নিমকি ছড়া-০৪ |
এই ছড়াতে ছন্দ আছে, অশ্লীলতার গন্ধ আছে, বাইচা গেছেন যাদের দুচোখ বন্ধ আছে…
ছোট ছোট দু-লাইনে, মনটা কারো দুলাই নে, তবুও যদি একটু খানিক মনটা কারো দোলে… আসেন আমার কোলে!
০১.
মন দিয়েছি গিটারে...
বেচতে হল ভিটা রে!
০২.
যত্রতত্র আলু খান...
ভাবির ওপর চাপ কমান!
০৩.
এখন থেকে ওবামা
বিশ্ববাসীর বাবা-মা!
০৪.
ফুপুর পোশাক আলুথালু...
ব্যাপারটা কী, কন তো খালু!
০৫.
সাফল্যতে মিষ্টিমুখ
বিফল হলেই খিস্তিমুখ!
০...
সুখ
লিখেছেন নির্বাক [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০০৮-১১-২০ ১২:০৫)
ক্যাটেগরী: চিন্তাভাবনা | ছড়া | দেশচিন্তা | সমাজ |
লাভ চিনিনি,
লোভ চিনেছি!
লোভের পাটায় সুখ বেটেছি,
সুখ মেখেছি গায়।
সুখ যে দেখি ধুতুরা পাতা,
সুখে থাকাই দায়!
সৎ চিনিনি,
খল চিনেছি!
খলের খোলে ঝোল টেনেছি,
ঝোল খেয়েছি বেশ।
ঝোল যে দেখি গরল সম,
জীবন জ্বলে শেষ!
ন্যায় চিনিনি,
পাপ চিনেছি!
পাপের কাছে হার মেনেছি।
পাপ জেনেছি ঠিক!
পাপ যে এখন বাপকে ধরে
সুখ দাওগো ভিখ্!!
ট্যাকারে ট্যাকা |
খুব ক্ষুদ্রকাল হইতেই ট্যাকা সম্পর্কে একটা ফাঁকা ধারণা গজাইয়াছিল। যে বয়সে লোকেরা ট্যাকার জন্য ব্যাঁকা হইয়া হামাগুড়ি দেয়, সেই বয়সে ব্যাপক নির্লিপ্ততা সহকারে একা একা কতই যে ঘুরিয়া বেড়াইয়া মরিয়াছি তাহার ইয়ত্তা নাই। কারণ মনের কোণে খুব ভালো করিয়াই জানিতাম, উহা আয়ত্ত সুমায়ের ব্যাফার মাত্র। সঠিক সুমায়ে প্রচুর টঙ্কাদি আপনি উড়িয়া আসিয়া পকট ভরিয়া ফেলিবে ইহাতে আর অন্যথা কি? মস্তিষ্ক য...
রাজনীতি |
গণতন্ত্রের জিকির তোলে
স্বৈরতন্ত্রের আস্তানা!
খুনি হাতে নতুন করে
পরে সাধুর দস্তানা!
সত্যপথে সহজ মতে
চলা ওদের রাস্তা না।
ভালো থাকা ওদের কাছে
কাজুবাদাম-পেস্তা না।
পুকুর চুরি ওদের রীতি,
একটি দুটি বস্তা না।
উপহাসে অট্টহাসে –
‘সৎ ব্যাটারা পস্তা না’!
দুদিন পরে জমবে সবে
নির্বাচনী মাস্তানা।
আমজনতার পান্তাভাতই
ডাল-ভাত কি গোস্ত না!
এমন করে দিন কি যাবে?
দিন হবে আর সস্তা না!
আমজনতা ...
কহিলে কহিবা |
কহিলে কহিবা 'কহিল ব্যাটায়!' তাইতো কহি না কিছু
সহিতে পারো না স্হি কথা তারা শূল যেন ফুঁটে পিছু
ফুঁদিয়া বেড়াও গাত্রে মাখো না তেল চুলে কর ডাই !
বুঝাইতে যাই, কহিবা 'আঁতেল! যা যা বাড়ি! বেইল নাই!'
সারাদিন ভ্রাতঃ কি কুকাজে মাতো চাবা'ইয়া তেলেভাজা
দাপা'ইয়া ফিরো তাতঃ’র অর্থে উঁচা করি পোদ মাজা
হিতাহিত ভুলি হাতাহাতি যত করিলে যে প্র্যাকটিস
ভরিলে যে ঝুলি চাঁদাবাজি করি কত শত ট্যাকটিক্স
দেখিলে লল...
নিমকি ছড়া-০৩
লিখেছেন মৃদুল আহমেদ (তারিখ: মঙ্গল, ২০০৮-১১-১৮ ০২:২২)
ক্যাটেগরী: ছড়া | গাইল দিয়েন না কেউ | যুবা (১৮ বছর বা তদুর্দ্ধ) |
এই ছড়াতে ছন্দ আছে, অশ্লীলতার গন্ধ আছে, বাইচা গেছেন যাদের দুচোখ বন্ধ আছে…
ছোট ছোট দু-লাইনে, মনটা কারো দুলাই নে, তবুও যদি একটু খানিক মনটা কারো দোলে… আসেন আমার কোলে!
০১.
বিয়ের পরেই ভিলেন..
আগে নায়ক ছিলেন!
০২.
জানিস
ব্যাপারটা খুব ফানি...
আবার
মা হয়েছেন নানি!
০৩.
মজেছিলাম আদরে...
চিহ্ন আছে চাদরে!
০৪.
হাতের ছোঁয়ার অনুরাগে
আস্তে আস্তে .... রাগে!
আগ্রহী পাঠককে এখানে ....-এর জায়গায় "অনু"-এর সাথে উ...
ছড়াকার |
ছড়া কার? ছড়া কার?
- কি মুস্কিল,
যে লিখেছে ছড়া তার!
ছড়াকার! ছড়াকার!
- কি যন্ত্রনা কি দরকার?
এই ছড়াটা পড়া কার?
- যে লিখেছে সেই পড়েছে
সেইতো প্রথম পড়া তার!
ছড়াকার! ছড়াকার!
- কি হল কী? কি আবার?!
এই ছড়াটা গড়া কার?
- ওরে উল্লুক, মেরুভল্লুক;
যে লিখেছে সেই পড়েছে সেই গড়েছে সবই তার!!
এখন বোঝা যায়?
হেঃ হেঃ, নিশ্চয় নিশ্চয়!
This is some sample text. You are using FCKeditor....
ছড়মাণু - ০১ |
এই মিনি-সিরিজটিকে মৃদুল আহমেদের তৈরি সুস্বাদু নিমকি সেবনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হিসেবে গণ্য করতে হবে। তাঁর ভাবী বিষয়ক ছড়াটি পড়েই আইডিয়া আসে: প্রতিটি দ্বিপদীর অন্ত্যশব্দ দু'টির উচ্চারণ হবে অভিন্ন, তবে সেগুলো বহন করবে ভিন্ন অর্থ। "গিয়ে আমি বইমেলা / কিনেছিনু বই মেলা" গোছের।
সিরিজটির চূড়ান্ত নামকরণটি হিমুর। আমি বলেছিলাম "ছড়াণু"। শুনে মুহূর্তেই তিনি প্রসব করলেন "ছড়মাণু"! মাথা একখ...
যুদ্ধের কী দরকার!
লিখেছেন শামীম (তারিখ: রবি, ২০০৮-১১-১৬ ১১:৪৪)
ক্যাটেগরী: ছড়া | দেশচিন্তা | কিশোর (১০ বছর বা তদুর্দ্ধ) |
একটা সময় যখন কোথাও হত ভাতের কষ্ট,
তেড়ে গিয়ে অন্য দেশে করতো জীবন নষ্ট।
লুট করতো গরু বাছুর, ধন-সম্পদ যত,
মারতো মানুষ, পুড়তো বাড়ী, অনেক হতাহত।
লুট করেও অনেকের হয়না অভাব শেষ,
ধরে নিয়ে যেত, দিতো দাসের বেশ।
আমেরিকার কথাই ধরো, ওবামার ঐ দাদা,
আফ্রিকাতে বাড়ি তাঁদের, দাস ছিল একদা।
ভারতের পাশে আছে, দেখো সোনার দেশ,
ইংরেজরা ছুটে এল, করলো সবই শেষ।
নিজের দেশে নাই সম্পদ, নাই তো থাকার জায়গা,
কী করা তা...
বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা |
বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা
আজকে কোথায় সেই জনতা?
বিচারপতি তুমিই পতি
তুমি যে ঈশ্বর।
তোমার ভুলে ভূগেও মোরা
করব নিচু স্বর।
বলব কেশে,
বলব হেসে,
ওটাই মোদের বর!
বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা
আজ ভেগেছে সবাই তারা।
তুমিই পতি,
তুমিই গতি,
তুমিই মান্যবর।
যারা তোমার ভুলটি ধরে
ঐ ব্যাটাদের ধর।
সাহস কতো ইঁদুর হয়ে ধরিস অজগর?!
বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা
আবার জমে সবাই তারা!
তুমিই...
সিটিং সার্ভিস
লিখেছেন টিপু কিবরিয়া [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২০০৮-১১-১৫ ১৪:০৯)
ক্যাটেগরী: ছড়া | ছড়া টিপু কিবরিয়া | সববয়সী |
বাসের গায়ে লেখা আছে সিটিং
কিন্তু এরা করছে শুধু
চিটিং।
পথে পথে যাত্রী ওঠায়
ছাত্র ওঠায় ছাত্রী ওঠায়।
তিল ধারণের যায়গা তো নেই
নিচ্ছে মানুষ সব যাগাতেই।
পথের পাশে বাস থামিয়ে
চালক করে ইটিং,
সিটিং বাসের এই চেহারা
একেই বলে চিটিং।
নিমকি ছড়া-০২ |
এই ছড়াতে ছন্দ আছে, অশ্লীলতার গন্ধ আছে, বাইচা গেছেন যাদের দুচোখ বন্ধ আছে…
ছোট ছোট দু-লাইনে, মনটা কারো দুলাই নে, তবুও যদি একটু খানিক মনটা কারো দোলে… আসেন আমার কোলে!
০১.
রসটা ছিল আদি…
শিকার হল বাঁদি!
০২.
ঢাকা এখন ভেটেরনারি…
মুচড়ে ওঠে পেটের নাড়ি!
০৩.
টেম্পোচালক বলল রাতে…
লন বাড়াডা যে যার হাতে!
০৪.
যেই বলেছি, ভাবি!
মিষ্টি হেসে তাঁকে ভাবার সম্মতি দেন ভাবি!
০৫.
ডাকত শুধু বিধাতাকে,
সহ্যে...
ফাও ভাবনা
লিখেছেন টিপু কিবরিয়া [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০০৮-১১-১৩ ১০:২৫)
ক্যাটেগরী: ছড়া | ছড়া টিপু কিবরিয়া | সববয়সী |
এইটা কিনলে ওইটা ফাও,
ডাইরি কিনলে বইটা ফাও।
কাগজ কিনলে কলম ফাও,
ডেটল কিনলে মলম ফাও।
ছাগল কিনলে খুটি ফাও,
মাখন কিনলে রুটি ফাও।
ইটা কিনলে বালু ফাও,
মাংস কিনলে আলু ফাও।
ফাওয়ের ভুবন বিশাল বড়
নেই কোনো তার শেষ,
কোনো কিছুই না কিনে ফাও
পেলে হত বেশ।
এই কথাটি ভেবে ভেবে
সাগর মিয়ার নাতি,
ঘুমিয়ে গেল দুয়ার খুলে
জ্বালিয়ে ঘরে বাতি।
ঘুমটি ভেঙ্গে দুঃখে নাতি
চেচিয়ে ওঠে জোরে,
ঘরে যে তার নেইতো কিছুই
...
ছড়া দিবসের ছড়া |
সচলে আজ ছড়া দিবস
ছড়ার ফাঁদে সবাই বিবশ
দেখ -
হাসছে সবাই প্রান খুলে ![]()
মৃদুল দাদা আকতার ভাই
তাদের ছড়ার তুলনা নাই ![]()
বি ডি আরও নাচে দেখ
শূন্যে দু’হাত তুলে। ![]()
সন্ন্যাসীকে বলবো কি ![]()
পুতুল ভায়া করছে কি ![]()
নজু ভায়ার নাচন দেখে ![]()
আইছে আলমগীরে। ![]()
ছড়ায় ছড়ায় যুদ্ধ চলে
ছন্দ কলায় পঙতি জ্বলে
ছড়ার তালে আজকে সবাই
আনন্দে নাচিরে!!
(...
কামরাঙা ছড়া - ১৭
লিখেছেন সংসারে এক সন্ন্যাসী (তারিখ: বুধ, ২০০৮-১১-১২ ০১:১৪)
ক্যাটেগরী: ছড়া | প্রাপ্তমনষ্কদের জন্য | যুবা (১৮ বছর বা তদুর্দ্ধ) |
ভালো ভালো ছড়া পড়লে এমনিতেই মনটা ফুরফুরে হয়ে ওঠে আমার। আর আজ সচলায়তনে বিডিআর ঘোষিত ছড়া দিবস দেখে ব্যাপক পুলক বোধ করছি এবং শুধু এই প্রবাহে অংশ নিতেই খুদে দুটো ছড়া ছেড়ে দিচ্ছি প্রায় ঘষামাজাহীন।
নাউজুবিল্লাহ-উচ্চারণ-পিয়াসী পাঠকদের লক্ষ্য পূরণ না হলে সকল অপবাদ আমার প্রাপ্য। আর এ প্রসঙ্গে বলে রাখি, দ্বিতীয় ছড়াটি একটি রুশ কৌতুক অবলম্বনে রচিত।
পুরুষালি যুক্তি
মেয়েটির ছেল...
বিডিআর ছড়া |
ভূমিকাটুকুর আগে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করি মৃদুল ভাইয়ের প্রতি, নামকরণের জন্য।
আমি ছড়া লিখি না, লিখতে পারি না। কিন্তু আজকে সচলায়তনে ছড়ার যে ঢল নেমেছে, আমি যার নাম দিয়েছি “ছড়া দিবস”- তাতে খুব ইচ্ছে হলো একটা ছড়া লিখি, ভালো হতেই হবে- এমন তো কোন কথা নাই! তবে এটা বলতে পারি, এরশাদের পর, এই দ্বিতীয়বারের মতো কোন সামরিক ব্যক্তিত্ব ছড়া-কবিতা লিখলেন!
লেখাটা মাথায় আসলো আজ অফিস থেকে বাসা...
নিমকি ছড়া
লিখেছেন মৃদুল আহমেদ (তারিখ: মঙ্গল, ২০০৮-১১-১১ ২২:৩০)
ক্যাটেগরী: ছড়া | আমার বেলা যে যায় প্রহরীর ঠেলাতে | যুবা (১৮ বছর বা তদুর্দ্ধ) |
বিডিআর ভাইয়েরা সত্যি অনন্য, কত কী করছেন দেশের জন্য... পেলাম টের হাতেনাতে, একেবারে সন্ধ্যারাতে...
ক্যামনে? ঠিক অ্যামনে... আমাদের বিডিআর, কী যে পিডাপিডি আর কথা কয় সমানে, বন্দুকে কামানে... মিরপুরগামী ছিল অফিসের গাড়িতে, পারলে সে ঘুষি মারে চাপা-দাঁত-মাড়িতে... ল্যাপটপে টপাটপ গালি দেয়, পুতুপুতু করি দেখে হেসে হাততালি দেয়... আজ নাকি ছড়ানোছিটানো ছড়া... সচল ভরা... আজ নাকি ছড়াদিন... আমাকে শাসিয়ে বলে, আপনি...
ছড়াকার আকতার, মাথায় নেই টাক তার, ক্ষিদে পেলে ছড়া খায় চিবিয়ে |
ছড়াকার আকতার
মাথায় নাই টাক তার
ক্ষিদে পেলে ছড়া খায় চিবিয়ে
সতর্কতা: আকতার মিয়া খালি এরে তারে নিয়া ছড়া লেখে, তাই দেখিয়া আমি একটু তাফালিং করলাম। একটি ব্যর্থ ছড়া চেষ্টা।
আমাদের ছিলো এক বেক্কল ছড়াকার,
সচল হয়েই সে নাম নিলো আকতার।
(ছন্দ মিলাতে তাকে ডাকবো কি রাজাকার?) ![]()
আকতার ভালো ছেলে কথা বলে কম,
যদিও ছড়াতে সে অনেকেরই যম।
দেশেতে বা সরকারে,
যদি কেউ ভুল করে,
যদি কেউ করে কোনো অনিয়...
একটি পথ হারানো ছড়া : হবু আর গবু |
হবু চন্দ্র রাজা বলেন গবু চন্দরে
শোন মন্ত্রী যাবো আমি পাহাড় কন্দরে
সেথায় বসে ভাববো আমি করবো বসে ধ্যান
যাওতো এখন কানের কাছে করো না প্যান প্যান
শুনে গবু কেঁদে ওঠে - হায় হায় রে হায়
এই গেলরে, সেই গেলরে, সব বুঝি বা যায়
রাজা গেলে রাজ্য শাসন করবে তবে কে
সান্ত্রী মন্ত্রী সবাই মিলে ঘাস কাটবে যে!
হবু বলেন, ঘাস তো তোরা এই এখনো কাটিস
সারাটা দিন বসে বসে আমার পা’টাই চাটিস
আমার দেশের প্রজারা সব কো...
নন্সেন্সঃ ৪ - ভূতের পদধ্বনি! |
৪র্থ ভূত নামাতে অনেক অনেক দেরি হল। এবার কথা কম বলে সরাসরি চলে যাই ভূত কথনে...
ভূতের পদধ্বনি
***
মাটির ঘন্টা উঠল বেজে লাঠির বাড়ি লেগে,
ঘুমিয়ে থাকা ভূতগুলো সব আবার ওঠে জেগে।
কেউ বসে, কেউ ঘামতে থাকে, কেউ বোশেখেও কাঁপে,
কেউ বা আবার ভূতের বাবার বুকের ছাতি মাপে।
দরজা খুলে পর্দা তুলে দিচ্ছে যে কেউ উঁকি,
ভেংচি কেটে নেয় কে আবার প্রাণ হারাবার ঝুকি?
ঘাস পুড়িয়ে শুঁকছে বসে, খাচ্ছে বাদাম ভাজা,
সবা...