--------------------------------------------------------------------------------
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইআর) বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের অর্থাৎ দুই প্রজন্মের যে মিলনমেলা উপলক্ষ্যে যে অনুষ্ঠানটি হলো, তার স্লোগানটি ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে বিসদৃশ লেগেছে। স্লোগানটি হুবহু মনে নেই, কিন্তু কথাগুলো এরকম- শিক্ষা-বিষয়ে ডিগ্রি না থাকলে কাউকে শিক্ষাবিদ বলা যাবে না। সকালে আইইআরে গিয়ে আইইআর অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের তৈরি করা ব্যানারে স্লোগানটি দেখে যা
ইউনুস খান হাতটা এমনভাবে মুশফিকুর রহিমের কাঁধে রাখলেন যেন বড় ভাই সাহস দিল ছোট ভাইকে। একটু পর ট্রফি উন্মোচন পর্বে মিসবাহ-উল-হকের পাশেও আকৃতি-শরীরী ভাষায় ছোট ভাইয়ের মতো লাগল মুশফিককে।
[justify]আজ এক নিতান্তই ব্যর্থ মানুষের গল্প বলব। না ভুল বললাম, ব্যর্থতা তো আমাদের সবারই আছে, এ বরং এমন একজনের কথা, যে আমাদের চারপাশের সবজন থেকে কিছুটা আলাদা। এই একজন রহিম-করিম-আব্দুল-জব্বার-রাম-শ্যাম-যদু-মধু যে কেউ হতে পারে। হতে পারে আজকে সিএনজি পাওয়ার সময় যে লোকটাকে দৌড়ে পিছে ফেলে আপনি প্রথম হয়েছেন সেই লোক, বা সেই লোক যে কিনা আজকে আপনার চোখের সামনে বাসে খকখক করে কাশছিল অথবা সেই লোক যে কিনা বা
লেখক: -মুহিত হাসান দিগন্ত
এক. ধান ভানতে শিবের গীত...খানিক ব্যক্তিগত প্রারম্ভিক :
এটা একশ ভাগ ঠিক যে— আমাকে কোনোভাবেই একজন নিয়মিত ব্লগার বলা যাবে না, তবু গত জুলাই মাস জুড়ে ভিকারুননিসা নুন স্কুলের যুগপৎ সাহসী এবং প্রতিবাদী ছাত্রীদের নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলনের সময় বিভিন্ন ব্লগসাইটে ও ফেসবুকে যেসব লেখাপত্তর চলছিলো- তার বেশিরভাগই পড়তাম।
[justify]
একদা ব্লগরব্লগর ছিল শৈশবের কালে। সে-সবই 'পয়েন্টলেস' ছিল। ইঁচড়ে পাকামি আমার আশৈশব পেশা। এবং এখন আর, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে বাজে বকার অবসর নাই। অতএব যখন বন্ধুরা তাগাদা দেয়, শুভাশীষ, আনন্দী, 'লেখো না', আমি মূলত কিছুই লিখতে পারি না। আমার কখনো কখনো কিছুই বলার থাকে না যা অন্যের সামান্য হলেও জানা প্রয়োজন।
ঢাকা আমার ঢাকা
স্বপ্ন এবং ভালোবাসার রঙ তুলিতে আঁকা।
ঢাকা আমার ঢাকা
ঐতিহ্যের চারশো বছর স্মৃতির সুবাস মাখা।
ঢাকা আমার ঢাকা
হঠাৎ করেই থমকে যাবে ইতিহাসের চাকা?
ঢাকা আমার ঢাকা
ক্যান যাবে না এই ঢাকাকে ‘এক শহরে’ রাখা?
ঢাকা আমার ঢাকা
এক শহরে দুইটা মেয়র!! বোকার স্বর্গে থাকা!?
ঢাকা আমার ঢাকা
দ্বিখণ্ডিত করছে তোমায় গোবর্ধনের কাকা!
ওরে গোবর্ধন
চোখ খুলে দ্যাখ কান পেতে শোন--ক্ষুব্ধ জনগণ।
বাংলাদেশের সর্বাধিক পঠিত উপন্যাসগুলির লেখক হুমায়ূন আহমেদ দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত। চিকিৎসার জন্যে তিনি নিউইয়র্কে আছেন, সেখান থেকে তিনি কয়েক দিন পর পর দৈনিক প্রথম আলোতে ছোটো জার্নাল লিখে পাঠান। হুমায়ূন আহমেদ বহু দিন ধরেই নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে পাঠকের সামনে বার বার তুলে ধরেছেন, এই জার্নালগুলোও তার ব্যতিক্রম নয়। একজন লেখক হিসেবে তিনি বোধহয় সেটা করতেও পারেন।
[justify]
জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বের একটি বহুল পরিচিত বিষয় যা বিজ্ঞানীদের গবেষনাগার থেকে শুরু করে চায়ের টেবিলে আড্ডা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে বিবৃতি, কিংবা রাজনীতিবিদদের বক্তৃতায় আলোচিত হয়ে আসছে। তবে বলতে দ্বিধা নেই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে আমরা যতটা ওয়াকেবহাল এর কারন বা এর পেছনের সুনির্দীষ্ট বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নিয়ে আমরা ঠিক ততটাই উদাসীন বা অজ্ঞ। এমনকি প্রায়শই আমরা শুনে থাকি বা পড়ে থাকি যে বিশ্বের অধিকাংশ বিজ্ঞানী বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে একমত নয়। কিন্তু আসলেই কি তাই?