শুভ জন্মদিন তোমায় মাহদিন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১৩/০৭/২০১২ - ৩:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শুভ জন্মদিন তোমায় মাহদিন

জুলাই মাস এসেছে তাই একটা লেখা কেন জানি মাসের শুরু থেকে শুরু করবো ভাবছি কিন্তু লেখা হয়ে উঠছে না নানা কাজের ঝামেলায়। কিন্তু মাসের ১৩ তারিখ খুব সন্নিকটে তাই আর দেরি করা ঠিক হবে না। হয়তো ভাবছেন ১৩ তারিখ আবার কি যে এত ভণিতা করতে হবে। তাই আর বেশি ন্যাকামি না করে মনে হয় সোজা মূল কথায় চলে যাওয়ায় ভালো । আসলে এই দিনে একটি সতেজ প্রাণ তার আগমনী বার্তা নিয়ে আমাদের পরিবারের সকলকে আনন্দ ধারায় অবগাহন করিয়ে এসেছিল এই ধরণিতে । আমার ছেলে মাহদিনের জন্মদিন এটা । খুব ব্যক্তিগত একটি লেখা জানিনা এটা সচলে প্রকাশ হবে কি না তবে খুব লিখতে ইচ্ছে হল ওর ২য় জন্মদিন নিয়ে কিছু একটা ।

আমার মত যারা বাবা হয়েছেন তারা সবাই ঠিক এমন একটা দিন পেয়েছেন বছরের অনেক দিনের ভিড় ঠেলে। আমার ক্ষেত্রেও সেই দিনটি এসেছিল বেশ আয়োজন করেই । অনেক দিন ধরে অনেক পরিকল্পনা করে অবশেষে যখন সিগন্যাল পেলাম যে এই দিনটিই হবে উত্তম তখন আর দেরী না করে ১২ ই জুলাই হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দিলাম সহধর্মিণীকে । ১৩ তারিখ সকাল দশটাই অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হল তাকে। আমি ওয়েটিং রুমে অপেক্ষমাণ । কিছুক্ষণ পরপর নার্স একটু বাইরে আসলেই মনে হচ্ছে এই বুঝি কোন সংবাদ নিয়ে এলো সে। আমার পাশেই ডি এম ও বসে ছিলেন যিনি নানা ব্যস্ততার মাঝেও আমাকে বিভিন্ন গল্পে একটু ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করলেন যাতে আমি কিছুটা হলেও অপারেশন থিয়েটার থেকে নিজেকে ওই রুমের মাঝে আচ্ছন্ন রাখতে পারি। কিন্তু না সেই দিকটাতে তিনি খুব একটা সফল হলেন না। আমার সকল চিন্তা কেবল আমার স্ত্রীকে নিয়ে। তার কাছ থেকে যে সংবাদটির জন্যে এতদিনের অপেক্ষা তার বাস্তব রূপ প্রতিফলিত হবার সেই মহেন্দ্র ক্ষণ নিয়ে।

তারপর সেই ক্ষণটি এসে ধরা দিল দুপুর একটার দিকে। তাকিয়ে দেখি নার্স একটি ছোট্ট কাপড়ে কিছু একটা পেঁচিয়ে আমার দিকে এগিয়ে আসছেন। কাছে এসেই বললেন এই নিন । আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না কি নিয়ে আসা হল আমার কাছে। অনেক মায়া জড়ানো আর সরবচ্চ সতর্কতা নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে জড়িয়ে নিলাম সেই নিষ্পাপ শিশুটিকে । আমি আর কিছু না বলেই সোজা এগিয়ে এলাম বাইরে অপেক্ষমাণ আপনজনদের কাছে। সবার মুখেই দেখলাম একই জিজ্ঞাসা ছেলে না মেয়ে কিন্তু আমি নির্বাক কারণ জিজ্ঞাসা করা হয়নি তখনও । আবেগে এতটাই উচ্ছ্বসিত ছিলাম যে ভুলেই গেছি সে কথা। কিন্তু সমস্যা হয়নি আমার শশব্যস্ত চলার পিছু নিয়ে নার্সও এগিয়ে এসেছিলেন তাই ওই প্রশ্নের উত্তর দিতে আর দেরি হয়নি তার। জানিয়ে দিলেন সবাইকে আমি ছেলের বাবা হয়েছি, নিকটজনের মধ্য থাকা কেউ নানা আর কেউ দাদা হয়েছেন। এইতো সেই ১৩ই জুলাই। মনে হয় যেন সেদিন। অথচ এরই মাঝে পার হয়েছে দুটি বছর।

প্রথম দিনের সেই উচ্ছ্বাস চলল একেবারে সেদিন রাত পর্যন্ত । আর এই উচ্ছ্বাসের সূচনা পর্বের সূচনা হল মিষ্টি পর্ব দিয়ে। গাড়ি নিয়ে ছুটে গেলাম বগুড়া শহরে আর সাত মাথার থেকে কিনে আনা হল প্রায় আধ মন মিষ্টি । খালি কিছু প্যাকেটে করে সেই মিষ্টি চলে গেল পরিচিত অনেকের বাসায়। খুব স্বার্থপরের মত ভুলে গিয়েছিলাম আই সি ইউ তে অচেতন ভাবে পড়ে থাকা সহধর্মিণীর কথা। খুব স্বার্থপর মনে হচ্ছে তাই না? আসলে ডাক্তারই বলেছিল সকালে জ্ঞান ফিরলে তখন আসার কথা।সেদিন বাবা হবার উত্তেজনা থেকেই পৃথিবীর সব কিছু ভুলে গিয়ে শুধু মগ্ন ছিলাম ছোট্ট মাহদিন কে নিয়ে।

এভাবেই ছেলেকে নিয়ে শুরু হল আমাদের প্রতিদিনের পথচলা । ও কি খাবে , কি করলে ঠাণ্ডা থেকে লুকিয়ে রাখা যাবে, কিভাবে চোখের হলদে ভাব আস্তে আস্তে ধবল হবে এসব বিষয় গুলোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দিতে লাগলো তখন । প্রথম ছয় মাস গেল একেবারেই কঠিন ভাবে। রাতজাগা হয়ে গেল তার মায়ের জন্য নিত্য দিনের রুটিন কাজ। একটু ঝিম ঝিম আসলেই পুচকেটা কেমন যেন টের পেয়ে যেত । আমাদের চোখ বুজে আসা তার একেবারেই অপছন্দ । তাই এগুলো দেখলেই শুরু করে দিত ভ্যা ভ্যা করে কান্না। সারারাত তার মায়ের রাত জেগে ছেলেকে পাহারা আর সকাল হলে ময়লা কাপড় চোপড় কাচার এক নতুন চাকরি পেয়ে গেলাম আমি।

এভাবেই চলছে ঘুম জাগানিয়া রাত আর দিনের খেলা। সারাক্ষণ একেবারে চাতক পাখির মত ট্রলির দিকে চেয়ে থাকার এক মজাদার কাজ প্রতিদিনই করতে থাকলাম পালা করে দুজনে। আস্তে আস্তে তার বেড়ে ওঠা দেখলাম। সেই ত্যানা পেঁচানো ছেলেটি আস্তে আস্তে ডাইপারস পরা শুরু করলো । তার উপর আবার নরম কাপড়ের প্যান্ট । এর মাঝে হঠাত একদিন ওর মা আমাকে বলে বাবুর জন্য কিছু ড্রেস কিনতে হবে। আমি তো রীতিমত অবাক আরে এই পিচিচর আবার ড্রেস কিসের? মায়ের উত্তর ছেলে নাকি বড় হয়ে গেছে। জানিনা মা সবার আগে ছেলের এই বেড়ে ওঠা উপলব্ধি করে কিনা । আমিও অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম মাহদিনের ক্রমশ বেড়ে ওঠা । তাই আর দেরি না করে রহমানিয়া এক্সক্লুসিভ থেকে কিনে আনা হল বাহারি রঙয়ের কিছু পোশাক । ত্যানা সরিয়ে নতুন পোশাক পরানোর সাথেই কেমন যেন বেরিয়ে এলো তার শ্রান্তির হাসি। সেদিন আনন্দে ভরে গিয়েছিল মন।

এভাবেই চলছে সময়ের শকট। দেখতে দেখতে চলে আসলো ১৩ই জুলাই ২০১১। প্রথম জন্মদিন। তখন ঢাকায় থাকি আমরা। খুব ঘনিষ্ঠ কিছু মানুষের পদচারণয় মুখর হয়েছিল ওই দিনটি । কফি কুকারস সেভেন থেকে আনা হল ইলিশ খিচুড়ি আর বিজয় সরণীর কুপার্স এর কেক। বাবুর প্রথম জন্মদিনের কেক। হালকা ইন্সট্রুমেন্তাল মিউজিক এর সাথে আবছা ঘরোয়া আলোই মুখর হয়েছিল সেই সন্ধ্যা।তারকাদের মত নানান মানুষের সাথে ছবি তোলার পোজ দেয়ায় ব্যস্ত দেখলাম এক বছরের ওই পুঁচকেটাকে । সেই সাথে আমাদের কোন পাত্তা না দিয়ে তাকে খাওয়ানোতেই ব্যস্ত দেখলাম সবাইকে। সেদিন পৃথিবীর সবচেয়ে সার্থক একজন মানুষ মনে হয়েছিল নিজেকে । আমার উপরে অর্পিত একটি প্রাণের দায়িত্ব বাবা হিসেবে এক বছর সফলভাবে পালন করার সার্থকতা । আমার মত সব বাবারই হয়ত এরকমই উপলব্ধি ।

আজ ঘুরে ফিরে আবার সেই ১৩ ই জুলাই। প্রথম জন্মদিনের পর ৩৬৫ দিন কিভাবে কেটে গেছে তা টের পাইনি আমি। এর মাঝে প্রায় ১৫০ দিনের বেশি আমি মাহদিনের কাছ থেকে কয়েক হাজার মেইল দূরে। এই দিনগুলো কেটেছে শুধু দূর থেকে ল্যাপটপের স্ক্রিনে চেয়ে থেকে। ওর কথা বলা সেভাবে শুনে আসতে পারিনি।স্কাই-পির বদৌলতে খুব মায়াভরা কণ্ঠে তার শব্দ ভেসে আসে আজ স্ক্রিনের ভেতর থেকে। ওর বাবা ডাক আজ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধ্বনি আমার কাছে। মাঝে মাঝে ফোনেও সে কথা বলে । আদর মাখা ঠোঁটে তার সামনে থাকা ডেস্কটপের স্ক্রিনে একেদেয় চুম্বন। কখনও আবার একহাত দিয়ে আমাকে লক্ষ্য করে বাতাসে উড়িয়ে দেয় উড়ন্ত চুম্বন। ভাবতে খুব অবাক লাগে যে এত পাকু হয়ে গেছে সেইদিনের সেই পুচকেটা ।

শুনেছি নাকি ও খুব সুন্দর ছড়া বলে। তাই মাঝে মাঝেই হাট টি মাটিম টিম শুনিয়ে আমার দাবি পূরণ করে চলে। ইদানীং গান করে ফোকলা দাঁতের ফাঁক দিয়ে। ‘বাবা বনে গেন আন কন দিন গান কোন না’ - এই গানটাও সে গায় আমার মত শ্রোতার করা অনেক অনুরোধে পর। এসব কিছুই ঘটে চলেছে তার দ্বিতীয় বছরে পদার্পণের পর যদিও এসব ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী আমি হতে পারিনি এই দূর বাসে থেকে।

এই মুহূর্তে খুব মিস করছি ওকে কারণ ১২ টা পার হয়েছে অনেক আগেই। বাসায় কেক কাটা হবে কাল সন্ধ্যায় । এত দূর থেকে খুব কষ্ট পাচ্ছি এই মুহূর্তে ওর পাশে থাকতে না পেরে। কিছুই করতে পারছিনা আবার দিতেও পারছিনা কিছুই ।তাই আমার এই লেখাটি আজ ওর জন্মদিনের জন্য উপহার হয়ে থাক।

ভালো থেকো মাহদিন। শুভ জন্মদিন তোমায় । বাবার পক্ষ থেকে অনেক আদর আর চুম্বন ।

অমি_বন্যা


মন্তব্য

তারেক অণু এর ছবি

শুভ জন্মদিন মাহদিন ।

অমি_বন্যা এর ছবি

বার্তা পৌঁছে দিলাম অনু দা।

কড়িকাঠুরে এর ছবি

শুভ জন্মদিন মাহদিন... হাসি

অমি_বন্যা এর ছবি

আপনার শুভেচ্ছা জানিয়ে দিলাম। হাসি

সুমাদ্রী এর ছবি

মাহদিন-এর জন্য জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আর মাহদিনের বাবার কাছ থেকে হোটেল কাসকাদের ডিনার নাহোক অন্ততঃপক্ষে কাফে পাণ্ডা খাওয়ার আশায় রইলাম হাসি

অন্ধকার এসে বিশ্বচরাচর ঢেকে দেওয়ার পরেই
আমি দেখতে পাই একটি দুটি তিনটি তারা জ্বলছে আকাশে।।

অমি_বন্যা এর ছবি

দাদা, আপনার খাওয়া পাওনা থাকলো সময়মত বুঝিয়ে দেব।আর আপনার শুভেচ্ছা পৌঁছে দিলাম মাহদিন কে।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

শুভ জন্মদিন

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

অমি_বন্যা এর ছবি

ধন্যবাদ ত্রি ক দা ।

বন্দনা এর ছবি

আপনার পিচকাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। লিখা ভাল হয়েছে।

অমি_বন্যা এর ছবি

ধন্যবাদ বন্দনা। আপনার শুভেছছা পৌঁছে দিলাম মাহদিন কে।

অতিথি লেখক এর ছবি

আমাদের চোখ বুজে আসা তার একেবারেই অপছন্দ । তাই এগুলো দেখলেই শুরু করে দিত ভ্যা ভ্যা করে কান্না। সারারাত তার মায়ের রাত জেগে ছেলেকে পাহারা আর সকাল হলে ময়লা কাপড় চোপড় কাচার এক নতুন চাকরি পেয়ে গেলাম আমি।

কত চেনা, তবু ছুঁয়ে যায়! জীবনানন্দের ভাষায়ঃ
পৃথিবীর এইসব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল!

অমি_বন্যা এর ছবি

চলুক

জুন এর ছবি

শুভ জন্মদিন মাহদিনকে। আর আপনাদেরকেও শুভেচ্ছা। হাসি

যদি ভাব কিনছ আমায় ভুল ভেবেছ...

অমি_বন্যা এর ছবি

ধন্যবাদ জুন । আপনার শুভেচ্ছা পৌঁছে গেল।

সচল জাহিদ এর ছবি

আপনি ভাগ্যবান। আমার ছেলের প্রথম জন্মদিনে কাছে থাকতে পারিনি, সেই কষ্ট আছে। আপনার আবেগের প্রকাশটা সব বাবাদের জন্যই আনন্দের। শুভ জন্মদিন মাহদিন।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

অমি_বন্যা এর ছবি

আসলেই ভাগ্যবান জাহিদ ভাই । তবে এবারে থাকতে না পেরে কষ্ট পেলাম।
আপনার শুভেচ্ছা চলে গেছে মাহদিনের কাছে। ভালো থাকবেন।

রাতঃস্মরণীয় এর ছবি

মাহদিনের এই জন্মদিনে
বেলাক ফরেস্ট আনুন কিনে
বেলুনগুলো্য় ভরুন বাযু
মা'দিন সোনা হোক শতায়ু।।

বাইদ্য্ওয়ে, আমি তো আপনাকে বন্যাদি বলে ভেবেছিলাম। এখন তো দেখছি আপনি বন্যাদা। চোখ টিপি

------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।

অমি_বন্যা এর ছবি

চমৎকার আপনার লাইনগুলো । অনেক ভালো লাগলো রাতঃ দা। চরণগুলো পৌঁছে দিলাম। ভালো থাকবেন।
আমাকে অমি বললেই হবে রাতঃ দা। ইয়ে, মানে...

অতিথি লেখক এর ছবি

বেলাক ফরেস্ট আনুন কিনে

এর কি হইবো?

মনের রাজা টারজান,

কানিজ ফাতেমা এর ছবি

শুভ জন্মদিন।অনেক অনেক আদর আর ভালবাসা তোমার জন্য।শুভ হোক আগামি দিনের পথ চলা।

অমি_বন্যা এর ছবি

শুভ হোক ওর আজীবন পথচলা। নতুন নতুন গানে আর ফোকলা দাতের ফাঁক থেকে বের হোক ভাঙ্গা ভাঙ্গা অজস্র কথামালা । শুভকামনা তোমাকেও যার কারণে এমন একটি দিনের সূচনা । ভালো থেকো ।

কানিজ ফাতেমা এর ছবি

হাসি

প্রদীপ্তময় সাহা এর ছবি

মাহদিনকে শুভ জন্মদিন বাঘের বাচ্চা

অমি_বন্যা এর ছবি

ধন্যবাদ প্রদীপ্ত দা। আপনার শুভেচ্ছা চলে গেল ওর কাছে।

অনিকেত এর ছবি

শুভ জন্মদিন মাহদিন, তুমি জানো না যে তুমি কত ভাগ্যবান!
কী চমৎকার একটা বাবা পেয়ে গেছো তুমি!
অনেক বড় হও, পৃথিবীর সমস্ত সুখ তোমার বশ হোক----

শুভেচ্ছা নিরন্তর

অমি_বন্যা এর ছবি

আপনার শুভেচ্ছা আর শুভকামনা অমর হোক অনিকেত দা। ভালো থাকবেন আর অনেক ভালো লাগছে আপনার মন্তব্য দেখে।

ইমা এর ছবি

শুভ জন্মদিন মাহদিন!

অমি_বন্যা এর ছবি

ধন্যবাদ ইমা। আপনার শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে গেছে । ভালো থাকবেন।

পথিক পরাণ এর ছবি

শুভ জন্মদিন-- মাহদিন---

অমি_বন্যা এর ছবি

শুভেচ্ছা পৌঁছে দিলাম পরাণ দা। ভালো থাকবেন।

তানিম এহসান এর ছবি

শুভ জন্মদিন মাহদিন। তুমি তোমার আকাশ যেও ছুঁয়ে হাসি

অমি_বন্যা এর ছবি

আপনার শুভকামনা আমাদের সবাইকে ছুঁয়ে গেছে তানিম ভাই ।ভালো থাকবেন।

অতিথি লেখক এর ছবি

অনেক শুভকামনা মাহদিনের জন্য। আর শুভকামনা আপনাকেও , বাবা হিসেবে তো আপনারও জন্মদিন বাঘের বাচ্চা

অমি_বন্যা এর ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে। হাসি

চরম উদাস এর ছবি

অমি_বন্যা এর ছবি

উদাস ভাই , আপনার এই চমৎকার কার্টুন বার্তা পৌঁছে গেছে মাহদিনের কাছে। অনেক সুন্দর হয়েছে, ভালো থাকুন সবসময়।

ক্রেসিডা এর ছবি

শুভ জন্মদিন আমাদের মাহদিনকে।

আমার মেয়ের ২য় জন্মদিন আর ২ মাস পর! আমি পাশে থাকতে পারবো না!! মন খারাপ :(

__________________________
বুক পকেটে খুচরো পয়সার মতো কিছু গোলাপের পাঁপড়ি;

অমি_বন্যা এর ছবি

ধন্যবাদ ক্রেসিডা। আপনার শুভেচ্ছা পৌঁছে দিলাম।
নামতার ২য় জন্মদিনে কোথায় থাকবেন? মন খারাপ

ক্রেসিডা এর ছবি

নামতা ও তার মা তার নানা বাড়ি যাবে লন্ডনে। আমি যেতে পারছি না;

মাহদিনের একটা ছবি পোস্ট করা উচিৎ ছিল আপনার।

__________________________
বুক পকেটে খুচরো পয়সার মতো কিছু গোলাপের পাঁপড়ি;

অমি_বন্যা এর ছবি

তাহলে আর কি দূর থেকে অনেক মিস করবেন !
তা ঠিক বলেছেন ওর একটা ছবি দেয়া গেলে মন্দ হত না। দেখি আর কোন উপলক্ষ আসে কি না ।

তাপস শর্মা এর ছবি

(গুড়) হাসি

পিচ্চির জন্য শুভেচ্ছা রইলো।

অমি_বন্যা এর ছবি

ধন্যবাদ তাপস দা।

রু এর ছবি

যদিও একটু দেরি হয়ে গেল, তারপরেও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই।

অমি_বন্যা এর ছবি

শুভেচ্ছা পৌঁছে গেল।

শাব্দিক এর ছবি

শুভ জন্মদিন মাহদিন, বাবা হবার দ্বিতীয় বছরে আপনাকেও শুভেচ্ছা।

অমি_বন্যা এর ছবি

ধন্যবাদ শাব্দিক।

যুমার এর ছবি

মাহদিন,তার মা ও বাবাকে শুভেচ্ছা।

অমি_বন্যা এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ যুমার ।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

শুভেচ্ছা, অভিনন্দন। লেখালেখি অমর হোক।

অমি_বন্যা এর ছবি

অনেক ভালো লাগলো । ভালো থাকবেন।

Monjur Elahi এর ছবি

ধিনাক ধিনাক ধিন
শুভ জন্ম দিন

হাততালি

অমি_বন্যা এর ছবি

পৌঁছে গেল আপনার শুভেচ্ছা।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।