শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের একটা দারুণ ছোটগল্প পড়েছিলাম একবার। গল্পটা ছিলো ভবিষ্যতের। আগামীর পৃথিবীর খোলনলচে হয়ে পড়েছিলো একদম আলাদা। সেখানে ছিলো কেবল বিজ্ঞান আর বিজ্ঞান। সকলে বিজ্ঞান শিখছিলো, বিকিকিনি করছিলো- বেঁচে ছিলোনা অন্য কোন পেশার লোক। ...নাহ, ভুল বললাম, বেঁচে ছিলো এক পাগল। লালপাহাড়ে বসে পাগলা জগাই কেবল ছড়া লিখে যেতো- পাথরে,রাস্তায়,গাছের বাকলে। শহর থেকে বিজ্ঞান স্কুলের ছ...
স্বর্গে আজ সাজসাজ রব রব অবস্থা। আদম-হাওয়া উভয়েই স্নান শেষে পুত পবিত্র হইয়া ধবধবে সাদা পোষাকে তরু তলে হাজির। তথায় জড়ো হইয়াছে অধিকাংশ স্বর্গদূত। আর বাকিরা খানা ও পানীয়ের আয়োজন ব্যস্ত। সকলেই অপেক্ষা করিতেছে কখন সেই মুহূর্তটি আসিবে। স্বয়ং ঈশ্বর তাঁহার সিংহাসনে বসিয়া অপেক্ষা করিতে করিতে কিঞ্চিৎ অধৈর্য হইয়া উঠিলেন।
অতপর এলো সেই ক্ষণ। জনৈক স্বর্গদূত ঘোষণা করিলেন স্বর্গবার্তার ...
১
ডিয়ার জয়িতা,
একটা খুব বাজে খবর আছে। এবার নিউইয়ারে আমি থাকতে পারছি না। মার হঠাৎ খেয়াল হয়েছে পুরির জগন্নাথে গিয়ে এবারে পুজো দেবে। বাড়ির সবাই ব্যস্ত তাই আমার উপর ভার পড়েছে মাকে সামলাবার। পুরো পাঁচদিন। আটাশ, ঊনত্রিশ, ত্রিশ, একত্রিশ, এক। তোমার বাড়ির নিউইয়ারের পার্টিতে আর যাওয়া হল না। আমার খুব ইচ্ছে ছিল এই সুযোগে তোমার অতবড় বাড়িটায় ঢোকার। যাইহোক গীটারটা সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি একট...
চেনা আকাশে অভিমানের ঘুড়ি উড়িয়েছি দুজনে আজ।
তোমার ধারালো ভুলটার সাথে আমার আঠালো চিৎকারের মাঞ্জা আমার সুতায়
তোমার সুতায় আমার বিষাক্ত বিশ্বাস আর তোমার সকরুণ কান্না
লাটাই চেপে ধরে তাই প্রাণপণ কাটাকুটি খেলতে থাকি আমরা
যেন কেউ ভোকাট্টা হলেই জটহীন মসৃন সমাধান।
(তারিখ: সোম, ২০০৯-০৪-০৬ ০৭:৫৪)
আজকাল কেউ দাওয়াত দিলে যেতে চাইনা। যে সুধীসমাবেশ ঘটে সেখানে অবধারিত ভাবে দেশের কথা আলোচিত হয়, তর্ক বিতর্কের সুচনা হয়, লোভ সামলাতে না পেরে পার্টিসিপেট করি এবং পরে মন খারাপ হয়। পাছে ঝগড়াবাজ হিসেবে খ্যাতি হয় এবং হোস্টের ব্লাকলিস্টে অর্ন্তভুক্ত হই এই ভয়ে গিন্নী যাবার আগে শাসিয়ে নেয় – চুপ করে থাকবা, কোন বিপ্লবের দরকার নাই।
চুপ করেই থাকি। কেউ আমাকে দায়িত্ব দেয়নি দেশকে ডিফেন্ড করবার...
আকাশে যখন বিরাট একটা চাঁদ উঁকি দেয় পাতাহীন গাছের ফাঁকে তার ধূসর হলুদ বর্ণ নিয়ে, তোকে খুব মনে পড়ে জানিস। প্রকাণ্ড সূর্য তার গনগনে আলোয় ভরিয়ে দেয় চারদিক, বছরের দীর্ঘ একটা সময় সূর্যহীন থেকে রৌদ্রস্নাত বেলায় হঠাৎ করেই মনটা দুম করে ভালো হয়ে যায় যখন, তখনও তোকে মনে পড়তে থাকে, মন পুড়তে থাকে তোর জন্য। "বার্নট আ লিটল ইনসাইড" নিয়ে বাইরে একটা খোশ খোশ খোলস ধরে রাখতে হয়, জানিসই তো জীবন হালায় বহমান...
আমাজন! আমাজন!! আমাজন!!!

আমাজন নিয়ে প্রথম পড়ি তিন গোয়েন্দায়। ছোটবেলায় পড়ার সেই সময়টা আজো বেশ স্পষ্ট মনে আছে, কেমন একটা ঘোর ঘোর লাগতো ঐ বই দুইটা (ভীষণ অরণ্য - ১,২) পড়ার সময়। মনে হতো কিশোর, মুসা আর রবিনের সাথে আমিও আছি ( সেইরকম ক্লিশে একটা কথা হইলো, কিন্তু আসলেই মনে হইতো), আমাজন নদীতে ভেলায় ভাসতেছি একবার, তো একবার জঙ্গলে নাইমা যুদ্ধ করতেছি জাগুয়ার এর সা...
বার্ড ফ্লু প্যানিকের পর এখন এসেছে সোয়াইন ফ্লু। বিতর্ক যে, এটা কতটা ইরাকের গণবিধ্বংসী অস্ত্রের মতো প্রপাগান্ডা-সত্য না বাস্তব সত্য? নাকি অর্ধসত্য। মতটা এই যে, এটা যতটা না বড় ঘটনা, তার থেকে বেশি প্যানিক তৈরি করা হচ্ছে ভ্যাক্সিন বিক্রি ব্যবসার জন্য।
এখানে F. William Engdahl এর লেখার উদ্ধৃতি এবং তার নীচে নীচে মাইক ডেভিসের একটি লেখার সংক্ষিপ্ত অনুবাদ। সময়াভাবে গুছ...
বস্টনের ঐতিহাসিক উত্তরান্তে জল, নৌকা আর বিকেলের নিভন্ত আলোয় এক অন্য আকাশ। সূর্য ডুবে গিয়ে গোধূলি নেমেছে, অ্যামবিয়েন্ট আলোয় মেখে খাঁটি l'heure bleue যাকে বলে। যাঁরা ক্যামেরা নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করেন তাঁরা জানেন এই সময়ের আলোকে যেমন কী লাইট হিসেবে ব্যবহার করা যায় তেমনি ফিল লাইট হিসেবেও, কিন্তু যে ভাবেই ব্যবহার করুন, গোধূলির আলোয় তোলা ছবিতে অনেক সময়ই কনট...
মাইনা নিলাম আপনি হুজুর
খাট্টি মুমিন বান্দা 'তাঁর'
'গন্ডগোল' এর ঐ ইস্যুটা,
ঠিক আছে, বেশ মান্ধাতার...
চলেন সহজ সরল পথে
জড়ান না ফাও বিতর্কে-
“একাত্তরে কে ছিল সত্
হারামজাদা, ইতর কে?”
ধইরা নিলাম ভুইলা গেসেন
যুদ্ধে দিসি পরান ক্যান!
আল বদরের লিস্টি দেখে
তাইলে এতো ডরান ক্যান?