ক্লাস নাইনে পড়ার সময় আমার এক বন্ধু ক্লাসে এসে এক মজার তথ্য দিল। কোনো এক হুজুরের কাছে সে শুনেছে যে স্বামী-স্ত্রীর মিলনে নাকি প্রচুর পূণ্য আছে, সেটা নাকি একজন ইহুদী মারার সমপরিমাণ পূণ্য! বড় হয়ে শুনেছি ইহুদি-বিদ্বেষের একটা ভালো নাম আছে, একে বলে এন্টি-সেমিটিজম। এটা শুধু যে অশিক্ষিত হুজুররাই করেন তা না, অনেক বড় বড় মনীষীও ইহুদীদের একদম ভালোবাসতেন না। সেই সময়ে এন্টি-সেমিটিজম শব্দটাও শুনিনি, কিন্তু এই “ইহুদি মারার” ব্যাপারটা সুপারহিট হয়ে গেল বন্ধুমহলে। এটা দিয়ে অনেক সাংকেতিক ব্যাপার-স্যাপার চালানো যায়। ধরা যাক ডেটিং মেরে আসলো এক বন্ধু, সবাই জনাকীর্ণ রেস্তোরাঁতে বসেছি...
"দোস্ত...ডেটিংয়ে গেলি...ইহুদি টিহুদি মারিস নাই?"
"আরে না না...ও আবার একটু ইয়ে, বিয়ের আগে ইয়ে একদম ইয়ে করে না..."
"ঠিকাছে, দোস বুঝলাম...কিন্তু শালার ইহুদি না মারোস...পিডায়ে ফাডায়ে ফ্যালাইসোস তো?"
"আরে না না...কি ইয়ে কস...কইলাম না...ও আবার একটু ইয়ে মানে..."
"একটু খুইল্যা ক...না..."
"নারে ইহুদিরে দুই একটা চড় থাপ্পড়...এইটুকু ইয়ে আরকি..." বিরস বদনে বন্ধু জানায়।
মৌলবাদীদের সুবাদে আমরা প্রকাশ্যেই নানান আলাপ করতে পারি। পাশের লোক হয়ত আমাদের প্যালেস্টাইনিদের সহমর্মী কেউ ভাবছে, আমরা বিনা সমস্যায় আলাপচারিতা চালিয়ে যাই।
তবে মার্কিন দেশে আসার পরে এই সঙ্কেতের প্রয়োজন হয়নি। এখানকার বন্ধুদের গার্লফ্রেন্ডরা মোটেও ইয়ে না, ডেটিং শেষে হত্যাকান্ডের পূণ্য না পেলেই হয়ত খারাপ মনে করে। কিন্তু তারপরও মৌলবাদের সাথে মোলাকাত এখানেও কম হয় নি।
আমেরিকাতে এসে প্রথমেই লক্ষ্য করলাম যে এদেশে তবলিকদের বড়ই উৎপাত, সময়ে অসময়ে এরা এসে হাজির। এদের চেহারাটা হাসি হাসি থাকে, একবার বাসায় ঢুকে পড়লে পুরো দুই ঘন্টা অত্যাচার চালাবে। এরপর এশার নামাযটা জামাতে আদায় করে বিদায় নেবে। বুয়েটের হলেও তবলিক কম কিছু ছিল না, কিন্তু তাদের বেশ স্ট্রিক্ট ড্রেস কোড ছিল, তাই দূর থেকেও চেনা যেত। কিন্তু এই দেশে জিন্স আর টি-শার্ট পড়া উঠতি তবলিকও আছে। ছদ্মবেশের কারণে এদের হাতে পাকড়াও হতে হয়েছে বেশ অনেকবার। তবে তবলিকরা খুবই মিষ্টভাষী, বাসা থেকে চলে যেতে বললেও মন খারাপ করে না। একটু কর্কশ হয়ে এদের উপদ্রব কমানো গেলেও শুধু একজনকে সাইজ করা যেত না। ধরা যাক তার নাম উমর।
উমর ভারতীয়, কিন্তু ওকে ক্যানাডিয়ান এক নিঃসন্তান দম্পতি দত্তক নিয়েছিল। একটু বড় হয়েই সে তার শেকড়ের সন্ধান করে এবং কালক্রমে তবলিকে রূপান্তরিত হয়। উমর ইংরেজি বলত আমেরিকানদের মতই, আর সেই সাথে আশৈশব পশ্চিমে কাটানোর কারণে তার ওয়াজগুলো একটু Rated-R হতো। ফিডব্যাকের মাকসুদের রবীন্দ্রসঙ্গীতের চেয়েও ভয়াবহ এক ফিউশন...একটু উদাহরণ দেই।
"ব্রাদার, এই দেশের মেয়েগুলো...এদের ড্রেসআপ শুধু হারাম না...এরা বাথরুম করে পানি নেয় না...ওদের প্যান্টি হোজ, ব্রাদার আই টেল ইউ...খুবই ইয়ে...কোনো মুসলমান ভাইয়ের ওদের সাথে ইয়ে...ব্রাদার ইউ ডিজার্ভ এ হালাল মেয়ে...এ সিস্টার হু ইজ ক্লিন..." উমরের চোখগুলো চকচক করতে থাকে।
আমার রুমমেট আমার দিকে তাকিয়ে বিস্মিত কন্ঠে জানায়..."এই হালায় তো মনে হয় তো পুরাই হর্নি..." আমিও মাথা নেড়ে সম্মতি দেই। তার অবদমিত কামনাগুলো মনে হয় ধর্মের বর্মের নিচে চাপা পড়ে গেছে, সুযোগ পেলেই সেগুলো সে উগরে দেয়। উমরের নাম দিলাম আমরা - হর্নি হুজুর। ব্লগের শেষে পরীক্ষার মত প্রশ্ন জুড়ে দেওয়া গেলে আমি এই নামকরণের সার্থকতা জিজ্ঞেস করতাম পাঠকদেরকে।
মসজিদে নামাজ পড়তে গেলেও অসুবিধা কম না। এদেশে জুম্মার নামাজের খুৎবাতেও একসময় ইহুদি জাতিকে ধুয়ে দেওয়া হতো নিয়মিত। লাবোক শহরে প্রথমবার জুম্মায় গিয়ে দেখলাম, এক প্যালেস্টাইনি হুজুর খুৎবা দিচ্ছেন, সামনে মাইক না থাকলে খুব সমস্যা হতো না। তার বক্তব্য হোলো কেয়ামতের সময় সবাই ইহুদিদের আচ্ছা করে ধোলাই দিবে, বনের পশু-পাখি, গাছ-পালা সবাই এসে তাদের “ঘাড়” দিবে আর নিজেদের পাপমোচন করবে- এটাই সারমর্ম। খুৎবা দিচ্ছে অশিক্ষিত কেউ না, পিএইচডির একজন ছাত্র। অবধারিতভাবেই আমার পুরনো কথা মনে পড়ল। হত্যা করে পূণ্য অর্জন করার লোকের অভাব নেই দুনিয়ায়। এদের বয়ান শুনলে মনে হয় পূণ্যের ব্যাপারটা যেন সেকেন্ডারি মার্কেটে ঈশ্বর এন্টারপ্রাইজের ছাড়া শেয়ার। ঝানু ব্যবসায়ীদের মত এরা এগুলো কেনাবেচা করেন। দুঃখের বিষয় ক্রেডিট কার্ডের ব্যালান্সের মতন পূণ্যের ব্যালান্স চেক করার কোন অনলাইন বন্দোবস্ত বিধাতা রাখেন নি, তাই পূণ্য বাড়া-কমার হিসাব স্টক মার্কেটের মতই রহস্যময় রয়ে যায়।
তবে সেপ্টেম্বর ইলেভেনের পরে খুৎবার ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। মানুষের সাথে মানুষের সম্প্রীতির কথা বলেন আজকাল উনারা, গরম গরম কথা প্রায় বন্ধই বলা যায়। লাল পিঁপড়া হুজুরেরা সবাই নিমেষেই কালোতে রূপান্তরিত হয়েছেন। প্রায় সবাই এখন খুব মিষ্টভাষী হয়ে গেছেন। নিরামিষ টাইপের ওয়াজ করেন, না করে উপায়ও নেই, গুজব আছে মসজিদে নাকি এফবিআইয়ের এজেণ্টরা দিনরাত বসে থাকে, তারাও কপাল কালো করে ফেলছেন মৌলবাদীদের ধরার জন্য।
মুসলমানপ্রধান দেশে বড় হওয়াতে মুসলিম মৌলবাদের সাথে অল্পবিস্তর পরিচয় ছিল। চাকরিতে ঢুকে অন্য ধরণের মৌলবাদের সন্ধান পেলাম। আমি তখন মিডওয়েস্টে। শীতের শেষভাগ, আমার জন্য তবুও বিস্তর শীত। প্রতিদিন সকালে শীতে কাঁপতে কাঁপতে অফিসে ঢুকি, ভাগ্যকে নিয়ম করে দুইবেলা গালি দেই। অফিসের এক কোনায় ছোট একটা ল্যাব আছে, সেখানেই সারাদিন থাকি। ল্যাবের একপাশে ছোট একটা জানালা, তাতে দর্শনীয় কিছুই নেই, বরফের স্তুপ আর ন্যাড়া ন্যাড়া কিছু গাছ-পালা।
ল্যাবের ভেতরে দুটি মাত্র প্রাণী। আমি আর ভ্লাদিমির। ভদ্রলোক হচ্ছে আমার সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার । দেশে থাকলে হয়ত ভাইয়া বলেই ডাকতাম। বেশ সহৃদয় ব্যক্তি মনে হয়েছিল আমার। ঘরে দিনরাত ভাসে টাটকা কফির গন্ধ। দুপুরের পর ভ্লাদিমির তার গোপন কুঠুরি থেকে একটু ভদকা বের করে খান। রাশান ভদকা, বোতলে এক বর্ণ ইংরেজি নেই। আমিও খেয়েছি সেই জিনিস, বলা যায় না এই জিনিস হয়ত পলিটব্যুরোর নেতারাও খেতেন – এই ভেবে রীতিমত রোমাঞ্চ হতো আমার।
ভ্লাদিমির লম্বায় সত্যজিৎ রায়ের চেয়ে কয়েক ইঞ্চি বেশিই হবেন হয়ত। পরিপাটি সোনালী চুল, চাপদাড়ি, হাফ হাতা সোয়েটার পরেন – দেখলে মনে হবে নোবেল প্রাইজের লিস্টে নাম আছে তার। বড় হয়েছেন লাটভিয়ার রিগা শহরে, মার্কিন দেশে আছেন অনেক বছর তবে রাশান উচ্চারণ লুকানো তরিকা এখনো রপ্ত করতে পারেন নি।
“আচ্ছা ইহুদিদের সম্বন্ধে তোমার ধারণা কী?”
দুপুরের খাওয়ার পর ভ্লাদিমিরের এই আচমকা প্রশ্নে আমি একটু দ্বিধায় পড়ে যাই। প্রশ্নটা নিশ্চিতভাবেই উদ্দেশ্যমূলক। আমার ইহুদী বন্ধু ডেইভের প্রজেক্ট চোথা না মারলে আমি একটা কোর্সে ফেল মারতাম...কী বলব এখন?
“শোনো ইহুদীদের মত বদমাশ জাতি আর দুনিয়াতে নাই...ওদের পাল্লায় পড়ে আজ রাশিয়া ভেঙ্গেছে, আমেরিকা ডুবছে, তোমাদের মুসলিম বিশ্ব ইয়ে মারা খাচ্ছে...দুনিয়ার তাবৎ সমস্যার মূলে আছে এই হারামজাদাগুলো...”
আমার জবাবের অপেক্ষা না করেই উনি শুরু করে দেন।
ভ্লাদিমির অর্থোডক্স খ্রীষ্টান। ইহুদীদের একদমই দুই চোখে দেখতে পারে না সে। তার মতে, পৃথিবীর সবদেশেই ইহুদী আছে ছদ্মবেশে, ভ্লাদিমির তাদের চেহারা আর চালচলন দেখে বুঝতে পারে।
“বুঝলেই ওই তোমার সুমন নামের বন্ধুটা...ওর চেহারাতে আঁকা আছে যে ওর ভেতরটা ইহুদী...আর নামটাও দেখ...সুমন...এসেছে সাইমন থেকে...ওইটা তো ইহুদী নাম সেটা তো জানো...ওর থেকে সাবধানে থেক...”
“হিটলার ইহুদীদের চরিত্র বুঝেছিলেন। অবশ্য ইহুদী নিধনের অভিযোগ মিথ্যে...ওই গ্যাস চেম্বারগুলো...কেন তৈরি করেছে জানো? ইহুদীদের গায়ে একধরণের পোকা হয়, সেগুলো মারার জন্য...আর সেই গ্যাস চেম্বারগুলো দেখায়ে শুয়োরগুলো এখনো ব্যবসা করে...হারামজাদা...”
পরে নেট ঘেঁটে জেনেছি যে ইউরোপের অনেক দেশেই হলোকাস্ট ডিনায়াল বা হিটলারের চালানো গণহত্যা অস্বীকার করাও দণ্ডনীয় অপরাধ। কেন যে এই আইন দরকার আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না সেটা। এরকম একটা আইন আমাদের দেশেও দরকার।
আমাদের সেই ল্যাবে কালেভাদ্রে অন্য কেউ ঢুকতো, তাই অনায়াসেই চলত ভ্লাদিমিরের লেকচার। আমিও এক বোতল ভদকা রাখতাম গোপনে, ওই লেকচার শুরু হতেই একটু একটু করে খেতাম। এই জিনিস ছাড়া দুই বছরব্যাপি ওয়াজ মহফিল সহ্য করা যেত না।
একদিন মুক্তি মিললো। ওই চাকরিটা ছেড়ে ১১০০ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে চলে এলাম অন্য এক রাজ্যে। কাজটা মন্দ ছিল না, কিন্তু ভ্লাদিমিরের হাত থেকে তো বাঁচা গেছে...কিন্তু বলেছিলাম না যে কপালটা আমার বড়ই ইয়ে...কয়েকমাস পরে আমার নতুন কোম্পানীতে সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে ঢুকলেন তিনি...পূর্ব পরিচিত এইজন্য বসও আমাদেরকে একই অফিসে বসতে দিলেন।
“আমাদের এই নতুন বস...খুউউউব সাবধান...এই লোক কিন্তু ইহুদী...”
ভাগ্যটা আমার এমন কেন?
মন্তব্য
কী অবস্থা! এই জাতীয় মানুষের সাথে চাকরি করতে হলে মুশকিল...এদেশেও আছে কিছুটা এইরকম...ধর্মটা শুধু আলাদা এক্ষেত্রে...বৈষম্যমূলক কথাবার্তা সেই সব ধর্মের মানুষের সামনেই বলতে থাকে... শিক্ষা দীক্ষার সব রকম সুবিধা পাবার পরও যদি এইরকম মানসিকতা হয় তাহলে আর কী বলা যায়। ...গতকাল রাতে বিডিনিউজে কিশোরী হেনাকে দোররা মারার ঘটনা দেখার পর থেকেই মনমেজাজ ভীষণ খারাপ হয়ে আছে...
সব দেশেই আছে এই ধরণের লোক। উগ্রবাদের চরিত্র প্রায় সবর্ত্রই এক। কিশোরী হেনার ঘটনাটা হৃদয়বিদারক।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
- ঘ্যাচাং -
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
ভাল লাগল। আমি নাইন ইলেভেনের অনেক পরে এসেছি, মসজিদে তাই "গরম গরম" ওয়াজ খুব একটা শুনতে পাইনি। এখানকার লোকজন দেখি মসজিদগুলোকে "উপমহাদেশ-প্রভাবিত" আর "মধ্যপ্রাচ্য-প্রভাবিত" এই ২ ভাগে ভাগ করে। অনেকগুলো মসজিদে ওয়াজ শোনার পর আমার মনে হয়েছে, উপমহাদেশীয় ইমামরা তুলনামূলকভাবে বেশী কট্টর হন।
আমাদের শহরের মসজিদ মধ্যপ্রাচ্য অধ্যুষিত, একজন ইমাম কায়রোর ভদ্রলোক, (আসলেই অত্যন্ত অমায়িক আর ভদ্রলোক), তাকে প্রথমে দেখে মনে হয়েছিল, আহা আমেরিকার সব ইমামই বুঝি এরকম। ভুল ভাঙে এক ভারতীয় বাপ-বেটা জুড়ির পাল্লায় পড়ে। বাঙালি এক ইফতার পার্টিতে এদের একবার আমন্ত্রণ জানানো হয় ওয়াজ-নসিহত করার জন্য, তারা শুরুই করেন একেবারে মারাত্মক এটাকিং স্টাইলে আর ভয়াবহ উঁচু গলায় " ইউ থিংক ইউ আর গোয়িং টো হেভেন?? ইউ আর অল গোয়িং টো হেল! হেল!! হাহ!!" ক্ষণে ক্ষণে হুমকি আর চিৎকার মিলিয়ে সেই ওয়াজ এখনো কানে বাজে।
তবে মসজিদের একটা সুবিধা না বললেই নয়--রমজানের ৩০টা দিনই ডিনার ফ্রী
এটা আসলেই ভালো, বিশেষত গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্টদের জন্য।
উগ্র ইমাম বিরল নয়, অনেকেরই মুখ বন্ধ যদিও।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
ধন্যবাদ।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
খুব ভালো লেখেন আপনি ।
মৌলবাদ তো এখন বিশ্বব্যাপী মহা সমস্যা । আর আমাদের মত দেশগুলোর জন্য তো মহা সমস্যা ।
তবে , ফিলিস্তীনিদের এন্টি-সেমিটিজমকে মৌলবাদ বলতে আমি বড় নারাজ । আমার বেশ কজন ফিলিস্তীনির সাথে বছরখানেক আগে চার মাস কাজ করার সুযোগ হয়েছিলো । ফিলিস্তীনিদের এন্টিসেমিটিক হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে ।
----------------------------------
আমার চারপাশ ডট কম
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সবুজ পাহাড়ের রাজা।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
পেত্যেক বিষ্যুদবারে এই সিরিজের নতুন পর্ব চাই দেতে হবে দেতে হবে
মাসের প্রথম বিষ্যুদবারে হলে হয় না?
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
- ঘ্যাচাং -
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
দেতে হবে দেতে হবে
অচিরেই ইহুদী মারার পাঁয়তারা কষতে হবে দেখি।
ধন্যবাদ মানিক।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
এইডা মানিক না, সুহান। অবশ্য আদর করে বললে অন্য কথা।
উদ্যোগ সফল হউক।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
লাইনটা চ্রম। লেখাটা ভালো লাগছে ভাই।
ধন্যবাদ মানিক।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
আপনার প্রতিটা লেখাই ভাল লাগে, এই লেখাটাও তার ব্যতিক্রম নয়।
love the life you live. live the life you love.
ধন্যবাদ তারাপ।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
আপনি যে লেখেন-টেখেন, সেটাই তো ভুলে যেতে বসেছিলাম...
লেখা নিয়ে কোনো মন্তব্যই করব না, করলেই আপনি আবার থ্যাঙ্কু ছুঁড়ে মারবেন।
আপনি থ্যাঙ্কুর আওতার বাইরে আছেন
বলেন কী? আমি তো নিয়মিতই লিখছি সচলে।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
মন্তব্যের জবাবগুলো ঠিক জায়গামতই দিয়েছিলাম, সব দেখি এখন উলট-পালট
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
সব ধর্মই তো পারলে আরেক ধর্মকে বাতিল করে দিয়ে, কতল করে ফেলে 'কাফের' মারার ক্রেডিট নিয়ে জান্নাত/প্যারাডাইজে/মাটির তলে ঢুকতে চায়। হালে এই দলে যোগ হয়েছে ধর্মহীনদের এক দল। সবার কাছেই সবারটা সেরা। এক বিন্দু ছাড় দিতে কেউ রাজী না।
ধর্মবাদী কিংবা ধর্মহীন- যে কারো মৌলবাদকেই সমানভাবে ঘৃণা।
উপরে ময়নার দাবীর সাথে সহমত জানিয়ে গেলাম। পেত্যেক বিষুইদবারে একটা করে নয়া পর্ব দেখতাম ছাই।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
তা ভাগ্যি, কেমিস্ট্রির মৌলবাদকে বাদ দিয়েছেন
মাই গড ক্যান কিক ইউর গড'স...এই হচ্ছে মূলমন্ত্র।
হিমুর নাম ময়না হইল কবে?
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
--বল, স্পোর্টিং স্পিরিটে কমপ্লিট করলাম কথাটা। বল বলতে সকারবল পড়তে হবে
---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়
আপনে ইহুদীবাদের দালাল, তাই আপনেরে ধিক্কার...দেখেন কী ফতোয়া আসে!
যাউগগা, আমার এক দোস্ত'র একখান উক্তি কই,
"ধর্ম আমারে হারাম-মাংস খাইতে আটকাইয়া রাখে, কিন্তু চুরি-ঘুষ খাইতে আটকাইতে পারে না; ধর্ম আমারে দিয়া প্রার্থণা করাইতে পারে কিন্তু মিথ্যা বলা বন্ধ করাইতে পারেনা; ধর্ম আমারে হস্তমৈথুন করতে বাধা দিয়া রাখতে পারে, কিন্তু ধর্ষণ করার সময় ফিরাইতে পারে না; ধর্ম আমারে নিজের ধর্মের লোকরে দয়া করতে শিখায়, কিন্তু অন্য ধর্মের লোককে ঘৃণা-হত্যা করতে বাধা দেয় না!"
মৌলবাদ সব ধর্মেই এখন বড় সমস্যা; আর এইটা দিন দিন মনে হয় আরও বাড়ছে...কবে যে সবকিছু পারস্পরিক ঘৃণার আগুনে পুড়ে শেষ হয়ে যায়, কে জানে...!
(লেখাটা রেগুলার চালান, ভাইয়া)
-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...
লেখা চলবে।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
তাসনীম, এমন সিরিয়াস বিষয় নিয়ে যে হাস্যরস করলেন, আপনার এমন শাস্তিই হওয়া উচিত ছিল (মজা করছি) । অনেকদিন পরে হাসতে হাসতে পেট ব্যথা করে ফেললাম । আমার ছেলে পাশ থেকে জানতে চা'চ্ছে কী এমন জিনিষ যা পড়ে আমাকে এত হাসতে হচ্ছে । তাকে তো আর ইহুদি নিধনের এমন পুন্যের কথা এখনই বলা যায় না ।
যাকগে লেখায় পাঁচ তারা । আচ্ছা, শিশুপালন সিরিজটা কি শেষ করেছেন? আর এবারের বই মেলায় না আপনার বই বেরুনোর কথা ছিল? কী হল তার?
__________________________________________
জয় হোক মানবতার ।। জয় হোক জাগ্রত জনতার
পাঁচতারা সাদরে গ্রহন করলাম। শিশুপালন এখনো চলমান। একটা পার্ট অর্ধেক লেখা হয়ে আছে, কোনো এক শুভদিনে শেষ করতে হবে। বইমেলায় বই বের হচ্ছে না এখনো পর্যন্ত কোনো বোকা প্রকাশক পাই নি
তবে "স্মৃতির শহর" ই-বুক করার কাজ চলছে।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
আমার এখানে (টেনেসি) জুম্মার খুতবা গুলা ভয়ানক রকমের নিরিহ। দেশের জেহাদি জোশ নাই। তাই অধিকাংশ সময়ই ঘুম আসে। এখানের ইমাম দুই জনই ইউনির টিচার। তারা সব সময়ই চিন্তায় থাকে যে এই সব খুতবাতে "তেনারা" থাকেন। পাশের শহরের এক ইমাম একবার এখানে এসেছিল খুতবা দেয়ার জন্য। তার মুখ থেকেই শোনা যে এক খুতবায় তিনি আত্মার শুদ্ধির জন্য জিহাদের কথা বলছিলেন। এটা ওই জিহাদ না। কিন্তু তার সেই খুতবা ভিডিও করে কিছুটা পরিবর্তন করে এক ইহুদি সাইটে আপলোড করে বলা হয় যে এখানে জিহাদ করার জন্য বলা হচ্ছে। তিনি স্ক্রিন শট রাখার আগেই তারা ওটা নামিয়ে দেয়। পরে তারা ক্ষমাও চায়। কিন্তু পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় তিনি স্যু করতে পারেননি। তিনি হলেন তার এলাকার ইসলামি সেন্টারের ইমাম যেটা শেষ পর্যন্ত অনুমোদন পেয়েছে। এটা দ্বারা বোঝা যায় যে তারা কি পরিমাণ চাপের উপরে থাকেন। এর জন্যই খুতবা গুলো খুবই নিরিহ হয়। তবে ইহুদিদের দেখতে না পারাতে সবাই এক। আমার এলাকার খ্রিষ্টান বন্ধুদের সাথে এ নিয়ে কথা হয়নি, তবে আমার এলাকাটা কড়া খ্রিষ্টান এলাকা। একটা বার পর্যন্ত নাই।
অনন্ত
ইহুদী বিদ্বেষ পাশ্চাত্যেও খুব রেয়ার না। ইমামদের চাপে না রাখলে জুম্মার নামাজে তারা অগ্নিবর্ষী বক্তৃতা দেন। এই হিসেবে চাপটা মন্দ না।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
সচলায়তনে এটা আমার যে কোন ধরনের প্রথম লেখা। সত্যি কথা বলতে কি আমি কিছুক্ষন আগে মাত্র নিবন্ধন করেছি। অনেকদিন ধরেই চিন্তা করছিলাম যে সচলে যোগ দিব কিন্তু নানা কারনে হয়ে উঠেনি। কিন্তু তাস্নিমের লেখা পড়ি এতো ভালো লাগলো যে মন্তব্যের লোভে সাত তাড়াতাড়ি করে নিবন্ধিত হয়ে গেলাম। ভাই তাসনিম, একটা কথাই বলবো, আপনার লেখার হাত এক কথায় অসাধারন! লেখা থামানোর কথা মুহুর্তের জন্যেও থামানো চিন্তা করবে না। সেটা হবে একটা গুরুতর অপরাধ!
এক বছরের বেশি সময় ধরে নিয়মিত লিখছি, থামিনি এখনো!
সচলে স্বাগতম, এবার আপনিও লিখতে শুর্যু করুন। আর নাম দিতে ভুলবেন না।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
তবলীকিদের হাত থেকে তো এখানেও রেহাই নেই মনে হচ্ছে
তবে দেশীগুলোর ভাষাপ্রয়োগ কিন্তু আসলেই অসাধারণ,
"এইজন্য আমাদের 'ফিকির' করতে হবে..."
"চলুন 'আল্লাহর রাস্তায়' চল্লিশদিন 'লাগিয়ে' আসি..."
"আপনাকে একটু 'তাক্বাদা' দিতে এলাম..."
একেকবার এদের সাথে দেখা হওয়ার পরে কয়েকদিন লাগে হাসি সামলাতে।
আমার ধারণ চাঁদের দেশে গেলেও তবলিক দেখা যাবে।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
দুরন্ত , অসাধারণ !!
পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।
ধন্যবাদ দিগন্ত।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"
ধন্যবাদ তিথী।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
খুব ভাল লাগল, চলুক এরকম। (হালাল মেয়ের ধারণাটা )
ধন্যবাদ নৈষাদ।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
জীবনে ডিভিও পেলাম না, মার্কিন মুল্লুকে যেতেও পারলাম না। কি আর করি আপনার লেখা পড়েই দুধের স্বাদ ঘোলে মিটাই। অনেক মন্দ দিকের পাশাপাশি সে সমাজের অনেক ভালো দিকও নিশ্চয়ই আছে। সেগুলো জানতে ইচ্ছে করে।
------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
নক্ষত্রের নিচে।
ধন্যবাদ রোমেল ভাই। সমস্যা হচ্ছে ভালো দিক নিয়ে মস্করা করা কঠিন
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
"নারে ইহুদিরে দুই একটা চড় থাপ্পড়...এইটুকু ইয়ে আরকি..."
ইস্স্স্ এরকম কইরা যদি দুই একটা চড়ও দিতে পারতাম...
হিমাগ্নি
ধৈর্য্য রাখুন, অবশ্যই হত্যাকান্ড ঘটাতে পারবেন
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
কি আর করবেন ভাই সব দেশেই আছে এই ধরণের লোক।
------------------------------------------
Sad Quote
একটা ধর্মপ্রাণ(!) বালিকা পাইলে দুইজনে মিল্যা ইহুদী মারতাম
উপরে ধুগো'দার দাবীর সাথে সহমত জানিয়ে গেলাম। পেত্যেক বিষুইদবারে একটা করে নয়া পর্ব দেখতাম ছাই।
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
ভাইয়া কি তাহলে ইহুদী মারার সেমিনার দিতেন নাকি?
মনের বাসনা অচিরেই পূরণ হোক।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
ভাইজান কি দলীয় যৌনকর্মে বিশ্বাসী!!! (জাষ্ট কিডিং)
------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।
লেখা (গুড়) হইসে।
------------------------
[ওয়েবসাইট] [ফেইসবুক] [ফ্লিকার ]
ধন্যবাদ ফাহিম।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
মজার একটা গল্প শুনেছিলাম। দেলওয়ার সাইদীর ওয়ার মাহফিল শুনে বৃদ্ধা তার বৃদ্ধ হাবিকে এমনভাবে ইহুদি মারার জন্যে চাপ দিয়েছিলো যার ফলে ক্লান্ত বৃদ্ধ শেষে আর না পেরে শেষে ইহুদির ক্যাম্পে আগুন ধরিয়ে দেয়।
মৌলবাদ/বর্ণবাদ এখন বৈশ্বিক সমস্যা এবং উন্নত দেশগুলোতে এর রূপ আধুনিক; আমাদের দেশের মতো দোররা মারা না। অনেক বছর আগে অসলোতে আমার সোমালী বন্ধুর বাসায় একদল উগ্রপন্থী ক্রিশ্চিয়ান ভাংচুর চালায়। পরে মামলা মোকদ্দমা হলেও কিছুই আর হয়নি। বন্ধুটাকে মামলা তুলে নিতে হয়। এতে অবশ্য ওরও একটা লাভ হয়েছিলো, যেখানে পাসপোর্ট পেতে ৫ বছর লাগতো, ও সেখানে ২ বছরেই পাসপোর্ট পেয়ে যায়।
------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।
আমি কাফের মারা নিয়ে গল্প শুনেছিলাম। যেখানে কাফের মারতে মারতে ক্লান্ত হুজুর স্ত্রীর ক্রমাগত ধর্মাচরণের আহবানের মুখে বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, "আর একটা কাফের মারলে একজন মুমিন মারা যাবে"।
লেখা বরাবরের মতই ভালো লাগলো।
---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়
ভালো লিখেছেন। আপনি টেক্সাস টেক এর কোন ডিপার্টমেন্ট এ ছিলেন? কবে ছিলেন? আমিও এখন লাবোক এ আছি তো, তাই জিজ্ঞেস করলাম। ঈমাম দের মিষ্টভাষী আচরণ এখনও আছে।
ধন্যবাদ।
আমি ১৯৯৬ এর সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৯৮ এর শেষ পর্যন্ত ছিলাম। ইলেক্ট্রিক্যাল ডিপার্টমেন্টে। আপনি কোথায় আছেন?
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
তাবলীগ নিয়ে আমারও নিদারুণ অভিজ্ঞতা আছে- পরবাসে তাবলীগের বশে।
-----------------------------------
বই,আর্ট, নানা কিছু এবং বইদ্বীপ ।
ধন্যবাদ। আপনার লেখাটা আগে পড়িনি। তবলীগের অভিজ্ঞতা সার্বজনীন মনে হয়। বুয়েট নিয়ে ছোট একটা সিরিজ লিখব। ওখানেও তবলীগের কথা থাকবে। ওদের অবস্থান বুয়েটে বড় শক্ত। বুয়েটে পড়েছে কিন্তু তবলীগের কবলে পড়েনি এটা হতে পারে না।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং রুমমেট এর মুখ এতটাই সুমধুর ছিল যে তাবলীগের পোলাপান কাছে ভেড়ার সাহস করতো না, কখন কি শুনতে হয়! বন্ধুর কল্যানে তাবলীগের পাল্লায় পড়া হয়ে ওঠে নি।
লেখা ববাবরের মতই চমৎকার।
ঈদে-চান্দে-জুমায় গত এক বছরে একবেলায়ও মসজিদে যাইনি। এক হিজাবি আপু আগে দেখা হলে তুই করে কথা বলতেন, এখন বিরস শুকনো মুখে সালামের উত্তর দেন বড়জোর।
নাস্তিক বোলগারের থেকে দূরে থাকার ফতোয়া শুনেছেন মে বি।
________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"
নতুন মন্তব্য করুন