ওয়াইড অ্যাঙ্গেল আর আমার ত্যানা প্যাঁচানি

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি
লিখেছেন ত্রিমাত্রিক কবি (তারিখ: শনি, ০৭/০১/২০১২ - ১০:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

Untitled-6

ছোটবেলায় চিকন চাকন আছিলাম। তেমন একটা খাইতে পারতাম না। আশে পাশে দেখি মোটাসোটা মানুষ, বিয়ে শাদীর দাওয়াতে গিয়ে মোটাসোটা কাজিনরা দেখি চার-পাঁচটা রোস্ট খেয়ে ফেলে, খাসির মাংসের বাটি সাবাড় করে ফেলে, পোলাও আসার আগে বোরহানির জগ খালি করে ফেলে। আমার দেইখাই মেজাজ খারাপ হইত। আমি পারি না ক্যান? চেষ্টা শুরু করলাম আস্তে আস্তে। এই লাইনে গড গিফটেড প্রতিভা ছিল না, কিন্তু পরিশ্রম বৃথা যায় না। আইনস্টাইন লেভেলে না উঠতে পারলেও মোটামুটি কুদ্রাত-ই-খুদা লেভেলে উঠে যাই।

এরপর সেই মোটাসোটা কাজিন কই থেকে দুইটা ডাম্বেল নিয়ে আসল। সকাল বিকাল ডাম্বেল ভাজে। আমার তখন অল্প স্বল্প পেট উঁকি দেয়, খাওয়া দাওয়া চলতেছে রীতিমত, কিন্তু আকার আকৃতিতে কাজিনের ধারে কাছে যাইতে পারি নাই। ভাবলাম ওইটা তো আমার হাতে নাই, ওইটার জন্যে আল্লার কাছে দোয়া করতে থাকলাম, আর যেইটা আমার হাতে ছিল সেইটা হইল, স্টেডিয়াম মার্কেট থেকে দুইটা ডাম্বেল কিনে নিয়ে আসলাম, শুরু হল সকাল বিকাল ডাম্বেল ভাজা।

কিছুদিন পর সেই কাজিনের বাসায় গিয়ে দেখি, একটা ডাম্বেল খাটের নীচে জায়গা পেয়েছে, আরেকটা দিয়ে বারান্দার দরজা চাপা দিয়ে রাখা, বাতাসে যেন দরজা খুলে না যায়। আমিও ভাবলাম, নাহ অনেক হইছে, আর না, ডাম্বেল দুইটার রেস্ট দরকার, আমারও। ডাম্বেল দুইটাকে আমি পেপার ওয়েট হিসাবে ব্যবহার শুরু করলাম।

কয়েকদিন আগে একটা লেখায় লেখছিলাম ঈর্ষা নিয়ে। আমার বেশীরভাগ কাজের মোটিভেশান আসে ঈর্ষা থেকে। কাউকে ভাল খারাপ কিছু করতে দেখলেই শান্তি পাই না, ওইটা আমার করাই লাগবে, পারি না পারি। এই এক বিশাল পেইন।

একসময় কোন কিছু নিয়া চিন্তা ভাবনা করতাম না, ভালই শান্তিতে ছিলাম। আশে-পাশের লোকজন দেখি খালি টেনশান করে, দৌড়াদৌড়ি করে। আমি ভাবলাম, আমারও করা লাগবে। চিন্তা শুরু করলাম। দেখলাম মানুষ কী নিয়ে চিন্তা করে, আমিও ওইগুলা নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করলাম। এইসব করতে করতে দেখি পোলাপান ঝাঁক ধইরা বুয়েটে অ্যাডমিশান টেস্ট দিবে। আমি ভাবলাম, আমারেও দিতে হবে। পোলাপানের সাথে কোচিং এ ক্লাস শুরু করলাম। পোলাপান কয়েকটা দেখি ধুমায়ে পড়ে, আর ধুমায়ে নাম্বার পায়, আমি ভাবলাম আমিও ধুমায়ে পড়ব। ধুমায়ে পড়া শুরু করলাম, ধুমায়ে নাম্বার পাওয়াও শুরু করলাম। এরপরে কিছু পোলাপান দেখি, ঠিকমত কোচিংএ আসে না, আসলেও পিছনে বইসা গল্প করে, সামনের বেঞ্চে কোন বালিকার নাম কী, কোন বালিকা কোথায় থাকে এইসব তথ্য বিনিময় হয়, আমি ভাবলাম আমি কী দোষ করলাম? আমিও তথ্য উপাত্ত যোগার করা শুরু করলাম। দেখলাম এসব পোলাপান নাম্বার খুব একটা ভাল পায়না, এরা বলে, 'আরে এত্ত বেইল দিয়া লাভ আছে?' আমিও বলা শুরু করলাম, 'এত্ত বেইল দিয়া লাভ আছে?'

এমনে দিন কাটতেছিল, খারাপ না। যেখানে যে যা করে আমিও গিয়া বাম হাত ঢুকাই। এইরকম একসময় দেখি কিছু পোলাপান লেখালেখি করে, ভাবলাম আমি কেন করি না? শুরু করলাম। সচলে রেজিস্টার করলাম। সচলে দেখি সবার ভাবের ভাবের নাম, ভাবলাম আমারও ভাবের নাম লাগাইতে হবে। অনেক খুঁইজা পাইতা একটা ভাবের নাম বাইর করলাম, 'ত্রিমাত্রিক কবি'। সেইটার একটা ভাবের ব্যাখ্যাও দাঁড়া করাইলাম, লেখালেখি করলে একটু ভাব না থাকলে চলে?

ততদিনে পাশ কইরা বাইর হইছি। একসময় ইচ্ছা ছিল ব্যাবসাপাতি করব, কিন্তু দেখলাম সবাই চাকরী খুঁজতেছে, আমি আর বইসা থাকি ক্যামনে, একটা সিভি বানাইয়া বিভিন্ন জায়গায় ফেলা শুরু করলাম। সবার দেখাদেখি আমারও একটা চাকরী হয়ে গেল। আমিও তখন ধুমায়ে চাকরী করা শুরু করলাম। কিছুদিন পরে দেখি পোলাপান সব বিদেশ যাওয়ার জন্যে জিআরই টোফেল দেয়া শুরু করছে। আমি ভাবলাম, আমি বাদ থাকব ক্যান? আমিও রেজিস্টার করে ফেললাম।

কেউ দেখি জিআরই টোফেলে ফাটায়ে দিতেছে। আবার কেউ বাঁশ খেয়ে লাল হয়ে যাচ্ছে। আমি কোনদিকে যাই? আমার তো সবদিকেই যাওয়ার স্বভাব। তাই চিন্তা ভাবনা করে টোফেলে মোটামুটি লেভেলে ফাটাইলাম, আর জিআরই তে বাঁশ খাইয়া লাল হইয়া কক্সবাজার চইলা গেলাম তিনদিনের জন্যে।

এরপরের ঘটনা একই রকম, পোলাপানের দেখাদেখি কানাডা আইসা পড়লাম। এখানে আইসাও দেখি ঝামেলা। লোকজনের হাতে দেখি বিশাল বিশাল ক্যামেরা। শুনলাম ওগুলারে নাকি এসএলআর বলে। নেটে কিছু গুতাগুতি করলাম। এসএলআর সম্পর্কে কিছু জ্ঞানার্জন করলাম। ততদিনে নেট আর ফ্লিকার থেকে বোকেহ, ওয়াইড অ্যাঙ্গেল, এইচডিআর, ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি এসব ভাবের নাম শিখে ফেলি। এবার সবার দেখাদেখি একটা ক্যামেরা কেনা চাই। পকেটে পয়সা তেমন নাই। কিন্তু কিছু করার নাই, মাথায় উঠছে ততদিন ক্যামেরা। কিনে ফেললাম কম দামের মধ্যে একটা নাইকন ডি৩০০০। কয়েকদিন পরে একটা ৩৫ মিমি পোট্রেট লেন্স। ধুমায়ে ছবি তুলি, জাতের হয় না, কিন্তু হাল ছাড়ি না, আশে পাশে যা পাই, টেবিলের উপ্রে কলম, পেন্সিল থেকে শুরু করে বাথ্রুমের কমোড, রান্না করা খিচুড়ি কিছুই বাদ যায় না। ধীরে ধীরে কিছুটা হাত আসতে থাকে।

এর মধ্যে দেশে যাই। গ্রামে গিয়ে চারিদিকে শুধু ছবি আর ছবি। শুধু কপি পেস্ট করে নিজের মেমোরি কার্ডে ভরার অপেক্ষা। শাটার টিপে যাই। কপি-পেস্ট করাও যে এতদিনে শিখিনি, এটা দেখে নিজের ওপর মেজাজ খারাপ হয়ে যায়, 'ধুর্বাল ফটোগ্রাফি আমারে দিয়ে হবে না'। ঢাকার ফিরে আসি, ল্যাপ্টপে ছবি নামাই, হাজারটা নাখাস্তা ছবির মধ্যে থেকে দুই চারটা চলনসই ছবি বের হয়। সেইগুলা একটু ফটোশপে ঘষামাজা কইরা খোমাখাতায় আপ্লোড করি। ওইখানে মানুষ লাইক দেয়ার জন্যে বসে থাকে। লোকজন ধুমায়ে লাইক দিতে থাকে। আমি আস্কারা পাই।

কানাডা ব্যাক করে ভাবি সচলে একটা পোস্ট মেরে দেখি। নেট থেকে কিছু ভাবের কবিতা আর গান কালেক্ট করে ভাবের একটা পোস্ট বানায়ে ফেলি, এই গ্রীষ্মে - আমাদের গ্রামঃ ছবিব্লগ। আপাতত টেপাটেপি বন্ধ থাকে, আসার সময় ক্যামেরা ছোট ভাইয়ের হাতে ফালায় আসছি। কিন্তু শান্তি পাইনা। কিছুদিন চুপচাপ বসে থাকার পর হুট করে আবার কিনে ফেলি একটা নাইকন ডি৯০, সাথে একটা ৭০-৩০০মিমি। এরপরে একটা ৫০মিম এফ/১.৮, এরপর একটা সস্তায় পেয়ে যাওয়া ৮৫ মিমি। এভাবে চলতে থাকে।

ছবি তোলার চেয়ে কেনাকাটার প্রতি বেশী নজর আমার। যার কাছে যা দেখি, কিনে ফেলি হুটহাট। একটা ফ্ল্যাশ ইউনিট, একটা শাটার রিলিজ কন্ট্রোলার, ট্রাইপড বিভিন্ন রকমের ফিল্টার। ছবি তোলা সেরকম হয় না। উন্নতিও তেমন নাই। কিন্তু সচলে দেখি মেগা সব ফটোগ্রাফার অনুপম ত্রিবেদী, ফাহিম হাসান, মুস্তাফিজ ভাই, উজানগাঁ। নাহ এরা আমারে শান্তিতে থাকতে দেয় না। এদের পোস্ট দেখি, মাঝে মাঝে পুরানো পোস্টে ঢু মারি। নাহ শান্তি পাই না। এর মধ্যে চিন্তা কইরা দেখি আমার একটাও ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স নাই। ক্যামনে কী? ই-বে তে একটা মাউসের গুতায় অর্ডার মাইরা দেই, সিগ্মা ১০-২০মিমি এফ ১:৪-৫.৬ ফর নাইকন।

কাইল্কা লেন্স হাতে পাইয়াই আর দেরী করি না। ক্যাম্রা হাতে বাইর হইয়া পরলাম আইজ বিকালে। একটু কাজও ছিল। কাজ মানে পকেটে কয়েকটা ডিল নিয়া ঘুরতেছি, বার্গার কিং এর। একটার দামে দুইটা হুপার দিবে। প্রতি সপ্তাহে এই ডিলের জন্যে বুধবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। একটা ডিলের কাগজ দিয়ে গেছিল মেইলবক্সে। পাশের বিনে দেখি অনেক লোকজন সেই কাগজ ফালায় দিছে, আমি খুইটা নিয়া আসলাম হিসাব কইরা, ফেব্রুয়ারীর ১২ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন দুইটা কইরা হুপার একটার দামে খাইতারুম।

এত ত্যানা প্যাঁচানি কিসের জন্যে? খাইতে গিয়া ওয়াইড অ্যাঙ্গেল নিয়া কিছু টিপাটিপি করছিলাম। বাসায় আইসা টিপাটিপির সাইডিফেক্ট হিসাবে কিছুক্ষণ ঘষাঘষি করলাম, তারপর কিছুক্ষণ কোপাকুপি, কোপাকুপি শেষ হইলে একটু কাপড়-চোপড় পরাইয়া দিলাম, এরপর কোনা দিয়া ছাপ্পর মাইরা দিলাম, নাইলে শান্তি পাইনা।

এরপর ভাবলাম লোকজন মাঝে মাঝে সচলে ফাঁকিবাজি পোস্ট দেয়। আমি দিমু না ক্যান??

Untitled-11

Untitled-6

Untitled-10

Untitled-5

Untitled-9

Untitled-1

Untitled-8

Untitled-7

Untitled-2

নির্ঘন্টঃ

টিপাটিপি = ছবি তোলা (সাটার টেপা অন্য কিছু না)

ঘষাঘষি = আরেহ যা ভাবতেছেন তা না, এইটা হইল ফটোশপে একটু ঘষা দেওয়া

কোপাকুপি = ছিহ ওই কোপাকুপি না, এইটা হইল কোপ দিয়া ছবির আশে পাশের অপ্রয়োজনীয় অংশ ফালায়ে দেয়া

কাপড়-চোপড় পরানো = ছবিতে বর্ডার দেয়া

ছাপ্পর মারা = একটা লোগো মাইরা দেয়া, এইটা একটা ভাব। তবে ছবির বেজায়গায় মাইরা দিলে ছবি চুরি ঠেকানো যায়, আমার অবশ্য বেজায়গায় মারামারির অভ্যাস নাই, আমি লুক ভাল।


মন্তব্য

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

ওয়াইড দিয়ে বাঁকা ছবি একসময় ভালো লাগতো না, এখন লাগে। বিস্তারিত মন্তব্য আসতেছে।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ধন্যবাদ পিপিদা। অপেক্ষায় থাকলাম।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

স্থানীয় পাঠকের কাছে পৌঁছার একটা উপায় হলো লেখার মধ্যে হালকাভাবে হলেও স্থানীয় উপকরণ ঢুকিয়ে দেয়া। আমি ব্যক্তিগতভাবে ব্লগারদের দিনকাল পড়তে ভালোবাসি। জানার চেষ্টা করি প্রবাসে মানুষ কিভাবে দিন কাটায়, কিভাবে নানা বিষয়দের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে, ইত্যাদি।

ছবিগুলোর সাথে কোথায় ছবিগুলো তুলেছেন এই তথ্যটুকু থাকলে এই ব্লগারের সাথে পাঠকের যোগাযোগটা সহজ হয় বলে মনে হয়। ছবিগুলো সন্ধ্যায় তোলা, বোঝাই যাচ্ছে, কিন্তু একটু আঁধারি হয়েছে মনে হয়। নাকি আমার মনিটরে সমস্যা, জানি না।

লিখতে থাকুন। সপ্তাহে একটা হলেই হবে।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

পিপিদা, কথা সত্যি। তবে সত্যি কথা বলতে কি এটা আসলেই একটা ফাঁকিবাজি পোস্ট। পোস্ট দেয়ার কোন ইন্টেনশান ছিল না। ছবিগুলো হয়ে গেল, ভাবলাম একটা পোস্ট দেই। কিন্তু সচলে শুধু ছবির পোস্ট আমার নিজেরই বিরক্ত লাগে মাঝে মাঝে। ভাবলাম, কিছু একটা লিখে দেই সামনে।

আসলে নতুন লেন্সটা হাতে পাওয়ার পরের প্রথম এক্সপেরিমেন্ট। সেই উৎসাহেই পোস্ট দেয়া। আসলে এটাতো অত ফাস্ট লেন্স না। আলোও ততক্ষণে অনেক কমে এসেছে। ট্রাইপডও নিয়ে যাইনি। হাত কাঁপাকাঁপি না করিয়ে যতটুকু শাটার স্পীড কমানো সম্ভব কমিয়েছি। আর হাই আইএসও তে সাধারণত যাই না, ছবিতে নয়েজ দেখলে বিরক্ত লাগে।

লেখালেখি কি ছেড়েই দিলেন একরকম?

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

লেখালেখি কি ছেড়েই দিলেন একরকম?

নাহ্ , থিসিস লেখি তো চোখ টিপি

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

লেখেন লেখেন, আমারও লিখতে হইবেক মন খারাপ

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

হাতে নিয়ে তোলা হিসেবে ছবিগুলো কিন্তু খুবই ভালো এসেছে। আমি ভেবেছিলাম হয়তো ট্রাইপডে তোলা। এইচডিআরগুলো বুঝতে পারছি, কিন্তু আমার মতে এইচডিআর প্রয়োজন মোতাবেক করা উচিত। আপনার ছবিগুলোর এইচডিআরের চেয়ে নরমালগুলোই আমার ভাল লাগছে।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

হ্যাঁ অপ্রয়োজনে এইচডিআর খুব একটা কাজের জিনিস না। শিখতেছি তো আসলে, ধীরে-সুস্থে, কোথায় থামতে হবে মাঝে মাঝে টের পাই না। ফিডব্যাক এইজন্যে ভাল পাই।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

তাপস শর্মা এর ছবি

ক্যামেরা নিয়া গুঁতাগুঁতি জারি থাকুক চোখ টিপি । ভাল্লাগছে। আরও বেশী করে তুলেন ছবি। আমরা দেখে আনন্দ পাই। লেখাও জব্বর অইছে।

তবে কবি ছবিডিরে কি ফুটুশপে একটু বেশীই গুতাইয়া ফালাইছেন ইয়ে, মানে... । আরেকটু ন্যাচারাল শেইড ইউজ করলে ভালো হয়না হাসি

হে হে আমিও একদিন ফডুরে অমু, এইডা কইয়া রাখলাম হ। পেতিজ্ঞা কইচ্চি হুহু ।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ধন্যবাদ তাপসদা। সবগুলা কিন্তু খুব বেশী ফটোশপ নাই। সন্ধার আগে দিয়ে ন্যাচারার শেড এরকম কাছাকাছি ছিল। কয়েকটা আছে শুধু ব্রাইটনেস আর কন্ট্রাস্ট চেঞ্জ করা। তিন্টা আছে এইচডিআর, ইচ্ছা করেই বলিনি। সচলের বাঘা ফটুরেদের কাছে ফিডব্যাক আশা করছি।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

আর্য এর ছবি

লেখাটা অনেক ভাল লাগল। ছবিগুলো বেশি ভাল লেগেছে বললে মিথ্যে বলা হবে। বেশীরভাগই ওভারকুকড মনে হয়েছে। আমার মনে হয় ঘষাঘষি আর কোপাকুপির পিছনে বেশী সময় না দিয়ে সরাসরি ক্যামেরা থেকেই দারুন সব ছবি পাওয়াটাই প্রথম দিকে উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।

ওয়াইড নিয়ে আমারও অনেক ফ্যাসিনেশন আছে, কিন্তু রেস্তর অভাবে এখনো একটার মালিক হতে পারি নি মন খারাপ

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

বৃষ্টির রঙ এর ছবি

বড়ই হিংসা লাগিচ্ছে...
আমি এই পন্ত একটা নাইকন কিন্তারলাম না...

ছবি ভালা...

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ব্যাফারনা হাসি

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

নিটোল এর ছবি

ছবি পোস্ট কোপাকুপি-মার্কা হইছে! দেঁতো হাসি

_________________
[খোমাখাতা]

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

তিথীডোর এর ছবি

ছবিগুলো ফেসবুকেই দেখেছি। হাসি
তারা দাগিয়ে গেলাম।

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

সত্যপীর এর ছবি

আপনে আসলেও লুক ভাল, ছবি চমেতকার আসছে চলুক

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ধইন্যবাদ ভাইসাহেব।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

দায়ীন (frdayeen) এর ছবি

চলুক

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

নসাহা লরুমকা এর ছবি

লেখায় পেলাচ দেঁতো হাসি

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

অতিথি পাঠক এর ছবি

লেন্স আর জিনিস্পাতি কিনি তো ফাডায়ালাইসোস। ইবে থেকে অর্ডার দিতে বুক ধুকপুক করে...যদি রদ্দিমাল ধরায় দ্যায়!
আপাতত একখান কন্সট্যান্ট অ্যাপার্চার জুম লেন্স কিনার ধান্দায় আসি...দাম দেইখা ব্যাঙ্ক ডাকাতি করতে ইচ্ছা করে। (F2.8 24-70 বা 70-200)

অঃটঃ আমার কেন মোটিভেটিং ঈর্ষা হয় না...উল্টা ডিমোটিভেটেড হইয়া ঝিম ধইরা যাই...আফসুস!

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ইবে থেকে অর্ডার দিতে প্রথমে আমারও ভয় লাগত। কিন্তু অনেক কিছু কিনলাম এই দেড় বছরে। কোন সমস্যা হয় নাই। আর কন্সট্যান্ট অ্যাপারচার জুম লেন্সের দাম দেখলে মাথা ঘুরায়। খুঁজে দেখেন ইউজড জিনিস পান নাকি কোথাও থেকে।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

মুস্তাফিজ এর ছবি

সব কিছুই ঠিক ছিলো, শুধু লেখায় আমার নাম না আনলেই হইতো।

...........................
Every Picture Tells a Story

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

এইটা একটা কথা কইলেন বস?

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

লাবণ্যপ্রভা এর ছবি

আমার তো প্রতিটা ছবিই কেমন ভূতুরে মনে হল! কেমন যেন Twilight Twilight ভাব ইয়ে, মানে...
তবে ছবি ভাল লাগল হাসি

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- সন্ধ্যার সময়টাই ওরকম।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

দ্রোহী এর ছবি

আমি ডিয়েসেলার দিয়ে যেই মাপের ছবি তুলি লোকজন মোবাইলের ভিজিয়ে ক্যামেরা দিয়ে তার চাইতে ভাল ছবি তোলে। ইয়ে, মানে...

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

বস আমি কিন্তু মোবাইল ক্যাম দিয়ে তুলি নাই, ডিএসএলআরএই তোলা ইয়ে, মানে...
আপনার কি মোবাইল ক্যাম দিয়ে তোলা মনে হইল?? ওঁয়া ওঁয়া

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

দ্রোহী এর ছবি

আরে আপনার কথা কই নাই মিয়া। চোখ টিপি আপনাদের তোলা বস বস ছবি দেখলেই দুঃখ চাগাইয়া উঠে। মন খারাপ

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

বুইঝতে পারছিলাম বস। একটু শিওর হইলাম তাও দেঁতো হাসি

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

তারেক অণু এর ছবি

কবিতার সাথে ছবি, আর কি লাগে, সাধু সাধু ! ঐ মিয়াঁ এডিটিং কম কইরেন।
মাচু পিচ্চু থেকে শুভেচ্ছা !

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

কবিতা কই পাইলেন বস?? সবগুলাতে কিন্তু এডিটিং নাই। তিনটাতে এইচডিআর করা আছে, বাকিগুলা ব্রাইটনেস, কন্ট্রাস্ট হাল্কা চেঞ্জ করা, পরে বর্ডার দেয়া। ওই সময়ে আকাশটাই এরকম অদ্ভুত আছিল। আপ্নের পোস্ট নাই, সচল ঠান্ডা ঠান্ডা লাগে।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

লাবণ্যপ্রভা এর ছবি

অনুদা...লিখা কই?????????? শুধু পেরু-মাচু পিচ্চু করলেই হবে?আমাদের সেগুলোর গল্প(বিস্তারিত)বলতে হবে না? রেগে টং

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনার ঝাড়ি তো সেরকম কাজের, বলার আগেই অণু ভাইয়ের পোস্ট!!

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

শাব্দিক এর ছবি

ছবি ভাল, কিন্তু ঈমানে কইলে লেখা বেশি ভাল।
আমার এমন ঈর্ষা হয় না কেন? চিন্তিত

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আবঝাপ লেখারে ভাল কইলে কাজ হইত ন। লেখা ছাড়েন।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

শাব্দিক এর ছবি

খাইছে আপনার ফেরা'র মত আটকে গেছে। কি করব, আমার ঈর্ষা হয় না যে, আমি খালি মুগ্ধ হই।

কালো কাক এর ছবি

গেইমের গাড়ির ছবির মত লাগছে কয়েকটা ছবি।
আমার কোন মোটিভেশন ফ্যাক্টর নাই। সামনে দিয়ে লোকজন দৌড়ে গেলেও হাই তুলে পাশ ফিরে শুই দেঁতো হাসি

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

সবাই মোটিভেটেড হয়ে গেলে আমার মত মিডিওকারদের কোন বেইল থাকবে না। এটা সবার জন্যেই ভাল, কি বলেন?

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

পল্লব এর ছবি

ছবি তোলার চেয়ে কেনাকাটার প্রতি বেশী নজর আমার। যার কাছে যা দেখি, কিনে ফেলি হুটহাট। একটা ফ্ল্যাশ ইউনিট, একটা শাটার রিলিজ কন্ট্রোলার, ট্রাইপড বিভিন্ন রকমের ফিল্টার। ছবি তোলা সেরকম হয় না। উন্নতিও তেমন নাই।

কি কমু আর?! আসেন ভাই, কোলাকুলি করি। আপাতত টাকা সব গেমের পিছে খরচ কইরা পয়সা শেষ, কিনাকাটা বন্ধ। গত এক বছর ধইরা একটা ৯০মিমি ম্যাক্রো আর একটা ওয়াইডঅ্যাঙ্গেল অ্যামাজনের কার্টে বইসা দীর্ঘশ্বাস ফেলতেসে মন খারাপ ১২০০ ডলার কই পাই?!!

পোস্ট মজাই লাগসে। ওয়াইড তুইয়া ফাডায়ালান!

==========================
আবার তোরা মানুষ হ!

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

কোলাকুলি
একটা ম্যাক্রো লেন্স কিনার প্ল্যান আমারও আছে হাসি আপাতত একটা এক্সটেনশান টিউব আর রিভার্স রিং কিনলাম। আর একটা ফ্ল্যাশ ইউনিট জোড়াতালি দিয়ে ফ্ল্যাশের কাজ চালাচ্ছি। অবশ্য ম্যাক্রো তুলতে প্রচুর ধৈর্য লাগে, যেইটা আমার কম আছে।

আপনার ফ্লিকার অ্যাকাউন্ট দেখলাম, অচাম হাসি

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

পল্লব এর ছবি

দেঁতো হাসি

==========================
আবার তোরা মানুষ হ!

সাফি এর ছবি

কিছু ছবি নিয়া কথা আগেই হৈছে। উপর থেকে ৫ নং ছবিটায় গাছের উপরে একটা আলোর রিফ্লেকশন দেখতেছি। ফ্ল্যাশ মেরেছিলেন নাকি কোন গাড়ির হেড্লাইট?

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

সাফি ভাই, ফ্ল্যাশ মারছিলাম গাছটা আনার জন্যে।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

কল্যাণ এর ছবি

হেহহ আমি নিচ থেকে গুনে ৫ পেয়ে মন্তব্য করতে যচ্ছিলাম, এর মধ্যে দেখি সাফি কয়ে ফেলছে - উপর থেকে ৫। জবর ব্যাপার। তয় ফ্ল্যাশটা না মারলেই মনে হয় ভাল হইত, গাছের থেকে আকাশটা বেশি ভাল লাগতেছে, ছবির সৌন্দর্যহানী হইছে। (এহহ কি এমন ওস্তাদ আইছি!!! অফ যাই মানে মানে)

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ওয়াই অ্যাঙ্গেলের একটা মজা হচ্ছে ভ্যানিশিং পয়েন্ট।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ওয়াইড অ্যাঙ্গেল জব্বর জিনিস দাদা, হ্যাভিং ফান।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

তাসনীম এর ছবি

চমৎকার লাগলো।

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ধন্যবাদ তাসনীম ভাই।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

অন্যকেউ এর ছবি

এইচডিআর তিনটা নাকি! আমি চারটাকে ভেবেছিলাম। ইয়ে, মানে...

ছবি অনেক ভালো পাইছি। আপনি ফুলটাইম ফটুরে হয়া যান। তয় পোস্টের ধরণটা বেশি ভাল্লাগছে। সুস্বাদ লেখার লগে সুস্বাদ ছবি পাইলে আর কী চাই!

_____________________________________________________________________

বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখো দ্বিতীয় বিদ্যায়।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আসলে ওই সময় আকাশটাই অনেক ডায়নামিক ছিল। এইচডিআর আমার নিজেরও খুব পছন্দের জঁরা না, বিশেষকরে ঠিকভাবে করতে না পারলে। পরিমিতিবোধটা খুব জরুরী এই ক্ষেত্রে, ফিডব্যাকটা এজন্যেই দরকার। সেটা এখনে ভালই পাচ্ছি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, চমৎকার মন্তব্যের জন্যে।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

ফাহিম হাসান এর ছবি

ছবি নিয়ে আলোচনা চমৎকার লাগলো। এই ধরনের পোস্ট আমার পছন্দের তালিকায় শীর্ষে।
আপনি নিজেই এডিটিং এর সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন, ফিডব্যাক পজিটিভলি নিচ্ছেন দেখে ভাল লাগলো। ফটোগ্রফারদের সম্পর্কে প্রচলিত জোকদের একটা হল ডিএসএলআর যাদের আছে তারা খুব ভাব নেয়। কথাটা একেবারে মিথ্যাও নয়। সাধারণত অনেকে আত্মপ্রশংসায় ডুবে থাকে, অন্যের মতটা গ্রহণ করতে চায় না। অথচ ভাল ফিডব্যাক ছাড়া আগানো খুব কঠিন, বন্ধুরা তো ভাল বলবেই, তার পরের পুল সিরাত পার হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং।

ছবি এক সময় আপনি ফাটায়া তুলবেন কারণ আপনার প্যাশন আছে। এখন এই প্যাশানটা লেখা-ছবির মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন, যাতে আরো মানুষ ছবি তোলায় আগ্রহী হয়, ছবি নিয়ে কথা বলতেও আগ্রহী হয়।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ফ্রাঙ্কলি বললে, সচলে ছবি পোস্টানোর মূল উদ্দেশ্য কিন্তু ফিডব্যাক। ছবি শেয়ার করে মানুষকে দেখানোর জন্য ফেসবুক জায়গাটা খারাপ না, সেখানে একেবারে বিতর্কহীন প্রশংসা পাওয়া যায়। কিন্তু ওটাতে মজা নাই, চ্যালেঞ্জ নাই। আমি জানি সচলে বিনা কারণে প্রশংসা করবেন, এরকম লোক কম আছে। ভাল না লাগলে, "ভাল লাগে নাই" সেইটুকু মুখের ওপর বলার মত মানুষ সচলে আছে বলেই সচলে ছবি পোস্টানো। কারণ যে কোন ক্ষেত্রেই ফাইনম্যানের সেই বিখ্যাত উক্তিটা খাটে, "There's Plenty of Room at the Bottom".

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, চমৎকার মন্তব্যের জন্যে।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

ফ্লিকারের অবস্থা আরো করুণ। ফেবুতে তো তাও বন্ধুরা তেল মারে, ফ্লিকারে অবন্ধুরাও কম তেল দেয় না। সাধারণ একটা ছবিতেও দেখবেন মন্তব্য : Amazing! অথচ সেরকম কোন ছবিই না। ফ্লিকারে অল্প কিছু গ্রুপ ছাড়া ছবি দিয়ে কোন ফীডব্যাক আশা করা যায়না।

আপনার পজিটিভ এ্যপ্রোচ অনুকরণীয়, বিশেষ করে নতুনদের/এ্যামেচারদের জন্য।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

কথা ঠিক পিপিদা।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

অনুপম ত্রিবেদি এর ছবি

ছবি তোলার ক্ষেত্রে আমার প্রথম এবং প্রধান পছন্দ ওয়াইড এঙ্গেল। আজ পর্যন্ত আমার ১১-১৬ টকিনা টা কখনো ১১মিমি ছেড়ে বাইরে যায়নি ... হা হা হা ... । টকিনা হাতে পাবার পর আমার আর কোনো ল্যান্সের স্বপ্নই নাই!!! তবে আপনি সিগমা না কিনে টকিনা কিনলে ভালো করতেন। টকিনার গ্লাস কোটিং মারাত্মক, অনেক বছর টিকে থাকে কিন্তু সিগমারটা বছর পেরুলেই বোঝা যায় যে, ল্যান্সের বয়স হয়েছে, কালার কেমন যেনো ফেড হয়ে যেতে থাকে।

সব ছবি সবসময় সব এডিটিং ডিসার্ভ করে না। আর এডিটিং হলো গাড়ি চালানোর মতো, আপনাকে বুঝতে হবে যে ঠিক কখন আপনার ব্রেক কশা জরুরী, অন্যথায় বিশাল দূর্ঘটনা। এডিটিং-এর ক্ষেত্রে আপনার পরিমিতি বোধটাই ছবির মূল আকর্ষণটাকে বাড়িয়ে দেবে। তবে অনেকেই আছেন যারা এডিটেড ছবি হলেই ওটাকে 'অচ্ছুৎ' মেনে নাক সিঁটকান, তাদের কাছে ঐ পরিমিতি - অপরিমিতিটা কোনো ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় না। তবে যেহেতু ছবিটা তুলেছেন আপনি এবং আপনিই এটা দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করছেন সুতরাং কিভাবে উপস্থাপন করবেন সেটা একান্তই আপনার ব্যাপার। সব খাবারই যে সবাই খাবে তা নয়, তাই বলে আমি যা খাই না বা খেতে পারি না তা 'অখাদ্য' সেটা আমি অবশ্যই বলতে পারি না।

HDR এর ব্যাপারে বলবো যে, আপনি Micro Contrast, Light Smoothing আর Strength নিয়ে আরো ক্রিয়েটিভ হোন। আপনার ছবিতে Light Smoothing আর Strength এর কারনে hollow আর Micro Contrast এর কারনে ব্ল্যাক ডটস এর উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়। আর স্পেশালি Light Smoothing পার্ফেক্ট না হওয়ায় ছবি বেশ ফ্ল্যাট হয়ে গেছে। কয়টা টিপস দেই -
১) Light Smoothing এর value পজিটিভ ৭-১০ এর মধ্যে রাখলে লাইট সাধারনত হরাইজন থেকে চারপাশে খুব সুন্দর করে ডিদট্রিবিউট হয়।
২) Strength এর value ৬০-৮০'র মধ্যে রাখা যেতে পারে।
৩) Saturation কখনই ৪৫-৫০ এর উপরে না।
৪) Luminance এক্কেবারে ৯-১০।
৫) Local Contrast এক্কেবারে ৯-১০।
৬) White Point & Gama ছবির Test & Exposure অনুযায়ী বাড়ালে কমালেও Black Point কে নিয়ে একটু খেলাধূলা করবেন, এটাতে ছবির Shadow area গুলো অনেক smooth হয়। কারন আলোর নীচে অন্ধকার না থাকলে সেই আলোতে কোনো মজা আসবে না, খালি flat একটা ফ্রেম মনে হবে।
৭) Micro Contrast কোনো ভাবেই ৫-৬ এর নীচে নামাবেন না, পারলে ৮-১০-এ রাখতে পারেন।

আজ এ পর্যন্তই।

পোস্টে জাঝা।

==========================================================
ফ্লিকারফেসবুক500 PX

ফাহিম হাসান এর ছবি

জনাব অনুপম ত্রিবেদি,

এতদ্বারা জানানো হইতেছে যে আপনি বহুদিন যাবত সচলায়তনে কোন পোস্ট প্রদান করিতেছেন না। আপনার জ্ঞানের ভান্ডার আড়াল করার এই অপপ্রয়াসকে তীব্র ধিক্কার!

এই মর্মে আপনাকে এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম দেওয়া হইল - এর মাঝে ছবি পোস্ট না আসিলে খবর আছে কিন্তু।

ইহা স্রেফ হুমকি, এরপর ডাইরেক্ট অ্যাকশান হইবে।

নিখিল সচল ফটুগফুর ও ফটুপ্রেমিক সমিতি

অনুপম ত্রিবেদি এর ছবি

আমি ইতোমধ্যেই তিনটা ছবি ব্লগ রেডি কইরা বইসা আছি, মাগার সময়ের এতোই অভাব যে ছবি গুলা আপ্লোডাইতে পার্তাছিনা। আই আম ডেড ... পুরাই ডেড ...

==========================================================
ফ্লিকারফেসবুক500 PX

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

অপেক্ষায় আছি ভাই।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ফাহিম ভাই এর সাথে একাত্নতা প্রকাশ করে গেলাম। ছবিপোস্ট চাই।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

সাফি এর ছবি

ত্রিমাত্রিক কবির যদি আপত্তি না থাকে, তাহলে এই পোস্টের দুই একটা ছবি অনুপম ত্রিবেদি ভাইকে দিলে উনি যদি একটা তুলনামূলক এডিটিং টিউটোরিয়াল লিখতেন, সবাই উপকৃত হতাম। শুধু এই মন্তব্য থেকেই অনেক কিছু জানলাম। তবে বিস্তারিত পোস্টের জন্য আগাম ধন্যবাদ দিয়ে রাখলাম।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আমার কোন আপত্তি নাই। আমি সানন্দে রাজি হব।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আরিফ ভাই,
আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় ছিলাম। আমার এইচডিআর-এর প্রেমের শুরু আপনার ছবিপোস্ট থেকে। এই ফিডব্যাকটা দরকার ছিল। এইগুলা আমার একেবারে প্রথম করা কয়েকটা এইচডিআর। অনেক প্যারামিটার নিয়ে গুতাগুতি করার অপশান ছিল। ধীরে ধীরে হয়ত করব। আপনার টিপসগুলো মাথায় রেখে চেষ্টা করব আবার। দেখি কেমন হয়।

আর সিগমা কিনে কী তবে ধরা খেলাম? আপনার এক্সপার্ট অপিনিয়ন নেয়া দরকার ছিল মন খারাপ

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

কল্যাণ এর ছবি

গুরু গুরু

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

ফাহিম হাসান এর ছবি

দুষ্টামি বাদে, সিরিয়াস নোটে - উপরের মন্তব্যের সাথে কয়েকটা ছবি আর কিছু প্রাসঙ্গিক আলোচনা যোগ করলেই চমৎকার একটা পোস্ট হয়ে যায়।

এডিটিংয়ের উপর একটা থ্রেড খুলুন। ফটোগ্রাফি নিয়ে যাদের উৎসাহ তারা সবাই মিলে আলোচনা করি, আড্ডা দেই।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

চলুক

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

খুব কাজের প্রস্তাব।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

বন্দনা এর ছবি

ভালু একখান কেম্রা কিনতে মন চায়, কিসব দুর্দান্ত ছবি তুলেছেন।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

কিনে ফেলেন, কি আছে জীবনে!

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

কল্যাণ এর ছবি

ঈর্ষা...

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

একটা পোস্ট টোস্ট দিয়ে দেন। শুধু ঈর্ষা করে লাভ কি?

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

Joy Imran এর ছবি

ভাল লাগলো এল্বামতা........................।।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপ্নারে আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

ইফতেখার এর ছবি

অসাধারন আপনার লেখা.........

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

কাজি মামুন এর ছবি

ভাইয়া,
আপনার এই জটিল লেখাটি কোন কুক্ষনে যে মিস করেছিলাম, কে জানে! পুরান জিনিস পইড়া যে মজা পাইছি, তাজাডা পড়লে মনে হয় পুরাই আওলা হইয়া যাইতাম! হাসি

আপনার সঙ্গে নিজের যে মিলগুলান খুঁইজা পাইলাম, তা হইলঃ
১. আমিও ''ছোটবেলায় চিকন চাকন আছিলাম।''
২.আমারও ''বেশীরভাগ কাজের মোটিভেশান আসে ঈর্ষা থেকে। কাউকে ভাল খারাপ কিছু করতে দেখলেই শান্তি পাই না, ওইটা আমার করাই লাগবে, পারি না পারি। এই এক বিশাল পেইন।''

কিন্তু যেইখানে অমিলডা ধরা পড়লঃ
''এরপরের ঘটনা একই রকম, পোলাপানের দেখাদেখি'' বিদেশ যাইতে পারলাম না; কারন মানুষ হিসাবে আমি চরম ভীরু।

ধুমায়ে ছবি তুলি, জাতের হয় না, কিন্তু হাল ছাড়ি না, আশে পাশে যা পাই, টেবিলের উপ্রে কলম, পেন্সিল থেকে শুরু করে বাথ্রুমের কমোড, রান্না করা খিচুড়ি কিছুই বাদ যায় না। .....নেট থেকে কিছু ভাবের কবিতা আর গান কালেক্ট করে ভাবের একটা পোস্ট বানায়ে ফেলি

বিমলানন্দ ভোগ করিলাম এমন মজার মজার বাক্যামৃতে!

আর ছবিগুলো তো চোখ ধাঁধায় দিছে। তবে নির্ঘন্ট পইড়া যেই মজা পাইছি তা আর ভাষায় বলিবার নয়!

পরিশিষ্টঃ আপনার এই লেখাটা আমার দারুন পছন্দ হয়েছে। আপনার লেখার মেজাজের সাথে তাল রেখেই আমার ভাল লাগাটা প্রকাশ করলাম! এরকম আরো লেখা চাই কিন্তু!

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

মামুন ভাই, একটু দেরিতে দেখা হল মন্তব্যটা। এরকম একটা মন্তব্য পেলে কোন চিন্তা-ভাবনা ছাড়াই আরও কয়েকটা লেখা নামিয়ে দেয়া যায়। এরকম এক-একটা মন্তব্যই আমার এইসব আবজাব লেখার সার্টিফিকেট। ভাল থাকুন ভাইয়া।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।