
অশোক ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম Saraca asoca বা Saraca indica। এটি হলদে-কমলা বর্ণের গুচ্ছে ফোটা ফুল যা পরবর্তীতে লাল বর্ণ ধারণ করে। গাছ চিরহরিৎ, মাঝারি আকৃতির। ফুল গাছের কান্ড থেকেও ফোটে। ফুলের আকৃতি ক্ষুদ্র, মৃদু গন্ধযুক্ত। অশোক ফোটে বসন্তকালে।
রবীন্দ্রনাথ কবিতায় লিখেছিলেন, পুরাকালে নাকি অশোকবৃক্ষে নারীর চরণস্পর্শে ফুল জেগে উঠতো। সিদ্ধ...
অপরাজিতা বা নীলকণ্ঠের বৈজ্ঞানিক নাম Clitoria ternatea। ভগাঙ্কুরের সাথে এর সাদৃশ্যের কারণে এর গণের নাম Clitoria, এবং ইন্দোনেশিয়ার মালাক্কা দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ Ternate এর নামানুসারে এর প্রজাতির নাম ternatea।
অপরাজিতা ফুলের বর্ণ বহিরাংশে নীল, ভেতরে সাদা ও ঈষৎ হলুদ। গাছ ঝোপ আকারের হয়। গাছের পাতা উপবৃত্তাকার। অপরাজিতা শনাক্ত করার আরেকটি উপায় হচ্ছে, এ ফুলটি গুচ্ছে ফ...
গত শুক্রবার আমরা বসেছিলাম ছবির হাটে। খালিদ চাচার চিকিৎসা সাহায্যার্থে কী কী করা যায় তা নিয়ে। সেদিনই সিদ্ধান্ত হয়েছিলো ১ মে শুক্রবার আবার বৈঠক হবে।
সে অনুযায়ী বৈঠক হলো। কিন্তু উপস্থিতি খুব কম। আমি, মুস্তাফিজ ভাই, রণদা, মৃদুল আহমেদ, সবজান্তা, তারেক, শাহেন শাহ্।
তো যা যা সিদ্ধান্ত হইলো আপাতত তা তা বলি (যদি কোনোকিছু মিস হয় তাইলে অন্য উপস্থিতেরা শুধরায়া দিয়েন)
* ইন্টারনেটে আরো প্রচ...

বারান্দা থেকে দেখা আকাশের একাংশ
ছবি কৃতজ্ঞতা: নজরুল ইসলাম
তবু এই ভালোবাসা ধুলো আর কাদা
নুপুরের ছন্দ
অনেক প্রতীক্ষিত ঝড় এলো, বৃষ্টি হলো অনেকক্ষন। বারান্দাটায় দাঁড়িয়ে নজুর সাথে বৃষ্টির ছাঁট উপভোগ করলাম অনেকক্ষন।
ছোটবেলা থেকে নাখালপাড়ায় বড় হয়েছি। বিয়ের পর যখন উত্তরায় এলাম। খুব খারাপ লাগতো। কেন নীরবতাময়। কেমন যেন। প্রায়ই মন টিকতো ন...
থার্ড আইকে আমি প্রথম চিনি সচলের পাতায়। তখন তার প্রোফাইল ছবিতে স্যুট-কোট পরা এক বাঙালি সাহেব বাবুর ছবি থাকতো। লন্ডনের প্রথম সচলাড্ডার সচিত্র লেখায় জানতে পারি, তার আসল নাম তানভীর আহমেদ, তিনি লন্ডনবাসী, ছাত্র ও সাংবাদিক, দেখতে যথেষ্ট সুদর্শন --ইত্যাদি। সেই সময় প্রশ্ন উঠেছিলো, সচলাড্ডায় তিনি কোট-টাই পরে আসেন নি কেনো! 
এর পর তার সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব গড়ে উঠে জিটকে ও ফেসবুকে।
বালিকা প...
[পাণ্ডব দা'র 'তারার ফুল..' বা রাজর্ষি দা' অর্থাৎ মূলত পাঠকের 'ফুল ছড়ানো পথে'র মাধ্যমে গল্পে-ছড়ায় পুষ্পকোষ প্রকল্পকে গতিশীল ও অনুপ্রাণিত করার প্রচেষ্টাকে সহমত জানাতেই মূলত এ সিরিজটার জন্ম-প্রয়াস। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রচিত ছড়াটি সম্পূর্ণ মৌলিক এবং শিশুতোষ আঙ্গিকে। সাথে দেয়া তথ্যগুলো ধার করা, যার সূত্র নীচে উল্লেখ করা আছে। পোস্টের ছবি আপাত...
সেই আশির দশকে প্রথম যৌবন বেলায় তোমার ঘাড়েও চেপেছিলো কবিতা আর লিটল ম্যাগের ভূত; ওই বয়সে যা হয় আর কি! কবিতা তোমায় ছেড়ে গেছে সেই কবে, এমন কী লিটল ম্যাগও (সেই বয়সে যা হয় আর কি!)।
তো এ হেন কাণ্ডকারখানা করতে করতে লেটার প্রেসের সঙ্গে তোমার পরিচয়...ঊনপ্রেম ছাপাখানার ভূতের সঙ্গে। ...সেই থেকে চিটচিটে ঘামের মতো সে তোমার সত্তায় লেপ্টে ...
পৃথিবীতে যে কজন লেখক একেবারে মাটির কাছাকাছি তাদের মধ্যে নুট হামসুন অন্যতম। নুট হামসুনের এই উপন্যাসটি মহাকাব্যের লক্ষনাক্রান্ত। পড়তে পড়তে অবশ হয়ে যেতে হয়। নরওয়ের বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলের বর্ণনা পড়তে পড়তে প্রকৃতির ভেতর ডুবে যেতে হয়। এ উপন্যাসের নায়ক আইজাক যেন আদম। এই বনাঞ্চলে সেই যেন প্রথম মানবসন্তান। এই অবারিত প্রকৃতির ভেতর সে গড়ে তুলতে চায় তার বাসস্থান। এই অনাবাদি জমিতে সত্যি ...
ঘটনাটার সময়কাল ইন্টারমিডিয়েট পড়াকালীন হবে। সম্ভবতঃ ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়েছি তখন। আমার ছোট ভাইও সম্ভবতঃ মেট্রিক পরীক্ষা দিয়েছে। একসাথে তাই ছুটি কাটাতে গিয়েছি সেজ খালার বাসায় রংপুরে। সেজ খালার আমাদের সমবয়সী দুটো ছেলে আছে। বড়টা করিম, আমার সমবয়সী। ছোটটা রহিম, আমার ছোটভাইয়ের সমবয়সী। বলাবাহুল্য আসল নাম বদলে রহিম আর করিম ব্যবহার করা হয়েছে এখানে।
অল্পবয়সী চার বান্দর এক সাথ...
আমি ফেসবুকে একজনকে বন্ধু করেছি -
সে স্ট্যাটাস পালটায়, ছবি পালটায়
পালটায় জন্মতারিখ,
আমি ইউটিউবে একজনকে সাবস্ক্রাইব করছি -
সে নাচে - গায় এবং হাসে
বাংলা-ইংরেজী ও হিন্দিতে,
আমি ব্লগস্পটে একজনকে ফলো করছি -
সে কতো রকম ছলচাতুরি করে
গল্পে ছবিতে দিনলিপিতে, তারপর
ফেসবুকের বন্ধুটি ডিম সেদ্ধ করে স্ট্যাটাসে
ইউটিউবে নর্তকীর বয়স বাড়ে ভিড্যু আপডেটে
ব্লগস্পটের চতুর বাড়ায় হিটখোর্যামি ক্লিক...