[justify]১
৮,৩৮৮,৬২৮-কে দুই দিয়ে গুন করুন তো, দ্রুত। কতক্ষণ লাগলো?
পাঁচ সেকেন্ড?
একজনকে আমি চিনি যে এই কাজ ২৪ বার করতে পারবে পাঁচ সেকেন্ডে। মানে দ্বিগুন করতেই থাকবে ২৪ বার। এবং প্রতিবারই সঠিক উত্তর দিবে। তার আইকিউ ৫০-এর কম।
আমি আরেকটা ছেলেকে চিনি। সে দিনের যে কোন সময় একদম ঠিকঠাক সময় বলতে পারে। এমনকি ঘুমের মধ্যেও। ওর আইকিউ-ও ৫০ এর কম। 
[justify]
প্রহেলিকা কিংবা প্রহসন, এ এক দিন-দিনান্তের বিভ্রমও বটে। ঘোরে-অঘোরে এই যে অদ্ভুত অনুভব মুহূর্তগুলো জুড়ে! মিথ্যে অহমে কল্পলোকের স্বপ্নগুলোর একচ্ছত্র অধীশ্বর - এ আমার ঈর্ষাকাতর মন।
একদিন ডুবে গেলাম আবেগী আহ্লাদে। একদিন জেনে গেলাম অবিশ্বাসের বিবর্ণ সন্ধ্যা কত বিষ ধরে! আর একদিন মরে মরে বেঁচে গেলাম উপভোগ্য বিষাদের ছোবলে।
ব্যানারশিল্পীদের কাছ থেকে অপূর্ব সব ব্যানারে প্রতিদিন সজ্জিত থাকতে চায় সচলায়তন। সচলায়তনে যে কেউ ব্যানার পাঠাতে পারেন। টেক্সটে সচলায়তনের নাম আর শ্লোগান [চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির] রাখতে হবে ব্যানারে, তবে শ্লোগানটা ঐচ্ছিক, আবশ্যিক নয়। আকার ৯৬৫x১৫০ পিক্সেল। ফাইল সাইজ ৫০ কিলোবাইটের কাছাকাছি। ইমেইল করে দিন banner এট সচলায়তন ডট com বা contact এট সচলায়তন ডট com।
যথারীতি জানুয়ারীর শেষ বুধবারে শুরু হয়ে গেল কলিকাতা পুস্তকমেলা| কততম বর্ষ যেন?
কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার সুবাদে আমি দেখেছি অনেক আর্টিস্ট বা গ্রাফিক ডিজাইনার আছেন যারা অ্যাডোবের নতুন কোনো ভার্সন বের হলে সেটি ইউজ করতে বিভিন্ন কারণে দ্বিধান্বিত থাকেন (কম্পিউটারের পারফর্মেন্সের ব্যপারটি বাদ দিয়ে)। আজকে থেকে প্রতি দিন আমি ৫টি করে মোট ৫ দিনে ২৫ টি ফটোশপ সিএস৫ এর টিপস নিয়ে আলোচনা করব আপনাদের সাথে। নতুনদের কাজে তো লাগবেই সেই সাথে নতুন ভার্সন নিয়ে যারা আশঙ্কিত তারা আশা করি নতুন ভার্সন ব্যবহার করার লোভে পড়ে যাবেন
[justify]সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া মেহেরজান ছবিটিকে পরিচয় করানো হচ্ছে পুরুষতন্ত্রের একক ক্ষমতায়ন আখ্যানের বাইরে গিয়ে নারীত্বের আবেগ ও অনুভুতির বহুবিচিত্র সংবেদনশীলতা কে এগিয়ে নেয়ার প্রয়াস হিসেবে। এই ছবি বানানোর অনুপ্রেরণা হিসেবে ছবির পরিচালক বলেছেন, "I did my Masters in South Asian Studies at University of Pennsylvania and the topic of my thesis was 'rape of women,' particularly the Birangonas of 1971
[justify]ভোরসকাল থেকেই বুকটা দুরুদুরু করছে ফাহাদের। কী হবে আজ কে জানে? কাল সারারাত ঘুম হয়নি ঠিকমত। একটু পরপর ঘুম ভেঙ্গে যাচ্ছিল,আর সে খোদার কাছে চুপিচুপি প্রার্থনা করছিল যেন আজকের দিনটা আজকেই না হয়ে আর কিছুদিন পর হয়। ততদিনে একটু বড় হলে তার অনেক সাহস গজিয়ে যাবে। তখন আর ভয় লাগবে না। আম্মু বলেছে বড় হওয়ার সাথে সাথে ভয়ও শিশু বা বালক টাইপের ছেলেদের ভয় পেতে থাকে। তখন তাদের ছেড়ে চলে যায় ভয়। কিন্তু প্রায় সাড়ে চার বছর হতে চলল। এখনও ফাহাদের অনেক ভয়। তার ধারণা, ভয় পালানোর মত যথেষ্ট বয়স তার হয়নি। আর এজন্যেই তার চরম ভয়ভয় করছে। আব্বু কিংবা চাচারাও নাকি ছোট থাকতে এমনটি করিয়েছেন, তাঁরা নাকি বিন্দুমাত্র ভয় পাননি এমনটি করার সময়। আব্বু কখনো মিথ্যা বলেননা ফাহাদ জানে। কিন্তু কথাটা তার বিশ্বাস হয়নি। হয়ত তাকে সাহস যোগাতেই ধাপ্পা মেরেছেন আব্বুও। সে অবশ্য আরও দুই ধরনের আর্জি জানিয়েছিল রাতে খোদার কাছে। এক, তার সাহস বাড়িয়ে দেয়া হোক এই রাতেই। অথবা দুই, তার বয়স বাড়িয়ে দেয়া হোক এই রাতেই।