C-2/7

মনজুরাউল এর ছবি
লিখেছেন মনজুরাউল (তারিখ: বুধ, ২৭/০৮/২০০৮ - ১১:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এটা কোন বৈজ্ঞানিক সিম্বল বা কোড নম্বর
নয়।হাসপাতালের বেড নম্বর।হলি ফ্যামিলি হাসপতালে দোতলার ওই বেডে ১৯আগষ্ট রাতে একটি ছোট্ট মেয়ে জীবন-মরণ শংকা নিয়ে ভর্তি হয়েছিল।প্রায় ৪৮ঘন্টা ধরে থেমে থেমে বমি করার পর হাসপাতাল।ডাক্তার,নার্স, আত্মিয়ের উদ্বিগ্ন মুখ,স্যালাইন, আরো আরো মেজার।২০ তারিখ সন্ধ্যেয় একটু ধাতস্থ হওয়ার পর নতুন করে নানাবিধ পরীক্ষা। জানা গেল ডেঙ্গুজ্বর।টানা ১৩দিন টাইফয়েডে ভুগে ৪দিন গ্যাপ দিয়েই আবার জ্বর, এবং ডেঙ্গু!

হু হু করে রক্তের প্লাটিলেট নেমে যাচ্ছে..৩লাখ থেকে এক ধাক্কায় ৭৪হাজার।পরদিন ২৩হাজার! বয়ষ্ক আত্মিয়রা পরাজয় মেনে সৃষ্টিকর্তার হাতে সপে দিতে বললেন।বাস্তববাদীরা শেষ পর্যন্ত চেষ্টার কথা বললেন।বাবা-মা নিরেট পাথর।হুড়মুড় করে কত স্মৃতি কত কথা ভিড় করে আসে!দশ বছরের স্মৃতি!এর পর কী,তার পর কী..কত না বলা কথা...কত অনুচ্চারিত কথা!এক একটা মুহূর্ত যেন জমাট পাথর, নড়ে না! নির্ঘুম কেটে যায় রাত-দিন,আবার রাত।তিন দিন পর একটু একটু করে প্লাটিলেট বাড়তে শুরু করল।ডাক্তার-নার্সদের অকান্ত চেষ্টায় ৪ দিনের মাথায় মলিন হাসি আর একটু একটু নড়ে বসা।

মেয়েটি বরাবরই কম কথা বলে। এসময় তা একেবারেই কমে গেল। সচল ফারুক ওয়াসিফ ডজনখানেক কথা বলে শুধু শুনতে পেল-’একটু ভাল লাগছে ’! প্রায় আট মাসের মাপের আটদিন জীবন-মৃত্যুর সন্ধীক্ষণে পেন্ডুলামের মত দুলে দুলে অবশেষে গতকাল হাসপাতাল ছেড়েছে মেয়েটি।বাংলাদেশের চিকিত্সাব্যবস্থার তুঘলকি কারবার দেখেশুনেও অসহায় বাবা-মা যেন দম আটকে ছিল আট আটটা দিন। ইতিমধ্যেই অনেকে চিনতে পেরেছেন, হ্যাঁ এই মেয়েটির নাম শ্রুতি শ্রাবন্তী। যার মঙ্গলাকাঙ্খায়’শ্রুতির জন্য’শিরোনামে পোস্ট লিখেছিলেন মুমু। সেই পোস্টে অনেক সচল ব্যাকুলতা,ভালবাসা,মমতা প্রকাশ করেছিলেন।তাদের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা।

পুনশ্চ:৮দিন পর পিসি খুলে দেখলাম সচলের বন্ধদশা।আজ দুপুরে সচল আবার ’সচল’ হওয়ায় মেয়ে সুস্থ্য হওয়ার মতই আনন্দ পেলাম। সেই অনাবিল আনন্দের দোলাচালে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম-সচলের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানার এখনই সময়। কোন অভিমান-কষ্ট নয়। স্রেফ রিয়েলিটি থেকেই বোধে এসেছে। রিয়ার ভিউ মিরর ভাঙলে জোড়া লাগে ঠিকই,কিন্তু প্রোফাইল দেখায় বাঁকাচোরা! যে প্রোফাইলে ২৩ টি ব্লগ,গড়ে ১৯ টি মন্তব্য,এক পক্ষে অতিথি হিসেবে সেরা পাঁচে থাকার পরও ’অতিথি’ খেতাব ঘোচে না। দেখলাম কোন কোন বন্ধু সচল হয়েছেন। তাদের জন্য শুভকামনা। আমার জাত,ধরণ,কাস,ষ্টাইল কোনটাই সচলের মাপকাঠিতে মেনে নেওয়ার মত নয়,এটা বুঝতে খুব বেশি সময় দরকার করেনা। করেনিও। আমার পক্ষে স্রোতের অনুকুলে ভাঁজ হয়ে যাওয়া কিংবা জুতোর মাপে পা সাইজ করে নেওয়া সম্ভব নয়। সম্ভব নয় কোনকিছুর জন্য অনুরোধ-উপরোধ করাও।

সুতরাং বিদায় বেলা-সাঙ্গ হলো খেলা। ভাল থাকুন সকলে। সচল দীর্ঘজীবী হোক।
শুভরাত্রী।


মন্তব্য

ইমরুল কায়েস এর ছবি

রিয়ার ভিউ মিরর ভাঙলে জোড়া লাগে ঠিকই,কিন্তু প্রোফাইল দেখায় বাঁকাচোরা! যে প্রোফাইলে ২৩ টি ব্লগ,গড়ে ১৯ টি মন্তব্য,এক পক্ষে অতিথি হিসেবে সেরা পাঁচে থাকার পরও ’অতিথি’ খেতাব ঘোচে না।

মাইন্ড কইরেন না ভাই । এই লিংকে যান

তারপরেও তো আছি ।
----------------------------
কেউ একজন অপেক্ষা করে

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

আরে ভাই, অভিমান থেকে এসব বলছেন নাকি সত্যি সত্যিই? সচলও তো আপনার পরিবারের মতই একের পর এক একটা বিপদ পাড়ি দিয়ে যাচ্ছে। তাই বলে পরিবারকে তো আপনি ফেলে দিতে পারেননি-- সচলকে হঠাত করে বিদায় জানানোটাও কি ঠিক হচ্ছে? মড়ুরা যে সচল সামলাতেই ব্যস্ত অতিথির দিকে নজর দেয়ার সময় লাগবে তো। আর যারা সচল চালায় তাদের অবস্থাটা দেখেন- পড়তে পড়তে গ্রাফ করতে করতেই তাদের জান শেষ হয়ে যাচ্ছে। ধরে নেন আপনাকে সচল করতে তারা হয়তো ভুলেই গেছে। আর

আমার জাত,ধরণ,কাস,ষ্টাইল কোনটাই সচলের মাপকাঠিতে মেনে নেওয়ার মত নয়,এটা বুঝতে খুব বেশি সময় দরকার করেনা। করেনিও। আমার পক্ষে স্রোতের অনুকুলে ভাঁজ হয়ে যাওয়া কিংবা জুতোর মাপে পা সাইজ করে নেওয়া সম্ভব নয়।
যদি আপনার মনের কথা হয় তাহলে তো আর কিছু বলার থাকে না।

খেকশিয়াল এর ছবি

শ্রুতি সুস্থ হয়ে উঠেছে শুনে খুবই ভাল লাগল !

কিন্তু মনজুরাউল ভাই আপনি কোথায় যাচ্ছেন ? এইটা তো রাগের ব্যাপার হয়ে গেল । নিশ্চয়ই আপনি বিবেচনাধীন আছেন, অবশ্যই সচল হবেন । আরে ভাই আমি তো অতিথি থেকে কত-ও-ও পরে সচল হলাম ! আর আমার সময় অতিথিদের জন্য নিজস্ব অ্যাকাউন্টও ছিল না, সেখানে এখন কত সুন্দর ব্যবস্থা । জাত পাত এগুলো কি বললেন, ধুর ! এইগুলা ঠিক না । অনুরোধ রইল চলে যাবেন না ।

------------------------------
'এই ঘুম চেয়েছিলে বুঝি ?'

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

সবজান্তা এর ছবি

আমার কপাল ভালো, অনেক কম সময়েই সচল হয়েছিলাম। কারণ সচলায়তনের একদম শুরুতে অতিথি লেখক হিসেবে লেখা দেওয়ার নিয়মই ছিলো না, শুধু মাত্র মন্তব্য আর আলোচনা করেই সদস্য হওয়া যেত।

কিন্তু এখন যদি গোটা পঁচিশ-ত্রিশেক লেখা দিয়েও সচল না হতাম, তাহলে রাগ আমারও হত নিশ্চিত। কিন্তু কি জানেন, জীবনে সচলায়তনের মাপের বড় না হোক, মাঝারি মাপের কিছু ফোরামে গায়ে গতরে খেটেছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি, ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো বেশ কঠিণ, বিশেষত সচলের স্বেচ্ছাসেবক মডুবাহিনীদের যারা সবাই ব্যস্ত জীবনে ঢুকে গিয়েছেন। সারাদিন এত অতিথি মন্তব্য, সেই সাথে সব লেখা পড়া - সবার উপরে নিজেদের দৈনন্দিন কাজ - সব মিলিয়ে কাজটা আসলেই সহজ হওয়ার কথা না। যদিও পুরো কথাটাই বললাম আমার সাধারণ যুক্তি দিয়ে - তবে আমার ধারণা এতটুকু আপনি নিজেও বুঝেন।

আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই, আপনার লেখার ব্যক্তিগতভাবে আমি খুবই পছন্দ করি। চেষ্টা করি মন্তব্য করতেও। শুধু কি আমার মত পাঠকের কথা বিবেচনা করে আর ক'টা দিন থাকা যায় না ?


অলমিতি বিস্তারেণ

হিমু এর ছবি

শ্রুতি সুস্থ হয়েছে জেনে আনন্দিত হলাম। আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেবেন ওকে।


হাঁটুপানির জলদস্যু

রায়হান আবীর এর ছবি

শ্রুতির জন্য শুভকামনা রইলো।

আপনার গল্পগুলা ভাল লাগতো। মিস কর্বো। বিদায়।

=============================
তু লাল পাহাড়ীর দেশে যা!
রাঙ্গা মাটির দেশে যা!
ইতাক তুরে মানাইছে না গ!
ইক্কেবারে মানাইসে না গ!

জিফরান খালেদ এর ছবি

মনজুরাউল ভাই,

এইটা ঠিক হইলো না তো। কামলার চোটে সচলে আসতে পারি না। লগড ইন হইয়া আসি, কিন্তু লিখা পড়া হইতেসে না। এর উপর আপনি এমন সব দুঃসংবাদ একসাথে দিলে তো খারাপ...

শ্রুতি ভাল হয়েছে জেনে স্বস্তি... আর, সদস্যের ব্যাপারটা আমার মনে হয় গত কয়েকদিনে খোঁজ নিলে দেখা যাবে কাউকেই করা হয়নি অনেক গ্যাঞ্জামের ডামাডোলে।

আপনাকে কিন্তু কখনোই সচল ছাড়া অন্য কিছু ভাবিনি... সুতরাং, এমন করবেন না দয়া করে। ভাল থাকুন।

স্নিগ্ধা এর ছবি

শ্রুতির সুস্থতায় আনন্দিত হলাম! ওর জন্য শুভকামনা রইলো।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

শ্রুতির জন্য 'ওয়েলকাম ব্যাক হোম' শুভেচ্ছা।

আপনার অভিমানের জায়গাটা ধরতে পারছি। আমিও যদি আবার নতুন করে অতিথি হয়ে ঢুকতে চাই তাহলে হয়তো কখনোই সচল হতে পারব না। তবু প্রসেসটাকে মানতেই হবে। এতদিন পর্যন্ত এটা ইফেক্টিভ বলেই মনে হচ্ছে।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

মনজুরাউল এর ছবি

আপনাদের প্রসেস বিষয়ে দ্বিমত করার অধিকার আমার নেই। নিশ্চই অনেক ভেবেচিন্তোই ওটা করা হয়েছে।আমি যখন নিশ্চিত হয়েছি যে,আমার পোস্ট ১শ'হোক বা গড় কমেন্ট ৪০এর ওপরে উঠুক কোনভাবেই ওই 'প্রসেস'অতিক্রম আমার পক্ষে সম্ভব নয়, তখন সিদ্ধান্তটা নিতে কোন কষ্ট হয়নি।

.......................................................................................
আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে
চারদিকের নিষেধ আর কাঁটাতারের ভিতর
তবু প্রতিদিন রক্তের সমুদ্রে সাঁতার জানা
হাজার শিশুর জন্ম দেয় যারা মানুষ......

.......................................................................................
আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে
চারদিকের নিষেধ আর কাঁটাতারের ভিতর
তবু প্রতিদিন রক্তের সমুদ্রে সাঁতার জানা
হাজার শিশুর জন্ম দেয় যারা মানুষ......

নুরুজ্জামান মানিক এর ছবি

শ্রুতির জন্য 'ওয়েলকাম ব্যাক হোম' শুভেচ্ছা।

@ এস এম মাহবুব মুর্শেদ

এক কাজ করলে কেমন হয় -প্রাথমিক পর্যায়ের অনেক সচল আর সচল নেই ত' তাদের জায়গায় অতিথীদের রিপ্লেস করা যায় না ?

@ মনজুরাইল

ভাই !
আপনার আবেগ এর কদর করি
সে সাথে আপনার লেখাগুলি পড়ে এও বুঝেছি যে নিছক আবেগই
আপনার সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেনি
নিশ্চয় কোন যুক্তি ক্রিয়াশীল ছিল
তবুও
বলছি
আমাদের (মানে সচলায়তন) ছাইড়া যাইয়েন না
আমরা আপনার লেখা পড়তে চাই
আমাদের সে হক মাইরেন না বস ।

@ মডুদের প্রতি

বিশেষ ব্যবস্থায় আজ থেকেই মনজু ভাইকে "সচল করা যায় কিনা একটু ভেবে দেখবেন "।

নুরুজ্জামান মানিক
************************************

বলে এক আর করে আর এক যারা
তারাই প্রচণ্ড বাঁচা বেঁচে আছে দাপটে হরষে
এই প্রতারক কালে (মুজিব মেহদী)

নুরুজ্জামান মানিক
*******************************************
বলে এক আর করে আর এক যারা
তারাই প্রচণ্ড বাঁচা বেঁচে আছে দাপটে হরষে
এই প্রতারক কালে (মুজিব মেহদী)

মুশফিকা মুমু এর ছবি

হায় হায় বলেন কি! ইয়ে, মানে... এই কয়েকদিনে এত কিছু হয়ে গেল? আমিতো নিশ্চিন্ত ছিলাম শ্রুতি সুস্থ হয়ে গেছে, তারপর এত কিছু ঘটল ইয়ে, মানে... , আল্লাহর রহমত ও এখন ভাল আছে। ওর জন্য অনেক অনেক আদর আর দোয়া রইল।
আর আপনি কি বলছেন এসব, যাবেন কেন? আপনি এখানে অনেক অনেক ভাল লিখেন। আপনার লেখার স্ট্যাটস ই বলে দেয় আপনার লেখা কত জনপ্রিয়। আপনি কোথাও যাবেন না আর এমন চলে যাওয়া কথাও বলবেন না কখনও। আরো বেশি বেশি লিখুন। আমি সিওর আপনি শিঘ্রই সচল হবেন।
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍

------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍

অমিত আহমেদ এর ছবি

শ্রুতি ভালো হয়ে উঠেছে জেনে খুব ভালো লাগলো। এমন একটি ভালো খবর বাকি সব কিছু ম্লান করে দেয়। মেয়েকে আমার স্নেহ জানাবেন।


ওয়েবসাইট | ব্লগস্পট | ফেসবুক | ইমেইল

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

সত্যি বলতে কি আপনি যে অতিথি সচল তা আজ এই পোস্ট পড়ে খেয়াল করেছি।

ভবঘুরে [অতিথি] এর ছবি

আপনার মেয়ের জন্য শুভকামনা।

সাম.ইনে আপনার লেখা পড়েই বুঝেছিলাম কিছু একটা ঘটেছে। এখন বুঝলাম - আপনি একটু বেশী অভিমানী।

কে অতিথি আর কে নয় সেটা নিয়ে যদিও মাথা ঘামাইনি কখনো তবে যখন বিপুল উতসাহে মন্তব্য করার পর দেখি 'আপনার মন্তব্য যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে...." তখন নিজের যোগ্যতা সম্পর্কেই সন্দিহান হয়ে পড়ি।

যাই হোক, যার ঘরে ঢুকবেন তার নিয়মকানুনতো মানতেই হবে তাইনা?

ভাল থাকুন।

পলাশ দত্ত এর ছবি

প্রকৃতিপ্রেমিক যে-কথাটা বলেছে আমিও সেটার পুনরাবৃত্তি করছি: আপনি যে অতিথি সচল তা আজ এই পোস্ট পড়ে জেনেছি ।

আর একটু ভাববনে প্লিজ?

==========================
পৃথিবীর তাবৎ গ্রাম আজ বসন্তের মতো ক্ষীণায়ু

অতিথি লেখক এর ছবি

চাওয়া পাওয়ার ব্যাপার টা কি খুব important? শুধু মনের আনন্দে লিখে যান না, যেমন লিখছেন

ধূসর মানব

কীর্তিনাশা এর ছবি

শ্রুতি সুস্থ থাকুক, ভালো থাকুক।

...........আর আপনার গল্প খুব আগ্রহ নিয়ে পড়তাম। চলে গেলে মিস করবো। যাই হোক আপনিও ভালো থাকুন।
-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

শ্রুতির সুস্থতার কথা জেনে ভালো লাগল খুব। ওর জন্য শুভকামনা।

আর আপনি এখুনি এভাবে বিদায় নেবার কথা ভাবছেন কেন! প্লীজ এভাবে চিন্তা করবেন না। যদি কখনো দেখেন আপনার কোন পোস্ট কেউ পড়ছে না, কোন মন্তব্য করছে না, তখন বিদায় নেবার কথা ভাবলেও ভাবতে পারেন। বাট দিস ইজ নট দা রাইট টাইম টু থিন্ক অ্যাবাউট ইট! এটা আমার ব্যক্তিগত মত। আশা করি ভেবে দেখবেন।

পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।

_________________________________________
বিষন্নতা ছোঁয় আমায় মাঝে মাঝেই, কখনো কি ছোঁয় না তোমায়?

অতিথি লেখক এর ছবি

মাহাবুব ভাই এর মত “আমিও যদি আবার নতুন করে অতিথি হয়ে ঢুকতে চাই তাহলে হয়তো কখনোই সচল হতে পারব না।“ আমাদের মত নতুনদের জন্য হতাশাজনক

ধূসর মানব

মনজুরাউল এর ছবি

ব্যক্তিগত ভাবে সবার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার মত মনের অবস্থা নেই এমুহূর্তে। তাই এই মন্তব্যে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

কেউ কেউ চলে যাওয়ার ব্যাপারটা ধরতে পেরেছেন,কেউ কেউ পারেননি। যদিও কারণটা বলেই দিয়েছি,তবুও কিছু বিষয় পরিষ্কার করা দরকার।

পূর্ণ সচল হওয়ার ব্যাপারে আমার কোন তাগিদ ছিল না। ছিল না কোন চেষ্টাও।আগামী এক বছরেও যদি আমাকে সচল না করা হতো তাতেও কোন কিছু আসত-যেত না।লেখা আমার নেশা এবং পেশাও। লিখেই যেতাম।কিন্তু যখন দেখলাম সচলের ’প্রসেস’অনুযায়ী প্রায় একই সময়ে আগমন ঘটা কয়েক জন সচল হয়েছেন,তখন একটু অবাক হলাম।মডুরা আমাকে ঠিক মেনে নিতে পারছেন না,এটা কিছু দিন ধরেই টের পাচ্ছিলাম।ঠিক করেছিলাম ও নিয়ে মাথা ঘামাবো না।তার পর পরই ’প্রসেস’বলে দিল “যারা সচল হয়েছেন প্রসেস অনুযায়ী,সেই প্রসেস বা মানদন্ডে আপনি পাশ করেননি!”

নিজেকে কখনই পূর্ণ লেখক মনে করি না,বড় মাপের তো নয়ই।গতরখাটা চাষাভুষা মানুষ। কিন্তু সচলের 'মাপকাঠি’ চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আমি রাফি,ষষ্ঠপান্ডব,পলাশদত্ত দের নিচে অবস্থান করছি!প্রকারান্তরে এদের চেয়ে ন্যারো রেটের লেখক! আর এটা করা হয়েছে সুচিন্তিত ভাবেই। আমি অপমানিত বোধ করলাম। আত্মমর্যাদা ছাড়া লেখকদের তো আর কিছুই নেই,তাই ওই অবশিষ্ট মর্যাদাটুকু খোয়া যাওয়ার আগেই সরে পড়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। ভুল না ঠিক সে বিচারের কথা এখানে অবান্তর।

অনেক অতিথি আছেন অনেক মাস ধরে ,তারা কেউইতো হলেন না।আমি চেষ্টা করেছি তাদের পাশে থাকার।অনেক অতিথির লেখা কেউ যখন ছুঁয়েও দেখছে না,সেখানে আমি হিট করেছি। চেষ্টা করেছি তার রেটটা যেন বাড়ে। তারা যেটা মেনে নিতে পেরেছেন আমি তা পারিনি। জীবনে অনেক কিছুর সাথেই আপোষ করতে পারিনি বলে অনেক কিছুই হারিয়েছি।ভূ-বিশ্বের কিই বা যায় আসে তাতে !

কারো সাথে আমার কোন ব্যক্তিগত মনমালিণ্য নেই। চেষ্টা করব আগামীতে সকলের সাথে যোগাযোগ রাখার।ভাল থাকুন সকলে।

....................................
আমাদরে মাতৃর্গভগুলি এই নষ্ট দশেে
চারদকিরে নষিধে আর কাঁটাতাররে ভতির
তবু প্রতদিনি রক্তরে সমুদ্রে সাঁতার জানা
হাজার শশিুর জন্ম দয়ে যারা মানুষ......

.......................................................................................
আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে
চারদিকের নিষেধ আর কাঁটাতারের ভিতর
তবু প্রতিদিন রক্তের সমুদ্রে সাঁতার জানা
হাজার শিশুর জন্ম দেয় যারা মানুষ......

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি

চলুক
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...

হিমু এর ছবি

যাঁরা সম্প্রতি সচল হলেন, তাঁদের চেয়ে আপনি লেখক হিসেবে ঊনতর কি না, সে রায় দেবে তাঁদের এবং আপনার পাঠকেরা। তবে সচলায়তনের পরিবেশের সাথে তারা নিজেদের অভিযোজিত করতে পেরেছেন। আপনি এখনও পারেননি, এই মন্তব্যে আবারও তার প্রমাণ পাওয়া গেলো।

দীর্ঘদিন ধরে সচলায়তনে যাঁদের আমরা অতিথি হিসেবে লিখতে অনুরোধ করে যাই, তাঁদেরকে লেখক হিসেবে অস্বীকার করা হচ্ছে না, বরং প্রকারান্তরে লেখক সমাবেশের সাথে একাত্ম হওয়ার জন্যে সময় নিতে বলা হয়। এতে দোষণীয় কিছু আছে কি?

আপনার আত্মসম্মান বা আত্মবিশ্বাসে আঘাত করার কোন উদ্দেশ্য বা প্রয়োজন তো সচলায়তনের নেই। সেগুলি অটুট ও অক্ষুণ্ন থাকুক। কোন কারণে যদি আপনি আহত হয়ে লেখা থেকে বিরত থাকতে চান, সেটি আপনার সিদ্ধান্ত। যেভাবে আপনি লেখার আনন্দ পান, সেভাবেই লিখে যান। আমাদের শুভেচ্ছা থাকবে আপনার জন্যে।


হাঁটুপানির জলদস্যু

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

লেখার মানদন্ড একমাত্র প্যারামিটার নয় সচল হবার ক্ষেত্রে। ঠিক এই বিষয়টাই প্রতিষ্ঠিত লেখকরা বুঝতে চান না। আপনার লেখার কতবড় ফ্যান আমি সেটা বোঝাতে পারব না। কিন্তু এইযে অভিমান বা "অমুক সচল হয়েছে আমি কেন না" টাইপের অভিযোগ, কিংবা অন্যের পোস্টে মন্তব্যের টর্নেডো তোলা এই ব্যাপারগুলো আমরা ওয়েব কমিউনিটির ক্ষেত্রে প্রমানিত নিগেটিভ প্যারামিটার হিসেবে কনসিডার করি। এটাই আমরা একটু দেখে শুনে নেই অতিথি হবার সময়টাতে। একটা ভালো লেখকের চেয়ে একটা ভালো কমিউনিটির গুরুত্ব অনেক বেশী আমাদের কাছে।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

মেটালিফেরাস এর ছবি

লেখার মানদন্ড একমাত্র প্যারামিটার নয় সচল হবার ক্ষেত্রে।

একটা ভালো লেখকের চেয়ে একটা ভালো কমিউনিটির গুরুত্ব অনেক বেশী আমাদের কাছে।

অবিশ্বাস্য!!!
তাহলে সচলেচ্ছুদের জন্য আপনাদের নীচের টার্মস গুলো আরেকটু আপডেট করা দরকার ব্রাদার।

আমরা লেখিনা, পড়তেই আসি। আপনাদের সাইট অতিরিক্ত ব্যান্ডউইডথ কনজাম্পশনের জন্য কিছুটা হলেও দায়ী। এরকম উত্তর দেয়া চলতে থাকলে পাঠকগুলোও হারাবেন নিশ্চিত। অবশ্য আপনারা বড় বড় অনলাইন রাইটার, আমাদের মতো ধুনপুন পাঠকের থোড়াই কেয়ার করেন।

ভালো থাকবেন।

প্রিয় সচলেচ্ছুবৃন্দ,

আপনাদের অনেকেই নিবন্ধন করছেন নিয়মিত। কিন্তু কারও সদস্যপদই সক্রিয় হচ্ছে না। তাদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, দয়া করে অতিথি লেখক হিসেবে পোস্ট ও মন্তব্য করতে থাকুন।

লেখায় অবশ্যই নিজের নাম আর ইমেইল ঠিকানা জানাবেন। নাহলে লেখা প্রকাশের যোগ্যতা হারাবে। মডারেশনের পরেই লেখা প্রকাশিত হবে। নিয়মিত ও সুলেখকদের দ্রুত সচল করা হবে।

হিমু এর ছবি

প্রিয় মেটালিফেরাস,

আপনার কাছে অবিশ্বাস্য কী ঠেকলো, বুঝতে পারলাম না। সচলায়তন কমিউনিটির স্ট্যাবিলিটির স্বার্থকে সচলায়তন বড় করে দেখবে, সেটার মধ্যে এতো বিস্ময়ের কি আছে, একটু স্পষ্ট করে বলবেন কি?

টার্মস হিসেবে যা উদ্ধৃত করলেন, সেটা সচলের কোন "টার্মস" নয়, অতিথি লেখকদের জন্যে একটি মেসেজ। সেখানেও কী পরিবর্তন প্রয়োজনীয়, বুঝিয়ে বলুন। প্রয়োজনবোধে পরিবর্তন করা যেতে পারে।

ধন্যবাদ।


হাঁটুপানির জলদস্যু

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

যেটা উদ্ধৃত করলেন সেটা একটা মেসেজ। আমাদের কোথাও বলা হয়নি "লেখায় দশে আট পেলে আমরা নিতে বাধ্য থাকিব"। তবে মানছি এই পোস্টে কমিউনিটির ব্যাপারটা উল্ল্যেখ করা দরকার ছিল। দুঃখিত সেজন্য।

অবশ্য আপনারা বড় বড় অনলাইন রাইটার, আমাদের মতো ধুনপুন পাঠকের থোড়াই কেয়ার করেন।

শুধু প্রতিবাদ করলাম কথাটার। কথা বাড়ালাম না একে কেন্দ্র করে।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

মনজুরাউল এর ছবি

তবে সচলায়তনের পরিবেশের সাথে তারা নিজেদের অভিযোজিত করতে পেরেছেন। আপনি এখনও পারেননি, এই মন্তব্যে আবারও তার প্রমাণ পাওয়া গেলো।

লেখার মানদন্ড একমাত্র প্যারামিটার নয় সচল হবার ক্ষেত্রে।

কিন্তু এইযে অভিমান বা "অমুক সচল হয়েছে আমি কেন না" টাইপের অভিযোগ, কিংবা অন্যের পোস্টে মন্তব্যের টর্নেডো তোলা এই ব্যাপারগুলো আমরা ওয়েব কমিউনিটির ক্ষেত্রে প্রমানিত নিগেটিভ প্যারামিটার হিসেবে কনসিডার করি।

একটা ভালো লেখকের চেয়ে একটা ভালো কমিউনিটির গুরুত্ব অনেক বেশী আমাদের কাছে।

ঠিক এই কথাগুলি আপনাদের'নীতিমালায়'লেখা থাকলে অনেক কিছু খোলাসা হতো।কোনটা নেগেটিভ প্যারামিটার,কোনটা পজেটিভ প্যারামিটার সেই তর্কে আর যাওয়ার ইচ্ছা নেই। প্রসঙ্গত:জুলিয়ান সিদ্দিকী নামের ভদ্রলোকটির প্যারামিটার আমার মত 'নেগেঠিভ'নয়।তিনি কেন প্যারামিটারে পড়লেন না? ইমরুল তো আরো বেশি ওয়েভ কম্যুনিটিঅন্তপ্রাণ,সে?

অন্যের পোস্টে মন্তব্যের টর্নেডো তোলা

এখানে লেখকের পোস্ট বাদে তার কাছে সবইতো'অন্যের পোস্ট'। অন্যেরা লিখলে 'মন্তব্য',আর একজন লিখলেই 'টর্নেডো'? যাগ্গে। আগেই বলেছি তর্ক করার ইচ্ছা নেই।

আপনাদের দুজনের মন্তব্যে যে বিষয়টা পরিষ্কার হলো সেটা এক অতিথি সচল বলে দিয়েছেন...

যাই হোক, যার ঘরে ঢুকবেন তার নিয়মকানুনতো মানতেই হবে তাইনা?

এই 'ঘরে ঢুকেছি' কথাটাতে আমার আপত্তি ছিল। ভেবেছিলাম 'আমার','আমাদের' এই ধরণের ক্ষুদেমালিকানা চিন্তাগুলো অন্তত ওয়েভ কম্যুনিটিতে থাকবে না।এরা অন্তত কোটিপতি কাগজ মালিকের মত বলবে না-'আমার পত্রিকা'। আমার ধারণা ভুল ছিল।

জুতোর মাপে পা সাইজ করে নেওয়া সম্ভব নয়।

এই কথাটা বলে ভেবেছিলাম-ঠিক বললাম না।
এখন মনে হচ্ছে ঠিকই বলেছি।

.......................................................................................
আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে
চারদিকের নিষেধ আর কাঁটাতারের ভিতর
তবু প্রতিদিন রক্তের সমুদ্রে সাঁতার জানা
হাজার শিশুর জন্ম দেয় যারা মানুষ......

.......................................................................................
আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে
চারদিকের নিষেধ আর কাঁটাতারের ভিতর
তবু প্রতিদিন রক্তের সমুদ্রে সাঁতার জানা
হাজার শিশুর জন্ম দেয় যারা মানুষ......

হিমু এর ছবি

আপনি অতিথি লেখকের কথা সচলায়তনের মুখে গুঁজে দিচ্ছেন কেন?

আপনার পা যদি জুতোর তুলনায় মহত্তর হয়, প্লিজ, সেটা নিজের পায়ের সমস্যা বলেই চিনে নিন, জুতোর ঘাড়ে দোষ চাপাবেন না।


হাঁটুপানির জলদস্যু

মেটালিফেরাস এর ছবি

অবিশ্বাস্য ঠেকেছে সচল করা নিয়ে কারো অনুযোগে আপনাদের উদ্ধত আচরণ। এটা এর আগেও আরো অনেকের বেলাতে চোখে লেগেছে। কি করলে যে আপনাদের সাইজের জুতোয় একজন তার পা টা রাখতে পারবেন সেটা সবসময়ই কেমন যেনো প্যাচিয়ে ফেলছেন। বোধহয় বুঝিয়ে বলতে পারছিনা। পারার কথাও না, আমি নগন্য পাঠক, লিখে কোনো কিছু বুঝানোর ক্ষমতা নেই। কিন্তু পড়ে হলেও কিছুটা বুঝি বা মজা পাই বা চিন্তায় পড়ি, কিছু একটাতো হয়ই। কিন্তু ভাই আপনারা যারা ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াচ্ছেন তাদের উদ্ধত এবং "থাকতে না চাইলে চলে যাও" টাইপের উত্তর গুলো বড্ড বেশি ব্যথিত করে।

নীতিমালা, মেসেজ যাই বলুন সেটাতে এই " মানলে ঢুকতে পারবা, নাইলে রাস্তা মাপতে পারো " টাইপের সাবধানবাণী গুলো ঝুলিয়ে দিলে বোধহয় আমরা আর এই সমস্ত অভিযোগ করার সুযোগ পাবোনা।

এতদিনতো শুধু লিখতে ইচ্ছুকদের বলেছেন, এখন হয়তো আমরা যারা ফ্রি ফ্রি পড়তে আসি তাদেরকেও বলবেন।

ভালো থাকবেন।

হিমু এর ছবি

কারো অনুযোগের উত্তরে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করাকে যদি আপনার "উদ্ধত আচরণ" বলে মনে হয়, তাহলে করার কী থাকতে পারে, দয়া করে জানান।

"এর আগেও আরো অনেকের বেলায় চোখে লাগা"র কথা শুনে মনে হচ্ছে, আপনি সচলায়তন দীর্ঘদিন ধরে অনুসরণ করেন। এর আগে আরো অনেকের বেলায় আমাদের অত্যাচার-অনাচার মুখ বুঁজে সহ্য করে গেছেন, কিন্তু আজ আপনার ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙার আওয়াজ আপনি গোপন রাখতে পারছেন না। তাই আপনি গর্জে উঠেছেন। বেশ, উত্তম। কে জানে, হয়তো মেটালিফেরাস নামের আড়ালে আপনি আমার পরিচিত কেউ। হয়তো হেথা নয়, অন্য কোনখানে আপনি পাঠক নন, লেখক হিসেবেই সক্রিয় আছেন। বিশেষ করে বাংলা টাইপ করার দক্ষতা দেখে তো তা-ই মনে হচ্ছে।

তবে আপনি যে পরামর্শটি দিলেন, সেটি আমরা মানতে পারছি না বলে দুঃখিত। ওটা আপনার ইন্টারপ্রিটেশন, আমাদের বক্তব্য নয়। আমাদের "জুতোয় পা রাখা"র ব্যাপারটাও স্পষ্ট, যেটাকে আপনি উদ্ধত আচরণ বলে চালিয়ে দিতে চাইছেন। যদিও জুতোর মাপে পা বা পায়ের মাপের জুতোর উপমাটি আমাদের নয়, মনজু ভাই, এবং মেটালিফেরাস, আপনার পছন্দের উপমা, তারপরও বলি, সচলায়তনে সদস্য হবার ব্যাপারটি সরল। আমরা ভালো লেখা, নিয়মিত লেখা, এবং সংসর্গবৎসল নির্বিবাদী সদস্য চাই। আপনি বুঝতে গিয়ে পেঁচিয়ে ফেলে যদি আমাদের ঘাড়ে তার দোষ চাপাতে চান, বা চাপিয়ে আনন্দিত হতে চান, আপনাকে বিরত করার কোন পদ্ধতি দেখছি না।

সচলায়তনের নিয়মগুলি যদি কারো পছন্দ না হয়, সেক্ষেত্রে তিনি সাধারণত সচলায়তনে থাকেন না। এই ফ্যাক্টটিতে আপনি ব্যথিত হলে আপনার ব্যথামোচনের জন্যে আমাদের পক্ষ থেকে কী করা জরুরি বলে আপনি মনে করেন? জানাবেন।

সবশেষে নজরুলের একটা গানের কথা স্মরণ করাই। আমার দেয়া ব্যথা ভোলো।

ভালো থাকুন।


হাঁটুপানির জলদস্যু

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

আমি বুঝলাম না হঠাৎ করে পাঠক প্রসঙ্গ কিভাবে চলে আসল? পরিষ্কার ভাবেই আপনি মূল প্রসঙ্গকে (সচল হওয়া বা না হওয়া) ভিন্ন খাতে বইয়ে দিতে চাইছেন।

পুরো পোস্টের কোথাও পাঠক নিয়ে একটা কথাও হয়নি, যতক্ষণনা আপনি এসে নিজের পাতে ঝোল টেনেছেন। আগের সচল হবার কোন বিক্ষোভ প্রকাশ করছেন নাতো?

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ফারুক ওয়াসিফ এর ছবি

ঘটনাটা আগে খেয়াল করিনি। বিলম্বে হলেও খেয়াল করা গেল এবং উদ্বিগ্নও হওয়া গেল।

মনজু ভাই, সরল ভাবে বলেছেন যে, অন্যদের সঙ্গে সঙ্গে তাঁকেও সদস্যপদ দেয়া উচিত ছিল। রেওয়ার্ড হিসেবে নয়, লেখার স্বীকৃতি এবং গণতন্ত্র ও সম অধিকারের দাবিতে। তাঁর কথায় যুক্তি বা আবেগের ভারসাম্য অটুট ছিল। আর যেখানে সংসর্গবাৎসল্যকে উৎসাহিত করা হয় সেখানে একজন কমিউনিটির সুহৃদ আন্তরিক ভাবে দাবি বা অভিমান জানাতেই পারেন। এ পর্যন্ত কোনো সমস্যা ছিল না।

আমি এবং আরো কেউ কেউ মনে করেন, সদস্যপদ তিনি পেতেই পারেন। কিন্তু ধরে নিচ্ছি, মডারেটরগণ বিষয়গুলো ভাল বোঝেন, জানেন এবং দূরদর্শী। তাঁদের যদি আপাতত কোনো রিজার্ভেশন থেকে থাকে, তাহলে বলতেই পারতেন, 'ভাই কিঞ্চিতাধিক কাল অপেক্ষা করে দেখেন, আমরা কারো প্রতিই বিরূপ নই'। নিমরাজি হলেও এটা মেনে নেয়ার মতো কথা।

কিন্তু তা হয়নি। বুধবার ২৩-১০ এ ছাড়া পোস্ট পরদিন ৩-২১ এ একজন মডারেটরের সাড়া পেল নবম মন্তব্যে। আমি যখন লিখছি, তখন দু'দিন গড়িয়ে গেছে, মন্তব্য ৩২ এর ঘর পেরিয়েছে। এবং যা হওয়ার কোনো কারণই ছিল না, তা হয়েছে। কথার পিঠে কথা উঠে শেষে বিপরীত মত দুটি এ জায়গায় এসে দাঁড়ালো: ফরিয়াদিদের কাছে সচলকে ‌নিয়ন্ত্রিত, হায়ারার্কিকাল এবং পক্ষপাতমূল মনে হয়েছে।
আর মডারেটরদের কারো কারো ভাষ্যে মনজুরাউলকে মনে হয়েছে : ‌স্ট্যাবিলিটির স্বার্থে এখনও অনুপুযুক্ত, অ-অভিযোজনশীল, সংসর্গবৎসল নির্বিবাদী নন অর্থাত একরোখা ও বিবাদপ্রিয় ইত্যাদি (হিমুর কমেন্ট)।

ফলত দুটো চরম অবস্থা তৈরি হলো।

আমার বিনীত জিজ্ঞাসা বিষয়টা কি আদতেই ততটা গুরুতর। সচলে বিচ‌্যুতি, ব্যত্যয় যে কারোরই হতেই পারে, কোথাও কোথাও কেউ আঘাত পেতেই পারেন; এটা মেনে নিতে অসুবিধা কোথায়? যিনি অভিযোগ করছেন, এবং যিনি তা খণ্ডন করছেন, তিনিও ভাবতে পারেন, সমস্যাটা দৃষ্টিভঙ্গির এবং বিবেচনা বোধের। আলোচনায় এর নিরসন সম্ভব। খারাপ দৃষ্ঠান্ত তৈরি হওয়ার আগেই তা করা যেত।

শেষ যে বিষয়টা সেটা এই যে, 'কারো যদি নিয়ম পছন্দ না হয় তাহলে তিনি কী করবেন'? চলে যাওয়াই কি কাঙ্ক্ষিত সমাধান? তিনি বা তাঁরা কি এতদিন একে আপন করে নেননি, একে ঘিরে অনুভূতির হৃদ খনন করেননি?তিনি যথাযথভাবে প্রশ্ন তুলতে পারেন, আলোচনা করতে পারেন। তার সুযোগ না থাকলে দিনে দিনে এটা অচলায়তনে পরিণত হবে। নতুন নতুন লোক আসবে ঠিক, কিন্তু ভেতর থেকে এটা হয়ে দাঁড়াবে রেলস্টেশনের মতো_যেখানে কেউ থাকতে আসে না।

আর এ সুযোগে দুষ্টের দল থালি বাজাবে, অন্য অন্য ব্লগে হৈ হৈ রব তুলবে। সামান্য ঘটনা হয়ে উঠবে অসামান্য। তার কী কোনো দরকার আছে?

আমি নিজেও বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন করেছি, মত দিয়েছি। গুরুতরগুলো মেইলে আর সামান্য বিষয়গুলো কমেন্টে এনেছি। বলা দরকার, বেশিরভাগেরই উত্তর পাইনি কিংবা যা পেয়েছি তা একধরনের ভর্তসনা। তবে?

সচল আমাদের সবারই ভালবাসার স্থান। এবং সত্য যে, মডারেটর থেকে কর্ণধার, তাঁরাই এর যোগ্য ও যথাযথ অভিভাবক। সঙ্গত কারণেই তাঁদের চাপে থাকতে হয়, এবং অনেক কিছুর দেখভাল করতে করতে পেরেশান হতে হয়। সমস্যা সেখানে নয়, সমস্যাটা এ্যাপ্রোচে। এটা আমাকে বলতেই হচ্ছে।

তাঁদের সেই অভিভাবকের অবস্থান মান্য করেই বিষয়গুলো নিয়ে কথা হতে পারে। এবং সেখানে একটা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বজায় থাকা দরকার। কাউকে তকমা লাগিয়ে দেয়ায় কোনো সমাধান নাই। সচলের যেকোনো ক্ষতি, এর সদস্যদেরই ক্ষতি।

আমরা কেউ না থাকি, এর ক্ষতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। এবং ক্ষতিটা ভালবাসার অত্যাচারেও হতে পারে।
..................................................................................
হাঁটাপথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে। হে সভ্যতা! আমরা সাতভাই হাঁটার নীচে চোখ ফেলে ফেলে খুঁজতে এসেছি চম্পাকে। মাতৃকাচিহ্ন কপালে নিয়ে আমরা এসেছি এই বিপাকে_পরিণামে।

হাঁটাপথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে। হে সভ্যতা! আমরা সাতভাই হাঁটার নীচে চোখ ফেলে ফেলে খুঁজতে এসেছি চম্পাকে। মাতৃকাচিহ্ন কপালে নিয়ে আমরা এসেছি এই বিপাকে_পরিণামে।

হিমু এর ছবি

আপনার এই বক্তব্যের প্রতিবাদ করছি সঙ্গত কারণে। প্রথমত, মনজু ভাই তাঁর তর্ক শুরুই করেছেন নিজস্ব মানসিক বিষফোঁড়ার প্রেক্ষিতে। তাঁর কন্যাটি অসুস্থ ছিলো, তিনি টেনশনে ছিলেন, সেই ঝাল তিনি ঝেড়েছেন সচলের ওপরে। তিনি একাধিকবার জানিয়েছেন, তাঁর ধারণা মডারেটররা তাঁকে পছন্দ করছে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। এই ধারণার ভিত্তি কী আমি জানি না, কিন্তু তিনি কলহ করছেন এই ধারণার আলখাল্লা মডারেটরদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে তাদের সাথে।

আপনি আমার একটা মন্তব্যের ব্যাখ্যা বার করে কিছু বিশেষণ মনজু ভাইয়ের গায়ে চড়িয়ে দিয়ে কলহটাকে আরো ফেনিয়ে তোলার একটা দুর্যোগ করে দিলেন। পরিষ্কার তাকিয়ে দেখুন, কার কোন মন্তব্যের জবাবে সেটা বলা হয়েছে।

মনজু ভাইকে এখনও সচল করা হয়নি, তার মানে এই নয় যে তিনি অনুপযুক্ত। তার মানে এ-ই দাঁড়ায়, তিনি অপ্রস্তুত। তাঁর লেখার মান নিয়ে কোন প্রশ্ন তোলা হয়নি, শুধু ব্যাখ্যা করা হয়েছে, সচলে যোগদানের আগে ব্লগোস্ফিয়ারে আরও কিছু সময় তাঁর কাটানো প্রয়োজন। এটি তিনি নিজেও উপলব্ধি করবেন বৈকি।

""ভাই কিঞ্চিতাধিক কাল অপেক্ষা করে দেখেন, আমরা কারো প্রতিই বিরূপ নই", এই কথাটা ঢাকঢোল পিটিয়ে বলার তো কোন অর্থ হয় না। এটি অনুচ্চারিত, স্বতসিদ্ধ। মনজু ভাই নিজেই বরং গর্জন করে জানাচ্ছেন যে তিনি অপমানিত এবং ক্ষুব্ধ, এবং অপেক্ষা করার মতো সহনশীল আর তিনি থাকতে পারছেন না। তাঁকে আপনার পরামর্শমতো এই মিহিবাক্য না শুনিয়ে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে, সেটা কি খুব দোষের কাজ হয়ে গেছে?

খারাপ দৃষ্টান্তের কথা বলছেন, খারাপ দৃষ্টান্ত কী তৈরি হলো, একটু বোঝান।

রেলস্টেশনের উপমাটা আমার কাছে চরম আপত্তিকর এবং উস্কানিমূলক বলে মনে হলো। তবে আবারও পরিষ্কার করে বলি, সচলের নিয়মগুলি খুব সামান্য এবং সরল। প্রায় দুইশোর কাছাকাছি সদস্য আমরা এই নিয়মগুলি মেনে চলি, আমাদের সমস্যা হয় না। যদি একক কারো সমস্যা হয়, আমরা সেগুলি সমাধানের জন্যে সময় ও চেষ্টা ক্ষয় করি আন্তরিকভাবে।

আপনি আলোচনার কথা বলেছেন, মনজু ভাই তো আলোচনার পথে এগোননি। তিনি বিনা আলোচনায়, নিজস্ব ধারণার ভিত্তিতে (মডারেটররা তাঁকে পছন্দ করছে না) একটি সিদ্ধান্ত জানিয়ে সরাসরি পোস্ট দিয়েছেন। এর দায় কি মডারেটর বহন করবে? মনজু ভাই সরাসরি বলে দিয়েছেন, জুতোর মাপে তিনি পা তৈরি করতে পারবেন না। জুতোর মাপ এর অর্থ যদি হয় সচলের নিয়মগুলি সাথে অভিযোজন, তাহলে আমি বিনীতভাবে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এখানে আমরা সবাই জুতোর মাপে পা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। ওনার একার সমস্যা হলে তার সমাধানের দায়ও ওনার।

আপনার গুরুতর অভিযোগগুলির প্রসঙ্গে আপনি তিরস্কৃত হয়েছেন, এই কথা শুনে আমি বিস্মিত হচ্ছি। আপনার একটি বদভ্যাস হচ্ছে আপনি যে কোন কথাই নিজের গায়ে টেনে নিয়ে হইচই শুরু করেন, এমন সব কথা, যা আপনাকে বলা হয়নি, এমনকি যা আপনার জানার কথাও নয়। আপনি সেগুলোকে আপনাকে উদ্দিষ্ট আক্রমণ ধরে নিয়ে হাওয়ায় তলোয়ার ঘোরান। কয়েকবার আপনাকে বিভিন্ন প্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করাকে যদি আপনি ভর্ৎসনা বলে ইন্টারপ্রেট করেন, তাহলে আমি দুঃখিত চিত্তে বলছি, আপনার সাথে যোগাযোগ খুব দুরূহ, আপনি কথা বোঝেন না।

খুব বিরক্তি নিয়ে মন্তব্য শেষ করছি। ভালো থাকবেন।


হাঁটুপানির জলদস্যু

ফারুক ওয়াসিফ এর ছবি

ভাল করে খেয়াল করে দেখুন, আমি শেষপর্যন্ত আপনাদের নেসেসিটি নিয়ে নয়, অ্যাপ্রোচ নিয়ে কথা তুলেছি। এই কথা অনেক আগেই তুলবার ছিল। কিন্তু অপেক্ষা করেছি, যেন বুঝতে পারেন।

সচলের পরিচালনা রীতির সামান্য অনুযোগ করলেই যেরকম স্পর্শকাতরতা দেখান, সেটা ঠিক নয়। মনজু ভাইয়ের অপেক্ষা করাই উচিত ছিল, সেটা আমি ওপরে বলেছি। কিন্তু অনুযোগ জানিয়ে উনি কোনো অন্যায় করেছেন, তা আমি মনে করি না।

আর যার কথার পরেই বলে থাকেন, ওটা একটা স্টেটমেন্ট। আমি সেটা ধরেই কথা বলেছি। তবে মানি, আপনার বিরক্তি আমার থেকে বেশি, কারণ অনেকেই আপনাদের বিরক্ত করে দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু আপনারা জানতেও পারেন না, কতজন আপনাদের অজ্ঞাতে আহত হয়ে বসে যায়। এ কথা বলায় নিশ্চয়ই আমার ইন্টেগ্রিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না। আমার ধারণা, সময়ে সময়ে আমি তার প্রমাণ রেখেছি। আমাদের কপাল সীতার কপাল। বারবারই আমাদের অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। আবারো নাহয় করা যাবে।

নিশ্চয়ই আমি কিছু গুরুতর কথা বলেছি, কারণ তার প্রয়োজন হয়েছিল। আপনিও অনেক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। সেটার উত্তর নিশ্চয়ই দেব, ব্যাখ্যাও দেব। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, এখন আমাকে কাজে বেরুতে হবে। আশা করি ততক্ষণের বিলম্ব ক্ষমা করবেন। তার আগে বলে রাখি, আমাকে করা আপনার অভিযোগগুলো ঠিক নয়। আমার কাছে প্রমাণ আছে।

আমার আর বিরক্তির কিছু নাই, আছে আশাভঙ্গের বেদনা।

হাঁটাপথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে। হে সভ্যতা! আমরা সাতভাই হাঁটার নীচে চোখ ফেলে ফেলে খুঁজতে এসেছি চম্পাকে। মাতৃকাচিহ্ন কপালে নিয়ে আমরা এসেছি এই বিপাকে_পরিণামে।

হিমু এর ছবি

স্পর্শকাতরতার কিছু নেই। আপনি লক্ষ্য করে দেখুন, কোথাও আমরা বলিনি যে মনজু ভাই অনুযোগ করে অন্যায় করেছেন, বরং তাঁর অনুযোগের প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেছি। এই ব্যাখ্যাটি তাঁর বা আপনার বা আরো অনেকের অপছন্দ হতে পারে, কিন্তু ব্যাখ্যাটি এমনই। মনজু ভাইয়ের অনুযোগ একটি অন্যায়, এই বাক্য এসে প্রথম ব্যবহার করলেন আপনি। কারণ কী?

আপনি আমাদের অ্যাপ্রোচ নিয়ে অনেক মাণিক্যখচিত বাক্যব্যয় করলেও মনজু ভাইয়ের অ্যাপ্রোচটিকে সরল বলেই চালিয়ে দিয়েছেন। আমিও তো আপনাকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ করতে পারতাম। করেছি কি?

আপনার ইন্টেগ্রিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলছি না, কিন্তু "আপনাদের" কপাল সীতার কপাল কথাটা শুনে বিস্মিত হচ্ছি। এই "আপনারা" কারা?

আমাদের অজ্ঞাতে আহত হয়ে যারা বসে যান, তাঁরা যে আমাদের কতটা আহত করেন, তা নিয়ে পা ছড়িয়ে কাঁদি না বলে আমাদের সমস্যাগুলি কেউ বুঝতে চান না। কিংবা না বুঝলেই ব্যাপারটা সহজ হয়, গালি দেয়ার, ঝাড়ি মারার, চোখ রাঙানোর জন্যে কাউকে পাওয়া যায়। সেইসমস্ত কাজ শেষ করে নিজের জরুরি কাজে বেরিয়ে পড়া যায়।

আপনার জরুরি কাজ সফল হোক। আমিও খুব জরুরি কাজ ফেলে আপনার অকারণ অভিমানজর্জর পোস্টের একপেশে তিরস্কারবাক্যের জবাব দিয়ে যাচ্ছি।


হাঁটুপানির জলদস্যু

মেটালিফেরাস এর ছবি

সমস্যাটা যে শুধুই অ্যাপ্রোচে সেটা বোঝার জন্য যে কোনো ধরনের অনুযোগ অভিযোগে আপনাদের রিএকশন দেখলেই হয়। ভাই এখানে তো কেউ প্রতিপক্ষ নয় আপনাদের তাইনা!

আর আমাদের কমেন্টগুলো দয়া করে প্রকাশ করুন। সুন্দর সাবলীল ভাষায় হয়তো লিখতে পারিনা, কিন্তু এই কমেন্টগুলোতে অশ্রাব্য বা অভব্য কিছুতো নেই, তাইনা!

ভালো থাকবেন।

ও হ্যা, এই সুযোগে মনজুরাউল সাহেবের কাছে মাফ চেয়ে নিচ্ছি " এর আগে আরো অনেকের বেলায় আমাদের অত্যাচার-অনাচার মুখ বুঁজে সহ্য করে গেছেন, কিন্তু আজ আপনার ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙার আওয়াজ আপনি গোপন রাখতে পারছেন না। তাই আপনি গর্জে উঠেছেন। বেশ, উত্তম " এই হঠাৎই গর্জে উঠে কারো কারো চোখে সন্দেহে ফেলার জন্য।

হিমু এর ছবি

হ্যাঁ ভাই, আমাদের অ্যাপ্রোচ বড় খারাপ। আমরা খুব দুষ্ট লোক। এইবার আপনি খুশি হাসি ?

সচলায়তন তো অনুযোগ অভিযোগের মধ্যেই বেড়ে উঠেছে। একদম শুরু থেকেই অভিযোগ শুনছি, আমরা এলিটদের বৈঠকখানা, আমরা বাকস্বাধীনতার শত্রু, আমরা হ্যান, আমরা ত্যান। আর আমাদের প্রতিক্রিয়াও কিছুতেই অনুযোগ বা অভিযোগকারীর মনমতো হয় না। ভাই মেটালিফেরাস, আপনি কী ধরনের প্রতিক্রিয়া পেলে খুশি হন আমাদের কাছ থেকে? আপনি এসে ধমক দিবেন, আর আমরা কেঁদে ফেলবো? সেটাই কি যোগ্য রিয়্যাকশন হবে? জানাবেন।

তিক্ততায় তিক্ততা বাড়ে, তাই না? আমরা চেষ্টা করি যতদূর সম্ভব এই তিক্ততা এড়িয়ে চলতে।

আর গত এক বছর এক মাসে সচলের কোথাও আপনার সাড়াশব্দ পেলাম না, আপনি এখন গোলমালের গন্ধ পেয়ে এসে ক্রমাগত বিভিন্ন কথা ভিন্ন খাতে বইয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন, আপনার উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ হওয়াটাও কি খারাপ রিঅ্যাকশনের মধ্যে পড়ে?


হাঁটুপানির জলদস্যু

মেটালিফেরাস এর ছবি

ঠিকাছে

কানন আহসান এর ছবি

সচলায়তনের শুরুর দিকের একজন পাঠক আমি । নিজে লেখালেখি করিনা বলে রেজিষ্ট্রেশন করিনি তাই সচল হওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে সচলায়তনের নীতিমালা নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই ।
সচলায়তনের সব লেখার গুনগত মান যে খুব আহামরি তা নয় কিন্তু যে জায়গায় সচলায়তন অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকে তাহলো এর সুস্থির পরিবেশ । আলোচনা-সমালোচনা,তর্ক-বিতর্ক করা মানেই যে যে কাছা খুলে নেমে পড়া নয় কিংবা নিজের কথা প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে অন্যদের ছোট করা নয়-সেটা এখানে এলে টের পাওয়া যায় ।
এই পোষ্টের সব মন্তব্যগুলো পড়লাম । মনজুরাউল এর ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটেছে মনে হল । কিন্তু তিনি তার ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে সদ্য সচল হওয়া কয়েকজনের নাম উচ্চারন করলেন । এটা বেশ দৃষ্টিকটু ঠেকলো ।

কিন্তু সচলের 'মাপকাঠি’ চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আমি রাফি,ষষ্ঠপান্ডব,পলাশদত্ত দের নিচে অবস্থান করছি!প্রকারান্তরে এদের চেয়ে ন্যারো রেটের লেখক! আর এটা করা হয়েছে সুচিন্তিত ভাবেই। আমি অপমানিত বোধ করলাম।

পালটা প্রশ্ন তোলা যেতে পারতো- কোন মানদন্ডে তিনি নিজেকে রাফি,ষষ্ঠপান্ডব,পলাশদত্ত এদের চেয়ে 'আপার রেটের' লেখক মনে করেন ? তার অভিযোগ সুচিন্তিত ভাবে সচলায়তন তাকে রাফি,ষষ্ঠপান্ডব,পলাশদত্ত দের চেয়ে ন্যারো রেটের লেখক বানিয়েছে । তার মানে সচলায়তন স্বজন প্রীতি করে রাফি,ষষ্ঠপান্ডব,পলাশদত্ত দের আপার রেটেড বানিয়েছে যদিও আসলে তারা মনজুরাউল এর চেয়ে 'ন্যারো রেটেড'

অতীতে ও দেখেছি কোন কোন অধিক পরিচিত লেখক (এই রাজনীতি নির্ভর দেশে লেখক পরিচিতি নানাভাবেই গড়ে উঠে) ওপেন ফোরামে এসে নিজেদের হামবড়া ভাব গোপন রাখতে পারেননা । নিজেকে তুলে ধরতে গিয়ে অন্যদের ছোট করেন, অন্যদের নবিশ ভাবেন ।
সচলায়তন এবং সচলেরা এইসব থেকে মুক্ত থাকুক ।

ফারুক ওয়াসিফ এর ছবি

@ হিমু

মনজু ভাই তাঁর তর্ক শুরুই করেছেন নিজস্ব মানসিক বিষফোঁড়ার প্রেক্ষিতে। তাঁর কন্যাটি অসুস্থ ছিলো, তিনি টেনশনে ছিলেন, সেই ঝাল তিনি ঝেড়েছেন সচলের ওপরে। তিনি একাধিকবার জানিয়েছেন, তাঁর ধারণা মডারেটররা তাঁকে পছন্দ করছে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। এই ধারণার ভিত্তি কী আমি জানি না, কিন্তু তিনি কলহ করছেন এই ধারণার আলখাল্লা মডারেটরদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে তাদের সাথে।

আমি যে অ্যাপ্রোচের কথা বলেছিলাম, সেটার একটা নমুনা ওপরে দেয়া গেল। নিজেই ভেবে দেখেন।

সবসময়ই কি আপনারা সকল সদস্যের সহানুভূতি, সৌহার্দ্য পেয়ে আসেননি? আমি একটি কথাই বলতে চাইছি হাজারবার। আপনারা যে আহত হন না, লোকে যে অকারণে আপনাদের জ্বালাতে আসে না, তা নয়। আসে। কিন্তু মডারেটর হিসেবে সেটার সঙ্গে একজন সদস্য বা হবু সদস্যের আহত হওয়াকে এক নিক্তিতে মাপা যায় না।

আমার অভিযোগ ছিল পক্ষপাতিত্ব নিয়ে, সচলের ভেতরে একটা প্রিভিলেজড ক্লাস নিয়ে। অন্যদের মতো অনেক নিয়মই তাদের বেলায় খাটতে দেখা যায় নাই। ছোটো খাটো ম্যানিপুলেশন না হয় বাদই দিলাম। আজ এত কিছুর পর ওসব ভোলা যাচ্ছে না। এসব বলে হয়তো, নিজেকে ও সচলকে নিয়ে জমা ভার খালাস করতে চাইছি। যাতে হারানো সুর ফিরে পেতে পারি।
যাহোক, এসব বলতে বাধ্য হয়েছি অনেক কিছুর পর। আপনি আমার বোঝা না বোঝা বা অকারণ অভিমান ইত্যাদি যা বলেছেন, তার ব্যাখ্যা আমি দেব।

এখন আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে যে, এখন সেই উপায় আমার নাই। এখন অফিসে। আগের কমেন্টটা করে নীচে গিয়েছিরাম পাতা পেস্ট করতে। আর এখন যাব একজনের ইন্টারভিউ করতে। কাল অফিসে আসবো না। সেজন্য আজ দিবারাত্র কাজ করছি।

জানি, দ্বন্দ্বের নিয়মে এবারও আমি বা আপনি বা অন্য কেউ অতিরেক ঘটাবে। এও জানি সুযোগসন্ধানীরা সুযোগ নেবে। তবুও কিছু কিছু মুহূর্ত এড়ানো কঠিন। অভিনন্দন।

হাঁটাপথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে। হে সভ্যতা! আমরা সাতভাই হাঁটার নীচে চোখ ফেলে ফেলে খুঁজতে এসেছি চম্পাকে। মাতৃকাচিহ্ন কপালে নিয়ে আমরা এসেছি এই বিপাকে_পরিণামে।

হিমু এর ছবি

আমি আপনার উদ্ধৃত জবাব পড়ে দেখলাম। আপনার কথার হুলের উত্তরেও আমাকে পুষ্পিত হাস্যমধুর স্তোকবাক্য এগিয়ে দিয়ে পরবর্তী হুলের অপেক্ষায় থাকতে হবে, এ-ই যদি আপনার প্রত্যাশা হয়, আমি আপনাকে অবশ্যই হতাশ করবো।

আপনি এক নিক্তিতে কিছুই মাপবেন না, আমি জানি। মাপলে পাল্লার কাঁটা আমাদের ভর্ৎসনা করার কাজে অসুবিধা করতে পারে। দুই নিক্তিতে মেপে যাবতীয় দায় আমাদের ঘাড়ে চাপানোটা অনেক সহজ।

সচলের মধ্যে এক প্রিভিলেজড ক্লাসের রূপকথার দায়ও এখন আমাকে বহন করতে হচ্ছে। ভাই, আমরা রক্তমাংসের মানুষ, রোবট না, কোন জাভাস্ক্রিপ্ট না। দিনরাত ২৪ ঘন্টা আমরা স্ক্রিনের সামনেও থাকি না। সব পোস্ট প্রকাশিত হবার সাথে সাথে আমরা সেগুলি পড়ে আগে আগে উত্তর দিতে পারি না। রিয়্যাকশন টাইম বলে একটা কথা আছে সব সিস্টেমে, আমরাও তার শিকার। কোন সমস্যা চোখে পড়তে দেরি হতে পারে, কিন্তু কোন সমস্যা চোখে পড়ার পর তার নিরসনে দেরি আমরা করেছি, এমন অভিযোগ আপনি তুললে আমি স্পর্শকাতর হতে বাধ্য হবো। আমি আমার জীবনের আড়াই ভাগের একভাগ ব্যয় করি সচলায়তনে, জেগে থাকা আয়ুর দেড় ভাগের এক ভাগ, আপনার এসব অযৌক্তিক আবেগপ্রসূত অভিযোগ আমাকে আহত করলে আমি স্পর্শকাতরতা প্রদর্শনে একরকম বাধ্য হবো। আপনার অভিযোগ শুনে মনে হচ্ছে, একা আপনি সেই প্রিভিলেজড-ক্লাসবহির্ভূত সদস্য। অন্যদের মতো অনেক নিয়ম কাদের বেলায় খাটে না, অনুগ্রহ করে জানাবেন। প্রকাশ্যে জানাতে সমস্যা হলে গোপনে জানাবেন। ছোটখাটো ম্যানিপুলেশনগুলির একটা তালিকাও দিতে পারেন আমাকে।

গত ১৩ মাস ধরে আমরা সবাই মিলে সচলায়তনকে একটু একটু করে গড়ে তুলছি। কলহ, বিবাদ, কাদা-ছোঁড়াছুঁড়ি থামানোর জন্যে আমাদের সাধ্যের মধ্যে যা যা কিছু করা সম্ভব, করছি। সচলায়তনের সদস্যদের প্রশ্ন করে দেখুন, কেন তাঁরা এই কমিউনিটিকে ঘিরে আছেন। এই পরিবেশটুকুর জন্যে। কারো ব্যক্তিগত কলহপ্রিয়তার বিলাসকে উৎসাহিত করার জন্যে আমরা সচলের নিয়মে ছাড় দিতে প্রস্তুত ছিলাম না, এখনো নেই। যদি এই নিয়মে শৈথিল্যই আপনার কাম্য হয়, আমি বিনীতভাবে দ্বিমত পোষণ করছি। এ ব্যাপারে আপনাকে বা যে কাউকে আমরা হতাশ করবো।

আমাদের সৌহার্দ্য বরাবরই সব সদস্যদের সাথে আছে, সম্ভাব্য সবরকম সাহায্যের প্রতিশ্রুতিও। কিন্তু তার মানে এই না, পান থেকে চুন খসলে আপনার শ্লেষের শিকার হবো, সেই শ্লেষ আক্রান্ত হয়েও নম্র বিনয়ে দ্বিতীয় গালটি ফিরিয়ে দেবো। আমাদের অযথা আঘাত না করে আমাদের সঙ্গে থাকুন।


হাঁটুপানির জলদস্যু

স্নিগ্ধা এর ছবি

যে জায়গায় সচলায়তন অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকে তাহলো এর সুস্থির পরিবেশ ।

যেহেতু আমি নিজে একজন সচল, অতএব আমার অভিমত প্রশ্নাতীতভাবে নিরপেক্ষ না হতেই পারে - কিন্তু তবুও বলছি, এটা ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে সচলায়তনের সবচাইতে বড় আকর্ষণ! আর একটা সুস্থ পরিবেশ গড়ে ওঠে সমমানসিকতার সদস্যদের নিয়ে - সে ব্যাপারেও আমার অপরিসীম কৃতজ্ঞতা। এই সচলায়তনের কারণে এতগুলো ভার্চুয়াল বন্ধু পাওয়াটা আমার প্রত্যাশার বাইরে ছিলো!!

ফারুক ওয়াসিফ এর ছবি

আমার আশা, এর পরেও সচল সেটাই থাকবে এবং থাকুক।

হাঁটাপথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে। হে সভ্যতা! আমরা সাতভাই হাঁটার নীচে চোখ ফেলে ফেলে খুঁজতে এসেছি চম্পাকে। মাতৃকাচিহ্ন কপালে নিয়ে আমরা এসেছি এই বিপাকে_পরিণামে।

ফারুক ওয়াসিফ এর ছবি

আমি একটা অনুরোধ করতে পারি? এই আলোচনায় অতিথি কমেন্ট না নিলে পরিবেশটা বোধহয় বেশি ভাল থাকে। কেউ আবডাল নিয়ে যা ইচ্ছা তা বলে যেতে পারে না। এবং তাকে তো পরে পাওয়াও যাবে না, উত্তর বা ব্যাখ্যা নেয়া-দেয়ার জন্য।

আমারও ভুল হতে পারে। তবে এই ঘটনার পর (অরূপের কমেন্ট) আমি কিঞ্চিত থমকে গিয়েছিলাম। নীচে তা দিয়ে দিলাম।

প্রিয় ফারুক ভাই,
এই মন্তব্যটা দেখিনি অনেক দিন। মন্তব্য করেছি সবজান্তার পোস্টে। আপনার রিঅ্যাকশন বড়ই অপ্রত্যাশিত। এই
পোস্টের পরে আপনি মধ্যবিত্ত বিষয়ক একটি পোস্ট দিয়েছেন। যদি এই মন্তব্যকে তার বিরুদ্ধে গ্রহন করেন তাহলে মুস্কিল। প্যারানয়েড হওয়াটা সুলক্ষন নয়।
দুর্ভাগ্যক্রমে একাধিক মহোদয়ের সাথে এই জীবনে আলাপ হয়েছে যারা কথায়-অকথায় গোটাকয় শব্দ বার বার তুলে আনেন। চড় মারার ঘটনা আপনি জানেন না। জানলে ভালো
হল। চড় মারা নিয়ে "মধ্যবিত্ত" শব্দের ব্যবহার শুনতে হয়েছে বাস্তবেই। মানুষ খুবই উন্নত প্রাণী, তার শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ। স্বভাবতই, যারা উপরিউক্ত শব্দচতক্রের বাইরে যেতে পারেন না তাদের চিন্তার সীমা নিয়ে সন্দেহ জাগে।
এদের সাথে আপনি নিজেকে মিলিয়ে ফেললে কিছু করার নেই। নাকি আছে?
আমি বারবার দেখছি আপনি আগ বাড়িয়ে লাগতে আসেন। ঘোড়া সামলান। পায়ে পা দেওয়াটা অশোভন। সচল কাউকে আটকে রাখে না। সবাই মুক্ত। জোর-জবরদস্তির কিছু নাই। এখানে যন্ত্রনা হলে, যেখানে উপশম হয় সেখানে আড্ডা গাড়াই ভালো। সচলের নিয়মের পিছে না লাগাই ভালো, নিয়মহীনতার একাধিক ক্ষেত্র আছে, ঠিকানা প্রয়োজন হলে জানাবেন।
দয়া করে অপ্রয়োজনে না পিছে লাগলে সুখী হই। প্যারানয়া থেকে বের হয়ে আসুন, আগ বাড়িয়ে ক্যাচাল করাটা হজম করা সম্ভব না।
শুভেচ্ছায়
অরূপ

এর আগে অরূপ আরেকটা কমেন্ট করে আমাকে লক্ষ্য করে।
উদ্ধৃতি
একবার কাকে যেন বল্লালম "দেব একটা চড়", কোথা থেকে চলে এলেন মধ্যবিত্ত প্রসঙ্গ। সচলে কাউকে ব্যান করা হল, বলা হল মধ্যবিত্ত মানসিকতা! পাশের বাসার কুকুর ঘেউ করলো, লাফ দিলো পুঁজিবাদ, আকাশে মেঘ করলো, শুরু হল শ্রেণী সংঘাত
এই তোতাপাখিদের নিয়ে বড় যন্ত্রনা!
সবজান্তা, "মহাজনের বিলাই" ক্লাবে স্বাগতম

মুশকিল হলো অরূপের এই কমেন্টটা দেখার আগেই আমি মধ্যবিত্ত নিয়ে পোস্টটা দিই। এবং সেখানে না সবজান্তা না অরূপ বা আর কেউ, কাউকেই উদ্দেশ করা হয়নি। বিষয়টা উঠেছে তাই লিখি। ব্যস।
যাহোক অরূপের কমেন্টের জবাবে আমি লিখি:
প্রিয় অরূপ,
আমি মধ্যবিত্ত, পুঁজিবাদ, শ্রেণী সংঘাত ইত্যাদি নিয়ে নানান সময়ে লিখে থাকি_আরো কেউ কেউ লেখেন। কিন্তু এসবের সঙ্গে চড়, কুকুর, তোতাপাখির সম্পর্ক টানা কেবল আপত্তিকর নয়, অশোভনও। আমি আনুষ্ঠানিকভাবে আপনার এ মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সচলায়তনের মডারেটরবৃন্দ যদি এধরনের লেখালেখি অপছন্দ করেন, সেটা সরাসরি বা মেইলে বলে দেয়াই ভাল। যন্ত্রণাকর পরিস্থিতির মধ্যে বসে আমাদের লিখতে হয়।
লিখতে এসে আরো যন্ত্রণা নেয়ার সামর্থ্য ব্যক্তিগতভাবে আমার নাই। আমার যতদূর মনে হয়, আমি যতভাবে সম্ভব, নিষ্ঠার সঙ্গে সচলকে ধারণ এবং পালনের চেষ্টা করেছি। যতবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষে আক্রান্ত হয়েছি, ভেবেছি, কোথাও ভুল বোঝাবুঝির ব্যাপার নিশ্চয়ই রয়ে যাচ্ছে। ভুল হলে সেটারও দেখিয়ে দেবার একটা ভব্য ধরণ থাকে। আপনাদের কোনো কোনো সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত না হয়েও মেনে নিয়েছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, ‌সকলই গরল ভেল।
দয়া করে জানাবেন, কোথায় সমস্যা আর আমার কী করণীয়।
আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায়।
''''''''''''
এই হলো ঘটনা।
এর জবাব দেব কি দেব না ভাবতে ভাবতে আমার মনে হয়, এর আগেও নানান রকম অপমানকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। সচলের স্বার্থে মেনে নিয়েছি। চেয়েছি ওরা বুঝুক। সচল ব্যানের সময়ও ভাবা হয়েছিল যে, আমি ষড়যন্ত্র করছি। তাই এবার আমার রাগটা বেশিই হলো। অরূপ অবশ্য ওই কমেন্টটা সরিয়ে নেয় এক সপ্তাহ পারে। কিন্তু তার তলায় আদিত্যরটা থাকে। আদিত্য সম্ভবত কারো নিক।

কিন্তু এটাও সত্য যে, বাংলা ব্লগ জগতে সচলায়তন আজ এক ইতিহাস। আর সেই ইতিহাস সৃষ্টিতে অরূপসহ অন্য তিন মডারেটর এবং আরো কারো কারো অনন্য ভূমিকা আছে। এর সঙ্গে আমাদের সদস্যদের সম্মিলিত ওজন যোগ করলেও কম হবে। সেই ওজনের অপর নাম কিন্তু ত্যাগ, আত্মত্যাগ। অরূপের সঙ্গে একবার যখন ফোনে কথা হয়, তখন আমি যে ব্যগ্রতা ও সচলময়তা টের পেয়েছিলাম, তার জন্য ওকে ভালওবেসে ফেলিছিলাম। কিন্তু বিধি আপাতত ডান, ফলে আমাদের কারো পক্ষেই তা যাচ্ছে না দেখছি।

আমার ওপরের সব কথার জন্য যদি ক্ষমা চাইতেও হয়, রাজি আছি। কিন্তু সামান্য যে ত্রুটিগুলো দেখা যায়, সেগুলো আমরা একসঙ্গে সারাতে পারি না?

হাঁটাপথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে। হে সভ্যতা! আমরা সাতভাই হাঁটার নীচে চোখ ফেলে ফেলে খুঁজতে এসেছি চম্পাকে। মাতৃকাচিহ্ন কপালে নিয়ে আমরা এসেছি এই বিপাকে_পরিণামে।

হিমু এর ছবি

আপনি হয়তো সচলায়তনের আগে বাংলা ব্লগোস্ফিয়ারে আমাদের সক্রিয়তা সম্পর্কে অবগত নন। চড়ের প্রসঙ্গটা একসময় ঝড় তুলেছিলো, এবং অরূপ যে কথা উল্লেখ করেছে, তার সাথে জড়িত ব্লগাররা ছিলেন ব্রাত্য রাইসু, জামাল ভাস্কর ও আস্তমেয়ে। এতে আপনি কোনভাবে জড়িত নন, কিন্তু অযথাই নিজের গায়ে কথা টেনে নিয়ে একটা তিক্ত তর্কের সূত্রপাত করলেন। কেন? আপনি সব কিছুর মধ্যে আপনাকে উদ্দিষ্ট করে চালিত আক্রমণের গন্ধ কেন খুঁজে পান? আপনার কি মনে হয় না, কোন কিছু বুঝতে না পারলে সেটি আপনাকে উদ্দেশ্য করে বলা কোন কিছু না-ও হতে পারে? সচলায়তনের সবাই কি আপনাকে ঠ্যাঙানোর জন্যে বসে আছে?

আপনার আর অরূপের তিক্ত বাক্যবিনিময়ের সাথে মনজুরুলের সচল না হওয়ার ঘটনার সম্পর্ক কোথায়? আপনি কি এই তিক্ততার বিষ সংশ্লিষ্ট পোস্টে ঝাড়তে পারতেন না? নাকি অপেক্ষা করছিলেন একটা গোলযোগ হলে এসে আচ্ছা করে এক হাত দেখে নেবেন আমাদের সবাইকে?

অতিথি মন্তব্য প্রসঙ্গে আপনার অভিযোগ নোট করা হলো। অভব্য মন্তব্য সচলে প্রকাশ করা হয় না, কদাচিৎ কমেন্ট অ্যাপ্রুভাল স্লিপের কারণে দুয়েকটা অভব্য মন্তব্য ফসকে বেরিয়ে যায়। দুঃখ প্রকাশ করছি সে কারণে। দয়া করে একে ম্যানিপুলেশন ভেবে অপরাধী করবেন না আমাদের।


হাঁটুপানির জলদস্যু

হিমু এর ছবি

আরেকটা কথা।

সচল ব্যানের সময়ও ভাবা হয়েছিল যে, আমি ষড়যন্ত্র করছি।

আপনি কি মানসিকভাবে অসুস্থ? নাকি স্মৃতিভ্রষ্ট? সচল যখন ব্যান হলো, আপনার সাথে প্রহরে প্রহরে আমি নিজে যোগাযোগ করেছি। আপনার, ব্যক্তি ফারুক ওয়াসিফের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন দশটা দিন কাটিয়েছি। এই উদ্বেগের কারণও ছিলো, সেটা আপনি ভালো করেই জানেন। আর আপনি এখন বলছেন আপনাকে ষড়যন্ত্রকারী ভেবেছি আমরা!

আমার ধারণা আপনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, এবং মৃদু পারসিকিউশন ম্যানিয়ার রোগী। এবং আমাদের বিরুদ্ধপক্ষ ভেবে আপনি রীতিমতো পুলকিত হন। এই ভুল ধারণাগুলো থেকে বেরিয়ে আসুন, নিজেও সুখে থাকবেন, আমাদেরও স্বস্তিতে রাখতে পারবেন।

আপনার পেছনে লেগে থাকার কারণ, উদ্দেশ্য বা প্রয়োজন সচলের নেই। যদি একই ভাবে এই ফেভারটা রেসিপ্রোকেট করতে পারেন, কৃতার্থ হই।


হাঁটুপানির জলদস্যু

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

হিমুর বক্তব্যের সাথে দ্বিমত না থাকলেও এই মন্তব্যের এপ্রোচ দেখে ব্যথিত হলাম।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

হাসান মোরশেদ এর ছবি

সুপ্রিয় হিমু এবং ফারুক ওয়াসিফ,
এই আলোচনা থেমে যাওয়াটা সবার জন্য স্বাস্থ্যকর ।

পোষ্ট পড়ে যা বুঝলাম -মনজুরাউল ভাই মনক্ষুন্ন হয়েছেন অতিথি হিসেবে অনেকগুলো পোষ্ট দেয়ার পরও তার আগে অন্য কয়েকজনকে অতিথিকে সচল করায় ।
যতোটুকু জানি (হিমু তা ব্যাখ্যা ও করেছেন) ভালো লেখাই সচলত্বের একমাত্র মানদন্ড নয় । এর সাথে আত্নীকরনের কিছু ব্যাপার আছে যা আমাদের অভিজ্ঞতালব্দ । পুর্বে লব্দ তিক্ত অভিজ্ঞতার কারনেই অনেককে দীর্ঘ সময় একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসতে হয় । যাদের ঐ তিক্ত অভিজ্ঞতা লাভের দুর্ভাগ্য হয়নি তাদের কাছে এটা বাড়াবাড়ি মনে হতেই পারে, মনে হতে পারে অতি সতর্কতা ।
কিন্তু সচলায়তন একটা ছোট্ট ফোরাম মাত্র, মাত্র দুতিনজন সার্বক্ষনিক মডারেশনের দায়িত্বপুর্ন কাজ করেন- আমি ব্যক্তিগতভাবে জানি তাদের । তারা প্রায় সবাই প্রবাসে এখনো ছাত্র অবস্থায় । তাদের পক্ষে সবসময় লোড নেয়া সম্ভব নয় বলেই এই অগ্রীম সতর্কতাটুকু জরুরী হয়ে উঠে ।
আমি নিশ্চিত, মনজুরাউল ভাইকে অবশ্যই পরবর্তী সময়ে পুর্ন সচল করা হতো কিংবা হবে । অন্যদের সাথে তাকে সচল করা হয়নি বলে লেখক হিসেবে তাকে খাটো করা হয়েছে-এমন অভিযোগ একটু কঠোরই শুনায় বৈকি ।

আর 'চড় মারা' বিষয়টি ও স্রেফ ভুল বুঝাবুঝি মনে হচ্ছে । তৎকালীন বাংলা ব্লগোস্ফিয়ারের কয়েকটি ইতিহাসের একটি । 'গোলাম আজম মহান নেতা' এমন ঘোষনাদায়ী এক জামাতী বালিকাকে অরূপ চড় দিতে চেয়েছিল । সাথে সাথে আমাদের কোন কোন সুশীল ব্লগার যারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষ শক্তি বলে দাবী করেন-তারা অরূপের ঐ প্রতিক্রিয়ার নিন্দা জানিয়েছে বলেছিলেন 'ইহা মধ্যবিত্ত আচরন'

এই হলো ঘটনা । প্রায় দু বছর পর সেই ইতিহাস ফিরে এলো অন্য রূপে । ফারুক ওয়াসিফ বুঝতে ভুল করেছেন, অরূপের মন্তব্য দেখে মনে হলো সে ও ফারুক ওয়াসিফকে আসল ঘটনা স্পষ্ট করে বলতে পারেনি । ফলতঃ এই ভুল বুঝাবুঝি ।

যত কিছু হোক ,শেষপর্যন্ত তো এই আমরা আমরাই হাসি
তাই আবারো বলি , স্রেফ বুঝার ভুল থেকে মন কষাকষি মোটেও স্বাস্থ্যকর নয় ।

শুভ ব্লগিং ।

-------------------------------------
"শিয়রের কাছে কেনো এতো নীল জল? "

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

অমিত আহমেদ এর ছবি

সচলায়তনের জন্মলগ্ন সদস্য হিসেবে এই মন্তব্য লিখছি। সচলায়তন কর্তৃপক্ষকে কোনো ভাবেই আমার মন্তব্যের জন্য দায়ী করা যাবে না।

১) সচলায়তন কর্তৃপক্ষকে সুযোগ পেলেই কিছু মানুষ "উদ্ধত" বলে ফেলেন। এটার কারণ কি? ব্যাপারটি কি এমন যে - কর্তৃপক্ষকে যখন খুশি ইচ্ছে মতো অভিযোগ-আক্রমন করা যাবে আর কর্তৃপক্ষ তা গদগদ ভাবে মেনে নেবেন? আত্মপক্ষ সমর্থন কি উদ্ধত? এই যে আলোচনা হচ্ছে, তার মানে আলোচনাকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। সেই সুযোগ নিয়ে পূর্ণ আলোচনা হতে পারে কর্তৃপক্ষকে "উদ্ধত" টাইপ টাইটেল না দিয়েই।

২) কর্তৃপক্ষ আক্রান্ত হলেই আলোচ্য বিষয়কে টেনে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। যে বিষয়ে আলাপ হচ্ছে সে বিষয়ে থাকতে কি সমস্যা? কথা হচ্ছিলো মনজুরাউল ভাইয়ের চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে... সেটিকে টেনে হিঁচড়ে অন্য দিকে নেবার কি কারণ?

৩) ফারুক ওয়াসিফ ভাই আর কর্তৃপক্ষের তর্কালোচনা দেখলাম। আমার মনে হয় ফারুক ওয়াসিফ ভাই ধোঁয়া দেখেই "আগুন-দাবানল" হাঁক দিয়েছেন। কর্তৃপক্ষের স্বজনপ্রীতি, এলিটগ্রুপ, কিছু সদস্যের উপর মনক্ষুন্ন, এমন অনেক অভিযোগই ফারুক ভাই তুললেন। ব্যক্তিগত ভাবে আমার কাছে ভিত্তিহীন মনে হলো এসব। "আমাদের কপাল সীতার কপাল" বলে যাঁদের কথা ফারুক ভাই বলছেন ভালো হয় তাঁরা সবাই যদি এখানে জানান দেন। আমরা সচলেরা জানতে চাইবো কাদের প্রতি কর্তৃপক্ষের এতো অবিচার!

৪) ফারুক ওয়াসিফ ভাই... সচল ব্যান হবার পরে কর্তৃপক্ষ যে আপনাকে নিয়ে কতটা চিন্তিত ছিলো তা জানলে আপনি "সচল ব্যানের সময়ও ভাবা হয়েছিল যে, আমি ষড়যন্ত্র করছি।" কথাটা মুখে আনতে পারতেন না। আমি এবং আরও কয়েকজন অবিরত অভিযোগ করেছি "আমাদের অ্যাকশন দরকার"। কর্তৃপক্ষ কেবল বলে "নাহ, কিচ্ছু না, ফারুক ভাইয়ের নিরাপত্তা আগে।" আজ তাই আপনার কথা শুনে আমি যানপরনাই বিস্মিত হলাম। লে হালুয়া!

৫) সচলায়তনের নিয়ম সহজ। নিয়ম বলতেও আমার আপত্তি আছে। সচলায়তন সদস্যদের কাছে যা চায় তা স্বতস্ফূর্ত আসার কথা। ডুয়েল পোস্টিং করা যাবে না... সেটা আমি কেনো করবো? সবার সাথে মিলে মিশে থাকবো... কেনো থাকবো না? সচলায়তনের একটি মুড আছে মেজাজ আছে আমার মনে হয় সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সেই মেজাজের সাথে আমার এবং অন্য সচলদের মেজাজ মিলে যায় বলেই আমরা সবাই মিলে সচলায়তন।

৬) এখন পর্যন্ত ক'জন সদস্য চলে গিয়েছেন যে সচলায়তনকে রেলস্টেশনের সাথে তুলনা করা হলো? তুলনাটি আমার কাছে বাজে লেগেছে। এমন ভাবে চিন্তা করা মানেই সচল মেজাজের উলটো দিকে যাওয়া।

৭) মনজুরাউল ভাইয়ের পোস্টের প্রেক্ষীতে কিছু বলিনি আমার আগের মন্তব্যে, কারণ আমার মনে হয় কেউ চলে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়ে সেটি একান্তই তার। যদিও ব্যক্তিগত ভাবে আমি এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করি না। আমার মনে হয়েছে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের কারণে মানসিক ভাবে তিনি কিছুটা বিপর্যস্ত... ভেবেছি সময়ের সাথেই তার অভিমান ভাঙবে। তাই তার পোস্টে করা অভিযোগ নিয়ে কথা বলার প্রয়োজন বোধ করিনি। ঠিক একই কারণে হয়তো কর্তৃপক্ষও চুপ ছিলেন। এখন বলি - মনজুরাউল ভাই, এই যে এর তার সাথে নিজের অতিথি স্ট্যাটাস তুলনা করলেন এটি কি ঠিক হলো? এত আত্মবিশ্বাস কি ভালো?

সবাই ভালো থাকবেন।
আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য কারও মনে কষ্ট দিলে সেজন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।


ওয়েবসাইট | ব্লগস্পট | ফেসবুক | ইমেইল

অমিত আহমেদ এর ছবি

হাসান মোরশেদ লিখেছেন:
এই আলোচনা থেমে যাওয়াটা সবার জন্য স্বাস্থ্যকর

নতুন করে তর্ক উশকে দেয়া আমার উদ্দেশ্য ছিলো না। ভাবনাগুলো জানানোর তাগিদ থেকেই আমার মন্তব্য।

হাসান ভাইয়ের সাথে একমত।


ওয়েবসাইট | ব্লগস্পট | ফেসবুক | ইমেইল

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

সবার মন্তব্য পড়লাম। পড়ার পরে মনে হলো কর্তৃপক্ষের চুপচাপ থাকাই মনে হয় ভালো ছিল। আল্টিমেটলি যার হাতে ক্ষমতা তার উপরই দায় বর্তায় (প্রচলিত ধারণা)। কিন্তু মন্তব্যের ক্রমবিবর্তন লক্ষ্য করলে মনে হয় কর্তৃপক্ষ অনেকটা বাধ্য হয়েই তাদের বক্তব্য জোড়ালো করেছে। অবস্থান পরিষ্কার করতে সেটা অস্বাভাবিক নয়। এখানে অপ্রাসঙ্গিকভাবে অনেক কথা এসেছে যা আমার মত অনেক কিশোর ব্লগার হয়তো বুঝতে পারেনি। সে প্রসঙ্গ থাক।

অমিতের কথা কোট করি:

সচলায়তনের একটি মুড আছে মেজাজ আছে আমার মনে হয় সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সচলের সব লেখাই যে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য তা কিন্তু নয়। গুরুত্বপূর্ণ হল সব ধরনের লেখার সাথে সহাবস্থান। সেদিক বিবেচনায় অতিথিদের সচলীকরণে কর্তৃপক্ষের নির্মোহ -অবিচল অবস্থান দেখে মাঝে মাঝে অবাকই হই। তাদের এই অবস্থান যে কতটা কার্যকর তা সাম্প্রতিক কয়েকটা ঘটনার মধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে।

নিঝুম এর ছবি

অনেক ঝামেলার মধ্যে দিন যাচ্ছে । আজকাল আর লগ ইন করা হয় না । প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, যে গল্পটা গত এক মাস ধরে লিখবার প্রাণ পণ চেষ্টা করছি তা না শেষ হওয়া পর্যন্ত সচলে আসব না । নাহ্‌... রাখতে পারলাম না । এই রকম চলতে দেখে আসতেই হলো । আমার ভাগ্য ভালো তেমন কিছু লিখতে হবে না । কারন যা লিখবার অমিত ভাই লিখে দিয়েছেন । অমিত ভাইয়ের প্রতিটি কথাও আমার কথা । ধন্যবাদ অমিত ভাইকে তাঁর চমতকার পর্যবেক্ষনের জন্য ।

সচলের কাছ থেকে যা পেয়েছি , যা অর্জন করেছি, তা অনেক ... অনেক । খামাখা এইখানে তর্কাতর্কি আর অস্থিরতার কোন প্রয়োজনই দেখছি না ।

------------------------------------...

বাড়িতে বউ ছেলেমেয়ের গালি খাবেন, 'কীসের মুক্তিযোদ্ধা তুমি, কী দিয়েছ আমাদের'? তিনি তখন আবারো বাড়ির বাইরে যাবেন, আবারো কান পাতবেন, মা জননী কি ডাক দিল?

---------------------------------------------------------------------------
কারও শেষ হয় নির্বাসনের জীবন । কারও হয় না । আমি কিন্তু পুষে রাখি দুঃসহ দেশহীনতা । মাঝে মাঝে শুধু কষ্টের কথা গুলো জড়ো করে কাউকে শোনাই, ভূমিকা ছাড়াই -- তসলিমা নাসরিন

সুবিনয় মুস্তফী এর ছবি

খুবই দেরীতে পড়লাম এই পোস্ট। মনজু ভালো লেখক, যদিও তার মতাদর্শ আমার অপরিচিত। কিছুটা অভিমানসুলভ পোস্ট - আদৌ ইচ্ছা ছিল না এই বিশাল থ্রেডে কিছু বলার।

কিন্তু পড়তে পড়তে ৪৭ নাম্বার কমেন্টে এসে সত্যিই হোঁচট খেলাম। আলোচনায় যাই আসুক না কেন, একজন লেখককে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বা পার্সিকিউশন মেনিয়ার রোগী ডাকার কোন জাস্টিফিকেশান কি ছিল? মডারেটর থেকে এমন মন্তব্য অপ্রত্যাশিত ছিল।

-------------------------
হাজার বছর ব্লগর ব্লগর

হিমু এর ছবি

হ্যাঁ। বলাটা অনুচিত হয়ে গেছে। সম্ভবত সন্দেহবাতিকগ্রস্ত বলতে চেয়েছিলাম।

জাস্টিফিকেশন নয়, কার্যকারণ পাবেন এর আগের প্যারায়। ফারুক ওয়াসিফ অবগত আছেন, সেই সময় কী উদ্বেগের মধ্যে আমরা ছিলাম। তারপরও তিনি যে সন্দেহ পোষণ ও প্রকাশ করেছেন, তা আমাকে রীতিমতো আহত ও অপমানিত করেছে। আমি ব্যথিত, ক্ষুব্ধ এবং আস্থাহত।

তারপরও এ কথা সত্যি, তাঁকে পার্সিকিউশন ম্যানিয়ার রোগী (হোক তা মৃদু) বলা আমার সাজে না। ফারুক ভাই, আন্তরিকভাবে দুঃখিত এ জন্যে। আপনার সন্দেহবাতিক দূর হোক।


হাঁটুপানির জলদস্যু

আলমগীর এর ছবি

সবার উপর শান্তি।

ফারুক ওয়াসিফ এর ছবি

৩৩ নং কমেন্টটাই আমার অবজেক্টিভ অবস্থান। বাকি কথাগুলো উত্তর-প্রত্যুত্তরের মুড অনুযায়ী এসেছে। মুশকিল হচ্ছে, কে কোন প্রান্ত থেকে দেখছি। নইলে কিছু সমস্যা হয় এটা বলতে এত উচ্চরব করতে হতো না।

এখানে যা আমি বলেছি, তা আমার এক মাসের ভাবনা। ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করা। তাতে ভুল থাকতে পারে, তা ভুল বোঝাও যেতে পারে। কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু এটাকে কেউ যাতে আমার 'মরি নয় মারো' অ্যাকশন না ভেবে থাকেন।

সচলের স্বার্থেই অনেক কথা বলতে পারবো না। কিন্তু আমার বক্তব্যের পটভূমিটা একটা আলাদা পোস্টে আশা করছি কাল দিতে পারবো। আজ আমার মরণরেও সময় নাই।

তবে কিছু হলেই, কারো মানসিক সমস্যা আবিষ্কারের মোহটা কত মারাত্মক, তা বোঝার ক্ষমতা আমাদের সবার হোক। প্রতিটি ভিন্নমত ও বিতর্কে এই কথা শুনতে হয়েছে মৃদু বা উচ্চরবে।

যাই হোক, আমার ৩৩ নং মন্তব্যটা আবারো সবাইকে পড়তে বলি। এও অনুরোধ করি কেউ এমন কিছু বলবেন না, যাতে বিষয় ছাড়িয়ে তা কারো আত্মমর্যাদাকে চূড়ান্তভাবে আহত করে। আত্মরক্ষার অধিকার সকলেরই আছে এবং তা প্রয়োগযোগ্য। অনেক কারণে আমারো হাত-পা বাঁধা, কারণ আমার মধ্যে ধ্বংসকামী আবেগ প্রধান হয়ে উঠতে দেরি হয় কিংবা শেষ পর্যন্ত পারি না। সচল আমার প্রিয় স্থান।

হাঁটাপথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে। হে সভ্যতা! আমরা সাতভাই হাঁটার নীচে চোখ ফেলে ফেলে খুঁজতে এসেছি চম্পাকে। মাতৃকাচিহ্ন কপালে নিয়ে আমরা এসেছি এই বিপাকে_পরিণামে।

কনফুসিয়াস এর ছবি

ঘটনা অনেকদুর এগিয়েছে। এর মাঝে অনেকে অনেক কিছু বলেছেন, তারপরেও মনে হচ্ছে আমি কিছু বলি।

১। মনজুরাউলের এই পোস্টটাকে অনেকেই অনুযোগ বলেছেন, আমার কাছে মনে হয়েছে এটা "সিদ্ধান্ত"। উনি নিজেই ধারণা করে নিয়েছেন মডুরা ওনাকে মেনে নিতে পারছেন না, ব্যাপারটা কেন মনে হলো জানতে পারলে ভাল হতো। ওনার কতগুলো পোস্ট বা মন্তব্য আটকানো হয়েছে? এস এম মাহবুব মুর্শেদ উপরে জানিয়েছেন, তিনি মনজুরাউলের লেখার ভক্ত। আমি তার গল্পে মন্তব্য করেছি যে গল্প খুব ভাল লেগেছে। তাহলে মডুরা মানতে পারছেন না, এই কথার ভিত্তি কি?

২। আপনারা বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, এই পোস্টটা মডুদের জন্যে বেশ বিব্রতকর একটা পোস্ট। সেটা যে কেন, তা আশা করি ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়ে গেছে। শুধুই যদি অনুযোগ হতো, তাহলে একটা ছোট্ট ব্যক্তিগত মেসেজের মাধ্যমেই তার সুরাহা হয়ে যেতে পারতো। আমরা কেউ না কেউ, দিনের বেশিরভাগ সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করি। সেরকম কিছু না হয়ে পোস্ট হিসেবে এটা এসেছে। ঠিক এই পরিস্থিতিতে এরকম পোস্টের উত্তর করার এপ্রোচ কিরকম হতে পারে বলে মনে হয়? একবার নিজেকে মডুদের অবস্থানে নিয়ে গিয়ে ভাবুন।

৩। ফারুক ওয়াসিফের মন্তব্যে বেশ কিছু কথা এসেছে, যেগুলো সোজাসাপ্টা বিস্ময়কর! ইতিমধ্যেই বলা হয়েছে, তবু আবারও বলি, অরূপদার চড় মারতে চাওয়ার ঘটনা প্রায় বছর দেড়/দুইয়ের পুরনো। তাও এখানে নয়, অন্য কোন প্লাটফর্মে। সেই ঘটনায় ফারুক ওয়াসিফ নিজেকে কেমন করে সংশ্লিষ্ট করলেন, অনেক ভেবেও মাথায় আসছে না।
অরূপদার সাথে তাঁর অনেক মতানৈক্য ঘটেছে, সচলায়তনে অনেকের সাথে অনেক আলোচনায় অনেকের মতের মিল ঘটে না। কিন্তু তার প্রেক্ষিতে একজনের করা সকল মন্তব্য আমাকেই উদ্দেশ্য করে বলা- এরকম অপরাধে অভিযুক্ত করাটা কি আক্রমণাত্মক এপ্রোচ নয়?
আর, ওনাকে ষড়যন্ত্রকারী ভাবার যে কথাটা এসেছে, এরকম কথা শুনে সত্যিই বোকা বনে যাওয়া ছাড়া আর কিছু করার আছে বলে মনে করি না। সত্যিই।

৪। হিমু ভাই ফারুক ওয়াসিফ-র মন্তব্যের উত্তরে বেশ কিছু বাজে কথা বলে ফেলেছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে ভীষণ লজ্জিত এই কথাগুলো পড়ে। আমি দুঃখপ্রকাশ করছি।

সচলায়তনের পেছনের নানা কাজ করলেও আমরা মূলত কিছু মানুষ, যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য বাংলায় ব্লগিং। তাই আমাদের বক্তব্যগুলোকে সবসময় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ভাবাটা ভুল হবে। নানা পোস্ট বা মন্তব্যে ব্যক্তি আমাদের ভাবনা-চিন্তারই প্রতিফলন ঘটে, সচলায়তনের মডু- হিসেবে উপস্থিতির হার সেখানে নেহায়েত নগন্য। হিমু ভাইয়ের এই কথাগুলো তার ব্যক্তিগত হতাশা বা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলেই ভাবার অনুরোধ রইলো। যত যাই ঘটুক, আরও অনেক অনেক বেশি সংযত উত্তর দেয়া উচিত ছিলো, মন্তব্যটুকু করে ফেলার পরে আমি আশা করি হিমু ভাইয়েরও সেই একই উপলব্ধি ঘটেছে।

একই সাথে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি সেই সব সচলদের কাছে, যাদের নাম নানা কারণে এই পোস্ট বা মন্তব্যে উঠে এসেছে। বিশেষ করে সচলত্ব প্রাপ্তির যোগ্যতা বা মাপকাঠির তুলনা টানতে গিয়ে, ব্যপারটা ভীষণ বিব্রতকর, সন্দেহ নেই। আমি আন্তরিকভাবেই দুঃখিত।

৫। আলোচনার প্রেক্ষিতে নানান অভিমত উঠে এসেছে, এটা বেশ ভাল।
আমরা শুরু থেকেই চেয়েছি একটা সুন্দর ও সুস্থ পরিবেশ রাখতে। সবার জন্যে ভাল একটা জায়গা মানে কিন্তু কখনোই এটা নয় যে সে জায়গা সবার ১০০ ভাগ পছন্দের! বরং মানে হলো, সে জায়গা সবার মানিয়ে নেয়ার জায়গা। মানিয়ে নেয়া মানে নিজের তরফ থেকে কিছু ছাড় দিয়ে অন্যের তরফ থেকে ছাড় পাওয়া স্পেস মিলিয়ে নিজের অবস্থান করে নেয়া।

আমি জানি, সচলায়তনের মডুদের সবার সিদ্ধান্ত সবার পুরো পছন্দ হবে, এটা আশা করা বোকামী, আমরা সেটা করিও না। গত তেরো মাস ধরে আমরা এই সাইটটাকে গড়ে তুলছি, প্রক্রিয়া এখনো থেমে যায়নি। এই সময়ে অনেক শুভাকাংক্ষী পেয়েছি, অনেকের সাথে মনোমালিন্য ঘটেছে। আমরা বলছি না যে প্রতিটা ক্ষেত্রে আমরাই সঠিক ছিলাম, কিন্তু আমরা চেষ্টা করেছি সঠিক থাকতে। অনেকেই চলে গেছেন, আবার অনেকে অনেক কিছুর পরেও আমাদের উপরে আস্থা রেখে সাথে থেকেছেন। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আমরা সেই আস্থার প্রতিদান দেবার জন্যে হরদম চেষ্টা করে যাচ্ছি, সবসময়েই করবো।

-----------------------------------
... করি বাংলায় চিৎকার ...

-----------------------------------
বই,আর্ট, নানা কিছু এবং বইদ্বীপ

স্নিগ্ধা এর ছবি

প্রিয় কনফুসিয়াস - ঠিক একারণেই সচলায়তন আমার এত পছন্দ - মডারেটর হিসেবে আপনি যে বক্তব্য রেখেছেন তা সত্যিই মনে রাখার মতো!!!

(আর, ইয়ে - আপনাকে আমি একটা মেডেল পাঠাবো ঠিক করেছি হাসি একটু হয়তো দেরী হবে, টাকাপয়সা জমিয়ে নিই, কিন্তু তাতে কি - কোন একসময় পাঠাবোই পাঠাবো!! )

সবজান্তা এর ছবি

আমি ঠিক কী ধরণের পোস্ট করলে আমাকেও একটা মেডেল দিবেন স্নিগ্ধা আপু চিন্তিত


অলমিতি বিস্তারেণ

স্নিগ্ধা এর ছবি

আহা, সেও কি বলে দিতে হবে দাদা? আমার জন্য একটা মানপত্র টানপত্র গোছের কিছু যদি লেখা হতো ...... দেঁতো হাসি

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

যাক, স্কুলে থাকতে শেখা মানপত্র রচনার জ্ঞান এতদিন পর কাজে লাগতে যাচ্ছে! আমি বিসমিল্লাহ বলে শুরু করে দিলাম কিন্তু! চোখ টিপি
_________________________________________
বিষন্নতা ছোঁয় আমায় মাঝে মাঝেই, কখনো কি ছোঁয় না তোমায়?

s-s এর ছবি

সুপ্রিয় মনজুরাউল

আমি অ-নে-ক দেরী করে ফেললাম হয়তো। খুব ব্যস্ত, সময় নেই। শুধু বলতে ঢোকা, আপনার বেশ ক'টা আ্যন্টি গল্প আমার খুবই চমৎকার লেগেছে। শুভকামনা ও শ্রদ্ধা রইলো। যে যাই বলুক,আপনি ভালো থাকবেন ও লিখবেন। সম্ভব হলে,হয়তো এখানেই?

PS. কনফুসিয়াসকে ব্যালান্সড ও চমতকার বক্তব্যের জন্য বিনীত অভিনন্দন। আপনি মানুষ হিসেবে নিশ্চিত ভাবেই স্থৈর্য এবং তা আপনার চর্চাতে আছে দেখে আশ্বস্ত হলাম। ধন্যবাদ ও সাধুবাদ।

জীবন জীবন্ত হোক, তুচ্ছ অমরতা

ভবঘুরে এর ছবি

দুনিয়া জুরা পচুর গিয়ানজাম

মুশফিকা মুমু এর ছবি

আপনারা সবাই কি শুরু করলেন মন খারাপ
মনজুরাউল ভাই আপনি অভিমান করেন না প্লিজ,
কনফু ভাইয়া, আপনার কমেন্ট দারুন লাগল(Y) আসলেই মনজুরাউল ভাই, কনফু ভাই আপনার লেখা পছন্দ করে, মাহবুব মুর্শেদ ভাই আপনার লেখা পছন্দ করে, হিমুভাই হয়ত এক্সিডেন্টলি রাগের মাথায় এখানে কিছু কথা বলে ফেলেছেন, তার মানে তো এইনা যে আপনার লেখা পছন্দ করেনা, সব মডুরাই তো দেখছি আপনার লেখা পছন্দ করে, আপনি না লিখলে সবাই আপনার লেখা খুব মিস করব মন খারাপ
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍

------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍

আকতার আহমেদ এর ছবি

মনজুরাউল ভাই, আপনার সব ভাবনার সাথে হয়তো একমত হতে পারিনা.. এটা সম্ভবও না । তবে আপনার লেখা গল্প আমাকে মুগ্ধ করে । এই ভাল লাগাটুকু জানিয়ে গেলাম । ভাল থাকবেন ।

দেবোত্তম দাশ এর ছবি

অতিথি সচল আর পূর্ণ সচল এর মধ্যে পার্থক্য কি সেটা আমার আজো ঠিক জানা হলো না। আমি এটুকু বুঝতে পারি আমার নামের পাশে শুধু অতিথি লেখাটুকু আছে ।
মনজুরাউল ভাই, সচল আর অচল দিয়ে কি হবে, আপনার লেখা দিয়েই আপনি পরিচিতি পান এটাই কামনা।
লেখককে তাঁর লেখা দিয়ে চেনা যায়, গোঁফ দিয়ে নয়।
আপনার লেখা পড়ে আমি শুধু ভাবি কবে আপনার লেখা বইএর আকারে প্রকাশ পাবে । সত্যিই ভালো লেখেন আপনি

------------------------------------------------------
স্বপ্নকে জিইয়ে রেখেছি বলেই আজো বেঁচে আছি

------------------------------------------------------
হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন’রা কি কখনো ফিরে আসে !

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।