Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

সববয়সী

ডিজুস যুগের ব্যাপার-স্যাপার

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১৭/০৯/২০১১ - ২:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলা সাহিত্যের যুগ অনুযায়ী আধুনিককাল শুরু হয়েছে ১৮০১ সাল থেকে। তবে গ্রামীনফোন ডিজুস সিম বেশ আগে আনলেও ডিজুস যুগ হিসেবে একটা যুগের সূচনা খুব বেশীদিনের নয়। বছর দুই ধরে এই যুগের নাম হয়ত আড্ডা মাতাচ্ছে, তার বেশী তো অবশ্যই নয়। তা এই যুগে ঢাকা শহরে বৃষ্টি হোক বা না হোক, বন্যায় শহর তলিয়ে যায় যায় অবস্থা; আর তা হচ্ছে প্রেমের বন্যা। হায়রে প্রেম; সবার এমনি সন্দেহ বাতিক হয়েছে যে ছেলে মেয়ে মাইল খানেক দূরত্বে


ফিসফিসিয়ে জোনাকিরা যে কথাটি বলে যায়

মাহবুব ময়ূখ রিশাদ এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব ময়ূখ রিশাদ [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৬/০৯/২০১১ - ১১:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

#
পলেস্তরা খসে পড়া ঘর, ঝুল মাখা ছাদ; কাঁচবিহীন জানালাবন্দী আমি ক্রমশ গতিহীন হয়ে পড়া ফ্যানের বাতাসে হাত পা ছড়ানো অবস্থায় প্রতিদিন বিষণ্ণ, নিস্তেজ সকালে নিজেকে আবিষ্কার করি। দেখি- চোখ দু’টো খোলা অবস্থায়,তিরতির করে কাঁপতে থাকা চোখের পাতায়, ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়া, স্বপ্নের ভারে ক্ষয়ে যাওয়া বৈশিষ্ট্যহীন আমাকে।


দিনমোহনা

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: শুক্র, ১৬/০৯/২০১১ - ৭:৪৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিনা সুতোর মালা গাঁথার প্রতিশ্রুতি নিয়ে বসেছিলাম, কিন্তু গাঁথতে পারলাম না। একটা একটা করে পুঁতি তুলে নিই, পরপর সাজাই। সেই বর্ষাবিকেলের নীল পুঁতি যার ভিতরে কেমন একটা মায়াবী আলো ঝিলমিল করতো, সেইটার গায়ে হাত বুলিয়ে চুপটি করে নামিয়ে রাখি। পাশে রাখি ঝকমকে লাল আর সাদা দুটি পুঁতি, ওরা বৈশাখের সন্ধ্যা, ওরা জয়জয়ন্তী।


তাজমহলের কোনো মিস্ত্রি ক্লাস সিক্সে পড়ে নাই

সুজন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুজন চৌধুরী (তারিখ: শুক্র, ১৬/০৯/২০১১ - ৩:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

Shahjahan

ও আমার দরদী আগে জানলে, আগে জানলে ফাইভের ফাইন্যালে পাশ করতাম না।


আমার হুমায়ুন আহমেদ... পর্ব -এক

মানিক চন্দ্র দাস এর ছবি
লিখেছেন মানিক চন্দ্র দাস [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৬/০৯/২০১১ - ৩:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রাইমারীতে থাকতে পাশের বাসার পাড়াতো দাদা-দাদীর কল্যানে টিনটিন,চাচা চৌধুরী, হাঁদা-ভোদা, নন্টে ফন্টে, বাঁটুল দ্যা গ্রেট ইত্যাদি চমৎকার সব কমিকস পড়া শেষ।
তারপর সেই দাদীর কল্যানেই বোমকেশ বক্সী কিংবা কিরিটি শেষ এবং তারপর প্রফেসর শঙ্কু, ফেলুদা,ঘনাদা,টেনিদা মোটামুটি একটা কব্জা করা গেছে।


মোটরসাইকেল ডায়রি: জার্নি টু খাজুরাহ-২

অরফিয়াস এর ছবি
লিখেছেন অরফিয়াস (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৫/০৯/২০১১ - ৯:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পরের দিন সকালে ৫ টায় উঠে একটু পরেই আমরা বেড়িয়ে পড়লাম, কমপ্লেক্স সকালেই খুলে যায়, সূর্যের প্রথম আলোতে অসাধারণ লাগে জায়গাটা, দেখলেই একটা অপার্থিব অনুভূতি তৈরী হয়, পাথরের সুউচ্চ মন্দিরগুলোর গায়ে যখন সোনালী আলো পরে তখন মনে হয় পুরো জায়গাটাই সোনা দিয়ে মোড়ানো


অচলায়তন

রোমেল চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন রোমেল চৌধুরী [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৫/০৯/২০১১ - ৯:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রাত্যহিকের জটিল ফাঁদে আটকে পড়ার ধন্ধে
ঘরের ভেতর লুকিয়ে থাকি সকাল থেকে সন্ধ্যে


আমার বই পড়া, আমি এবং আমার হুমাহূন আহমেদ…

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৫/০৯/২০১১ - ৯:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শৈশবে আমার বাচন যন্ত্রটিতে কিছু ঝামেলা ছিল। কথা বলা শুরু হতেই বোঝা গেল, এই মেয়ে ‘ত’ ততিয়ে কথা বলে। যেমন বাবার নাম জিজ্ঞেস করা হলে জবাব দেই, ‘তায়েত তালোয়াল’ (জাহেদ সারোয়ার)। প্রথম দিকে এটা নিয়ে বিশেষ কেউ চিন্তিত না হলেও স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর ঝামেলার ব্যাপারটা বোঝা গেল। আমার তোতিয়ে কথা বলাটায় অন্যরা মজা পেতে শুরু করেছে। বড়রা তো আদর করার ছলে হাসি ঠাট্টা করতোই, ছোটরাও ভেঙ্গানো শুরু করলো। মনে


'লেখক' নিয়ে লেখা : হুমায়ূন আহমেদ

মর্ম এর ছবি
লিখেছেন মর্ম [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৫/০৯/২০১১ - ৩:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অটোগ্রাফ জোগাড়ের নেশা আমাদের অনেকেরই আছে- সে আলাদা করে রাখা অটোগ্রাফ খাতায় হোক, হাতের কাছে পাওয়া চিরকুটে হোক, চিঠিতে হোক বা বইতে। মনের মধ্যে ‘আকাশের তারা’ হয়ে থাকা একটা মানুষের ‘চিহ্ন’ যে কত মূল্যবান সেটা সে-ই জানে ভিড় ঠেলে উত্তেজনায় টগবগ করতে করতে ঐ ‘চিহ্ন’ যে কখনো না কখনো জোগাড় করে এনেছে!


স্মৃতিপাঠে বিদ্যাপীঠঃ আদর্শলিপির লিখনশৈলী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৪/০৯/২০১১ - ৩:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]জড়োতা বলে যে জটবাঁধানো জবড়জং ব্যাপারস্যাপার আছে বস্তুর ক্ষেত্রে তা আমরা কম বেশি সবাই জানি। পদার্থের জন্মদোষে দুষ্ট এই গুণটা হলো, বস্তু অত্যন্ত বস্তুনিষ্ঠ হয়ে যে অবস্থায় আছে, নিতান্ত বাধ্য বা বাধাপ্রাপ্ত না হলে সেই সুব্যবস্থার কোনো দুরবস্থা করতে চায় না নিজে থেকে। অর্থাৎ যা স্থির আছে সে খামাখা কখনো অস্থির হবে না। যে ঘোরার উপরে আছে, বলপ্রয়োগ সাপেক্ষে ঘোর না কাটানো পর্যন্ত সে বেঘোরেই ঘুরতে থাকবে। এরকম সুলিখিত সংবিধান পড়েছিলাম বিজ্ঞান বিষয়ে স্কুল-কলেজ-এমনকি ভার্সিটিতেও। কিন্তু এই জড়োতার উল্টোপিঠেও আর এক জড়োতা আছে, যাকে বলে কোনো কিছু না করার বা আলসেমির জড়োতা। আর এইটা এখন আমার দৈনন্দিন জীবনজুড়ে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে। পরম শূন্য উষ্ণতার মতো যদি পরম শূন্য জড়োতা বলে কিছু থেকে থাকে তবে আমি নিশ্চিত, তা এখন আমকে জাপটিয়ে জড়িয়ে রেখেছে। আমার এই লেখাতেও অবধারিতভাবে সবাই বৈচিত্র্যহীন জড়োতার বিচিত্র সব উপকরণ রয়েছে যা বিষম বিরক্তির উদ্রেক কোনোরূপ জড়োতা ছাড়াই করতে পারে।