Archive - 2019

April 11th

পুশকিন

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/০৪/২০১৯ - ২:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গনগনে দুরন্ত আবেগ এবং আফসোস নিয়ে লিখে গেছেন তিনি, রাশান জাতিকে নিজেদের নিয়ে এক রোমান্টিক ইমেজে দেখতে শিখিয়েছিলেন তিনি, এবং এখনো তাদের সবচেয়ে প্রিয় কবির নাম- পুশকিন।


April 8th

কটিবন্ধু

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: রবি, ০৭/০৪/২০১৯ - ৬:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গাণ্ডুরিয়ায় নারী, পুরুষ, আর গাণ্ডুরদের বাস।

গাণ্ডুরদের দেখে চট করে গাণ্ডুর ঠাওরানো মুশকিল বলেই সমস্যাটা যুগের পর যুগ ধরে মীমাংসা এড়িয়ে টিকে আছে।

কিছু গাণ্ডুর দেখতে নারীর মতো, আবার অনেক গাণ্ডুরকে পুরুষ থেকে আলাদা করতে গেলে অণুবীক্ষণের নিচে টেনে নিতে হবে। গাণ্ডুররা এমনিতে ভালোই, কিন্তু সমস্যা হয় যখন তারা মুখ খোলে। কিংবা দেয়ালে চিকা মারে। কিংবা যখন ওদের শক্তির দরকার হয়।


April 7th

গুঢ় জ্ঞান

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৬/০৪/২০১৯ - ১০:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাপরে!
কোরো নাকো অবহেলা
প্রকৃতির চাপ রে।।
............
এইতো!
এতোদিনে এলে তুমি
ঠিক পথে, সেই তো।

গলছে দখিন মেরু
উত্তরও উষ্ণ
প্রকৃতি পুলিশ নয়
খায় না সে ঘুষ, নো!

বাড়ছে ধূসর মরু
মানুষের স্বার্থে
সবুজ উজাড় হলে
টিকবে কে আর্থে!

পোড়ে তেল ওড়ে ছাই
কল কারখানাতে
বাঁচবে কোথায় গেলে
বৈরুত! ঘানাতে?

নদীর পানিতে বিষ
মাছ নেই সাগরে
প্রলয় ঘনায় বলে!
এইবার জাগো রে


April 6th

না ফেরাদের গান

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৬/০৪/২০১৯ - ২:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ও মন তারে কোথায় ফেলে এলে?


April 5th

শুভ জন্মদিন জেন গুডাল

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: শুক্র, ০৫/০৪/২০১৯ - ৬:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাত্র ২৭ বছর বয়সে কিংবদন্তীতে পরিণত হওয়া জেন, তারপরো আরো আবিস্কার উপহার দিয়েছেন। শিম্পাঞ্জীরা নিরীহ নিরামিষভোজী বলে আমাদের যে ধারনা ছিলো সেটাকে ভুল প্রমান করেছেন। তারা সর্বভোজী, আমাদের মতই। আর দূঃখজনকভাবে যুদ্ধবাজ। সেই ২২ বছর বয়সে, প্রবল উৎসাহ নিয়ে জেন যখন এস এস কেনিয়া ক্যাসেল-এ উঠেছিলো কেনিয়ার উদ্দেশ্যে পাড়ী দেবার জন্য, সে জানত না তার কাজ একদিন শুধু শিম্পাঞ্জীদের সম্পর্কে আমাদের সম্যক ধারনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে না, উপরোন্তু, প্রাণীর চেতনার জটিলতা সম্পর্কেও আমাদের ধারণা লাভ করতে একদিন সাহায্য করবে।


ছবিঃ ন্যাট জিও-তে অন্যান্য বিজ্ঞানীদের তুলনায় সর্বাধিকবার প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে জেন গুডালের কর্মজীবনের উপর।


আমেরিকার কবি ওয়াল্ট হুইটম্যান (শেষ পর্ব)

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৪/০৪/২০১৯ - ১১:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তাঁর কবিতার এত প্রসারে হুইটম্যান হয়তো খুশীই হতেন কিন্তু আমি জানি যে কবিতার কাছে পৌঁছাতে শুধু একটি বই আর মোটেলের কক্ষই যথেষ্ট না। আমার একজন ইংরেজি শিক্ষকের দরকার ছিল, ১৯৮৯ সালে বিখ্যাত চলচ্চিত্র Dead Poet’s Societyর রবিন উইলিয়ামসের মত একজনকে, যে তার ছাত্রদের নিজস্ব চেতনাকে উদ্বুদ্ধ করতে বলে কবিতার বইয়ের সূচনা কথা ছিঁড়ে ফেলতে বলে কবিতার রোমান্সে হুইটম্যানের প্রবল অস্তিত্বকে ব্ল্যাকবোর্ডে ধরার চেষ্ট


April 2nd

আমেরিকার কবি ওয়াল্ট হুইটম্যান ( ২য় পর্ব)

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ০১/০৪/২০১৯ - ১০:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ওয়াল্ট হুইটম্যানে উপরে পারিবাহিক আবহের প্রভাব ছিল খুব সামান্য। মা মূলত ধর্মীয় বইপত্র পড়তেন। বাবা ছিলেন পোড় খাওয়া শ্রমিক (!) ও মদে আসক্ত। তাদের ৭ সন্তানের মধ্যে ৩ জনই কোন না কোন মানসিক সমস্যায় ভুগতেন। বিদ্যালয় তাদের কাছে কোন সময়ই গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছিল না, ওয়াল্ট ১১ বছর বয়সেই স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেন, যদিও সুযোগ পেলেই বই ধার করে পড়তে থাকতেন আরব্য রজনী, জেমস ফেনিমোর কুপার আর স্যার ওয়াল্টার স্কটের


April 1st

সরল রূপান্তর

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০১/০৪/২০১৯ - ১১:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা , তুমি আমার সাধের সাধনা,
মম শূন্যগগনবিহারী।
আমি আপন মনের মাধুরী মিশায়ে তোমারে করেছি রচনা--
তুমি আমারি, তুমি আমারি, মম অসীম গগন বিহারী॥"


খনার সন্ধানে

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: সোম, ০১/০৪/২০১৯ - ৭:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খনাকে নিয়ে বহুদিন থেকে কৌতূহল। সেই ছোটোবেলা থেকে খনার বচন আর খনার বিষয়ে নানারকম কিংবদন্তী শোনার সময় থেকেই। খনার বচন নামে প্রচলিত ছোটো ছোটো দ্বিপদী কবিতা, যা নাকি আবহাওয়া, চাষবাস, শুভযাত্রার গণনা ইত্যাদি নানাধরণের ব্যাপারের সঙ্গে জড়িত, সেই দ্বিপদীগুলো খুব চমৎকার লাগতো।


মধ্যযুগে চট্টগ্রামের ইতিহাসের বিভ্রান্তিকর সময় ১৫৪০-১৫৮৬

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: রবি, ৩১/০৩/২০১৯ - ৮:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[মুখপাঠ: এটি চট্টগ্রামের ইতিহাস বিষয়ক একটি প্রশ্নবোধক পোস্ট। চট্টগ্রামের ইতিহাসটা বাংলার মূল ইতিহাস থেকে একটু আলাদা এবং গোলমেলে। আদিকাল থেকেই চট্টগ্রাম বাংলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্নভাবে শাসিত হয়েছে বিভিন্ন পরদেশী শাসকদের হাতে। হাজার বছরের ইতিহাসে চট্টগ্রাম বহুবার শাসিত/দলিত/মথিত হয়েছে আরাকান, ত্রিপুরা, সুলতান, পাঠান, মোগল ইংরেজ ইত্যাদি নানান শক্তির হাতে। গত ৫০০ বছরের শাসনকালের মধ্যে ষোড়শ শতকের প্রায় পুরোটা চট্টগ্রাম নিয়ে ত্রিমুখী কাড়াকাড়িটা এত বাড়াবাড়ি ছিল যে এই অঞ্চলটা কখন কার দখলে কতদিন ছিল কেউ শতভাগ নিশ্চিত করতে পারেননি। এর মধ্যে সবচেয়ে অস্পষ্ট সময়কালটা হলো ১৫৪০-১৫৮৬। এই সময়টাতে বারবার হাতবদল হয়েছে চট্টগ্রাম। একের পর এক আরাকান, পাঠান ও ত্রিপুরার মধ্যে যে বিচিত্র রকমের যুদ্ধ বিগ্রহ হয়েছে সেই ইতিহাসের সত্যিকারের চেহারাটা খুঁজে বের করা পাঠকের জন্য দুরূহ কাজ। শুধু পাঠকই নন গবেষকরা ও বিভ্রান্ত। উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদদের দেয়া তথ্যের মধ্যেও প্রচুর ফারাক দেখা যায়। তাই এই সময়কালকে অস্পষ্ট বা বিভ্রান্তিকর সময় মনে হয়েছে আমার। তবে আমার বিশ্বাস এখানে কেউ না কেউ এই বিপুলায়তনের প্রশ্নবোধক লেখাটি পড়ে কোথাও কোথাও আলোর নিশানা দিতে পারবেন। লেখার মধ্যে তথ্য বিভ্রাট থাকলে সেটি শোধরানোর পরামর্শ দিতে পারেন। তাহলে তা হবে পোস্টের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।]