার্থীত। অভিধানে প্রথম যে বানানটি উল্লেখ থাকে তা শুদ্ধ, এরপর কমা কমা দিয়ে আরো কয়েকটি উল্লেখ থাকতে পারে, যা সাধারণত শুদ্ধ না হলেও অতি প্রচলনের কারণে অভিধানকেও এডপ্ট করে নিতে হয়। যেমন শহিদ এরপর কমা দিয়ে শহীদ ও লেখা থাকে। ঝরনার পর থাকে ঝর্না, থাকে ঝর্ণা। আমি প্রথম বানানগুলো উল্লেখ করেছি। শহিদ শুদ্ধ, কিন্তু শহীদ অশুদ্ধ হলেও বৈধ। কারণ অভিধান বানান ব্যবহারের বৈধতা দেয়।

পাগল মন এর ছবি

আমি ছোটবেলায় ব্যাকরন খুব একটা ভালো পেতাম না। তবে সন্ধি, সমাস ভালো লাগত, কিন্তু প্রত্যয়, উপসর্গ এগুলোকে ভয় পেতাম এখনো পাই।
লেখা ভালো লাগল, অনেক বানান শিখলাম বিশেষ করে 'ভালোবাসা'। এতদিন দেখি ভুল বানানেই কাজ চালিয়ে দিলাম। দেঁতো হাসি

------------------------------------------
হায়রে মানুষ, রঙিন ফানুস, দম ফুরাইলে ঠুস
তবুও তো ভাই কারোরই নাই, একটুখানি হুঁশ।

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

দেঁতো হাসি জ্বি ভাইয়া আমাদের সবার অভিজ্ঞতা কম বেশি একি রকম!! আমিও কতকিছু ডরাই!!

অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য, আর কিছু উপকার হলেই পোস্টের সার্থকতা। হাসি

[ আর আমিও একসময় ভালবাসাই লিখতাম দেঁতো হাসি , স্যারই কিছু যা শিখিয়েছে!!]

রোমেল চৌধুরী এর ছবি

বানান তত্ত্বের প্রতি যথা সম্মান রেখেই আমি বরং বাক্যতত্ত্বে ডুবে যেতে চাই!

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
নক্ষত্রের নিচে।

কবি-মৃত্যুময় এর ছবি

হাসি দেঁতো হাসি বাক্যতত্ত্বেই যে ভাষার আসল সুষমা!!!

এক লহমা এর ছবি

"ইংরেজির একটা বানানও যেন ভুল না হয় সেজন্য আমাদের কতই না প্রাণান্ত থাকতে হয়, অথচ বাংলা শুদ্ধ বলা/লেখার কথা আমরা বিলকুল ভুলে যাই।" চলুক

প্রিয়তে নিলাম।

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

অতিথি লেখক এর ছবি

চলুক

ছেলেবেলা থেকে ব্যাকরণ ডরাই চিন্তিত , এখনো এইসব মাথার উপর দিয়ে যায়। আমার যথেষ্ট বানান ভুল হয়, চেষ্টা করছি সেগুলো কাটিয়ে উঠার। এমন সহায়ক পোষ্ট বর্তমানে নেই কেন, সিরিজ আকারে এটি কি চালু করতে পারেন না এখন?

মাসুদ সজীব

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।