"থুতনিতে হাত বুলিয়ে দেই..."

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি
লিখেছেন এস এম মাহবুব মুর্শেদ (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৬/২০১০ - ৬:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ডিসক্লেইমার: এটা অতীতে শোনা একটা প্রচলিত কৌতুকের গল্পাকার। যেহেতু লোকমুখে শোনা, মূল লেখকের নাম জানাতে পারছি না। এজন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

সাম্প্রতিক সুশীল বির্তকের সাথে সর্ম্পক থাকলেও কোন কিছু প্রমাণের উদ্দেশ্যে এটা লিখছি না। জাস্ট ফর পান। চোখ টিপি

উপরন্তু এতে কিঞ্চিত অশালীন বাক্যবন্ধ আছে। নিজ দায়িত্বে পড়ুন।

জোকার নায়েক গেছেন অ্যাথিয়া দ্বীপে পুরানের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিতে। বলা বাহুল্য অ্যাথিয়া দ্বীপে সবাই অবিশ্বাসী। জোকার যখন সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বিরাট বিরাট বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিচ্ছে তখন রিকার্ড বকিন্স নামে অ্যাথিয়ার এক নেতা লাফ দিয়ে স্টেজে উঠে জোকারের থুতনিতে হাত বোলাতে লাগলেন। একেবার বাচ্চাদের থুতনিতে যেভাবে আমরা হাত বুলিয়ে আদর করি, ঠিক সেভাবে। তবে আরো আবেগ দিয়ে, গভীর মমতায়, ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে হাত বুলাতে লাগলেন।

জোকারের সাগরেদরা ছিলো আশে পাশেই। তারা হাঁ হাঁ করে ছুটে এলো। আরে আরে আরে, করে কী? ধরে টেনে স্টেজ থেকে নামাবার চেষ্টা করার সময় জোকার তার প্রধান সাগরেদের কানে কানে বলে দিলেন, "ুদ্দানীর পুয়ারে বালা করি ুয়া মারি দাও"।

সাগরেদরা তার কথা মত স্টেজের পিছনে বকিন্সকে ধরে নিয়ে প্যান্ট খুলে দেখে যেখান তার ায়ু থাকার কথা সেখানটাতে মসৃণ চর্মাবৃত।

সাগরেদরা টাসকি খেয়ে গেল! খাইছে!! এখন উপায়?

প্রধান সাগরেদ গিয়ে স্টেজের পাশ থেকে হাত পা নেড়ে ডাকতে লাগল জোকারকে। জোকার বাধ্য হল বক্তৃতা থেকে ব্রেক নিয়ে স্টেজের পিছনে আসতে।

"আরে তোঁয়ারা আঁরে বক্তিমা দিতে দিবানারে? কী হইচে, ঘটনা কিতা?" জোকার বিরক্ত মুখে জিজ্ঞেস করে। সাগরেদ জানায় ঘটনা সিরিয়াস, ছিদ্র নাই। হুকুম তামিল করবে কেমনে?

"আঁ, আস্তাগফিরুল্লা! ইতা কিবা কও?" বলে সাগরেদ পরিবেষ্টিত অবস্থায় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বকিন্সের দিকে ঘুরে তাকিয়ে জোকার জিজ্ঞেস করেন। "কিতারে বাওয়া তোমাদের ুন্দে েন্দা নাই কেন? তুমরা োগা টোা মারো নারে বাওয়া?"

"মারি তো!", বকিন্স জানায়। এবার অবাক হবার পালা জোকারের। তার হাঁ করা মুখে দিকে তাকিয়ে হেসে দেয় বকিন্স। বলে, "এই যে, আমরা োগা মারি এমনে..."। বলে জোকারের থুতনিতে পরম মমতায় হাত বুলাতে থাকে বকিন্স।


মন্তব্য

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

পাঠকের কাছে প্রশ্ন, গল্পের শিরোনাম কি শ্লীল?

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

তাসনীম এর ছবি

গল্পটা মজা লাগছে। আপনার প্রশ্নের জবাব দেই...শিরোনামটা অ্যাথিয়া দ্বীপের "অ্যাথিয়াতন" ব্লগের মডুরা হয়ত অশ্লীলতার জন্য আটকে দিত। আমাদের এই দ্বীপে নো প্রবেলেমো হাসি

অশ্লীলতা ও শ্লীলতা আপেক্ষিক এবং স্থানকাল ও পাত্রভেদে নির্ধারিত হয়।

++++++++++++++
ভাষা হোক উন্মুক্ত

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

রণদীপম বসু এর ছবি

হা হা হা ! মজা পাইলাম মুর্শেদ ভাই।

পাঠকের কাছে প্রশ্ন করলেন ? তাহলে পাঠক হিসেবে প্রশ্ন করি ?
আচ্ছা, 'বিয়ে' শব্দটা কি শ্লীল ?

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

স্নিগ্ধা এর ছবি

মুর্শেদ, আপনিও! কেন যেন আপনার কাছ থেকে এই লেখা আসাতে খুব বিস্মিত বোধ করছি - যদিও, সেটার খুব স্পষ্ট, যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখাতে বললে পারবো কিনা জানি না ......

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

না স্নিগ্ধাপা, আমি আগুনে ঘি ঢালছি না। একটা চীর-অমীমাংসিত প্রশ্নকে ঘিরে হাস্যকর ভাবে সমমনা কয়েকজনের বিভক্তি দেখে আমার খালি হাসি পাচ্ছে। আমি সিম্পলী আগে শোনা একটা কৌতুক বলেছি। আগুনে ঘি না ঢেলে আমি আগুনে একটা সিগারেট ধরিয়েছি এবং সিগারেটটা ভাগাভাগি করছি। হাস্যরসে পরিবেশটা একটু হালকা হোক। হাসি

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

হিমু এর ছবি

এক অবব্রিগেডিয়ার ব্লগিং করে। নাম মনে নাই। কথাবার্তা ছাগুসুলভ। হুমায়ূন আজাদের উপর প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত। এক পোস্টে সে এরশাদ করলো, হুমায়ূন আজাদের পাক সার জমিন সাদ বাদ নাকি একটা জঘন্য উপন্যাস। কারণ কোনো সন্তান নাকি তার বাবা মায়ের সামনে এটা জোরে জোরে পড়তে পারবে না। কাজেই এই অশ্লীল উপন্যাসের কারণে অধ্যাপক সাহেবের ওপর হামলা হলে তার দায় আসলে অধ্যাপকেরই।

এই অবব্রিগেডিয়ারের মনে শ্লীলতা-অশ্লীলতা নিয়ে যে ধারণা, সেটা শিক্ষিত মানুষের মনেও দেখি। বাবা-মায়ের সামনে পাঠের অযোগ্য বহু ক্লাসিকস আছে পৃথিবীতে, দেকামেরনের নাম কপচায় যাই পাণ্ডিত্য জাহিরের জন্য। বাবা-মায়ের সামনে আমাদের অনেকেই বহু ক্লাসিক সিনেমা দেখতে পারবো না, আবারও পাণ্ডিত্য জাহিরের জন্য পাল্প ফিকশনের নাম বলে যাই। বাবা-মায়ে আচ্ছন্ন পৃথিবীতে আমরা শুধু "থাণ্ডারক্যাটস" আর "জীবনের আলো"কেই শ্লীল বলে মানবো।

আমরা বড় হয়ে গেছি, শুধু আমাদের বাবা-মা বড় হতে পারেন না কখনো। তাই মুর্শেদ, চলো আমরা অশ্লীলতা না করি। পরস্পরের থোতায় হাত না বুলিয়ে চলো জীবনের আলো ছেড়ে শুনি নুরুজ্জামান ফারুকী কী বলে। সচলায়তনকে সাজিয়ে তুলি আমাদের বাবা-মায়ের জন্যে।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

স্পর্শ এর ছবি

বাবা-মা-সন্তান কে টেনে এনে লেখার 'শ্লীলতার লিটমাস টেস্ট' করার প্রক্রিয়া দেখে আগেও বিরক্ত হয়েছি। এবং মন্তব্যে প্রতিবাদ ও জানিয়েছি। তাই হিমুভাইয়ের এই মন্তব্যের সাথে ভীষণ ভাবে সমহত জানিয়ে গেলাম। চলুক


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

ওডিন এর ছবি

নাহ, আমার (আহেম)পর্বতসম গাম্ভীর্য নিয়েও আর চুপ থাকা গেলো না।

'জীবনের আলো' কি জিনিস, খায় না পরে এই ব্যপারে কোন আইডিয়া নাই- তবে 'থান্ডারক্যাটস'কে এর মধ্যে টেনে আনার জন্য তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি!! দেঁতো হাসি
______________________________________
যুদ্ধ শেষ হয়নি, যুদ্ধ শেষ হয় না

দুর্দান্ত এর ছবি

"থাণ্ডারক্যাটস" মনে হয় শ্লীল না। চিতারা, পুমায়রাদের জামাকাপড় দেখেছো?

দ্রোহী এর ছবি

আমাদের সাহিত্যেও হঠাৎ করে হিজাব সংস্কৃতি ভর করতেছে কেন জানি!

হিমুর মন্তব্যে সহমত। (মেইলে জানাবো)

হিমু এর ছবি

বুইড়া আঙ্গুল!

ভীষণ রকম সহমত ভূতোদা!

ঠিক আমার মনের কথাটিই গুছিয়ে বলে দিলেন! আপনার রাতের আকাশে এই ন্যান আরো একটি নক্ষত্রের আশ্লেষমোহন শুভেচ্ছা! অনেক ভালো থাকবেন!



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- হিজাব মানে? সাহিত্যকে লিঙ্গবাদী বানানোর কারণে মেম্বরের তো ফাঁসী হয়ে যাবে?
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

দ্রোহী এর ছবি

স্যরি, ভ্রেম হইছে। ফাঁসি মেনে নিলাম। হাসি

আমি মন্তব্যটা ঠিক করে দিচ্ছি। পুরুষদের সাহিত্যে কনডম পরাতে হবে আর নারীদের সাহিত্যে হিজাব। আর লিঙ্গ বৈষম্য থেকে দূরে থাকতে চায় যারা তারা তাদের সাহিত্যে হিজাবের উপরে কনডম বা কনডমের উপরে হিজাব পরাতে পারেন। সব কূল রক্ষা হয় তাহলে। হাসি


কি মাঝি, ডরাইলা?

নাশতারান এর ছবি

"কনডম পরে বিনোদন সম্ভব, প্রজনন নয়।"-আমার নিজের পছন্দের বাণী।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

নাশতারান এর ছবি

আমিও মেইল চাই।

পূর্বাপর না জেনেই মন্তব্যটি করা। তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। কারো অনুভূতিতে আঘাত হেনে থাকলে দুঃখিত।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

অনুগ্রহ করে এই পোস্টে কাইজ্যা ডাইকেন না কেউ। আমার ধারণা কৌতুকটা মজার। আসুন প্রাণ খুলে হাসি। তারপর পুরো বিষয়টাকে পিছনে ফেলে সামনে আগাই চলুন।

আনন্দম!

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

তুলিরেখা এর ছবি

ব্রুটাস !!!!!!

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

"Et tu, Brute?"

হাসি

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

তুলিরেখা এর ছবি

ব্রুটাস সেলুকাস জুডাস সবার নামের শেষে কেন স বলুন তো? হাসি
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

তাইতো! বিষয়টা লক্ষ্য করিনি। কেন?

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

অতিথি লেখক এর ছবি

আমাদের এই দ্বীপে নো প্রবেলেমো..............

.............................................কপি পেস্ট। হাসি

অভদ্র মানুষ

তুলিরেখা এর ছবি

এরা যে এককালে বিখ্যাত বা কুখ্যাত হয়ে উঠে দুনিয়াজোড়া লোকের মুখে মুখে উচ্চারিত হবে, সেই দূরদৃষ্টি থেকেই এদের বাবামা এরকম নাম রেখেছিলো হয়তো। হাসি
বেশ একটা ছন্দতাললয় ওয়ালা নাম !!! হাসি

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

হা হা হা ...
গ্রেইট অবজারভেশন!

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

প্রখর-রোদ্দুর এর ছবি

উপস্থাপনের কারণ এবং প্রশ্নটী আত্বস্হ করে মজা পেয়েছি ।

ক্লাসিকো

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

তো এই হইল কাহিনী! বিষয় কী? বিষয় হইল, ভাব কীভাবে প্রকাশিত হবে।

পার্থক্য?পার্থক্য?

পার্থক্য সামান্য। ভালো কাজের সমালোচনায় যেমন ভালো কথা আশা করে সবাই, তেমনি ভালো কাজের সমালোচনায় খারাপ কথা বর্জন করে। কিন্তু সমস্যা হইল খারাপ কাজের সমালোচনা কেমনে হবে? ভালো কথায়, না খারাপ কথায়? খারাপ কাজ যে খারাপ সে নিয়ে কিন্তু কারো সন্দেহ নাই। সমস্ত সন্দেহ ওই প্রকাশ ভঙ্গীটায়।

এই নিয়েই পোস্টের পর পোস্ট। মন্তব্যের পর মন্তব্য। মন কষাকষি। নাক ঘষাঘষি। মেইল চালাচালি। এক তারার বর্ষন। ফেইসবুকে বন্ধুত্ব বর্জন। সচলায়তন ত্যাগ। আরও কত কী? মন খারাপ

মাঝখান দিয়ে খারাপ কাজ করে পালিয়ে গেল দুষ্ট লোক। কাজের কাজ কী হল? আরেকখান নতুন ব্লগ? কী জানি?

ব্লগের পর ব্লগ হবে। বাড়বে শুধু বিভাজন। মন খারাপ

অনুগ্রহ করে, এটা মাঝরাতে করা পাগলের প্রলাপ ধরে নেবেন।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি

মাঝখান দিয়ে খারাপ কাজ করে পালিয়ে গেল দুষ্ট লোক।....বাড়বে শুধু বিভাজন। মন খারাপ
চলুক

এই প্রলাপগুলার জন্যে ধন্যবাদ ভাইয়া।
(স্বগতোক্তিঃ যাক! আমি একাই তাহলে পাগল না।) <হাঁফ ছাড়ার ইমো>

___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি

ও, আর -

ভাল কাজ + গালি = গ্রহণযোগ্য নয়।
চিন্তিত

___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনি নিজে এটাতে ক্রমাগত ও সক্রিয়ভাবে এই দ্বন্দ্বে অংশ নিলেন… গালিপূর্ণ একটি লেখাও লিখলেন, আর এখন বলছেন “মাঝখান দিয়ে খারাপ কাজ করে পালিয়ে গেল দুষ্ট লোক। কাজের কাজ কী হল? "

সেলুকাস!

পার্থ

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

এই দ্বন্দ্বে আমার একটা স্পষ্ট অবস্থান আছে। সেটা জানাতে কখনো কৃপণতা করিনি এবং সেটা নিয়ে আমার আফসোস ও নেই। মাত্রার মধ্যে সমালোচনা ভালো বিষয়। সচলভাষা ১ যখন আসল তখন স্বাগতও জানিয়েছি।

কিন্তু যারা ভাষা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন তাদের কিছু স্ববিরোধী কর্মকান্ড দেখে আমার এই ফ্রাস্ট্রেশন।

আমার এই পোস্টটা পুরো বিষয়টার একটা ফানি অংশকে একজাজারেট করে। বারবার এটা বলার পরও আপনার আক্রমনের কারণ কী বোধগম্য নয়।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

স্পর্শ এর ছবি

হা হা হা হা!! গড়াগড়ি দিয়া হাসি


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

খাইছে

-----------------------------------------------------------------------------------
...সময়ের ধাওয়া করা ফেরারীর হাত থিকা যেহেতু রক্ষা পামুনা, তাইলে চলো ধাওয়া কইরা উল্টা তারেই দৌড়ের উপরে রাখি...

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

এই গল্পের বক্তিমাবাজ তো জানমাত গোআ
আপনি জোকার নায়েকরে অবৈধভাবে নায়কের চরিত্র দিয়ে একইসাথে কপিরাইট এবং প্যাটেন্ট আইন লংঘন করেছেন

মহাস্থবির জাতক এর ছবি

হুঁ, আমি অবশ্য অন্য আদলে শুনেছিলাম গল্পটা। জোনার জায়গায় গোআ, আর বিপরীত পক্ষে মঙ্গল গ্রহের এলিয়েন। ওঃ হো, এটা নিয়ে তো একটা ছাই-ফাই হয় দারুণ!!!
_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!

(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)

_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!

(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)

অতিথি লেখক এর ছবি

রিয়ার্ড ডকিন্সের কঠিন অনুরাগী হিসেবে পুরাই তাব্দা!
আমার কথা একটাই,

অশ্লীলতার কোন সংজ্ঞা নাই,
ধরার চেষ্টা বৃথা তাই
[/i][b]

বাবা-মা কে শ্লীলতা-ডিক্টেটর হিসাবে ইউজের ফন্দির প্রতিবাদ জানাই। প্রাকৃতজনের সচল ভাষার প্রতি সমর্থন রইল।
পথিক রহমান

জি.এম.তানিম এর ছবি

মামু ভাই, আপ্নে একটা লুক্ষ্রাপ! খাইছে
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

অতিথি লেখক এর ছবি

আমিও তার থুতনিতে হাত বুলিয়ে দিতে চাই...

---থাবা বাবা!

অতিথি লেখক এর ছবি

ভাই মিনকা হইতে চাই না। গালি দিলে ডাইরেক্ট দিমু। অশ্লীলের সংজ্ঞা কি?মাঝে মাঝে আমি যখন আমার ছাত্রকে গাধা বলি তখন সে আমায় বলে,"স্যার, আপনি আমাকে অশ্লিল গালি দিবেন না।" আমি টাসকি খাই।
আর ভাই, কাইজ্জা কইরা লাভ কি?কাইজ্জা কইরেন না।

পলাশ রঞ্জন সান্যাল

ময়না মিয়া [অতিথি] এর ছবি

আয়ূ বেড়েছে অন্তত দশ বছর-

বেশ একটা সমস্যার মধ্যে ছিলাম। কাস্টমার সামনে দাঁড়িয়ে। টেলিফোনে অপরপ্রান্ত থেকে নির্দেশনা দিচ্ছে। তারপরও সমাধান হয়নি। মনে হয়েছিল আমার আয়ু বুঝি কমে গেছে দশ বছর। কিন্তু পোস্টটি পড়ে আমার আযু ফেরত পেয়েছি। বোধকরি বাড়তি কয়েক বছরও যোগ হযেছে।
এই সচলায়তনে এসেছি মাত্র কয়েকদিন। মনে হয়েছিল এটি অচলদের মেলা। এখন দেখছি তা নয়, এরাও হাসতে জানে, ঠাট্টা-মস্করাকে সেভাবেই মেনে নেয়।
আসলে জীবনতো দেয়াল ঘড়ি নয় যে, দম দেয়া হলে কাঁটা ঘুরবে, নয়তো নয়। জীবন ঘুরবে জীবনের নিয়মেই। কখনো চলবে সহজ-সরল পথে, কখনো বাঁকা পথে মোড় নিয়ে অনুভব করতে চাইবে সহজ পথটা কতোটা সহজ ছিল! বুড়োরা পরিচিত ছিদ্র দিয়েই আগে চেষ্টা করবে, আর তরুনরা নিজের প্রয়োজনে নতুন-নতুন ছিদ্র তৈরিতে ব্রতী হবে- এটাইতো গল্পের সারমর্ম!!
বোঝা গেল লেখকের চট্টগ্রামের ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর দারুণ দখল আছে।

zic2010@yahoo.com

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

ছিলা শামীম মনে পড়ে গেল ঃ)

অতিথি লেখক এর ছবি

শিরোনামটা অ্যাথিয়া দ্বীপের "অ্যাথিয়াতন" ব্লগের মডুরা হয়ত অশ্লীলতার জন্য আটকে দিত। আমাদের এই দ্বীপে নো প্রবেলেমো

একমত।

ব্লগের পর ব্লগ হবে। বাড়বে শুধু বিভাজন।

বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য এইটা মাহবুব ভাই........... বন্ধ করা সম্ভব না। মন খারাপ

নবীন পাঠক

shahriarsajib@gmail.com

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

জুকার নায়েককে খলনায়ক বানানোয় ধর্মানুভূতি আহত হলো। মন খারাপ

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

তুহিন এর ছবি

আমি সাধারণত পড়েই থাকি, মন্তব্য করিনা। ব্ল্রগার নই। কিন্তু থাকতে পারলাম না। মাহবুব, আপনার গল্প পড়ে মজা পেয়েছি। এখানে অশ্লীলতার কিছুই নেই। বাবা মা'র সামনে পড়া না গেলে তা অশ্লীল এটা খুবই অদ্ভুত কথা। কিন্তু আপনার গল্পের নায়ক নিয়ে আপত্তি আছে। জাকির নায়েক অত্যন্ত সম্মানিত একজন ব্যক্তি। তাঁকে নিয়ে এরকম ফান না করলেই মনে হয় ভাল হত। বাক্তিগত ভাবে আমি তাঁকে শ্রদ্ধা করি এবং একজন বড় মাপের মানুষ মনে করি। জানিনা ময়না মিয়া যা বলেছেন সেটাই এই গল্পের মানে কি না, কিন্তু ভাল কাজের পথ ভাল হওয়া উচিত মনে করি। ( আপনাদের কাইজজায় আমার ছোটবেলার আতি প্রিয় কার্টুন থান্ডার ক্যাটস নিয়ে আসায় মাইন্ড করছি।)

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

গ্রেট পিপল থিংক অ্যলাইক! আমিই প্রথমে জুকার নায়েকের ব্যাপারটায় প্রতিবাদ জানিয়েছি। জুকার/জোকার নায়েক নামটা স্বনাম ধন্য ইসলামী চিন্তাবিদ বৈজ্ঞানিক ইসলামের গ্রেট গ্রান্ড চাইল্ড বিশিষ্ট রেফারেন্স-ঠুঁটস্হি বক্তা জাকির নায়েক সাহেবের সাথে মিল রেখে করা হয়েছে। এ মিলটা ইচ্ছাকৃত। নবী (সাঃ) সেই ১৪০০ বছর আগে ইন্তেকাল করেছেন, মুসলমানদের এই চরম দুর্দিনে জাকির নায়েক সাহেবের মত জ্ঞানী বুজুর্গ ব্যক্তি সে অভাব পূরণ করে আমাদেরকে আলোর দিশা দিতে পারেন। তাকে নিয়ে মস্করা করা মানে ইসলামের অবমাননা করা হয়েছে। সাচ্চা মুসলিম শোয়েবের সাথে সানিয়া মির্জার বিয়ে হওয়ার পর জাকির নায়েক সাহেব এই টেনিস তারকার ঈমান নিয়ে হাফ ছেড়ে বেঁচেছিলেন; কিন্তু বাঙালি তাকে আর শান্তিতে থাকতে দিলো কই!

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

অবাঞ্ছিত এর ছবি

খাইছে... ভাইজান কি বাই এনি চান্স ফেসবুক ব্যানের পক্ষে ছিলেন?

__________________________
ঈশ্বর সরে দাঁড়াও।
উপাসনার অতিক্রান্ত লগ্নে
তোমার লাল স্বর্গের মেঘেরা
আজ শুকনো নীল...

__________________________
ঈশ্বর সরে দাঁড়াও।
উপাসনার অতিক্রান্ত লগ্নে
তোমার লাল স্বর্গের মেঘেরা
আজ শুকনো নীল...

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

তুহিন,
আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ। আপনার সাথে আমি দ্বিমত পোষণ করি। কিন্তু এইটুকু মতদ্বৈততা তো থাকতেই পারে, তাই না?

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

অতিথি লেখক এর ছবি

চ্রম হৈছে....
___________________________________
বর্ণ অনুচ্ছেদ

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

""সচলায়তন এর নীতিমালা

--------------------------------------------------------------------------------

প্রিয় সদস্য, অতিথি লেখক ও পাঠকবৃন্দ,

অনলাইন লেখক সমাবেশ সচলায়তনে নিম্নলিখিত নীতিগুলি অনুসৃত হবে।

১. সচলায়তন বেশ কিছু বিষয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, মুক্তিসংগ্রাম ও অসাম্প্রদায়িকতার মতো বিষয়গুলিকে আক্রমণ করে লেখা পোস্ট, মন্তব্য বা অন্যান্য উপাদান সচলায়তন থেকে মডারেটরবৃন্দ যে কোন সময় অপসারণ করতে পারেন।

২. সচলায়তনে প্রকাশিত লেখাগুলি ৭২ ঘন্টার জন্যে অনন্য থাকতে হবে, এবং অন্য কোন কমিউনিটি ব্লগে, মুদ্রিত মাধ্যমে বা মুদ্রিত মাধ্যমের অনলাইন সংস্করণে পূর্বপ্রকাশিত হতে পারবে না। বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিগত ব্লগে প্রকাশের ক্ষেত্রে এ নিয়মটি প্রযোজ্য নয়।

৩. সচলায়তনের সদস্য হিসেবে একে অপরের প্রতি দলবদ্ধ আক্রমণ, অশিষ্ট মন্তব্য প্রভৃতি থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন সদস্য আক্রান্ত বোধ করলে তাঁর করা অভিযোগের ভিত্তিতে মডারেটর সেই আক্রমণাত্মক পোস্ট, মন্তব্য বা উপাদান সরিয়ে দিতে পারেন।

৪. কপিরাইট লঙ্ঘন করে, এমন কোন উপাদান সচলায়তন ধারণ করতে সম্মত নয়। পোস্ট বা মন্তব্যে অন্যত্র প্রকাশিত উপাদান ব্যবহার করলে তার সূত্র উল্লেখ করা প্রয়োজন।

৫. মডারেটররা তাৎক্ষণিকভাবে কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে এই নীতিমালা প্রয়োগ করতে পারেন। এ জন্যে রেফারেন্স হিসেবে এই নীতিমালা দ্রষ্টব্য।

৬. নীতিমালা লঙ্ঘিত হলে মডারেটরদের পক্ষ থেকে সদস্যরা সে সম্পর্কে অবগত হবেন। বারংবার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে সদস্যের অধিকার সীমিত করা হতে পারে, ক্ষেত্রবিশেষে সদস্যাবস্থা বাতিল করা হতে পারে।

লেখকেরা যদিও স্বাধীন তথাপি, সচলায়তনে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোকে জোরালো ভাবে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে:

•ধর্মপ্রচার
•রাজনৈতিক দলের বা কোন নেতার পক্ষে প্রচার
•বিনানুমতিতে বিজ্ঞাপন প্রচার
•যুক্তি ও রেফারেন্স ব্যতীত আলোচনা বা অভিযোগ বা সমালোচনা
•যেকোন সময় ১ম পাতায় একাধিক পোস্ট দৃশ্যমান হওয়া (বেশী পোস্ট করলে সব পোস্টকে ১ম পাতায় দেখানো থেকে বিরত থাকুন)
•ইচ্ছাকৃতভাবে ফ্লাডিং করা
অশ্লীল লেখা পোস্ট করা (অশ্লীলতার সংজ্ঞা নিরূপণে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত)
•সাম্প্রদায়িক / বর্ণবাদী / লিঙ্গবাদী / অবমাননাকর লেখা ও মন্তব্য
•ব্যক্তিগত আক্রমণ
উস্কানিমূলক, বিদ্বেষ, কোন্দল বা হিংসাত্মক লেখা
•বিনানুমতিতে বা বিনারেফারেন্সে কারও লেখা বা কর্ম প্রকাশ করা
অমার্জিত ভঙ্গিতে যেকোন প্রকাশ যা বক্তব্যকে হালকা করে, লেখার মান ক্ষুণ্ণ করে
•নিক, ব্লগের প্রোফাইল ও ছবিতেও উপরোক্ত ধারাগুলো প্রযোজ্য হবে
•ইন্টারনেটে প্রকাশিত লেখার পুনর্প্রকাশ
•সচলায়তনকে প্রকাশিত লেখার আর্কাইভ হিসাবে ব্যবহারের চেষ্টা

সচলায়তন বাংলাদেশের অভ্যুদয়, এ দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য, আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ধর্মীয় সহনশীলতা ও সম্প্রীতি এবং অসাম্প্রদায়িক উদারচিন্তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সম্মানিত ব্লগার ও পাঠকদেরকে সচলায়তনের মূল উদ্দেশ্য ও অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে অসাধারণ সব লেখায় সচলায়তনের অঙ্গন পরিপূর্ণ করে তোলার আহবান জানাই।

আপনাদের সহযোগিতার জন্যে অশেষ ধন্যবাদ।

সচল থাকুন, সচল রাখুন।""



-----------------------------------------------------------------------------
আমি বিশ্বাস করি- আপনাদের হাতে বানানো এই জায়গাটার এই আইনগুলা আপনারাই নিজেদের হাতে লিখছিলেন। কোথায় কী লঙ্ঘন হইছে বা আদৌ হইছে কি না- সেইরকম কোনো সন্দেহ বা অভিযোগ বা আপত্তি- কিছুই না। খালি আপনাদের উদ্দেশ্যের সততায় বিশ্বাস রাখতে চাই ব'লেই এইটুকু খালি উল্লেখ ক'রে গ্যালাম। হয়তো আপনি উপরের ওই লাইনগুলো মুখস্থও ব'লে দিতে পারবেন। তবু, আয়না না হ'তে পারি, হাঁটু-সমান ছোট্ট একটা উটকো দেয়ালই না হয় হ'লাম নিজের নির্জ্ঞানতায়!
আর কোনো উদ্দেশ্য নাই, আর কিছু বলারও নাই, শুধু এইটুকুই বললাম। কেন, তাও বলার কিছু নাই। আমার চে' সব আপনিই ভালো বোঝেন, বুঝবেনও। হাসি

ভালো থাকেন।

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

কালো-মডু এর ছবি

এস এম মাহবুব মুর্শেদ, ভবিষ্যতে সচলায়তনে কোনো অসহিষ্ণু পরিবেশের সৃষ্টি হলে যদি তাতে এ ধরনের উস্কানিমূলক পোস্ট দিয়ে ইন্ধন যোগান, আপনার অ্যাকাউন্টটি ৭ দিনের জন্য মডারেশনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। বিস্তারিত জানতে হলে এখানে দেখুন।