ব্লগারদের স্বকীয়তা সংরক্ষণ

সচল জাহিদ এর ছবি
লিখেছেন সচল জাহিদ (তারিখ: শনি, ১৮/১২/২০১০ - ৩:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ব্লগার হিসেবে আমার ব্লগিং এর সূচনা প্রায় দু'বছর হতে চলল এবং সেটি সচলায়তন থেকেই শুরু। বলতে গেলে সচলায়তনে এসেই বিভিন্ন ব্লগারদের সাথে পরিচয় এবং সেই সাথে ভার্চুয়াল বন্ধুত্ত্ব। বিভিন্ন মূদ্রণ মাধ্যমে লেখালেখির সূচনাও বলতে গেলে ব্লগিং থেকেই। তাই ব্লগিং এর গুরুত্ত্ব আমার জীবনে অপরিসীম একথা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এই ব্লগিং এর সাম্প্রতিক একটি ইস্যু যাকে বলা যেতে পারে 'ব্লগারদের স্বকীয়তা', নিয়েই আমার আজকের আলোচনা, আরো ভাল করে বলতে গেলে এই ইস্যুটি নিয়ে অন্যদের মতামত জানাটাই মূল উদ্দেশ্য। আমি দুটি অভিজ্ঞতার আলোকে এই পোষ্টের আলোচনা সীমিত রাখব, হয়ত এর বাইরে আরো অভিজ্ঞতা অন্যদের থাকতে পারে, আশা করি সেক্ষেত্রে তারা এই পোষ্টে তা জানাবেন।

অভিজ্ঞতা ১

বকলম নামে একটি বাংলা ব্লগ আছে। আমার এক অনুজপ্রতীম রিজভীর অনুরোধে আমি বকলম ব্লগে মাঝে মাঝে লিখি। সময়ের অভাবে নতুন কোন লেখা দিতে পারিনি, তবে আমার পূর্ব প্রকাশিত কিছু লেখা সেখানে রিপোষ্ট করতাম এবং সেটি 'সচল জাহিদ' নিকেই। হঠাৎ একদিন লক্ষ্য করলাম সেখানে 'ষষ্ঠ পান্ডব' নিকে একজন ব্লগিং করছেন। স্বভাবতই আমার ধারনা হলো যে তিনি সচলায়তনের ষষ্ঠ পান্ডবই হয়ত হবেন। তার ব্লগে ঢুকে তার প্রকাশিত পোষ্টগুলি দেখে আমার মনে কিছুটা সন্দেহ উদয় হয়, কারন লেখাগুলির মান ও ধরণ কোনটাই সচলায়তনের ষষ্ঠ পান্ডবের নিজস্ব ঘরানার ছিলনা। আমি আরেকটু নিশ্চত হবার জন্য বিষয়টি সচলায়তনের ষষ্ঠ পান্ডবকে ফেইসবুকের মাধ্যমে জানাই। জবাবে ষষ্ঠ পান্ডব জানান সে নিশ্চিত ভাবে এই ব্যক্তি তিনি নন। পরবর্তীতে বকলমের সাথে যোগাযোগ করে 'ষষ্ঠ পান্ডব' নিকটি সচলায়তনের 'ষষ্ঠ পান্ডব' কতৃক সংরক্ষণ করা হয় এবং বকলমের ঐ ব্লগার নিজের নিক পরিবর্তন করে 'এক যে ছিল রাজপুত্তুর' নিকে লিখতে থাকেন।

এখানে কয়েকটি জিনিস লক্ষ্যনীয়ঃ

প্রথমত, ষষ্ঠ পান্ডব নামটি কোন কপিরাইট নিবন্ধিত নাম নয় যে অন্য কেউ এই নিকে লিখলে সেটি দোষের হবে, তবে নিশ্চিত ভাবে এটি একধরনের অসৌজন্যতা যদি তিনি জেনে থাকেন যে এই নামে অন্য একজন লিখে থাকন অন্য ব্লগে। যদি তিনি একেবারেই না জেনে থাকেন তাহলে কোন দোষেই তিনি দুষ্ট নন।

দ্বিতীয়ত, একই নিকে একাধিক ব্লগার লিখলে পাঠক খানিকটা সমস্যায় পড়তে পারেন। আমি অভিজ্ঞতা থেকে যতটুকু জানি অধিকাংশ পাঠক একাধিক ব্লগে যাতায়াত করেন যেমনটা করেন দৈনিক পত্রিকার ক্ষেত্রে। সেক্ষেত্রে একই পাঠক সচলায়তনে এসে ষষ্ঠ পান্ডবের লেখা পড়ে যখন বকলমে যাবেন তখন সেখানেও যদি ষষ্ঠ পান্ডব নামে কাউকে লিখতে দেখেন তার প্রাথমিক ধারনা হবে দুই জন একই ব্যাক্তি। যারা নিজের নামে লিখেন ( পিতৃদও পুরো নাম বা আংশিক নাম) তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা তেমন প্রকট নয় কিন্তু যারা ছদ্মনামে লিখেন তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা যথেষ্ট প্রকট।

এই আলোকে আমার একটি মতামত ব্যক্ত করতে চাই তা হচ্ছে বাংলা ব্লগিং এ যতগুলো ব্লগ আছে তাদের সবাইকে নিয়ে একটি সাধারণ ব্লগার ডাটাবেজ করা যায় কিনা যা ব্লগারদের এই স্বকীয়তা রক্ষায় এগিয়ে আসবে। এখন যেমন একটি নির্দীষ্ট ব্লগে একই নামে আগে কেউ নিবন্ধিত হলে সেই নামে অন্য কেউ নিবন্ধিত হতে পারেননা, সেরকম ভাবে সব ব্লগগুলোর ব্লগারদের নিক নিবন্ধনের ক্ষেত্রে একট সাধারন ডাটাবেজ থাকলে একই নিকে অন্য ব্লগেও কেউ নিবন্ধিত হয়ে থাকলে সেই নামে আর কেউ নিবন্ধিত হতে পারবেনা এরকম একটি এলগরিদম নিয়ে আসা যেতে পারে।

অভিজ্ঞতা ২

একজনের ব্লগ থেকে কপি করে অন্য ব্লগে অন্যজনের নামে তা প্রকাশ করা, বা মুদ্রণ মাধ্যমে প্রকাশ করা নতুন কিছু নয়। এই জঘন্য কাজটি অনেকেই করে থাকেন এবং এক্ষেত্রে অনেকটা দায় পড়ে যে ব্লগে এই কপি করা লেখা পোষ্ট আকারে আসে সেই ব্লগের উপরে বা যে মূদ্রণ মাধ্যমে প্রকাশিত হইয় তার উপরে। যতদূর জানি সচলায়তন এক্ষেত্রে যথেষ্ট সাবধানী, ফলে সচলায়তনে আমি অন্তত এই ধরনের প্রবনতা লক্ষ্য করিনি। যাই হোক, এই কপি করা পোষ্ট কিভাবে একজন ব্লগারের স্বকীয়তার উপর হস্তক্ষেপ করতে পারে তার একটি উদাহরণ এখন দেইঃ

একদিন আমি নিজের নিক 'সচল জাহিদ' দিয়ে গুগুল সার্চ করছিলাম। নিজের পরিচিত বিভিন্ন পোষ্ট আর কমেন্টের ভীরে হঠাৎ করে 'সোনার বাংলাদেশ' নামক এক ব্লগের লিঙ্কে আমার নাম দেখে যথেষ্ট কৌতুহল হয়ে লিঙ্কটিতে যাই। লক্ষ্য করি যেখানে একটি মন্তব্যে আমার নাম উল্লেখ করা হয়েছেঃ

comment

মন্তব্য পড়ে যেটা বোঝা গেল 'সুদীপ্ত সেন' নামে 'সোনার বাংলাদেশ' ব্লগে একজন ব্লগার 'বুয়েটে শিবিরকে বিতাড়িত করেছিলাম যেভাবে-১ ও ২' নামে দুটি ব্লগ লিখেছেন এবং উপরোক্ত মন্তব্যকারীর মতামত হচ্ছে হয় 'সুদীপ্ত সেন' লেখাগুলি আমার (সচল জাহিদ) সচলায়তনের পোষ্ট থেকে কপি করেছেন অথবা আমিই সুদীপ্ত সেন নামে 'সোনার বাংলাদেশ ব্লগে লিখি'। প্রথম সন্দেহটি আমার কাছে তেমন কোন গুরুত্ত্ব বহন করেনা, কিন্তু দ্বিতীয়টি করে কারন ইতিমধ্যে 'সোনার বাংলাদেশ ব্লগ' সম্পর্কে একটি সাম্যক ধারণ আমার হয়েছে। তার চেয়েও বড় কথা 'সচল জাহিদ' নিকে গত প্রায় দুই বছর ধরে ব্লগিং করে পাঠকের কাছে যে পরিচিতি আমার হয়েছে এই ধরনের ঘটনা তার প্রতি এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করতে পারে।

আমি আরো আগ্রহী হয়ে সুদীপ্ত সেনের ব্লগে যেয়ে দেখলাম তিনি আমার সচলায়তনে প্রকাশিত 'ধর্ম রাজনীতি না মগজ ধোলাই' শিরোনামের একটি লেখা এবং তার মন্তব্য থেকে হুবুহু নকল করে দুটি পোষ্ট লিখেছেন। সুদীপ্ত সেনের পোষ্ট যার শিরোনাম "বুয়েটে শিবিরকে বিতাড়িত করেছিলাম যেভাবে-১" লেখাটির প্রথম প্যারাটি বাদে বাকী সব প্যারাগুলিই আমার উপরোক্ত পোষ্টের সর্বশেষ প্যারা থেকে হুবুহু নকল করা। তার আরেকটি পোষ্ট যার শিরোনাম "বুয়েটে শিবিরকে বিতাড়িত করেছিলাম যেভাবে-২" লেখাটিরও প্রথম প্যারাটি বাদ দিয়ে বাকী সব প্যারাগুলিই আমার উপরোক্ত পোষ্টে ব্লগার "ষষ্ঠ পান্ডব" এর করা মন্তব্য ( মন্তব্য সিরিয়াল ১৩, নং ৩৫) থেকে হুবুহু নকল করা।

আমি বিষয়টি অনুধাবন করে সোনার বাংলাদেশ ব্লগের মডারেটর বরাবর (sonarbangladeshblog@yahoo.com) একটি ইমেইল করি ১২ ডিসেম্বর এবং আজ পর্যন্ত তার কোন উত্তর পাইনি। ইমেইলটি নিচে দিলামঃ

email

আমি ঠিক জানিনা অন্যদের এরকম কোন অভিজ্ঞতা হয়েছে কিনা। আমার কাছে সবচেয়ে ভয়াবহ লেখেছে মূলত ঐ মন্তব্যটি যেখানে অন্য একজন ব্লগার সুদীপ্ত সেনের সাথে আমাকে মেলাতে চেষ্টা করেছেন কিংবা সন্দেহ করেছেন।

উপরোক্ত দুটি ঘটনা সবাইকে জানানোর উদ্দেশ্য মূলত দুটিঃ

একঃ সব ব্লগারদের এই বিষয়ে সাবধানী হবার জন্য। আপনি যে নিকে লিখেন তা দিয়ে মাঝে মাঝে গুগুল সার্চ করে দেখতে পারেন আপনার কোন কিছু অন্য কেউ অন্য কোন ভাবে ব্যবহার করছে কিনা।

দুইঃ এই সমস্যা সমাধানে সব ব্লগগুলোর সমন্বয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় কিনা, যেমন নতুন কোন পোষ্ট আগের কোন পোষ্টের ( যে কোন ব্লগের) সাথে উল্লেখযোগ্য অংশ মিলে যায় কিনা তা বের করার জন্য কোন এলগরিদমের সাহায্য নেয়া এবং তা সব ব্লগেই সাধারণ ভাবে ব্যবহার করা।

ব্লগারদের স্বকীয়তাহানির আরো কোন ঘটনা জানা থাকলে কিংবা স্বকীয়তা রক্ষায় কি কি পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে সেই বিষয়ে কোন মতামত থাকলে তা এই পোষ্টে মন্তব্য প্রকাশ করার অনুরোধ জ্ঞাপণ করছি।


মন্তব্য

অনিকেত এর ছবি

চমৎকার লেখার জন্যে প্রথমেই ধন্যবাদ জানিয়ে দিই।

ঠিক এই জিনিসটাই মাস খানেক আগে আমিও ভাবছিলাম। আমার অন্য ব্লগে তেমন ঘোরা হয় না। মাঝে-সাঝে যাই সামু, আমরা-বন্ধু আর উন্মোচন ব্লগে।
একবার শুধু কৌতুহলী হয়েই আমার নিক দিয়ে সার্চ করছিলাম। দেখা গেল সামু ব্লগে আমার নিকের 'প্রায় কাছাকাছি' একটা নিক আছে। যেমন 'অনিকেত কবি'। ভাগ্যিস 'কবি' শব্দটা জুড়ে দিয়েছিলেন নাহলে বেচারাকে আমার সমস্ত দুর্নামের বোঝা বইতে হত! আরো একটা নাম দেখেছিলাম--- নামের বানানের কিঞ্চিত হেরফের করিয়ে লেখা। কিন্তু এখন আর খুঁজে পেলাম না। প্রথমে ভাবছিলাম---যাঃ আমি তো বিখ্যাত হয়ে গেছি!! লোকজন আমার নাম নকল করতে শুরু করেছে !!! তারপর সচরাচর যেমন হয়---আমার মোটা মাথায় কিঞ্চিত দেরীতে হলেও আরেকটা সম্ভাবনা উঁকি দিয়ে গেল---এমনও তো হতে পারে 'অনিকেত' নামটা এমন কিছু আন-কমন নাম নয় (যতটা আন-কমন ভেবে নিজে মাঝে মাঝে আত্মপ্রসাদে ভুগি)। পরে একদিন গুগুলে সার্চ দিয়ে দেখলাম আসলেই সত্যি! প্রচুর 'অনিকেত' পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। এমনকি আর্টসেলের একটা গানের কথায়ও 'অনিকেত' শব্দটা আছে ('অনিকেত প্রান্তর')।

তবে আসল কথাটা হল--আমার লেখালেখি কেউ মেরে দিয়েছেন বলে মনে হল না। আবারও আমার মোটা মাথায় বেশ দেরী করেই আরেকটা সম্ভাবনার উদয় হল----আমার লেখা 'সেইরকম' জঘন্য ফালতু বলেই হয়ত কেউ নকল করে না। আমার মনটা তখন একটুও খারাপ হয়নি--এইটে বললে মিথ্যে বলা হবে।

এতসব কথা বলার উদ্দেশ্য একটাই---লোকজন তোমার লেখা/নিক নকল করবে যখন সে লেখাগুলো প্রভাব বিস্তার করবে মানুষের মাঝে। আমাদের সচলায়তনে যে গুটি কয়েক মানুষ সকল সময় জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লেখে-- তুমি তাদের একজন। শুধু তাই নয় সাম্প্রতিক কালে গঙ্গা-চুক্তি নিয়ে এবং ঢাকার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা নিয়ে তুমি যে ক'টি লেখা দিয়েছ---আমার মনে হয় না আর কেউ এমন কোন লেখা দিতে পেরেছেন। কাজেই তুমি যে লোকজনের লক্ষ্য হবে এটা তো জানা কথাই। কাজেই তোমার লেখা চুরি করে ফেলেছে বলে তুমি মন ভার করতে পার ঠিকই, ক্ষুব্ধও হতে পার---কিন্তু সেই সাথে এইটে ভুললে চলবে না যে লোকে অনুকরন করে তাদেরই, যারা অনুকরনীয়। তাই আরো সকল মনখারাপের মাঝে অন্তত এই একটা 'সিলভার লাইনিং' আমি দেখতে পাচ্ছি।

কিন্তু আমি তোমার সাথে সম্পূর্ণ একমত---আমাদের লেখালেখিগুলো আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সন্তান, আমাদের মনসিজ মন্তাজ। কেউই এইটা সহ্য করতে পারবে না যদি সে দেখে অন্য কেউ এসে এইগুলো তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছে,চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। আমার কথা হল---লেখা যদি নিতে চাও, নাও। কিন্তু কার লেখা সেইটা তো অন্তত বলবে, নাকি? কুম্ভীলতার কুমিরে আমাদের আর সকল লেখালেখি গাপ করে দেবার আগেই এ বিষয়ে আমাদের সজাগ হতে হবে।

আবারো অনেক ধন্যবাদ---এই জরুরি জিনিসটা নিয়ে লেখার জন্যে।

শুভেচ্ছা নিরন্তর!

সচল জাহিদ এর ছবি

ধন্যবাদ অনিকেতদা বিশদ মন্তব্যের জন্য। আসলে আমার মূল বক্তব্য ছিল ব্লগ কতৃপক্ষের সদিচ্ছা থাকলে এই কপি পেষ্ট বা নিকের সমস্যাগুলি সমাধান করা অপেক্ষাকৃত সহজ। পাঠক অনেক ক্ষেত্রেই এই জাতীয় নকল প্রবণতার ফলে বিভ্রান্তিতে পড়তে পারে যা আসলে সামগ্রিক ব্লগ সংস্কৃতির জন্যই নেতিবাচক।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

সজাগ হলাম। কিন্তু এসব ঠগদের ঠেকানোর উপায় কি?

মিনার মাহমুদেরা লেখকের অনুমতি না নিয়ে লেখা ছাপছে তাদের পত্রিকায়।

বইমেলায় দেখা যাবে আমার কিংবা তোর বা অন্য ব্লগারের লেখা মেরে দিয়ে বই বের করে ফেলেছে। সবাই মিলে এসব জোচ্চরদের টাইট না দিলে সামনে খবরাছে।

সচল জাহিদ এর ছবি

উপায় কি কি হতে পারে সেটা আলোচনা করার জন্যই আলোচনা। আমি দুই একটি সমাধান উল্লেখ করেছি লেখায়। ব্লগের কপি পেষ্ট তাও সার্চ করে কখনো কখনো বের করা সম্ভব, মিনার মাহমুদের মত লেখা পত্রিকায় প্রকাশ করে দিলেত সেটাও বের করা আরো কষ্টকর যদিনা কেই তা না পড়ে থাকে। সবাই কিছু কিছু ধারণা দিলে একটি সমাধানে হয়ত আসা যেতে পারে।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

গত বই মেলাতে মুজিব মেহেদীর বই, ইমরুল কায়েসের গল্প এগুলো দিয়ে চোরেরা বই বের করেছে। এই বইমেলাতে সচলদের লেখা চুরি করে বই বের না হলেই বরং আমি অবাক হবো।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

এই সমস্যা আপনাদের মত ভারী ভারী লেখা যারা লেখেন, তাদের চোখ টিপি (মজা করলাম)

নিকের যেহেতু কোন কপিরাইট নেই সেহেতু বিষয়টি ব্লগ-মডারেটরদের বিবেচনার উপর ছেড়ে দেয়া যায়। অধিকাংশ ব্লগই বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিবে বলে বিশ্বাস করি। তবে যেসব ব্লগের উদ্দেশ্যেই কপি-পেস্ট করা, তাদের উপর যে ভরসা করা যায়না তা আপনার ইমেইলের জবাব না পাওয়া দেখেই বোঝা যাচ্ছে।

পাগল মন এর ছবি

আমারো ধারণা যে যারা আপনাদের মত খুব ভালো লেখে তাদের জন্য এসমস্যা। চোখ টিপি
তবে কিছু কিছু ব্লগ আছে যেখানে ধুমায়ে কপি-পেষ্ট লেখা প্রকাশ হচ্ছে, তাই আমার মনে হয় না উল্লেখিত ব্যবস্থাগুলো ওসব ব্লগের মডারেটররা করতে ইচ্ছুক হবে। কেননা, এটা করলে তাদের ব্লগের কাটতি কমে যাবে বলেই তারা মনে করবে হয়ত।
তবে হলে খারাপ হতো না।
_________________________________________________
হায়রে মানুষ, রঙিন ফানুস, দম ফুরাইলে ঠুস
তবুও তো ভাই কারোরই নাই, একটুখানি হুঁশ।

------------------------------------------
হায়রে মানুষ, রঙিন ফানুস, দম ফুরাইলে ঠুস
তবুও তো ভাই কারোরই নাই, একটুখানি হুঁশ।

সচল জাহিদ এর ছবি

নকল লেখা দিয়ে কতদিন কাটটি বাড়াবে? ব্লগের কাটতি বাড়ানোর জন্য ভাল মানের মৌলিক লেখার কোন বিকল্প নেই মামুন।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

সচল জাহিদ এর ছবি

নিকের যেহেতু কোন কপিরাইট নেই সেহেতু বিষয়টি ব্লগ-মডারেটরদের বিবেচনার উপর ছেড়ে দেয়া যায়। অধিকাংশ ব্লগই বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিবে বলে বিশ্বাস করি

সহমত। কিন্তু সব ব্লগের মডারেটরদের এই বিষয়টি নিয়ে একই সাথে সচেতনতা বৃদ্ধির উপায় কি হতে পারে ?

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

আপনাকে তো তাও এমন একজনের সাথে গুলানো হয়েছে যে আপনার লেখা কপি করেছে অন্তত। কিন্তু আমাকে তো মনোভাব, লেখার বিষয়, ভাব, উদ্দেশ্য কোনো কিছুতেই মিল না থাকার পরেও এমন একজনের সাথে মিলিয়ে পরে আমার চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করা হয়েছিলো কোনো একটা ব্লগে বছর দেড়েক আগে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো সেই ব্লগের এডমিন সহ অনেকেই আমাকে বেশ ভালো ভাবে চেনা কিংবা জানার পরেও তাঁরা এর কোনো প্রতিবাদ করেন নি। করেছিলেন কেবল একজনই, অগ্রজ/বন্ধু সচল অচ্ছুৎ বলাই।

আর নাম বরাদ্দের ব্যাপারে আপনি যেমনটা বললেন, এটা মোটা দাগে 'অসম্ভবের আব্বা' একটা ব্যাপারই মনে হয় আমার কাছে। এটা করতে হলে সবগুলো ব্লগের জন্য একটা কেন্দ্রিয় ডাটাবেজ থাকতে হবে। যেখান থেকে 'নাম' নিরীক্ষিত হয়ে আসবে। আর যাই হোক, এইটা অন্তত হবে না জাহিদ ভাই। তবে এখন থেকে পঞ্চাশ বছর পরের খবর কৈতারিনা।

আপাততঃ ব্লগারদের প্রতি সম্মান দেখানোর কাজটা তাঁর উপর বর্তায়, যিনি ব্লগারদের নামগুলো নিরীক্ষা করবেন। তবে এটাও ঠিক, তাঁর পক্ষে কি বাংলা ব্লগে ব্যবহৃত নাম সমূহের ব্যাপারে হালনাগাদ থাকা সম্ভবপর? সেক্ষেত্রে কী করণীয়?

ব্লগারদের নামের ব্যাপারে ব্লগ কর্তৃপক্ষ কিছু না করতে পারুক, অন্তত কপি-পেস্টের ব্যাপারে কঠোর মনোভাব প্রকাশটা কাম্য হতে পারে তাঁদের কাছ থেকে। অন্য ব্লগারের, অন্য ব্লগের লেখাকে কপি-পেস্টের আওতায় ফেলে নিজেদের ব্লগে প্রকাশ করাটাকে যদি তাঁরা নিরুৎসাহিত করেন তাহলে অনেক বিড়ম্বনা কমে যাবে।



বিএসএফ—
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

'অসম্ভবের আব্বা'
হো হো হো

অতিথি লেখক এর ছবি

এটা করতে হলে সবগুলো ব্লগের জন্য একটা কেন্দ্রিয় ডাটাবেজ থাকতে হবে। যেখান থেকে 'নাম' নিরীক্ষিত হয়ে আসবে।

একটা বিকল্প উপায় আছে। প্রতিটি ব্লগ সাইট তাদের নিবন্ধিত সদস্যের একটা ওপেন ডাটাবেজ রাখতে পারে। নতুন সদস্যের নিক ফাইনাল করার আগে অন্যান্য ব্লগিং সাইটে একটা করে কোয়েরি সার্চ/HTTP request দিতে হবে শুধু। এটাও হবে বলে মনে হয় না, এটা অসম্ভবের ছোট ভাই।
-রু

সচল জাহিদ এর ছবি

হুম, তোমার কথা শুনে আসলেই বিষয়টিকে জটিল মনে হচ্ছে। তবে প্রতেকটি ব্লগের যদি ডাটাবেজ থাকে এবং ব্লগগুলোর মডারেটর/ কতৃপক্ষদের নিয়ে যদি সাধারন কোন প্লাটফর্ম তৈরী করা যায় সেক্ষেত্রে এই অবসম্ভবের আব্বা কে হয়ত কিছুটা হলেও বশে আনার চেষ্টা করা যাতে পারে। অবশ্য তোমার অভিজ্ঞতা অনেক বেশি। ব্লগ অংগনে আসলে কত কাহিনী যে ঘটে তার অনেক কিছুই আমি জানিনা।

কপি পেষ্টের বিষয়ে তোমার সাথে একমত। এক্ষেত্রে ব্লগ কতৃপক্ষকেই সচেষ্ট হতে হবে। কিন্তু এই সচেতনতা বৃদ্ধির উপায় কি ?

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

মাহবুব রানা এর ছবি

দুটোই সমস্যা, তবে প্রথমটা নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। নিক দেখে ঢুকলেও লেখা দেখেই কিন্তু আপনি বুঝে ফেলেছিলেন তিনি 'আসল' ষষ্ঠপান্ডব নন কারন 'লেখাগুলির মান ও ধরণ কোনটাই সচলায়তনের ষষ্ঠ পান্ডবের নিজস্ব ঘরানার ছিলনা'।

দ্বিতীয়টার সমাধান জরুরি।

স্বাধীন এর ছবি

ভালো বিষয়ের অবতারনা করেছো। নিকের ব্যাপারটি তে তেমন কিছু করার আছে কি? অন্য ব্লগে যদি কেউ স্বাধীন নাম নিয়ে লিখে কি করার আছে? একটি জিনিস করা যেতে পারে নুতন ব্লগ কেউ খুললেই সেখানে নিজের নিক নিজেই রেজিষ্ট্রেশন করে রাখা যেতে পারে, লিখি বা না লিখি :D। এটাও আসলে বাস্তব কোন সমাধান না। কত ব্লগে যেয়ে একাউন্ট খোলা সম্ভব আর সোনার বাংলা বা সদালাপে যেয়ে একাউন্ট খুলতেও ইচ্ছে হবে না কোন দিন।

লেখা চুরি রোধে এল্গরিদম দাড় করানো তেমন কঠিন হবার কথা নয়। মুর্শেদ ভালো বলতে পারে। যে কোন লেখা কেউ সাবমিট করলে, সেই লেখাটি দিয়ে গুগুলে অটমেটিক একটি সার্চ দেওয়া এবং যদি কোন লেখার সাথে ৬০ বা ৭০ ভাগের উপর মিলে যায় তবে লেখাটি চুরি করা বলে চিন্তা করা যেতে পারে। পরে শিওর হবার জন্য ম্যানুয়ালী চেক করা যেতে পারে। কিন্তু এত কাজের চাপ বেড়ে যাবে বলে মনে হয়। কিন্তু করা সম্ভব বলে মনে হচ্ছে।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

১. সুদীপ্ত দাদা দেখি উনার সেকেন্ড পার্টখানা প্রায় পুরোটাই আমার কমেন্ট দিয়ে চালিয়ে দিয়েছেন। তা সেখানে বড় ভাই হিসাবে আমার নাম আর তোমার লেখার লিঙ্কটা তুলে দিলেই পারতেন।

২. ইচ্ছাকৃতভাবে নিক্‌ নকল করা, লেখা চুরি, কপি-পেস্ট এগুলো খুব সহসা বন্ধ করা যাবেনা। অধিকাংশ ব্লগে এগুলো বেআইনী বলে মনে করেনা। এর আগে সামু'তে আমার লেখা চুরির নজির দেখিয়েছিলাম। সেখানে মুখফোড়ের লেখাশুদ্ধ অন্য নামে ছাপা হতে দেখেছি।

৩. কুম্ভীলকবৃত্তি, পল্লবগ্রাহীতা ইত্যাদি তৎসম শব্দ দিয়ে যা বোঝানো হয় তা সোজা বাংলায় চুরি ছাড়া অন্য কিছু না। গৃহস্থ সজাগ থাকতে পারেন, তবে চোর চুরি করে যাবেই তা সেটা সোনার বাংলা ব্লগে হোক, বিচিন্তা পত্রিকায় হোক আর প্রকাশিত বইয়ে হোক।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

সাধারণ একটা ডাটাবেস গঠন করাটা পারিপার্শ্বিক বিচারে অসম্ভব লাগছে আমার। সেটা পাবার আশা করিও না।

তবে অনলাইনে অন্ততঃ লেখা কন্ট্রোলসি আর কন্ট্রোলভি যাতে না হয়- সেটা নিয়ে কাজ করাটা দরকার। মৌলিক এবং ভালো লেখার স্বার্থেই।

_________________________________________

সেরিওজা

দ্রোহী এর ছবি

নাগরিক ব্লগে গিয়ে দেখেন। বাংলা ব্লগের সবাইকে পাবেন।

কেউ একজন দ্রোহী নাম নিয়ে তেল-গ্যাস-কয়লা নিয়ে ফাটিয়ে লিখে যাচ্ছেন।

"দ্রোহী মার্কা কেনার আগে আসল নকল যাচাই করে কিনুন"


কাকস্য পরিবেদনা

নিঝুম মজুমদার এর ছবি

দ্রোহী ভাই , কেমন আছেন ? অনেকদিন পর...

আপনার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে দুইটা কথা বলার প্রয়োজন মনে করছি । জানিনা , রসিকতা করে না এমনিতেই বললেন কথাটা , যে ,

"নাগরিক ব্লগে গিয়ে দেখেন। বাংলা ব্লগের সবাইকে পাবেন।"

এই ব্যাপারটার মানে ঠিক বুঝি নাই । আবার বেশী মানে খুঁজতে যাওয়াও কতটা ঠিক তাও জানি না । তবে , আপনার বলার টোনে মনে হলো , নাগরিক ব্লগে বাংলা ব্লগের সব নিক নাগরিক ব্লগ কর্তৃপক্ষ নিজেরাই বানিয়ে নিয়ে আসেন । এবং সেখানে সাজিয়ে রাখেন । যদি আপনার মন্তব্যের মানে এমন না হয় এবং ব্যাপারটা সারকাস্টিক টোন না হয় তবে ক্ষমা প্রার্থী ও আমার বোঝার ভুল । আপনার মন্তব্যে একজন লাইকও দিয়েছেন দেখলাম । তবে , নাগরিকের এমনটা সম্ভবত দরকার নেই । বাংলা ব্লগের ইতিহাসে ৪২,০০০ হাজার বার পঠিত পোস্ট নাগরিকেরই বলে জানি । অন্যের নাম ধার করে গীত গাইবার তাদের দরকার আছে কি না , সে নিয়ে বিস্তর সন্দেহ আছে । ব্লগ জগতের রেসে নাগরিক ১ম বা ২য় হবার জন্য মত্ত নয় বলেই জানি ও বিশ্বাস করি । , এই পোস্টের লেখক সচল জাহিদ ভাইও নাগরিকের লেখক , তিনিও হয়ত বলতে পারেন ।

নাগরিক ব্লগের ব্যাপারে এমন অভিযোগ এই প্রথম শুনলাম । নাগরিকের একজন ব্লগার হিসেবে স্বাভাবিক ভাবেই ব্যাপারটি আমাকে ভাবালো এবং ভালো লাগেনি । নাগরিক সম্পর্কে ফেক নিকের বা অন্যের নিক নকল করে অভিযোগটাও তাই গুরুতর বলে মনে করি ।

"দ্রোহী" নামের ব্লগারকে আমি দেখেছি । মনে পড়েনা , তবে মন্তব্যও করেছি মনে হয় । প্রথম নাম দেখে খুব স্বাভাবিক ভাবেই আপনার কথা মনে এলেও লেখার প্যাটার্ন দেখে বুঝেছি উনি সচলের দ্রোহী নন । তেল-গ্যাস নিয়ে কাজ করছেন কিংবা আন্দোলন সংগ্রামের সাথে জড়িত, তাই নিক নিয়েছেন "দ্রোহী" , হতে পারে । নট শিওর । এমনও হতে পারে , উনার নাম আসলেই দ্রোহী ।

আমার প্রশ্ন হলো , কেউ যদি অন্য ব্লগে আজ "নিঝুম মজুমদার" নিকে লিখেন বা আমার মত একই নাম ব্যাবহার করে আজে-বাজে কথা লিখেন তাতে আমি তার নাম নিয়ে কিছু বলতে পারব না এই কারনে যে , একই নাম হতেই পারে । আদৌ কি কিছু বল্বার থাকে কি না কানিনা । নাগরিকে গতকাল একজনকে দেখলাম "ব্রাউন হিমু" নামে । এখন জানিনা , এই নাম নিয়েও কথা উঠবে কি না ।

এনি ওয়ে , আপনার কথাটির প্রেক্ষিতে এই কথাগুলো বল্বার ছিলো । তাই জানিয়ে গেলাম । আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে বিনীত অনুরোধ করি , নাগরিক ব্লগ কর্তৃপক্ষকে ব্যাপারটা জানাতে পারেন । সেক্ষেত্রে তারা হয়ত কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন ।

একসময় এখানেই আমার ব্লগিং এর সূচনা হয়েছিলো , সেই টানেই হয়ত সচলের কোনো বদনাম যেমন মেনে নিতে পারি না , তেমনি , আমার মনের কথা বল্বার স্থান নাগরিক নিয়েও এমন মন্তব্যগুলো হজম করতে কষ্ট হয় । আপনাকে কষ্ট দেবার জন্য কিছুই লিখিনি । আমার কথাটাই আমি আপনাকে বলতে চেয়েছি মাত্র ।

ভালো থাকবেন ।

দ্রোহী এর ছবি

প্রথম বাক্যটা রসিকতাও হতে আবার নাও হতে পারে। নাগরিক ব্লগে যে ব্লগাররা ব্লগিং করেন। তাদের অনেককেই অন্যান্য ব্লগে ব্লগিং করতে দেখেছি। হতে পারে মানুষগুলো সত্যিই একসাথে সবগুলো ব্লগে লেখালেখি করেন। আবার হতে পারে কেউ নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য ইচ্ছা করেই অন্য কারো নাম ভাঁড়ানোর কাজগুলো করছে।

আপনি, আমি ,আমরা যারা স্বনামে, বেনামে বাংলা ব্লগিংয়ে জড়িত আছি আমাদের এই স্বনাম/ছদ্মনামগুলো কিন্তু এক ধরনের ট্রেডমার্ক হয়ে গেছে।

সামহোয়্যারইন ছেড়ে আসার পর একদিন দেখতে পাই কেউ একজন "দ্রোহী" নাম নিয়ে শিবিরের কার্যক্রম আর জামায়াত নেতাদের মাহাত্ম্য ব্লগে তুলে ধরতে বদ্ধপরিকর হয়ে নেমেছেন। স্বভাবতঃই পরিচিতদের কেউ কেউ জানতে চাইলেন আমার অ্যাকাউন্ট শিবিরের হস্তগত হল কীভাবে!

বাংলা ভাষার যে কোন ব্লগে গিয়ে আমি "নিঝুম মজুমদার" নামটি দেখলেই ধরে নিব এটা আপনি। অন্য কেউ "নিঝুম মজুমদার" নাম নিয়ে ব্লগিং করতে গেলেই সেখানে আমি অসৎ উদ্দেশ্য খুঁজব।

নাগরিক ব্লগের "দ্রোহী" নামটি দেখেও সেই অসৎ উদ্দেশ্যের কথাই মাথায় এসেছে। তার উপর মানুষটির ব্লগিংয়ের বিষয়বস্তু তেল-গ্যাস-কয়লা যা কিনা আমার পেশাগত বিষয়ের সাথে পুরোপুরি মিলে। স্বাভাবিক ভাবেই নাগরিক ব্লগের পাঠকেরা যারা আমাকে চেনেন তারা ধরে নেবেন নাগরিক ব্লগের দ্রোহী ও আমি আদতে একই মানুষ।

নাগরিক ব্লগের কর্ণধার হিসাবে আপনি যেহেতু বললেন যে কতৃপক্ষের কোন হাত নেই এ ব্যাপারে তখন আশা করছি হয়ত আপনি কোন ব্যবস্থা নেবেন এই বিভ্রান্তি দূর করতে। হয়ত অ্যাকাউন্টটির নাম পরিবর্তন/বাতিল করবেন।


কাকস্য পরিবেদনা

নিঝুম মজুমদার এর ছবি

দ্রোহী ভাই ,

প্রথমেই বলে নেয়া ভালো আমি নাগরিকের কর্ণধার কিংবা মডারেটর কিংবা এডমিন প্যানেলের সাথে জড়িত নই । তবে , এই ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা কিংবা মডারেটর অনেকের সাথেই আমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং আমার লিখবার যথাযথ স্থান ভেবেই আমি সেখানে লিখি । আর নাগরিকের শুরু থেকেই আমি তাদের সাথে আছি । সুতরাং , আমাকে নাগরিকের কর্ণধার বলে ভাবার যৌক্তিকতা নেই ।

আপনার এই সরল মন্তব্য বা আপনার নিজস্ব বলা কথা এতক্ষনে স্ক্রীন শট হয়ে অনেক ব্লগেরই হেডকোয়ার্টারে পৌঁছে গেছে । এবং ইনশাল্লাহ আজকে রাতের ভেতর এই নিয়ে মহা আয়োজন করে পোস্ট আসতে পারে বলে আমার বিশ্বাস ।

তবে আমি কিন্তু আসলেই নাগরিক দ্রোহীর লেখার প্যাটার্ন দেখে ভাবি নি এটি আপনি । কোনো রম্য জাতীয় লেখা দেখলে অতি অবশ্যই আমি ভাবতাম এটি আপনি , এতে সন্দেহ নেই কিংবা হয়ত জিজ্ঞেশ করেই ফেলতাম আপ্নিই সচলের দ্রোহী কি না । আমি আপনাকে একজন অসাধারণ রম্য লেখক হিসেবে জানি ।

যাই হোক , আমি আপনাকে পরামর্শ বা অনুরোধ করতে পারি যে , আপনি নাগরিক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আপনার কোনো অভিযোগ বা অনুরোধ থাকলে তাদের জানাতে পারেন । আশা করি তারা এই ব্যাপারটি নিয়ে ভাববেন । তবে ব্লগ কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে তাদের নিয়ে রসিকতাটা ভালো লাগে নি ।

তবে একই নামের ব্যাপারটা একটি নির্দিষ্ট প্লাটফর্মে হয়ত মডারেটররা ছাড় দেবেন না, কিন্তু অন্য প্লাটফর্মে আসলে এই একই নামের নিকের জটিলতাটা দূরহ । কেউ যদি দাবী করেই বসে আমার নাম সদরুল খাঁ , তবে অন্য ব্লগের সদরুল খাঁ কি করতে পারেন জানি না । তবে ব্যাপারটি ভেবে দেখার মত । সব ব্লগ এই ব্যাপারে চিন্তা করলে হয়ত সমাধান সম্ভব ।

আর একটা কথা , যেহেতু আপনি ভেবেই ছিলেন যে , আমি নাগরিকের কর্ণধার , ( আমি এখন বলার আগ পর্যন্ত) আমার মতে এটলিস্ট এতটুকু কনফিডেন্স আপনার থাকা উচিত ছিলো যে , আপনার অপমান হয় বা আপনি ক্ষতিগ্রস্থ হবেন , এমন কিছুই বরদাস্ত হবে না আমার সামনে । প্রতিবাদটুকু অন্তত করব ।

আমার খারাপ লাগছে এই ভেবে যে , এতটুকু কনফিডেন্স আমি জন্মাতে পারিনি । কি আর করা...

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

আমার নাম দিয়ে গুগলিং করে সোনার বাংলা ব্লগে একবার একটা লিংক পেলাম। লিংক এ গিয়ে দেখি কালের কণ্ঠের রাজনৈতিক সাময়িকী রাজকুটে প্রকাশিত আমার একটা সিনেমা রিভিউ একজন সেখানে পোস্ট করে দিয়েছে। আমার বরাত কিঞ্চিত ভালো যে উনি আমার নাম এবং লেখাটি রাজকুটে প্রকাশিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
তবে কথা হলো আমি সোনার বাংলা ব্লগে আমার নাম, লেখা যাক, এটা আমি চাই না। আরো অনেক জায়গা আছে সেখানেও চাইবো আমার লেখা না যাক। এই রাস্তাগুলো বন্ধ করার উপায় কী?

সচল জাহিদ এর ছবি

পান্থ বস, উপায় জানিনা বলেই এই পোষ্টের অবতারণা।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

হাসিব এর ছবি

সোনা ব্লগে আমার নামেও একটা এ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। পত্রিকায় কিছু লিখলেই সেগুলো সেখানে পোস্ট হয় ও সামুতে বিজ্ঞাপন যায় প্রিয় লেখক হাসিব মাহমুদের লেখা পড়ুন ইত্যাদি বলে। অভিযোগ করে কোন কাজ হয়নি।
________________________________________________
নীড়পাতা.কম ব্লগকুঠি

আরিফ জেবতিক এর ছবি

আপনার প্রস্তাবটি ভালো, তবে বাস্তবায়নের ব্যাপারে সন্দেহ আছে।
সচলায়তন যখন তৈরী করা হয়, তখন সামহোয়্যারে একই নামে একটি নিক চালু হয়। সচলায়তন কর্তৃপক্ষের অনুরোধ সত্ত্বেও সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষ এই নিকটির ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিতে অস্বীকার করেছেন। সুতরাং কমন ডাটাবেজ এর ব্যাপারেও অন্যরা কতোটুকু উৎসাহী হবেন, সেটা ভেবে দেখার অবকাশ আছে।
সমস্যা হচ্ছে অন্য যেকোনো ব্লগেও যেকোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে নিক তৈরী হতে পারে, সবজায়গায় নিয়ন্ত্রন সমান নয়, সবার উদ্দেশ্যও সমান নয়। এটি থামানো আসলেই কষ্টকর।

বড় বিপদ হচ্ছে অনেকেই অন্যের নাম ভাড়িয়ে কোথাও এমন সব কমেন্ট করে ফেলছেন, যাতে করে ভুল বুঝাবুঝির অবকাশ থাকে। আমার নিজের নামে একজায়গায় একটি কমেন্ট দেখেছিলাম, কিন্তু ঐ কমেন্ট আমি করি নি। এখন এসব গুড়লাগানো পাবলিককে ইগনোর করা ছাড়া আর কী করার আছে?

সচল জাহিদ এর ছবি

সামু ব্লগে সচলের নিকের বিষয়টা জানতামনা। এরকম বিদ্বেষী মনোভাব থাকলে আসলেই কিছু করা সম্ভব নয়।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

অদ্রোহ এর ছবি

অনেক সময় কাছাকাছি নাম থাকলেই গুলিয়ে ফেলার আশংকা থাকে, আমি নিজে বারকয়েক এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছিলাম। আর নামটা যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টুকলিফাই করা হয় তবে সেটা আরো ঘোলাটে হয়ে পড়ে। সমস্যাটা হল, এখন ব্লগের ব্যপ্তি দিনকেদিন বাড়ছে, আর পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্লগারদের সংখ্যা। আর সেক্ষেত্রে এ ধরনের নাম ছিনতাই এর হারও বেড়ে যেতে পারে।

--------------------------------------------

আজি দুঃখের রাতে সুখের স্রোতে ভাসাও ধরণী
তোমার অভয় বাজে হৃদয় মাঝে হৃদয় হরণী।

--------------------------------------------
যদ্যপি আমার গুরু শুঁড়ি-বাড়ি যায়
তথাপি আমার গুরু নিত্যানন্দ রায়।

সচল জাহিদ এর ছবি

ইমেইল করার ৬ দিন পর ( আরো ভাল করে বলতে গেলে এই পোষ্ট লেখার ১২ ঘন্টার মধ্যে ) অবশেষে সোনার বাংলাদেশ ব্লগ তার উত্তর দিয়েছে। যেহেতু আমার লেখা ইমেইলটি সবার সাথে শেয়ার করেছিলাম তাই উত্তরটাও নিচে দিচ্ছিঃ

dear sir,


we requested mr sudipto to acknowldge/refer ur post
and also advised him not to copy any text from anywhere .
we warned mr sudipto for the first time to refrain from such activities othewise we will ban him in our blog


thank u for ur cooperation
may we take the change to invite u to join our blog pls


sorry for delayed reply


Best regards,

SB Blog Team

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

জি.এম.তানিম এর ছবি

সোনার বাংলা ব্লগ নীতিমালার ২.১২ অনুযায়ী তো "পোষ্ট সরানো এবং ব্লগারের ব্লগিং সুবিধা স্থগিত" করা যেতে পারতো। সেটা করা হলো না কেন? পোস্টটিও এখনও ঝুলছে সেখানে।
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

ফারুক হাসান এর ছবি

কিছুদিন আগে সচল স্পর্শ আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, মুক্তমনা ব্লগে ফারুক নামে এক ব্লগার অনবরত কমেন্টাচ্ছেন যা কিনা আমার ধাঁচে পড়ে না, আমিই ঐ ব্যক্তি কি না? স্পর্শ যে কাজটি করেছিলেন, আমার মতে, পাঠক হিসেবে সেটাই করনীয়। মূল ব্লগারের কাছ থেকে কনফিউশনটা দূর করে নেয়া।

যারা ছদ্মনামে লিখেন, তাদের চেয়ে যারা পিতৃপ্রদত্ত নামে লিখেন তাদের বিড়ম্বনাও কম নয়। আমার নামে সার্চ দিলে হুবহু একই নামে আরো কয়েকজনকে এনে হাজির করবে গুগল সাহেব। এদের কোন জন যে আমি সেটা জানতে হলে পাঠককেই একটু কষ্ট করতে হবে। এছাড়া আর কোনো ফলপ্রসু উপায় আপাতত দেখছি না। তবে পাঠকের সুবিধার জন্য একজন ব্লগার যে কাজটি করতে পারেন তা হচ্ছে, যে প্লাটফর্মে তিনি সবচেয়ে বেশি লিখেন এবং যেটিকে তার কাছে অথেনটিক মনে হয় সেখানে নোটিশাকারে আর ঠিক কোথায় কোথায় কি নামে তিনি লিখেন সেটা জানিয়ে রাখা। যেমন- আমার নামে অনলাইনে অনেকে থাকলেও আমি নিজে কেবল সচলায়তনে লিখি। এর বাইরে ব্লগস্পটে আমার ব্যক্তিগত একটি ব্লগ আছে। এই দুই জায়গা ছাড়া অন্য কোনো ব্লগে একই নিকের কাউকে দেখলে জানবেন সেটা আমি নই। (ওয়ার্ডপ্রেসে হুবহু আমার নামে আরেকজন ব্লগারের ব্যক্তিগত ব্লগ আছে, যেটা আমার নয়)

বাস্তবতা হচ্ছে ব্লগের বাইরে কোন মিডিয়ায় লেখা চোখে পড়লে ব্লগার-পাঠক নির্বিশেষে সেটা যাচাই করে নেয়া এখন জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুই ধরনের ব্লগ দস্যু দেখা যাচ্ছে ইদানিং। প্রথম দস্যু নিজেও একজন ব্লগার যে কিনা অন্য ব্লগারের লেখা মেরে দিচ্ছে। আরেক ধরণের ব্লগদস্যু হচ্ছে মিনার মাহমুদগোত্রীয় প্রিন্ট মিডিয়ার লোকজন। এই দুই ধরণের ব্লগদস্যুতা প্রতিরোধে ব্লগার ও পাঠককেই এগিয়ে আসতে হবে। যে কোনো সন্দেহজনক লেখা/নিক মূল ব্লগারের কাছ থেকে যাচাই করে নেয়া জরুরী। সময় ও সমস্যাটাই এমন যে এই পরিশ্রম একজন ব্লগপাঠকের জন্য করাটা আবশ্যক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সচল জাহিদ এর ছবি

তবে পাঠকের সুবিধার জন্য একজন ব্লগার যে কাজটি করতে পারেন তা হচ্ছে, যে প্লাটফর্মে তিনি সবচেয়ে বেশি লিখেন এবং যেটিকে তার কাছে অথেনটিক মনে হয় সেখানে নোটিশাকারে আর ঠিক কোথায় কোথায় কি নামে তিনি লিখেন সেটা জানিয়ে রাখা

ভাল আইডিয়া ফারুক।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

গুগলে "নজরুল ইসলাম" লিখে সার্চ দিয়ে দেখি দুনিয়াতে কাজী সাহেব আর এই অধম নজরুল ছাড়া আর কেউ নাই চোখ টিপি বিশ্বাস হয় না? তাইলে দেখেন চোখ টিপি
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

কাজী সাহেবের নিক আপনি মাইরা দিছেন!!! আইচ্চা, আপনার আসল নাম কী ভাই? দেঁতো হাসি
____________________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ !

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

জি.এম.তানিম এর ছবি

সৈয়দ দেলগীর চোখ টিপি
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

অতিথি লেখক এর ছবি

কমেন্টগুলো পড়তে পড়তে একখান আইডিয়া মাথায় ঝিলিক মারলো! যেহেতু অনেকেই অভিমত দিয়েছেন যে ব্লগগুলার জন্য কমন ডাটাবেজ তৈরি করা পারিপার্শিক কারণেই প্রায় অসম্ভব তাই সবকটা ব্লগে সবাই অতিসত্ত্বর নিজ নিজ নিক নিবন্ধন করে নিন! কারণ নিকের এই বন্দোবস্তটাও সবখানেই আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে। একইসাথে খেয়াল রাখুন কোথাও নতুন কোন বাংলা কমিউনিটি ব্লগ প্রসবিত হচ্ছে কি না। চোখ টিপি

সত্যান্বেষী

সচল জাহিদ এর ছবি

ভাইরে যে হারে নতুন নতুন ব্লগ হচ্ছে দিন দিন কটি ব্লগে যেয়ে নাম নিবন্ধন করবেন ? আমি নিজে বেশ কয়েকটি ব্লগে নিবন্ধন করেছিলাম 'সচল জাহিদ' নামে কিন্তু সব ব্লগে করাত আর সম্ভব না।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

সচল জাহিদ এর ছবি

সুদীপ্ত সেন সম্প্রতি তার ব্লগ আপডেট করেছেন। আপডেটের নমুনা দেখুনঃ

বুয়েটে শিবিরকে বিতাড়িত করেছিলাম যেভাবে-১ পোষ্টটির নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন 'বুয়েটে শিবির' আর নিচে লিখেছেন,

(মুল আইডিয়া, সচলায়নের ব্লগার জাহিদ)

বুয়েটে শিবিরকে বিতাড়িত করেছিলাম যেভাবে-২ পোষ্টটির নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন 'ইউকসু ও বুয়েট শিবির ' আর নিচে লিখেছেন,

(মুল আইডিয়া, সচলায়নের ব্লগার ষষ্ট পান্ডব)

আইডিয়া নেবার এই যদি ধরন হয় তাহলে কপি কি ???
----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

সুদীপ্ত দাদা তো দেখি আইডিয়ার জাহাজ! তবে ব্যাপারটা হচ্ছে কি তুমি বা আমি যা লিখেছিলাম সেগুলোতো কোনো ধারনা থেকে লেখা না। সেগুলো প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাজাত। কিছু কিছু ঘটনায় আমরা সরাসরি যুক্তও ছিলাম। সুতরাং "মুল আইডিয়া, সচলায়নের ব্লগার জাহিদ" (নিক ভুল করা হয়েছে) বা "মুল আইডিয়া, সচলায়নের ব্লগার ষষ্ট পান্ডব" (নিকের বানান ভুল করা হয়েছে) বললে অপব্যাখ্যা করা হয়। সুদীপ্ত যেটা করেছে সেটা কোন গবেষণাপত্র বা আমাদের লেখার সমালোচনা নয় যে সেখানে আমাদের লেখা কোট করা যাবে। বস্তুতঃ আমাদের লেখা কোট করাও হয়নি, স্রেফ মেরে দেয়া হয়েছে। সুদীপ্ত একটা থার্ড ক্লাস চোর ছাড়া আর কিছুই না। আমি জানি না সুদীপ্ত সেন নামে কেউ সত্যি সত্যি কখনো বুয়েটে পড়েছিল কিনা। সুদীপ্ত যদি সত্যি বুয়েটের অ্যালমনাই হয়ে থাকে তাহলে সেটা আমার জন্য একটা বাড়তি মনোবেদনার কারণ হবে।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

সুদীপ্ত সেন নিকটা খুব সম্ভবত জামাতি রিভার্স নিক। ছাগুরা নিক হিসেবে সোনা গয়নার বাংলাদেশ এর পরেই যে ট্রিকটা ব্যবহার করে, তা হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে বেশি প্রচলিত নামে নিক নেয়া। এদের বাংলাদেশের ওপরে যেমন রাগ আছে, তেমনি হিন্দুদের প্রতি আছে ঘৃণা। অনেক সময়ই সাথে যোগ হয় মেয়ে নিক নেয়া। যাতে এক ঢিলে তিন পাখি মারা যায়। উদাহরণস্বরূপ, মৃণালিনী নিক নিয়ে ল্যাদানো কোনো ছাগুকে প্যাঁদানো হলে সে দোষ চাপাবার চেষ্টা করে প্রথমে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর (তার সাম্প্রদায়িক মানসিকতাই এটা সাজেস্ট করে, ধর্ম পরিচয়ই মূখ্য, ইনডিভিজুয়াল কোনো ব্যাপার না), এরপরে নারী নিক থেকে সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ছাগু কখনোই লেজ ঢাকতে পারে না। ছাগুরা এমনিতেই কপি পেস্টে ওস্তাদ, নিজে থেকে লেখার চেয়ে ঈড়ান রেডিও আর মগবাজারের লিফলেট কপিই তাদের দৈনন্দিন আয়ের উৎস। এসব নিকে সাধারণত কোনো ছাগু শ্রম দিয়ে কিছু লেখে না, মগবাজারী লিফলেটেরও ঘাটতি আছে। সুতরাং অন্যদের পোস্ট কপিপেস্টই সম্বল।

এই কপিপেস্টের ক্ষেত্রে এরা মোটেই শ্রম দিতে চায় না। ছাগুদের আয় ইনকামের প্রায় পুরোটাই হারাম। সচল জাহিদের পোস্ট থেকে ধারণা নিয়ে নিজে ১০ লাইনের একটা পোস্ট লিখলে অন্তত কিছুটা হালাল করতে পারতো।

সোনাব্লগ স্বভাবতই মিক্সড কালচার দেখাতে চায়। টাকা দিয়ে বুদ্ধিজীবী কেনা যায়, কেনা যায় এক্স-মুক্তিযোদ্ধাও; কিন্তু স্বাধীন এবং অপেশাদার (অর্থোপার্জনের ক্ষেত্রে) ব্লগার কেনা একটু কঠিন আর কেনা গেলেও অখ্যাত ব্লগারের পেছনে কে সৌদি রিয়াল ব্যয় করতে চায়! সমাধান মগবাজারী রেগুলার ছাগুদের দ্বারা কপিপেস্ট।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

জি.এম.তানিম এর ছবি

নিক দখলের ব্যাপারটা কমিউনিটি ব্লগের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে আর কিছুদিন পরে যে কোন রকম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলেই যাবে। ডাটাবেইজ করে লাভ হবে না, সবাই ডাটা শেয়ারও করতে চাবে না। তাছাড়া এক নামে একাধিক ব্যক্তি থাকলে সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি আগে নিকটি নিবেন তারই দখল, আর সেটার অন্যথা করাও উচিত নয়। এক্ষেত্রে যেটা করা যেতে পারে নিজের ব্লগগুলোর একটা লিস্ট রাখা। আর সেটা সব ব্লগে (যেখানে যেখানে লেখেন) প্রোফাইলে এবং/অথবা কমেন্টের সাথে লিঙ্কে প্রকাশ করা।
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

হাসিব এর ছবি

নিক এ্যাবাউজের একটা সমাধান হয়তো ব্লগসাইটগুলোর ওপেনআইডি ব্যবহার করা।
________________________________________________
নীড়পাতা.কম ব্লগকুঠি

সচল জাহিদ এর ছবি

হাসিব ভাই ওপেনাআইডির বিষয়টা বুঝলামনা।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

হাসিব এর ছবি

ওপেন আইডি হলো এরকম একটা ধারণা যে আপনি একটা লগইন, পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সাপোর্টেড বিভিন্ন সার্ভিসে লগইন করতে পারবেন। যেমন, আপনার একটা ওপেন আইডি থাকলে সেটা দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ বা ব্লগস্পট ব্লগে লগইন করে মন্তব্য করতে পারবেন। এরজন্য আপনাকে কোন গুগল আইডি বা ওয়ার্ডপ্রেস আইডির দ্বারস্থ হতে হবে না। আপনার এই আইডি না থাকলে আজকেই একটা করে ফেলুন এই লিংক থেকে।

________________________________________________
নীড়পাতা.কম ব্লগকুঠি

রাগিব এর ছবি

আমার নামটি বাংলাদেশে হাতে গোণা কয়েকজনের আছে, তাই এই নামে ব্লগার থাকার সম্ভাবনা কম। তার পরেও সামহয়ারে গোটা কয়েক একাউন্ট খোলা হয়েছিলো। প্রায় সবাই সেসব ব্লগারকে আমি বলে ভুল করেছিলেন। অভিযোগ করার পরে সামহয়ার কর্তৃপক্ষ সেসব নিক কিছু সরিয়ে নিয়েছেন। এখনো গোটা কয় রয়ে গেছে।

সোনা ব্লগের কথা অন্য, সেখানে দেখি নাগরিক ব্লগের জনৈক ব্লগার আমার আর আইজুদ্দিনের নাম জোড়া লাগিয়ে একটি একাউন্ট খুলেছেন, যার কাজ হলো আমি ও আইজু একই ব্যক্তি, তা নিয়ে লেখালেখি করা :)। এমনকি আমি নাকি মিনেসোটায় থাকি যেখানে আইজুদ্দিনও থাকে, সেটা সেই শার্লক নাগরিক বের করে ফেলেছেন!!! সোনা ব্লগের কর্তৃপক্ষকে দুই দফায় জানাবার পর সেই ব্লগারের নিক অবশ্য তারা পাল্টে দিয়েছেন।

ব্লগ জগতে আমার একাউন্ট আছে সামহয়ার, সচল, আমারব্লগ ও প্রথম আলো ব্লগেই। শেষেরটিতে আমি প্রায় বছর দুই লিখি না, আর আমারব্লগে লেখা হয় না বছর খানেক। তাই এসব ব্লগ ও ব্লগস্পটে আমার বঙ্গবাণী ডট ব্লগস্পট ডট কম ছাড়া আর কোথাও কোনোভাবে আমার লেখা বা নিক দেখলে ধরে নিবেন ওটা আমি নই।

----------------
গণক মিস্তিরি
মায়ানগর, আম্রিকা
ওয়েবসাইট | টুইটার

----------------
গণক মিস্তিরি
জাদুনগর, আম্রিকা
ওয়েবসাইট | শিক্ষক.কম | যন্ত্রগণক.কম

নিঝুম মজুমদার এর ছবি

রাগিব ভাই, আপনার উপরের বক্তব্য দেখে অবাক হলাম । লিঙ্ক দেন । গিয়ে দেখি যে , যেই লোক আপনাকে আর আইজুদ্দিনকে এক করে ফেলেছে সে কি বলেছে সেখানে । সে কি বলেছে যে, "আমি নাগরিক ব্লগের ব্লগার , আমি একজন শার্লক হোমস । আমি এখন আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব আইজুদ্দিন আর রাগিব হাসানের সাথে ।"

আপনি আপনার ইচ্ছামত নাগরিকের ব্লগের নামে দূর্নাম রটাবেন এটা মেনে নেয়া যায় না । আপনার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে যথাযথ প্রমান দিতে পারবেন ? এই কথা আইজুদ্দিন বা সুশান্ত বাবুদের মত কেউ বলত তাহলে একটা কথাও বলতাম না । আপনার মত একজন মানুষ যখন এই জাতীয় কথা বলে , ব্যাপারটা তখন অন্যদিকে মোড় নেয় ।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

আপনি কি আসল নিঝুম নাকি অন্য কেউ? আপনার মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে না যে আপনি সেই ব্লগার যিনি দৈর্ঘে অনেক বড় বড় ব্লগ লেখেন। অথচ এখানে এই ছোট মন্তব্যটুকু করতে গিয়ে দাড়ি-কমা যেভাবে দিয়েছেন তাতে আমি একটু সন্দেহ করছি। হাসি

নিঝুম মজুমদার এর ছবি

দাঁড়ি কমায় কোনো সমস্যা তো দেখছি না । যাই হোক , রাগিব ভাইকে যেই মেসেজটি দিয়েছি এবং যা বলতে চেয়েছি তা সম্ভবত বলতে পেরেছি ।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

যতি চিহ্নের আগে স্পেস হয়না, পরে হয়।

যতি চিহ্নের ভুল ব্যবহার:
যাই হোক , রাগিব ভাইকে

সঠিক ব্যবহার:
যাই হোক, রাগিব ভাইকে

নাগরিকব্লগে আপনার লেখা পড়ে নিশ্চিত হলাম আপনিই নিঝুম। কারণ সেখানেও একই সমস্যা দেখলাম। যতি চিহ্নের আগে স্পেস দিলে সবচেয়ে বড় যে সমস্যা হয় তা হলো অনেক সময় চিহ্নটি অন্য লাইনের শুরুতে চলে যেতে পারে।

অতিথি লেখক এর ছবি

যতি চিহ্নের আগে স্পেস হয়না, পরে হয়।

পিপিদা, আপনার সাথে একমত। তবে দাড়িও একটি যতিচিহ্ন। এটাতে বাই ডিফল্ট একটি স্পেস থাকে, হাতে ধরে দিতে হয় না। বাদ বাকি কোনো যতিচিহ্নের আগেই স্পেস দেওয়া উচিত নয়। তবে আজকের এই আধুনিক যুগে বোধ হয় যতিচিহ্নের আগেও যতি (স্পেস) দেওয়াটা একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আরেক দল আছেন যাঁরা যতিচিহ্নের আগে যদি বা স্পেস দেন, অপ্রয়োজনীয় এবং বিরক্তিকর জেনেও, কিন্তু যতিচিহ্নের পরে কিছুতেই স্পেস দিতে চান না! কী বলা যায় বলুন তো এটাকে, উত্তরাধুনিকতা? চিন্তিত

কুটুমবাড়ি

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

বিল্ট-ইন স্পেস থাকলে তাতে তো সমস্যা নাই, সেটা কম্পিউটার কিংবা ওয়ার্ড প্রসেসর জানে। সেকারণেই ডিফল্ট স্পেস থাকলেও শব্দ থেকে দাড়ি চিহ্নটি কখনোই আলাদা হয়না। সমস্যা হয় তখনই যখন আলাদা একটা স্পেস যোগ করা হয়। অনেকের ব্লগেই এমনটা দেখা যায় যে দাড়ি চলে গিয়েছে পরের লাইনে।

উত্তরাধুনিকতা? আমার মনে হয় অজ্ঞানতা। কিংবা জেনেও না জানার ভান করা।
...............................
নিসর্গ

রাগিব এর ছবি

নিঝুম, বেশ কয়েকটা আলাদা ভেন্যুতে একই লোকের মন্তব্য/লেখা পড়ে আমার এই ধারণা হয়েছে। অকাট্য প্রমাণ দিয়ে উপপাদ্য শেষ করে দেখাতে পারবো না। তবে দুয়ে দুয়ে চার হয় বলেই মনে হয়েছে এরকম। আপনার আপত্তি থাকলে আমার উপরের মন্তব্যে (যা আর এডিট করতে পারছি না) "সম্ভবত" শব্দটি লাগিয়ে নিন।

----------------
গণক মিস্তিরি
মায়ানগর, আম্রিকা
ওয়েবসাইট | টুইটার

----------------
গণক মিস্তিরি
জাদুনগর, আম্রিকা
ওয়েবসাইট | শিক্ষক.কম | যন্ত্রগণক.কম

জনৈক বাঙাল এর ছবি

হাহাহা... রাগিব ভাই, আপনার মতো মেধাবী একজন মানুষের এজাতীয় কৌশলগত ভুল ধরতে না পারা দেখে বেশ আশ্চর্য হলাম! বলার আগে এই প্রসঙ্গে একটা গোপন কথা আপনাকে জানিয়ে রাখি, তাহলো অনুচ্চার্য একটি ব্লগের একজন ফেউ গোষ্ঠীভুক্ত ব্লগারের কাছথেকে একবার শুনেছিলাম, আপনার নামে ঐ গুজবটি। এবং আপনি নিশ্চই জানেন, এটা বাংলাব্লগিস্ফিয়ারের বেশ প্রচলিত কয়েকটি গুজবের একটি। আমার সাধারণ বিচারে কখোনোই ব্যাপারটাকে সত্যি বলে ভেবে নেয়ার কোনো পয়েন্ট পাইনি। তাই পাত্তাও দেইনি। সেই একই ব্যাপারটা আপনি কোথাকার কোন "সোনা"র কথা শুনে এতো সিরিয়াসলি নিয়ে ফেললেন, আবার সেই সূত্র ধরে একটা গোটা ব্লগকেও রিলেট করে ফেললেন, এটা খুব একটা অপরিণত ব্যাপার হয়ে গ্যালো না?! তাছাড়া আরেকটা সহজ হিসাব আছে, নাগরিকের ব্লগার হয়ে থাকলে সে ক্যানো সোনাতে পোস্ট দিতে যাবে সেটাও বেশ অবোধ্য ঠেকলো। আপনি যে সর্স থেকেই এই খবরগুলো পেয়ে থাকেন, বা সম্পর্কিত তথ্যাদি জেনে থাকেন সেই সোর্সটি যে আপনার বড়সর কোনো ওয়েল-উইশার না তা বুঝতে আশাকরি খুব বেশী দেরি করবেন নাহ। এনি ওয়ে, এগুলো নিয়ে কথা মুখ ফসকে কথা বলে ফেললাম; জানি কাজটা খুব একটা ঠিক হলো না...

ভালো থাকবেন।

রাগিব এর ছবি

পোস্টে অপ্রাসঙ্গিক তেনা পেচানোর জন্য জাহিদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেই সবার আগে।
--

তবে @বাঙাল,
কাচা কাজ আমি করিনি, বরং ঐ নিকের পেছনের মানুষটিই করেছে। আমি বলছিনা যে সেটা আপনি বা নিঝুম, কিন্তু যখন সোনা ব্লগে গিয়ে নিয়মিতভাবে কেউ নাগরিক ব্লগের প্রচারণা করে, তখন তার সাথে নাগরিকের সম্পর্ক বেশ জোরদার, তাই সন্দেহ হয়।

যাহোক, সেই নিক-অপারেটর আমার কমেন্ট দেখা মাত্র নাগরিকের প্রচারণামূলক ৩টি পোস্ট সোনাব্লগ থেকে গায়েব করে দিয়েছে। এরকম কাচা কাজ না করলেও পারতো। গুগলের কল্যাণে পুরানো সব পোস্ট দিব্যি পড়া যায়। প্রমাণ গায়েব করা এতো সহজ কাজ না!!

(গায়েব করার পরে নিকের পাতাটি)

আর গুগল ক্যাশে থেকে, নাগরিক ব্লগের বিভিন্ন পোস্টের প্রচারণা করে দেয়া একই নিকের পোস্টের স্ক্রিনশট, এসব পোস্ট একটু আগেই গায়েব করে দেয়া হয়েছে (তবে গুগল ক্যাশে রয়ে গেছে)

auto

auto

auto

এছাড়া ওয়ার্ডপ্রেসে একই লোকের ব্লগ আছে, যার লিংক চাইলে দিতে পারি। লন্ডন থেকে নিকটি পরিচালিত হয়।

যাহোক, এর কোনোটাতেই কোনোকিছু নিশ্ছিদ্রভাবে প্রমাণ হয় না, তাই উপরে আমার সব কমেন্টের আগে "সম্ভবত" যোগ করে পড়ে নিবেন।

If it looks like a duck, swims like a duck, and quacks like a duck, then it probably is a duck. (পুরানো প্রবাদ)

----------------
গণক মিস্তিরি
মায়ানগর, আম্রিকা
ওয়েবসাইট | টুইটার

----------------
গণক মিস্তিরি
জাদুনগর, আম্রিকা
ওয়েবসাইট | শিক্ষক.কম | যন্ত্রগণক.কম

জনৈক বাঙাল এর ছবি

বাহ!! বেশ ব্যাপার তো!?
সোনাতে পোস্ট, কথায় কথায় নিঝুমের নাম নিয়ে আসা, ক্যাচাল দেখেই ক্যাচাইল্যা লেখা সরাই দ্যাওয়া, লন্ডন থেকে ব্লগিং... হিসাবটা তো আমার কাছেও মিলে যাচ্ছে দেখছি! আমি অবশ্য হাঁস চেনায় অতটা পারদর্শী নই, তবে পাতিহাঁস-কে রাজহাঁস ভেবে ভুল না করবার অনুরোধ থাকবে রাগিব ভাই'র প্রতি।

আরেকটা ব্যাপার এবং মূল বলার কথা এটাই যে, তর্কের খাতিরে ধরে নিচ্ছি ওপরের কাজগুলো সবই আমার করা; কিন্তু আমি তা করছি একজন ব্যক্তিব্লগারের ওপর ব্যক্তিগত প্রতিশোধপরায়নতা থেকে। এখন আমি নাগরিকে লিখি, চতূর্মাত্রিকে লিখি, আমরাবন্ধুতে লিখি কিম্বা অন্যকোনো ব্লগে কোনো এক কালে লিখতাম বিধায় আমাকে, "নাগরিকের/চমতূর্মাত্রিকের/আমরাবন্ধুর" ব্লগার বলে ট্যাগ করাটা কি যুক্তিযুক্ত?!

এই ব্যপারটাই বুঝাতে চেয়েছি। যা হোক, আগেই বলেছিলাম মুখ ফসকে বলে ফেলা কথা থেকেই আরো আরো কথা আসতে থাকে, তাই আশংকায় ছিলাম এবং আদতে তাই ঘটছে দেখা যাচ্ছে...

ভালো থাকবেন সবাই, আমি সম্ভবত এই ইস্যুতে আর কিছু বলছিনা। তা সে জিজ্ঞাস্যের উত্তর পাই কিম্বা না পাই...

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

রাগিব, এক্ষেত্রে অন্তত আরেকটি সম্ভাবনা আছে। নিঝুম, জনৈক বাঙাল, আইজুদ্দিন, রাগিব প্রত্যেকের ওপরই ক্ষোভ থাকার কথা শুধুমাত্র ছাগুদের। আইজুর ওপর নিঝুম-বাঙালরা যদি অসন্তুষ্ট থাকে, তাহলে তার নাম রাগিবের সাথে জড়াবার কোনো কারণ দেখি না। সোনাব্লগের নিকভাণ্ডারের একটা বিরাট অংশ রিভার্স বা অন্যান্য ব্লগের পরিচিত নিকের নকল। সোনাব্লগে আইজুদ্দিন নিক যেমন আছে, ডাক্তার আইজুদ্দিন নিকও আছে, যে নিকে অরিজিন্যাল আইজুর পোস্ট কপিপেস্ট করে আর মন্তব্যে রিভার্স রিপলাই দেয় (যদিও লেজ বুঝা যায়)। যা বলছিলাম, আইজু, রাগিব, বাঙাল, নিঝুমের সাথে ক্যাচাল হলে একমাত্র ছাগুদের লাভ। সোনাব্লগে ছাগু আর দুয়েকটা হিটখোর সুশীল ছাড়া অন্য কেউ লিখতে যাবে কেন - এটাও বিবেচনার বিষয়।

পোস্ট ঘ্যাচাং, নাগরিকের লিংক দেয়া এগুলোও ছাগু সিনড্রোমের সাথে মিলে। নাগরিকের সাথে আইজু, রাগিবের ক্যাচাল সৃষ্টির জন্য এই 'কাঁচা' কাজগুলো করা দরকার। জেনুইন নাগরিক কেউ তার দিকে সন্দেহ যায় এরকম পদক্ষেপ কেন নিবে?

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

বলতে পারেন এই লেখাটার লেখক কে? শ্রীমান ষষ্ঠ পাণ্ডব নাকি শ্রীমতি কাঁকন দাসী??



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

সচল জাহিদ এর ছবি

বাহ বাহ বাহ ...

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

১। নিকের কপিরাইটের ব্যাপারে আসলে তেমন কোন সমাধান নেই। দুনিয়ার যাবতীয় ইমেইল একাউন্টে আমার উদভ্রান্ত আইডি আছে। কিন্তু ফেইসবুকে নেই। এবিষয়ে তো আসলে কারো কিছু করার নেই। যদি আমার নাম ব্র্যান্ডেড হোতো তাহলে ফেইসবুকের মতো কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারতো। নইলে আসলে তেমন কিছু করার নেই।

একটা কমন বাংলা ব্লগার নেইম ডাটাবেইজ আসলে একটা ভ্রান্ত ধারণা। এটা কখনোই সফল হবে না।

তবে এই যে শত শত ওয়েবসাইটে শত শত বার রেজিস্ট্রেশনের ঝামেলা এবং নাম করণের ঝামেলা সেটা এড়ানোর জন্য অনেকে ইতিমধ্যে ভেবে রেখেছে। অনেকগুলো সমাধানের মধ্যে কয়েকটি হোলো ওপেন আইডি এবং ফেইসবুক কানেক্ট। সমস্ত বাংলা সাইটে এটা ইমপ্লিমেন্ট করা থাকলে যেই লিখুক বা মন্তব্য করুক তার ফেইসবুক একাউন্টে লিংক থাকলে সেখানে গিয়ে দেখে নেয়া যাবে আসল লোক কে। এভাবে কনফিউশন এড়ানো সম্ভব হবে। সচলায়তনের আপডেটে থাকবে এই বিষয়টি। আপডেট ডিসেম্বরের শেষে থেকে জানুয়ারীর শুরুতে আপডেট করা হতে পারে।

২। লেখার কপিরাইটের ব্যাপারে ইনডিভিজ্যুয়ালি অ্যাকশন নেয়া ছাড়া অন্য কোন উপার দেখছি না। এ ক্ষেত্রে ব্লগ প্লাটফর্ম থেকে একটা আইনী ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। তবে সব ব্লগ গুলোর মাঝে একটা কালক্টিভ ব্লগ আইনী সংস্থার মত করতে পারলে এ ব্যাপারে কাজ করা অনেক সুবিধা হবে। সচলায়তন থেকে এরকম একটা ব্যবস্থার ইনিশিয়েটিভ নেয়া যেতে পারে।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

সাবিহ ওমর এর ছবি

হায় হায় ফেসবুক কানেক্ট হলে পর সামুতে যে বা যাহারা 'সচলেও আমি লিখি, তবে অন্য নামে' বলে তাদের লেজ বাজারের অপরাপর ছাগুদের চেয়ে লম্বা প্রতিপন্ন করতে চায়, তাদের কি হবে গো???

সচল জাহিদ এর ছবি

ধন্যবাদ মুর্শেদ। দু'টি পদক্ষেপই চমৎকারঃ

একঃ ওপেন আইডি

দুইঃ কালক্টিভ ব্লগ আইনী সংস্থা

প্রথমটিত সচলায়তনে জানুরায়ীতেই আসছে, আর দ্বিতীয়টির জন্য সচলায়তন একটি পদক্ষেপ নিলে তা একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে আমার ধারণা। আশা করি অন্যান্ন ব্লগ এক্ষেত্রে তার ইতিবাচক সাড়া দেবে।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

সাফি এর ছবি

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলি। আমার ইন্টারনেটে হাতেখড়ি হয় IRC তে। সেখানে রাসপুটিন/রাজপুত্র এসব নামে বেশ কিছুদিন চ্যাট করি। এর পর বাংলাক্রিকেটে নিবন্ধন করার পরে দেখি ফোরামের মডারেটরের আইডিই রাজপুত্র। তাই সেখানে আর এই নিক পাইনি। এক সময় ব্লগস্পটের কথা জানতে পারলে সেখানে রাজপুত্র নামে ব্লগ তৈরী করি। সামুতেও তাই। এভাবে অনেক ব্লগারের সাথে পরিচিত হই। একসময় জিমেইলের ইনভাইটেশন পাই আর রাজপুত্র নামেই ইমেইল ঠিকানাও নিবন্ধন করি। তারও বেশ কিছুদিন পর একদিন বাংলাক্রিকেটের রাজপুত্রের (ওনার নাম মনে হয় রাসেল, এখন ঠিক মনে নেই) থেকে মেইল পাই যে উনি রাজপুত্র ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করতে ইচ্ছুক, কিন্তু আমি দেইনি কারণ ততদিনে আমি নিজেই এ নামে অনেকের কাছে পরিচিত হয়ে গেছিলাম।
সুতরাং পরিচিত বাংলা শব্দ বা পরিচিত নাম অনেকেরই থাকতে পারে যেটা না জেনেও অনেকে ব্লগে বা ফোরামে ব্যবহার করতে পারেন। নিজে আগে ইটা রাখা ছাড়া এর প্রতিকারের উপায় নেই। তবে কেউ যদি নাম ভাঁড়ানোর সাথে সাথে লেখাও চুরি করে - তবে সেটাতো স্পষ্টতই অসাধুতা। এবং আমার মতে সব ব্লগের মডারেটরদেরই জ্ঞাত হলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

মাস কয়েক আগে একটা ব্লগে 'যুধিষ্ঠির' নাম দেখে খটকা লাগলেও তা কাটাতে পড়তে শুরু করি। কিন্তু কয়েকটা লাইন পড়ার পরেই বুঝতে পারি এই যুধিষ্ঠির আমাদের যুধিষ্ঠির'দা হতে পারেন না। সম্ভাবনা কেবল ক্ষীণই না বরং মাইনাস সামথিং। (যুধিষ্ঠির'দাকে বা অন্য কাউকে জিজ্ঞেসও করি নি এ নিয়ে, সম্পূর্ণই আমার নিজের ধারনা এটা)

এখন, আমি নাহয় বুঝতে পারলাম এটা সচলের যুধিষ্ঠির নন। কিন্তু যিনি সচলের যুধিষ্ঠিরের লেখার ধরনের সাথে ভালোভাবে পরিচিত নন, তাঁর পক্ষে কে এক নম্বর যুধিষ্ঠির, এটা নির্ণয় করা একটু কঠিন হয়ে যাবে না কি?



বিএসএফ—
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

এই যুধিষ্ঠির নিশ্চিত ভাবেই সচলায়তনের যুধিষ্ঠির নন। তবে এই ব্যাপারে সামুব্লগে অনুরোধ করে কোনো কাজ হবে কিনা নিশ্চিত নই।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

সাফি এর ছবি

এই ব্যপারে অনুরোধের আসলে কোন ভিত্তিও নেই। যুধিষ্ঠির নামটা যে কেউইতো নিতে পারে। তবে সে যদি নিজেকে সচলের যুধিষ্ঠির বলে দাবী করে, তাহলে ভিন্ন কথা।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

সাফি, বিষয়টা আইনের নয় - সৌজন্যতার; যুক্তির নয় - বোধের। যতদূর জানি সচলায়তনে "রাজপুত্র" নিক্‌ধারী কেউ নেই। আজ যদি কেউ "রাজপুত্র" নিকে লেখা শুরু করেন তাহলে আপনি তাকে কিছু বলতে পারবেন না ঠিকই কিন্তু বিষয়টা শোভন থাকবেনা। পৈত্রিক নাম "আবুল হোসেন"ধারী দুইজন কবি ছিলেন। শেষে একজন নিজের নাম "আবুল হাসান" করে নিয়েছিলেন। এটা সহলেখকের প্রতি, পাঠকের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন। এই সৌজন্যতা, এই শোভন আচরণ, এই পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ - এগুলো এই পর্যায়ে চাওয়া খুব বড় কিছু নয়। বাংলা ব্লগ তার একেবারেই শুরুর পর্যায়ে আছে। এখনই আমাদের ঠিক করতে হবে আমরা আমাদের পরিচয় কীভাবে নির্ধারণ করতে চাই।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

সচল জাহিদ এর ছবি

আমিও দেখলাম, এ সচলের যুধিষ্ঠির'দা হতে পারেননা। ভয়াবহ বিষয়, ব্লগারদের স্বকীয়তা রক্ষার জন্য সব ব্লগগুলির এগিয়ে আসা উচিৎ।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
সচল জাহিদ ব্লগস্পট


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।