হয়রানের চীন দর্শনঃ পাপ্পু পর্ব

রায়হান আবীর এর ছবি
লিখেছেন রায়হান আবীর (তারিখ: মঙ্গল, ২২/০৫/২০১২ - ৮:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্মৃতি খুব ফাউল একটা পাবলিক, ছয়-সাত বছর আগের সহপাঠীকে ভুলিয়ে দিতে পারলেও নানা আজব জিনিস সে মনে রেখে দেয় যুগের পর যুগ। ছোট বেলার প্রায় সব কিছু ইতিমধ্যে ভুলে গেলেও বিশেষ কিছু জিনিস একেবারে আজীবনের জন্য মস্তিষ্কে পোঁতা হয়ে গেছে। লিটল জুয়েলস স্কুলে যখন নার্সারিতে পড়ি তখনকার এক স্মৃতি এখনও পুরো স্পষ্ট। অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিমের প্রথম বউ তখন বেঁচে নেই। তার দুটো মেয়ে আমাদের স্কুলে পড়তো। শহীদুজ্জামান সেলিম তখনও বিখ্যাত। সেই সময় আমি তাকে একবার দেখেছিলাম। দেখেছিলাম, সেলিম তার দুটো মেয়েকে দুই কোলে উঠিয়ে আমার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। শহীদ জিয়ার মতো এই স্মৃতির যেমন কোনোদিন মৃত্যু হবেনা, তেমনি বোধহয় মৃত্যু হবেনা 'বিদেশ' শব্দ সম্পর্কিত ছোটবেলার স্মৃতিরও। এখনও বিদেশ শব্দটা শুনলে আমার মাথায় যে জিনিসটা চাড়া দিয়ে ওঠে সেটা বোধহয় ক্লাস টু তে যখন পড়ি তখনকার। চাচা অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন। আমি খুব করে কান্নাকাটি করছি যেনো উনি আমাকে স্যুটকেসে ভরে উনার সাথে নিয়ে যান।

উনি নিয়ে যাননি। অতঃপর ধীরে ধীরে বড় হতে হতে একসময় স্যুটকেসে করে বিদেশ যাওয়ার জন্য একেবারেই অনুপযুক্ত হয়ে পড়লাম। তারও প্রায় বিশ বছর পর গত বছর প্রথমবারের মতো বার্সেলোনা যাবার সুযোগ হলো। স্যার পাঠাতে চেয়েছিলেন, পুয়ের্টো রিকোর এক কনফারেন্সে, কিন্তু সেখানে যেতে আম্রিকার ভিসা লাগবে, তাই পেপার দিলাম বার্সেলোনায়। এবার আর স্যুটকেসে করে যাওয়ার জন্য না, নিজের স্যুটকেসের জন্য ভিসা চাইতে গেলাম স্পেন দূতাবাসে। তারা আমার সাথে আজব এক কাহিনি করলো। কনফারেন্সে যাওয়ার আগে বললো, তোমার ভিসা হয়ে গেছে, কিন্তু মাদ্রিদ থেকে কনফার্মেশন আসেনি, তাই পাসপোর্ট দিতে পারছিনা আমরা। এবং তারা একমাসের ভিসা সহ পাসপোর্ট ফেরত দিলো কনফারেন্স শেষ হওয়ার চারদিন পর। আমি পাসপোর্ট আনতে গিয়ে বললাম, এখন আর দিয়া লাভ কী! এই কথা বইলা পড়লাম আরও বিপদে, তারা পাসপোর্ট নিয়ে বললো, তাহলে ভিসা বাতিল করতে হবে। কনস্যুলার এখন নাই, তুমি সাতদিন পরে আইসা পাসপোর্ট নিয়া যাইয়ো। পরে পাসপোর্ট হাতে পেয়ে দেখলাম, সাতদিন ধরে কনস্যুলারের অনুমতি সাপেক্ষে দূতাবাস ভিসার উপর লাল কালির একটা ক্রস চিহ্ন দিসে, আর কিছু না। যেটা দেখলে প্রথম চান্সে মনে হয়, এয়ারপোর্ট থেকে ডিবি পুলিশ আমারে গ্রেফতার করে নিয়ে তারপর লাল কালি দিয়ে এই চিহ্ন দিসে।

যাই হোক, সেই সময় আবারও অনুধাবন করলাম বিদেশ যাইতে হৈলে আসলেই আমারে হয় স্যুটকেসে কইরা যাইতে হবে নতুবা বাউনিয়া থেকে বিমানবন্দরের কাঁটাতারের বেড়া টপকায়ে তারপর চাক্কার সাথে ঝুলে পড়তে হবে। আহসানুল্লায় একটা সেমিনারে প্রেজেন্টেশন দেওয়ার সময় একবাক্যে বলছিলাম, কালো হওয়াতে স্পেন দূতাবাস আমারে ভিসা দেয় নাই বলে আমি আমার মাথা নষ্ট পেপারটা পড়তে যাইতে পারি নাই। এরপর মাস ছয়েক গত হয়েছে। সুইডেনের উপসালা ইউনিভার্সিটি আমাদের ডিপার্টমেন্টকে ফান্ডিং দেয়, তাই একবার না যেতে পারলেও আবার স্যার 'বিদেশে' পেপার দিতে বললেন। পিএইচডির মোটামুটি পাঁচভাগের তিন ভাগ কাজ শেষ। বায়ো-ইম্পিডেন্স মাপার মাধ্যমে আমরা নতুন একটা ইমেজিং মেথডের উপর কাজ করছি, এখন পর্যন্ত আমাদের তত্ত্ব সফল সেটা প্রমান করার মতো কাজ হয়ে গেছে। এই পর্যায়ে এসে রাখব বোয়ালদের সামনে জিনিসটা উপস্থাপন না করলেই না, তাই আমিও ভাবলাম, ঠিকাছে- আবার 'বিদেশ' যাওয়ার ট্রাই করি। এই বিষয়ের উপর এবছরের সম্মেলন হচ্ছে চায়নাতে, তাই সেখানেই পেপার দিয়া দিলাম। স্পেন দূতাবাসে পর্যাপ্ত সময়ের অভাবে পুটু মারা খাওয়ায় এবার গণচীন বিশেষজ্ঞ ষষ্ঠ পান্ডবদার পরামর্শ মোতাবেক পেপার বাছাইয়ের ফলাফল জানার আগেই ভিসার আবেদন করে ফেললাম। দারোয়ান দুইবার ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার পরেও সকল কাগজ পত্র নিয়ে মোটামুটি এক সপ্তাহে আগে ভিসা পেয়ে গেলাম। এক বছরের জন্য যুক্তরাজ্যে গবেষণারত আরেক বড় ভাইয়ের আমার সাথে চীন আসার কথা ছিলো, উনি ভিসার অভাবে আটকে গেলেন। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের নাগরিকদের জন্য চায়নিজ ভিসা পেতে অবশ্যই চায়না সরকার প্রদত্ত একটা অনুমতি পত্র লাগে, আমি সেই পত্রটা জোগাড় করতে পারলেও, ভাইয়া সময়মতো পারেননি।

এইবার আর আটকায় কে! বসুন্ধরা থেকে স্যুটকেসের পরিবর্তে বিশাল ব্যাকপ্যাক কিনে, পান্ডবদার সাথে 'চায়না যাওয়ার নিয়মকানুন' সংক্রান্ত মিটিং সেরে প্রস্তুত হয়ে গেলাম। কি পরে রওনা হবো এই নিয়ে আব্বু-আম্মু একাত্তরের পাক বাহিনীর মতো 'গন্ডগোল' শুরু করলো। স্যুটেট বুটেট না হয়ে তারা কিছুতেই আমারে বাসা ছাড়তে দিবেনা। তাদের মতে, আমি নাকি বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে রিপ্রেজেন্ট করতে যাচ্ছি, আমার ভালো পোশাক পরা বাঞ্চনীয়। যাই হোক, আজাইরা 'গন্ডগোল' কে পাত্তা না দিয়ে গেঞ্জি, প্যান্ট আর স্যান্ডেল পরে ২০ তারিখ রাত নয়টায় রওনা দিলাম বাংলাদেশে অবস্থিত সৌদি আরবের আল্লামা হযরত শাহজালাল (রঃ) বিমানবন্দরে। একটায় ফ্লাইট, তার দুই ঘন্টা আগে চেকিং এ দাঁড়ালাম। চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের এক পাপ্পু (পার্ট মারা পুটকি) আমার পাসপোর্ট নাড়াচাড়া করে বললো, আপনি যাচ্ছেন কনফারেন্সে আপনার বিজনেস ভিসা কেনো? আমি সায়ানের মতো তাজ্জব বনে গেলাম। ব্যাটা কয় কী! আমি কনফারেন্স যাবো বলে ভিসার এপ্লাই করছি, চায়না দূতাবাস আমারে বিসনেজ ভিসা দিলে আমি কী করতাম। অতিরিক্ত ওভার স্মার্ট কারও সাথে ভদ্রভাবে কথোপকথন চালানো মুশকিল, তবুও বললাম, ভাই কোন ক্যাটাগরির ভিসা চাই এইটা ভিসা ফরমে উল্লেখ থাকলেও সেখানে কনফারেন্স সংক্রান্ত কোনো অপশন ছিলোনা। আমি 'other' অপশনটা বাছাই করে সেখানে কনফারেন্সের কথা উল্লেখ করে দিয়েছি। অতঃপর চায়নিজ দূতাবাস আমাকে বিসনেজ ভিসা প্রদান করেছেন। আপনার কিছু জিগানোর থাকলে তাদের জিগান। পাপ্পুদের সাথে কথোপকথন চালানো যে আসলেই মুশকিল সেটা দ্বিতীয়বারের মতো প্রমান করে পাপ্পু জানালো, তাহলে ট্যুরিস্ট ভিসা নিতেন? আমি আবারও ভদ্রতার সাথে বললাম, ভাই, আমি কি ট্যুরিস্টগিরি করতে যাচ্ছি, যে ট্যুরিস্ট ভিসা নিবো? পাপ্পু আবারও তার অতিরিক্ত অভার স্মার্টনেসের ভারে মাথা নাড়ানো শুরু করলো। আপনি তো যেতে পারবেন না, ওরা তো এক্সেপ্ট করবেনা।

যাই হোক, একটু পরে 'ওরা' আসলো। সৌদি আরবের ঢাকাস্থ বিমানবন্দরে এমন ঝামেলা হতে পারে ভেবে রব্বানী স্যার আগেই এক পত্র লিখে দিয়েছিলেন যেখানে উল্লেখ ছিলো, আমি কালো হলেও অনেক ভালো কাজ করি। বিদেশ গেলে কখনও লেবার হওয়ার জন্য রয়ে যাবোনা, চায়নাতে তো নাইই। প্রচুর রিকোয়েস্ট করেও পাপ্পুকে দিয়ে সেই চিঠি পড়াইতে পারিনাই, একটু পরে 'ওরা' অর্থাৎ সিভিল এভিয়েশন অথোরিটির একজন আসার পর পাপ্পু আমার নামে তার কাছে বিচার দিলো। তিনি আমাকে ডাক না দিয়ে মন দিয়ে চিঠিখানা পড়া শুরু করলেন। আমি হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। যাক কেউ একজন মাথা নাড়ানোর পরিবর্তে চিঠি পড়ছে। চিঠি পড়ার ফাঁকে তিনবার পাপ্পু তার সামনে এসে স্বভাবসুলভ ভাবে মাথা নাড়িয়ে আমাকে দেখিয়ে কি যেনো বলে গেলো। যাই হোক, ব্যাটা খুব একটা পাত্তা দেয় নাই। চিঠিটা ফটোকপি করে পাপ্পুকে বললো, আমাকে বোর্ডিং পাস দিতে।

ততক্ষণে প্রায় আড়াই ঘন্টা পেরিয়ে রাত সাড়ে বারোটা। সিগ্রেটের পিপাসায় মাথা চক্কর দেওয়া শুরু করছে। বোর্ডিং পাস হাতে নিয়ে চললাম বিমানে উঠার অপেক্ষারুমে। অপেক্ষারুমে ঢোকার মুখে দেখলাম স্মোকিং রুম। আনন্দে শরীরে অবশিষ্ট নিকোটিন চোখ দিয়ে অশ্রু আকারে বেরিয়ে পড়লো। ভালো মতো নিকোটিন পুরে ঢাকাস্থ সৌদি আরবের বিমানবন্দর থেকে প্রথমবারের মতো রওনা হলাম 'বিদেশের' দিকে ...


মন্তব্য

মরুদ্যান এর ছবি

এত ছোট কেন???? মন খারাপ
পরের পর্ব তাত্তাড়ি দ্যান!! পপকর্ন লইয়া গ্যালারীতে বইলাম

মরুদ্যান এর ছবি

ওহ আরেকটা ব্যাপার! আমিও লিটল জুয়েলসে ছিলাম। ১৯৮৮-১৯৯২ পর্যন্ত। আপনি?

রায়হান আবীর এর ছবি

আমি ছিলাম ১৯৯২ সালে সম্ভবত। হিসাব করে দেখলাম তখনই নার্সারীতে পড়ার কথা হাসি

মরুদ্যান এর ছবি

তাইলে তো আপনি আমার থে ছুডু! চোখ টিপি [অফটপিক: আপনার নাম হয়রান হইল ক্যামনে??]

রায়হান আবীর এর ছবি

আর বইলেন না মরুদ্যান ভাই। পাবলিক খুব খ্রাপ পাব্লিক, তারা আমার মতো ভালু ছেলেকে ইসলামি নামে একেবারেই ডাকতে চায়না দেঁতো হাসি

কাজি মামুন এর ছবি

ভাল লাগল! একটি মজাদার ভ্রমনকাহিনীর গন্ধ পাচ্ছি! সামনের পর্বগুলোর অপেক্ষায় থাকব!
তবে শহীদুজ্জামান সেলিম কি নাট্যকার ছিলেন?
আর একটি বিষয় দৃষ্টিকটু লেগেছে; বারবার 'হিজড়াদের মত' না বলে পাপ্পুর মাথা নাড়ানোকে অন্য কোন শব্দ দিয়ে হয়ত ব্যাখ্যা করতে পারতেন! আপনার লেখাটি যেহেতু গল্প নয়, আপনার নিজের কথা, তাই বিষয়টি কিছুটা দৃষ্টিকটু লেগেছে!
তবে আপনার লেখা ভাল লেগেছে, বরং বলা ভাল, পড়ে মজা পেয়েছি!

মরুদ্যান এর ছবি

শহীদুজ্জামান সেলিমকে চিনেন না শুনে একটু অবাক লাগল। উনি বেশ জনপ্রিয় অভিনেতা, বিশেষ করে টিভি নাটকের জন্য।

কাজি মামুন এর ছবি

লেখাটিতে 'নাট্যকার শহীদুজ্জামান সেলিম' বলা হয়েছে; আমি অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিমকে চিনি; উনি হয়ত নাটক লিখে থাকতে পারেন; তবে তা যেহেতু আমার জানা নেই, তাই লেখককে প্রশ্নটা করেছিলাম।

রায়হান আবীর এর ছবি

আমারই ভুল। ঠিক করে দিচ্ছি।

মরুদ্যান এর ছবি

এটাকে ঠিক ভুল বলা চলেনা। উনি নাটক লিখেন নাই, এমন না। কিন্তু অভিনেতা হিসাবে অধিক পরিচিত।

রায়হান আবীর এর ছবি

হুম, আমি অভিনেতা বোঝাতে গিয়ে লিখেছি নাট্যকার। তাই সেটা অবশ্যই ভুল হাসি

সৌরভ কবীর  এর ছবি

সহমত

রায়হান আবীর এর ছবি

সহমতের উপ্রে সহমত।

রায়হান আবীর এর ছবি

কাজি মামুন, ধন্যবাদ বিষয়টা পয়েন্ট আউট করার জন্য। ঠিক করে দিয়েছি।

নিটোল এর ছবি

ভ্রমণ আনন্দময় হোক আবীর ভাই। হাসি

চায়নাতে চাইনিজ খাবার কেমন পাওয়া যায় আর আমাদের থিকা ভালো বানায় কিনা এই নিয়া একটা পোস্ট দিয়েন।

রায়হান আবীর এর ছবি

দিমু দেঁতো হাসি

অলস অনড় এর ছবি

আমি খুব কান্নাকাটি করছি যেন উনি আমাকে স্যুটকেসে ভরে বিদেশ নিয়ে যান।

হাসি

রায়হান আবীর এর ছবি

ভালো সিস্টেম না? ভিসার হয়রানী নাই দেঁতো হাসি

সাম্য এর ছবি

হিজড়াদের উদাহরণটা না দিয়ে অন্য কোন উদাহরণ দিলে ভাল হত। কেউ তো আর ইচ্ছা করে হিজড়া হয়ে জন্মায় না।

সৌদি আরবের ঢাকাস্থ বিমানবন্দর

গড়াগড়ি দিয়া হাসি চলুক

রায়হান আবীর এর ছবি

কেউ ইচ্ছা করে হিজড়া হয়ে জন্মায়না সত্যিই। লেখার সময় এটাকে বিগডিল মনে হয়নি। হিজড়াদের অবমাননা করার কোনো ইচ্ছাই আদতে ছিলোনা। পাপ্পুর মাথা নাড়ানো দেখে যেটার সাথে সিমিলারিটি পেয়েছিলাম তাই লিখেছি। একটা নির্দিষ্ট ক্যাডেট কলেজে পড়া ছাত্রদের সবাই গাছ বলে ডাকে, গাছও তো আর ইচ্ছা করে গাছ হয়ে জন্মায় না। যাই হোক, যেহেতু ব্যাপারটা দৃষ্টিকটু লাগছে তাই ঠিক করে দিচ্ছি হাসি
জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

সবজান্তা এর ছবি

চ্রম হইছে হয়রান... চায়নার কই গেছো ?

পাণ্ডবদার জায়গাটা পইড়া হাসতে হাসতে শেষ... পাণ্ডবদা আসলেই চায়নার এনসাইক্লোপেডিয়া দেঁতো হাসি

রায়হান আবীর এর ছবি

আসছি তিয়ানজিন, পোর্ট সিটি, বেইজিং থেকে বোধহয় দেড়শ কিলোমিটার দূরে।

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

সহি-সালামতে তাহলে পৌঁছাইসো! আমার অভিজ্ঞতা আরও মারাত্মক ছিল। আমি নাম্বার ওয়ান শাকিব খানের সাথে একই বিমানে চড়ে ঢাকা থেকে কুনমিং গেসিলাম! দেঁতো হাসি

রায়হান আবীর এর ছবি

অভিজ্ঞতা মারাত্মক ক্যানো? নাম্বার ওয়ান আপনারে চুম্মা লাগাইতে চাইছিলো নাকি? দেঁতো হাসি

সাইদ এর ছবি

আমি লিট্‌ল জুয়েলসের ছাত্র ছিলাম ১৯৮৬-১৯৯০ পর্যন্ত। আপনি??

রায়হান আবীর এর ছবি

ভাইয়া, আমি ছিলাম ১৯৯২ তে।

সাইদ এর ছবি

১৯৯০ সালে ৫ম শ্রেণিতে পড়তাম। তাহলে আপনি তো তখন জন্মাননি চোখ টিপি । আমি সারা জীবন এই স্কুলটার কাছে ঋণী।
ধন্যবাদ আপনাকে স্কুলের কথা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য।
ভাল থাকবেন।

স্পর্শ এর ছবি

আরেহ! কখন বিদেশ চলে গেলা জানলামই তো না। কি কি দেখতেছো করতেছো সব লিখবা।
কালা আদমি হওয়ার আসলেই সমস্যা আছে। ভাগ্যিস রাব্বানী স্যারের চিঠিটা ছিলো।

কানাডায় এক কনফারেন্সে যাওয়ার কথা আমার। ভিসার অ্যাপ্লিকেশন করার আগে সুপারভাইজর বললো, সেও আমাকে চিঠি লিখে দেবে একটা!! শুনে মন খারাপ হলো। এত গবেষণা, এত পড়াশুনা, এত কিছুর পরেও চিঠি নিয়ে ভিসা আনতে হবে! ওদিকে 'উন্নত' দেশের ওদের তো ভিসাই লাগে না। এমন কি ভারতীয় রাও ভিসা পেয়ে গেছে স্পেশাল কোনো চিঠি ছাড়াই।
চিঠি নেই নি। দেখা যাক ভিসা দেয় কি না।


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

রায়হান আবীর এর ছবি

আশা করি দিয়ে দেবে, হাজার হোক আপনি শ্যামলা, দেখতেও ভালো দেঁতো হাসি

বন্দনা এর ছবি

হো হো হো

মরুদ্যান এর ছবি

হো হো হো

তারেক অণু এর ছবি
রায়হান আবীর এর ছবি

(বাংলায়) দেঁতো হাসি :D

সজল এর ছবি

খাইছে! এয়ারলাইন্সের পাপ্পুরাও এত ক্ষমতা ফলায় নাকি? লেখা মজাদার হইছে।

---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়

রায়হান আবীর এর ছবি

আত্মপরিচয় সংকটে ভোগারাই সামান্য কাজ পেলে সেটাকে ক্ষমতা মনে করে লোক দেখানো ফাল পাড়ে।

সাবেকা  এর ছবি

বার বার হিজড়াদের মত পড়তে ভাল লাগে নাই । আপনার কাছে অন্তত এটা আশা করিনি ।

রায়হান আবীর এর ছবি

দুঃখিত আপনার মন ভাঙ্গার জন্য। মানুষের মন ভাঙ্গা আর মসজিদ ভাঙ্গা নাকি সমান। ব্লগটা লিখে মসজিদ ভাঙ্গার মতো অপরাধ করে ফেললাম। জানানোর জন্য দুঃখিত। উপরেই বলেছি, খুব একটা বিগডিল মনে হয়নি লেখার সময়- যেটা আমারই মানবিক সীমাবদ্ধতা। তবে জাস্ট জানানোর জন্য- আমি হিজড়াদের অসম্মানের জন্য কিছু বলিনি- সেটা আশা করি আপনিও বুঝতে পারছেন।
ঠিক করে দিয়েছি ঐ অংশটা।

মাহমুদ.জেনেভা এর ছবি

ভালো খবর!
মন ভালো হয়ে গেল। নরওয়ে আসছেন কবে? অপেক্ষায় আছি
ভিসা নিয়ে কি আর বলবো, স্পেনের গল্প তো আমি জানি
আর আমার নিজের গল্প যদি বলি বিরাট একটা ইতিহাস বই লিখা যাবে
শুধু আমেরিকার ভিসার জন্য আমাকে সুইজারল্যান্ড থেকে ১৪ মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে! আমার নামের শেষ অংশ (RAHMAN) নামে ১১ জন সন্ত্রাসী আছেন CIA এর তালিকায়। আমেরিকা যাবার আগে ভারত গিয়েছিলাম। ওখানে কেন গিয়েছিলাম কোন হোটেলে ছিলাম সব কিছু বলে মোট ৩ বার ইন্টারভিউ নিয়েছে, কোন কাজ হয়নাই শেষ পর্যন্ত সুপারভাইজর আমেরিকান রিপ্রেজেন্টেটিভ কে ফোন করার পরদিন ভিসা দিছে আরও কত কাহিনী সে এক বিরাট ইতিহাস ঘরে ছিলনা কেরোসিন...
[শুধু এটুকুই বলি জীবনের প্রথম স্কলারশিপ ছিল আমেরিকার টেনেসি ইউনিতে ভিসার জন্য যাওয়া হলনা কিন্ত কারনটা আজ পরজন্ত জানা হলনা। সময়টা ২০০৫ সালে বাংলা ভাই এক সাথে ৬১ টা জেলায় বোমা মারার পর দিন]
শুভ হোক বিদেশ যাত্রা

রায়হান আবীর এর ছবি

আপনি মিয়া হাদীসের বইয়ের আড়ালে হারাম পানীয় নিয়া দেশে ঢুকেন। আপনি শুধু সন্ত্রাসী না, আপনি হৈলেন গিয়া পাক্কা মুনাফিক সন্ত্রাসী। আম্রিকা তো দূরের কথা, পাপুয়া নিউগিনিও আপনার তো মুনাফিককে ভিসা দিবেনা দেঁতো হাসি

বাঁইচা থাকলে নরওয়ে যাবো আগামী বছরের শুরুতে।

মরুদ্যান এর ছবি

হো হো হো

সাফি এর ছবি

লেখা ভাল্লাগ্সে, তয় চীন দেশে গিয়া আবার চাইনিজ খাইয়েন না।

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

কী কন! তাইলে চীনে গিয়া লাভকী! চোখ টিপি

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

রায়হান আবীর এর ছবি

সাফি ভাই, চাইনিজ কিভাবে খায় চোখ টিপি F1

মরুদ্যান এর ছবি

চাইনিজ (খাওন) কেমনে খায় এই ব্যাপারে আমি হেল্পাইতে পারি। সাফি খাওন না বুঝাইলে অবশ্য অন্য কথা চোখ টিপি

সাফি এর ছবি

বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ঠ চোখ টিপি

রায়হান আবীর এর ছবি

ডিনার টেবিলে পাশের আফ্রিকান কালো** ছেলেটা খেয়ে ফেললো, আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলাম*

**আফ্রিকান কালো ছেলেটা আমার আইইউটির বন্ধু। এই কথা তারেও বলছি। কালো বলায় প্লিজ কেউ রেসিজমের গন্ধ পাইয়েন না।
*[বুজইয]

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

জ্ঞানার্জনের জন্য চীনে গেলেন! সুবাহানাল্লাহ! আমি জানতাম আপনি দীনের পথে আসবেনই!

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

রায়হান আবীর এর ছবি

একদিন না একদিন সবাইকেই দীনের পথে আসতে হবে। এনশাল্লাহ এরপরের বার সৌদি আরবে পেপার দিবো দেঁতো হাসি

মুস্তাফিজ এর ছবি

যদি ভিসা এবং রিটার্ণ এয়ার টিকিট থাকে তাহলে পাপ্পুদের কোন ক্ষমতা নাই বোর্ডিং পাস না দেবার। এখানে ওরা যেটা করে সেটা অনধিকার চর্চা। বাংলাদেশে যতগুলা এয়ারলাইন্স কাজ করে তার মধ্যে হাতেগোনা ২/১টা এয়ারলাইন্স তাদের নিজস্ব নিয়োগের মাধ্যমে হ্যান্ডেলিং স্টাফ রাখে, বাকি সবগুলাই জি এস এ নির্ভর, মানে জি এস এ’র কর্মচারী দিয়ে কাজ চালায়। আরো ২/১টা এয়ারলাইন্স জি এস এর মাধ্যমে আউটসোর্সিং করে কর্মচারী নিয়োগ দেয়। প্রথম আর শেষটা ছাড়া জি এস এ কতৃক নিয়োগ প্রাপ্ত এই সব পাপ্পুরা আসলেই একেকটা ইডিয়ট।
চীনে যে দুইটা এয়ারলাইন্স যাতায়াত করে এদের অবস্থা ভয়াবহ। বাংলাদেশ থেকে চায়নার ভিসা নেবার ক্ষেত্রে এদের (আরো সরাসরি জি এস এ’র) সাহায্য না নিলে এরা এয়ারপোর্টে অযথা হয়রানি করে। চায়না এম্বাসির প্রায় সব কর্মকর্তাই এদের মাধ্যমে প্রচুর অতিরিক্ত টাকা আয় করে থাকে (দিন হিসাবে প্রায় সাড়ে আটাশ হাজার ডলার)! তাই রায়হানদের এয়ারপোর্টে একটু হয়রান হতেই হয়।
আরেকটা কথা, সব ঠিক থাকার পরেও কেবলমাত্র ইমিগ্রেশন অফিসাররাই সিদ্ধান্ত দিতে পারেন কেউ দেশের বাইরে যেতে পারবে কীনা বা ঢুকতে পারবে কীনা।
পুনশ্চঃ স্পেনের ঘটনা শুনে খারাপ লাগলো।

...........................
Every Picture Tells a Story

রায়হান আবীর এর ছবি

মুস্তাফিজ ভাই, আপনার মন্তব্য দেখে মনে পড়লো পাপ্পু আমাকে দুইবার জিজ্ঞেস করছে আমি ভিসা পেয়েছি কি করে? নিজে করেছি নাকি অন্য কাউকে দিয়ে করিয়েছি। আমি নিজে করেছি বলাতে সে কিছুতেই বিশ্বাস করলোনা।

তানজিম এর ছবি

যাক, পাপ্পু পাশ হয় নাই দেখে বেঁচে গেলেন দেঁতো হাসি

বন্দনা এর ছবি

লিখা বেশ মজারু হয়েছে, আপনার মত আমি ও বায়না ধরতাম সুটকেসে করে বাইরে যাবার।আর আমি যখন বাইরে আসি আমার পাশের বাসার পিচ্চি বায়না ধরেছিল দিদির সুটকেসে করে সে বাইরে যাবে, এইজন্য সুটকেসে ঢুকে ট্রায়াল দিয়ে দেখেছিল সে।
আপনার ভিসার কথা শুনে মনে হোল, বছর ৩ আগে আমার দুবোন আমার এখানে বেড়াতে এসছিল। এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশনে আমার একবোনকে ছেড়ে দিয়েছে কারন সে এর আগে বেশ কবার বাইরে এসছে অফিসিয়াল টুরে অবিবাহিত হওয়ার পর ও, অন্য বোনকে দিচ্ছেনা কারন সে অবিবাহিত , বর ছাড়া একা ভ্রমন করছে কেন এই অজুহাতে। পরে বাসার ফোন নাম্বার নিয়ে বাসায় ফোন করে তবেই ইমিগ্রেশন থেকে ছেড়েছে ওই বলদ ইমিগ্রেশন অফিসারটা।এমন উদ্ভট নিয়ম জীবনে শুনিনি।

কীর্তিনাশা এর ছবি

তোমার চীন সফর সফল হউক!

তয় আসার আগে অবশ্যই তেলাপোকার স্যুপ, শুঁয়োপোকার কটকটি, গিরগিটি ফ্রাই আর সাপের দোপেঁয়াজা খাওয়ার ট্রাই মারবা আর সেই গুলা নিয়া সচলে পুস্টাবা। খাইছে

পরবর্তি পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম পপকর্ন লইয়া গ্যালারীতে বইলাম

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

তাপস শর্মা এর ছবি

আহ! পাপ্পু যে আপনাকে নাকানি চুবানি দিল এর পরিশোধ আপনি কি করে চাইই-না--তে তোলেন তা শোনার জন্য এক মগ কফি নিয়া গ্যালারিতে বইলাম।

যাই হোক মিয়া ভালা কথা কইয়া রাখি বাইট্টা বাইট্টা কাফেরদের দেশে গেছেন, দেইখেন মান সম্মান বাচাইয়া রাইখেন, আপনাদের মতো পুলাপান'রাই তো এখন কত ইলিং ফিলিং করেন, কি সব অবিশ্বাস এর দর্শন--- নাউজিবিল্লাহ! ছেঃ ছেঃ । যাই হোক উপ্রে দেখলাম সৌদিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত যখন নিয়েছেন তখন নিশ্চিত হলাম আপনি পাক হয়ে যাবেন।

মুক্ত কন্ঠে চিক্কুর দ্যান - আমেন!

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

আপনার অভিজ্ঞতার বয়ান ভাল লেগেছে।

নীড় সন্ধানী এর ছবি

তাজ্জব হলাম। চায়না সাউদার্ন নিজেই একটা ফাউল এয়ারলাইন্স, প্লেনের ছাদ বেয়ে পানি পড়ে। এরা আবার জেরাও করে! অ্যাঁ
ওই ছাগলগুলো কি ভাবছে বাংলাদেশে ইমিগ্রেশান বাদ দিয়ে লোকজন বিদেশে যায়? যেসব প্রশ্ন করেছে তার কোন এখতিয়ার ওদের নাই। ওদের কাজ হলো টিকেট পাসপোর্ট দেখে বোর্ডিং পাস দেয়া। টিকেট বিক্রি করে পকেটে পয়সা ভরার সময় তো এত প্রশ্ন করে নাই, এয়ারপোর্টে মাতব্বরী করে কোন সাহসে?

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

মুগ্ধ-বিস্মিত পর্যটকের চোখে না, নির্মোহ-নিরপেক্ষ দর্শকের চোখে চীনকে দেখো - অসাধারণ সব উপলদ্ধি হবে। চীনাদের স্থাপনা দেখার চেয়ে চীনের প্রকৃতিকে দেখো, তারচেয়ে বেশি দেখো চীনের মানুষ। দেখবে তুমিও চীন বিশেষজ্ঞ হয়ে গেছ।

অটঃ কোন সমস্যা হলে আমাকে জানাবে (ফোন-এসএমএস-ইমেইল)। সাধ্যমত চেষ্টা করবো।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

ইয়ো ম্যান- তোমায় দেখে আশাবাদী হলুম। যাক, গায়ের রং তাইলে বৈদেশ যাত্রায় বাঁধা নয় দেঁতো হাসি

_________________________________________

সেরিওজার গল্প

চরম উদাস এর ছবি

পপকর্ন লইয়া গ্যালারীতে বইলাম

তানভীর এর ছবি

এইটা কি চট্টগ্রামের 'লিটল জুয়েলস' স্কুল? আমরা এর পাশের গলিতেই থাকতাম। স্কুলের পাশে বিচিত্রা লাইবেরির সিঁড়িতে বসে আমরা এলাকার ছেলেপিলেরা আড্ডা দিতাম, আর শাজাহান ভাইয়ের সাথে খাতির করে ফ্রি ফ্রি সেবা প্রকাশনির বই পড়তাম শয়তানী হাসি

রোমেল চৌধুরী এর ছবি

আপনার চোখে চীনকে দেখবার অপেক্ষায় পপকর্ণ নিয়ে বসলাম। কোথায় গেলাম, কি খেলাম, কোথায় থাকলাম ওসব পরিসংখ্যান নয়, বরং জানতে চাই চীনের মানুষ ও প্রকৃতিকে। চীনের বহির্দেহ তো অনেক দেখতে পারবো, আপনার লেখায় পড়তে চাই চীনের মনকে। সময়ের এলোমেলো স্রোত সে মনের উপর দিয়ে কতটুকু চিহ্ন এঁকে যাচ্ছে, সে নিয়ে শুনতে চাই আপনার একান্ত বিশ্লেষণ।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
নক্ষত্রের নিচে।

নজরুল ইসলাম এর ছবি

পরের পর্ব কো?

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

রুদ্রপলাশ  এর ছবি

হয়রান তাইলে ভালোই হইছেন যাওয়ার টাইমে!

কি বলবো আর___লেখা তো বরাবরই ভালো__________

তারানা_শব্দ এর ছবি

রে ঢাকাস্থ সৌদি আরবের বিমানবন্দর

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

ভেবে দেখলাম ছোটবেলায় কখনোই বিদেশ যেতে চাইতাম না ।। চিন্তিত

লেখা ভালাইচে।

"মান্ধাতারই আমল থেকে চলে আসছে এমনি রকম-
তোমারি কি এমন ভাগ্য বাঁচিয়ে যাবে সকল জখম!
মনেরে আজ কহ যে,
ভালো মন্দ যাহাই আসুক-
সত্যেরে লও সহজে।"

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
Image CAPTCHA