সচলে ভ্রমণ কিংবা ছবি ব্লগ দেয়া একটা লজ্জ্বার বিষয় হয়ে গেছে আমার মত কিছু “আম” পাবলিকের জন্য। চোখ ধাঁধানো সব ছবি কিংবা দুর্ধর্ষ দুর্গম লোমহর্ষক রোমাঞ্চকর যাত্রা কাহিনী এখন ডালভাত। এভারেস্টে না উঠেও মহামতি তারেকাণু নিজেকে নিয়ে গেছেন এভারেস্ট উচ্চতায়, বাকিরাও সেখানে পৌঁছুবার পথ ধরেছেন।
ইংল্যান্ডের উত্তরের গ্রামগুলোতে গবাদি পশু চরে বেড়ানোর জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকত - যা ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত - অর্থাৎ কমন প্রপার্টি। নিজের স্বার্থের কথা ভেবে সব মালিকই চাইত আরও বেশী করে গবাদি পশু চারণ করে বেশী লাভের টাকা ঘরে তুলতে, স্বভাবতই নিজেদের জমি ব্যবহার না করে ওই কমন-প্রপার্টিই ব্যবহৃত হত চারণের জন্য। কিন্তু একসময় দেখা দিল বিপর্যয়, ঘাস গজানোর তুলনায় গবাদি পশুর খেয়ে ফেলার হার বেড়ে গেল, ফলে গবাদি পশুর খাওয়ার জায়গা ফুরোলো। এই থট-এক্সারসাইজ থেকেই একটা সুন্দর তত্ত্বের উদ্ভব। ট্র্যাজেডি অব কমনস শেক্সপিয়ারের লেখা আরেকটি উপন্যাস নয়, বরং একটি তত্ত্ব যার প্রভাব বর্তমান পৃথিবীতে হরহামেশাই চোখে পড়ে।
ধর্মতলার ব্যস্ত ফুটপাত দিয়ে বছর পনের আগে জনতার স্রোত ঠেলে মা হাঁটছিল আমায় একহাতে ধরে রেখে। অন্য হাতে ঝুলছিল পাটের একটা ব্যাগ, ওতে“ ঢাকেশ্বরী বস্ত্রালয়” থেকে এক আত্মীয়ার বিয়ের জন্য সদ্য কেনা শাড়ী। ধর্মতলার ধর্ম বজায় রেখে লোকজন হন্যে হয়ে ছুটছে; কারো প্রতি কারো ভ্রুক্ষেপ নেই। এমন সময় হঠাৎ কোথা থেকে যেন ভেসে এল ক্ল্যারিনেটের অমোঘ একটা সুর। ধর্মতলার সবগুলো কর্কশ শব্দ তাতে ম্লান হয়ে গেল, কোলকাতার দুপুরক

(উপরের ছবি: প্যারিসের বাইরে উমাইয়াদ সেনাবাহিনীর অধিনায়কগণ)
[=14](এটি আমার 'দ্য রাইজ এ্যান্ড ফল অফ দ্য গ্রেট পাওয়ারস' সিরিজের দ্বিতীয় পর্ব (আগের পর্বে আমি নাম থেকে 'দ্য' বাদ দিয়েছি, সরি)। নামের সাইজ বেঢপ হওয়ায় টাইটেল থেকে এ অংশটি বাদ দেয়া হয়েছে। পুরোটা পড়লে এমন হবে: 'দ্য রাইজ এ্যান্ড ফল অফ দ্য গ্রেট পাওয়ারস ২: পশ্চিমা বিশ্বের উল্থান,...
ধূসর গোধূলীর উৎসাহে এই ছবিটি তোলা এবং প্রকাশ করা হলো। সুতরাং সমস্ত প্রশংসা আর নিন্দা উনার প্রাপ্য। শীতের মধ্যে, বরফের মধ্যে আমরা কিভাবে পুতাইয়া - ভুতাইয়া যাচ্ছি তাহার একটি ছোট অনুজ্জল নমুনা মাত্র এইটি। কোন কনটেষ্ট এর ফটো ভেবে আমাকে কেউ লজ্জা দিবেন না। আমাদের অতি সাধের ও বহুল প্রতীক্ষার একটি উইকএন্ড কেটে গেলো বরফের তলায় ঠিক এই ভাবে।
তানবীরা
২৩. ১১.০৮