বেশ কিছুদিন আগের কথা। সন্ধ্যাবেলা। বাসায় বসে কাজ করছি। একটা মেসেজ এলো। তুহিন। কি সব একটা হাবিজাবি নাম্বার পাঠিয়ে ওটাকে আবার নির্দিষ্ট একটা নাম্বারে সেন্ড করতে বলেছে। তাহলে নাকি খুব মজার একটা জিনিস দেখা যাবে। মজার জিনিস? আর কিছু না ভেবে আমি পাঠিয়ে দিলাম ওটা যে নাম্বারে পাঠাতে বলেছে। কিছুক্ষণ পর একটা ফিরতি মেসেজ পেলাম। ওয়েলকাম টিউন রিকোয়েস্ট পেয়েছে ওরা। বাহাত্তর ঘন্টার মধ্যে ...
পর্ব ১ পর্ব ২
সকালের নাস্তা ভালোই হয়েছিল। সিদ্ধ আলু চাক্ চাক্ করে কেটে পেয়াজ মরিচ তেলে ভাজা, পুরী, সবজি, ডিম, দই, নুডুলস্ ওরা বলে থুক্পা, আরো কি কি যেনো। তৃপ্তির ঢেকুর তুলে যখন বাইরে এলাম রোদে চোখ জ্বালা করছে, সারা রাত না ঘুমানোর ফল। নাস্তার আগে চট্ করে গোসল সেরে এসেছিলাম, ক্লান্তি তাই কম। আমাদের দলের পরের যাত্রা পায়ে হেঁটে, ওরা বলে ‘নেচার ওয়াক’, হাঁটতে হবে ঘন্টা দেড়েক, এই শুনে ...

দক্ষিন ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে হাজার হাজার লোক গৃহহারা হতে বসেছেন। প্রায় শতখানেক মিলিয়ন ডলার বাড়ি পুড়ে গেছে। এদের মধ্যে আছে ওপরাহ উইনফ্রে, ক্যাথরিনা জিটা জোনস সহ বেশ কিছু বিখ্যাত ব্যক্তির বাড়ি। আরো খবর পাবেন এখানে এবং এখানে।
লস এঞ্জেলসের একটা অংশে বাঙ্গালীদের বিরাট একটা কমিউ...
০১.
৯৭ কি ৯৮ সাল। হাতে কী কারণে যেন অঢেল সময় ছিল। হন্য হয়ে খুঁজতে ছিলাম মাসুদ রানা। মাঠে, আমাদের গায়ের যে লাইব্রেরিটি আছে, সেখানকার রানা সিরিজের সব বই পড়া শেষ। আর অন্যান্য পদের প্রায় সবগুলো বই-ই পড়া হয়ে গেছে। এমনই সময়ে কী করে যেন অন্যদিনের ৯৭ সালের ঈদসংখ্যা আমার হাতে এসে পড়ে। আমি গোগ্রাসে গিলি হুমায়ূন আহমেদ, ইমদাদুল হক মিলনের উপন্যাস। সে উপন্যাসের নাম মনে নাই আজ। এদের সাথে আরো পড়ি ...

জন বেলামী ফস্টার তার “ধ্বংসের বাস্তুবিদ্যা” (The Ecology of Destruction, Monthly Review, February 2007) প্রবন্ধটিতে ব্যাখ্যা করেছেন মার্কস কেমন করে ‘বিপাকীয় ভেদ’ এবং ‘বিপাকীয় পুনর্ভরণ’ এই দুটি ধারণার মাধ্যমে বিংশ শতাব্দীতে প্রকাশিত হয়ে পড়া পুঁজিবাদী সমাজের বাস্তুসংস্থানগত দ্বন্দ্বকে তুলে ধরেছিলেন। তাঁর ‘বিপাকীয় ভেদ’ ধারণার মাধ্যমে বোঝা যায় কেমন করে পুঁজির পুঞ্জিভবনের যুক...
বয়স বাড়ছে । টের পাই । আজকাল স্মৃতিকাতর হই বড়বেশী । কৈশোরের নীলাভ দিনগুলোর মতো ছোপছোপ অনুভূতিগুলো ফিরে আসে বারবার । পার্থক্য এই , সেই বয়সে রাগ হতো খুব । খুব একটা ভাংচুর টের পেতাম, বিশ্বাস করতাম-বদলাবে এইসব ।
বদলায়নি । দিনবদলের কোন তুচ্ছ রেখা ও দিগন্তে নেই বলে বয়স আরো বেড়ে যায় প্রতিরোজ, প্রতিরোজ আক্রান্ত হই । টের পাই-কিছুই হলোনা শেষ পর্যন্ত ।
ফয়সল ছেলেটা চলে গেলো ।
সকাল বেলা খবরটা ...
মেয়েটাকে আমি বিশেষ পছন্দ করি না। এমনিতে সে খারাপ কিছু নয় - কথাবার্তায় ভদ্র , বন্ধুভাবাপন্ন, কিছুটা হাসি খুশিও। কিন্তু তবু মেয়েটাকে আমি পছন্দ করি না। আমার সাথে তার এক অদ্ভূত রেষারেষি। যা যা আমার ভালো লাগার, যা যা আমার কষ্ট পাওয়ার, যা যা আমাকে ছেঁড়া কাগজের মতো ছিটকে ফেলার ক্ষমতা রাখে - কি করে কি করে যেন তাতে সে ভাগ বসায়! আমার পছন্দের বইগুলো সে পড়বেই পড়বে। ভালো লাগার গানগুলো না শুনে ...
আজিজের তিন তলায় মোটামুটি অন্ধকার কোনে পাটি পেতে বসে ছিলেন ক'জনা। এই অন্ধকারেও লীলেন ভাইরে চিনতে বিশেষ কষ্ট হলো না। এটা নিশ্চয়ই দিনে দুইবার ফেইসওয়াস ব্যাবহার করার সুফল। রূপ যেন চমকাচ্ছে...
দুনিয়াজুড়া গিয়াঞ্জামের শেষ নাই। তাই সন্ধ্যা সাতটটায় সচলাড্ডা থাকলেও আইইউটির তিন বালকের সেখানে পৌছাতে বেজে গেলো আটটা। ততক্ষণে কয়েকদফা চা এবং বোধ করি মুড়ি পার্টিও শেষ...এমনকি পাটিতেও নেই কোন ...
কিরে কি খবর? কেমন কাটলো ফার্স্ট টার্ম...
আর কইসনা...পাঙ্গা খাইতে খাইতে শেষ।
আরে মামু, বিএমএ তে গ্যাছো, পাঙ্গা খাবানা...এইটা কেমন কথা। তা খাইলি কেমন?
আশরাফ এক্কেবারে প্রথমদিন থেকে বর্ণনা শুরু করে।
দোস্ত জানস, প্রথম ছয়দিনের কথা আমার একদম মনে নাই।
ফাইজলামি করস? মনে থাকবো না ক্যান? মন কি মাথা থেকে হাঁটুতে তে রিপ্লেস করছোস নাকি?
আরে না। রাত নয়টার মধ্যে রিপোর্টিং ছিল। আমি সাতটার মধ্যেই ঢ...
("রে ব্র্যাডবারি" রচিত একটি সাইকো গল্পের ভাবানুবাদ করার চেষ্টা। "ছোট গল্পঃ একবাক্স আদর" যারা পড়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি। এটা একেবারে বিপরীত ধরণের...কেমন বিপরীত সেটা পড়লেই বুঝতে পারবেন...)
পিস্তলটা রেখে দিয়ে ড্রয়ার বন্ধ করে দিল সে...
না... এভাবে তাকে ভোগানো যাবে না। মেরে ফেলা যাবে, তাতে সব কিছুর অবসান ঘটলেও সে ভুগবে না। তাকে কষ্ট দিতে হবে। দীর্ঘমেয়াদী অকল্পনীয় কষ্ট...
লোকটি বেডরুমের...