Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

রম্যরচনা

এসো নিজে করি: আন্দোলনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির সহজ ফর্মুলা

বাবুবাংলা এর ছবি
লিখেছেন বাবুবাংলা (তারিখ: বুধ, ২৭/০২/২০১৩ - ৪:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কোন আন্দোলন আপনাকে বেকায়দায় ফেলেছে? কোন ভাবেই আর সেই আন্দোলন সামাল দিতে পারছেন না? চিন্তা নেই, আন্দোলন মোকাবেলা না করতে পারলেও আপনার গা বাঁচানোর জন্য আছে বিকল্প ব্যবস্থা। আন্দোলনে বিভ্রান্তি তৈরি করুন। বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য অনুসরণ করুন এই সহজ ৪-দফা ফর্মুলা। এই ফর্মুলার কার্যকারিতার ব্যাপারে আমরা ১০০% গ্যারান্টি দিয়ে থাকি। অতীতে এই ফর্মুলা আপনার বাপ-দাদারা বারবার কাজে লাগিয়েছে। আপনিও পারবেন।


তোমরা যারা শিবির করোঃ একটি ত্যানা ভার্সন

বাবুবাংলা এর ছবি
লিখেছেন বাবুবাংলা (তারিখ: বুধ, ১৩/০২/২০১৩ - ২:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(বাংলার এক ইঞ্চি মাটিও যেমন ওদের না, বাংলার এক ইঞ্চি ত্যানাও ওদের দিবো না। ত্যানা যদি প্যাঁচাতেই হয়, আমরাই প্যাঁচাবো)।

বেশ কিছুদিন আগের কথা। কাঁচা বাজারে কেনা-টাকা শেষ করে বের হচ্ছি, তখন বাজার থেকে বেরোনোর রাস্তার মুখে কিছু তরুণ একটু কথা বলতে চাইলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “তোমরা কি আমার সঙ্গে কথা বলতে চাও?”। একজন কুণ্ঠিত-ভাবে আমার হাতে দুই প্যাকেট মাংস ধরিয়ে দিয়ে বলল, “আমরা ছাত্র শিবিরের পক্ষ থেকে তহবিল সংগ্রহের জন্য হজ্জ্বের দুম্বার মাংস বিক্রি করছি, আপনি যদি দুই প্যাকেট কিনতেন” ।


সাওনা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২২/০১/২০১৩ - ১০:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

'সাওনা তে যাবে নাকি কাল?'
শনিবার সকালের 'ব্রাঞ্চ' খাচ্ছিলাম। তাকিয়ে দেখি হাসি হাসি মুখে মার্ক্কু দাড়িয়ে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে মার্ক্কু-র সাথে আমার 'দ্বৈতাবাস' (দেশে থাকতে একবার এক দরখাস্তে 'দ্বৈতাবাস'-এর অনুমতি নিতে যেয়ে, 'দ্বৈতাবাস' এর জায়গায় 'সহবাস' লিখে ফেলেছিলাম, কি বিব্রতকর পরিস্থিতি!)। ফিনল্যান্ডে আমার এই বিশ্ববিদ্যালয়ে 'হোস্টেল' বলতে ছোট ছোট দুইতলা কাঠের বাড়ি। এক বাড়িতে চারটা করে এপার্টমেন্ট, প্রতি এপার্টমেন্টে দুইজন বাসিন্দা। আমার সাথে থাকে মার্ক্কু। তাগড়া জোয়ান ছেলে, স্থানীয়। যে কোনো 'আজাইরা' জিনিসে আমার অযাচিত আগ্রহ দেখেই বোধ করি প্রস্তাবটা দিল। তাছাড়া মার্ক্কুকে সেদিন নারকেল দুধ আর ডিমের সালুন করে খাওয়ানোর পর থেকে ছেলেটা আমাকে বেশ তোয়াজ করে চলছে।


সচলাড্ডার আংশিক কাউন্টার ন্যারেটিভ

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি
লিখেছেন ত্রিমাত্রিক কবি (তারিখ: শুক্র, ০৪/০১/২০১৩ - ২:৫৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]একইসাথে বিখ্যাত (ফটোগ্রাফার) এবং কুখ্যাত (পশুপাখির বিশেষ মুহূর্তের অন্তরঙ্গ ছবি তুলে পাবলিক ডোমেনে অনুমতি ছাড়াই প্রকাশ করার জন্য) ফাহিম হাসানের সাথে ক্লান্ত পায়ে হেঁটে আসছিলাম, সারারাত মুস্তাফিজ ভাই আর সুজন্দার সাথে তৃতীয় দফা জম্পেশ আড্ডা দেয়ার পর। ২০১৩ এর শুরুটা বেশ জমজমাট হল ফাহিমের আগমন উপলক্ষে। আনুষ্ঠানিকতা আমার বরাবর করা হয় না, পহেলা জানুয়ারী বা মহররম যাই হোক না কেন, ছুটি পেলে


ভবিষ্যতের পুরুষঃ মানবী সভ্যতা!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৩/০১/২০১৩ - ১২:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক।।

বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সূত্র থেকে জানা যায়, বহু বছর আগে পৃথিবীর মানব সভ্যতা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। এই পৃথিবীতে এক সময় মানুষ শিল্প ও বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে উন্নতির পথে এগিয়ে যাচ্ছিল। এর পর বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে যুদ্ধের কারণে সেই সভ্যতা বিলুপ্ত হয়- প্রাচীন পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা (যাকে তারা ঈশ্বর-আল্লাহ-ভগবান-গড ইত্যাদি নামে ডাকতো) নিহত হন।

তার বহু বছর পর পরম করুণাময়ী সর্বশক্তিময়ী ঈশ্বরী ঠিক করেন আবার মানবী সভ্যতার জন্ম দেবেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি প্রথম নারী এডা-কে তৈরি করেন এবং তাকে স্বর্গে বড় করে তুলতে থাকেন। এডা বড় হওয়ার পর তার খুব একা একা লাগতে থাকায় এডার ডান পাঁজরের হাড় থেকে ঈশ্বরী তৈরি করেন নতুন পৃথিবীর প্রথম পুরুষ ইভোকে। নতুন পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে জানা যায়, ইভো ঈশ্বরীর বিরুদ্ধাচারণকারী "শয়তানী"র প্ররোচণায় এডাকে জ্ঞান বৃক্ষের ফল খেতে উৎসাহ দেন। এতে ঈশ্বরী তাদের শাস্তি দিতে পৃথিবীতে নিক্ষেপ করেন এবং তা থেকেই পৃথিবীতে নতুন মানবীসভ্যতা গড়ে ওঠে।


প্রলাপ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০১/১২/২০১২ - ৫:৪৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কতকাল ধরিয়া মনের গুপ্ত কুঠুরিতে চিন্তাগুলা ফুটিতেছিল! দিনে দিনে ইহারা ফুটিয়া চাউলের মতন নরম হইয়াছে, দুঃখতাপে এবং চাপে আশা ভরসাকে মাড় বানাইয়া মনের আগুন নিভাইয়াছে। শাপে বর হইয়াছে , বিদ্রোহকে দানা বাঁধিয়া উঠিবার সুযোগ দেয় নাই । না হইলে কি আর লঙ্কা অক্ষত থাকিত!


জা-মা-ই-কা-মা-ল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১৬/১০/২০১২ - ২:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শুনিয়াছি বিলগেটস্ সাহেব একদা বলিয়াছিলেন-‘ আমি কঠিন কর্মটি সম্পাদন করিতে সবচাইতে অলস ব্যক্তিটিকে নিয়োগ দিই। কারন তিনি কাজটি সহজ উপায়ে সম্পন্ন করিবার চেষ্টা করেন। ’


মধুরেন বলবিদ্যা !!

সাফিনাজ আরজু এর ছবি
লিখেছেন সাফিনাজ আরজু [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১২/১০/২০১২ - ১:৫৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আমি ,বিটু আর রতন সেই বাল্যকাল হইতেই প্রানের বন্ধু, তিনজন হইবার কারনে আর মানিকজোড় বলিতে পারিলাম না। তবে আপাতত হরিহর আত্মা কহিতে পারি, যদিও শুনিয়াছি যে হরিহর একটি হিন্দুয়ানি শব্দ, আর আমরা প্রত্যেকেই হইলাম যবন। তবুও যে কয়দিন বর্তমানকালের এই স্বল্প সংখ্যক হিন্দু আমাদের দেশে উপস্থিত রহিবে সে কয়দিনের নিমিত্তে আমরা হরিহর আত্মা। লোকমুখে শুনিতে পাইয়াছি যে, অচিরেই এই দেশ হইতে সকল হিন্দু, বৌদ


হেকমত স্যারের ডাব খাওয়া

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০১/১০/২০১২ - ৮:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‘ছিঃ ছিঃ, আমার নাকের ডগা দিয়ে চুরি, বলিহারি সাহস তোর!’ বিল্টুর পিঠে শপাং শপাং কঞ্চির লাঠি চালাতে চালাতে বললেন
হেকমত স্যার। ‘লোকে কী বলবে? কী বলবে, বল্। আমরা স্কুলে চুরি শেখাই! চুপ করে আছিস কেন হারামখোর, উত্তর দে...’
টিফিনের ফাঁকে স্কুলের পাশে রায়বাবুদের আমবাগানে আম চুরি করতে গিয়ে হেকমত স্যারের হাতে ধরা পড়ে গেছে বিল্টু। হেকমত স্যারের নামটা যেমন, তেমনি দশাসই তাঁর চেহারা। মুশকো জোয়ান, শুধু পেছন দিকে অড়হর ক্ষেতের লাইনের মতো একসারি চুল ছাড়া মাথার বাকিটুকু চকচকে টাক। আর এই চেহারায় যখন অগ্নিমূর্তি ধারণ করেন তখন শুধু ছাত্র-ছাত্রীরা নয়, জুনিয়র শিক্ষকরা পর্যন্ত কেঁপে ওঠেন।


ইচিং বিচিং

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৬/০৯/২০১২ - ২:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চায়ের কাপে চুমুক দিয়া কুদ্দুস আলী বললেন,“বুঝলা আনিস,তোমাগো সংগঠনে নাম না দিলে আর চলেনা,সংগঠন কইরা আজকাইল তুমি ফাকিস্থান নিয়া কি সুন্দর কইরা গুছাইয়া কথাবার্তা কও।আমার দিলে ফাকিস্থান কিন্তু ফাকিদের পক্ষে কথা কইতে গেলেই খালি পাকাইয়া যায়।কি যে করি!!”