Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

সববয়সী

ছেঁড়াখোঁড়া স্বপ্নেরা -১

দময়ন্তী এর ছবি
লিখেছেন দময়ন্তী (তারিখ: রবি, ১১/০৯/২০১১ - ৩:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বছর দুই আড়াই আগে এই উপন্যাসটায় হাত দিয়েছিলাম৷ তারপর নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির জন্য লেখা বন্ধ হয়ে যায়৷ পাত্রপাত্রীরা আজকাল ঘুমের মধ্যে এসে বকাবকি করেন ওঁদের এরকম মাঝপথে ফেলে রাখায়৷ তাই আবার লিখতে শুরু করলাম৷ সচলদের কাছে একান্ত অনুরোধ দু হাত খুলে সমালোচনা করুন৷ একটুও দ্বিধা করবেন না, পড়ে যা মনে হবে মন্তব্যের ঘরে গিয়ে দমাস দমাস করে লিখে ফেলবেন, হ্যাঁ৷


চিংড়ি ভাজা, খেতে মজা!!!

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: রবি, ১১/০৯/২০১১ - ২:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(এটি একটি খানাপিনা বিষয়ক হালকা পোষ্ট। জ্ঞানীগুনীরা নিজ দায়িত্বে পড়বেন).......আমি পড়তে ভালোবাসি। শুধু তাই না, পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়তে আরো বেশী ভালোবাসি। তবে আজকাল সাহিত্য পড়া বাদ দিয়ে নতুন কিছু পড়ছি। পড়ছি না ঠিক, বলা যায় গবেষণা করছি। .........যেসব খাবার খেতে ডাক্তার বারন করেন, যেসব খাবার জিবে সয় কিন্তু রক্তে সয় না, যেসব খাবার ছেলেপিলেরা কচ কচ করে খায়, আর আধবুড়োরা ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে, সেইসব খাও


আবোল তাবোল-৪

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: রবি, ১১/০৯/২০১১ - ১১:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


উচ্চশিক্ষারত বন্ধুদে্র ফোনে বা ম্যাসেঞ্জারে নক করলে, নানা কথার ফাঁকে একটা কথা তারা ঘুরিয়ে শুনিয়ে দেয়, “দোস্ত ল্যাবে আছি/ ল্যাব থেকে ফিরছি/ ল্যাবের দিকে রওয়ানা দিচ্ছি”। হজ্বফেরত পলিটিশিয়ানরা যেমন নামের আগে হাজী লাগিয়ে নেয়, তেমনি তাদের নামের আগে "ল্যাবু" লাগিয়ে দিতে ইচ্ছা করে। একটু হিংসার ছোঁয়া নিশ্চয় পাওয়া যাচ্ছে, কারণ হচ্ছে আমার কোন ল্যাব নেই। আছে একখানা “অফিস”।


আমি আর নেই সেই আমি

বন্দনা এর ছবি
লিখেছেন বন্দনা [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১১/০৯/২০১১ - ১২:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]কদিন ধরেই মাথাটা বড্ডো বেশী খারাপ, বেশ কখানা ডেডলাইন ঝুলছে ঘাড়ের উপর। কোনটা রেখে কোনটা করি ভেবে না পাই কূল টাইপ অবস্থা আর কি। কিন্তু এ যাত্রায় আর রক্ষে নাই বোধহয়, যেমন করেই হোক কিছু একটা ধরায়ে দিতে হবে সুপারভাইজারের হাতে। কারণ বেশ কদিন আগে বেশ মোলায়েমভাবেই বলছিলাম যে পার্টটাইম করে ফেলতে চাই। এই শুনে উনারা ও আমাকে যাকে বলে এক্কেবারে ক্যোঁৎ করে ধরে ফেললেন, বললেন যা হয় আগে একটা ড্রাফট জমা দা


হিমালয়কন্যা : অনুরাধা কৈরালা

অরফিয়াস এর ছবি
লিখেছেন অরফিয়াস (তারিখ: শনি, ১০/০৯/২০১১ - ১০:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

উপস্থাপিকার কন্ঠসর তখন আবেগে রুদ্ধপ্রায়, অডিটরিয়ামের কয়েক হাজার গন্যমান্য ব্যাক্তি তখন উঠে দাড়িয়েছেন শ্রদ্ধায়, টিভি ক্যামেরায় দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ মানুষের চোখ অশ্রুসজল, করতালিতে কেঁপে উঠছে পুরো অডিটরিয়াম, ধীর পায়ে তিনি উঠে এলেন মঞ্চে, উপস্থাপিকা আবেগে জরিয়ে ধরলেন তাকে, সম্মানিত অথিতি তার বক্তব্যে তুলে ধরলেন নারী-পাচারের চরম কিছু অংশ, সবাইকে অনুরোধ করলেন, প্রত্যেকটা মেয়েকে নিজের সন্তান হিসেবে চিন্তা করে তাদের কষ্ট অনুধাবন করতে, যেনো নিজের মধ্যে জাগ্রত হয় আত্মশক্তি, যেনো পুরো সমাজ রুখে দাড়ায় মানুষ পাচারের মতো ঘৃণ্য অপরাধের বিরুদ্ধে, নমস্কার জানিয়ে যখন কথা শেষ করলেন, তখন আবার পুরো অডিটরিয়ামের দর্শক উঠে দাড়িয়েছেন, টপ টপ করে চোখ থেকে জল পরছে তখন অনেকেরই, করতালিতে আবার কেঁপে উঠলো পুরো হল| এই দৃশ্য CNN Hero 2010 Award অনুষ্ঠানের| শ্রদ্ধেয় সেই নারীর নাম "অনুরাধা কৈরালা"|


বর্ণবাদ: কিশোর পাঠ……

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১০/০৯/২০১১ - ৯:৫৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিশুকালের বর্ণবিভেদ নিরেট মাথায় তেমন একটা ছাপ না ফেললেও ধীরে ধীরে ব্যাপারগুলো বুঝতে শুরু করি
বয়স বাড়ার সাথে সাথে। তবে আরো একটি ব্যাপার এর সাথে শুরু হয় নিজের আজান্তে। তা হলো নিজেই
অন্যদেরকে নানা শ্রেণীতে ফেলে দেয়ার প্রবনতা। আমার মনে আছে ছোট বেলায়, মানে ফোর ফাইভ ক্লাশেও পড়ার সময় আমার সবচাইতে বড় খেলার সাথি ছিল আমাদের বাসায় যে মেয়েটা আমার মাকে ঘরের কাজে সহায়তা করতো ওই মেয়েটা।


ঘুরে এলাম সান্দাকফু-ফালুট -২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৯/০৯/২০১১ - ৭:৩৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দেখে এলাম সান্দাকফু-ফালুট-১

সারারাত আধো ঘুম, আধো জাগরন আর কানে ক্রিস রিয়া, অ্যাল ষ্টুয়ার্ট, পিঙ্ক ফ্লয়েডের মধুর গুঞ্জনের পর বুড়িমারি সীমান্তে যখন পৌছলাম তখন ভোর হয়ে গেছে। বাস দাড়ালো শ্যামলী কাউন্টারে। কন্ডাক্টর অবশ্য তার আগেই সবার কাছ থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করে রেখেছে। ট্রাভেল ট্যাক্স আর কাষ্টমস্ ক্লিয়ারেন্স পরিবহন হিসাবে সিস্টেম করা আছে, টাকা দেয়া ছাড়া যাত্রীদের আর কোন ঝামেলা পোহাতে হয়না। বাক্স পেটরাও ওপারে অপেক্ষারত বাসে পৌছে দেয়া বাস কতৃপক্ষের দায়িত্ব। পোর্টারকে বখশিস হিসাবে কিছু দেয়া অপশনাল। শ্যামলীর এই ব্যাপারটা নির্ভার করে সবসময়ই। সারারাত জার্নি করে ভোর বেলা এতসব লাগেজের দিকে খেয়াল রাখা আসলেই মুশকিল। আমার আবার হারানোর বাতিক আছে, কোন ট্যুর কিছু না হারিয়ে শেষ করতে পারিনা।


আমার জীবন ক্যানভাসে

খন্দকার আলমগীর হোসেন এর ছবি
লিখেছেন খন্দকার আলমগীর হোসেন [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৯/০৯/২০১১ - ৬:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অসাবধানে যেই না ছুঁলো আমায় তোমার আংগুলে,
কে যে আমায় খাইয়ে দিলো চরম নেশার ভাং গুলে।

প্রেম জগতের আংগিনাতে ছিলাম বড়ো নিঃস্ব রে,
কোন পূণ্যে তোমায় দিলেন মিলিয়ে আমায় ঈশ্বরে।

হৃদয় আমার একটি কথা বলছে প্রতি নিঃশ্বাসে,
এই জীবনের, এই শরীরের, এই আত্মার হিস্যা সে।

বাতাস যখন জমায় খেলা তোমার কালো কুন্তলে,
আমার সকল হৃদয় জুড়ে প্রেম রাগিণীর ধুন তোলে।

তোমার ঠোঁটের কূল ভাংগলে আনন্দে কি উচ্ছ্বাসে


মাটির মানুষ/ অধঃপতন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৮/০৯/২০১১ - ৮:৪৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাটির মানুষ
শুনেছি কবিতার শব্দের মতো পাতারাও মহৎ
তাদের সর্পিল ক্ষুধা নেই,
এমনকি জিরাফাকৃতি ক্লান্তিও নেই
তারা ভ্যাম্পায়ারের মতো রক্তপানও করেন না
কিংবা কারো মুন্ডু চিবিয়ে পরম উল্লাসেও মেতে উঠেন না রাক্ষসের মতো।

আমরা পাতা নই
হিংস্র নখরের দলা অলৌকিক মাটির মানুষ
আমাদের অসীম ক্লান্তি
নখর সবল রাখতে সকাল বিকাল পাতাদের রক্ত চাটতে হয়
আমাদের ক্ষুধাও অনেক,


এন্ড্রয়েড এবং প্রথম মোবাইল বাংলা পোস্ট

সিরাত এর ছবি
লিখেছেন সিরাত (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৮/০৯/২০১১ - ৮:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার বহুদিনের স্বপ্ন মোবাইল দিয়ে বাংলা লিখতে পারা। গুগলের এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মায়াবি কিবোর্ড নামক ফ্রি এপ্লিকেশনটি সেই স্বপ্নকে বাস্তব রুপ দিলো। অজস্র ধন্যবাদ সে কারণে মায়াবির স্রষ্টাকে!!

যাই হোক, আমি এমনিতেই এন্ড্রয়েডে নতুন। কিবোর্ডটায় এখনো অভ্যস্ত নই। বাংলা সফটওয়্যারটিতেও নতুন। এদ্দূর লিখতে গিয়ে মোটামুটি ২০ মিনিট লেগে গেল। প্রথম দিকের ব্লগিং এর একটা আমেজ পাচ্ছি।