হনুমানের বগলে কি গন্ধ হয়?

মূলত পাঠক এর ছবি
লিখেছেন মূলত পাঠক (তারিখ: শুক্র, ০৯/১০/২০০৯ - ৫:৩৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তারপরে তো রাম রাজা হলেন, দেশে জয়জয়কার পড়ে গেলো, সীতা বেচারা যে মাটি খুঁড়ে ডুব দিলো তা নিয়ে কারো হেলদোল নেই। চোদ্দ বচ্ছর বনেজঙ্গলে থেকে রামের স্বভাব গেছে বিগড়ে, রাজভোগ আর রোচে না মুখে, গরীব প্রজাদের কুটিরে গিয়ে পান্তা খান আর দিনভর আড্ডা দেন। লক্ষ্মণ ভেবেছিলেন তিনি বকলমে রাজ্যপাট সামলাবেন, কিন্তু ঊর্মিলা চোদ্দ বছরের অবহেলার প্রতিশোধ নিতে বাপের বাড়ি চলে গিয়ে অবধি তিনি একটু শোকাকুল ছিলেন, এর মধ্যে নচ্ছার হনুমানটা রামকে ভুজুং দিয়ে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নিটা কব্জা করেছে। কাজেই লক্ষ্মণ বসে বসে আঙুল চোষেন আর মনের দুঃখে কবিতা লেখেন। যে সে কবিতা নয়, একেবারে খাঁটি আগমার্কা উত্তরাধুনিক কবিতা, সদ্য মহাকবি বাল্মীকির আশ্রম থেকে ওয়ার্কশপ করে এসেছেন।

হনুমান ক্ষমতা পেয়েই চার হাতে পায়ে ও এক লেজে টাকা লুটতে শুরু করেছে, দেখে সবার চক্ষু টাটালে কী হবে, রামকে বলতে গেলে তিনি হেসেই উড়িয়ে দেন। রোজ একটা করে বিজয়স্তম্ভ বানানো হয়, আর সে বাবদ ভূপালনগরের মর্ম্মর, প্রাগজ্যোতিষপুরের টিম্বার, কান্দাহারের কার্পেট, আর মগধের মজদুর আমদানি হয়, ফলে সবখান থেকে কাটমানি খেয়ে খেয়ে হনুমানের চেহারা এখন প্রায় জাম্বুবানের মতো। নিম্নমানের মেড-ইন-চায়না তীরধনুক আমদানি নিয়ে ঘাপলার পর সর্বশেষ খবরে প্রকাশ, সুগন্ধী সাবানের বরাত পেয়ে ফরাসি প্রসাধননির্মাতা নিরমা গুঁড়ো বাক্সে ভরে পাঠিযে় দিয়েছেন, রাজপুরীতে সবাই এখন স্নান করে অবধি ঘ্যাসঘ্যাস করে গা চুলকুচ্ছে। এই সব দেখে ক্ষেপে গিয়ে লক্ষ্মণ বেনামে একপিস কোবতে লিখে ফেললেন সাপ্তাহিক 'জনদরদী' পত্রিকায়। কবিতার ভাষাটি একটু সেকেলে, হলে হবে কী, ভাব বড়োই উত্তরাধুনিক। কবিতা পড়ে দেশজুড়ে হুলুস্থুলু পড়ে গেলো।

ঘোর অমা নামিয়াছে অযোধ্যানগরে
চন্দ্রমা চুরি করে নিয়ে গেল চোরে॥
চোরের স্বভাব আছে বগলদাবার
ফাঁক পেলে খুলে নেয় জাঙ্গিয়া বাবার॥
শুন শুন সর্ব্বজনে শুন খুলি কান
এইবেলা না জাগিলে খুলিবে পিরান॥

কিষ্কিন্ধ্যার কলাবনে খড়ি হয় হাতে
কাঁদি কাঁদি কলা খায় কপাতে কপাতে॥
সবে খেদাইতে চায় এ হেন বার্ডেন
রাজা হ্যারে পাঠাইল অশোক গার্ডেন॥
নষ্টবুদ্ধি সব কিছু দিলে ছারেখার
নাইলে সামারে হ'ত শ্রীলঙ্কাবিহার॥

মর্কট আসিল বসি অযোধ্যার ডালে
চর্ব্বচোষ্য দুইবেলা উদরেতে ঢালে॥
রাজা বড় সাদাসিধা প্রজাঅন্ত প্রাণ
সেই ফাঁকে চুরি গেল পুষ্করিনীখান॥
টেন্ডার ডাকে না ব্যাটা, আন্ডার টেবিল
ডীল হয়, তছরুপ হয় তহবিল॥

নজর তাহার এবে যতেক নারীতে
কষিয়া সাবান মাখে লোমশ ভুঁড়িতে॥
পারীর সাবান আসে পুষ্পক চড়িয়া
মন্দবুদ্ধি তাহাতেও থাবা মারে গিয়া॥
রামরাজ্যে চুরি নাই, আছে প্রবচন
চক্ষু বুজি রাজা তাই চুলকায় বদন॥

চক্ষু বুজিলে কি চুরি বন্ধ হয়?
হনুমানের বগলে কি গন্ধ হয়?

তখন শ্রীরামচন্দ্রের টনক নড়লো, কমিশন বসলো, তদন্ত শুরু হলো, তারপর চোদ্দ বছর পর তাদের রিপোর্ট বেরোলো। তাতে কী লেখা ছিলো সে অন্য গল্প। তবে উত্তরাধুনিক কবিতার গুঁতো খেয়ে পবননন্দন ঘাবড়ে গেলো, আফটারঅল বানর তো, এই সব উচ্চকোটির কলচর ঠিক বুঝতে পারে না। কিন্তু তাতে ক্ষতি নেই, সে লক্ষ্মণের সাথে জঙ্গলের পুরোনো দোস্তিটা একটু রিনিউ করে নিলো। এরপর অবশ্য দিনদিন লক্ষ্মণ ফুলতে লাগলেন, বোধ হয় ঐ কাটমানি খেয়েই, তবে দুষ্টজনের এইসব রটনায় আমরা কান দেবো না।

এ উত্তরাধুনিক কবিতা-কাম-গল্প লেখার আগ্রহ আসে এই লেখার একটি মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য থেকে।


মন্তব্য

স্নিগ্ধা এর ছবি

মন্তব্য একটা ছিল, কিন্তু সে বড়োই আধুনিক, আপনি বুঝবেন না মন খারাপ

মূলত পাঠক এর ছবি

ঠিকই ধরেছেন, আধুনিক জিনিসটিনিস আমি বুঝি না তেমন, উত্তরাধুনিক হলে ভেবে দেখতাম। হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনার কবিতায় ছন্দ মিল রহিয়াছে, তাহা দেখিয়া বলিতে পারি ইহা একটি উত্তরাধুনিক কবিতা নহে। হনুমানের বগল বিষয়ক একটি কবিতা আমি আরেকটি পোস্টে লিখিয়াছি। আপনি দেখিতে পারেন। আমি হলপ করিয়াই বলিতে পারি সেটি একটি উত্তরাধুনিক কবিতা।

মূলত পাঠক এর ছবি

হলপ করিতে হইবে না, কিন্তু কী উপায়ে সেই কবিতা পাঠ করিব তাহা ভাবিয়া পাইলাম না। আপনি একে অনাম্না, তদুপরি কোন রচনার কথা বলিতেছেন তাহার যোগসূত্রটিও দেন নাই। কাজেই উক্ত মরীচিকাটির সন্ধান কীরূপে করিব বুঝিয়া পাইলাম না।

অতিথি লেখক এর ছবি

পুরাণ পেজগীপুস্টে গিয়া দেখেন ভাইডি।

মূলত পাঠক এর ছবি

দেইখ্যা আইলাম, মজাও পাইলাম। হাসি

তুলিরেখা এর ছবি

"ডিও দ্যান, বেচারারে ডিও দ্যান।"
মানে হনুমানকে ডিওডোরান্ট দিতে বলছে। হাসি

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোনো এক নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

তুলিরেখা এর ছবি

আর মূলত পাঠক, আপনি কি মেইল চেকানো ছেড়ে দিলেন! চিন্তিত
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোনো এক নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

মূলত পাঠক এর ছবি

চেকাই চেকাই তবে আপনার কাজটা এখনো হয় নি তাই লজ্জায় উত্তর দেওয়া হয় না। হাসি

মাহবুবুল হক এর ছবি

চেকানো
-- বাহ্ কী শব্দ। মধুসূদনও লজ্জা পাইতেন। তিনি যৌগিক ক্রিয়াকে একপদে পরিণত করিয়া নতুন ধরনের ক্রিয়া করিয়াছিলেন ( যেমন-স্মরণ করি > স্মরি)। কিন্তু এখন দেখিতেছি বাংলা আর ইংরেজি ক্রিয়াপদও মাখামাখি হইতে পারে। অচিরেই ব্লগ ভাষাতত্ত্ব বা অভিধান নাম দিয়া একখানা বই বাজারে ছাড়িতে হইবে মনে হয়। কাটতিও কম হইবে না। প্রতিভা! প্রতিভা!
--------------------------------------------------------
দেয়ালে দেয়ালে মনের খেয়ালে লিখি কথা
আমি তো বেকার পেয়েছি লেখার স্বাধীনতা

--------------------------------------------------------
দেয়ালে দেয়ালে মনের খেয়ালে/ লিখি কথা ।
আমি যে বেকার, পেয়েছি লেখার/ স্বাধীনতা ।।

মূলত পাঠক এর ছবি

ইহা তেমন নবীন জিনিস নহে, জাপানিরা ও বিহারীরা বহুকাল হইতেই করিয়া আসিতেছে। জাপানি ক্রিয়াপদান্তে অনেক সময়ই -মাস থাকে সুইমাস (পান), বেঙ্কেসিওমাস (কাজ করা বোধ হয়), তেমনি কপিমাস (জেরক্স কপি করা)। আর বিহারীগণ হামেশাই জিজ্ঞাসে, ইতনা টেনশনিয়াতে কঁিউ হো?

কাজেই, জিয়াদা টেনশনাইয়ে মৎ।

খেকশিয়াল এর ছবি

কপিমাস হ হো হো হো, এনিমিগুলিতে দেখা যায়

------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

হিমু এর ছবি

শুধু কি চেকানো? পোস্টানো ব্লগানো স্কাইপানো ফেসবুকানো মেইলানো লিঙ্কানো ...



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

অতিথি লেখক এর ছবি

এ বিষয়ে আমার নিজের একটি উত্তোরাধুনিক কবিতা এখানে পোস্টাইলাম।

হনুমানের বগলে কি গন্ধ হয়?
-- কবি কানা বাবা

হনুমানের বগলে কি গন্ধ হয়?
হয়নি জানা সে কথা।
হয়তোবা হয়, সে সময়তো আর
ছিল না ফরাসি সৌরভ শ্যানেল বা ডিওর,
কিংবা নিদেনপক্ষে মেশকে আম্বর আতর।

হনুমানের বগলে কি গন্ধ হয়?
হয়নি জানা সে কথা।
হয়তোবা হয়, সে সময়তো আর
ছিল না আ্যারোমেটিক ১০০% হালাল সাবান।
ছিল না ইউনিলিভার, আর তাই হলপ করেই
বলা যায় ছিল না রেক্সোনার ডিওডোরেন্টও।

হনুমানের বগলে কি গন্ধ হয়?
হয়তোবা হয়, হয়তোবা হয় না।
প্রিয়ার বাহুমূল কিংবা হনুমানের বগল
কোনটিই শুকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি।
কত কিছুই না আমাদের রয়ে যায় অজানা
এক জীবনে!

কানা বাবা

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

বাহ, দিব্যি পুরাণের মচ্ছব চলছে দেখছি !!
পাঠুদা, এক কাম করেন। একখানি শিশুতোষ সপ্তকান্ড রামায়ণ এইরাম পোস্ট মর্ডান গপ্পো আকারে লিখ্যা দেন। ... মনে রাখতে সুবিধা অয়।

---------------------------------------------------------------------------

মধ্যরাতের কী-বোর্ড চালক

মূলত পাঠক এর ছবি

শিশুতোষে সুহানের কী কাম? সে কি নিজেরে এখনো শিশু মনে ভাবে, নাকি কোথাও লটঘট বাঁধিয়ে বসে আছে এবং একটি শিশু ইজ অন দ্য ওয়ে?

কোন একজন এর ছবি

রামায়ন লইয়া ভানু বন্দ্যপাধ্যায়ের একখান উত্তরাধুনিক জোক আছে - "নব রামায়ণ"। শুইনা দেখতে পারেন।

মূলত পাঠক এর ছবি

শুনেছি সেটা, তুমুল হাসির জিনিস একপিস। থার্মোমিটার কীভাবে আবিষ্কৃত হলো সেটা ওখান থেকেই জেনেছি, এবং হেসে অস্থিরও হয়েছি।

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

পাঠুদা, আমি তো অনাগত শিশুর কথা ভেবেই বলেছিলুম- ধারণা ছিলো আপনার লিখতে নিদেন পক্ষে বছর দশেক লাগবেই...। তা আপনি যে নয় মাসের মাঝেই লেখা শেষ করে দিতে চাইছেন, সেটা আমি বুঝবো কী করে?? দেঁতো হাসি

---------------------------------------------------------------------------

মধ্যরাতের কী-বোর্ড চালক

মূলত পাঠক এর ছবি

আরে মিয়া লাগলে নয় মাসের আগেই নামায়া ফালামু, দশ বচ্ছর পরের কথা কেডা জানে! কী লাগবো, কবে লাগবো কইলেই মাল ডেলিভারি, আমি হইলাম গিয়া কামলা খাটা ল্যাখক, আর রামায়ণের গল্ফ কি আর নয়া নামামু, ঝাইড়া দিমু সিধা!

মাহবুবুল হক এর ছবি

মূলত পাঠক এবং খেকশিয়াল দুজন্ই পুরাণ বিষয়ে যে দক্ষতার প্রমাণ রাখিয়াছেন তাহাতে দুজনকে শা'সিমেন্ট রাজমিস্ত্রী পুরস্কার দিতেই হইবে বলিয়া দাবি করিতেছি। কারণ দেশে নির্মাণ শ্রমিকদেরকে আকাশের তারা বানানোর একমাত্র প্রজেক্ট এইটা আর এই দুইজনতো নির্মাণকে ভাঙিয়া বিনির্মাণের পথও প্রশস্ত করিয়াছেন। ভাবিতেছি ডিজিটাল প্রপঞ্চকে ভাষারূপ দিতে ইহা একটা ভালো কায়দা হইতে পারে।
--------------------------------------------------------
দেয়ালে দেয়ালে মনের খেয়ালে লিখি কথা
আমি তো বেকার পেয়েছি লেখার স্বাধীনতা

--------------------------------------------------------
দেয়ালে দেয়ালে মনের খেয়ালে/ লিখি কথা ।
আমি যে বেকার, পেয়েছি লেখার/ স্বাধীনতা ।।

মূলত পাঠক এর ছবি

এই শিরোপা শির পাতিয়া গ্রহন করিলাম।

মাহবুবুল হক এর ছবি

পুরস্কার প্রাপ্তি উপলক্ষে কোন প্রকার তোরণ-সংবর্ধনা আশা করিবেন না।
--------------------------------------------------------
দেয়ালে দেয়ালে মনের খেয়ালে লিখি কথা
আমি তো বেকার পেয়েছি লেখার স্বাধীনতা

--------------------------------------------------------
দেয়ালে দেয়ালে মনের খেয়ালে/ লিখি কথা ।
আমি যে বেকার, পেয়েছি লেখার/ স্বাধীনতা ।।

মূলত পাঠক এর ছবি

পুরস্কারটা যখন রাজমিস্ত্রীর, তখন তোরণ লাগলে নিজেকেই বানাতে হবে সেইটে বুঝেছি। কাজেই নো আশা।

খেকশিয়াল এর ছবি

ওরে! হো হো হো

------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

অনীক আন্দালিব এর ছবি

ছুডুকালের কথা মনে পড়ে গেলু।

ছোটবেলায় রামায়ণ পড়ে যারপরনাই রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। কি দারুণ ড্রামা, কি অ্যাকশন, শেষে গিয়ে টান টান সাসপেন্স। আমার মনে হয় কল্পনাশক্তির সৌকুমার্য অক্ষত থাকতে থাকতে সব কিশোরবয়সীদের পুরাণ, মীথ পড়ে ফেলা উচিত। নিদেনপক্ষে উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর অনুবাদ হলেও।

তবে রামায়ণের পরের কাহিনী (সীতার অগ্নিপরীক্ষা এবং ইত্যাদি) অনেক পরে জেনেছি। আপনি আজকে তারও পরের কাহিনী জানিয়ে দিলেন। বড়ো উপকার করলেন হে! চোখ টিপি

মূলত পাঠক এর ছবি

অনেক মহান সাহিত্যের মতোই রামায়ণও নানা রূপে ধরা দেয়, তাই ছোটোবেলায় যেমন রোমাঞ্চিত হই, বড়ো হয়েও তেমনি অনেক নতুন ছবি দেখতে পাই যা আজকের সমাজের সাপেক্ষেও অপ্রাসঙ্গিক নয়। তাই যে বয়সেই পড়ুন, এর আবেদন ফুরোয় না বলেই আমার মনে হয়। তবে তীরধনুকের যুদ্ধটুদ্ধ পড়ে ছোটোবেলায় যে মজা পেয়েছিলাম এখন তেমনটি পেতাম না, কাজেই আপনার কথাটা ঠিকই।

মূলত পাঠক এর ছবি

ধন্যবাদ ধূগো হাসি

শ্যাজা এর ছবি
মূলত পাঠক এর ছবি

কোন রকম? হাসি

থাংকু।

খেকশিয়াল এর ছবি

হো হো হো

------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

মূলত পাঠক এর ছবি

থাংকু ফক্সিয়ালভাই। হাসি

হিমু এর ছবি
মূলত পাঠক এর ছবি

আরো চাই নাকি? বলে ফেলেন, চাইলে পৌরাণিক চরিত্রের নাম বলেন, তাদেরও পচাই।

যুধিষ্ঠির এর ছবি

মহাভারতের কোন নাম নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া চলবে না, আগেই বলে রাখলাম।

খেকশিয়াল এর ছবি

হিহি পাইসি .. যুধিষ্ঠির..

------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

মূলত পাঠক এর ছবি

কী মুশকিল, আমি তো ধর্ম্মপুত্রকে নিয়ে লেখার কথা ভাবছিলাম, সেটা ঘোর অধর্ম্ম হয়ে যাবে বলছেন?

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

পাণ্ডবদের চরিত্রে কালিমা লেপনের অপচেষ্টা জাতি বরদাশত করবেনা। প্রয়োজনে এই ব্যাপারে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

মূলত পাঠক এর ছবি

একেই বলে মনে পাপ! আমি যে পাণ্ডবদের চরিত্রে লালিমা লেপন করবো না সেটা আমি জানলেন ক্যাম্নে?

হিমু এর ছবি

অম্বা, অম্বিকা, অম্বালিকা, ব্যাসদেব ...



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

মূলত পাঠক এর ছবি

আরে এরা তো রসের ভাঁড়ার, ছলকে ছলকে পড়বে। আমি আরো ভাবছিলাম আপনি আনকমন কিছু বলবেন, আমি তো রুরু প্রমদ্বরার গল্পটা ভাবছিলাম। ওতে রস কম, তাই তারান্তিনো স্টাইলে অলটারনেট হিস্ট্রি বানাতে হবে।

সুধীর এর ছবি

সচলায়তন কি আজকাল বগলায়তন হয়ে উত্তর -আধুনিক হওয়ার চেষ্টা করছে ?

সুমন চৌধুরী এর ছবি

আপনি কী বলতে চাইলেন সেটা কি বোঝা গেলো?



অজ্ঞাতবাস

সবজান্তা এর ছবি

উনি কি আসলেই বোঝাতে চেয়েছেন ? দেঁতো হাসি


অলমিতি বিস্তারেণ

মূলত পাঠক এর ছবি

আরে এই সব লঘুপ্রাণ জিনিসে অতো বোঝাবুঝির কিছু নেই। মজা পেলেই আমি আমার পাওনাগণ্ডা পেয়ে গেলাম। সবাই মজা পাচ্ছেন তো? হাসি

হিমু এর ছবি

সুধীর্ভাই, মজা পেলুম। এক্টা লেখা দ্যান্না বস দেঁতো হাসি ... আর কতো গ্যালারির গলিয়াথ হয়ে পল গুজরান করবেন?



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

শিব ঠাকুর এর ছবি

তিষ্ট, তিষ্ট। গ্যালারির গড়িনাথকে শিব ঠাকুরের বড়ই চেনা মনে হইতেছে। কখনো বজলুর রহমান, কখনো ফজলুল কাদের কখনোবা সুধীর। ইহারা কেবল গ্যালারি হইতেই ইস্টক পাস্টক নিক্ষেপ করেন, আর কেহ চাঁদমুখটিকে আলোতে আনিলেই খিরকী দিয়া বহির্গত হন। শুধু তাহাই নহে ... একজন বাঁটে পড়িলে অন্যজন উহাকে উদ্ধার করিতে আসীন হন। এই যে দেখুন ডকটর বজলুর রহমান যখন জাফর ইকবাল লইয়া তথ্য দিতে গিয়া গড়বড় করিয়ে ফেলিলেন, সুধীর আসিলেন ত্রাতার ভুমিকায়। এই পোস্টে দেখুন, সুধীর ক্যামোনে বজলাকে উদ্ধার করিতে আসিয়াছে। এই ধরণের জিনিস আরো সার্চ দিলেই পাইবেন... তিস্ট তিস্ট...

দেখি পার্বতীটা গেল কোথায়। ইদানিং আবার ইন্দ্র ঘন ঘন বাটিতে আনাগোনা করিতেছে। বড়ই অমঙ্গলের চিহ্ন। ঘোর কলিকাল ...

মূলত পাঠক এর ছবি

দেখলাম আপনার দেওয়া লিঙ্ক, তাতে সুধীরের মন্তব্য এমন কিছু নয় যার জন্য তাঁকে এই সব বিশেষণে ভূষিত করতে হবে। এ কথা সত্যি তিনি পাঠক হিসেবেই থাকেন, লিখে থাকলেও আমি কখনো দেখি নি, কিন্তু সক্কলকে লিখতেই হবে এমন শর্ত পেলেন কোথায়। আমার ভুল হলে শুধরে দিন, কিন্তু যদ্দূর মনে পড়ে সচলের পাতায় আপনার ভূমিকাও কিছুমাত্র ভিন্ন নয়। তো ঐ সব বিশেষণগুলো কি আপনি নিজের জন্যও রাখলেন?

অকারণ কোন্দল সৃষ্টি করার চেষ্টা করে এরপর কিছু অর্থহীন রসিকতা করলেন যার সুদূর সংযোগ আপনার নিকের সাথে থাকলেও আর কোনো প্রাসঙ্গিকতা নেই। এ জাতীয় রুচিহীনতার প্রয়োজন দেখি না। আমার অভিজ্ঞতা বলে, এই সব ব্যক্তিগত ঝগড়াঝাঁটি সচলে উৎসাহ দেওয়া হয় না, কোথাওই দেওয়া উচিত নয়। কাজেই থামুন। লেখার প্রসঙ্গে কিছু বলার থাকলে বলুন, নইলে নীরবতাই কাম্য।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

শিব ঠাকুর এত পুরানো ঘটনা মনে রাখিল কী করিয়া চিন্তিত

মূলত পাঠক এর ছবি

ছেড়ে দেন পিপি সাহেব, এ সব জিনিস নিয়ে ঘাঁটালে কিছু লাভ নেই। তার চেয়ে বলেন আপনি কার গল্প শুনতে চান।

সবজান্তা এর ছবি

আমি নাম সাজেস্ট করলাম। বিদুর।


অলমিতি বিস্তারেণ

মূলত পাঠক এর ছবি

সবাই তো মহাভারতের কথা বলছেন, ওদিকে যুধিসাহেব কী বলেছেন দেখুন উপরে।

সবজান্তা এর ছবি

উনাদের নামগুলোকে রেয়াত করলাম, তবে বিদুরকে ছাড়ছি না দেঁতো হাসি


অলমিতি বিস্তারেণ

আহির ভৈরব এর ছবি

যুধিষ্ঠিরকে খুশি রেখে আপনি মন্থরাকে নিয়ে লেখেন। অথবা কৌসল্যা (কৌষল্যা/কৌশল্যা?)? আর হনুমানের হিংসুটে ভাইয়ের যেন কি নাম ছিলো?

রামায়ণের অনেকটাই ভুলে গেছি, প্রথম থেকে শুরু করুন না, ছবি সহ একটা সিরিজ হয়ে যাক। রামায়ণ উইথ আ মুলো টুইস্ট।
-----------------------------------------------------
আর কিছু না চাই
যেন আকাশখানা পাই
আর পালিয়ে যাবার মাঠ।

-----------------------------------------------------
আর কিছু না চাই
যেন আকাশখানা পাই
আর পালিয়ে যাবার মাঠ।

তুলিরেখা এর ছবি

হনুমানের কোনো ভাই ছিলো কি?
বালী আর সুগ্রীব দুই ভাই ছিলো। এরা তো কিষ্কিন্ধ্যার লোক! হনুমানের ভাই তো এরা না।
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোনো এক নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

আহির ভৈরব এর ছবি

বালী আর সুগ্রীব! এদের কথাই তো ভাবছিলাম, সুধরে দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ তুলিরেখা। এরা হনুমানের ভাই ছিলো না? একেবারেই গুবলেট পাকিয়ে ফেলেছি তাহলে। লইজ্জা লাগে

আর কৌস/শ/ষ ল্যার কোন বানানটা ঠিক?

-----------------------------------------------------
আর কিছু না চাই
যেন আকাশখানা পাই
আর পালিয়ে যাবার মাঠ।

-----------------------------------------------------
আর কিছু না চাই
যেন আকাশখানা পাই
আর পালিয়ে যাবার মাঠ।

মূলত পাঠক এর ছবি

বানানটা হবে কৌশল্যা, কুশল দেশের কন্যা। আপনার 'সুধরে'টাকেও শোধরানো দরকার, শোধন থেকে এসেছে কি না। হাসি

আপনার পরামর্শ মাথায় থাকলো, ভালো আইডিয়া দিয়েছেন, সময়সুযোগ মতো লেখা যাবে।

আহির ভৈরব এর ছবি

লইজ্জা লাগে লইজ্জা লাগে শোধনের জন্য অনেক ধন্যবাদ!
-----------------------------------------------------
আর কিছু না চাই
যেন আকাশখানা পাই
আর পালিয়ে যাবার মাঠ।

-----------------------------------------------------
আর কিছু না চাই
যেন আকাশখানা পাই
আর পালিয়ে যাবার মাঠ।

রেনেসাঁ [অতিথি] এর ছবি

বলিবার ভাষা নাই..............

মূলত পাঠক এর ছবি

আহা সে কী, বলে ফেলেনই না যা বলতে চান, ভাষার অভাব একটা কারণ হলো?

সবজান্তা এর ছবি

যদিও মহাগুরু পরশুরাম দারুণ লিখে গিয়েছেন, তবু জাবালিকে নিয়েও লিখতে পারেন। অধিকন্তু ন দোষায়।


অলমিতি বিস্তারেণ

মূলত পাঠক এর ছবি

দোষায় দোষায়, কারণ জাবালির উপর আর কিছু লেখার নেই। পরশুরাম অবশ্য হনুমানের স্বপ্নও লিখেছেন, তবে এই লেখা তার থেকে অনেক দূরে ছিলো বলেই লেখার সাহস পেয়েছিলাম।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

হো হো হো

মামুন হক এর ছবি

কেন জানি এই লেখাটি পড়া শুরু করেও শেষ হয়নি। এখন টের পেলাম কী জিনিষ মিস্কর্তেযাচ্ছিলাম। দারুন রসিয়ে লিখেছো, দুর্দান্ত !
তবে তোমার কমিক্সগুলো এখনও ভুলতে পারিনা, বলো কী খাওয়ালে আবার একটা সিরিজ নামাবে? হাসি

মূলত পাঠক এর ছবি

হুমমমমম!

মোচাঘন্ট, এঁচোড়ের ডালনা, মুর্গ মসল্লম, লক্ষ্ণৌভি বিরিয়ানি, পালক গোস্ত, ফিশ তন্দুরী, সর্ষে ইলিশ, কই মাছের হরগৌরী, তপশে ফ্রাই, চিংড়ির মালাইকারি, চিকেন আলাকিয়েভ, আমসত্ত্বের চাটনি, পয়োধি, শক্তিগড়ের ল্যাংচা, দ্বারিকের সন্দেশ, নবদ্বীপের মিষ্টি দই, গিরীশ পার্কের মিষ্টি পান।

পাঠিয়ে দাও। হাসি

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

লেখায়

বিভীষনের বাটপারী নিয়ে লিখতে পারেন। এঁর জাত-গোত তো দেশে-দেশে সবকালেই বিদ্যমান।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

মূলত পাঠক এর ছবি

হা হা, মনে রাখবো। বাম হাতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ!

অভিজিৎ এর ছবি

হনুমানের কোনো ভাই ছিলো কি? --তুলিরেখা

ছিলো মনে হয়। ভীম। দুজনেই বায়ুপুত্র বলে জানি। হনুমান অগ্রজ, ভীম অনুজ। হনুমান ছিলেন কেশরী বানরের ক্ষেত্রজ এবং অঞ্জনার সন্তান। কথিত আছে, একদিন অঞ্জনার রূপে মুগ্ধ হয়ে বায়ু তাকে আলিঙ্গন করেন। বায়ু তাকে তিরষ্কার করলে বায়ু বলেন তিনি অঞ্জনার সাথে মনে মনেই মিলিত হয়েছেন, এর ফলে তার পরাক্রমশালী ও বায়ুর মত বেগবান পুত্র হবে... সেইটাই হনুমান।

আর অন্যদিকে ভীম ছিলেন পান্ডুর ক্ষেত্রজ দ্বিতীয় পুত্র, এবং মধ্যম পান্ডব নামে খ্যাত। ধর্মপ্রাণ যুধিষ্ঠিরকে লাভ করার পর পান্ডু কুন্তীকে এক বলবান পুত্র প্রার্থনা করতে বলেন। তখন বায়ুকে আহবান করে কুন্তী তার কাছে এক মহাকায় বলবান পুত্র প্রার্থনা করেন ...সেটাই ভীম।

কাজেই হনুমান ভীমের বৈমাত্রেয় ভাই।

ভীমের সাথে একবার হনুমানের দেখাও হয়েছিলো। মনে আছে গল্পটা?



পান্ডুলিপি পোড়ে না। -- বুলগাকভ (মাস্টার এন্ড মার্গেরিটা)


পান্ডুলিপি পোড়ে না। -- বুলগাকভ (মাস্টার এন্ড মার্গেরিটা)

মাহবুব লীলেন এর ছবি

ভীমের সাথে একবার হনুমানের দেখাও হয়েছিলো। মনে আছে গল্পটা?


দ্রৌপদীর জন্য পানি আনতে যেয়ে রাস্তায় শুয়ে থাকা বেয়াদব হনুমান পথ ছাড়ে না দেখে লেজে ধরে ভীম ওরে ছুঁড়ে মারতে গিয়ে দেখে লেজই তুলতে পারে না...

ঠিকাছে স্যার?

অভিজিৎ এর ছবি

লীলেন গুরু যখন লিখছে ঠিক না থাইকা যাইবো কই।
তয় দ্রৌপদীর লাগি পানি না, পদ্ম ছিলো মনে হৈতাছে... ভুইলাও গেছি সব ছাই পাশ হাসি



পান্ডুলিপি পোড়ে না। -- বুলগাকভ (মাস্টার এন্ড মার্গেরিটা)


পান্ডুলিপি পোড়ে না। -- বুলগাকভ (মাস্টার এন্ড মার্গেরিটা)

তুলিরেখা এর ছবি

ঠিক। ভীম আর হনুমান দুজনেই পবনপুত্র! দুজনের চরিত্রেও মিল আছে। সরল সোজা দিলখোলা আর খুব কেয়ারিং। মনে আছে বিরাট রাজ্যে ছদ্মবেশে থাকার সময় দ্রৌপদীর খোঁজখবর একমাত্র ভীমই রাখতো, অন্য চার পান্ডব রাখতো না? ভীম শুধু খবরই রাখতো না, কোনো ঝামেলা বাঁধলে নিজের চেষ্টায় দ্রৌপদীকে রক্ষাও করতো।
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোনো এক নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

মাহবুব লীলেন এর ছবি

আমার জন্মস্থান এবং শৈশব এলাকাটা পুরোটাই ছিল হনুমান বসতি
আমরা বলতাম হনুমানের ইংরেজি হলো হনুম্যান আর আরেকটু বড়ো হয়ে আরো কিছু বাংলা শব্দ শিখে দেখি হনুমন্যানের বাংলা করলে দাঁড়ায় হলাম মানুষ কিংবা মানুষ হলাম (কোত্থেকে মানুষ হলাম সেটা বন্যা অভিজিৎ রায়হান আবীর বলতে পারবে)

কিন্তু বেখেয়ালি সমীকরণটা বেশ অদ্ভুত না?
হনুমান>হনুম্যান>মানুষ হলাম?

০২

হনুম্যান নিয়ে আমার একটা লেখা এখানে
আরেক্টা কাহিনী আছে
লিখব চিন্তাচ্ছি

মূলত পাঠক এর ছবি

লিখ্যা ফালান, দের কিস বাত কি? আর হনুমান যে সুপারম্যান ব্যাটম্যান সবার ঠাকুর্দা সে কথা একদম ঠিক।

দময়ন্তী এর ছবি

লেখা এক্কেবারে "মূলোছাপ"

এরপরে যুধিষ্টির ও দ্রৌপদীকে নিয়ে লিখুন৷
----------------------------------------------
-------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

যুধিষ্ঠির এর ছবি

অ্যাঁ! আপনে কি আমার সংসারে আগুন লাগাইতে চান?

মূলত পাঠক এর ছবি

হাসি

দময়ন্তী এর ছবি

অ্যাঁ! সেকী! আপনার আলমারিতে কঙ্কাল খটখটায় নাকি? আমি তো সেইইইইইইইইই বুড়ো যুধিষ্ঠিরের কথা বলছিলাম৷ আপনি বিচলিত হন কেন? খাইছে
-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

মূলত পাঠক এর ছবি

'মূলোছাপ'টা কপিরাইট করে ফেলতে হবে বলছেন? হাসি
থাংকু।

যুধিষ্ঠিরকে নিয়ে লিখতেই হবে দেখছি, পাবলিক ডিমান্ডে, তা আমাদের যুধিভাই যাই বলুন। হাসি

দময়ন্তী এর ছবি

হ্যাঁ হ্যাঁ কপিরাইট করে ফেলুন৷ বেশ পুরুষ্টু দেখে একজোড়া মূলো৷ দেঁতো হাসি
-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

আমি বিভীষনকে নিয়ে লিখতে বললাম তা ভালো লাগলোনা! লোকজন পাণ্ডবদের পিছনে লাগলো কেন? এত এত পুরাণ আর বিশাল রামায়ন থাকতে খালি মহাভারতের দিকে চোখ ক্যান?



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

অতিথি লেখক এর ছবি

যে লাউ সে কদু...
হয় আমরা অতীতে চলে গেছি নয়ত অতীত আধুনিক ছিল..

(জয়িতা)

অতিথি লেখক এর ছবি

সাধু সাধু...!

---থাবা বাবা!

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।