বৃশ্চিকেরা...

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা পারভীন শিমুল (তারিখ: শুক্র, ২৪/০২/২০১২ - ৮:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই বছর আমার বাচ্চাকাচ্চা চল্লিশটা। বছর ভালো যাবে না মন্দ যাবে, এটা অনেকাংশেই নির্ভর করে এদের কর্মকাণ্ডের ওপর। যদি এরা হয় লক্ষীসোনা টাইপ, তাহলে তো স্বস্তির নিশ্বাস, আর যদি হয় বাচ্চা ভয়ংকর, কাচ্চা ভয়ংকর, তো সারা বছর ফাইল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে করতে জান শেষ। আমার ক্লাসে অবশ্য সব টাইপই আছে। বাচ্চারা তুলনামূলকভাবে ফরম টিচারের কাছে সুবোধ হয়ে থাকে। অন্য ক্লাসগুলোতে গেলে বোঝা যায় এদের আসল রঙ। তবে ভালো হোক বা মন্দ, প্রত্যেকটা ক্লাসেই এদের একতা চোখে পড়ার মতো। টিচারকে যন্ত্রণা দেয়া হোক, বা কোন সহপাঠীর কুকর্ম ধামাচাপা দেয়া, সব কাজেই এরা একজোট। এদের যন্ত্রণা দেয়ার ধরনও বিচিত্র।

দুই তিন বছর আগের একটা পদ্ধতি ছিলো ভাইব্রেশন। 
টিচার যখন বোর্ডে লিখতে থাকে, পেছন থেকে সম্মিলিত আওয়াজ আসতে থাকে। হুমমমম বা ভুমমমম জাতীয় একটা শব্দ। পুরো ক্লাস গুমগুম করতে থাকবে। কিন্তু কারো মুখ নড়বে না। কাজেই বড় ক্লাসগুলোতে ফরটি ফাইভ ডিগ্রী অ্যাংগেল রেখে বোর্ডে লিখলেও খুব বেশি লাভ হয় না। বোর্ড থেকে ওদের দিকে ফেরামাত্রই শব্দ বন্ধ। জটিল অবস্থা। কে করেছে, এই প্রশ্নের কোনো উত্তর থাকে না কোনোকালেই।
একদিন। ক্লাসে গেলাম। ক্লাস নাইন। কিছু লেকচার দিয়ে একটা ক্লোজ টেস্ট করতে দিচ্ছি। বোর্ডে লিখতে শুরু করতে সেই শব্দ। ওদের ছোটখাটো ফাইজলামি আমার খুব একটা খারাপ লাগে না। ওদের ক্রিয়েটিভিটিতে মুগ্ধ হই মাঝেমাঝে। শব্দ হচ্ছে, আমার বেশ মজা লাগতে থাকে। এটার কথা অন্য টিচারদের থেকে শুনেছি শুধু, অভিজ্ঞতা এই প্রথম। ওদের দিকে ঘুরলাম, কোথাও কোনো শব্দ নেই। একটু আগে শব্দ হলো, তার রেশটাও নেই। আমার মুখে হাসি। আবার লিখি, আবার শব্দ। ওদের দিকে না ফিরে লিখতে লিখতেই বলি, "এটাই কি তোমাদের সর্বোচ্চ ভলিউম, নাকি আরো জোরে করতে পারো?" আমার গলায় নিখাদ কৌতূহল দেখেই বোধহয় এক বদ উৎসাহ নিয়ে বলে, "আরো জোরে করা যায়, ম্যাম।" ওদের দিকে ফিরে বলি, "দেখি কতো জোরে পারো..।" ওরা এবার ফুল ভলিউমে ভাইব্রেশন শোনায়। ওদের চোখেমুখে আনন্দ। বলি, "আর ভলিউম একেবারে লো করলে কেমন হয়?" সেটাও দেখায় ওরা। "এটাকেই তাহলে ভাইব্রেশন বলো তোমরা?" খুশিমাখা স্বর ওদের। "জ্বি ম্যাম।" সবসময় না, তবে যখন ওদের লিখতে ইচ্ছে করে না, তখন ওরা এইরকম করে। এই বিষয়ক আরো কিছু কথা মন খুলে বলে ফেলে ওরা। কয়েক মিনিট যায়। বলি, "এবার ক্লাসওয়ার্কটা করার আগে আরেকবার সর্বোচ্চ ভলিউম, ওকে?" ওদের আর পায় কে! "এখন কাজ...?" ওরা আর আপত্তি করে না। হাসিমুখে লিখতে থাকে।

আরেক ধরনের যন্ত্রণা আসলেই যন্ত্রণা লাগে। বোর্ডে লিখতে গেলে এরা মেঝেতে পা ঘষতে থাকে। বিচ্ছিরি শব্দ। শরীরের ভেতর কেমন শিরশির করতে থাকে। এই শব্দ জঘন্য লাগে। এটা ঠেকাতে বোর্ড বাদ দিয়ে ডিকটেশন দিয়ে ক্লাসওয়ার্ক করানোটা বেশ কাজে দেয়। স্কুলবাসে ওঠার সময় এটা আমাকে কান বন্ধ করে সহ্য করতে হয়। বাসে ওঠার সময়, হাঁটার সময় অতো পা ঘষার কী আছে কে জানে।

গত বছর। ক্লাস টেনে টিউটোরিয়াল পরীক্ষার খাতা দেখাচ্ছি। একটা ছেলের লেখায় মুগ্ধ হয়ে ওর খাতায় একটা স্মাইলি এঁকে দিয়েছি। সেই খাতা নিয়ে এসে আরেক স্টুডেন্ট দেখিয়ে বলে, তার খাতাতেও ওরকম একটা এঁকে দিতে হবে। ক্লাস ওয়ান-টুয়ের ছাত্রদের মতো বায়না। ধমকধামক দিয়ে ওকে জায়গায় পাঠিয়ে দেই। বন্ধুদের কাছে ফিরে গিয়ে ও বলে, "ম্যাম বলছে, পরে এঁকে দেবে।" আর কারো খাতায় কোনো প্রবলেম থাকলো কি না ঘুরে ঘুরে দেখতে থাকি। আরেক স্টুডেন্ট দাঁড়ালো। "ম্যাম একটা কথা বলি?" মাথা ঝাঁকাই। ও একটু করে দূরে সরতে থাকে আর স্মাইলি এঁকে চাওয়া ছেলেটাকে দেখিয়ে বলতে থাকে, "ম্যাম, ওর সাথে বেশি কথা বইলেন না প্লিজ, আমার কষ্ট লাগে।" ভেতরের প্রচণ্ড হাসি চাপা দিয়ে ওকে হালকা ধমক দিয়ে সরে আসি। এগুলোকে বোধহয় মধুর যন্ত্রণা বলা যায়। তবে এইসব ক্ষেত্রে ভুল করে মাঝেমাঝে হেসে ফেললেও পরে অতি নির্লিপ্ততা দিয়ে ভারসাম্য আনাটা জরুরি হয়ে পড়ে।

ক্লাস টেনে, ওদেরকে স্নো হোয়াইট পড়াতে গেলে একটা ব্যাপার প্রায়ই ঘটে। প্রতিবছর না হলেও বিভিন্ন বছরে এটা দেখেছি। যখন বলি, "স্নো হোয়াইটের জন্ম দিয়ে ওর মা মারা গেলো।" অনেকগুলো বদ একসাথে বলে ওঠে, "ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন।" একসাথে অতো পরিমাণ স্টুডেন্ট কীভাবে একই কথা বলে ওঠে, এটা আমার কাছে একটা বিরাট রহস্য। আবার "এক বছর পরেই স্নো হোয়াইটের বাবা বিয়ে করলো।" এটা বলার সাথে সাথে "লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা" বা "আস্তাগফিরুল্লাহ" বলতে থাকে। এটা অবশ্য আগের মতো একস্বরে হয় না তেমন। আবার প্রিন্স যখন সাত বামনদের বলে, কফিনটা সে নিয়ে যেতে চায়, কারণ স্নো হোয়াইটকে ছাড়া তো সে বাঁচবে না, ওদের আহা-উহু শুনতেও আমার বেশ লাগে।

মাঝখানে স্কুলে মেয়েঘটিত বেশ কয়েকটা বড়োসড়ো মারামারি হয়ে গেলো। স্কুল থেকে টিসি দিয়ে দিতে হলো কয়েকটাকে। বেশিরভাগই কমার্সের। এই ব্যাপারে ওদের সাথে কথা বলতে গিয়ে বললাম, "তোমাদের এই বয়সে ভালো লাগাটা খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। বুঝলাম। ভালোবাসাটাও। কিন্তু এগুলো নিয়ে এইরকম তুলকালাম কাণ্ড করতে হবে কেন এখনই? এটা কি সেই সময়? স্কুলটা পার হও না বাবা। সামনে তো অনেক সুযোগ পাবে, অনেক সময়।" একজন বলে, "ততোদিনে তো কেউ আর ফাঁকা থাকবে না ম্যাম। সবাই বুকড হয়ে যাবে।" সহজ গলায় এতো বড়ো যুক্তি শুনে হাসবো না কাঁদবো ঠিক বুঝে উঠতে পারি না।

আরেকটা স্টুডেন্টের কথা না বললেই নয়। অতি বিচিত্র তার কর্মকাণ্ড। সাইজে একেবারেই ছোটোখাটো এবং বেশ লিকলিকে। পুরো স্কুল তটস্থ করে রাথার জন্য ও একাই যথেষ্ট। ভাগ্যিস, সে রেগুলার স্কুলে আসে না। চেয়ার টেবিল, জানালার কাচ ভাঙা থেকে শুরু করে মারামারি, হেন বদমাইশি নেই যে সে করেনি বা করতে পারে না। তবু্ও ওকে আমার ভালো লাগে। ভালো লাগার একটা কারণ, ওর সেন্স অফ হিউমার। ক্লাসেও প্রশ্ন করলে অদ্ভুত অদ্ভুত সব উত্তর দেয়। হাসি চেপে রাখা মুশকিল। টিফিনে স্কুলের বারান্দায় হেঁটে যাবার সময় শুনলাম, ওকে ডেকে এক ছেলে বলছে, "তুমি এতো শর্ট কেন ভাইয়া?"  বিন্দুমাত্র বিব্রত না হয়ে ওর ত্বরিত জবাব, "আমার বাপে ডেট এক্সপায়ার হওয়া কমপ্ল্যান খাওয়াইছিল, ভাইয়া, সেইজন্য এই অবস্থা।" হাসিমুখে ওর দিকে তাকাতে জিভে কামড় দিয়ে দৌড় লাগালো ও।

এইসব নিয়েই আমাদের দিন কাটে...


মন্তব্য

সৃষ্টিছাড়া এর ছবি

ভালো লাগলো ...হাসি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

থ্যাংকিউ। হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

তাসনীম এর ছবি

চমৎকার লাগলো। আপনার দিনতো দারুণ কাটে। আর আমাকে উঠবস করতে হয় মোটা মোটা মাঝবয়েসি লোকদের সাথে (আমিও নিজেও তাদের অন্তর্গত)।

হুমমমম বা ভুমমমম জাতীয় একটা শব্দ। পুরো ক্লাস গুমগুম করতে থাকবে।

এই জিনিস আমরা বুয়েটের সেকেন্ড ইয়ারে উঠেও করেছি। স্কুলের স্যারেরা শুনলে ধমক দিতেন, বুয়েটের স্যারেরা দেখলাম এক্সপেল করার হুমকি দেন।

"ততোদিনে তো কেউ আর ফাঁকা থাকবে না ম্যাম। সবাই বুকড হয়ে যাবে।"

বাচ্চাদের চেয়ে বড় সত্যবাদী আমি আর পাইনি জীবনে।

অনেকগুলো বদ একসাথে বলে ওঠে, "ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন।" একসাথে অতো পরিমাণ স্টুডেন্ট কীভাবে একই কথা বলে ওঠে, এটা আমার কাছে একটা বিরাট রহস্য।

এইগুলো কি ছেলে স্টুডেন্ট? সম্ভবত ওরা আমারই বাল্যবন্ধু। স্কুলের মজাই আলাদা। আমার বন্ধু অঞ্জনকে স্যার একবার সময় দেখতে বলেছিলেন। দেখে-টেখে অঞ্জন জবাব দিল - দুইটা পচাত্তর বাজে। স্যারের জ্বলন্ত দৃষ্টির সামনে সে ব্যাখা করে - এর মানে হচ্ছে তিনটা পনের, ব্যাসবাক্য করে বললাম। অঞ্জন এখন দাঁড়ি-টাড়ি রেখে বিরাট হুজুর, মেয়েদের সামনে যায় না। আমার সাথে অনেক বন্ধুর দেখাও হয় না, আর দেখা হলেও সেই দুষ্টু ছেলেগুলোকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। মনে হয় ওরা আপনার স্কুলে ভর্তি হয়েছে।

আলস্য ঝেড়ে লিখতে থাকুন আমার বন্ধুদের নিয়ে।

ওয়েলকাম ব্যাক।

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

বদগুলোর বেশিরভাগই ছেলে স্টুডেন্ট।
আপনিও তো বদ কম ছিলেন না দেখি তাসনীম ভাই! খাইছে
থ্যাংকস।

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

উচ্ছলা এর ছবি

পাঁচ তারা ! পাঁচ তারা !

চলুক চলুক

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

আপনার নামটা আপনাকে ভীষণ মানায়, উচ্ছলা। আপনার লেখায় এবং কমেন্টগুলোতে ঝর্ণার মতো কলকল ছলছল একটা ব্যাপার আছে। ভালো লাগে। হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

রিসালাত বারী এর ছবি

ফাঁকিবাজের তালিকাটা আসলেই কাজের জিনিস! খাইছে একের পর এক পুরাতন লেখকের ঘুম ভাঙ্গা দেখে খুশি খুশি লাগছে। লেখা ভালো লেগেছে।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

এইভাবে পাবলিকের সামনে শরম দিয়েন না, ভাইজান। খাইছে

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

guesr_writer rajkonya এর ছবি

আরে আপনার অভিজ্ঞতা দেখি আমারই মত! সেদিন নাইনের এক ছেলেকে ডিটেক্ট করতে পারলাম। যদিও সবাই অমন শব্দ করছিল। তারপরে ওকে দিয়ে কিছু পজিটিভ কথা লিখিয়ে নিলাম আমার খাতায় ,'' আমি ক্লাসে শৃংখলা রক্ষা করব। ক্লাসে মনোযোগী থাকব। এর অন্যথা হলে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মেনে নিব।''
এরকমই করি আমি সাধারণত। এরপরে আমি ওকে ওর কথা রাখবার সুযোগ দিয়ে থাকি। ভাল হয়ে যায় বেশির ভাগই। আরো বাড়াবাড়ি করে না। আর যদি করে তো গার্জিয়ানকে জানাই।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

কনগ্র্যাটস!
এদেরকে ডিটেক্ট করতে পারাটাই তো কঠিন ব্যাপার। হাসি
ওদের উল্টাপাল্টা আচরণে ডায়েরি লেখার একটা সিস্টেম আছে। কিন্তু আমার সেটা করতে কেন যেন ভালো লাগে না। গার্ডিয়ানদের সাথে কথা বলতেও খুব একটা ভালু পাইনা, যদিও কখনো কখনো এটা জরুরি হয়ে পড়ে। ইয়ে, মানে...

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

সবুজ পাহাড়ের রাজা এর ছবি

ভালো লাগলো।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

সত্যি! হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

আশফাক আহমেদ এর ছবি

একটা ছেলের লেখায় মুগ্ধ হয়ে ওর খাতায় একটা স্মাইলি এঁকে দিয়েছি।

ইশশ! আপনার ছাত্র হতে ইচ্ছে করছে

-------------------------------------------------

ক্লাশভর্তি উজ্জ্বল সন্তান, ওরা জুড়ে দেবে ফুলস্কেফ সমস্ত কাগজ !
আমি বাজে ছেলে, আমি লাষ্ট বেঞ্চি, আমি পারবো না !
আমার হবে না, আমি বুঝে গেছি, আমি সত্যি মূর্খ, আকাঠ !

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

ইট'স নেভার টুউউ লেইট। চোখ টিপি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

যুধিষ্ঠির এর ছবি

মজা লাগলো। আমরা এই কাজগুলো করতাম আমাদের ম্যাডামদের সাথে, বিশেষ করে যাঁরা সদ্য অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হয়ে বুয়েটে আসতেন অর্থনীতি বা সমাজ বিজ্ঞান পড়ানোর জন্য। তাদের অসহায় মুখগুলো মনে হলে এখন একটু একটু খারাপই লাগে। দেঁতো হাসি

প্রথম বাক্যটা "আপনার বাচ্চাকাচ্চা চল্লিশটা" পড়ে ভেবেছিলাম আপনি আসল বৃশ্চিকদের দৃষ্টিকোন থেকে একটা গল্প লিখছেন।
দেঁতো হাসি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

ছি ছি যুধিষ্ঠির'দা!
আপনারা এতো খ্রাপ ছিলেন! খাইছে
আমার কখনো কলেজে পড়াতে ইচ্ছে করেনি, জানেন? এই বয়সী পোলাপাইনই বেশি ভালো লাগে সবসময়ই।

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

নিবিড় এর ছবি

"ম্যাম, ওর সাথে বেশি কথা বইলেন না প্লিজ, আমার কষ্ট লাগে।"

এই কথাটা পড়ে আরেকটু হলে হাসতে হাসতে পরে যাচ্ছিলাম দেঁতো হাসি

বহুতদিন পর লিখলেন, ওয়েল্কাম্ব্যাক হাসি

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

আমিও নিবিড় ভাই !!

শিমুলাপার মতো একটা টিচারের দর্কার ছিলো দেঁতো হাসি

অনেক অনেক দিন আপনার এইসব ছিমছাম লেখা পড়ে খুবই ভাল্লাগলো হাসি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

থ্যাংকস, সুহান।
তবে ঘটমা হইলো, আমি কিন্তু কান টানাটানিতেও সিদ্ধহস্ত। চোখ টিপি
নিবিড়... দেঁতো হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

তিথীডোর এর ছবি

ওয়েলকামব্যাক সুইটহার্ট। দেঁতো হাসি

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

তুমি ভালোবাসো তাই, তোমার জন্য... দেঁতো হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

অনেকদিন পর লিখলেন। বেশ ভালো লাগলো পড়ে। মজার চাকরি, মজার জীবন আপনার, মনে হলো। হাসি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

কোনো সন্দেহ নেই, অপ্র।
সবকিছু মিলিয়ে চাকরিটা আমি সত্যিই বেশ এনজয় করি। হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

চরম উদাস এর ছবি

হাততালি জটিল লাগলো।
তালিকায় নাম, ঠিকানা ছাপা হয়ে যাবার ভয়ে কি সুন্দর পুরনো সব লোকজন চমৎকার সব লেখা লিখে যাচ্ছে খাইছে

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

ধরা খাইতে কোন ব্যক্তিই বা পছন্দ করে! মন খারাপ

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

শিশিরকণা এর ছবি

স্কুল মাস্টারির প্রাপ্তি অন্যরকম। ( চলুক

~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

ঠিকই বলেছেন। হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

কৌস্তুভ এর ছবি

আমি খুবই বাধ্য ছেলে, আমাকে পড়ান... খাইছে

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

আপনি একটা ছেলে। আর আপনি খুবই বাধ্য! চিন্তিত

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

বাহ্! মনে একটা ফুরফুরে ভাব এসে গেল।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

শুনে আমার মনটাও অনেক ভালো হয়ে গেলো। হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

ক্ষুদ্র সত্তা এর ছবি

ইশ, ছোটবেলায় যে কেন এত গাধা আর শান্ত ছিলাম মন খারাপ
এখন ইচ্ছে করছে আরেকবার ছোট হয়ে সব দুষ্টুমি করে আবার বড় হই। লেখা খুব ভাল লেগেছে হাসি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

ধন্যবাদ।
আপনার মতো আফসোস আমারো। স্কুললাইফে এতো ক্যাবলা ছিলাম! মন খারাপ

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

সুমিমা ইয়াসমিন এর ছবি

আপনার দিন তো বেশ চমৎকার কাটে!

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

সবুজ-সতেজ একদঙ্গল বিচ্ছুদের মধ্যে ভালো না কেটে উপায় আছে? দেঁতো হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

মুস্তাফিজ এর ছবি

"ম্যাম, ওর সাথে বেশি কথা বইলেন না প্লিজ, আমার কষ্ট লাগে।"

...........................
Every Picture Tells a Story

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

লইজ্জা লাগে

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

তারেক অণু এর ছবি
সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

সজল এর ছবি

হো হো হো
নটরডেমে আমরা পা ঘষে শব্দ করতাম। একদিন মারলিন ম্যাডাম হাসিমুখে বললেন, বাহ, দারুণতো, আবার করো। আমরা আবার করলাম। তারপর না বলতেও আবার করলাম দেঁতো হাসি
আমাদের স্কুলে জুনিয়র কোন ক্লাসে ছেলেরা হইচই করছে, স্যারের ভাষায় হাউহাউ। স্যার সবকটাকে শাস্তি দিলেন বেঞ্চের উপর হাটু মুড়ে উপরে দুই হাত তুলে ছাদের দিকে তাকিয়ে হাউহাউ করতে। ছেলেরা মনের আনন্দে ফুল ভলিউমে হাউহাউ করে যাচ্ছে।

---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

হুম।
সচলে দুনিয়ার বদ পোলাপাইনের আড্ডা দেখি! চিন্তিত
তবে মাঝেমাঝে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়, আরে, পানিশমেন্ট দিলে সেইটাও যদি এরা এনজয় করে, তাইলে কেম্নে কী!! কখনো কখনো কান ধরতে গেলে এরা আগেই দেখি মাথা আগায়ে দেয়। ইয়ে, মানে...

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

কালো কাক এর ছবি

হো হো হো কী দুষ্ট পোলাপাইন !

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

হ। হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

প্রদীপ্তময় সাহা এর ছবি

খুব খুব ভাল লাগল ।

খুব ভাল থাকুন ।
এরকম আরও অনেক লিখুন ।

শুভেচ্ছা ।
আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

আপনার আন্তরিক মন্তব্য ভীষণ ভালো লাগলো।
অনেক ধন্যবাদ, দাদা। হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

আনন্দী কল্যাণ এর ছবি

ফাঁকিবাজের লিস্টটা আসলেই কাজের জিনিস হয়েছে একটা, কত ভাল ভাল লেখা পড়তে পারছি। বড়ই আনন্দময় জীবন আপনার হাসি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

সেইম টু ইউ, ম্যাম। চোখ টিপি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি

তোমার নাম এখনো উঠে নাই??! চিন্তিত

___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

ফাহিম হাসান এর ছবি

হাসতে হাসতে জীবন শেষ। বিচ্ছুদের নিয়ে ভালোই সময় কাটে আপনার দেঁতো হাসি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

তা আর বলতে! দেঁতো হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

অনিন্দিতা চৌধুরী এর ছবি

চোখে ভুল দেখছি না তো শিমুল? অ্যাঁ
সেই আগের ফর্মেই তো ফিরলেন।দারুণ মজা লাগল। গড়াগড়ি দিয়া হাসি
আর রিকোয়েস্ট করবো না।
বুঝে গেছি লিখলে মানুষ এমনিতেই লিখে। চোখ টিপি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

দীপ্ত এর ছবি

আমরা কলেজে থাকতে পেছন দিকে বসে স্টিলের স্কেল বা কয়েন ফেলে দিতাম। টু শব্দটাও হচ্ছে না এমন কোন ক্লাসে তিন-চারটে পয়সা একসাথে গড়িয়ে পড়লে কি যে দারুণ শব্দ হত!

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

হাহাহা।
পাজি তো কেউ কম না দেখি! দেঁতো হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

অনিকেত এর ছবি

ভীষন মিষ্টি লেখা শিমুল!
অনেক দিন পর তোমাকে লেখায় ফিরতে দেখে খুব ভালো লাগল।
এইসব দুষ্টু-মিষ্টি ছানাপোনাদের নিয়ে আনন্দে কাটুক তোমার সময়--এই কামনা রেখে গেলাম।

শুভেচ্ছা নিরন্তর

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

থ্যাংকিউ অনিকেত'দা। হাসি
কেমন আছেন আপনি?
সময় ভালো কাটছে তো?

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

এবিএম এর ছবি

বৃশ্চিকগুলোর কথা পড়ে নিজের কথাটাও মনে পড়ে গেল। বৃশ্চিক জীবনের ইতি ঘটেছে অনেক আগেই, কিন্তু আমরাও নেয়াহেৎ কম ছিলাম না। দল বেঁধে স্কুল পালাতাম, ঘুরে বেড়াতাম ইচ্ছামত। মারামারি,হাসাহাসি,ফাইজলামি, সবকিছুই ছিল সেখানে।

শুধু আপনার মত এত মমতাময়ী কোন "ম্যাম" ছিল না!!!!!!
বৃশ্চিকগুলো ভালো থাকুক, যা ইচ্ছে তাই করুক। ভালো থাকবেন।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

যতোক্ষণ পারি, ততোক্ষণ তো যা ইচ্ছে তাই করতে দিই।
কিন্তু শুধু মমতাময়ী হয়ে সামাল দেয়া যায় না, মশাই। বিচ্ছুরা, বোঝেনই তো... মাঝেমাঝে রেগে তো যেতেই হয়। তখন আবার একেবারে চুপচাপ হয়ে যায় ওরা, সেটা দেখলেও আবার কিছূক্ষণের মধ্যেই মায়া লাগতে থাকে। হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

ধুসর গোধূলি এর ছবি

হে হে হে আপনের পুলাপান রক্স! চলুক

আপনেরে কয়েকটা পরামর্শ দিতে চাইছিলাম। কিন্তু এখন পরামর্শের ইয়ে নাই বৈলা দিতার্লাম না। তাই বৈলা ভাইবেন না যে দিমু না। আলবৎ দিমু। নিঘ্যাত দিমু। কোনো ছাড়াছাড়ি নাই হুজুরাইন।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

আমি কান পেতে রই... চোখ টিপি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

Rifat rifatbinsadek@yahoo.com এর ছবি

আজকে কমেন্ট গুলো পড়লাম। সন্দেহ নাই আপনি ভাল লেখক। কিন্তু আপনি আপনার ছাত্র দের চেয়ে কম দুষ্ট এই কথা আমি মানি না। যেমন ম্যাম তেমন স্টুডেন্ট।
(আশা করি সুশীল পরিবেশে সুশীল কমেন্ট হইয়াছে
হাসি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

আমি আবার কী কর্লাম! ইয়ে, মানে...

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

তাপস শর্মা এর ছবি

মোটামুটি আপনার বলা সবকটি অভিজ্ঞতাই আছে। ছাত্র হিসেবেও, টিচার হিসেবেও, তবে ছেলে টিচার হলে অতটা প্রবলেম হয়না।

আরেকটা ব্যাপার আপনি বোধহয় আরও অনেক কিছু চেপে গেছেন ম্যাম। খাইছে । হাঃ হাঃ, ওগুলি আসলে না বললেই ভালো। তবে স্কুলে আমিও বড্ড ইয়ে ছিলাম। তবে কলেজ লাইফে এসে সত্যি সত্যিই ইংলিশ ম্যাডাম এর প্রেমে ডুবুহাবু খেয়েছিলাম। আচ্ছা ইংলিশ সব ম্যাডামরাই এত ইয়ে হয় কেন? যাক সে যাত্রায় রক্ষা পাইছি। ক্লাসের একঘণ্টা ওনারে দিকে তাকিয়ে তাকিয়েই কেটে যেতো। সবচেয়ে খারাপ লাগতো যখন উনার স্বামী উনারে পিকাপ করতে আসতেন তখন। মনে হত গুন্ডা সাইজ্যা এই গাড়িডা উরাইয়া দেই। হায় স্কুল এবং কলেজের সেই দিন।

তবে ভার্সিটিতে প্রচন্ড অন্যরকম লাইফ ছিল। শেষ সেমেস্টারে একজন ম্যাডাম পাইছিলাম, আমরা বেরিয়ে যাব আর তিনি জয়েন করলেন। মন খারাপ । তবে ভার্সিটি লাইফ টাফ ছিল প্রচন্ড। তখন আমি বেসরকারী স্কুলে প্রাইমারী সেকশানে পড়াতাম। দুপুরে ভার্সিটির ক্লাস। এক প্রভাষকের সাথে আমার ইয়ে হয়ে গিয়েছিল প্রচন্ড। উনি আমাকে সহ্য করতে পারতেন না কোন এক অদ্ভুত কারণে। এই নিয়ে রেষারেষি এমন একটা জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল যে আমি উনাকে বলে ফেলেছিলাম - আপনারা শিক্ষক হবার পর ভুলে যান, যে আপনি নিজে কোনদিন স্টুডেন্ট ছিলেন। ব্যস, আর যাই কই! পুরো তিনটা সেমেস্টার উনি আমার কপালে উনার পেপারে 'সি' গ্রেড ঠুকে গেছেন।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি


হাহাহা। কিছু তো চেপে যেতেই হয়, মশাই! ঘরের সব কথা কি পরে জানলে চলবে? চোখ টিপি


আহারে! বুঝতে পারছি, কোন পরিস্থিতি হলে কারো হাজব্যান্ডের গাড়ি উড়ায়ে দিতে ইচ্ছে করে। চোখ টিপি দেঁতো হাসি


আপনার শেষের ঘটনায় সত্যি কষ্ট পেলাম। স্টুডেন্টদের প্রতি নিরপেক্ষ আচরণ খুবই জরুরি একটা ব্যাপার। আর আমরা তো এমনিতেই আশা করে থাকি, বড়ো জায়গায় বড়ো পজিশনগুলোতে থাকা মানুষগুলোর মনগুলোও অনেক বড়ো হবে।

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

মৌনকুহর এর ছবি

হাসতে হাসতে শেষ! সব তো দিলেন লিখে, এখন বৃশ্চিকেরা এই লেখাটা পেয়ে না গেলে হয়!! চোখ টিপি

-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-
ফেসবুক -.-.-.-.-.- ব্যক্তিগত ব্লগ

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

সেই বিপদের সম্ভাবনা তো থাকেই।
সেই ভয়েই তো ভদ্রলোকদের নিয়া মিছা কথা কইতারি না। ইয়ে, মানে...

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

মরুদ্যান এর ছবি

দেঁতো হাসি তাও ভাল আপনার ক্লাসে কেউ মিলাদ পড়েনা!

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

মাঝেমাঝে টিচার বেরিয়ে যাবার সময় দল বেঁধে এরা কানা ফকিরদের মতো "আহাল্লাহ, আহাল্লাহ" করতে থাকে। এটা দেখেছি।
মিলাদ কেমনে পড়ে কন্তো! কিন্তু কানে কানে। মানে মেসেজ দিয়া কইয়েন। চাই না আমার সুবোধ বাচ্চারা আরো একটা নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করুক। দেঁতো হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

আনিস মাহমুদ এর ছবি

খুবই চমৎকার নির্ভার লেখা। এক লহমায় নিয়ে গেলো কৈশোরের সেই দিনগুলোতে। তবে আমার কিশোরদশা এখনো কাটেনি। আর কাটবে বলে মনেও হয় না। বলা যায় না, কবে গিয়ে বসে পড়ব আপনার ক্লাসের লাস্ট বেঞ্চিতে।

.......................................................................................
Simply joking around...

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

লাস্টের বেঞ্চি ভাঙা।
সামনের বেঞ্চিতে বসেন, প্লিজ। হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

দুর্দান্ত এর ছবি

খুবই সুন্দর লেখা। আচ্ছা আপনার ছাত্রদের গড় বয়েস কেমন? মানে দশম শ্রেনীর ছেলেমেয়েরা তো 'স্নো-হোহাইটের' চাইতে অগ্রসর কিছু গ্রহন করতে/রসগ্রহণ করতে পারার কথা। 'মেয়েঘটিত কান্ড'টা এই বয়েসীদের স্নোহোয়াইটে আবদ্ধ করে রাখার প্রচেষ্টার ফলাফল নয়তো?

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

আরে নাহ! এই সময়ে চাইলেই কি আর ওদেরকে কোনোকিছুতে আবদ্ধ করে রাখা যায়?
ওদের নাইন টেন দুই বছর মিলে ইংরেজি বইটাতে শুধু তিনটা শিশুতোষ গল্প আছে। তার একটা স্নো হোয়াইট। একটা সেই জেলে আর দৈত্য। আর একটা শহুরে আর গেঁয়ো ইঁদুর নিয়ে। এরা যে এগুলোর চাইতে অগ্রসর কিছু গ্রহণ/রসগ্রহণ করতে পারে, তার প্রমাণ তো ওরা অহরহ দিয়ে যায়। ইয়ে, মানে...
ক্লাস টেনের ছাত্রছাত্রীদের গড় বয়স ষোল। তবে আদুভাই টাইপ দুই একটা তো থাকেই। হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

তদানিন্তন পাঁঠা এর ছবি

লেখাটা বাদ পড়ে গিয়েছিল কিভাবে যেন। আপনার আজকের লেখা পড়তে এসে সাইড বার থেকে পড়ে ফেললাম। আমাদের সব স্যার-ম্যাডামরা যেদিন আপনার মতো করে চিন্তা করা শিখবেন; বোধহয় সেদিন থেকেই বাংলাদেশে একটা সত্যিকার পরিবর্তন আসবে। ভাল থাকুন। অনেকদিন থাকুন।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

আপনি আমাকে একটু বেশি ভেবে ফেললেন বোধহয়। লইজ্জা লাগে
ওদেরকে ওদের মতো একটু সময় কাটাতে দিলে, পরের কাজগুলো বেশ মন দিয়েই করে, আমি শুধু এইটুকুই মাথায় রাখার চেষ্টা করি, আর কিছু না।
আপনার সহৃদয় মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

আমিও কিন্তু বদ ইশটুডেন! দেঁতো হাসি

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

সেইটা আবার মুখে বলতে হয়! হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

মর্ম এর ছবি

বৃশ্চিকদের নিয়ে আরো লিখুন আর সম্ভব হলে পিতাজীকে নিয়েও!!! চলুক

~~~~~~~~~~~~~~~~
আমার লেখা কইবে কথা যখন আমি থাকবোনা...

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

আচ্ছা। খাইছে

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি

আমি উল্টা দিক থেকে পড়ে আসলাম। মানে বুঝলেন তো? নতুন দুইটা লেখা পড়ে, এইটায় ঢুকলাম। আর ঢুকেছি বেশ ভয়ে ভয়ে... রিসেন্ট দুইটা পড়েই মন খারাপ হচ্ছিলো একটু...

এইটা পড়ে অনেকক্ষণ ঠা ঠা করে হাসলাম। ধন্যবাদ হাসানোর জন্যে। পুরাতন আর নতুন অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গেলো।

আর ইয়ে... আপনিও লেখেন নাকি?! দেখিনি তো আপনাকে এই তল্লাটে! চিন্তিত চোখ টিপি

___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

এখনো কি আপনি একই কথা বলতে চান? চোখ টিপি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

সাফাত এর ছবি

নস্টালজিক হয়ে গেলাম। স্কুলের সেই দিন গুলার কথা খুব মনে পড়ে। মন খারাপ
আর এই লেখা পড়ে আমাদের সময়ে আমাদের করা কিছু দুষ্টমির কথা মনে পড়ে গেল। চাল্লু কিন্তু বলা যাবে না। ফরম মাস্টার শুনলে রাগ করবেন। শয়তানী হাসি

সাফায়াতুল ইসলাম

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

খাইছে
দিনকে দিন বাচ্চাদেরকে কন্ট্রোল করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে, সাফাত।
অথচ আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম! হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।