Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

আন্তর্জাতিক

মেক্সিকো (১৯৬৮) অলিম্পিক এর সেই স্যালুট

অরফিয়াস এর ছবি
লিখেছেন অরফিয়াস (তারিখ: রবি, ২৯/০৭/২০১২ - ১:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

blackpower460
[ছবি কৃতজ্ঞতা হাল্টন সংগ্রহশালা]


নাগলার বোরকা, এঞ্জেলার বোলেরো

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১১/০৭/২০১২ - ৪:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বসন্ত বাতাসে পুরো মিশর এখন উত্তাল। গণতন্ত্রের মাতাল সমীরণ বহমান দেশটির সর্বত্র। মিশরবাসীর চোখ চিকচিক করছে নতুন স্বপ্নে। নতুন আশার ঝলক তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে সবাইকে! এসবের মাঝে হঠাৎ করেই একটি অন্যরকম বিতর্ক শুরু হয়েছে দেশটিতে, যা অনেককেই কৌতূহলী করে তুলেছে! মিশরের নতুন ফার্স্ট লেডি পঞ্চাশোর্ধ নাগলা মাহমুদ আলি এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন!


ইউরোর চাবিকাঠি জার্মানীর হাতে

দিগন্ত এর ছবি
লিখেছেন দিগন্ত (তারিখ: রবি, ২৪/০৬/২০১২ - ৭:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইংল্যান্ডের উত্তরের গ্রামগুলোতে গবাদি পশু চরে বেড়ানোর জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকত - যা ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত - অর্থাৎ কমন প্রপার্টি। নিজের স্বার্থের কথা ভেবে সব মালিকই চাইত আরও বেশী করে গবাদি পশু চারণ করে বেশী লাভের টাকা ঘরে তুলতে, স্বভাবতই নিজেদের জমি ব্যবহার না করে ওই কমন-প্রপার্টিই ব্যবহৃত হত চারণের জন্য। কিন্তু একসময় দেখা দিল বিপর্যয়, ঘাস গজানোর তুলনায় গবাদি পশুর খেয়ে ফেলার হার বেড়ে গেল, ফলে গবাদি পশুর খাওয়ার জায়গা ফুরোলো। এই থট-এক্সারসাইজ থেকেই একটা সুন্দর তত্ত্বের উদ্ভব। ট্র্যাজেডি অব কমনস শেক্সপিয়ারের লেখা আরেকটি উপন্যাস নয়, বরং একটি তত্ত্ব যার প্রভাব বর্তমান পৃথিবীতে হরহামেশাই চোখে পড়ে।


রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রসঙ্গে বাংলাদেশের অবস্থান

অরফিয়াস এর ছবি
লিখেছেন অরফিয়াস (তারিখ: শুক্র, ১৫/০৬/২০১২ - ১:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিছুদিন যাবৎ বেশ জোরেসোরে আলোচনা চলছে মায়ানমারে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিয়ে। এতে পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মানুষ নানা দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তাদের এবং তাদের সরকারের অবস্থানকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে চলেছেন। কিন্তু ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ থেকে যা ধারণা পেলাম তা হলো, অধিকাংশ ব্যক্তিই কোননা কোনোভাবে কিছু কিছু বাস্তব প্রেক্ষাপট এবং কারণ অগ্রাহ্য করে নিয়েই, নিজেদের অবস্থানে তর্ক করে চলেছেন। এতে কর


আমাদের পীর-আওলিয়াগণ!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৩/০৬/২০১২ - ৩:৫৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের পীরগণ

"যাহার কোনো পীর নাই তাহার পীর শয়তান"।


মুক্তিকামী প্রজ্জ্বলিত প্রাণ

অরফিয়াস এর ছবি
লিখেছেন অরফিয়াস (তারিখ: সোম, ১১/০৬/২০১২ - ১০:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মুক্তির মশাল জ্বালিয়ে দিয়ে গেছে ২৬ বছর বয়সী এক বিক্ষুব্ধ তিব্বতী তরুণ, জামপা ইয়েশি। (ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে, যন্তর-মন্তর এলাকায়) স্বাধীন তিব্বতের দাবিতে আগুনে আত্মাহুতি দিয়েছে সে| অগুনিত আত্মত্যাগের ভিড়ে আরেক ধাপ এগিয়ে গেছে সে, বেঁচে থাকা অসংখ্য মা


স্বেচ্ছায় কেউ নিজের জন্মভূমি ছেড়ে যায় না।

পুতুল এর ছবি
লিখেছেন পুতুল (তারিখ: শনি, ০৯/০৬/২০১২ - ১:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“মানুষের সবচাইতে মূল্যবান অঙ্গের নাম পাসপোর্ট” কথাটা বলেছিলেন গুরু বার্থল্ড ব্রেখ্ট। জন্মের মতো খুব সহজ ও স্বাভাবিক পদ্ধতিতে পাসপোর্ট নামের অঙ্গ গজায়ও না। কিন্তু সেই বন্দরবৈতরণীর বাহক, পাসপোর্টের কল্যানে অনেক সুবিধা/অসুবিধা ভোগ করেন। কিছু মানুষ একটা বিশেষ পাসপোর্টর কল্যানে ব্রাহ্মণ্ডের প্রায় সব জায়গায় যাতায়ত, কাজকর্ম, বা বসবাস করতে পারেন নির্দিধায়। আবার পাসপোর্ট নিয়েও অনেকের কাছে বিশ্বের বিশাল অংশ


তিয়ানানমেন স্কয়ার এর সেই প্রতিবাদী মানুষটি

অরফিয়াস এর ছবি
লিখেছেন অরফিয়াস (তারিখ: শনি, ০২/০৬/২০১২ - ৬:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঠিক কিসের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে একজন অতি সাধারণ মানুষ নিজের ক্ষুদ্র জীবনের গন্ডি পেরিয়ে নিজেকে অসামান্য উচ্চতায় তুলে ধরে? ঠিক কিসের নেশায় নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা সম্ভব? কিংবা ঠিক কিসের তাগিদে একজন মানুষ প্রতিবাদের ইস্পাত কঠিন বর্ম তুলে ধরে আগলে ধরে নির্যাতিতকে?


চলচ্চিত্র: দ্যা ফ্লাওয়ার্স অফ ওয়ার

অরফিয়াস এর ছবি
লিখেছেন অরফিয়াস (তারিখ: শনি, ২৬/০৫/২০১২ - ১:৩৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

the-flowers-of-war-poster

নাম: দ্যা ফ্লাওয়ার্স অফ ওয়ার
দৈর্ঘ্য: ১৪৬ মিনিট
বিষয়: নানকিং ম্যাসাকার, ধর্ষণ, চীন-জাপান যুদ্ধ
পরিচালক: ইমও জহাং
দেশ: চীন


স্রবন্তী স্মৃতিপট - সমর সেন

সাইফ শহীদ এর ছবি
লিখেছেন সাইফ শহীদ (তারিখ: শনি, ১৯/০৫/২০১২ - ১০:০৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

- আপনি কি হাই-কমিশনার সাহেবের পিএ বলছেন? - টেলিফোনে জিজ্ঞাসা করলাম আমি।
- হ্যাঁ, বলেন।
- আমার নাম সাইফ শহীদ। আমার বাবা, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, হাই-কমিশনার সাহেবের শিক্ষক ছিলেন। উনার সাথে একটু কথা বলতে চাই।

আমাকে লাইনে থাকতে বলল পিএ।

একটু পরে বেশ ভারী গলার আওয়াজে টেলিফোনের অপর প্রান্ত থেকে প্রশ্ন এল - "স্যার কেমন আছেন?

বুঝলাম এটা হচ্ছে হাই-কমিশনার সমর সেনের গলা।