তুই ফুটিবি সখী কবে!

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ২৫/০১/২০১৪ - ২:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিছুদিন আগে এক অগ্রজ জানালেন বাগান করার জন্য বেশ বড়সড় একটা জায়গা তিনি পেয়েছেন। সেখানে সব ধরনের দেশী গাছ লাগানোতে তাঁর আগ্রহ। সাথে তিনি এটাও চান যেন তাঁর বাগানে সারা বছরই কোন না কোন ফুল ফুটে থাকে। আমাকে অনুরোধ করলেন গাছের এমন একটা তালিকা তৈরি করে দিতে যাতে তাঁর ইচ্ছে পূরণ হয়। আমি সানন্দে তাঁকে তালিকাটা তৈরি করে দিলাম।

পরে মনে হলো, তালিকাটা বরং জনগণের পাতে তুলে দেই। এতে লাভ হবে এই যে, যদি কোন ভুল করে থাকি তাহলে পাঠকরা সেটা ধরিয়ে দিতে পারবেন। তাছাড়া পাঠকেরা এই তালিকায় আরো কিছু যোগও করতে পারবেন। গোড়াতে জিনিসটা একটা এক্সেল ফাইল হিসাবে ছিল। কিন্তু টেবিল বানিয়ে পোস্ট করার হেকমত আমার জানা নেই। টেবিল বানানোর যেসব কায়দা কানুন দেয়া আছে সেসব হেফ্‌জ করা আমার কর্ম নয়। যাকগে, কথা না বাড়িয়ে তালিকাটা বরং সরল বাংলা পদ্ধতিতেই তুলে দেই।

১. সারা বছর ফোটে এমন ফুলঃ

(ক) লতানোঃ অপরাজিতা, কাঁঠালীচাঁপা, কেশরাজ, নীল লতা, ভুঁই ওকরা, মর্নিংগ্লোরি, মুসেন্ডা

(খ) বীরুৎঃ নয়নতারা, পুনর্নভা, সন্ধ্যামালতী

(গ) গুল্মঃ কুন্দ, কুরুবক, করবী, গোলাপ, গন্ধরাজ, জবা, ঝাঁটি, ঝুমকো জবা, টগর, ধুতুরা, নীল ঘন্টা, বেলী, মেহেদী, মল্লিকা, মরিচা, রঙ্গন, লঙ্কাজবা, লুটকি, শিবজটা, হাস্নাহেনা, হাড়জোড়া

(ঘ) বৃক্ষঃ বটলব্রাশ

২. ফেব্রুয়ারী থেকে ফোটা শুরু হয় এমন ফুলঃ

(ক) লতানোঃ নীলমণিলতা, মাধুরীলতা, কুমারিকা

(খ) বীরুৎঃ কলাবতী

(গ) গুল্মঃ ক্যামেলিয়া, গোকুল

(ঘ) বৃক্ষঃ অশোক, কাঠবাদাম, পারিজাত, পারুল, পিয়াল, পলাশ, বকুল, মুচকুন্দ, শিমুল

৩. এপ্রিল থেকে ফোটা শুরু হয় এমন ফুলঃ

(ক) লতানোঃ গন্ধভাদালী, চামেলী, ঝুমকো, লবঙ্গলতা

(খ) বীরুৎঃ আপাং, দোপাটি, ভূঁইচাঁপা, লিলি, কালো বাসক

(গ) গুল্মঃ কাঁটা মেহেদী, ডালিম, দাঁতরাঙ্গা, সুরভী

(ঘ) বৃক্ষঃ উদয়পদ্ম, ক্যাসিয়া, কনকচাঁপা, কলকে, কৃষ্ণচূড়া, গাব, গামারী, গুলাল, ঘোড়া নীম, জারুল, তেলশুর, নীম, পাদাউক, পারিজাত, পেল্টোফোরাম, বরুণ, শিরীষ, সোনালু

৪. জুন থেকে ফোটা শুরু হয় এমন ফুলঃ

(ক) লতানোঃ উলটচণ্ডাল, কুঞ্জলতা, জুঁই, মাধবীলতা

(খ) বীরুৎঃ দোলনচাঁপা, দুপুরচণ্ডী, রজনীগন্ধা

(গ) গুল্মঃ আলকুশি, কেয়া, ঘেঁটু, নীলজবা, ফুরুস, রাধাচূড়া, লান্টানা, শারদমল্লিকা, শ্বেত অতসী, শ্বেত কাঞ্চন

(ঘ) বৃক্ষঃ কামিনী, কদম, চাঁপা, নাগেশ্বর, নাগলিঙ্গম

৫. অগাস্ট থেকে ফোটা শুরু হয় এমন ফুলঃ

(ক) লতানোঃ ঝুমকা

(খ) বীরুৎঃ মোরগ ফুল

(গ) গুল্মঃ ঘন্টাফুল, স্থলপদ্ম

(ঘ) বৃক্ষঃ শিউলি

৬. অক্টোবর থেকে ফোটা শুরু হয় এমন ফুলঃ

(ক) বীরুৎঃ অতসী

(খ) বৃক্ষঃ দেবকাঞ্চন, ছাতিম, হিজল

৭. ডিসেম্বর থেকে ফোটা শুরু হয় এমন ফুলঃ

(ক) লতানোঃ অনন্তলতা, বাগানবিলাস

(খ) বীরুৎঃ গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকা, সূর্যমুখী, অ্যাস্টার, কসমস, জিনিয়া, ডালিয়া, ডেইজী, পিটুনিয়া, পর্টুলেকা, ফ্লক্‌স, ভার্বেনা, লার্কস্পার, সুইট পি, সালভিয়া, হলিহক

(গ) গুল্মঃ বকফুল

(ঘ) বৃক্ষঃ কুরচি

পুনশ্চঃ এই পোস্টটা নিয়মিত আপডেট করার চেষ্টা করবো। যাতে যতদূর সম্ভব অধিক ফুলের নাম যোগ করা যায়। পাঠকরা যেসব নাম সাজেস্ট করবেন সেগুলোও চেক্‌ করে যোগ করা হবে।
সর্বশেষ শুদ্ধি ও সংযোজনঃ ০১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪


মন্তব্য

দময়ন্তী এর ছবি

এর সাথে একটা জুড়ে দিতে পারেন, লেমন গ্রাস। বাড়ীতে মশা হবে না পর্যাপ্ত লেমন গ্রাস থাকলে।

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

সেটা অবশ্যই যায়। তবে তালিকাটা শুধু ফুল দেয় এমন উদ্ভিদে সীমাবদ্ধ রেখেছি। বাড়িতে লেবুগন্ধী ঘাস থাকলে সেটা বোধকরি রান্নায়ও ব্যবহার করা যাবে।

আমার উপায় থাকলে আমি বাসায় মরিচ, টমেটো, বেগুন, পুদিনা, লেবু, ধনেপাতা, মিষ্টি কুমড়ো, শশা, বরবটি, ধুঁধুল, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, ডাঁটা এমনসব সবজী লাগাতাম।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

রোমেল চৌধুরী এর ছবি

নেবুগন্ধী ঘাসের প্রস্ফুটিত রূপ দেখে বেশ ভালোই লাগলো। লনে ব্যবহার করলে এটির বাড়-বাড়ন্তি কি নিয়ন্ত্রণযোগ্য? একটু জানাবেন। বাড়ির এপ্রোচ ওয়েতে বহুল ব্যবহৃত থুজার কি কোন দেশি প্রতিস্থাপক আছে?

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
নক্ষত্রের নিচে।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

লেবুগন্ধী ঘাস মোটামুটি নিয়ন্ত্রণঅযোগ্য জিনিস। লনে লাগালে খবর আছে। এক কালে সৈয়দপুর লোকোমোটিভ ওয়ার্কশপের ভেতরে বিপুল পরিমানে এই ঘাস ছিল। মাথাসমান উঁচু ঝাড়ও দেখেছি। এখন সেসব আছে কিনা জানি না। থাকার কথা না।

আপনার চাহিদা মেটানোর জন্য তিনটা গণ-এর গুল্ম বেশ কাজের ও মনোহর - Buxus, Duranta আর Ficus। তবে তিনটাকেই বেশ পরিচর্যায় রাখতে হয়। নয়তো বাগান জঙ্গলে পরিণত হবে। Buxus-এর সহজপ্রাপ্য প্রজাতি হচ্ছে বক্সউড। নাম বিদেশী হলেও এর দেশী প্রজাতি আছে। Duranta-এর মধ্যে নীলকাঁটা আসলেই দুর্দান্ত! Ficus-এর মধ্যে Ficus benjamina ভালো। এর ভালো বাংলা নাম নেই। সোনালী ডুমুর বলা যেতে পারে। তবে একে বাগ মানাতে যথেষ্ট এলেম লাগবে। সবচে সহজ কাজ হচ্ছে জহরবাজ, লান্টানা বা মধুজবা লাগানো।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

এক লহমা এর ছবি

চলুক চমৎকার পোস্ট, পান্ডবদা, বুকমার্ক করে রাখলাম। ৫ তারা।

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

ধন্যবাদ। একটু ভেবে আরো কয়েকটা নাম সাজেস্ট করুন।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

সাফিনাজ আরজু এর ছবি

চলুক চলুক
দারুন পোস্ট পাণ্ডবদা।
মাঝে মাঝে স্মৃতি হাতড়াতে হয় কখন কি ফুল ফুটে, এখন আর লাগবে না। হাসি
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

__________________________________
----আমার মুক্তি আলোয় আলোয় এই আকাশে---

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

একটু ভাবুন তো আর কী কী ফুল বাদ পড়লো!


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

আয়নামতি এর ছবি

গানটা তেমন পছন্দ না হলেও( যার কন্ঠে শোনা আমি নিশ্চিত তার কারণেই ঘটেছে ব্যাপারটা খাইছে যে জন্য এটা আর শুনিইনা )
আপনার পোস্টটা বেশ পছন্দ হলো। কারণ

মাঝে মাঝে স্মৃতি হাতড়াতে হয় কখন কি ফুল ফুটে, এখন আর লাগবে না।

হাসি

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

অগাস্ট গ্রুপে লতানো এবং অক্টোবর গ্রুপে লতানো ও গুল্ম সাব-গ্রুপে কারো নাম নেই। এগুলো খুঁজতে একটু সাহায্য করুন।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

আয়নামতি এর ছবি

এই লিংকে কিছু আছে মনে হয় একটু দৌড়ের উপরে আছি ভাইয়া। ফ্রী হলে যথাসাধ্য চেস্টা থাকবে অগাস্ট অক্টোবরের লিস্টকে সমৃদ্ধ করার।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

আপনার দেয়া লিঙ্ক কাজ করছে না। আপনার যখন সময় হবে তখন যোগ করবেন। আমিও চেষ্টা করছি।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

আয়নামতি এর ছবি

বললেই হলো কাজ করে না! আমি তো দিব্বি দেখতে পাচ্ছি। তবে কী এটা বাংলাদেশ বান্ধব না চিন্তিত
থাকগে যা! ও লিংকে আহামরি কিছু নেইও রে ভাইয়া। কিছু নাম যোগাড় করেছি দিচ্ছি নীচে দেখেন কাজে আসে কিনা। তবে কেন জানিনা বেশির ভাগ জায়গাতেই ফুল/গুল্ম/বীরুৎ এর ফোটার কাল/সময়টা উল্লেখ করা হয়নি। এটা খুব খ্রাপ খুব!

রিক্তা এর ছবি

কতফুলের নাম জানি না! এতো ফুলের নাম পড়ে একটা বাগানের স্বপ্ন যোগ করলাম স্বপ্নের ঝুড়িতে। একদিন আমিও......

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

নূন্যতম জায়গা থাকলে এখনই শুরু করে দিন। আর এটা একটু দেখুন।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

চলুক

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

ঈয়াসীন এর ছবি

চমৎকার। কখনও কোনো লেখায় দরকার পড়লে এটি থেকে রেফারেন্স নেয়া যাবে। সংগ্রহে রাখলাম। চলুক

------------------------------------------------------------------
মাভৈ, রাতের আঁধার গভীর যত ভোর ততই সন্নিকটে জেনো।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

ধন্যবাদ।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

আব্দুল্লাহ এ.এম. এর ছবি

পোষ্টটি বুকমার্ক করে রাখার মত, সুতরাং তারা দাগিয়ে তাই করা হলো। অনেকদিন থেকে একটি প্রশ্ন মনে ভেসে বেড়ায়, আপনার বা অন্য কারো নজরে এলে বাধিত হবো-
যে বৃক্ষটির ফুল বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারী মাসে ফোটে, তার চারা অন্য কোন দেশে(ধরা যাক অষ্ট্রেলিয়া) নিয়ে লাগিয়ে দিলে কি তাতে সেই ফেব্রুয়ারী মাসেই ফুল ফটবে?

রোমেল চৌধুরী এর ছবি

যে বৃক্ষটির ফুল বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারী মাসে ফোটে, তার চারা অন্য কোন দেশে(ধরা যাক অষ্ট্রেলিয়া) নিয়ে লাগিয়ে দিলে কি তাতে সেই ফেব্রুয়ারী মাসেই ফুল ফটবে?

দারুণ প্রশ্ন। উত্তর জানা নেই তাই দিচ্ছি না। তবে এ বিচারে না গিয়েও দেশি বৃক্ষলতাগুল্ম পৃথিবীর প্রান্তরে প্রান্তরে যতই ছড়িয়ে দেয়া যায় ততই ভালো বলে মনে হয়।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
নক্ষত্রের নিচে।

টিউলিপ এর ছবি

ইয়ে মানে দেশি বৃক্ষলতাগুল্ম বাছবিচার না করে পৃথিবীর প্রান্তরে প্রান্তরে ছড়িয়ে দেওয়া কোন ভালো কাজ না বলেই জানি। তাতে ইকোসিস্টেমের বারোটা বেজে যাওয়ার চান্স থাকে।

___________________

রাতের বাসা হয় নি বাঁধা দিনের কাজে ত্রুটি
বিনা কাজের সেবার মাঝে পাই নে আমি ছুটি

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

একদম ঠিক! প্রকৃতি যাকে যেখানে ফিট করেছে তাকে সেখানেই টিকে থাকতে আর বাড়তে দেয়া হোক। এর অন্যথা হলে ইকোসিস্টেমের আসলেই বারোটা বাজবে।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

অন্য জায়গা বলতে কী বোঝাচ্ছেন সেটা আগে ঠিক করুন। আমার দেয়া ক্যালেন্ডারটা বাংলাদেশের (উত্তর গোলার্ধ) হিসেব অনুযায়ী। যদি গোলার্ধ পালটে ফেলেন তাহলে আমার দেয়া সময়ের সাথে ছয় মাস যোগ করতে হবে। আবার বাংলাদেশ থেকে উত্তর দিকে যেতে থাকলে সময় কিছুটা এগিয়ে আসবে। তবে স্থানের উচ্চতা, মৌসুমের গড় তাপমাত্রা, মৌসুমের গড় আর্দ্রতা, মাটির প্রকৃতি, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এগুলোও খুব গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। তাই অন্য জায়গাটা ঠিক ঠিক না জানলে বলা সম্ভব না।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

মনি শামিম এর ছবি

গাছ কিংবা ফুল নিয়ে কেন জানি ছোটবেলা থেকেই আমার তেমন কোন আগ্রহ গড়ে ওঠেনি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে অনেক বান্ধবীদের দেখতাম কত কত ফুলের নাম, গাছের নাম অবলীলায় বলে দিতে। আমার তখন মুখ চোরা অবস্থা! কয়েক বছর হল এই নিয়ে আগ্রহ অনেক বেড়েছে। এখন কোন একটা গাছ কিংবা ফুলের নাম শুনলে জানতে ইচ্ছে করে, ঘ্রাণ নিতে ইচ্ছে করে। নেট সহজলভ্য হওয়াতে এই সম্পর্কে জানাটা আরেকটু সহজ হয়েছে আমার জন্য।

আপনার এই ফুলের নামগুলির সাথে ছবি যুক্ত করলে মনে হয় ভাল হত, যদিও সেটি বোধ করি সহজ কাজ নয় কিংবা আপনি তা করতেও চান নি এই পোস্টে। ফুল সংক্রান্ত আপনার এই পোস্ট টি মন ছুঁয়ে গেল। আসলেই তো, কোন ফুল কখন কলি ফুটে বের হয়? এতো জানা ছিলনা! আপনি এই আগ্রহ তৈরি করলেন, এই জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ।

এমনিতেই সচলে আপনার অনেক মন্তব্য মনোযোগ সহকারে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়া হয়। শুধু পড়া হয় বলছি কেন, বলা উচিৎ অপেক্ষা করি। মন্তব্য ছাড়াও আপনার অন্যান্য লেখাগুলিও পড়ি। কখনও মন্তব্য করিনি। আপনাকে শুধু জানাতে চাই, আমি আপনার লেখার একজন মুগ্ধ পাঠক। আশা রাখি আপনি যত্ন নিয়ে যে পোস্ট দেন কিংবা মন্তব্য করেন তাতে কখনই ভাটার টান আসবেনা।

ধন্যবাদ পুনরায়। ভাল থাকুন।

রোমেল চৌধুরী এর ছবি

উনি তো শুধু 'পাণ্ডব' নন উনি হলেন 'পন্ডিত পাণ্ডব' হাসি

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
নক্ষত্রের নিচে।

রোমেল চৌধুরী এর ছবি

তোমার এ সঞ্চয় দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে গেলেও বিফলে যাবে না পাণ্ডব। কৃতজ্ঞতা।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
নক্ষত্রের নিচে।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

আমি তো আপনার মতো ফটুরে না যে ফুলের ছবি যোগ করবো। বস্তুত এই পোস্টটা দেবার কোন ইচ্ছে প্রথমে ছিল না। কেন ছিল না সেই দুঃখের কথা এই পোস্টের মন্তব্যে আর মন্তব্যসহ এই পোস্ট পড়লে কিছুটা বুঝতে পারবেন।

আমি সম্ভবত আপনার সব পোস্ট পড়েছি। নিয়মিত হয়তো মন্তব্য করিনি। আপনার ছবি আমার ভালো লাগে।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

গান্ধর্বী এর ছবি

চমৎকার পোস্ট পাণ্ডবদা।=DX

ঘণ্টা ফুল কি এলামন্ডা?
কুরচি ফুলটা দেখার খুব ইচ্ছে মন খারাপ
আচ্ছা কাঁঠালিচাঁপা ফুলটা যোগ করা যায় কি?

------------------------------------------

'আমি এখন উদয় এবং অস্তের মাঝামাঝি এক দিগন্তে।
হাতে রুপোলী ডট পেন
বুকে লেবুপাতার বাগান।' (পূর্ণেন্দু পত্রী)

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

ঠিক, ঘন্টাফুল হচ্ছে Allamanda violacea। কুরচিকে খুঁজুন Holarrhena pubescens নামে। কাঁঠালীচাঁপা তো লিস্টে আছে। ১(ক)-তে দেখুন।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

পারিজাত নামটা মনে পড়ল রবিবুড়ার গান শুনতে গিয়ে... বিস্তারিত তথ্য দিতে পারছি না... লিস্টেও দেখলাম না, যোগ করা যায় কি?

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ আমার খুব প্রিয় এই ফুলটার নাম মনে করিয়ে দেবার জন্য। এটা ৩(ঘ)-তে যাবে। পরে যোগ করে দিচ্ছি। বাংলাদেশের বেশিরভাগ জায়গায় এটা মান্দার/মাঁদার গাছ নামে পরিচিত। ঢাকার বাসিন্দারা কমপক্ষে দুটো জায়গায় এই অসাধারণ ফুলটা দেখতে পাবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল আর বঙ্গবাজারের মধ্যবর্তী সড়কদ্বীপ গুলোতে এবং মতিঝিল এজিবি কলোনীর পাশে পোস্ট অফিস হাইস্কুল ও তৎসংলগ্ন রাস্তার পাশে।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

হাসি

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

অতিথি লেখক এর ছবি

চলুক

মাসুদ সজীব

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

স্যাম এর ছবি

এই লেখাটা প্রিন্ট করে আমার দুইজনকে দিতে হয়েছে, পান্ডবদার কল্লা চাই দেঁতো হাসি

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

প্রিন্ট যখন করছেন তখন এটাও একটু দেখুন। আর কল্লার ব্যাপারে আমার বক্তব্য হচ্ছে, যা বয়স হয়েছে তাতে নাতি-নাতনীর মুখ না দেখে মরাটা কি ভালো দেখায়?


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

অতিথি লেখক এর ছবি

চলুক
অভিমন্যু .
________________________
সেই চক্রবুহ্যে আজও বন্দী হয়ে আছি

আয়নামতি এর ছবি

সারা বছর ফোটে আরো কিছু ফুল/গুল্ম/বীরুতের নাম:

ফুল: সর্বজয়া, বৈজ্ঞানিক নাম: canna indica, নাগবল্লী, বৈজ্ঞানিক নাম: Mussaenda lutea
গুল্ম: নীলমনিলতা বৈজ্ঞানিক নাম: petrea volubilis, মরিচাফুল, ইংরেজি নাম: Blood flower, Mexcican butterfly
বৈজ্ঞানিক নাম: Asclepias curassavica, মাধুরীলতা, বৈজ্ঞানিক নাম: Quisqalis indica, নীলাম্বরী , বৈজ্ঞানিক নাম:
Delphinium dasycaulm, নীলাতা, বৈজ্ঞানিক নাম: Thunbergia grandifloral মার্চ-ডিসেম্বর পর্যন্ত ফোটে।( মোটামুটি গোটা বছরই বলা যায় নাকি?)

বীরুৎ: পূর্ণনবা/পূর্ণনভা, বৈজ্ঞানিক নাম: Boerhavia erecta, জারবেরা, বৈজ্ঞানিক নাম: ? ভুই ওকড়া , বৈজ্ঞানিক নাম:
Phylanodi flora

একটু ক্রসচেক করে নিবেন প্লিজ!
ক্রমশঃ হাসি

আয়নামতি এর ছবি

বর্ষা আর শরৎ এদুটো বাংলা ঋতুতেই অগাষ্ট পড়ে। সেভাবে ধরে যদি লিস্ট করা যায় তবে মনে হয় বেশ কিছু ফুল লতা গুল্মের নাম পাওয়া যাবে। সচলে রনিভাই একটা পোস্ট দেন ধারাবাহিক তিনিও এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারেন বলে আশা রাখি।
আগের লিংকটা তো কাজ করলো না এটা দেখেন ভাইয়া। কত যে নাম আছে এখানে! তবে ঐ যে বললাম আগেই সময়কালটা স্পষ্ট করে বলা নেই। তাছাড়াও যদি সম্ভব হয় তো ডঃ এম এ তাহের এর 'বাংলাদেশের ফুল' 'বাংলাদেশের বনফুল' বই দুটো দেখতে পারেন। এবারে চলেন দেখি অগাস্ট আর অক্টোবরের গুল্ম বীরৎ কী পাওয়া গেলু সেদিকে চোখ দেই দেঁতো হাসি

অগাষ্ট(মধ্য জুন থেকে মধ্য অগাস্ট = বর্ষাকাল; মধ্য অগাস্ট থেকে মধ্য অক্টোবর= শরৎকাল)
ফুল: দোলনচাঁপা, বৈজ্ঞানিক নাম:Hedychium coronarium , ইউপিরিয়া, কদম, টগর, লিলি, দোপাটি, কাঁঠালিচাঁপা, কামিনী

গুল্ম: কেয়া, বৈজ্ঞানিক নাম: Pandanus odoratissimus এর সংস্কৃত নাম কেতকী.
ফুরুস, বৈজ্ঞানিক নাম: Longerstroemia indica,
চামেলি, বৈজ্ঞানিক নাম: Jasminum grandiflorum চামেলি মূলত হিন্দি নাম যা আমাদের দেশে বেশি জনপ্রিয় কেননা খুব কম মানুষই এর বাংলা 'জাঁতি' নামটি জানেন। ইংরেজি নাম জেসমিন।
জুঁই/যুথি, বৈজ্ঞানিক নাম: Jasminum officinale,

বীরুৎ: হাড়জোড়া, বৈজ্ঞানিক নাম: Cissus quadrangularis,
সুইটওর্য়ামউড বা আরটিমিমিয়া এ্যানুয়া, নামেই বোঝা যাচ্ছে এটা বেশ সুগন্ধী বীরুৎ.
ঝুমকা(ঝুমকো নামের আরেকটি ফুলের সাথে প্রায় ঘুলিয়ে যায়) বৈজ্ঞানিক নাম: ?

--------
চলবে...

আয়নামতি এর ছবি

মন খারাপ কত কী টাইপ করলাম মনের ভুলে উপরের একটা বিষয় সংশোধন করতে গিয়ে হারিয়ে গেল ওঁয়া ওঁয়া
যাক কান্নাকাটিহল্লাহাটি বাদ। কাজের কথায় আসি দেঁতো হাসি
শরৎ হেমন্ত এদুই ঋতু জুড়েই অক্টোবর।
ফুল: বকুল; বৈজ্ঞানিক নাম: Mimusops elengi , বুঁনো বেলি, বেলি; বৈজ্ঞানিক নাম: Jasminum sambac
টগর, বটলব্রাশ(এটি আপনার বর্ষব্যাপী লিস্টে আছে ডাবলচেক করে নিবেন প্লিজ!)
ছাতিম; বৈজ্ঞানিক নাম: Alstonia scholaris, শিউলি যা পারিজাত নামেও পরিচিত(এটি আপনার লিস্টের ফেব্রুয়ারিতে আছে, কাজেই ক্রসচেক করবেন প্লিজ!) জারুল;বৈজ্ঞানিক নাম: Lagerstroemia speciosa)

গুল্ম: বকফুল; বৈজ্ঞানিক নাম: (Sesbania grandiflora), শারদমল্লিকা, বৈজ্ঞানিক নাম: ?
স্হলপদ্ম, দুপুরমণি, এছাড়াও বন্ধুক, কটলতা বন্ধুলী, দুপুরচণ্ডি ইত্যাদি নামে পরিচিত। এটি Sterculiaceae পরিবারভূক্ত গুল্ম। লালপদ্ম, আলকুশি; বৈজ্ঞানিক নাম: Mucuna pruriens , শ্বেতকাঞ্চন বা সাদা কাঞ্চন; বৈজ্ঞানিক নাম: Magnoli opsida

বীরৎ: সাদানটে, উলুখড়ের সাদা ফুল, হাড়জোড়া; বৈজ্ঞানিক নাম: Cissus quadrangularis, প্রস্ফুটনকাল: সেপ্টেম্বর-নভেম্বর

-------------------
কিছু অপ্রচলিত ফুল:
উলটচণ্ডাল বা অগ্নিশিখা; বৈজ্ঞানিক নাম: Gloriosa superba অন্যনাম গ্লোরিলিলিও(লতানো গুল্ম)

অঞ্জন;বৈজ্ঞানিক নাম: Memecylon unbellatum(বছরে দুবার ফোটে। বসন্তের শেষে এবং গ্রীষ্মের শুরুর ফুল এটি)

স্বর্ণচামেলি(গুল্ম) এপ্রিল-জুনের ফুল, নাগবল্লী(গুল্ম) ইংরেজিনাম: Dwarf mussaenda White wing, লাল/সাদা/হলুদ এই রঙের হয় এই ফুল।

আর্টিলারি ফুল; বৈজ্ঞানিক নাম?

দাঁতরাঙ্গা; বৈজ্ঞানিক নাম: Melastoma malabathricum(গুল্ম)

পলকজুঁই; বৈজ্ঞানিক নাম: lxora undulata(গুল্ম) বসন্তের শেষ এবং গ্রীষ্মের শুরুর ফুল।

দাদমর্দন;বৈজ্ঞানিক নাম? সেপ্টেম্বর-জানুয়ারির গুল্ম জাতীয় ফুল

আপাং বীরুৎ জাতীয়

কেশিয়া নডোজা(এর বাংলা নাম নেই মন খারাপ ) বসন্তের শেষভাগ থেকে মঞ্জুরী দেখা দেয় বর্ষার মাঝামাঝি পর্যন্ত ফুল থাকে।

মেক্সিকান চিংড়ি ; বৈজ্ঞানিক নাম: Justicia brandegeeana, প্রচলিত বাংলা নাম নেই। ইংরেজি নাম; Maxican shrimp or shrimp plant. এটি বর্ষা ও হেমন্ত পর্যন্ত ফুটে ।

আপাতত এটুকুই। কাজে লাগলেই হয়। আপনি ক্রসচেক করতে ভুলবেন না যেন ভাইয়া। শুভকামনা হাসি

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

আয়নামতি, অনুরোধ অনেককেই করি, কিন্তু অনুরোধ রক্ষা করেন খুব কম জন। আমার অনুরোধ রক্ষার্থে যা কিছু করেছেন তার জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

১. সর্বজয়া = এর আরেক নাম কলাবতী ২ (খ)-তে আছে।
২. নাগবল্লী = এর আরেক নাম মুসেন্ডা ১ (ক)-তে আছে।
৩. নীলমনিলতা = এই নামটা বুড়ার দেয়া। আসলে এটা প্যাট্রিয়া নামেই পরিচিত। দেশী ফুল নয়।
৪. মরিচাফুল = এই নামটা কোথায় পেলেন? কারণ, Asclepias curassavica বাংলার ফুল নয়। ভারতের অন্যত্র ফোটে। হিন্দী নাম কাকাটুন্ডী।
৫. মাধুরীলতা = ২ (ক)-তে আছে। আরেক নাম মধুমঞ্জুরী
৬. নীলাম্বরী = দক্ষিণ-পশ্চিম ভারতের ফুল। বাংলার ফুল নয়। নীলাম্বরী নামটাও হিন্দী থেকে নেয়া।
৭. নীলাতা = নীলাতা নয়, নামটা হবে নীল লতা। লতানো উদ্ভিদ, সারা বছর ফোটে। ১ (ক)-তে যাবে।
৮. পূর্ণনবা/পূর্ণনভা = নামটা পুনর্নভা হবে। ১ (খ)-তে যাবে।
৯. জারবেরা = এটার পপুলার নাম হচ্ছে ডেইজী। আসলে এই দেশী না। ৭ (খ)-তে যাবে।
১০. ভুই ওকড়া = এই নামটা কোথায় পেলেন? বৈজ্ঞানিক নামটা Phyla Nodiflora হবে। দক্ষিণ ভারতীয় ফুল। হিন্দী নাম জল পপ্লী।
১১. দোলনচাঁপা = ৪ (খ)-তে আছে।
১২. ইউপিরিয়া = চিনতে পারলাম না। অন্য নাম/ইংলিশ নাম/বৈজ্ঞানিক নাম জানা থাকলে জানান।
১৩. কদম = ৪ (ঘ)-তে আছে।
১৪. টগর = ১ (গ)-তে আছে।
১৫. লিলি = ৩ (খ)-তে আছে।
১৬. দোপাটি = ৩ (খ)-তে আছে।
১৭. কাঁঠালিচাঁপা = ১ (ক)-তে আছে।
১৮. কামিনী = ৪ (ঘ)-তে আছে।
১৯. কেয়া = ৪ (গ)-তে আছে।
২০. ফুরুস = ৪ (গ)-তে আছে।
২১. চামেলি = ১ (গ)-তে আছে, ঝাঁটি নামে।
২২. জুঁই/যুথি = ৪ (ক)-তে আছে।
২৩. হাড়জোড়া = ১ (গ)-তে যাবে।
২৪. সুইটওর্য়ামউড = দক্ষিণ ভারতীয় ফুল। হিন্দী নাম বিলাইতী অফসান্তিন।
২৫.ঝুমকা = এটা কি Passiflora miniata Vanderplank? তাহলে ১ (ক)-তে যাবে।
২৬. বকুল = ২ (ঘ)-তে আছে।
২৭. বুঁনো বেলি = বৈজ্ঞানিক নাম লাগবে।
২৮. বেলি = ১ (গ)-তে আছে।
২৯. বটলব্রাশ = এটা সারা বছর ফোটে।
৩০. ছাতিম = ৬ (খ)-তে আছে।
৩১. শিউলি = শিউলি পারিজাত নয়। পারিজাত হচ্ছে মান্দার।
৩২. জারুল = ৩ (ঘ)-তে আছে।
৩৩. বকফুল = ৭ (গ)-তে আছে।
৩৪. শারদমল্লিকা = ৪ (গ)-তে যাবে।
৩৫. স্হলপদ্ম = ৫ (খ)-তে আছে।
৩৬. দুপুরমণি = ৪ (খ)-তে আছে, দুপুরচণ্ডী নামে।
৩৭. লালপদ্ম = জলজ ফুল এই পোস্টে রাখিনি।
৩৮. আলকুশি = ৪ (গ)-তে যাবে। এর পাতা-ফল গায়ে লাগলে খবর আছে। চুলকাতে চুলকাতে গায়ের চামড়া উঠে যাবে।
৩৯. শ্বেতকাঞ্চন = ৪ (গ) আর ৬ (খ)-তে কাঞ্চন নামে পোস্টিং দেয়া আছে। এটা সংশোধন করতে হবে।
৪০. সাদানটে = চিনতে পারলাম না। বৈজ্ঞানিক নাম লাগবে।
৪১. উলটচণ্ডাল = ৪ (ক)-তে আছে।
৪২. অঞ্জন = দক্ষিণ ভারতীয় ফুল। অঞ্জন নামটা হিন্দী থেকে নেয়া।
৪৩. স্বর্ণচামেলি = চিনতে পারলাম না। বৈজ্ঞানিক নাম লাগবে।
৪৪. আর্টিলারি ফুল = চিনতে পারলাম না। বৈজ্ঞানিক নাম লাগবে।
৪৫. দাঁতরাঙ্গা = আরেক নাম ফুটকলা/ফুটকী। বিষাক্ত গুল্ম। ফুল ফোটার সময়ের ব্যাপারে নিশ্চিত না।
৪৬. পলকজুঁই = এর আরেক নাম রঙ্গন। ১ (গ)-তে আছে।
৪৭. দাদমর্দন = বৈজ্ঞানিক নাম Senna alata। অক্টোবরের গুল্ম-তে যাবে।
৪৮। আপাং = বীরুৎ। ফুল ফোটার সময়ের ব্যাপারে নিশ্চিত না।
৪৯. কেশিয়া নডোজা = ৩ (ঘ)-তে আছে।
৫০. মেক্সিকান চিংড়ি = একেবারে বিদেশী ফুল।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

আয়নামতি এর ছবি

দেঁতো হাসি
যে লিংকটা দিয়েছি উপরে(প্রথম দেয়াটা না) ওটাতে প্রচুর ফুল/গুল্ম/বীরুৎ এর নাম আছে।
ওখান থেকে কিছু আর গুগলমামা হাত ধরে যেসব লিংকে নিয়ে গেছেন সেসব লিংক থেকেই নামগুলো পাওয়া ভাইয়া।
চাইলে সব লিংক জড়ো করা যায় তবে একটু সময় দিতে হবে। বলবেন প্লিজ সূত্র চাই কিনা।

আপাং : বীরুৎ প্রজাতির। এটিকে বর্ষজীবি বা বহুবর্ষজীবির শ্রেণীতে ফেলা হয়েছে। বৈজ্ঞানিক নাম: Achyranthes aspera

আর্টিলারি: এটি নাকি সবচে' ছোটফুলের বীরুৎ জাতীয় গাছ। ইংরেজি নাম: Pilea cadieri; Urticaceae পরিবারভূক্ত

মেক্সিকান চিংড়ি: এটিবিদেশি ফুল হলেও দেশে এর চাষ হচ্ছে
বর্তমানে(লিংক দেখুন)

ঝুমকা: বৈজ্ঞানিক নাম:Passiflora coccinea

মরিচা ফুল: এখানে দেখুন এবংএটাও

বুঁনো বেলির ইংরেজি নাম পেলাম না মন খারাপ এটা কোন একটা লেখায় পাওয়া। খুঁজে পেলে জানানো যাবে।

মন মাঝি এর ছবি

একটু অঃটঃ একটা প্রশ্ন করি। 'হাতির কান পাতাবাহার' নামে কারও কারও কাছে পরিচিত একটা পাতাবাহার গাছ আছে। এটার বাংলা ও ইংরেজি স্ট্যান্ডার্ড নাম কি কেউ জানেন? বৈজ্ঞানিক নামের কথা জানতে চাইছি না কিন্তু।

****************************************

আয়নামতি এর ছবি

[url=http://en.wikipedia.org/wiki/Croton_(plant)]এটা[/url]
আরএটা দেখতে পারেন মাঝিভাই। থাকলেও থাকতে পারেন আপনার হাতিরকান।

মন মাঝি এর ছবি

ধন্যবাদ আয়নামতি। আপনার দেয়া লিঙ্ক এবং সেখানে পাওয়া লীড ধরে গুগ্‌লাতে গিয়ে আমার একটা ভুল ধারণা দূর হয়ে গেল। আমি যে পাতাবাহারটা সম্পর্কে তথ্য জানতে চাইছিলাম সেটা আপনার দেয়া লিঙ্কে আছে বটে, তবে সেটা আসলে "হাতির কান" না। আমার পছন্দের পাতাবাহারটা আমি প্রথম দেখি আসাদ গেটের কাছে একটা সরকারি নার্সারিতে। 'হাতির কান' নামটা ওখানকারই এক কর্মী বলেছিল। ভুল বলেছিল। যদ্দুর মনে পড়ে অন্তত ৬-৭ ইঞ্চি লম্বা ও খুব চওড়া বিশাল আকারের পাতা এর - প্রায় পুরোটাই উজ্জ্বল হলুদ রঙের। ঐ নার্সারিতে প্রায় ক্রিসমাস-ট্রির আকারে ছেঁটে রাখা এর গাছটা দেখে মুগ্ধ না হয়ে উপায় ছিল না। ভাবছি আমার বাসায় লাগাবো। তবে এর আসল নাম মনে হয় "Yellow Petra Croton" (আপনার লিঙ্কানুযায়ী Codiaeum variegatum গোত্রের), হাতির-কান না। এই যে - এখানে একটা ছবি পেলাম এর। সময় গেলে মনে হয় এগুলি আরও হলুদ হয়, সবুজাভটা চলে যায় অনেকখানি। আর হ্যাঁ, আসল 'হাতির কান'ও আবিষ্কার করলাম এখানে। তবে এটা অন্য জাতের জিনিষ।

****************************************

আয়নামতি এর ছবি

যাক কোনভাবেই হাতির কানের সন্ধান তো মিললো! গাছের পাতাগুলো রঙ পালটাতে পালটাতে হলুদ হয়ে যায় একেবারে না? দারুণ ব্যাপার হয় কিন্তু যদি এদের রঙ বদলের ধাপগুলো পর্যবেক্ষনে রাখতে পারা যায়।
আমাদের বাড়ির সামনে একটা গাছ আছে ওটার পাতা ঝড়া থেকে খুব চোখে চোখে রাখি কখন নতুন পাতা আসে তাতে। কিন্তু একটা পর্যায়ে গিয়ে কাজের ভীড়ে ভুলেই যাই ওর দিকে চোখ রাখতে যেকারণে ফেল্টু খাই বার বার।
হেহেহে দ্বিতীয় লিংকে তো আমারদের দেশের বিভিন্ন কচুরও ফটুক আছে বেশ কিছু। ইহা দেখরে আমার আপুর কচু চাষের উৎসাহ আরো বেড়ে যাবে দেঁতো হাসি টবেই লাগানো হয় কচুগাছ। আপনি চাইলে পারেন লাগাতে। কচুমুখি কিনতে পাওয়া যায় না? ওখান থেকেই খান দুয়েক নিয়ে টবে গুঁজে দিবেন। ব্যস নিয়ম করে এট্টু পানি দিলেই তরতরিয়ে
বাড়ে। ধন্যবাদ মাঝিভাই হাতির কানের সাথে পরিচিত করবার জন্য।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

Codiaeum variegatum-এর বাংলা নাম নেই। নার্সারীগুলোতে পাতাবাহার বলে চালায়। আপাতত কর্টন বলতে পারেন।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

আয়নামতি এর ছবি

ভুই ওকরা কে এখানে পেয়েছি।

ঠিক বলেছেন আপনিনীলাম্বরী বাংলার ফুল নয় কিন্তু দেশের কোথাও কোথাও এটা হয় তাই দেয়া।

পারিজাতের প্যাঁচটা লেগেছে এখান থেকে।

পলকজুঁই কে কিন্তু রঙ্গন বলা হচ্ছে না উইকিতে

সাদানটে কে পেয়েছি একটা লেখায় এটা খুব সম্ভবত শাক জাতীয় উদ্ভিদ। অবশ্য আমি নিশ্চিত নই।

হাসি আপাতত এটুকুই

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

আয়নামতি, সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ অব্যাহত থাকলো।

১. আপাং = ৩ (খ)-তে যাবে।
২. আর্টিলারী = এটা সারা বছর ফুল দেয়। এর বাংলা নাম নেই, কারণ এটা কোনভাবেই এদেশী উদ্ভিদ নয়। এর বাংলা নামকরণ করা হলে, নাম হওয়া উচিত অ্যালুমিনিয়াম পাতা বা তরমুজ পাতা।
৩. মেক্সিকান চিংড়ি = ক্ষমা করবেন। এটাকে কোনভাবেই লিস্টে ঢোকাতে রাজী নই। এটা ১০০% বিদেশী উদ্ভিদ।
৪. ঝুমকা = ৫-এর লতানোতে যাবে।
৫. মরিচা = ১ (গ)-তে যাবে।
৬. বুনো বেলি = বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার অপেক্ষায় থাকলাম।
৭. ভুই ওকরা = একে চিনতে পেরেছি। এক কালে অনেক দেখেছিও। লতানো। সারা বছর ফুল ফোটে। ১ (ক)-তে যাবে।
৮. নীলাম্বরী = হিসেব থেকে বাদ দিলাম।
৯. পারিজাত = বুড়া বলুক আর যে-ই বলুক মান্দারই পারিজাত।
১০. পলকজুঁই = বুঝলাম পলকজুঁই রঙ্গন নয়। কিন্তু দেখুন উইকিও বলছে এটা পশ্চিম ভারতীয়। সুতরাং বাদ দেয়া যায়। এপ্রিলে ফুল দেয়া এই গুল্মটার বাংলা নামটা বানানো বলে মনে হচ্ছে।
১১. সাদানটে = আমার জানামতে নটে দুই প্রকার। নটেশাক (আম ক্ষুদুইরা) আর কাঁটানটে (ক্ষুদুইরা)। এই দুই ভ্যারাইটির কোনটার ফুলই উল্লেখ যোগ্য নয়।
১২. কাঞ্চন = কাঞ্চন দুই প্রকার। শ্বেতকাঞ্চন – ৪ (গ)-তে যাবে। দেবকাঞ্চন – ৬ (খ)-তে যাবে।
১৩. ইউপিরিয়া = এর সম্পর্কে কোন তথ্যই পেলাম না। আগে নামও শুনিনি। অন্য নাম/ইংলিশ নাম/বৈজ্ঞানিক নাম জানা থাকলে জানান।
১৪. সুইটওর্য়ামউড = দক্ষিণ ভারতীয় ফুল। তাই বাদ দিচ্ছি।
১৫. অঞ্জন = দক্ষিণ ভারতীয় ফুল। তাই বাদ দিচ্ছি।
১৬. স্বর্ণচামেলি = এপ্রিলে ফুল ফোটা এই লতাটি হিমালয়ান এলাকার। বাংলার নয়। তাই বাদ দিচ্ছি।
১৭. দাঁতরাঙ্গা = ৩ (গ)-তে যাবে।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।