পায়ের ড্রেসিং করা হয়েছে। ডাক্তার এখন পা সম্পূর্ণ রাখতে পারার ব্যাপারে আশাবাদী।
আজকে পিঠের সাপোর্ট ছাড়া খাটে পা ঝুলিয়ে বসতে পেরেছে।
সিমন ভাই, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।
‘মা’ ডাকটা সুন্দর। কিন্তু দু’বার ডাকলে? মানে ‘মামা’ ডাকটা? বোধহয় আপেক্ষিক। যখন নিজে ডাকি, তখন সুন্দর। যখন অন্যে আমাকে ডাকে, তখন মনে হয়- এর চেয়ে খারাপ সম্বোধন বুঝি আর নেই। আগে বুঝতে পারিনি। এখন বুঝি। মামার দুঃখ এখন আমার দুঃখ। ছোটবেলায় মামাকে পেলেই খালি আবদার করতাম। মামাবাড়ির আবদার। মামা বেচারা ভাগ্নের আবদার রক্ষা করতো চোখ বুঁজে। এখন মামার সেই কষ্টটা বুঝি। দায়ে পড়েই বুঝি।
সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর নিয়ম করে নাস্তা করা, পড়তে বসা আর গোসল করে স্কুলের জন্য তৈরি হওয়া- কোনটাই অন্তুর পছন্দ নয় একটুও। কিন্তু সবচেয়ে মন খারাপ করা ব্যাপার হল সব ক’টাই প্রত্যেকদিন করে যেতে হয়- পছন্দ হোক আর না-ই হোক।
মাঝে মাঝে নাস্তা না করলে কী এমন হয় তা ও বুঝতে পারে না কিন্তু না খেতে চাইলে আম্মুর চোখ দেখেই ও ঠিক বুঝতে পারে এরপরে কী হবে!
মেয়েরা যে আমাকে এত বেশি পছন্দ করে, সেদিন বিয়ে-বাড়িতে না গেলে বুঝতে পারতাম না। এই বাজারে, হাজারে হাজারে তারা আমার কাছে হাজির। নীলা, অনিলা, শীলা, মিলা সবাই। তারা আমার কাছে আসে, মুচকি হাসে(বোধহয়), গান গায়, স্পর্শ চায়। তারপর তৃষিত চুম্বন। সব সহ্য করে নেই আমি, কিংবা করতে হয় আমায়। একটু একটু করে নিঃশেষ হই আমি। তারা কেহই পড়তে চায় না বাদ, বরবাদ করে আমায়।
[justify]
লিমন নামের এই ছেলেটির জন্মের আগে থেকেই এক পা কাটা ছিল। তার বাবারও পা কাটা। মায়েরও তাই। এই ব্যান্ডজটি ভুয়া। খুলে দেখতে পারেন।
হুজুরদের গল্প ৩
হুজুরদের গল্প ৪
তাবলীগ পর্ব
[justify]
- এক দেশে ছিল এক রাজা।
- তারপর! তারপর!
তার আর পর নেই। রূপকথার রাজাদের লক্ষই ছিল সম্পদ আর ছিল নারী। ন আকার না, র দীর্ঘ-ঈ কার রী কে তারা প্রায়ই র আকার রা, ন দীর্ঘ-ঈ কার নী বানিয়ে ফেলতেন। রাজা যেখানেই যান সেখানেই সুন্দরী নারীর উদ্ভব আর পরক্ষনেই, রাজার উপদ্রবে সেই নারী রানীতে রুপান্তরিত। তাই, সুন্দরী নারীদের রাজার হাত থেকে রক্ষা করা মুশকিল। একালেও।
[justify]
১.
হাইস্কুল জীবনটা ছিল মোটামুটি জঘন্য রকমের। ক্লাস সিক্সে ওঠার পর ভুগোল, ইতিহাস, ধর্ম, বাংলা ব্যাকরন, ইংরেজী গ্রামার,পাটীগনিত, জ্যামিতি ইত্যাদির অত্যাচারে দম বন্ধ হয়ে আসতো সময় সময়। সিক্স থেকে এইট এই তিন বছরের যেসব স্মৃতি আছে সব জ্যৈষ্ঠের খরতপ্ত দুপুরের মতো ঝলসানো। বেত নামক লিকলিকে ভয়ংকর বস্তুটার সাথে প্রতিদিন দেখা সাক্ষাত হলে, আর বাড়ির কাজ যথাসময়ে শেষ না করলে যা হবার কথা আর কি।