ঘাতক-বান্ধব লেখকদের কী করা যায়?

হাসান মোরশেদ এর ছবি
লিখেছেন হাসান মোরশেদ (তারিখ: সোম, ১৫/০৩/২০১০ - ৩:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লিখতে গিয়ে একটা ব্যক্তিগত স্মৃতি মনে পড়ে গেলো।
সে সময় ব্লগ তো দূর-কল্পনা, ইমেইল মোবাইল কিছুই ছিলোনা। তবু কি করে যেনো লেখক হবার বাসনা পোষা একদল বাচ্চা-কাচ্চা'র মধ্যে প্রগাঢ় বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো। একটা নামী পত্রিকার সাপ্তাহিক পাতায় তাদের ছোট ছোট লেখা প্রকাশ হতো। সে সব লেখা নিয়ে তাদের মধ্যে আবার আলোচনা চলতো পত্রযোগে। ব্যাপক পত্রালোচনা। কারো সাথে হয়তো কারো দেখাই হয়নি তবু একটা যোগসূত্র,তবু নিয়মিত তর্ক-বিতর্ক লেখালেখি নিয়ে।
এদের মধ্যে কেউ কেউ আবার লেখক হবার জন্য নিজেদের তৈরী করছিলো ভীষন সিরিয়াসভাবে। সেই সময়েও তাদের কেউ কেউ জেনে গিয়েছিলো এ বঙ্গদেশে লেখক তকমা জোটাতে গেলে লেখালেখি'র সাথে আরো কিছু বাড়তি সংযোগ লাগে।
তখন ঘাতক-দালালদের মুখপাত্র ইনকিলাব। ইঙ্কিলাবের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন পূর্নিমা। পূর্নিমা- সিনেমার নায়িকার সাক্ষাৎকারের সাথে গল্প-উপন্যাস ও ছাপায়।
তো সেই পূর্নিমায় ঐ লেখক যশোপ্রার্থী বাচ্চা-কাচ্চাদের একজনের গল্প প্রকাশ হলো। এটা নিয়ে বেশ আগডুম-বাগডুম বাজলো ও বটে।

একজন তাকে পত্রাঘাত করলো- তুই ঐ রাজাকারের পত্রিকায় লিখা দিলি ক্যান?
লেখক হয়ে উঠতে থাকা সে ফিরতি জবাব দিলো- বন্ধু লেখকরা হলো পতিতার মতো। কে' প্রশ্ন করলে পতিতাদের ব্যবসা হয়না, 'কোথায়' প্রশ্ন করলে লেখক হওয়া যায়না- যেখানেই সুযোগ সেখানেই লেখা...

ঐ পতিত প্রবণটির অবশ্য লেখক হয়ে উঠা হয়েছে। বইমেলায় শীর্ষ বিক্রীর তালিকায় তার নাম-ধাম।

ব্যক্তিগত স্মৃতিময়তা দূর মিলাক।
ইঙ্কিলাবের পূর্নিমায় হুমায়ূন আহমেদ ও লিখতেন। শুধু লেখক তো নয়, একজন শহীদের সন্তান।
শহীদ জননী জাহানারা ইমাম তাকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন ঘাতকদের পত্রিকাকে তার লেখায় সমৃদ্ধ না করতে। জানিনা- সে অনুরোধ রক্ষা করেছিলেন কিনা।


শুনেছি, সম্প্রতি নির্গুন ও রফিক আজাদ লিখেছেন নয়াদিগন্তে।
আহ নির্গুন, আহ রফিক আজাদ-। এতোটা দৈন্যতা, এতোটা নোংরামী কি আপনাদের মানায়?
জানতে সাধ হয় কতো টাকায় নির্গুন, রফিক আজাদ'কে কিনতে পেরেছে নয়াদিগন্ত? অথবা কাদের সিদ্দীকি বীরোত্তম কত মূল্যে নিজেকে বিকিয়ে গিয়েছিলেন দিগন্ত টিভি'র বর্ষপূর্তি'তে? যে বাঘা সিদ্দিকী আত্নসমর্পণ অনুষ্ঠানের নিয়াজীর রক্তমাখা হাতে হাত মেলাতে অস্বীকার করেছিলেন!
মরা শরীর আর মরা চেতনা দুটোই গন্ধ ছড়ায়- দুর্গন্ধ।


কোন কোন সময় আসে স্মৃতিকে পাহারা দেবার, ঘৃনাকে জাগিয়ে রাখার।
স্মৃতিকে পাহারা দিতে হয় নিরাপদ আগামী'র জন্য, ঘৃনাকে জাগিয়ে রাখতে হয় ভালোবাসাকে বাঁচানোর প্রয়োজনে।

লাল-সবুজ আর চাঁদতারা'য় প্রেম হয়নি, হয়না কোনদিন।।


মন্তব্য

মামুন হক এর ছবি

কোন কোন সময় আসে স্মৃতিকে পাহারা দেবার, ঘৃনাকে জাগিয়ে রাখার।
স্মৃতিকে পাহারা দিতে হয় নিরাপদ আগামী'র জন্য, ঘৃনাকে জাগিয়ে রাখতে হয় ভালোবাসাকে বাঁচানোর প্রয়োজনে।
লাল-সবুজ আর চাঁদতারা'য় প্রেম হয়নি, হয়না কোনদিন।।

---আমিও তাই বলি।

ঘাতক-বান্ধব লেখকদের সাথে সরাসরি আলাপ-আলোচনা করার কি কোন উপায় আছে? আমার ভাবতেই আশ্চর্য লাগে যে নির্মলেন্দু গুণের মতো কবি নয়া দিগন্তে লিখছেন।

অনিন্দিতা চৌধুরী এর ছবি

মরা শরীর আর মরা চেতনা দুটোই গন্ধ ছড়ায়- দুর্গন্ধ।

একদম ঠিক।
পুরো লেখাটাই ভীষণ ভাল লাগল।

বাউলিয়ানা এর ছবি

রাজাকারদের কন্ঠ পূনর্বাসনে সাহায্যকারী ঐ সব কুশিক্ষিত বিদ্যানদের জন্য ঘৃণা ছাড়া কিছু নেই।

** "কন্ঠ পূনর্বাসন" শব্দটি হিমু ভাইয়ের সৌজন্যে পাওয়া।

হিমু এর ছবি

নয়া দিগন্তের ভাড়াটিয়া লেখকদের একজন সচলে অতিথি। তার নাম তমিজউদদীন লোদী।

তাকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম, তিনি যদি বিন্দুমাত্র লজ্জিত হন আলবদরের কাগজে লেখা নিয়ে, যেন একটি পোস্ট দিয়ে সে লজ্জার কথা আমাদের জানান, এই অনবধানতার জন্যে দুঃখ প্রকাশ করেন, এবং ভবিষ্যতে আর কোনোদিন আলবদরের কাগজে লিখে তাদের গ্রহণযোগ্যতা তৈরিতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা না রাখেন।

তিনি আমার অনুরোধ রক্ষা করেননি, উল্টো সেই পোস্ট মুছে দিয়ে কেটে পড়েছেন।

ধিক্কার জানাই নামের কাঙাল, অবিবেচক, কাপুরুষ এই লোদীদের। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ চৌধুরী মঈনুদ্দিনের পাশে এই লোদীরাও আছে।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

মামুন হক এর ছবি

ভাই এই লোদী সাহেবকে কেন সদর দরজা দেখানো হচ্ছেনা? উনিতো বেশ নিয়মিত সচলে।

হিমু এর ছবি

মডুরা জানে।

আমি মনে করি সদর দরজা দেখানোর চর্চাটা যত কম করা যায় ততই ভালো। আর সচলায়তনের নীতিমালা তো উনি লঙ্ঘন করে নাই।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

হিমুভাই, ঘাতকদের সঙ্গে গলাগলি কি সচলায়তন থেকে বহিস্কৃত হওয়ার জন্য যথেষ্ঠ নয়!
____________________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ !

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

হিমু এর ছবি

হ্যাঁ, যথেষ্ঠ। তাদের পক্ষাবলম্বনকারী কোনো বক্তব্যই যথেষ্ঠ। কিন্তু লোদী তো সেটা করেননি।

তবে যেভাবে তিনি পোস্ট মুছে দিয়ে কেটে পড়েছেন, তার অর্থ দাঁড়ায় এমন, তিনি সচলায়তন থেকে সরে যাবেন, কিন্তু এই আলবদরের কাগজে লেখার জন্যে লজ্জা, অনুতাপ বা দুঃখপ্রকাশ করবেন না।

বেশ। ইতিহাস তাকে আলবদরের বন্ধু হিসেবেই চিনুক।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

বেশ
____________________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ !

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

কাকুল কায়েশ এর ছবি

খুবই অবাক হলাম লোকটার কান্ড দেখে।

তার লেখাগুলা ভাল লাগছিল, রেগুলার পাঠক হিসেবেই ছিলাম আমি।
নয়া দিগন্তের ঘটনাটা আপনি তাকে জানানোর পর আমি ভেবেছিলাম সে স্বাভাবিকভাবেই লজ্জিত হবে এবং দুঃখপ্রকাশ করবে। কিন্তু সে সেটা করে নাই।

এখন তার প্রোফাইলে গিয়ে দেখলাম, সে উল্টা তার সব পোস্ট সরিয়ে ফেলে বেমালুম গায়েব!! আজব তো!!
সে দুঃখ প্রকাশ করলে বরং আমরা খুশীই হতাম, কিন্তু এভাবে সব পোস্ট সরিয়ে ফেলে চলে যাওয়াটা খুব রহস্যজনক লাগল।

=====================
একটাই কমতি ছিল তাজমহলে,
......তোমার ছবিটি লাগিয়ে দিলাম!

==========================
একটাই কমতি ছিল তাজমহলে,
......তোমার ছবিটি লাগিয়ে দিলাম!

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

তাই তো বলি। কাল কমান্টাতে গিয়ে দেখি লেখা উধাও।

আরো কয়েকজন পতিত লেখকদের নাম দিলাম যাঁরা লোদী সাহেবের মত নয়াদিগন্তে লাদেন।

সরকার মাসুদ
http://www.dailynayadiganta.com/2010/02/26/fullnews.asp?News_ID=197734&sec=22
http://www.dailynayadiganta.com/2009/08/21/fullnews.asp?News_ID=163377&sec=22

ফজল শাহাবুদ্দীন
http://www.dailynayadiganta.com/2009/08/14/fullnews.asp?News_ID=162016&sec=22

অনুপম হায়াৎ
http://www.dailynayadiganta.com/2009/08/28/fullnews.asp?News_ID=164631&sec=22

আকবর আলী খান
http://www.dailynayadiganta.com/2010/01/01/fullnews.asp?News_ID=187071&sec=80

আসাদ চৌধুরী
http://www.dailynayadiganta.com/2010/01/29/fullnews.asp?News_ID=192418&sec=22

রেজাউদ্দীন স্টালিন
http://www.dailynayadiganta.com/2009/11/20/fullnews.asp?News_ID=179890&sec=22

সবজান্তা এর ছবি

আসাদ চৌধুরী !

মানে কবি আসাদ চৌধুরী !!!!!


অলমিতি বিস্তারেণ

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

জ্বী।

একটা থ্রেড খোলা হোক, সেখানে সবাই লিংক সহ নাম জমা দিক। তবে মনে হচ্ছে কে নাই তার লিস্ট বানানো সহজ।

ওডিন এর ছবি

আসাদ চৌধুরী!!!! ডব্লিউটিএফ অ্যাঁ

______________________________________
যুদ্ধ শেষ হয়নি, যুদ্ধ শেষ হয় না

তিথীডোর এর ছবি

অতিথিরা পোস্ট মুছে দেয়ার সুযোগ পায়, জানতাম না তো!

গতকাল মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্যগুলো পড়ছিলাম...
ক্ষমা চাইতে ঘোর আপত্তি, সাফাই হিসেবে ব্যবহৃত হলো বিবেকহীন কিছু কথাসাহিত্যিকের নাম.. আর শেষমেষ এভাবে পলায়ন!!
(তালিয়া)

--------------------------------------------------
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

নজমুল আলবাব এর ছবি

দিগন্ত টিভিতে কিন্তু বহুত কামেলেরই আনাগোনা। খিয়াল কইরা।

------------------------
ভুল সময়ের মর্মাহত বাউল

হাসান মোরশেদ এর ছবি

ফেসবুকে কে যেনো মন্তব্য করেছিলেন- গাঁ উজাড় হবার আশংকা থাকলেও ঠগ বাছাই করা জরুরী।
কামেল ফাজেল সবগুলারই তালিকা করা দরকার।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

হাসান ভাই, গতকাল এক সচল একগাদা নাম আর লিংক পাঠিয়েছিলেন। সেটা দেখে তাকেও আমি একই ধরনের একটা মন্তব্য করেছিলাম। অবস্থা এখন এরকমই। ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে।

তবে আমার ধারণা, গাঁ উজাড় হবেনা বরং এতে কাজ হবে, ওদের মধ্যে একটা বোধ ঢুকবে।

অকুতোভয় বিপ্লবী এর ছবি

ধিক্কার ওইসব নামের কাঙাল পাপীষ্ঠদের, তাদের জন্য শুধুই ঘৃণা

---------------------------------------------------
ইটের পরে ইট সাজিয়ে বানাই প্রাণের কবিতা ...

------------------------------------
সময় এসেছে চল ধরি মোরা হাল,
শক্ত কৃপাণে তুলি বরাহের ছাল।

নাশতারান এর ছবি

ঘাতকেরা হাতের রক্তের দাগ মুছতে ব্যবহার করছে এই সাহিত্যিকদের। স্বাধীনতার সাথে একাত্মতা প্রকাশের যে নির্লজ্জ প্রচেষ্টাগুলো সম্প্রতি চোখে পড়ছে এটা তারই অংশ। কোন মানসিকা থেকে এই লেখকেরা স্বেচ্ছায় ব্যবহৃত হচ্ছেন জানতে ইচ্ছে করে।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

স্পর্শ এর ছবি

গুণের কাছে সামনা সামনি জবাব চাইতে ইচ্ছা হচ্ছে।
কীভাবে সম্ভব এটা!! এই বইমেলায়ও দূর থেকে দেখলাম। আর ভাবলাম ঐ যায় একজন কবি। চুল দাড়ি নিয়ে রাবীন্দ্রিক চেহারা। তার আঁকিবুকি নিয়ে কোথাও কিছু লেখা পেলে কত আগ্রহ নিয়ে পড়ি। সেও কিনা...

সে ফিরতি জবাব দিলো- বন্ধু লেখকরা হলো পতিতার মতো। কে' প্রশ্ন করলে পতিতাদের ব্যবসা হয়না, 'কোথায়' প্রশ্ন করলে লেখক হওয়া যায়না- যেখানেই সুযোগ সেখানেই লেখা...

ঐ পতিত প্রবণটির অবশ্য লেখক হয়ে উঠা হয়েছে। বইমেলায় শীর্ষ বিক্রীর তালিকায় তার নাম-ধাম।

লেখক হওয়ার কথা ছিলো জাতির সেরা সন্তানদের!


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

নয়াদিগন্তের শুরুর দিকে ফিচার লিখেছি বেশ কিছুদিন। এক পরিচিত বড়ো ভাই প্রথম আলো ছেড়ে সেখানে একটা ফিচার পাতার দায়িত্ব নেন। তার অনুরোধে সেখানে লেখা! লিখতে বিব্রতবোধ ইয়ে, মানে... করতাম। মাসশেষে পাওয়া টাকা সেই বিব্রতবোধটাকে কিছুটা লাঘব করতো।
তবে, সেই বিব্রতবোধটা এখনো আছে, সেখানে লিখতাম বলে। সেটা নিজেকে সবসময় দংশন করে চলে। মন খারাপ ..................................................................

আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ ব'সে অপেক্ষা করার সময় আছে।

অকুতোভয় বিপ্লবী এর ছবি

তাও ভাল আপনি লজ্জা পান, বিব্রত হন মন খারাপ

---------------------------------------------------
ইটের পরে ইট সাজিয়ে বানাই প্রাণের কবিতা ...

------------------------------------
সময় এসেছে চল ধরি মোরা হাল,
শক্ত কৃপাণে তুলি বরাহের ছাল।

হিমু এর ছবি

আলবদরের কাগজে তো মুজাহিদ এসে গল্প লিখবে না, কামারুজ্জামান এসে উপন্যাসও লিখবে না। লিখবে এই লোদী অ্যান্ড কোং। এদেরকে সামনে রেখে একটা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করে আলবদরের কাগজ তার প্রোপাগাণ্ডা ছড়িয়ে যাবে।

আলবদরের কাগজকে স্বীকৃতি যোগাচ্ছে তমিজউদদীন লোদীদের দল। আমাদের প্রতিরোধের একমাত্র নৈতিক উপায় হতে পারে বর্জন। আলবদরের কাগজে যারা লিখবে, সেসব অবিবেচক লেখকদের আমরা বর্জন করবো। তারা তাদের আলবদরদের ছানাপোনাদের পাঠক হিসেবে সাথে নিয়ে করে খাক।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

জুলিয়ান সিদ্দিকী এর ছবি

আমাদের প্রতিরোধের একমাত্র নৈতিক উপায় হতে পারে বর্জন। আলবদরের কাগজে যারা লিখবে, সেসব অবিবেচক লেখকদের আমরা বর্জন করবো।

-সহমত চলুক

.
___________________________________________
ভাগ্যিস, আমার মনের ব্যাপারগুলো কেউ দেখতে পায় না!

___________________________
লাইগ্যা থাকিস, ছাড়িস না!

দ্রোহী এর ছবি

হায়রে অভাগা দেশ। হায়রে মানুষ।

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

মরা শরীর আর মরা চেতনা দুটোই গন্ধ ছড়ায়- দুর্গন্ধ।

লাল-সবুজ আর চাঁদতারা'য় প্রেম হয়নি, হয়না কোনদিন।।

চলুক

-----------------------------------------------------------------------------------
আমি সব দেবতারে ছেড়ে আমার প্রাণের কাছে চলে আসি, বলি আমি এই হৃদয়েরে; সে কেন জলের মতন ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

গুণ, রফিক আজাদ, ওনাদের এতো পছন্দ করতাম....

অনেক কষ্ট লাগছে। অনেক অসহায় লাগছে...
____________________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ !

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

কনফুসিয়াস এর ছবি

আমি অনেকক্ষণ ধরে ভাবছিলাম, নয়া দিগন্ত না সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর পত্রিকা ছিলো? এটা জামাতীরা কিনলো কবে?
পরে মাথায় এলো, ওটা ছিলো নতুন দিগন্ত! নয়া দিগন্তের নামও শোনা হয়নি তেমন।

আরেকটা কৌতুহল জাগছে, নির্গুণ কী বিষয়ে লিখেছিলেন ওখানে? এটা জানতে চাইছি কারণ উনি ভয়ানক প্রিয় কবি আমার, হুট করে অবিশ্বাস করা মনে সায় দেয় না।

হাসান ভাই, স্যালুট। লেখা থেকে অনেকগুলো লাইন উদ্ধৃত করতে ইচ্ছে হচ্ছে। পাঁচ তারা।
-----------------------------------
আমার জানলা দিয়ে একটু খানি আকাশ দেখা যায়-

-----------------------------------
বই,আর্ট, নানা কিছু এবং বইদ্বীপ

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

অাসলে তমিজ উদ্দীন লোদীর চেয়ে আরো পরিচিত নাম গুলোকে নিয়ে বলা উত্তম। কারণ এতে আসল কাজ হবে। লোকে হয়তো এনার নামই জানে না, কিন্তু অন্যদের নাম জানে।

নাম করা কবি সাহিত্যিক ছাড়াও তত্তাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টাও এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই। আমার লিনাক্স থেকে নয়া দিগন্দ দেখা যায়না, নাহলে নাম তুলে দিতে পারতাম।

সোনার বাংলা নামে একটা ব্লগ সাইটের লিংখ দেখলাম ওখানে। তাতে আবুল হায়াতের ছবিও আছে।

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

আমাদেরকে কে লিখলো, কোথায় লিখলো সেটা বিবেচনায় না এনে কী লিখলো, সেটার গুণগত মান যাচাই বাছাই করতে হবে। কারণ, ট্যাগিং জিনিসটা খারাপ। যে লেখকদের কথা এখানে ধিক্কার সহকারে বলা হচ্ছে, তারাই স্বাধীনতার চেতনা ধারণ বহন চোষণ করেন। অনেক রাজাকার যেমন মুক্তিযোদ্ধা আছে, তেমন উনারাও ছদ্মবেশে জামায়াতের বিরুদ্ধে স্পায়িং করতেই নয়া দিগন্তে লেখেন।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

অকুতোভয় বিপ্লবী এর ছবি

আমার পর্যবেক্ষণ কিন্তু তা বলে না।

জামাতের বিরুদ্ধে স্পাইং করতে এই লোকগুলো যাবে বলে আমার মনে হয় না। আমার জানামতে, জামাত-শিবিরের নেটওয়ার্ক এত ঠুনকো না যে 'সুশীল' কেউ তাদের ওখানে স্পাইং করতে গেলে তাকে ছেড়ে কথা বলা হবে। আমি জানি না আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি তা বলতে পারছি কি না, কিন্তু জামাতীদের ওখানে স্পাইং করা একরকম অসম্ভব।

একটা জিনিস শেয়ার করি। ফেইসবুকে জামাত-শিবিরের বেশ কয়েকটা গ্রুপ আছে যেগুলো নামেমাত্র গ্রুপ না। ওখানকার সদস্য হওয়া মানে আক্ষরিক অর্থেই শিবিরকর্মী হওয়া। আপনি একবার ওখানে জয়েন করা মানে হল আপনার চৌদ্দ গুষ্টির হিসাবকিতাব তারা বের করবে এবং আপনাকে শিবিরের কর্মী বানানো হবে। আপনার আসল উদ্দেশ্য কী সেটা তারা যে কোন উপায়ে বের করে ছাড়বেই। তারপর সে অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওই গ্রুপগুলোর ওয়াল এ সরাসরি লেখা থাকে - অমুক নামের অমুক ছেলে অমুকভাবে আমাদের বিরুদ্ধে অমুক জায়গায় কাজ করছে বা কনট্রিব্যুট করছে, তমুক ছেলে তমুক জায়গার ছাত্র এবং সে তমুক ঠিকানায় বসে উইকিতে আমাদের নিয়ে তমুক জিনিস লেখছে। রীতিমত ভীতিকর ব্যাপার। কাজেই, উল্লিখিত লেখকরা জামাতের বিরুদ্ধে স্পাইং করার জন্যে ওখানে লেখেন এটা আমার কাছে হাস্যকর মনে হয়। আসল ঘটনা হল ওইটাই - জামাত তাদেরকে মোটা অংকে পারিশ্রমিক দেয় যার কারণে তারা ওখানে লেখেন, অর্থাৎ জামাতের সাথে কোন কাজে গেলে আপনাকে কিনে ফেলা হবে। ওই 'সুশীল' লেখক্রা তাই করছেন।

---------------------------------------------------
ইটের পরে ইট সাজিয়ে বানাই প্রাণের কবিতা ...

------------------------------------
সময় এসেছে চল ধরি মোরা হাল,
শক্ত কৃপাণে তুলি বরাহের ছাল।

হাসান মোরশেদ এর ছবি

বলাই'র মন্তব্যে কিন্তু স্পিন আছে চোখ টিপি
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

অনেক রাজাকার যেমন মুক্তিযোদ্ধা আছে...

রণদীপম বসু এর ছবি

ফেইসবুকে জামাত-শিবিরের বেশ কয়েকটা গ্রুপ আছে যেগুলো নামেমাত্র গ্রুপ না।

এই গ্রুপগুলোর নাম জানা থাকলে সুবিধা হতো। বিভ্রান্ত হয়ে কোন গ্রুপে যোগদান করে ফেলা অসম্ভব নয়। আমি নিজেই তো সুন্দর শ্লোগান দেখে বেশ কতকগুলো গ্রুপে ইয়েস ক্লিক করেছি, যেগুলোতে আসলে কোনদিন ঢুকে দেখাও হয়নি ওখানে কী আছে। এখন মনে হচ্ছে গ্রুপগুলো চেনা দরকার। আগেভাগে ধারণা থাকলে আরো ভালো হয়।
জানিনা আমার মতো আজাইরা ক্লিক করইন্যা বেবাট আর কেউ আছে কিনা। অবশ্য এখন বেশ কিছুদিন ধরে কোন গ্রুপেই ক্লিক করা হয় না। শত শত আমন্ত্রণ পেইন্ডিং পড়ে আছে।

পোস্টের জন্য হাসান মোরশেদকে ধন্যবাদ।

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

অতিথি লেখক এর ছবি

এইটার কথা বলেন?

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

সরি বস, মাই ফল্ট। আমি ভাবতেছিলাম, 'চোষণ' শব্দটা কী-ওয়ার্ড হিসেবে কাজ করবে। মন খারাপ

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

একমত নই। যারা ছদ্মবেশে স্পাইয়িং করতে যাবেন তারা আবার এসে বামপন্থী পত্রিকায় লিখবেন না। যারা দুজায়গাতেই লিখবেন আবার সেটা বলার পর কেটে পড়বেন। তাদের জন্য সহানুভুতি দেখানো দুরূহ।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

হাসান মোরশেদ এর ছবি

হাহাহা হাসি বলাই'র মন্তব্য ধরতে পারো নাই?
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

স্নিগ্ধা এর ছবি

মুর্শেদ, ওটা মনে হয় সারকাজম ছিলো হাসি

দুর্দান্ত এর ছবি

গুগলি!

ওডিন এর ছবি

হাহাহাহা! গড়াগড়ি দিয়া হাসি
গুল্লি গুল্লি

প্রথমে একটু থমকায় গেছিলাম, ডরাইছিলাম বললেও ভুল হবে না।- পরে আবার পড়লাম। পরশুদিন একজন আমারে কইতেছিলো আমি নাকি সারকাজম দিয়াই লোকজনরে ভয় পাওয়ায় দেই। আজকে আমি নিজেই এর শিকার।

পোস্টটা পড়ে যতটা না মন খারাপ হইছিলো এই মন্তব্য পড়ার পরে তার থেকে অনেক বেশি ভালো লাগতেছে। দেঁতো হাসি

______________________________________
যুদ্ধ শেষ হয়নি, যুদ্ধ শেষ হয় না

অকুতোভয় বিপ্লবী এর ছবি

আমিও বুঝিনাই যে এইটা সারকাজম, এইজন্য বিশাল লেক্চার ফাঁইদা বইসিলাম চোখ টিপি

---------------------------------------------------
ইটের পরে ইট সাজিয়ে বানাই প্রাণের কবিতা ...

------------------------------------
সময় এসেছে চল ধরি মোরা হাল,
শক্ত কৃপাণে তুলি বরাহের ছাল।

শেখ নজরুল এর ছবি

কোন কোন সময় আসে স্মৃতিকে পাহারা দেবার, ঘৃনাকে জাগিয়ে রাখার।
স্মৃতিকে পাহারা দিতে হয় নিরাপদ আগামী'র জন্য, ঘৃনাকে জাগিয়ে রাখতে হয় ভালোবাসাকে বাঁচানোর প্রয়োজনে।

সত্যিকথা লিখেছেন।
শেখ নজরুল

শেখ নজরুল

পাঠক [অতিথি] এর ছবি

যতদূর মনে পড়ে, মান্যবর কবীর চৌধুরীর কলামও যেন দেখেছিলাম নয়া দিগন্তে।

রণদীপম বসু এর ছবি

আমাদের কবীর স্যার এখন তরল পদার্থ। সব পাত্রেই তাঁকে ধারণ করা যায় !

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

ধরে নিলাম ভুল/অজ্ঞানতাবশত কেউ কেউ লিখে থাকতে পারেন। সেক্ষেত্রে জনাব লোদীর সুযোগ ছিলো খোলামেলা ভাবেই ভুল স্বীকার করা, এবং অন্যান্যদের এই ভুল থেকে রহিত করার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার। হায়, ছাপার অক্ষরে নিজের নাম দেখার বাসনাটাই মুখ্য থেকে গেল...

নাশতারান এর ছবি

লোদী সাহেবের মন্তব্যের সুরটা ছিল অনেকটা এরকমঃ "কত বড় বড় লেখক লিখছেন। আমি লিখলেই দোষ? ঠিকাছে। আপনারা যদি না করেন তো লিখব না।"

উনার কাছে নয়া দিগন্ত যা সচলায়তনও তা। লেখা প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম। কোন রকম নীতিগত আলোচনার পথই মাড়াননি উনি। উনাকে নৈতিক দিকটা আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দেয়ায় তিনি ব্যক্তিগত ইগো নিয়ে উঠেপড়ে লাগলেন।

মুহম্মদ জাফর ইকবালের একটা গল্প আছে না? বলদ। লোদী সাহেবের অবস্থান তেমনই। উনি কোন পক্ষেরই নন। যে পক্ষ উনাকে তোষামদ করে নির্বিবাদে লেখার সুযোগ করে দেবে তিনি সেই পক্ষেই নাম লেখাবেন।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

জুয়েইরিযাহ মউ এর ছবি

অত্যন্ত জরুরী একটি পোস্ট, অসংখ্য ধন্যবাদ মোরশেদ ভাই।
একটা বিষয় খুব জরুরী হয়ে পড়েছে,
সেটা হল জামাত-শিবির সমর্থনকারী সব পত্রিকা - ম্যাগাজিন - টিভি চ্যানেল - ফেইসবুক গ্রুপ এবং অন্যান্য গ্রুপগুলোকে চিহ্নিত করা এবং সবাইকে চিনিয়ে দেয়া।

সুন্দর শ্লোগান দেখে বেশ কতকগুলো গ্রুপে ইয়েস ক্লিক করেছি, যেগুলোতে আসলে কোনদিন ঢুকে দেখাও হয়নি ওখানে কী আছে।

এরকমটা অনেকের ক্ষেত্রেই অসাবধানতাবশতঃ ঘটতে পারে।
তাছাড়া শুনেছি শিবির এখন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হরেক রকম বাহানায় ছোটখাট গ্রুপ তৈরি করেই চলেছে, উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েরা বিভ্রান্ত হতেই পারে। সচেতনতা খুব জরুরী।

------------------------------------------------------------
জানতে হলে পথেই এসো, গৃহী হয়ে কে কবে কি পেয়েছে বলো....


-----------------------------------------------------------------------------------------------------

" ছেলেবেলা থেকেই আমি নিজেকে শুধু নষ্ট হতে দিয়েছি, ভেসে যেতে দিয়েছি, উড়িয়ে-পুড়িয়ে দিতে চেয়েছি নিজেকে। দ্বিধা আর শঙ্কা, এই নিয়েই আমি এক বিতিকিচ্ছিরি

দ্রোহী-স্বপ্ন্বেরা এর ছবি

একসময় বিতর্ক করতাম।সেই সূত্রে খুঁজতে গিয়ে ফেইসবুকে একটা গ্রুপ পেয়েছিলাম-Youthwave Debating Society. এদের মূল টার্গেট ইংরেজী মাধ্যম এর ছাত্র-ছাত্রী।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

অত:পর যদি চাও
কিছু 'নেকি' কামাতে
ধরো আর ঠাপাঠাপ
মেরে দাও জামাতে

— আকতার আহমেদ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

বোহেমিয়ান এর ছবি

মরা শরীর আর মরা চেতনা দুটোই গন্ধ ছড়ায়- দুর্গন্ধ।
চলুক
মাথা গুলারে আগে ধরা দরকার, পাতি গুলা তো নানান কারণে যায় । মাথা গুলার যাওয়া বন্ধ করতে পারলেই কাজ হবে ।

__________________________
বোহেমিয়ান কথকতা

_________________________________________
ওরে! কত কথা বলে রে!

অকুতোভয় বিপ্লবী এর ছবি

মাতাগুলারে ধইর‌্যা মাতা ছেঁইচ্চা দেত্ অইবে রেগে টং

---------------------------------------------------
ইটের পরে ইট সাজিয়ে বানাই প্রাণের কবিতা ...

------------------------------------
সময় এসেছে চল ধরি মোরা হাল,
শক্ত কৃপাণে তুলি বরাহের ছাল।

রায়হান আবীর এর ছবি

ফেসবুকে জামাতি সকল পন্য, মিডিয়া, হাসপাতাল, বাস সার্ভিস ইত্যাদির লিস্ট দিয়ে একটা গ্রুপ খোলা যেতে পারে সেগুলো বর্জনের জন্য।

লেখায় উত্তম জাঝা।

অতিথি লেখক এর ছবি

নির্গুন আমার অনেক পছন্দের কবি। তিনি যেসব কবিতা লিখেছেন সেই বিচারে, এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে তিনি ওইসব জায়গায় লিখতে পারেন!

মরা শরীর আর মরা চেতনা দুটোই গন্ধ ছড়ায়- দুর্গন্ধ।

স্মৃতিকে পাহারা দিতে হয় নিরাপদ আগামী'র জন্য, ঘৃনাকে জাগিয়ে রাখতে হয় ভালোবাসাকে বাঁচানোর প্রয়োজনে।

সবচেয়ে ভীতিকর ব্যাপার হল নতুন প্রজন্মের রাজাকার তৈরী হচ্ছে। অথচ আগের বরাহদের বিচারই এখনো হয়নি। অবাক লাগে যে স্বাধীনতার এত বছর পরও এখনো যুদ্ধ করে যাচ্ছি।

===অনন্ত ===

আলমগীর এর ছবি

ফকির ইলিয়াস ভাই স‍ংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটা লেখা দিয়েছেন সামুতে।
http://www.somewhereinblog.net/blog/FAQIRELIASblog/29117257

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

পইড়া খুব মজা পাইলাম। হো হো হো
সচলায়তন তাহলে ফকির ইলিয়াস ভাইয়ের ভাষায় টিকটিকি মহল? ইলিয়াস ভাই উক্ত পত্রিকার কোনটায় কি লেখা দিছেন কিনা জানতে মন চায়।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

সাবিহ ওমর এর ছবি

ছি আপনারা এত খারাপ খাইছে

ওডিন এর ছবি

তাইতো!
বাংলাদেশের জন্য , বাংলাভাষার জন্য, বাংলা সংস্কৃতির জন্য একজন কবীর চৌধুরী , একজন নির্মলেন্দু গুণ,একজন রফিক আজাদ যা করেছেন , তার দুই পয়সা সমান এরা কী কিছু করতে পেরেছে ? না পারে নি । তা হলে এতো লাফালাফি কেনো

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

উফফ...কি জানি পচতেছে রে! দুর্গন্ধ!

______________________________________
যুদ্ধ শেষ হয়নি, যুদ্ধ শেষ হয় না

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

উনার পোস্টটা খুব চিত্তাকর্ষক। যেমন,

আজকাল একটা প্রবনতা খুব জভীরভাবে লক্ষ্য করি । কোন লেখক কোন কাগজে , কোথায় কী লিখেছেন- তা নিয়ে একটি টিকটিকি মহল বেশ লাফালাফি শুরু করেছে।
এরা কবীর চৌধুরী , রফিক আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ , সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী , ড আনিসুজ্জামান , আকবর আলী খান , প্রমুখ দেশ বরেণ্য লেখকদেরকে নিয়ে না না কটুক্তি শুরু করেছে। লক্ষ্যনীয় বিষয় , যারা এসব করছে -এরা কেউই কিন্তু বিশেষ কোনো পরিচিত ব্যক্তি নয়। নিজেদের লেখালেখির একটা খেলার মাঠ তৈরি করে সেখানে (প্রতিপক্ষ আসে নাই তাই ) ফ্রি গোল দেবার চেষ্টা করছে। আরো লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে , যেসব লেখকদের সামনে দাঁড়িয়ে দুকথা বলার সাহস ও এদের যোগাবে না , এমন কিছু নাবালকরাই এসব বরেণ্য লেখকদেরকে তুচ্ছতাচ্ছল্য করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে।
এর কারণ ও মূলতঃ ঐ নিজেদের কামেলত্ব জাহির করা । তাদের কে প্রশ্ন করি - বাংলাদেশের জন্য , বাংলাভাষার জন্য, বাংলা সংস্কৃতির জন্য একজন কবীর চৌধুরী , একজন নির্মলেন্দু গুণ,একজন রফিক আজাদ যা করেছেন , তার দুই পয়সা সমান ওরা কী কিছু করতে পেরেছে ? না পারে নি । তা হলে এতো লাফালাফি কেনো ?

এখানে চিন্তাশীলের জন্য অনেক (দুশ-)চিন্তার বিষয় আছে। ভাবতেছি, একবার নাম কামাইতে পারলে তারপর যা-ই করি, সব হালাল। ব্যক্তি আর ব্যক্তির বক্তব্য নিয়া যে ক্যাচাল দেখতেছি ইদানিং, সেটাকে সোজাসাপটা জিনিস নিয়া ত্যানা প্যাচানি মনে হচ্ছে। ব্যক্তি যদি বদ হয়, তাইলে তার বক্তব্য ফেরেশতাসুলভ হওয়ার কোনো চান্স নাই, নিশ্চিতভাবেই কোনো ধান্দা আছে। আর ব্যক্তি ভালা লুক হলে তখন বক্তব্যের বিচার করেই সেটা গ্রহণ করা উচিত। কারণ, সার্টিফিকেটই শেষ কথা নয়।

যাহোক, একটা গল্প বলে মন্তব্য শেষ করি। আমার এক দোস্ত ছাত্রীর সাথে প্রেম করতো। ছাত্রীর বাপে একবার দোস্তরে কট কইরা জিজ্ঞেস করলো, "তুমি পাস কইরা একটা দুইটাকার ইঞ্জিনিয়ার হবা, আমার মাইয়ার চাহিদা পূরণ করবা কেমনে?" দোস্ত একটুও না ঘাবড়াইয়া উল্টা জিজ্ঞেস করলো, "এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা কইরেন না। আপনার বয়স যখন ২৪ বছর ছিলো, তখন আপনার অবস্থান কেমন ছিলো? আপনি পারলে আমিও পারবো।"

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

লিংকটার জন্য ধন্যবাদ।

মুগ্ধ হয়ে যাই ডিনায়াল দেখে। লোদী সাহেব তবু চুপচাপ সরে পড়েছেন। ইনি সরাসরি আক্রমণ করলেন। বেস্ট ফর্ম অফ ডিফেন্স বলে কথা।

জানতে মন চায় জিয়াউর রহমান সম্পর্কে শহীদ জননীর মতামত কী ছিলো। জিয়া তো এক কালে সেক্টর কমান্ডার হয়ে দেশ উদ্ধার করেছেন। সেটা কি রাজাকার পুনর্বাসনের অপরাধ থেকে তাকে দায়মুক্ত করে? যদি না করে থাকে, তবে নির্মলেন্দু গুণ-রা তো কোন ছার!

যে মহারথীরা এই পত্রিকায় লিখেছেন, তাঁরা সামান্য আত্মশ্লাঘার লোভ পরিহার করতে পারলেই জামায়াতি প্রচারযন্ত্রগুলো এত সহজে রক্তের দাগ মুছতে পারতো না। কালকে এরাই নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ধর্মপ্রাণ দল হিসেবে প্রচার করবে, লাখে লাখে ভোট পাবে।

হিমু এর ছবি

এই পোস্টে ফকির আমার নাম নিয়ে টানা হ্যাঁচড়া করে মন্তব্য দিয়েছে দেখতে পাচ্ছি। ফকিরের জ্ঞাতার্থে জানাই, আমার নামটা পিতৃদত্ত। হুমায়ূনের চরিত্রের নাম কপি করার প্রয়োজন আমার নাই।

সাহিত্যবেশ্যাদের দালালি করার উত্তেজনায় ফকির নিজেকে রফিক আজাদের সমকক্ষ হিসেবে তুলে ধরছে দেখে হাসলাম। সাহিত্যবেশ্যাদের দালালি করার সময় আরেকটু ঠাণ্ডা মাথায় নিজের অবস্থান বিচারের আহ্বান জানাই। আগামী ২০ বছর টানা কবিতা লিখে গেলেও একজন ফকির ইলিয়াস রফিক আজাদের কাতারে উঠে আসতে পারবে না।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

নীড় সন্ধানী এর ছবি

মীর কাশেম আলী যখন নয়াদিগন্তের প্রকাশ চুড়ান্ত করছিল, সেই সময়ে তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক ঘনিষ্ট স্বজনের মাধ্যমে জানতে পারি তার এই 'নিরপেক্ষ' পত্রিকা পরিকল্পনা। 'সংগ্রাম' দিয়ে নিরপেক্ষতা সম্ভব নয়, মানুষের কাছে কখনোই গ্রহনযোগ্যতা পাবে না। মগবাজারী ট্যাগিং ধুয়ে নিরপেক্ষতার চামড়া গায়ে দিয়ে বাংলাশের মানুষের ভেতর জামাতী আছর প্রবেশ করাতে হবে। সেই চামড়ার লোম গুলি হবে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত প্রগতিশীল অনেক লেখক। কে কে বিক্রি হতে পারেন তার অনুমিত তালিকাটাও দিয়েছিলেন তিনি, বিশ্বাস করিনি তখন। এখন করি।

নেকড়ের গায়ে মেষচর্মশোভিত দৈনিক নয়াদিগন্ত এবং দিগন্ত টিভি।
কিছু কিছু মানুষের নিরপেক্ষতা, সহশীলতা সত্যিই অসহনীয়, অসহ্য!!

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-
সেই সুদুরের সীমানাটা যদি উল্টে দেখা যেত!

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

লোদী ভাইয়ের সেই পোস্টে আমি আমার সর্বশেষ মন্তব্যে লোদী ভাইকে বলেছিলাম আপনার হারানোর কিছু নাই। বরং আপনি সাহসিকতার সাথে এগিয়ে এলে বাকীদের একটা মেজেস দেয়া হবে।

আমি জানিনা লোদী ভাই আমার কথায় আহত হয়েছিলেন কিনা। যদি হয়ে থাকেন তাহলে বলছি আপনি মনে হয় একটা বিরাটা সুযোগ মিস করলেন। আপনার নাম কমে যেতো না, আপনার নতুন করে নামেরও প্রয়োজন ছিলনা। সেটা না করে আপনি পোস্ট মুছে দিলেন। অথচ আপনাকে হারিয়ে (যদি সত্যিই চলে গিয়ে থাকেন) আমি কিন্তু আহত হয়েছি। তবুও আমি মনে করি আমার আহবানটি অযৌক্তিক ছিলনা। আপনি যদিও স্বীকার করেছিলেন নয়াদিগন্তে আপনি আর লিখবেন না। তবুও হিমু আপনাকে, আমি বলবো, বেশ চাপাচাপি করেছিল। হিমুর ঐ অবস্থান আমাকে কিছুটা যে বিব্রত করেনি তা নয়, তবে সাময়িক বিব্রতবোধকে সরিয়ে রেখে চিন্তা করে দেখেছি হিমুর অবস্থান অযৌক্তিক নয়। ব্যাপারটা যত রুক্ষই দেখাক, শেষ পর্যন্ত হিমুর অবস্থানকে সঠিক মনে হয়েছে। তাই আপনাকে ঐ অনুরোধ করেছিলাম। সেই সাথে হিমুকেও অনুরোধ করেছিলাম যে শুধু লোদী ভাই নয় অন্য প্রথিতযশা যারা লিখছেন তাদের সবার নাম উল্লেখ করে পোস্ট দিন।

হিমু সম্মতি জানিয়েছিল। আমি আশা করবো হিমু তার কথা রাখবে।

সোয়াদ [অতিথি] এর ছবি

তমিজউদ্দীন লোদীর লেখা আমার কাছে ভালো লাগতো, কবি হিসেবে তাঁর সুনামও শুনেছি অনেক। সচলায়তনে তাঁর লেখা পড়তে পারলে আনন্দ পেতাম।

একটা প্রশ্ন বিরক্ত করছে আমাকে খুব; নয়াদিগন্তে প্রগতিশীল কবিরা লেখেন, তাই জামাতিদের পাপ মাফ- এটা কি কোনো যুক্তি হলো? এমন যুক্তি কি কেউ কখনও দিয়ে টিকতে পারবে?

আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে, পারবে না।

হিমু এর ছবি

সোয়াদ সাহেব, আপনাকে একটি মডেলের কথা বলি। আমরা এটিকে বলি হোস্ট-প্যারাসাইট মডেল।

লক্ষ করে দেখবেন, নব্যআলবদর যারা আছে, তারা কিন্তু পষ্টাপষ্টি একনাগাড়ে নিজেদের আলবদরীয় কথাবার্তা বলে না। তারা চায় স্বাভাবিক, সাধারণ মানুষের কথার ফাঁকে আলবদরীয় কথা গুঁজে দিতে। কারণ তারা জানে, তারা একনাগাড়ে তাদের আলবদরী মুখ খুললে এক পর্যায়ে হয় ধোলাই খেতে হবে, বা তাদের মিডিয়া গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।

ফলে তারা একটি হোস্ট-শরীর খোঁজা বা হোস্ট-শরীর নির্মাণের চেষ্টা করে, যে শরীরটির অস্থি-মাংসে থাকবে সাধারণ মানুষের সাহিত্য, আর পরজীবী কীটের মতো থাকবে তাদের মতাদর্শীয় কথাবার্তা। এই হোস্ট-শরীর নির্মাণের জন্যে তাদের প্রয়োজন এই বরেণ্য লেখকদের।

এখনই রাজাকার মুজাহিদ বলে বেড়ায়, তারা যদি সত্যই যুদ্ধাপরাধ করতো, তাহলে কেন গত ৩৮ বছরে তাদের বিচার হলো না? এই ধোঁকা নতুন প্রজন্মকে দেয়া আরো সহজ হবে, যখন তাদের দেখানো যাবে, এই যে দেখো আমাদের কাগজে মুক্তিযোদ্ধা রফিক আজাদ লেখেন। তাদের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হবে তো এঁদের অংশগ্রহণেই। এর ফাঁকে এই নব্যআলবদর গোষ্ঠী নিজেদের প্রোপাগাণ্ডা চালিয়ে যাবে। ১০টা সাধারণ লেখার সাথে ১ টা প্রোপাগাণ্ডা যখন থাকে, তখন সেই ১১টিকেই ভক্ষণ করার মতো কমবুদ্ধির লোকের তো অভাব নেই।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

সোয়াদ [অতিথি] এর ছবি

নয়াদিগুর প্রপাগান্ডার ব্যাপারে আমার দ্বিমত নাই মোটেও। আমার দ্বিমত এই প্রপাগান্ডা (প্রপাগান্ডার বাংলা কী?) মানুষ কতোটা খাবে তা নিয়ে। "রফিক আজাদ তো আমাদের সাথে আছেন তাই আমরা স্বাধীনতার পক্ষে" এই যুক্তি খাবার মতো বেকুব কেউ নাই বলেই মনে হয়; যারা খায় তারা আগে থেকেই ওই ক্যাম্পে প্রিডিসপোসড এবং তারা ভান করে যে এমন অকাট্য যুক্তি কেউ কখনও দেয় নি।

তমিজউদ্দীন লোদী বা রফিক আজাদ বা গুন নয়াদিগন্তে লিখলে এর ফলে জামাতীদের নতুন রিক্রুটমেন্টে সুবিধা হবে এটা মনে হয় না আমার। যাদের জামাতে যাওয়ার তারা এমনিতেই যাবে (এবং তাদের দৌড়ের উপর রাখা হবে, হচ্ছেও)।

আমি আর একটা ব্যাপার ভেবে আশ্বস্ত বোধ করি যে, প্রোপাগান্ডা তো কম হয় নি, ৭৫ এর পর থেকে অন্ততঃ ৯০ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিযে নানান কারসাজী চলেছে। এত (এমনকী সরকারী) প্রোপাগান্ডার পরেও তো জামাতীদের বিরুদ্ধে মানুষ কম নাই, সচেতনতাও বাড়ছে বলেই দেখতে পাই। এটা অত্যন্ত ইতিবাচক, আমার দৃষ্টিতে।

হিমু এর ছবি

ব্যাপারটা অন্যরকম। রফিক আজাদের লেখা পড়তে লোকে তাদের কাগজ হাতে নেবে, এবং সাথে কোন এক আলবদর দার্শনিকের লেখা বিকৃত ইতিহাস বা তত্ত্বও গিলবে। জিনিসটা তো এক প্যাকেজে আসে। আপনি ১০টা গল্প-উপন্যাস-কবিতার সাথে একটা প্রোপাগাণ্ডা টুক করে খেয়ে ফেলবেন। আপনি ভাবছেন দেশে বেকুব নাই। দেশে প্রচুর বেকুব।

ছোটোবেলায় শাকসব্জি খেতে চাইতাম না, মুরগির ঝোল দিয়ে ভাত মাখার ফাঁকে আম্মা চট করে একটু শাক লোকমা পাকিয়ে খাইয়ে দিতো। আলবদরদের তরিকাও এখন এমনই। আমাদের অবিবেচক ইয়া বড় বড় বুদ্ধিজীবীরা ঐ মুরগির ঝোলের ভূমিকা নিয়েছেন।

আর লোদী সাহেব শুনলাম দীর্ঘদিন ধরেই আলবদরের নানা কাগজে লিখছেন। চট্টগ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী আলবদরের কাগজের তিনি নিয়মিত লেখক। তিনি সম্ভবত পুরান পাপী। ফকির বাবাজি নব্য দালাল। চে গেভারার ছবি আঁকা টিশার্ট পরে আলবদরের কাগজের সাফাই গায়।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

সোয়াদ [অতিথি] এর ছবি

"ছোটোবেলায় শাকসব্জি খেতে চাইতাম না, মুরগির ঝোল দিয়ে ভাত মাখার ফাঁকে আম্মা চট করে একটু শাক লোকমা পাকিয়ে খাইয়ে দিতো"

মুশকিলটা বোধহয় এখানে হচ্ছে। আমি পাঠকদের শিশু মনে করি না। যারা শিশুদের মতো আচরণ করেন তারা ভন্ড। এটা আমি ব্যাক্তিগত পরিসরে প্রচুর, প্রচুর দেখেছি।

ব্যাপারটাকে আমি কোরানে বিজ্ঞান পাবার সাথে তুলনা করি। যারা খুঁজে পান তারা পেতে চান বলেই পান।

তবে একথা সত্য যে আজ নয়াদিগু নির্লজ্জ রকমের পাকি বক্তব্য ছাপলে আজাদ, লোদী, গুনরা প্রতিবাদে কিছু বলতে পারবেন না- কারণ তাঁদের বীচি আটকানো। কিন্তু এও সত্য যে এতে জাতির ক্ষতির চেয়ে এই লেখকদের ক্ষতি বেশী। পুরো জাতির বিপক্ষে দু একজন লেখক তুচ্ছ।

ফকিরের ব্যাপারে বলার কিছু নাই।

ওপাড়ার লেখা আপনি পড়েন কী না জানি না, তবে কিছুদিন আগে শুনছিলাম আওয়ামী লীগের দালাল বলে গালাগালি করছে তাকে। আজকে শুনছি জামাত। বাকী তো থাকলো না কিছু। হাসি

হিমু এর ছবি

ভাই, আমার কাছে প্রচুর লোককে ফেন্স-সিটার মনে হয়। একজন দুইজন না। আমি পৃথিবী সম্পর্কে ব্লগে বসে ধারণা নেই না। কাজের সূত্রে আমাকে বাংলাদেশের ৫৯টা জেলায় ঘুরতে হয়েছে একসময়, আমি লোকজনের আচরণ মনোযোগ দিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি, কথাবার্তাও বোঝার চেষ্টা করেছি। আপনি প্রচুর "কনফিউজড" লোকজনককে ঠেলে বেড়ার ঐ পাশে নিয়ে ফেলতে পারবেন এই লেখকদের ধান্ধাবাজিকে সম্বল করে।

আল-মাহমুদকেই দেখুন। প্রথমে রটিয়ে দেয়া হলো সে একজন মুক্তিযোদ্ধা। এরপর বলা হলো সে ভুল বুঝতে পেরে ইসলামের পথে [পড়ুন জামাতের পথে] ফিরে এসেছে। এই প্রোপাগাণ্ডা একজন মফস্বলের বিভ্রান্ত কিশোরের কাছে কী বার্তা কীভাবে পৌঁছায়, আপনি না দেখলে বিশ্বাস করবেন না।

খুব ছোটো ছোটো জিনিসই পাত্তা দেয়া না হলে জমতে জমতে বড় হয়। পুরো জাতিকে তো বিভ্রান্ত করতে হবে না, একটা অংশকে করতে পারলেই স্নোবলটা গড়ানো শুরু করবে।

ওপাড়ায় যাওয়া হয় না। ফকির সাহেবের কীর্তি দেখতে গেলাম বহুদিন পর। আমার কাছে মনে হয়েছে, উনি সামনে যা পাচ্ছেন আঁকড়ে ধরে দালালি করছেন, যা হোক একটা দাও কিছু হাতে একবার মরে বাঁচি টাইপ। যদিও ওনার পোস্টটি ছিলো কবীর চৌধুরী প্রমুখদের ইজ্জত বাঁচাতে চাওয়ার একটা বীর উদ্যোগ, কিন্তু কাজটিতে তিনি নেমেছেন তাঁর সহশহুরে লোদীর উসকানিতেই, তাতে সন্দেহ নেই। সম্ভবত উইকেন্ডে চ্যাংড়াপ্যাংড়াদের হাতে অপদস্থ হয়ে কাঁদোকাঁদো লোদী বিচার ঠুকেছেন হরফুন মৌলা ফকিরের কাছে, এবং তিনিও অনেক ভেবেচিন্তে টিকটিকি শব্দটিকে যুৎসই ভেবে বেপাড়ায় লিখতে বসে গেছেন। ভালো লাগতো যদি কোনো যুক্তি হাসান মোরশেদের পোস্টেই উনি বলতে আসতেন, তিনি একজন পূর্ণ সচল, এমন না যে ওনার বক্তব্য মডারেশন হয়ে আসতো।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

সুদীপ্ত [অতিথি] এর ছবি

লাল-সবুজ আর চাঁদতারা'য় প্রেম হয়নি, হয়না কোনদিন।।

এটাই হল মূল কথা। এইসব ভাড়াটে লেখক কিংবা টকশোর অতিথিরা টাকার লোভে নয়াদিগন্তে লিখবেন, দিগন্ত টিভিতে সাক্ষাৎকার দেবেন, গ্রহণ করবেন ছাত্রশিবিরের সম্মাননা - কিন্তু তাতে তাদের পরিচয় পালটে যাবে না। নিজামী মুজাহিদ গং এর জন্যে যেমন ঘৃণা ছাড়া আর কিছু নেই, তেমনি এসব পতিতা লেখকদের জন্যও এক দলা থুথু।

লেখককে ধন্যবাদ চমৎকার লেখাটির জন্য।

হাসান মোরশেদ এর ছবি

সবার কি আর বৃংহতি হয়?
দু চারজন জনকে সময়মতো টিকটিক করতেই হবে।

আমরাই না হয় টিকটিকি হয়ে থাকলাম। ফকির ইলিয়াস ভাইয়েরা হস্তী হয়ে উঠুন।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

হিমু এর ছবি
মামুন হক এর ছবি

আমরাই না হয় টিকটিকি হয়ে থাকলাম।

---সেটাই হাসান ভাই। আমরা টিকটিকি হয়েই থাকি। ফকির-দরবেশ হবার দরকার নাই। তবুও দেশের মাটি আর শহীদের রক্তের সাথে বেঈমানী করতে পারুম না। টিকটিকি হয়েই থাকি, বিচ্ছিন্ন উপগ্রহ হয়ে থাকি, তবুও মানুষ হয়েই থাকতে চাই।

স্পর্শ এর ছবি

জ্ঞান পাপীরা কেন এটা বুঝতে পারছে না যে তারা 'দেশবরেণ্য' মানুষ। তারা যে ভাগাড়ে নিয়মিত যাবে সেটাও 'দেশবরেণ্য' হয়ে যাবে দুদিনব বাদে। সেখানে গিয়ে তারা উত্তরাধুনিক কবিতা লিখলো নাকি কোয়ান্টাম মেকানিক্স লিখলো তাতে কিছু আসে যায় না। এই কথাটা সকল ফকির-আমির-রাজা-বাদশাদের বোঝার মত বুদ্ধি থাকা উচিত।

নাহলে তারা যতটুকু দিয়েছেন এ জাতিকে তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে। বিদায়।
মেধা সবকিছুকে হালাল করে না।

*
কিছু ভালোলাগা মানুষ জড়িত বলেই শুধু লোদী সাহেবের মুখের কথায় ভিত্তি করে তীব্র কিছু বলতে দ্বিধা কাজ করছে। দেশে কেউ কি আনিসুজ্জামান, নিরমলেন্দু গুণ... প্রমুখের লেখার স্ক্যান সংগ্রহ করতে পেরেছেন?


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

নাশতারান এর ছবি

ফকির ইলিয়াস ভাই শহীদ জননীর উক্তি তুলে ধরলেন।
"চেনা শত্রুর
চেয়ে , নিজেদের মাঝে ঘাপটি মেরে থাকা শত্রুরাই বেশী বিষাক্ত।
যারা প্রকারান্তরে সৃজনশীল প্রগতিরই ক্ষতি করে।"

শহীদ জননী বেঁচে থাকলে কি তিনি তাঁর কথার এহেন ব্যবহার দেখে আহত বোধ করতেন না?

একাত্তরে যারা বুদ্ধিজীবি হত্যা করে দেশকে মেধাশূন্য করেছে তারা আজ বুদ্ধিজীবিদের পকেটে পুরে দেশ কেনার পাঁয়তারা করছে।

এই তী্ক্ষ্ণধী মানুষগুলো কি সেটা বুঝতে পারছেন না?

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

হিমু এর ছবি

ফকিরের কথামতো, তমিজউদদীন লোদী আলবদরের কাগজে লিখে সৃজনশীল প্রগতি করে করে দুনিয়া উল্টে দিচ্ছে, আর এ নিয়ে অভিযোগ করায় আমরা ঘাপটি-মেরে-থাকা শত্রু হয়ে গেছি।

ফকির ইলিয়াসের মতো সাহিত্যবেশ্যাবৃত্তির দালালদের কারণেই আলবদর প্রজন্মান্তরে যেতে পেরেছে। থুথু দেই এই দালালদের মুখে।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

সবজান্তা এর ছবি
হিমু এর ছবি

তমিজউদদীন লোদী আর ফকির ইলিয়াস দুইজনই নিউইয়র্কবাসী। বোধ করি পরিচিত।

লোদীর এইটুকু সৎসাহস হলো না, সে সচলায়তনে এসে এই যুক্তিগুলো খণ্ডন করবে, সে ফকির ইলিয়াসকে ধরে অন্য একটি কমিউনিটি ব্লগে হাবিজাবি কথা বলিয়ে নিলো। ফকির সাহেব সচলায়তনেই এই প্রসঙ্গে আলোচনা করতে পারতেন, সেই সুযোগ তিনি নিলেন না, তিনি সামুতে গেলেন খিস্তি করতে।

ভাড়াটে গালিবাজ ফকির ইলিয়াসকে বলছি, বাংলাদেশের জন্য , বাংলাভাষার জন্য, বাংলা সংস্কৃতির জন্য একজন কবীর চৌধুরী , একজন নির্মলেন্দু গুণ, একজন রফিক আজাদ যে ক্ষতি করার সামর্থ্য রাখেন এইসব আলবদরের কাগজে লিখে, সে সম্পর্কে তিনি অবগত তো?

আলবদরের ভাড়াখাটা বুদ্ধিজীবী তমিজউদদীন লোদীর ভাড়াটে গালিবাজ ফকির ইলিয়াসকে ধিক্কার জানাই। ধিক্কার জানাই এই সাহিত্যবেশ্যাবৃত্তির দালালি করার জন্য।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

বইখাতা এর ছবি

তমিজউদ্দিন লোদীর দুইটা ধারাবাহিক গল্প ভালোই পছন্দ করেছিলাম। কিন্তু নয়াদিগন্তে লেখা নিয়ে এই পোস্ট আর মন্তব্য থেকে যা জানলাম, খুব দুঃখজনক। আমি মনে করি, তমিজউদ্দিন লোদী একটা বড় সুযোগ হারালেন। তিনি যদি পোস্ট মুছে নিরবে সরে না গিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করে, দুঃখ প্রকাশ করে একটা লেখা দিতেন, তার নিজের জন্য ভালো তো হতোই, এটা একটা ভালো উদাহরণও হয়ে থাকতো। শুধু তমিজউদ্দিন লোদীই নন, বড় বড় লেখকরা, যারা একই দোষে দোষী, এই পোস্ট আর মন্তব্যগুলি থেকে যাদের কথা জানতে পারলাম, কেন এবং কীভাবে যে তারা জামাত-শিবিরের কুকর্মের কথা ভুলে যান, অবলীলায় অগ্রাহ্য করে যান, বুঝিনা !

হিমু এর ছবি

লেখককূলের বিবেকবুদ্ধি হারিয়ে গেলো শেষে
হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে
লোদীর কাছে গিয়েছিলেম, "আছে তোমার কাছে?"
"হাত দিও না আমার বিবেক মগবাজারের পাছে।"



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

সবজান্তা এর ছবি

ফকির ইলিয়াসের একটি মন্তব্য দেখা যাক।

উনি বলেছেন-

দেখুন , হিপোক্র্যাটদের আমি ভালোই চিনি।

যারা হুমায়ুন আহমেদ এর চরিত্র নাম কপি করে নিজে নিক নেয় ,
তারাই আবার হুমায়ুন আহমেদ এর লেখালেখি , নিয়ে প্রশ্ন তোলে
তারা ভন্ড তো বটেই ।

উনি কেমন চিনেন, বোঝাই গেলো। তাঁর ধারণা হিমু ভাইয়ের নামটা হু আ- এর বই থেকে ধার করা।

আমাদের ব্লগ পাড়ায় এখন অতি উৎসাহী ভন্ডদের উপদ্রব ।
এরা যে কোনো সৃজনশীল লেখককেই উৎপাত করতে প্রস্তুত না না
কারণে।

আমাদের ব্লগ পাড়ার ব্যাপারটাও ঠিক পরিষ্কার না। ফকির সাহেব মনে হয় হিমু ভাইয়ের আগে ব্লগে পাড়া দেন নি, যতোটুকু মনে পড়ে। তাহলে "তাদের" ব্লগ পাড়ায় কীভাবে "এখন" ভণ্ডদের উপদ্রব, সেটাও পরিষ্কার না। উনি বলতে পারতেন, ব্লগ পাড়ায় বরাবরই ভণ্ডদের উপদ্রব। যৌক্তিক শোনাতো।

এখন কথা হচ্ছে, সচলায়তন টিকিটিকির জায়গা। অন্য ব্লগও সম্ভবত ফকির ইলিয়াস বান্ধব কিছু নয়। সামহোয়্যার ব্লগেও তাকে টিকিটিকি সদৃশ ব্লগাররাই প্রচুর 'আজে বাজে' কথা বলেছে। এমন কী ফেসবুকে একটা ইয়ে টাইপ গ্রুপও খুলেছে। তবুও ফকির সাহেব কেন ব্লগেই লিখেন ?

'লাল সবুজের' প্রতি সুদৃঢ় প্রেম নিয়ে দেশের কৃতি সন্তানদের সাথে নয়া দিগন্তে কলাম লিখলেই পারেন। টিকিটিকির ঘরে হাতির পাড়া দিয়ে লাভ কী ?


অলমিতি বিস্তারেণ

হিমু এর ছবি

হিপোক্র্যাট বলে কোনো শব্দ নাই। ফকির একে সাহিত্যবেশ্যার দালাল, তার ওপরে আংরেজিতে দুব্বল। হিপোক্রিট বলে একটা শব্দ আছে যেটা তার ক্ষেত্রে শতভাগ খাটে। লাল-সবুজের প্রতি দৃঢ় আনুগত্য নিয়া সে আলবদরের কাগজে ভাড়া খাটা সাহিত্যবেশ্যাদের দালালি করে যাচ্ছে।

সাহিত্যমাসী ফকিরের জন্য একটা ভালো ডিকশনারির সন্ধান দিয়া যাই। আংরেজি শব্দ ব্যবহারের আগে একটু চোখ বুলিয়ে নিলে উপকৃত হবে।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

ফকির লোকটাকে তো ভাল ভাবতাম। মন খারাপ
____________________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ !

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

ধুসর গোধূলি এর ছবি

ঐ পতিত প্রবণটির অবশ্য লেখক হয়ে উঠা হয়েছে। বইমেলায় শীর্ষ বিক্রীর তালিকায় তার নাম-ধাম।
শুরু থেকেই এই জাতীয় পয়মন্ত ঘরানার লেখক হবার খায়েশধারীদের কারণেই নয়া দিগন্ত জন্ম নেয়।

মাথায় মাল থাকলে নয়া দিগন্তে ফিগন্তে ডায়রিয়া নামাতে আর নিজেকে পতিতা বানাতে হয় না। চিঙড়ির গু মাথায় নিয়ে নামের পাশে লেখক তক্মা আঁটে বটে, কিন্তু আদৌ লেখক হয় কিনা এইসয় পয়মন্ত লেখক হবার খায়েশীদের, আমার জানা নেই।

তবে হ্যাঁ, এটা ঠিক যে দেহ বিক্রি করেও অনেকে পয়সা রোজগার করে। আর এইসব পয়মন্তরা করে নিজেদের মাথার সাথে সাথে পুটকিও বন্ধক রাখে। এদের চেয়ে দেহ ব্যবসায়ীদের রোজগার অনেক অনেক পবিত্র।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

সাহিত্য চর্চার তলানীতের থাকা খুঁদ-কুটার জন্য এসব ক্লম্বাজ ঝোলে-ঝালে-অম্বলে সব জায়গায় থাকতে চায়। মাঝে মাঝে স্বরূপ প্রকাশিত হলে এদের চিনতে সুবিধা হয়।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

১.
সময়মতো থামতে শেখাটা জরুরী। নির্মলেন্দু গুণের কবিতা ভীষণ প্রিয় আমার। কিন্তু এখন যদি হিসেব করে দেখি, তাহলে দেখবো ভগবান গৌতম বুদ্ধের নাম নিয়ে অতঃপর যিনি মাঠে নেমেছিলেন, তিনি এখন কেবলই মুঠোফোনপ্রেমজাতকাব্য লিখতে আগ্রহী। তিনি এখন আর প্রেমাংশুর রক্ত চান না, কেবলই কাম চান। স্বাধীনতা শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো তা বোধহয় এখন আর তাকেঁ খুব বেশি ভাবিত করে না।

কতদিন নির্মলেন্দু গুণের কিছু পড়ি না? মনে করতে পারবো না। এটাকে আমার ব্যর্থতা বলেও মানছি না, তারই ব্যর্থতা বলবো আমি।

২.
রফিক আজাদ আরেক প্রিয় কবি। মুক্তিযোদ্ধা। ৭৪এ যিনি বলেছিলেন "ভাত দে হারামজাদা, নইলে মানচিত্র খাবো", এখন তিনি প্রতি সন্ধ্যায় সাকুরার মামুদের কাছে তরলই চান কেবল... মানচিত্রের প্রতি আগ্রহ কমে গেছে।
আমাদের বুদ্ধিজীবী মাধবীরা এসেই বলে যাই মধু লুটে আসি...

৩.
আসাদ চৌধুরীর কবিতা খুব ভালো মানের মানিনি কখনো। তার তো কোনো "প্রশ্ন নেই, উত্তরে পাহাড়" কেবল... আর মুখে কেবলই "তবক দেওয়া পান"

৪.
আর কার কার নাম দেখলাম পোস্টে মন্তব্যে, ভুলে গেছি এতো মন্তব্য পড়তে পড়তে। তবে মনে আছে রেজাউদ্দিন স্ট্যালিনের কথা... এবার গড়াগড়ি দিয়ে হাসা ছাড়া আর কিছু করার নাই। এরশাদ বিএনপি জামাত... কোনটার চামচামি করে নাই লোকটা?
অনেক বছর আগে পড়া স্ট্যালিনের একটা কবিতার কথা মনে পড়তেছে... [একটা দুটোই পড়েছি স্ট্যালিন, বেশি পড়ার মুরোদ হয় নাই] যেখানে সবকিছু বদলে দেওয়ার কথা ছিলো। হায়... দালালরা কখনোই বদলায় না নিজেকে, প্রগতিশীলরা অসম্ভব গতিশীল... বদলে যেতে সময় লাগে না।
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

অসাধারণ মন্তব্য।

আমার আর কিছু বলার নাই।

সুমন চৌধুরী এর ছবি

এর পরে আসলে কথা থাইমা যাওয়ার কথা। ক্লাসিক মন্তব্য !!



অজ্ঞাতবাস

তুলিরেখা এর ছবি

কী যে সব হচ্ছে! এক ভদ্রলোককে সচল হিসাবে দেখতাম, মাঝে মাঝেই কবিতা টবিতা লিখতেন, আজ দেখি তিনিই কীসব গালাগালি দিয়ে অন্য জায়গায় লিখেছেন! এইসব দেখে কেমন জানি লাগে! মন খারাপ
ধর্মব্যবসায়ীদের পত্রিকায় দেশের বড় বড় লেখকেরা এভাবে লেখেন কেন? নিজের ইচ্ছাতেই নাকি টাকার লোভে নাকি বাধ্য হয়ে? আর কোনো বড় জায়গা নেই বা সেসবে লিখলে প্রচার হবে না বলে? ধর্মব্যবসায়ীদের পত্রিকা এভাবে এতখানি ওঠেই বা কেমন করে? এ যা লিস্ট দেখলাম তাতে তো নামকরা বহু লোকই ওদের পত্রিকার সূচীতে! এঁদের কাছে জিগ্গেস করার কোনো উপায় আছে কেন এভাবে বিকিয়ে গেছেন? তাহলে আত্মপক্ষে এঁদের কিছু বলার আছে কিনা বোঝা যেত! এরা নিজেরা মিলেই তো বিকল্প প্লাটফর্ম দাঁড়া করিয়ে পত্রিকা বার করতে পারতেন!

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

স্পর্শ এর ছবি

কবরে এক পা গেলে ধর্মকর্মে মন বসে। বুড়ো হয়েছে যে...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।