রঙ বেরঙ-এর আদমি, অথবা পায়জামা

ধুসর গোধূলি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর গোধূলি (তারিখ: রবি, ২৯/০৮/২০১০ - ১২:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খবরটা দেখেই হাজার ওয়াটের বাল্ব মাথায় দপদপ শুরু করে দিলো। একটা মুহূর্তের জন্য আক্ষেপও হলো "শিয়ালের কাছে কি তবে আমরা মুরগি বর্গা দিলাম!"

বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আন্তরিক হবার ঘোষণা দিয়েই ক্ষমতায় এসেছে। অবশ্য এই সরকারের কয়েকজন মাননীয় মন্ত্রী গদিতে বসেই যুদ্ধাপরাধের নানা আঙ্গিকে সংজ্ঞা দিতে শুরু করেছিলেন বিভিন্ন মাসালা ও মাসায়েল সহ। তাঁদের সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতেই আজকের খবর

 দিগন্ত টিভির বর্ষপূর্তিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্পমন্ত্রী জনাবে পাক হুজুরে আ'লা দিলীপ বড়ূয়া তশরিফ এনেছেন।

 মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় দেশের সকল নাগরিকের মন্ত্রী। তাঁর তো এইসব 'ফালতু ক্যাচালে' নজর দিলে চলে না! তিনি অবশ্যই যাবেন ঘৃণিত যুদ্ধাপরাধী মীর কাশেম তথা দিগন্ত টিভির সবরকম অনুষ্ঠানে। শুধু তাই কেনো। তিনি, তার পরিবার সহ নিজামীর নাতির সুন্নতে খতনাতে যাবেন। মুজাহিদের কুলখানিতে যাবেন। গোলাম আযমের মিলাদে যাবেন। সবার প্রতি মন্ত্রী মহোদয়ের একটা দায়িত্ব আছে না!

 এই দিগন্ত টিভির মালিকানা নিয়ে কারো মনে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকার একজন অশিক্ষিত কৃষকও জানেন এই দিগন্ত টিভির মালিকানায় আছে বাংলাদেশের জন্মের বিরোধিতাকারী যুদ্ধাপরাধীরা। অথচ এই তথ্যটা জানেন না রাস্ট্রের আইনজীবী।

 আসুন দেখি তিনি কী বলেন,

অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আমি শুনলাম দিলীপ বড়ূয়া যাচ্ছেন, এজন্য আমিও সেখানে গিয়েছি।"

 তিনি অবাক হয়ে উল্টো এই প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান, "কিছুদিন আগে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া মীর কাশেম আর দিগন্তের মীর কাশেম কী একই ব্যক্তি?"

চিন্তা করে দেখুন একটাবার, কেমনতর লোকজনের কাছে রাস্ট্রের আইনগত দায়িত্ব সমর্পিত আছে! যে লোক নিজে থেকে কিছু বিচার করার ক্ষমতা রাখেন না, যে লোক "অমুকে এটা করেছে বলে আমিও করেছি" টাইপের মানসিকতার অধিকারী, তিনি আলোকিত করে আছেন অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ!

 আর বাংলাদেশের একজন অশিক্ষিত রিক্সাওয়ালা-ও এখন জানেন কে মীর কাশেম, দিগন্ত টিভি কার! অথচ তিনি মাননীয় অ্যাটর্নি জেনারেল হয়েও সেটা জানেন না। তিনি জানেন না কোন "মীর কাশেম" এর দিগন্ত টিভির বর্ষপূর্তিতে কেক খেতে গেলেন!

এই ব্যর্থতা আসলে কার! নিশ্চিত ভাবেই অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান সাহেবের নয়। এই ব্যর্থতা বাংলাদেশের ষোলো কোটি মানুষের। তাঁর মতো অথর্ব, প্রতিবন্ধী, বোধ-যুক্তিহীন একটা জড়পদার্থকে লেখাপড়া শিখিয়ে অমন গুরুত্বপূর্ণ একটা পদে আসীন করানোর জন্য।

 উক্ত মেহফিলে হাজির আরেকজন এফবিসিসিআই সভাপতি এ কে আজাদ বলেন,

"প্রফেশনাল হিসেবে গিয়েছি আমি। আমারও মিডিয়া রয়েছে। আরেকটি মিডিয়ার অনুষ্ঠানে যেতেই পারি। কোনো রাজনৈতিক বিবেচনায় আমি যাইনি।"
কোনো যুদ্ধাপরাধীর দাওয়াত কবুল না করা রাজনৈতিক বিবেচনা? যে শুয়োরের বাচ্চা বাংলাদেশের জন্মের বিরোধীতা করলো, লাখ লাখ মুক্তিযোদ্ধা হত্যায় সহযোগিতা করলো, হাজার হাজার মা-বোনের সর্বোচ্চ সম্মান নিলাম করে দিলো, তার প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত অনুষ্ঠান কেবলই একটা "মিডিয়ার অনুষ্ঠান"? চরম করুণা বোধ করছি। না, আপনার জন্য না মাননীয় এফবিসিসিআই সভাপতি। করুণা বোধ করছি আপনার মায়ের জন্য। আপনার মতো কুলাঙ্গার, "আপাদমস্তক ব্যবসায়ী" ছাওয়ালকে পেটে ধরতে হয়েছে তাঁর। আপনি এতোটাই ব্যবসায়ী যে প্রয়োজনে আপনার সেই গর্ভধারিনী মাকেও ব্যবসার পণ্য করতে দুইবার ভাববেন না আপনি! স্যালুট আপনাকে।

 

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সন্দেহভাজন যুদ্ধাপরাধীর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কাদের সিদ্দকী বলেন, "যেভাবে মহাজোট সরকারের মন্ত্রী যেতে পেরেছে, সেভাবে আমিও গেছি।"

তিনি আরও বলেন,

"কোনো চ্যানেলকেই কোনো দলের মুখপাত্র মনে করি না আমি।"
জনাব কাদের সিদ্দিকী, বলুন তো আর কতো ছেনালপনা করলে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশের প্রতি আপনার অবদানের শেষ দানাটুকু শেষ হবে?

কোনো চ্যানেলকে আপনি "কোনো দলের মুখপাত্র" মনে করবেন কেনো? আপনি নিজেই তো সে স্থান বেশ ভালোভাবেই দখল করে বসে আছেন। আপনার মতো ঘূণেধরা, পঁচে যাওয়া মূল্যবোধের একজন মুক্তিযোদ্ধা যখন জামাত তথা যুদ্ধাপরাধীদের হয়ে ছাতা মেলে ধরেন, তখন আর কারো কিছু বলার দরকার লাগে!

 ইদানিং আপনার নাম শুনলেই মুখে একদলা থুতু এসে জমা হয়। সুবিধামতো জায়গা না পেয়ে সেটা রাস্তার পাশেই সজোরে ফেলি। তবে, মনে হয় না খুব বেশিদিন এই "সুবিধামতো জায়গাটা" বাংলাদেশের মানুষের হাতের নাগালের বাইরে থাকবে! বাংলাদেশের পাবলিককে তো চিনেনই বস। ইতিহাস সাক্ষী, এরা বেঈমানকে কোনোদিনই আদর করে কোলে বসায় নি। আপনাকেও বসাবে না।

 এই সরকার বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্যে এগিয়ে যাওয়ার সংকেত দিয়েছে। কিন্তু গোড়ায় গাছ কেটে উপরে পানি দিলে তো কোনো লাভ নেই। সরকারের মাননীয় মন্ত্রীরা, অ্যাটর্নিরা যতোদিন পর্যন্ত নিজের সাথে, দেশের সাথে, দেশের জনগণের সাথে শতভাগ সৎ হতে না পারবেন, ততোদিন পর্যন্ত সরকার যতোই রামলীলা দেখাক না কেনো, নিজামী, মুজাহিদ গংদের একটা কেশাগ্রও স্পর্শ করতে পারবে না। দিলীপ বড়ূয়া, এম কে রহমানেরা সেটা হতে দিবে না। দেশপ্রেম, দেশের প্রতি কর্তব্যের চেয়ে তাদের কাছে দেশের শত্রুদের দালালী করা সহজ এবং লাভজনক।

 আর তাদের সাথে কাদের সিদ্দিকী, একে আজাদ প্রমূখ ব্যবসায়ীরা তো আছেনই। মূল্যবোধ আর আত্মসম্মান বিকিয়ে দিয়ে এরাই বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবেন! জামাত-শিবিরের সশস্ত্র প্রতিরোধের দরকার আছে কি আর!

 এদেরকে চিনে রাখা জরুরী। যারাই জামাত-শিবির তথা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে কথা বলবেন তাদের নাম ধরে ধরে জনগণকে সতর্ক করে দেয়া জরুরী। এদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করা জরুরী। আর, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সসম্মানে অব্যহতি দান করাটা অনতিবিলম্বে জরুরী!

 


মন্তব্য

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

এটর্নি সাহেবের কথাগুলো বেশ ভাবাচ্ছিল। ইনি কি সত্যিই জানেন না? নাকি জেনেও ভান করছেন?

ভিডিওটা কে বানিয়েছে? দারুণ জিনিস হয়েছে। বিশেষ করে মিউজিকের সাথে লেখাগুলো বেশ জোরদার হয়েছে।

ভূঁতের বাচ্চা এর ছবি

ভিডিওটা তো আমাদের প্রিয় ধুগোদা বানাইসেন দেখলাম।
উনার ইউটিউব থেকে লিঙ্ক দেওয়া।
ভিডিওটা অসম্ভব ভাল লাগসে।
--------------------------------------------------------

--------------------------------------------------------

অতিথি লেখক এর ছবি

ঘুমন্ত মানুষকে তো ডেকে জাগানো যায় কিন্তু জেগে ঘুমালে তাকে জাগাবেন কিভাবে। এই ঘটনা প্রমান করে যে যুদ্ধাপরাধীদের জাল সর্বত্র বিস্তৃত। মানুষকে বুঝতে হবে যে সরকারের মধ্যেও যুদ্ধাপরাধীদের দালাল আছে।

রাতঃস্মরণীয়

মুস্তাফিজ এর ছবি

এক দলা থুতু দিলাম

...........................
Every Picture Tells a Story

সুমন [অতিথি] এর ছবি

চরম ধিক্কার এই সব কুলাঙ্গারদের ...

ইদানিং আপনার শুনলেই মুখে এসে একদল থুতু জমা হয়।

ইদানিং আপনার 'নাম'শুনলেই মুখে এসে একদল থুতু জমা হয়।

নামগোত্রহীন এর ছবি

আওয়ামীলীগ, বিএনপি, বামদল-গুলো (জামাত এর কথা বলা বাহুল্য), কে দেশের আজকের এই অবস্থা'র দায়ভার এড়াতে পারে?
যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবন!
যতদিন আমরা এইসব ব্যাক্তি-কেন্দ্রিক দূর্ণীতিপরায়ণ মিথ্যুক রাজনিতীবিদদের চিন্হিত না করব, বর্জন না করবো, ততদিন এরা আমাদের বোকা বানিয়েই যাবে।
দশক দশক ধরে এরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণ করে নষ্ট করেছে। মাষ্টার নাই, শুধু ডাষ্টার আছে! রাজনীতিকে নষ্ট করেছে, নেতা নাই শুধু হাতা আছে! প্রতিষ্ঠানগুলো নষ্ট করেছে, কাজের লোক নাই শুধু চোর আছে ! . . .
আর বুড়ো ভামগুলো আমাদেরকে ভারি ভারি কথার জালে, কখনও বা মিথ্যা প্রলোভনে, কখনও বন্দুকের নলের আগায় থামিয়ে রেখেছে!
দোষ আমাদের, জনগনের। আমরা এখনও 'নেতা'দের কথা বিশ্বাস করি! জেলা শহরগুলো থেকে রাজধানী পর্যন্ত সেই একই মুখগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে। নতুন প্রজন্মের হাতে যেন ছাড়তে না হয় সেই কারনে সূদুরপ্রসারী জাল বুনে রেখেছে! আর তাই, ব্লগাররা জ্ঞান জাহির করতে পরশ্পর কাদা ছুড়াছুড়ি না করে সকলে মিলে এদের (রাজনৈতিক নেতাদের) পেছনে লেগে গেলে কিছু হলেও হতে পারে!
ভেবে দেখুন। হাসি
উদহারন: http://ittefaq.com.bd/content/2010/08/29/news0773.htm

সুমন [অতিথি] এর ছবি

আওয়ামীলীগ, বিএনপি, বামদল-গুলো (জামাত এর কথা বলা বাহুল্য), কে দেশের আজকের এই অবস্থা'র দায়ভার এড়াতে পারে?

কেমন একটা ম্যাতকার শুনতে পাচ্ছি ... নাকি বোঝার ভুল !!!

আপনার নীচের ইত্তেফাক এর সংবাদটির প্রাসংগিকতা ও ঠিক ধরতে পারলাম না ...।

নামগোত্রহীন এর ছবি

'ম্যাতকার' কথাটা বুঝিনা, তাই ঠিক কি বুঝলেন জানিনা, তবে নীচের লিঙ্কটার প্রসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় মনে হচ্ছে আমি ঠিক পরিস্কার করে বোধহয় আমার বক্তব্য বোঝাতে পারিনি।
কথাটা হল এই, যে রাজনীতি নামের প্রহসন করা মানুষগুলো আমাদের জনসংখ্যার কোন শতকরা হিসাবে পড়েনা, সেই তারাই দেশটা উচ্ছন্নে দিল এবং দিচ্ছে! কারন আমরা (যারা দল-মত বলতে শুধু দেশকেই বুঝি) নিজেরা বিভক্ত হচ্ছি তাদের মিথ্যাচার এবং প্রপাগান্ডাতে।
শেখ মুজিব একজন সফল বিপ্লবী এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল উজ্জীবক ছিলেন এটা যেমন মানতে হবে, তিনি একজন বিফল রাষ্ট্রনায়ক হয়ে দেশের অপরীসীম ক্ষতি করে গেছেন সেটাও মানতে হবে। জিয়া একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এটা যেমন মানতে হবে, পরবর্তীতে তিনি ক্ষমতালোভী এবং ক্রর হয়ে দেশের স্থায়ী ক্ষতি করে গেছেন সেটাও মানতে হবে। এরশাদ স্বৈরাচারী এবং ক্ষমতালিপ্সু লম্পট ছিল সেটা যেমন মানতে হবে, খালেদা-হাসিনা জুটি অশিক্ষিত, অপরিনামদর্শী, অরাজনৈতিক এবং 'দেশের জন্য অভিশাপ' সেটাও তেমন মানতে হবে। ধর্ম বেচে খাওয়া মড়াখেকোগুলো এদের জন্যেই এখনও আস্ফালন করতে পারে সেটা যেমন মানতে হবে, আদর্শ'র বই বেচে খাওয়া দূস্কৃতীকারী বাম-হায়নাগুলো আস্তিনের সাপ সেটাও তেমন মানতে হবে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এতদিন পরেও 'হব-হচ্ছি', এটা আমাদের জাতিগত ব্যার্থতা সেটা যেমন মানতে হবে, আমরা জনগন অদূরদর্শী এবং স্থুল দলাদলিতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি সেটাও তেমন মানতে হবে।
এখনও সময় আছে, স্পষ্ট করে বলতে শুরু করতে হবে এবং মানতে হবে যে এই দল-দল করা গুটিকয় শকুন যদি তাদের বংশবৃদ্ধি করতে থাকে, আমাদের পরিনতি হয় হাটুর নিচে বুদ্ধিওয়ালা পিটি প্যারেড করা পাহারাদারদের হাতে, আর না হয় পাওয়া স্বাধীনতা হারিয়ে আবার পরাধীনতার শেকলে!
এই বুঝকে যদি ম্যাতকার বলে, তাহলে তাই।

আলমগীর এর ছবি

দিলীপ বড়ুয়া দিগন্তের পার্মানেন্ট গেস্ট।

১. আমি আসার আগের কথা, তাই শোনা কথা। দিগন্ত পুরা হেজাবি স্টাইলে চলে বলে বেশরীয়তি বিজ্ঞাপন দিত না। কিন্তু টিকতে না পেরে একসময় সে অবস্থান থেকে ঘোষণা দিয়ে সরে আসে। দু'মাস আগেও কিছু কিছু বিজ্ঞাপন দেখাত না (যেখানে নারীদেহের অনাবৃত অংশ আছে)। ইদানিং এটাও চলে এসেছে। কমার্শিয়ালি ভাইয়েবল হওয়ার পুরা চেষ্টায় আছে।

২. অনেক শিল্পী/কুশলী সম্ভবত দিগন্ত এড়িয়ে চলতেন। সম্প্রতি অনেকেই আসছেন। আজকে লাকী আখন্দ, ফাহমিদা নবী, খুরশীদ আলম, ফাতেমা-তুজ-জোহরা প্রমুখকে দেখলাম।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

.........................................
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

তারাপ কোয়াস [অতিথি] এর ছবি

আমার RSM (রাজাকার স্ক্যানিং মেশিন) এর ফলাফল নিন্মরুপ:


শুভাশীষ দাশ এর ছবি

যুদ্ধাপরাধী-বান্ধবদের চিনে নেয়া জরুরী।

---------------------------------------------------------------
অভ্র আমার ওংকার

হাসান মোরশেদ এর ছবি

১। কাশু রাজাকার সম্পর্কে একটা কথা শুনা যাচ্ছেঃ- রাজাকারীর পয়সায় বানানো তার বিপুল সম্পদ ও ব্যবসা বানিজ্য রক্ষা করার জন্য সে এবার তার সাথী রাজাকারদের সাথে ও রাজাকারী করতে যাচ্ছে অর্থ্যাৎ জামাতের সঙ্গ সে ছাড়ছে, সরকারের উপর মহলের সাথে বিরাট অংকের চুক্তি হয়েছে কাশুর। গোআ-নিজামী-মুজার বিরুদ্ধে সে রাজস্বাক্ষী হবে।
দেখা যাক, শুনা কথা সত্যি হয় কিনা।

২। মাত্র কয়দিন আগে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের অনুদানের চেক গ্রহন নিয়ে আরেক নাটক হয়ে গেলো। ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে কুখ্যাত রাজাকার প্রধানমন্ত্রীর হাতে চেক তুলে দিলো, পাশে দাঁড়িয়ে কেলাচ্ছিলেন মফিদুল হক।
বিভিন্নমহল থেকে প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এই চেক প্রত্যাখান করে। জানা গেছে এই আয়োজনের উদ্যোগী ছিলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কয়েকজন।
এখন জানা গেলো রাষ্ট্রের দ্বিতীয় আইন কর্মকর্তা জানেনা এই কাশু সেই কাশু কিনা?
ভালো!

৩। দুঃখজনক হলেও সত্য মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ধ্রুবক নয়, ধ্রুবক হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। '৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা এখন এসে দালাল হলে তিনি দালাল হিসেবেই সম্মানী পাবেন, মুক্তিযোদ্ধা নয়।
প্রাক্তন বীর আর সদ্য দালালের প্রয়োজন নেই এখন দেশের, এখন দেশের প্রয়োজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করছে এমন মানুষদের।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

দুঃখজনক হলেও সত্য মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ধ্রুবক নয়, ধ্রুবক হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
দারুণ লাগলো কথাটা। এক কথায় অনেক কিছু বলা হয়ে গেল।

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

খুব বড় ধরনের ব্লান্ডার।বেশ হজবরল অবস্থা মনে হচ্ছে। যেখানে মীরকাশেমকে নিয়ে মিডিয়ায় ঝড় বয়ে গেল,সেখানে তাকে না চেনার কোন কারণ নেই। তবে সে যদি ত্রিভুজের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হয় তাহলে এটা একটা স্ট্র্যাটেজি হতে পারে। কিন্তু তারপরেও দিগন্ত টিভি যদি এখনো তাদের সম্পাদকীয় নীতিতে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ ত্যাগ না করে থাকে,তাহলে দিলীপদা ভুল করেছেন।উনার দরকার কী দিগন্তে যাবার। বর্ষপূর্তিতে ওরা কোন বড় মসজিদের খতিব ডেকে মিলাদ পড়ালেই পারতো।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

হাসান মোরশেদ এর ছবি

তবে সে যদি ত্রিভুজের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হয় তাহলে এটা একটা স্ট্র্যাটেজি হতে পারে।

এই স্ট্র্যাটেজি কি অশুভ নয়? ত্রিভুজের নৃশংসতা এতো স্পষ্ট যে আদালতে প্রমানের জন্য সরকারের সদিচ্ছা আর দক্ষতাই যথেষ্ট হওয়া উচিত। কাশুকে যদি ছাড় দেয়া সেটা যতোটা না ত্রিভুজকে ফাঁসানোর জন্য তার চেয়ে বেশী হবে সরকারের উপরমহলের সাথে কাশুর আর্থিক লেনদেনের জন্য।
দেশের মানুষ বছরের পর বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে বিচারের আয়োজন করবে আর এই বিচারের সুযোগে কেউ কেউ বাগডাশ হয়ে উঠবেন এমনটি যেনো না হয়।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

আপনি বললেন কাশু রাজাকারের উপর রাজাকারি করেছে। এটা আমার এক বন্ধুকে বলতেই সে বললো তাহলে সরকার তো সবচেয়ে বড় রাজাকারিটা করবে (যদি সত্যিই হয়)।

নামগোত্রহীন এর ছবি

"কাশুকে যদি ছাড় দেয়া সেটা যতোটা না ত্রিভুজকে ফাঁসানোর জন্য তার চেয়ে বেশী হবে সরকারের উপরমহলের সাথে কাশুর আর্থিক লেনদেনের জন্য।"
- আপনার এই মন্তব্যের কোন জুড়ি নাই। আমরা সবাই এটা জানি, যেই সরকারই আসুক এই 'লেন-দেন' সংস্কৃতি চলছেই-চলবেই! তাহলে?
প্রতিবাদ-প্রতিবাদ... 'একটা কিছু ক গোলাপী' বলে কেউ শুনতে চাইবে না, আমাদেরকেই আগ বাড়িয়ে বলা শুরু করতে হবে - 'তুই রাজাকার' 'তুই চোর' 'তুই ডাকাত' 'তুই পুকুর চোর' ইত্যাদি... চোখ টিপি
ত্যানা পেচিয়ে ঠোটে কামড়ানোর আর পুতু পুতু করে জ্ঞান জাহিরের এখন সময় নাই, সরাসরি কথা বলতে হবে-
তাই আমাদের জ্ঞানীগুনী ব্যাক্তি যারা এই অসাধারণ তথ্য প্রযুক্তি'র সহায়তায় ব্লগ সংস্কৃতি'র ধারক বাহক, তারা আর রাজনীতি'র সংস্কৃতি এখানে টেনে না এনে সরাসরি বলা শুরু করূন!
সরাসরি, সঠিক টা, কোন দিকে না টেনে, নিরপেক্ষ, নিঃসংকোচ।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

সরাসরি, সঠিক টা, কোন দিকে না টেনে, নিরপেক্ষ, নিঃসংকোচ-ভাবে বলতে শুরু করার জন্য তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ব্লগ সংস্কৃতির ধারক-বাহকের প্রয়োজন কেনো? ব্লগ তো উন্মুক্ত মাধ্যম। যে কেউ-ই বলতে শুরু করতে পারেন। আপনিও পারেন।

নিজে না এগিয়ে 'আপ পেহলে, আপ পেহলে যাইয়ে ভাইসাব' করলে হবে?



বিএসএফ—
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

লেট আস ক্লিয়ার দিস ফগ টু ইন্টারভিন ইন টু আওয়ার রিউমার ফ্রেন্ডলি ফ্রিডম অব ননসেন্স।
মীর কাশেমের মত যুদ্ধাপরাধী সাপদের সঙ্গে বেদের মেয়ে জ্যোতস্না বা শৌখিন সর্পোরাজকুমারের সাপ-খেলাখেলির সম্পর্ক।

মহাজোট সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে অবিচল এবং কোনরকম আপোষ ছাড়া যত দ্রুত এই বিচার কাজ শেষ করবে বলে আশস্ত করেছে। সুতরাং মহাজোট সরকারের সঙ্গে মীরকাশিমের বা তদীয়মহলের কোন সমঝোতার প্রশ্ন ওঠে না।

ইবাংলাদেশ সার্বক্ষণিক ভাবে যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কিত খোঁজ খবর রাখে। ফলে কথিত মীরকাশীমীয় সমঝোতার বিষয়টি সুস্পষ্ট গুজব বলে প্রতীয়মান হয়।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোনদিন নয়।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি

এই লেখায় লেখক সরাসরি, সঠিক, নিরপেক্ষভাবে, নিঃসংকোচেই বলেছেন বলেই তো আমার মনে হল। একটি মানসম্মত সত্য ভিডিও তৈরি করে, তা ইউটিউবে আপলোড করে, ব্লগে এবং ফেসবুকে শেয়ার করে, সকলকে ছড়িয়ে দিতে অনুরোধ করেছেন। প্রবাসী ব্লগার হিসেবে লেখকের তরফ থেকে এটা আমার হিসেবে অবশ্যই 'সরাসরি' অংশগ্রহণ।

নতুন প্রজন্ম যারা তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর জীবনে অভ্যস্থ, তাদের কর্ম এবং ব্যক্তিজীবনে অনলাইন অ্যাক্টিভিটি অনেক বেশি, তাই এইরকম ভিডিও শেয়ার করলে জনসচেতনতা বাড়বে, কমার অন্তত কোন সুযোগ নেই! নতুন-পুরানো সব প্রজন্মই তো বেশ ভালই ব্লগ পড়ছেন, লিখছেন, আলোচনাও করছেন, তা নাহলে আমরা এখানে কেন? কাজেই এটাও একটা শক্ত মাধ্যম মত প্রকাশ ও তৈরির।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আর বিলম্ব করা যাবে না! প্রত্যেককে এগিয়ে আসতে হবে তার নিজের পক্ষে যেভাবে কন্ট্রিবিউট করা সম্ভব সেভাবে, যেমনটা ব্যাক্তি জীবনে আপনিও করছেন বলেছেন। যার পক্ষে যেভাবে, যেখান থেকে, যতটুকু করা সম্ভব তাই করতে হবে। আর সেটাই আসল কথা।
___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

সচল জাহিদ এর ছবি

হতাশ ...

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

হাসান মোরশেদ এর ছবি

হতাশার কিছু নেই আসলে। ৭৫ এর পরের রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই বিচারের উদ্যোগটুকুই অকল্পনীয় হয়ে উঠেছিলো।
তবু কিছু মানুষ হতাশ না হয়ে চরম বিরূপ পরিস্থিতিতে ও প্রত্যয় ধরে রেখেছিলেন বলেই তো আজকে এতোটুকু।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

আমাকে কেউ কি এই তথ্যটা দিতে পারেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধ চলা কালে কমরেড দীলিপ বড়ুয়া এবং উনার সাম্যবাদী দলের ভূমিকা কী ছিল? যদি ভুল জেনে না থাকি তাহলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে "দুই কুকুরের কামড়া-কামড়ি" থিয়োরী দেয়া হক-মতিন-তোয়াহাদের চীনাবাদাম পার্টির পরবর্তীরূপ হচ্ছে তোয়াহার সাম্যবাদী দল। তোয়াহা আর আসাদ্দর আলীর মৃত্যুর পর যার দায়িত্ব কমরেড দীলিপ বড়ুয়ার কাঁধে আসে। এই দলটি সম্ভবতঃ পতিত স্বৈরাচার এরশাদের গৃহপালিত বিরোধী দলীয় নেতা আ স ম আব্দুর রবের নেতৃত্বাধীন ৭৮ নাকি ১০৮ দল বিশিষ্ট জোট "সম্মিলিত বিরোধী দল"-এও ছিলো। কেউ একটু চেক করবেন কি?



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

মুস্তাফিজ এর ছবি

ছিঃ এসব বলতে হয়না, আমরা ভুলে গিয়েছি না?

...........................
Every Picture Tells a Story

অতিথি লেখক এর ছবি

আবদুল হক সাহেব স্বাধীনতাপরবর্তীকালে বিপ্লবি কমিউনিষ্ট পার্টি চালিয়ে যান আমৃত্যু, আর তোয়াহা সাহেব সাম্যবাদী দল। তবে দীলিপ বাবু তো আর উড়ে এসে জুড়ে বসেননি। একটা পার্টির কর্ণধার হতে গেলে দীর্ঘদিন পার্টির নীতিনির্ধারক পর্যায়ে থাকতে হয়। সে বিবেচনায় দীলিপ বাবুকে তো ধরে নিতে হচ্ছে কমরেড তোয়াহার পরের স্তরের নেতা।

উইকিপেডিয়ায় এবং অন্যত্র সার্চ দিয়ে দেখলাম সর্বত্রই তার ১৯৭০ পর্যন্ত এবং ১৯৭২ এবং তৎপরবর্তীকালের কর্মকান্ডের ফিরিস্তি দেওয়া আছে। কোথাওই খুঁজে পেলাম না যে তিনি ১৯৭১ সালে কি করছিলেঁন।

দেশে থাকলে ড্যাডকে জিজ্ঞেস করা যেতো। বিগত ৩০০ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস তার মুখস্থ।

রাতঃস্মরণীয়

মহাস্থবির জাতক এর ছবি

শালার, আমরা কী আসলে???

শুনেছিলাম, একবার প্রতারিত হলে দুর্ভাগ্য, দুবার হলে বোকামি, তিনবার হলে we deserve it। আর, বারবার হলে?
_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!

(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)

_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!

(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)

তাসনীম এর ছবি

নিউজটা পড়ার দুই মিনিট পরে এই ব্লগটা পড়লাম। মেজাজ প্রচন্ড গরম হয়ে আছে,
থুতু দেওয়ার ইচ্ছে ছাড়া বলার মত কিছুই পাচ্ছি না।

+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

লালন এর ছবি

মরলে পাব বেহেস্তখানা
তাই বলে তো মন মানে না
বাকির আশা'য় নগদ পাওনা
কে ছেড়েছে এই ভূবনে ! চোখ টিপি
___________________
@নামগোত্রহীন: সাধুবাদ-সহমত

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

-

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

হাসিব এর ছবি

পোস্ট লিখতেছিলাম। পরে দেখি এইটা নিয়া লিখা ফালাইছো। যাউগ্গা, একটা হাজেরানে মজলিসের তালিকা যোগাড় করলাম। এইখানে পোস্ট করে দেই।

শিল্পমন্ত্রী দীলিপ বড়ুয়া
সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক
বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের চেয়ারম্যান বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আব্দুর রউফ
সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার
বরেণ্য সাংবাদিক শফিক রেহমান
বিএনপি স্খায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক
জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান
এফবিসিসিআই সভাপতি এ কে আজাদ
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন
জাতীয় পার্টির মহাসচিব কাজী ফিরোজ রশীদ
চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম
ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিঞা
ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান
ফাদার বেঞ্জামিন ডি কস্টা
মাওলানা মুহিউদ্দীন খান
শ্রী শুদ্ধানন্দ মহাথেরো
সাবেক রাষ্ট্রদূত রাশেদ চৌধুরী
নির্বাচন কমিশনার এম শাখাওয়াত হোসেন
চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন
ডেমোক্র্যাসি ওয়াচের প্রধান তালেয়া রেহমান
অ্যাডভোকেট এলিনা খান
ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন
ক্রিকেটার আব্দুর রাজ্জাক
সঙ্গীত শিল্পী রিজিয়া পারভীন
শাম্মী আখতার
রুক্সি
টিভি উপস্খাপিকা কাজী জেসিন
অভিনেত্রী ফারহানা মিলি।„

লিংক

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

ফাদার বেঞ্জামিন ডি কস্টা!!

ধুসর গোধূলি এর ছবি

নামটাতে আমিও একটা ধাক্কা খাইছি পিপিদা। হাস্যোজ্জ্বল মুখের মানুষটার মনে বোধ'য় দিগন্ত টিভি নিয়ে 'ডাউট' থাকার কথা না।



বিএসএফ—
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ

সংসপ্তক এর ছবি

ফাদার বেঞ্জামিন?! ক্যাম্নে কি? উনি কি জানেন না নটরডেম এর আসে পাশে কতগুলো শিবির নিয়ন্ত্রিত ছাত্রাবাস আছে ঢাকার বাইরের ছাত্রদের টার্গেট করে? উনি কি জানেন না 'বাংলাদেশ ছাত্র শিবির - নটরডেম কলেজ শাখা' আছে?
দুঃখ পেলাম।
.........
আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা

.........
আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা

হিমু এর ছবি
অতিথি লেখক এর ছবি

শালার, আর আমাগো কিনা ট্রান্সপারেণ্ট শার্ট-প্যাণ্ট-ব্যাগ লইয়া কলেজে যাইতে হয়।
আবার সিসি ক্যামেরাও লাগাইছে।
শালার সব কটা বাটপার।

পলাশ রঞ্জন সান্যাল

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

ফাদার কতিপয়কে ১৯৯৪ সালে দ্য ডি এম্পায়ার নামে একটি বিতর্ক ডকুমেন্টারী
বানানোর সময় খুব কাছে থেকে দেখেছি। সে সময় তাদের অফিস সজ্জা এবং বাংলো সজ্জায় কলোনিয়াল হ্যাং ওভার দেখেছি। ওই আসবাব-পেইন্টিং-জীবন চর্যার মধ্যে পশ্চিমা এমব্যাস্যাডর এট লার্জ দেখেছি,ঐ প্রতীক গুলো অনুসরণ করে সেটাকে কোন গোয়েন্দা অপারেটিভের জীবন বললে হয়তো ডিফেমেশন হয়ে যায়।ফিকশন।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

সকল 'কোলাবরেটর'দের প্রতি তীব্র ঘৃণা জানাইলাম
___________________________
Any day now, any day now,
I shall be released.


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

স্পর্শ এর ছবি

আপনার ভিডিওগুলো দারুণ হচ্ছে। চলুক


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

অতিথি লেখক এর ছবি

চলুক

"চৈত্রী"

দ্রোহী এর ছবি

এখনো বিশ্বাস করি না যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সত্যি হবে! হয়তো নির্বাচনে জেতার সহজ ফর্মুলা হিসাবে কয়েকটা ধাড়ি শুয়োরকে ঝুলিয়ে দেয়া হবে শেষ দিকে এসে।

বাঘা সিদ্দিকী যে ভবিষ্যতে শুয়োর সিদ্দিকী হতে পারবে না এমন কোন কথা কোথাও লেখা নেই। হাসান মোরশেদের কথাটাই আসল - মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ধ্রুবক নয়, ধ্রুবক হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

ইতিহাসের পোঙ্গামারায় ক্ষমা শব্দটা কখনই ছিল না। ভবিষ্যতেও থাকবে না।


কি মাঝি, ডরাইলা?

বাউলিয়ানা এর ছবি

কিছুই বলার নাই। মুস্তাফিজ ভাইয়ের মন্তব্য কপি করি...

এক দলা থুতু দিলাম

হাসান মোরশেদ এর ছবি

মডারেটরদের কাছে জোর অনুরোধঃ-
পোষ্টে মেরিট যোগ করেনা এমন অতিথি মন্তব্য যেনো ছাড় দেয়া না হয়। দেখা গেছে আপাতঃ নিরীহ কিছু কিছু মন্তব্য অনাকাংখিত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে যা শেষপর্যন্ত এক একটা গুরুত্বপূর্ণ পোষ্টকে দিকভ্রান্ত করে ফেলে।

এছাড়া পোষ্টদাতা নিজেও একটু উদ্যোগী হতে পারেন যেনো তার পোষ্টে মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য লাগামহীন হয়ে না পড়ে।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

হাসিব এর ছবি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।