ভোরের চাদরটা তখনো ঘুমের আবেশ জড়ানো। সে চেয়ে আছে নিষ্পলক। ভোর বেলার বাতাসে একটা আলাদা ঘ্রাণ থাকে। সেই ঘ্রাণে থাকে মিষ্টি এক অনুভব। আমি সবটুকু মিষ্টি অনুভব জড়িয়ে তাকে বলি, ভালো থাকিস আজ সারাদিন। সে কোনো তোয়াক্কা করে না, সে তার মতই থাকে।
অতএব সুমন রাজন মোহন
বন্ধু আমরা তিনজন
একটা গান ছিল পৃথিবিতে
এহনো মনে পড়ে স্ট্যানগান
উইড়া আহা ঝাঁক ঝাঁক গুলি
পাহাইড়া ও চইরা দর্শকগো সিটের তলে টুক পলান্তি
রেজ্জাক আলঙ্গীর ও শুহেলরানা
উয়া ঢিশুম উয়া ঢিশুম্মা হাহাহা
নানাবিধ হাসতামশা ও বন্ধুত্ব শ্যাষে
শত্রু হইয়া যায় একদিন চোক্খের পলকে
তাহাদে নিরুতিশয় গিয়ানজাম।
এ ওরে মারে কিম্বা মারবার নিগ্যা ছ্যাহার নগাল পিছ পিছ ঘুরে
এক ...
[অ্যালেন গিন্সবার্গ এর ‘After Lalon’ এর অনুকরণে ]
এক.
বড় বেশি পার্থিব হয়ে গেছি। ছোট বেলায় পরিবার পরিজনেরা সবাই বলতো পার্থিব হতে, বড় হতে, গাড়ি ঘোড়া চড়তে। লালন বলতো ভিন্নকথা, বলতো তাঁর ভাষায়- “সর্ব সাধন সিদ্ধ হয় তাঁর...মানুষ গুরু নিষ্ঠা যার”, “পার্থিব মায়ায় আবদ্ধ হয়ো না”। বড় হওয়া কি জানি ...
মিউজিক্যাল র্যাট লেখার তাড়না অনুভব করছি বটে। কিন্তু এরকম একটা লেখা নামাবার জন্য যে পরিমান ফিলিংস আর ইয়ের সম্মিলিত হাদুমপাদুমের দরকার হয় সেইটা এই মুহূর্তে বায়ুমণ্ডলে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে ভিন্ন পথে (কল্কির) নাও ছেড়ে দিলাম। আল্লাহ ভরসা।
'ব্ল্যাপ'। মানে, সোজা ভাষায় বললে, ব্লগের ফ্ল্যাপ। এইটা বাংলা ব্লগাতিহাসের নতুন সংযোজন।
চিন্তা করে দেখলাম, আমার তো আর ইহজী ...
ঘেমে গেছে পথ - ঘাট, ইটের দালান, বাস-ট্যাক্সি, রিকশার সিট; বড্ড ক্লান্ত এ নগর। এক টুকরো স্নিগ্ধতা ঝুলে থাকে জানালার ওপারের বটগাছে। গাছ - যত বয়স তত যৌবন ধরে। সবুজে ভরাট যৌবন!!
গা গিরগির করে তোলা একটা পোকা ঢোকে গ্রিল পেরিয়ে। চিকন পশমসর্বস্ব প্রাণী, মায়া হয় হঠাৎ। কী ভীষণ একা বসে আছে সোফার কাভারে।
মগজজুড়েও পোকাদের কিলবিল বটে। মনজুড়েও কি? কোন কবিতা, কোন খন্ড-বিখন্ড গল্প নাকি ‘কথা’রা, কী এক ...
আমাদের শহরে একবার ভালুক এসেছিল। ভালুকের গা ভর্তি কালো চুল। চারপায়ে হাঁটতে পারে—দুপায়েও পারে। দশাসই ফিগার। তর তর করে গাছে চড়ে। ভালুকটিকে কেউ দেখে নি। গলায় একটি ঝুমঝুমি আছে। খবরটি তাজা।
শুনে আমার বন্ধু প্রতিক বরইগাছের কচি ডাল পুড়িয়ে চারকোল বানিয়ে নিয়েছে। আর জোগাড় করেছে বড় সড়ো কার্টিস পেপার। কাঁধে ঝোলা। আমাকে নিয়ে সারা শহরময় ঘুর ...
সঞ্জীব চট্টোপধ্যায়ের রাজনীতি নিয়ে একটা রম্য রচনা লিখেছিলেন। পরে সেটা একটু কাটছাট করে আসাদ্দুজামান নুর আবৃত্তি করেন। 'জিন্দাবাদ' নামের ওই আবৃত্তিটার কিছু লাইন এরকম:
".....তাহলে আমরা কিছু্ই পাবনা?
কেন পাবেননা? সবচেয়ে বড় জিনিস পাবেন, মজা, খেল খিলারিকা। আপনারা দর্শক, একবার ওদের বসাও, পাচ বছরে
আশা ভঙ্গ, আবার আমাদের বসাও, আবার ওদের, আবার আমাদের।"
এতদিন পর হঠাৎ স্মৃতি থেকে ওই রম্য রচনাট ...
[বিষণ্ণ বাউন্ডুলে]
বাসাটা কেমন যেন অচেনা লাগছে আজ,নিহা'র কাছে..
কেন জানি মনে হচ্ছে,কোথাও কেউ নেই..একদম-ই যে কেউ নেই,তা অবশ্য বলা যায়না।
বারান্দায় ইজিচেয়ারে বাবা শুয়ে আছে আর রান্নাঘরে মা বোধহয় চা বানাচ্ছে বাবার জন্য।
নিহার নিজের-ই জানা ছিলনা,ও যে এত শক্ত ধাতের মেয়ে।এই কয়েকদিন যে কী একটা দৌড়াদৌড়ি গেল..ভাইয়া তো দুবাই,ছুটি পায়নি বলে আসতেই পারলো না।সবকিছু বলতে গেলে নিহাকে ...
:আজকে তোমাকে অনেক সুন্দর লাগতেসিলো
:এই যে, তুমি আবার ফ্লার্ট করা শুরু করসো। আজকে তো তুমি আমাকে দেখোই নাই। তাহলে, জানলা কিভাবে যে আজকে আমাকে সুন্দর লাগতেসিলো।
:আজ তোমার জন্মদিন না? জন্মদিনে যে কোন মানুষীকে অনেক অনেক সুন্দর দেখায়। আর তুমি তো এমনিতেই অনেক সুন্দর।
:দেখো, এভাবে ফ্লার্ট করলে কিন্তু আমি তোমার সাথে আর কথা বলবো না। তুমি কি নরম্যালী কথা বলতে পারো না?
:ওকে। ওকে। আর ফ্লার্ট ...
১
প্রাইভেসি নিয়ে আমার তেমন ঠ্যাকা নেই। মায়ার্স-ব্রিগস পার্সোনালিটি ধরন আমার INFP, মোটামুটি উঁচুশ্রেণীর অন্তর্মুখী এবং লোনারও বটে। ইমোশনাল কোয়োটিয়েন্টও হয়তো কিছুটা কম, সামাজিক subtle সিগনালগুলো সেভাবে নেইও না। ফলে, মোটামুটি কোনকিছুই বলতে দ্বিধা করি না, যদিও ন্যাড়া খুব বেশিবার বেলতলায় যায়ও না। 
বাংলা ব্লগিং-এ তুলনামূলকভাবে লেখার মান বেশ দূর্বল হলেও (বলতে দ্বিধা করে আসলে লাভ নেই, ...