ব্লগ

টাকলু দাদু!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/১১/২০১১ - ১:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

টাকলু দাদুর মাথায় কবে
উঠেছিল ঝড়,
চুলের সাথে ছাড়াছাড়ি
হল ঝড়ের পর।
পেছন দিকে দুচারটা চুল
সামনে বিরাট টাক,
মাথা তো নয়, স্টেডিয়াম
খেলতে দিচ্ছে ডাক।
টাক-ডুমা-ডুম বাজনা বাজাই
হাসি-নাচি-গাই,
টাক বাজানো ভীষণ মজা,
কোথায় এমন পাই!
দাদু বলে, চকচকে টাক
বুদ্ধি বেড়ে হয়,
আমি বলি, চকচকে হোক;


অবচেতন মন

শাব্দিক এর ছবি
লিখেছেন শাব্দিক [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/১১/২০১১ - ১২:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আপনি যখন ব্লগ লেখেন, ঠিক কি ভেবে লেখা শুরু করেন তা আমি জানি না, কিন্তু আমি সামান্য যে কয়বার লিখেছি কখনো নিজের পছন্দ মত লিখতে পারিনি। মাস কয়েক আগের কথা, প্রথমবার এক বন্ধুকে সচলায়তন পড়তে দেখে আগ্রহী হই। কিছুদিন নীড় পাতা ঘাটতে ঘাটতে ব্লগারদের দারুন সব লেখা দেখে মুগ্ধ হতে থাকি এবং আবিষ্কার করি আমার পক্ষে এমন ব্লগ লেখা অসম্ভব। তারপর হঠাৎ এক নির্ঘুম রাতে ল্যাপটপ নিয়ে কিছু হিজিবিজি লিখি, তেমন পছন্দ না হল


সাহিত্যিক -০৩

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/১১/২০১১ - ১২:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আনু

রূপকথা

তারা ছিল তিন রাজ্যের যমজ কুমার,
প্রথম রাজ্যের যমজ কুমার আনন্দ ও দুঃখ,
দ্বিতীয় রাজ্যের যমজ কুমার রাগ ও অভিমান,
তৃতীয় রাজ্যের যমজ কুমার বুদ্ধিমান আর বোকা।
একদিন তারা সবাই শুনল ঢেঁড়া পিটিয়ে ঘোষণা হচ্ছে
সুন্দর রাজ্যের রাজকন্যা ভালোবাসা স্বয়ংবরা হবে
ছয় কুমার প্রস্তুত হল রাজকন্যার স্বয়ংবর সভায় যাবার জন্য।


নাস্তিক মুসলমান

ধ্রুব বর্ণন এর ছবি
লিখেছেন ধ্রুব বর্ণন (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/১১/২০১১ - ১২:২০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]মানুষের পক্ষে নাস্তিক মুসলমান হওয়া সম্ভব হইতেও পারে। কিন্তু সেইরকম কইরা ভাবার চল নাই। একজন মানুষ নাস্তিক মুসলমান হইতে পারে বললে সবার আগে বাগড়া দিবে মোল্লারা, আলেম ওলামারা, কেতাবি বুজুর্গরা। ধর্মরে চোখা চোখা ধার দিয়া এনারাই দেখেন। ধর্মরে ধারও দেন এনারাই। শুধু মুসলমানের ধর্ম না, সব ধর্মেই এনারা আছেন। কে মুসলমান আর কে মুসলমান না, কীভাবে মুসলমান হওয়া যায় বা যায় না, এইসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর


মানবজন্ম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৪/১১/২০১১ - ১০:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিছু টিনএজার পোলাপাইন মনের আনন্দে একটা ফাউন্ডেশনের ভলান্টারিতে নেমে গিয়েছিলো জিনস্‌ আর টি শার্ট পড়ে। মাথামোটা মহলে সমালোচনার ঝড় বয়ে গেলো। ব্যপারটা এতো শত আলোচনার দাবী রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কিনা সে তর্কে না যাই, কিন্তু শেষপর্যন্ত যেটা হলো, সমস্ত নিন্দা আর গালিগালাজের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হলো মেয়ে ভলান্টিয়ারগুলো। দেশাত্মবোধ, মহৎ উদ্দেশ্য, জাগ্রত চেতনা এতসব ব্যপারের গভীরতার সাথে খাপ খাইয়ে নিজেদের


অভিসার

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১৪/১১/২০১১ - ১০:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

টিকটিকিটা টিকটিক করে উঠলো।

আজকাল কেমন যেন নির্লিপ্ত হয়ে গেছে অরুণ। চুপচাপ থাকে। আর ভাবে।

কে এই অরুণ ? আমি। অরুণ সেনগুপ্ত, আমার নাম। যদিও আজকাল লোকে পাগল বলেও ডাকে।

শব্দ কাঁধে নিয়ে চলে যাই হেঁটে হেঁটে। যতদূর সম্ভব সীমানা মেলেনা। আদি অন্ত দিগন্ত মিশে যায়।


সৈয়দ আশরাফের পদত্যাগ- একটি গুজব হিসেবেই থাক

মূর্তালা রামাত এর ছবি
লিখেছেন মূর্তালা রামাত (তারিখ: সোম, ১৪/১১/২০১১ - ৫:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খবর বেরিয়েছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পদত্যাগ করেছেন! নিউজওয়ার্ল্ড- নিউইয়র্ক ভিত্তিক একটি সংবাদ সংস্খা এ খবরটি প্রথম পরিবেশন করে। আওয়ামী লীগ ইতোমধ্যেই খবরটিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তবে সৈয়দ আশরাফ নিশ্চুপ।


ইদ্রাকপুর কেল্লা : কালের সাক্ষী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৪/১১/২০১১ - ৩:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইদ্রাকপুর কেল্লা মুন্সীগন্জ শহরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মোঘল স্থাপত্য। বাংলার সুবাদার ও সেনাপতি মীর জুমলা ১৬৬০ খ্রীস্টাব্দে বর্তমানে মুন্সীগন্জ জেলা সদরে ইছামতি নদীর পশ্চিম তীরে ইদ্রাকপুর নামক স্থানে এই দুর্গটি নির্মান করেন। তৎকালীন মগ জলদস্যু ও পর্তুগিজ আক্রমণের হাত থেকে ঢাকা ও নারায়নগন্জ সহ সমগ্র এলাকাকে রক্ষা করার জন্য ইদ্রাকপুর কেল্লা নির্মিত হয়। ইদ্রাকপুর কেল্লা তৈরিতে ৮২ মি. * ৭২ মি. আয়তাকার ইট ব্যবহার করা হয়েছে।


প্রসাধনী আয়না

জহিরুল ইসলাম নাদিম এর ছবি
লিখেছেন জহিরুল ইসলাম নাদিম [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৩/১১/২০১১ - ১১:০৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পর্ব ১
পর্ব ২

এই উটকো ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে কিছুদিন গা ঢাকা দেয়া যায় কি না চিন্তা করল ও। এবং সংগে সংগেই প্ল্যানটা বাতিল করে দিল।


অরূপ তোমার ভাগাড়!

দময়ন্তী এর ছবি
লিখেছেন দময়ন্তী (তারিখ: রবি, ১৩/১১/২০১১ - ৯:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৪ই নভেম্বর শিশুদিবস, ইংরিজি মিডিয়ামের বাচ্চাদের 'চিলড্রেনস ডে'৷ এইদিনে কোনও কোনও সাংবাদিকের মনে পড়ে চায়ের দোকানের শিশুশ্রমিকদের কথা, কারও মনে হয় বাজির কারখানার শিশুশ্রমিকদের কথা, কেউ বা আবার কলকাতার পথশিশুদের মনে করেন এবং আমরা কাগজে দু চারটে লাগসই প্রবন্ধ পাই৷ আমি সাংবাদিক নই৷ আমার চারপাশে তাকালে আজকাল প্রায় বেশীরভাগ শিশুকে দেখলেই বড় অস্বস্তি হয়৷