Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

রম্যরচনা

লোহিত গৌতুক

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: শুক্র, ১৫/০৮/২০১৪ - ১০:০৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গোলাম আজম কি একটা কারণে প্যারোলে বের হয়েছে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মেজর গুলবদন খাঁ প্যারোলের কাগজ সাইন করে মুখ গোমড়া করে অফিসে বসে আছেন। এমন সময় গেটের ওদিক থেকে ধস্তাধস্তি আর মারপিটের শব্দে তিনি ভয় পেয়ে ছুটে গেলেন।

(গেটের বাইরে)

জেলার বাইরে এসে দেখলেন দুই কারারক্ষী প্রচন্ড জোরে একজন আরেকজনকে কিলঘুষি মারছে।


একটি বিদেশী ভাষা থেকে অনূদিত গল্প

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৯/০৭/২০১৪ - ৫:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই নিয়ে একে একে চারবার পত্রিকা অফিস থেকে গল্পের পান্ডুলিপি ফেরত আসলো। গল্পটি ছাপানোর জন্য "মনোনীত" হয়নি। তবে সম্পাদক মহোদয় আশা ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে "মানসম্মত" ও "ভাল" লেখা দিলে, তা তিনি নিশ্চই ছাপানোর জন্য বিবেচনা করবেন। যাই হোক, আবারও হতাশার তীরে বিদ্ধ হল আমার হৃদয়ের তরুন লেখক সত্ত্বা। আমার ধারনা, সম্পাদক মহোদয় কোনবারই পান্ডুলিপিখানা খুলে দেখার প্রযোজন বোধ করেননি। খুব সম্ভবত গল্পটিতে আহামরি কোন


ঝাঁঝের রানি সরিষার তেল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৩/০৭/২০১৪ - ৪:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটা বিজ্ঞাপন করার সুযোগ পেলাম। সরিষার তেলের বিজ্ঞাপন। মূল বিজ্ঞাপনের একদম শেষ অংশের ক্লিপ। এক সেকেন্ডের উপস্থিতি। তবে গুরুত্বপূর্ণ। হাতে সরিষার তেলের বোতল হাতে আমরা চার অভিনেতা দাড়িয়ে থাকব। সবার পড়নে পাঞ্জাবি পায়জামা। যার যার পাঞ্জাবি ঠিক করা আছে। আমার পড়েছে সবুজ কালার, হালকা কলাপাতা কালারের, সাথে সাদা পায়জামা। নতুন ঝকঝকে কাপড়। এই বিজ্ঞাপনের জন্যই কেনা হয়েছে। শুটিং শেষে সবাইকে দিয়ে দেয়া হবে। উপহার। অভিনেতাও হয়ে গেলাম উপহারও পেলাম।


অণুসংলাপরম্য - ২

মন মাঝি এর ছবি
লিখেছেন মন মাঝি [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৬/২০১৪ - ১১:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[অণুসংলাপরম্য - ১]

- গতরাতে এক লোক আমাকে চুমু দেয়ার চেষ্টা করেছিল।

- ঠাডিয়ে একটা চটকনা মারনি?

- মেরেছি তো! তবে অপরাধ সঙ্ঘটিত হওয়ার আগেই কি শাস্তি দেয়া যায়?!


ক্রো ইন্সিডেন্ট

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১১/০৫/২০১৪ - ৩:৫৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


আবারও গৌতুক

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: রবি, ১৬/০২/২০১৪ - ৮:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পিজির ডাক্তারের অনুমতি নিয়ে শাহবাগ থানায় গোলাম আজম মামলা দায়ের করতে এসেছেন। ওসি কিছুটা বিরক্ত। দুপুরের খাওয়ার পর তিনি পিস্তল পরিষ্কার করছিলেন। এই সময় তিনি উটকো ঝামেলা পছন্দ করেন না।

- আপনি কোন ধারায় মামলা করতে চান?

- আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায়।

- আপনার বাড়ি মগবাজারে। আপনি ওখানে মামলা করেন।

- আমি তো এখন পিজিতে প্রিজন কেবিনে আছি। তার উপর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে শাহবাগ থানা এলাকায়।


আরেকটি গৌতুক

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: বুধ, ১২/০২/২০১৪ - ১০:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গোলাম আজমের মামলা তখন পূর্ণোদ্যমে চলছে। পিজিতো জাতীয় জাদুঘরের কাছেই। অনেকদিন কেবিনে শুয়ে বসে কাটাতে কাটাতে জাদুঘরের প্রভাবে তার মধ্যে শিল্পী সত্ত্বা সৃষ্টি হল। তো সে রংতুলি নিয়ে লেগে পড়ল। তার সৃজনশীলতার বিষয় একাত্তরের বধ্যভূমি। সেসময় তারা বিভিন্ন বধ্যভূমিতে মৃতদেহ ফেলার সময় স্তুপ হওয়ার বিভিন্ন প্যাটার্ন সৃষ্টি হত। সেটির নান্দনিক দিকটিই তার কাজের বিষয়। কিছুদিন পর ছবির হাটে গেল প্রদর্শনী করা নিয়ে কি


দু'টি গৌতুক

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: রবি, ০৯/০২/২০১৪ - ৬:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১. গোলাম আজমের যাবজ্জীবনের ঠিক পরের সপ্তাহের ঘটনা। উজ্জীবিত যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজম ঠিক করল বোনাস জীবনকে নতুন করে সাজাবে। পিজির ডাক্তারকে অনুরোধ করে সে বসুন্ধরা গোল্ড জিমে ভর্তি হল। দুই মাসে উচ্চতা বাড়ল দুই ইঞ্চি, বুকের ছাতি তিন ইঞ্চি, কোমর কমল চার ইঞ্চি। ফুরফুরে মন তবুও কখনও কখনও খচ খচ করে। কি যেন নেই, কি যেন নেই! নার্স ইদানীং আড়চোখে তাকায় কিন্তু এখনও কাছে আসে না। ডাক্তার অবশ্য বলে দিল,


রঙ্গীন স্বপ্নে বাংলাদেশ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০১/২০১৪ - ১১:৩২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‘সোয়ান’ নদীর পার। মাত্র সন্ধ্যা হব হব ভাব। আকাশে সন্ধ্যা-রঙ্গের খেলা চলছে। সেই খেলা সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে ‘সোয়ান’ নদীর স্বচ্ছ জলের টেলিভিশনে। এরমধ্যে আমি আর আদুভাই দুই প্যাকেট চিপস্‌ কিনে নিয়ে আড্ডা দেয়ার জন্য জাঁকিয়ে বসেছি। ভয়াবহ গরম পড়েছে। আশে পাশে অনেকগুলো বিদেশি পরিবার বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে নদীর পারে পিক্‌নিক্‌ করতে এসেছে। বাচ্চা-কাচ্চার হইচই আর আমাদের আড্ডা চলছে।


আমার হিরো 'আদু' ভাই

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৩/০১/২০১৪ - ১২:৪৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আদুভাই নামের আমাদের পাড়ায় এক বড়ভাই ছিলো। মানুষ ভালো কিন্তু জগতের কোন কাজই ভালো মত পারতো না সে। সোজা কথায় আমড়া কাঠের ঢেকি আর কী। আমাকে সাথে নিয়ে সারাদিন গোপালের মিষ্টির দোকানে বসে থাকতো আর একটু পর পর জোর করে আমাকে মিষ্টি খাওয়াতো। আমার কপ্‌ কপ্‌ করে মিষ্টি খাওয়া দেখলে নাকি উনার মন ভালো হয়ে যেত। তখনও আমার হাফ্‌-প্যান্ট পড়ার বয়স। আদুভাই বিরাট অকর্মণ্য মানুষ। স্বাভাবিকভাবেই পরিবার থেকে শুরু করে বন্ধুস