ওদের গল্প

রেশনুভা এর ছবি
লিখেছেন রেশনুভা (তারিখ: মঙ্গল, ১৩/১০/২০০৯ - ৮:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


করুণ চোখে সিংকের দিকে তাকিয়ে থাকে রেহান। রান্না শেষে এই হাড়ি-পাতিল এখন কে পরিষ্কার করবে? ওগুলো ওভাবেই রেখে এসে ল্যাপির সামনে বসেই একটা বিড়ি ধরায়। অন্তর্জালে এদিক-ওদিক যায়। মেইলের ইনবক্স খুলে পুরোনো মেইলগুলো পড়ে, ফেসবুকের মেসেজগুলো দেখে। নিমিষেই যেন ঐ দিনগুলো সামনে চলে আসে। আর ঐ দিনটা …

রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে বাইরে দাঁড়াতেই দীপি বলে ওঠে,
“যাই”।
টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছিল তখন। মোটেই রোমান্টিক ঝুমঝুম বর্ষা নয়; রীতিমত বিরক্তিকর। উত্তরে শুধু মাথা নাড়িয়েছিল ও। দীপি কিছুটা হেঁটে রিকশা নেয়। হুডটা টেনে দেওয়ার ঠিক আগে চারচোখের মিলন হয়েছিল। রেহান ভাবে হয়ত ওটাই শেষ দেখা ছিল; হয়তবা নয়। ঐ দিন রাতেই রেহান উড়াল দিয়েছিল বিদেশ।
.........

একা একা অনেকক্ষণ ধরেই ডেস্কটপের সামনে বসে দীপি। ঘরের সব বাতি নিভানো। মনিটরের পর্দা থেকে যে আলো আসছে তাতে অবশ্য বেশ ভালোই দেখা যায়। দিশানটা আজকে বোনের কাছেই ঘুমাচ্ছে। রেহান দেশে থাকার সময় ওর ছোটভাইটা ওকে অনেক জ্বালিয়েছে। ও যখন রাত জেগে রেহানের সাথে কথা বলত তখনই ঘুম থেকে উঠে দিশানের যত আবদার। সকাল হলেই আব্বু-আম্মুর ভয় দেখিয়ে আবদার পূরণ। দিশান অবশ্য ইদানীং খুব বিরক্ত। আপুটা আর তো রাতে কথাই বলে না।

রেহানের উপর মাঝে মাঝে খুব রাগ হয় দীপির। বেটা ভালোবাসছ, বলছ না কেন? আমি কি এখন তোরে হাঁটু গাইড়া প্রপোজ করুম! আর এখন তো না জানি কত স্বর্ণকেশীর ভীড়ে বেটার কালা চুলই আর দেখা যাবে না…

দীপি ওর খুব প্রিয় একটা গান আস্তে করে ছেড়ে দেয়। কি মনে করেই যেন কী-বোর্ডটা টেনে নেয় ও।
.........

এক বন্ধুর সাথে অনেকক্ষণ ধরেই গ্যাজায় রেহান। ওর এই বন্ধুটারে প্রায়ই জ্বালায় ও। ঐ বন্ধুটাই জিজ্ঞেস করে রেহানকে দীপির কথা। বলার মত কিছুই ছিল না রেহানের।
“আছে আর কী…”
“কেন? তুই খোঁজ নেস না?”
“খোঁজ নিয়া কী করুম? সে তো সবই বুঝে কিন্তু কিছু বলে না”।
এর পরে আর ঠিক কথা আগায় না।

রেহান এক বন্ধুর দেয়া লিঙ্ক থেকে আর্জেন্টিনা আর পেরুর খেলার বিশেষ বিশেষ মুহূর্তগুলো দেখে। ম্যারাডোনার ডাইভ দেওয়াটা দেখে বারবার। হঠাৎই খেয়াল করে জিমেইলের ইনবক্সে মেইল আসছে একটা। এটাচমেন্টে একটা গান।
.........

কিছুক্ষণ বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকে দীপি। শুয়ে পড়তে হবে। কাল ক্লাস সারাদিন। একেবারেই ফালতু একটা রুটিন এবার। দুইদিনে ক্লাস শেষ; সকাল-সন্ধ্যা। ঐ দু’দিন আর জানে পানি থাকে না। কম্পিউটার বন্ধ করতে যেয়েই চোখ যায় হটমেইলের ইনবক্সে।
.........

রেহান পড়ে আর হাসে। অনেক দিন আগের পাঠানো ই-মেইল। পিছনে চুড়ির টুংটাং শব্দ পায় ও।
“ঐ, কী কর তুমি?”
“আরে, আমার এক প্রেমিকারে অনেক আগে পাঠানো একটা মেইল পড়তেছি।”
“শয়তান। কই কই, দেখি?”
ও পড়ে।
“তুই আর কতদিন অভিমান করে থাকবি?
হাতটা বাড়ানোই আছে … শুধু তোর অপেক্ষা”

হেসে ওঠে ওরা দু’জনেই।
দীপি রেহানের হাত ধরেছিল, ধরে আছে। হয়ত থাকবে সারাটা জীবন।


মন্তব্য

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

সুন্দর তো!

রেশনুভা এর ছবি
অতিথি লেখক এর ছবি

রেশনুভা মহাসয় আপনার গল্পের রৌশনাই তো বেশ ভালই। চালিয়ে যান।
এস হোসাইন

---------------------------------
"মোর মনো মাঝে মায়ের মুখ।"

রেশনুভা এর ছবি

চালাইতে যেন পারি সেই দোয়া করেন।

অতিথি লেখক এর ছবি

রেশনুভা ভাই ভালো লাগল। ডিজিটাল যুগের গল্প।
ধন্যবাদ।
দলছুট।

রেশনুভা এর ছবি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ দলছুট ভাই।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

গল্প মজা লাগছে। আপনের নামটা বদলানো যায়না? নাম দেইখ্যা আরেকটু হইলে টাঙ্কি মারতে নিছিলাম। হাসি

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

হিহি, মুর্শেদ ভাইয়ের মন্তব্যে বুইড়াঙ্গুল !!!
@ রেশনুভা ভাইঃ গল্প ভালো লাগলো। অফটপিক প্রশ্নটা হচ্ছে, আপনার নামের অর্থটা কী ??

---------------------------------------------------------------------------

মধ্যরাতের কী-বোর্ড চালক

sakib এর ছবি

ভালো লাগলো

রেশনুভা এর ছবি

নামের অর্থ হইলঃ নতুনের রেশ। আমার বানানো। খাইছে
এই নামে আমার খুব আদরের একটা মানুষ আছে। হেরে ভালু পাই তার লাইগ্যাই এই নাম; আবার একটা ভাবও আসে...ছদ্মনাম বইলা। দেঁতো হাসি

অনিন্দ্য এর ছবি

কিছু মনে করবেন না ভাই,আপনি এই বয়সেও টাঙ্কি মারতে চান? খাইছে আমার তো মনে হয় এই গুলা কলেজের ছেলেদের কাজ। নাকি আমি বুড়িয়ে যাচ্ছি? মন খারাপ

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

হে হে হে। এট্টু লুলপুরুষ হইতে মঞ্চায়। দেঁতো হাসি

জোকস এপার্ট, একটু আধটু ঘাড় ঘুরিয়ে দেখার মত যুবক আছি এখনও। তবে বৌয়ের চড় থাপড় খেয়ে আবার সোজা হয়ে যাই। খাইছে আপনি তো মনে হয় আমাকে বুড়োই বানিয়ে দিলেন।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- মিয়া, এই পুলাপান বয়সে কে যে তোমারে বুদ্ধি দিছিলো বিবাহ করার! আমারে আর হিমুরে দেখো। এখনো বয়স সাড়ে বাইশের কোঠায় আটকায়া আছে। এলোকেশী, স্বর্ণকেশী- সব কেশী নিয়া এখনো কলেজ লাইফের পুলাপানের মতোই কাড়াকাড়ি লাগে! দেঁতো হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

রেশনুভা এর ছবি

ধুগো ভাই ঠিক বলছে। টাংকি মারার চেয়ে ভালু কাজ জগতে নাই। হাসি

তীরন্দাজ এর ছবি

তোমরা এইখানে বুইড়া বুইড়া কইয়া কাইজ্জা করলে আমি যাই কই!

**********************************
কৌনিক দুরত্ব মাপে পৌরাণিক ঘোড়া!

**********************************
যাহা বলিব, সত্য বলিব

রেশনুভা এর ছবি

খোমাটা দেখলেন না? ... হাসি

সচল জাহিদ এর ছবি

গল্পটা আরেকটু বড় হলে মন্দ হতোনা। মনে হচ্ছে কিছু বুঝে উঠার আগেই সব শেষ। চমকটাও খুব গতানুগতিক। লেখনীতে সাহিত্যের রস আস্বাদন করার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়েছি।

----------------------------------------------------------------------------
zahidripon এট gmail ডট কম


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

রেশনুভা এর ছবি

জাহিদ ভাই, বড় করে লিখতে চাই; পারি না, হয় না। আর সাহিত্যের রস ভাই আমার লেখায় পাইবেন না। শুধুই ব্যর্থ হবেন।

প্রবাসিনী এর ছবি

ভাইয়া, আপনি তো একেবারে আজকে না হয় ভালোবাস জেনেরেশনের হতে পারছেন না!
তবে শেষে ২ জনের মিল হলো দেখে ভাল লেগেছে। ওই গানটার প্রভাব নাকি?

________________________________________________

হইয়া আমি দেশান্তরী, দেশ-বিদেশে ভিড়াই তরী রে

________________________________________________

হইয়া আমি দেশান্তরী, দেশ-বিদেশে ভিড়াই তরী রে

তানভীর হাসান এর ছবি

তুমি কি আজকে না হয় ভালোবাস জেনারেশন নাকি??

প্রবাসিনী এর ছবি

তুমি না?

________________________________________________

হইয়া আমি দেশান্তরী, দেশ-বিদেশে ভিড়াই তরী রে

________________________________________________

হইয়া আমি দেশান্তরী, দেশ-বিদেশে ভিড়াই তরী রে

রেশনুভা এর ছবি

চেষ্টা করতেছি ... চোখ টিপি
আর লেখায় অনেক কিছুর প্রভাব আছে ... হাসি

মধুবন্তী [অতিথি] এর ছবি

শুরুটা চমৎকার।

রেহান পড়ে আর হাসে। অনেক দিন আগের পাঠানো ই-মেইল। পিছনে চুড়ির টুংটাং শব্দ পায় ও।
“ঐ, কী কর তুমি?”
“আরে, আমার এক প্রেমিকারে অনেক আগে পাঠানো একটা মেইল পড়তেছি।”

এটুকু পড়ার পরই শেষটুকু দুম করে বোঝা হয়ে গেল যে এ দীপিই cw। দ্রুত শেষ না করে আরেকটু বড় করা যেত নিঃসন্দেহে।

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

গল্প যে কতবার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যত ঘুরে এসেছে। গল্প ভালো হৈছে বস!
.....................................................................................

আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ ব'সে অপেক্ষা করার সময় আছে।

রেশনুভা এর ছবি

হাহাহা...আসলেই। আরো গুছায় লেখা শিখতে হবে।

অতিথি লেখক এর ছবি

“শয়তান। কই কই, দেখি?”

প্রেমিকা "শয়তান" বলে ডাকলে এতো ভাল লাগে কেন? হাসি
প্রবাসিনী আপু লিখেছেন
তবে শেষে ২ জনের মিল হলো দেখে ভাল লেগেছে

রেশনুভাই জব্বর হইছে।আশা করি এখন থেকে প্রেমিক-প্রেমিকার মিলন ঘটাতেই থাকবেন।:P
ধন্যবাদ।

ভন্ড_মানব

প্রবাসিনী এর ছবি

প্রবাসিনী আপু লিখেছেন
উদ্ধৃতি

তবে শেষে ২ জনের মিল হলো দেখে ভাল লেগেছে

আমি আপু হইলাম কবে থেকে? বুড়ি হইয়ে গেলাম
________________________________________________

হইয়া আমি দেশান্তরী, দেশ-বিদেশে ভিড়াই তরী রে

________________________________________________

হইয়া আমি দেশান্তরী, দেশ-বিদেশে ভিড়াই তরী রে

রায়হান আবীর এর ছবি

হুম।


পুচ্ছে বেঁধেছি গুচ্ছ রজনীগন্ধা

রেশনুভা এর ছবি

@ সাকিব, মধুবন্তীঃ পড়ার জন্য থ্যাংকু। চেষ্টা থাকবে আরো ভালো কিছু করার কিন্তু ...... হাসি
@ ভন্ড, রায়হানঃ পরীক্ষা শেষ না কী? ভালো থাকো।

রায়হান আবীর এর ছবি

হারাধনের ছয়টি ছেলে ........(কী কী জানি)............. বাকি রইলো দুই দেঁতো হাসি আপনার পুরান ব্লগগুলোয় মন্তব্য দিসি, দেইখেন।


পুচ্ছে বেঁধেছি গুচ্ছ রজনীগন্ধা

মামুন হক এর ছবি

গপ্পো ভালৈছে। তবে আরও বাড়তে পারত।

রেশনুভা এর ছবি

মামুন ভাই ... দেঁতো হাসি
আমার ব্লগে এই পরথম আপনার পায়ের ধূলা-বালি পাইলাম। ভাল্লাগতেছে।

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

এইটুক লিখলে খেলুম না! ভাল্লাগসে!

----------------------------------------------
আয়েশ করে আলসেমীতে ২৩ বছর পার, ভাল্লাগেনা আর!

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

রেশনুভা এর ছবি

খেলাধূলা বাদ দেন। শিক্ষানবীসী কি শ্যাষ? একটু লেখাধূলা করেন বরং।
থ্যাংকু হাসি

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

নাহগো ভাইজান, আরও দু'মাস! মন খারাপ

---------------------------------------------------
আয়েশ করে আলসেমীতে ২৩ বছর পার, ভাল্লাগেনা আর!

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

জুয়েইরিযাহ মউ [অতিথি] এর ছবি

গল্প ভাল্লাগলো,
"হেসে ওঠে ওরা দু’জনেই।"- ভাবছি এখানেই যদি গল্পটি শেষ হয়ে যেত, তবে বেশ হতো হাসি

রেশনুভা এর ছবি

সত্যি কথা আমিও একবার চিন্তা করছিলাম লেখার সময়। আরো জোস হইতো তাইলে ... হাসি
ধন্যবাদ। আর জন্মদিনের খাওয়া পাওনা থাকল। চোখ টিপি

মৃত্তিকা এর ছবি

এখনও জোস-ই আসে। শুধু একটু ছোট পরিসরে একাধিকবার অতীত বর্তমান ঘুরে এলো -এই যা। তাছাড়া গল্প ভালো লেগেছে। হাসি

রেশনুভা এর ছবি

খিয়াল কৈরা উত্তর দিতাছি হাসি
ধন্যবাদ।

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

ভালো লাগলো, মধ্যরাতে মনের মইধ্যে টিনটিনাকটিনটিন করানোর লাইগা আপনেরে মাইনাস দেঁতো হাসি

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

রেশনুভা এর ছবি

বুঝি রে ভাই। আমার তো সারাদিনই ... খাইছে

কৃতী [অতিথি] এর ছবি

বেশ একটা "শেষ হইয়াও হইলো না শেষ" ভাব আছে প্রায় প্রতিটি লেখায়..ভালই!

রেশনুভা এর ছবি

অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার বেশ কয়েকটা মন্তব্য দেখলাম। আপনি তো মহা মূল্যবান সময় নষ্ট করছেন দেখা যায় আমার এই সব আবজাবের পিছনে। (মনে মনে বলি, আরো সময় নষ্ট করেন ... দেঁতো হাসি )

অতিথি লেখক এর ছবি

কি করি সচল হবার জন্য মন্তব্য যে দিতেই হয়,,,(জোকাইলাম..হো হো হো
নাহ..আসলেই বেশ ভালো..

অনুপম ত্রিবেদি এর ছবি

অতঃপর তাহা্রা সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো।

ভালু, ভালু, জুশ, জুশ। আরেকটু লাম্ফা হইলে আরো "যূষ" হইতো।

----------------------------------------------------------
সকলই চলিয়া যায়,
সকলের যেতে হয় বলে।

==========================================================
ফ্লিকারফেসবুক500 PX

অতিথি লেখক এর ছবি

স্যারের রোমান্টিসিজম তো কোন মেশিনেই মাপন যাইবো না... গপ্পো সুন্দর হইসে!

রেশনুভা এর ছবি

ছাত্রের স্টুডেন্ট নাম্বার কত? হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

B053217

রেজওয়ান [অতিথি] এর ছবি

এইডা কী? ইরাম বিদঘুটে নাম্বার এর কুনু স্টুডেন্ট নাই আমার। তবে এটুকু বুঝা যায় আপনি ২০০৫ ব্যাচ। হাসি
২০০৫ ব্যাচে আমার আবার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী আছেন। আপনেও লাইনে খাড়ান। দেঁতো হাসি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।