দ্য অ্যালকেমিস্ট-৫

মামুন হক এর ছবি
লিখেছেন মামুন হক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/০৮/২০০৯ - ৪:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

the_alchemist

দ্য অ্যালকেমিস্ট-৪

এগুলো নাও’- রত্নখচিত বর্মের ঠিক মাঝখানে বসানো একটি সাদা আর একটি কালো পাথর তুলে নিয়ে বৃদ্ধ বললেন।

“এদের নাম উরিম আর থুমিম। কালোটি ‘হ্যা’ সূচক আর সাদাটি তার বিপরীত। তুমি দৈব ইশারা বুঝতে না পারলে এগুলো তোমার কাজে আসবে। তবে সব সময় উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন করতে হবে” ।

“কিন্তু, যতটা সম্ভব নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেয়ার চেষ্টা করবে। গুপ্তধনের সন্ধান পিরামিডের কাছে গেলে পাবে, এটা তুমিই আগেই জানতে। আমি তোমার কাছ থেকে পারিশ্রমিক নিচ্ছি সিদ্ধান্ত নিতে তোমাকে সাহায্য করার কারণে”।

ছেলেটি পাথর দু’টিকে একটি থলেতে ঢুকিয়ে রাখল। এখন থেকে সব সিদ্ধান্ত সে নিজেই নেবে।

“মনে রেখ সব কিছু মিলে আসলে একটাই সত্ত্বা এবং এর বাইরে আর কিছু নেই। ভুলেও দৈব ইশারার ভাষা ভুলে যেওনা। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটি হলো- শেষ পর্যন্ত তোমার অদৃষ্টকে অনুসরণ করে যাবে” ।

“তবে আমি যাবার আগে তোমাকে একটা ছোট গল্প বলে যাই।

“কোন এক ব্যবসায়ী পৃথিবীর সবচেয়ে জ্ঞানী লোকটির কাছে তার ছেলেকে পাঠালেন। সুখী হবার রহস্য জেনে আসতে। দীর্ঘ চল্লিশ দিন একটানা মরুভূমির মধ্য দিয়ে পথ চলে ছেলেটি অবশেষে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত একটি চমৎকার প্রাসাদের সামনে এসে পৌছাল। জ্ঞানী লোকটি সেই প্রাসাদেই বাস করতেন।

“কোন দরবেশ বা সাধু-সন্ন্যাসী দেখার পরিবর্তে ছেলেটি প্রাসাদের দরবারে প্রবেশ করে বিশাল এক কর্মযজ্ঞ দেখতে পেল। ব্যবসায়ীরা আসছে-যাচ্ছে, ঘরের কোনায় কোনায় লোকজন ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে আলাপ-আলোচনা করছে, একটা বাদক দল সুমধুর সঙ্গীত পরিবেশন করছে, একদিকে খাবারের আয়োজন-- ঐ অঞ্চলের সবচেয়ে সুস্বাদু আর দামী সব খাবার শোভা পাচ্ছে সেখানে। জ্ঞানী লোকটি ঘুরে ঘুরে সবার সাথে কথা বলছিলেন, ছেলেটিকে প্রায় দুই ঘন্টা অপেক্ষা করতে হলো তার দৃষ্টি আকর্ষনে সক্ষম হতে।

“জ্ঞানী লোকটি খুব মনোযোগ দিয়ে ছেলেটির আসার কারণ শুনলেন, কিন্তু বললেন যে এই মুহূর্তে সুখী হবার রহস্য ব্যাখ্যা করার সময় তার হাতে নেই। তিনি তাকে প্রাসাদের চারপাশ সব ভালোভাবে ঘুরে দেখে আরও ঘন্টা দুয়েক পর ফিরে আসতে বললেন।

“তবে এই সময়ের জন্য আমি তোমাকে একটা কাজ দেব’- জ্ঞানী লোকটি একটি ছোট চামচের উপরে দু’ফোটা তেল ঢেলে সেটা ছেলেটির হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন।

“যতই ঘোরাঘুরি কর খেয়াল রাখবে চামচ থেকে তেল যেন গড়িয়ে পড়ে না যায়’।

“ছেলেটি খুব সাবধানে প্রাসাদের নানা সিড়িপথ দিয়ে ওঠানামা করে খুব ঘুরল, কিন্তু একটিবারও চামচের উপর থেকে চোখ সরালো না। দু’ঘন্টা পর সে আবার সেই জ্ঞানী লোকের কাছে গিয়ে হাজির হলো।

“কী কী দেখলে? খাবার ঘরের দেয়ালে ইরানী নকশী কাঁথাটি দেখেছ? ঐ বাগানটি দেখেছ যেটা সাজাতে প্রধান মালির প্রায় দশ বছরের পরিশ্রম ব্যয় হয়েছে? গ্রন্থাগারে চামড়ার উপরে লেখা পান্ডুলিপিগুলো চোখে পড়েছে?’—জ্ঞানী লোকটি জানতে চান।

ছেলেটি খুব বিব্রত হয়ে জানালো যে সে কিছুই ভালোভাবে দেখেনি। পুরো সময়টাই সে চামচের দিকে খেয়াল রেখেছে যাতে তেল উপচে পড়ে না যায়।

“তাহলে আবার যাও, গিয়ে খুব ভালো করে দেখ আমার পৃথিবীর বিস্ময়গুলোকে। কাউকে বিশ্বাস করার আগে তার ঘর-বাড়ী ভালো ভাবে চিনে নিতে হয়।

“নিশ্চিন্ত হয়ে ছেলেটি আবার চামচ হাতে নিয়ে প্রাসাদের সবকিছু ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগল। এবারে সে দেয়ালচিত্র গুলো খুব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখল। বাগান দেখল, চার পাশের নয়ানভিরাম ছোট পাহাড় গুলো দেখল, ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করল। যে দিকেই তাকায় ফুলেল রুচির ছাপ চোখে পড়ে। দেখা শেষে সে জ্ঞানী লোকটির কাছে ফিরে গিয়ে সব সবিস্তারে বর্ণনা করল।

“কিন্তু চামচের উপরে যে দু’ফোটা তেল ছিল তার কী হলো?’— জ্ঞানী লোকটি জানতে চাইলেন।

“ছেলেটি চমকে উঠে চামচের দিকে তাকিয়ে দেখে সব তেল কখন গড়িয়ে পড়ে গেছে সে খেয়ালও করেনি।

“শোন ছেলে, তোমাকে দেয়ার মতো উপদেশ আমার কাছে শুধু একটিই আছে। সুখী হবার রহস্য হলো পৃথিবীর সব বিস্ময়কর সৌন্দর্যকে চোখ খুলে দেখা, কিন্তু চামচের উপরে থাকা তেলের ফোটার কথা একেবারেই ভুলে না গিয়ে’—পৃথিবীর সব জ্ঞানী লোকের গুরু বললেন” ।

রাখাল ছেলেটি চুপ রইল। সে বৃদ্ধ রাজার বলা গল্পটির অর্থ বুঝতে পেরেছে। রাখাল হয়তো ভ্রমণপিয়াসু হতে পারে, কিন্তু কখনই পশুপালের কথা ভুলে যাওয়া চলবেনা।

বৃদ্ধ লোকটি ছেলেটির দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকালেন, তার পর দুই হাত একসঙ্গে করে অদ্ভুৎ অঙ্গভঙ্গিতে ছেলেটির মাথার উপরে কিছু ইশারা করলেন।

তারপর তার ভেড়াগুলো বুঝে নিয়ে দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে গেলেন।

***********
তারিফিয়ার সবচেয়ে উঁচু জায়গাটিতে একটা পুরানো দুর্গ আছে, মুরদের তৈরী। দুর্গের দেয়ালের উপর থেকে আফ্রিকা দেখা যায়। সালেমের রাজা মেলশিজদেক সেদিন দুপুরা দুর্গের দেয়ালের উপরে বসে চোখে মুখে ল্যাভেন্টার বাতাসের ছোঁয়া অনুভব করছিলেন। ভেড়াগুলো কাছেই অস্থির ভাবে চরে বেড়াচ্ছিল, এখনও নতুন মালিকে অনভ্যস্ত আর হঠাৎ ঘটে যাওয়া পরিবর্তনের ধাক্কায় উত্তেজিত। তারা কেবল খাবার আর পানি পেলেই খুশী।

মেলশিজদেক ছোট একটি জাহাজকে বন্দর ছেড়ে চলে যেতে দেখলেন। ছেলেটির সাথে তার আর কোনদিনই দেখা হবেনা, যেমন হয়নি এক দশমাংশ পারিশ্রমিক আদায়ের পর ইব্রাহিমের সাথে আর কখনও । সেটাও ছিল তার কাজ।

ঐশ্বরিক শক্তির কোন প্রত্যাশা থাকা উচিত না, কারণ তাদের অদৃষ্ট বলে কিছু নেই। কিন্তু মেলশিজদেক মনে প্রাণে ছেলেটির সাফল্য কামনা করলেন।

এটা দুঃখজনক যে সে অচিরেই আমার নাম ভুলে যাবে, আমার উচিৎ ছিল তাকে আরও কয়েকবার মনে করিয়ে দেয়া –তিনি ভাবলেন। তাতে করে সে আমার বিষয়ে কথা বলতে গেলেই পরিচয় হিসেবে বলতে পারত যে মেলশিজদেক আমার নাম, আমি সালেমের রাজা।

তিনি খানিকটা অপ্রস্তুত ভঙ্গিতে আকাশের দিকে তাকিয়ে বললেন, “ প্রভু, আমি জানি যে এটা সব ক্ষুদ্রতার ক্ষুদ্রতা ছাড়া আর কিছু নয়, কিন্তু একজন বৃদ্ধ রাজাকে মাঝে মাঝে একটু অহংকারীও হতে হয়”।


মন্তব্য

সবুজ বাঘ এর ছবি

সাংঘাতিক হৈতাছে। পুরাডা শ্যাষ কর।

মামুন হক এর ছবি

হ , করুম।

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

চলুক

চলুক। কিন্তু এতদিন পর-পর একেকটা পর্ব দিলে তো মুশকিল। তার উপর যদি আবার পর্বের আকার এতো ছোট হয়! মন খারাপ

মামুন হক এর ছবি

সরি ব্রো, নানা ঝামেলায় থাকি, আর নানা হাবিজাবি লেখার কুচিন্তা ভর করে, এখন থেকে নিয়মিত চালাব হাসি

তীরন্দাজ এর ছবি

“শোন ছেলে, তোমাকে দেয়ার মতো উপদেশ আমার কাছে শুধু একটিই আছে। সুখী হবার রহস্য হলো পৃথিবীর সব বিস্ময়কর সৌন্দর্যকে চোখ খুলে দেখা, কিন্তু চামচের উপরে থাকা তেলের ফোটার কথা একেবারেই ভুলে না গিয়ে’—পৃথিবীর সব জ্ঞানী লোকের গুরু বললেন” ।

বা! দারুন মূল্যবান কথা বলেছেন বৃদ্ধ। আপনিও দারুন লিখেছেন। খুবই ভালো লাগলো মামুন!

**********************************
কৌনিক দুরত্ব মাপে পৌরাণিক ঘোড়া!

**********************************
যাহা বলিব, সত্য বলিব

মামুন হক এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ তীরুদা। বৃদ্ধের উপদেশটা সব সময়ের সব মানুষের জন্য প্রযোজ্য।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

আগি কত কয়েকদিন ধইরাই ভাবতেছিলাম তোরে একটা ঝাড়ি দেওন দরকার, অ্যালকেমিষ্ট কই?
ঝাড়ি খাওনের আগেই দিলি বইলা ধন্যবাদ... কিন্তু মুরগীর মুত্রের মতো একফোঁটা কেন রে মামা? একটু ব্রেশ্রী ক্রইরা দ্রিত্রে প্রারল্রিন্রা?
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

মামুন হক এর ছবি

মামা বেশি দিলে নাকি পড়তে কষ্ট হয়। রোজার দিনে কাউরে কষ্ট দেয়া কি সঠিক?

পরিবর্তনশীল এর ছবি

খুবই ভালো হচ্ছে মামুন ভাই। কিন্তু পরিমাণ এত কম ক্যানো? তাও এত দেরীতে!
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল

মামুন হক এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ। এখন থেকে নিয়মিত দেয়ার চেষ্টা করব। ভালো থাকবেন হাসি

কনফুসিয়াস এর ছবি

সত্যি কথা বলি, আমি পড়ছি না, শেষ করার অপেক্ষায় আছি, আমি পুরোটা একসাথে না পড়লে মজা পাই না। হাসি
তাড়াতাড়ি শেষ করুন।

-----------------------------------
আমার ইচ্ছে হলো বাজাতে গীটার, মন আমার, মন আমার, মন আমার-

-----------------------------------
বই,আর্ট, নানা কিছু এবং বইদ্বীপ

মামুন হক এর ছবি

ওকে বস হাসি

জাহিদ হোসেন এর ছবি

আপনার এই লেখাটি আমি ইচ্ছে করেই পড়ছিনা। শেষ হলে একবারে পড়ে ফেলবো। এই বইটি (ইংরেজীতে) পড়েছিলাম কয়েক বছর আগে। ভালো লেগেছিল। দেখে মনে হচ্ছে আপনার অনুবাদটিও ভালো হচ্ছে। প্রতীক্ষায় রইলুম।
_____________________________
যতদূর গেলে পলায়ন হয়, ততদূর কেউ আর পারেনা যেতে।

_____________________________
যতদূর গেলে পলায়ন হয়, ততদূর কেউ আর পারেনা যেতে।

মামুন হক এর ছবি

উৎসাহের জন্য ধন্যবাদ জাহিদ ভাই।

সাইফ তাহসিন এর ছবি

মামুন ভাই, ভানু হইতিসে, আর কতদিন লাগপ? তাত্তাড়ি শেষ করেন, কত্ত লেহা দেওন বাকী! এক অনুবাদ নিয়া আটকায় আসেন। অনুবাদের সাবলীলতা বাড়ছে। চলুক

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

মামুন হক এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ সাইব্বাই হাসি

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

অনেকদিন পরে দিলা দোস্ত। মাথার মধ্যে ইদানিং কিছু ঢোকেনা। তাই পড়ে আগামাথা বুঝলামনা মন খারাপ

মামুন হক এর ছবি

কী হইছে তোর মাথায় দোস্ত?

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

কিছু একটা খুঁজতেছি, কিন্তু পাইতেছিনা। একেই মনে হয় বলে রিসার্চ। সার্চ এন্ড সার্চ অনলি। বারবার খোঁজা।

মামুন হক এর ছবি

শুনে তো মনে হচ্ছে খড়ের গাদায় সূচ খোঁজার মতো ব্যাপার! গুড লাক!!

উজানগাঁ এর ছবি

শেষ ২টা পর্ব পড়া হয়নি। তাই একটু সমস্যা হচ্ছিল বুঝতে।
ভালো লাগছে। চালিয়ে যান।

মামুন হক এর ছবি

ধন্যবাদ উজানগাঁ। ভালো থাকবেন।

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

মামুন ভাইরে একটু কষ্ট দেই। এইটার অনুবাদ [মাকসুদাজ্জামান খানের করা] বাংলাদেশে অতি সহজলভ্য। আগেই পইড়া লাইসি, তাই আপনার এই সিরিজ নিয়মিত পড়তাসি না... দেঁতো হাসি

মাইন্ড খায়েন না, অন্য লেখা দিলে ঐটা তো পড়ুমই ...
---------------------------------------------------------------------------
- আমি ভালোবাসি মেঘ। যে মেঘেরা উড়ে যায় এই ওখানে- ওই সেখানে।সত্যি, কী বিস্ময়কর ওই মেঘদল !!!

মামুন হক এর ছবি

ভাইরে এই কাজটা আমি অনেক আগে শুরু করছিলাম, শেষ করা হয় নাই। এখন অনেকটা শখেই শেষ করতে চাচ্ছি, বই হিসাবে প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে না হাসি

যুধিষ্ঠির এর ছবি

আমার অবস্থাও কনফুসিয়াস আর জাহিদ হোসেনের মত। ইচ্ছে করেই পড়ছি না, পুরোটা হবার অপেক্ষায়।

মামুন হক এর ছবি

শেষ করব ধর্মপুত্র, তবে আমার যা স্পীড, কতদিন লাগবে তা এখনই বলা যাচ্ছেনা।

মূলত পাঠক এর ছবি

অনুবাদ অনেক সাবলীল হয়েছে, বানান ভুলটুলও নেই, চমৎকার!

ল্যাভেন্টার = ল্যাভেন্ডার ?

মামুন হক এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ পাঠকদা।
ল্যাভেন্টার (Laventer) = পশ্চিম ভূমধ্য সাগরের উপর দিয়ে প্রবাহিত বাতাস।

মূলত পাঠক এর ছবি

দেখেছেন, অজ্ঞানতার অভিশাপ কাকে বলে? আবার গেছি ভুল ধরতে! হাসি

মামুন হক এর ছবি

লজ্জা দিওনা দাদা, তোমার কাছ থেকে কতকিছু যে শিখেছি তার ইয়াত্তা নেই।

তুলিরেখা এর ছবি

মামুন,
অনুবাদ ভালো লাগছে। আরো একটু বেশী করে পেলে মনটা ভরে একটু বেশী।
পরের অংশের অপেক্ষায় আছি। আরেকটু ঘন ঘন পেলে ভালো লাগে, নাহলে মধ্যে অনেকদিন গ্যাপ গেলে আগের অংশের স্মৃতি ঝাপসা হয়ে যায়।
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

মামুন হক এর ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ তুলিরেখা, নিয়মিত লেখার চেষ্টা থাকবে।

স্পর্শ এর ছবি

আলকেমিস্ট আমার খুব প্রিয় একটা বই। কয়েকজন বন্ধুকে বইটা পড়ার জন্য জোর জবরদস্তি করেছিলাম। তারা পড়ে বলে তাদের নাকি মোটেই ভালোলাগেনি! অ্যাঁ

পরে ধরা পড়লো আসল ঘটনা। তারা বইটার বাংলা অনুবাদ পড়েছে। দুদিন আগে নীলক্ষেতে গিয়ে সেই বাংলা বইটা দেখার সুযোগ হয়েছিলো। কী আর বলব। প্রথম লাইনটা পড়লেই পড়ার ইচ্ছাসব দৌড়ে পালায়!!

আপনার অনুবাদ দারুণ হচ্ছে। একদম প্রাণবন্ত। খুব দ্রুত পুরোটা শেষ করে ফেলেন।
শুভেচ্ছা।


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

মামুন হক এর ছবি

আপনার কথায় নতুন করে উৎসাহ পেলাম।
অনেক ধন্যবাদ।

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

পর্ব ৪ মাঝখানে মিস হৈছিল। আজকে পিছিয়ে গিয়ে প'ড়ে নিলাম। আর এই বর্তমান ৫টা-ও পড়লাম।
অনেক ভালো মামুন ভাই। বারবার একই কথাই বলছি, কুয়েলু মামা যেমন সুন্দর জিনিসগুলা ঢুকাইছে, সেইগুলা আপ্নে বাইরও কইরা আনতেছেন অনেক সুন্দর কইরাই।
চলুক
খুব ভালো কাজ করতেছেন। আল্লাহ্ আপ্নেরে বেহেশ্ত নসিব করুক। হাসি
___________
স্বাক্ষর?!
মাঝেসাঝে বুঝতে পাই- আমি
নিরক্ষর!

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

মামুন হক এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ সাইফুল ভাই।
দেশে আসতেছি, আপনারে ফুচকা খাওয়াবো হাসি

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

আইচ্ছা। আহেন তো আগে! হাসি
___________
স্বাক্ষর?!
মাঝেসাঝে বুঝতে পাই- আমি
নিরক্ষর!

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।