সেদিন ছিলো ১০ই জানুয়ারী ১৯৭২

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: রবি, ১০/০১/২০১০ - ৮:২৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের রাত। অপারেশন সার্চ লাইট নামের কুখ্যাত নিধনযজ্ঞ শুরু হয়ে গিয়েছে। সহকর্মী সবাইকে ঢাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের বাড়ীতে অস্থির পায়চারী করছেন বঙ্গবন্ধু। গোলাগুলির পরিমান সেই সাথে নিরীহ বাঙ্গালীর প্রতিরোধের স্লোগান জয়বাংলা ধ্বনি বাড়ছে। শোনা যাচ্ছে আর্ত চিৎকার আর ছোটাছুটির শব্দ। চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবার আগে দোতালার বারান্দা থেকে কয়েকবার ঘুরেও এলেন, শেষবার যখন গেলেন দেখতে পেলেন পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর গাড়ী আস্তে আস্তে এগিয়ে আসছে তাঁর বাড়ীর গেটে, ঘড়িতে সময় ২৬শে মার্চ ভোর ১টা ১০মিনিট, বুঝতে পারলেন হাতে আর সময় নেই, ৭ কোটি বাঙ্গালীর আরাধ্য ঘোষনাটি প্রচার করলেন বঙ্গবন্ধু

"I appeal and order you all in the name of Almighty Allah to fight to the last drop of blood to liberate the country. Ask police, the E.P.R., the Bengal Regiment and the Ansars to stand by you and to fight. No compromise. Victory is ours.",

উনি জানেন ইতিমধ্যেই তাঁর সহকর্মীরা পৌঁছে গেছেন নিরাপদ জায়গায়, এ ঘোষনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব তাঁরা ঠিকই পালন করতে পারবেন। মনে প্রশান্তি নিয়ে অপেক্ষায় থাকলেন মৃত্যুর।

বঙ্গবন্ধুর নিজের জবানীতে এ সম্পর্কে শুনুন “ গত সংগ্রামের সময়, ২৫শে মার্চ তারিখে আক্রমণ চলে এবং যখন আমার বাড়িতে মেশিনগান মেরে আমাকে গ্রেফতার করে, তখন আমার সহকর্মিদের আমি হুকুম দিয়েছিলাম, যাও, চলে যাও যার যার এলাকাতে, গিয়ে প্রতিরোধ-আন্দোলন গড়ে তোল এবং সংগ্রাম চালিয়ে যাও! ... ... ... ... যখন আমি বুঝতে পারলাম আর সময় নেই এবং আমার সোনার দেশকে চিরদিনের মত ছেড়ে যেতে হচ্ছে, তখন আমার মনে হল, এই বুঝি আমার শেষ। তখন আমি চেষ্টা করেছিলাম কেমন করে বাংলার মানুষকে এ খবর পৌঁছিয়ে দেই এবং তা আমি পৌঁছিয়ে দিয়েছিলাম তাদের কাছে। সেদিন আমি লাশ দেখেছি, রক্ত দেখেছি। সেই রক্তের উপর দিয়ে আমাকে নিয়ে যাওয়া হয়, সেই রক্তাক্ত মানুষের লাশের পাশ দিয়ে আমাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়। সে আগুন আমি দেখেছি। শুধু বলেছিলাম, তোমরা আমাকে হত্যা কর, আমার মানুষকে মেরোনা। তারা আমার কথা শুনে নাই... ... ... ...”[১]


কিন্তু না, বিধাতার ইচ্ছা ছিলো অন্যরকম। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী তাঁকে তুলে নিয়ে গেলো, বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের কারাগারে। ৯ মাসের উপর কারাগারে আটক বঙ্গবন্ধু নানাভাবে মানসিক নির্যাতনের শিকার হলেও একবারের জন্যও বিন্দুমাত্র টলানো যায়নি তাঁকে।

একাত্তরের অক্টোবর মাসের শেষাশেষি সময়। রাত দেড়টা কি দুটো। শুনতে পেলেন মাটি কাটার শব্দ আর ফিস-ফিসানি আওয়াজ। কান সজাগ করে যা শুনলেন তা অবিশ্বাস্য না হলেও ভয়ঙ্কর। পাঞ্জাবী ও উর্দু মিশানো আলোচনা হচ্ছিলো কারারক্ষী ও মাটি কাটা শ্রমিকের মাঝে। মর্মার্থ এই যে, শেখ মুজিবের গাদ্দারী আর সইবেনা ইয়াহিয়া খান, অখন্ড পাকিস্তানের কনফেডারেটেড অস্তিত্বের প্রস্তাবও গতকাল ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে মুজিব। তাই হুকুম জারি হয়েছে জেলখানার ভিতরেই কবর খননের। যাতে সুবেহ সাদেকের সময় ফাঁসি দিয়ে শেখ মুজিবের কবর হয়ে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে বিপদ সংকেত পেলে যা সচরাচর করতেন, তাই করলেন বঙ্গবন্ধু “আলহামদু লিল্লাহ আর কুলহুয়াল্লাহ সূরা পড়লাম। হঠাৎ করে শঙ্কিত হয়ে পড়লাম, পূর্ব ঘোষনামতে ইয়াহিয়ার দোসররা কি সত্যই বাংলাদেশকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেবে। একমাত্র আল্লাহই পারেন বাঙ্গালিদের রক্ষা করতে গোলামীর জিঞ্জির থেকে।” কয়েক সেকেন্ড নীরব থেকে বাষ্পরুদ্ধ কন্ঠে বললেন, “সে রাতে বড় বেশি বিচলিত হয়ে পড়েছিলাম।” [২]


অবশেষে একদিন পূব দিগন্তে দেখা দিলো লাল সূর্য। তারও কিছুদিন পর ১৯৭২ সালের ৮ই জানুয়ারী কারাগার থেকে বাইরে এলেন বঙ্গবন্ধু। সেখান থেকে সোজা লন্ডন, তৎকালীন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী এড্‌ওয়ার্ড হীথের সাথে সাক্ষাত শেষে রাজকীয় বিমানে চড়ে এলেন দিল্লী, ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ভরগাগিরি ভেঙ্কট গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সহ পুরো মন্ত্রীসভা, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানগণ লালগালিচা বিছিয়ে বরন করে নিলেন বঙ্গবন্ধুকে। এদিকে তেজগাঁ বিমানবন্দরে লাখো কোটি বিজয়ী বাংগালী অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় তাঁর। একসময় অপেক্ষা শেষে রাজকীয় বিমানের সিড়ি বেয়ে অশ্রুসিক্ত বঙ্গবন্ধু চোখ মুছতে মুছতে নেমে এসে মিশে গেলেন জনসমুদ্রে।

সেদিন ছিলো ১০ই জানুয়ারী ১৯৭২ সাল।


ঐতিহাসিক সেই দিনটির কথা আমরা অনেকেই এখন আর মনে করিনা, বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই তা শুনেওনি। আমাদের মনে আর বর্তমান প্রজন্মের কাছে সেই দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরার চেষ্টায় নিচের এই ব্যানারটি করা হয়েছে।
সেদিন ছিলো ১০ই জানুয়ারী ১৯৭২

সূত্রঃ
[১] ৪ঠা নভেম্বর ১৯৭২ সালে সকাল ১০-৪০ মিনিটে তৎকালীন গণপরিষদের এ্যাসেম্বলীতে বাংলাদেশের শাসনতন্ত্র উপস্থাপনকালে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ
[২] ডঃ মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের স্মৃতি কথা থেকে


মন্তব্য

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

এই অসাধারণ লেখা নিজের ব্যক্তিগত ব্লগে প্রকাশ করলেন কেন?

আপনার ব্যানার আসলেই মুস্তাফিজিয়। আপনার কাজের প্রশংসা করতে গেলে বিশেষণে টান পড়ে। অনিকেতদা ঠিকই বলেন।

মুস্তাফিজ এর ছবি

লেখাটা কয়েকদিন ধরেই লিখছি, বাসায় আর অফিসে বসেই। কিছু তথ্য/সোর্স বসানোর জন্য নিজের ব্লগে রেখেছিলাম, উদ্দেশ্য ছিলো আজকেই প্রকাশ করার।
আমি পারছিলামনা, শেষ পর্যন্ত মডুদের দারস্থ হতে হয়েছে সামনে আনার জন্য।

...........................
Every Picture Tells a Story

সাইফ তাহসিন এর ছবি

আপনার ব্যানার আসলেই মুস্তাফিজিয়। আপনার কাজের প্রশংসা করতে গেলে বিশেষণে টান পড়ে। অনিকেতদা ঠিকই বলেন

চলুক
=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদ্বপি গরীয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

রাহিন হায়দার এর ছবি

অসাধারণ ব্যানারটির জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

মুস্তাফিজ এর ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ

...........................
Every Picture Tells a Story

রেনেট এর ছবি

বিনম্র শ্রদ্ধা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানকে।
মুস্তাফিজ ভাইয়ের তুলনা নেই। আগে শুধু ছব দেখেই মুগ্ধ হতাম, এখন হই লেখা পড়েও। বিষয়বস্তু নির্বাচনও অসামান্য।
---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

মুস্তাফিজ এর ছবি

আমি শুধু কিছু তথ্য সামনে নিয়ে এসেছি, পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

...........................
Every Picture Tells a Story

অতিথি লেখক এর ছবি

আজকের এই দিনে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

অসাধারন হয়েছে লেখাটি। অনেক ধন্যবাদ ভাই।
লেখাটি স্টিকি করার জন্য অনুরোধ করছি।

শেখ আমিনুল ইসলাম

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ শেখ আমিনুল ইসলাম

...........................
Every Picture Tells a Story

মুস্তাফিজ এর ছবি

চলুক

...........................
Every Picture Tells a Story

নুরুজ্জামান মানিক এর ছবি

চলুক সরাসরি প্রিয়তে ।

নুরুজ্জামান মানিক
*******************************************
বলে এক আর করে আর এক যারা
তারাই প্রচণ্ড বাঁচা বেঁচে আছে দাপটে হরষে
এই প্রতারক কালে (মুজিব মেহদী)

নুরুজ্জামান মানিক
*******************************************
বলে এক আর করে আর এক যারা
তারাই প্রচণ্ড বাঁচা বেঁচে আছে দাপটে হরষে
এই প্রতারক কালে (মুজিব মেহদী)

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ মানিক ভাই

...........................
Every Picture Tells a Story

অতিথি লেখক এর ছবি

বেঁচে থাকুন তিনি আমাদের প্রতিটি সাফল্য এবং ব্যথর্তায়...দুঃখ এবং আনন্দে...ক্ষোভে ও শপথে এবং আমাদের হৃদয়ে হৃদয়ে।

ধন্যবাদ আপনার লেখার জন্য...

###তাসনীম###

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ তাসনীম

...........................
Every Picture Tells a Story

তিথীডোর এর ছবি

অসাধারণ একটি লেখা...
ভযাবহ সুন্দর একটি ব্যানার... স্যালিউট মুস্তাফিজ ভাই!!

--------------------------------------------------
"সুন্দরের হাত থেকে ভিক্ষা নিতে বসেছে হৃদয়/
নদীতীরে, বৃক্ষমূলে, হেমন্তের পাতাঝরা ঘাসে..."

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ

...........................
Every Picture Tells a Story

এনকিদু এর ছবি

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তণ দিবসের ব্যানারটা চমৎকার হয়েছে, লেখাও ।


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ এনকিদু

...........................
Every Picture Tells a Story

নৈষাদ এর ছবি

ধন্যবাদ মুস্তাফিজ ভাই। ব্যানারের ছবিটা অসাধারন। ছবিটার সোর্স জানতে ইচ্ছে হয়।

আমার আগের প্রতিষ্ঠানে থাকার সময়, বছর দেড়েক আগে একদিন জানতে পারলাম আমার বৃটিশ এক কলিগের স্বামী, যে বিমানে করে (সম্ভবত রয়্যাল এয়ারফোর্সের) শেখ মুজিবকে ১০ জানুয়ারী বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছিল, তার সিকিউরিট অফিসারের দাযিত্বে ছিল। ভীষণ ইচ্ছা ছিল তাঁর কাছ থেকে গল্প শুনব।

খুব স্বল্প সময়ের যুক্তরাজ্য সফরের রাস্থায় দেখা হয়েছিল...। খুব অল্প স্মৃতিই অবশিষ্ট আছে (তিনি যে ঐতিহাসিক একটা ঘটনার স্বাক্ষী তা তিনি বুঝেন নাই)। স্মৃতি থেকে ছেঁড়া ছেঁড়া কিছু ঘটনার কথা মনে করতে পারছিলেন শুধু (হি ওয়াজ অন টিয়ারস... হান্ড্রেডস অ্যান্ড থাউজেন্ডস অভ পিপল, হি ওয়াজ ক্যারিড এওয়ে বাই পিপল...অভিয়াসলি অ্যা ব্রীচ অভ সিকিউরিটি প্রসিডিয়্যার...)। সেই মুহূর্তে কোন ছবির কথা মনে করতে পারছিলেন না, বলেছিলেন আমি ফ্যামিলি অ্যালবামে দেখব। পাসপোর্টে বাংলাদেশ পৌছানোর পর যে সিল দেয়া হয়েছিল তা অবশ্য তাঁর কাছে ছিল...। (অবশ্যই সেটা ছিল আমার ব্যাক্তিগত জানার ব্যাপার, কখনও লিখতে চেষ্টা করব তখনও চিন্তা করিনি।)

যদিও বেশি কিছু মনে করতে পারছিলেন না, তবুও আমন্ত্রণ ছিল বাসায়। কথা ছিল গল্প হবে। হায়, স্বল্প সময়ের সেই সফরে দুদিন পরেই চলে আসতে হয়েছিল...। বলে এসেছিলাম যে কোন স্মৃতিবহ ছবি, ডকুমেন্ট ইত্যাদি থাকলে যেন রেখে দেয়। পরের বার এসে অনেক সময় নিয়ে কথা বলব...। হায়...।

সেই ব্যার্থতা আজও তাড়া করে। কখনও দেখা হবে আশা করি...।

মুস্তাফিজ এর ছবি

দিল্লী থেকে ঢাকা, স্বল্প দুরত্বের ফ্লাইটে অনেকেই ছিলেন উনার সহযাত্রী। কিন্তু এ সময়ের ঘটনাবলীর তেমন বিস্তারিত বিবরন এখন আর পাওয়া যায় না। লিখিত বিবরনের মধ্যে সাংবাদিক আতাউস সামাদের লেখায় কিছু কথা আমরা জানতে পারি।
প্রায় পুরোটা সময় উনি আবদুস সামাদ আজাদের সাথে নিচু স্বরে কথা বলেছেন। একবার জোরে বলেছিলেন “ওরা সব ধ্বংস করে দিয়ে গেছে, আমি এঁদের কিভাবে খাওয়াবো এখন”।
বারবার জীবনানন্দ আর রবীন্দ্রনাথের কবিতার পংক্তি আওড়িয়েছেন।
বলেছেন আমি এখন চাদর গায়ে হেঁটে বেঁড়াবো বাংলার পথে পথে।
পথে কলকাতার উপর দিয়ে উড়ে আসার সময় বেতারে পশ্চিমবঙ্গের সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরনার্থিদের নিয়ে কষ্ট স্বীকারের জন্য। ঢাকার আকাশে আসার পর বিমানের ক্রু নীচে অধীর আগ্রহে অপেক্ষমান লাখো জনতা দেখে খুশী হয়ে বঙ্গবন্ধুকে জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখতে বললে উনি শুধু কেঁদেছেন।

এখানকার ছবিটি এক বিদেশী সাংবাদিক নাম Christian Simonpietri’র তোলা, টাইম ম্যাগাজিনে ছাপা হয়েছিলো মনে হয়। এছাড়া রশীদ তালুকদার, আফতাব আহমেদের তোলা সে সময়কার বেশ কিছু ছবি এখন পাওয়া যায়।

...........................
Every Picture Tells a Story

সাইফ তাহসিন এর ছবি

মুস্তাফিজ ভাই, এ লেখাটার জন্যে আপনে আজকে আমার কাছে ব্লগ জগতের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্লগারের আসনে অধিষ্ঠিত হলেন, সচলায়তনের ইতিহাসে এই পোস্ট একটা মাইলফলক হয়ে থাকবে। অন্যদের কথা জানি না, আপনার এই মহৎ উদ্যোগের জন্যে আপনাকে সহস্র কোটি লাল সালাম।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদ্বপি গরীয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

মুস্তাফিজ এর ছবি

ডাক্তার সা'ব একটু রয়েসয়ে

...........................
Every Picture Tells a Story

সাফি এর ছবি

ধন্যবাদ মুস্তফিজ ভাই। ব্যানার এর সাথে টুকরো স্মৃতিচারণ পুরো ব্যাপারটাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। এ দিনটার তাৎপর্য আগে এভাবে উপলব্ধি করিনাই।

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষনা প্রসংগে কি কোন সূত্র দেওয়া যাবে?

মুস্তাফিজ এর ছবি

বঙ্গবন্ধু যে ঘোষনা দিয়েছেন তার কোন সূত্র খোঁজাটাই অন্যায়।

গো আ, নিজামী গং যেমন যুদ্ধ-অপরাধী
জিয়া-এরশাদ যেমন যুদ্ধ-অপরাধীদের পূনর্বাসনের দোষে দুষ্ট
চাঁদ-সূর্য যেমন সত্য
সেই ঘোষনাও তেমন সত্য।

...........................
Every Picture Tells a Story

সাফি এর ছবি

মুস্তাফিজ ভাই,
আমি আসলে বুঝাতে পারিনাই। এখানে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছেন বা তাঁর পক্ষে হান্নান সরকার/জিয়া ঘোষনা দিয়েছে এই বিতর্কে ঘি ঢালতে প্রশ্ন করিনি। আপনি পরের দুটো উদ্ধৃত অংশের সূত্র দেওয়ায়, প্রথম উদ্ধৃত অংশও কোথাও থেকে কুওট করেছেন ভেবেছি - তাই সেই সোর্সটা পড়তে চেয়েছিলাম।

মুস্তাফিজ এর ছবি

হাসি

আচ্ছা এ নিয়ে আরেকটা লেখা দিমুনে

...........................
Every Picture Tells a Story

ধুসর গোধূলি এর ছবি
s-s এর ছবি

বেঁচে থাক ১০ই জানুয়ারি ।

মুস্তাফিজ এর ছবি

আমিও বলি বেঁচে থাকুক

...........................
Every Picture Tells a Story

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

অসাধারণ!!!

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ

...........................
Every Picture Tells a Story

স্পার্টাকাস এর ছবি

চলুকচলুকচলুকচলুকচলুক
পাঁচ তারা তো দিতে পারব না, তাই

---------------------------------------
জননীর নাভিমূল ছিঁড়ে উলঙ্গ শিশুর মত
বেরিয়ে এসেছ পথে, স্বাধীনতা, তুমি দীর্ঘজীবি হও।

জননীর নাভিমূল ছিঁড়ে উলঙ্গ শিশুর মত
বেরিয়ে এসেছ পথে, স্বাধীনতা, তুমি দীর্ঘজীবি হও।

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ স্পার্টাকাস

...........................
Every Picture Tells a Story

সিরাত এর ছবি

ব্যানারটা একেবারেই পাগল। তাকায় থাকার মত। আরো করেন!!

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ সিরাত, চেষ্টা থাকবে

...........................
Every Picture Tells a Story

ইব্রাহীম ফয়সল এর ছবি

চলুক

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ ফয়সল

...........................
Every Picture Tells a Story

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

অসাধারণ! লেখা, ব্যানার- দু'টোই।
চলুক বস!

___________
স্বাক্ষর?!
মাঝেসাঝে বুঝতে পাই- আমি
নিরক্ষর!

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

মুস্তাফিজ এর ছবি

তাই নাকি? হাসি

...........................
Every Picture Tells a Story

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

হ্যাঁ তো! জানতেন না আপ্নে?! চোখ টিপি

___________
স্বাক্ষর?!
মাঝেসাঝে বুঝতে পাই- আমি
নিরক্ষর!

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

মামুন হক এর ছবি

যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই...

মুস্তাফিজ এর ছবি

একজন মাত্র বাঙ্গালী বেঁচে থাকলেও উনি বেঁচে থাকবেন তাঁর মাঝে

...........................
Every Picture Tells a Story

অতিথি লেখক এর ছবি

সহমত

হাসান মোরশেদ এর ছবি

চমকে উঠেছিলাম ব্যানারটা দেখে। মানুষগুলোকে এতোটাই জীবন্ত করে তুলেছেন মুস্তাফিজ ভাই!

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

মুস্তাফিজ এর ছবি

দেখেন তো সবাইকে চিনতে পারেন কীনা
আমি যাদের পেরেছি বঙ্গবন্ধুর পাশে তাজউদ্দিন, অন্যপাশে মোশতাক, মোশতাকের পাশে শেখ মণি, তাঁর পেছনে কে এম ওবায়েদ, ওবায়েদের পাশে সৈয়দ নজরুল, উনার পেছনে ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, তাজউদ্দিনের পেছনে সম্ভবত সেরনিয়াবত আর ফনী ভূষন। মূল ছবিতে ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর পেছনে ছিলেন শেখ কামাল।

মূল ছবিটা এখানে আছে
http://www.facebook.com/album.php?aid=177638&id=721506348&ref=mf#/photo.php?pid=4442565&id=721506348

...........................
Every Picture Tells a Story

তন্ময়  [অতিথি] এর ছবি

১৩ | সাফি [অতিথি] | রবি, ২০১০-০১-১০ ১৩:১৭

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষনা প্রসংগে কি কোন সূত্র দেওয়া যাবে?

প্রিয় সাফি,

১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চে দেয়া বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে নিচের লিংকগুলো ভিজিট করতে পারেন। অগ্রিম ধন্যবাদ।

১.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা

২. The Sheikh Mujib Declaration of Independence of Bangladesh: U.S. Government Records and Media Documentation

৩. বিষয়: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনার ইতিহাস

৪.
স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে ক্যাচাল, একটি প্রামাণ্য উপস্থাপনা

৫. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনাঃআসুন আমরা এ নোংরা বিতর্কের চিরাবসান ঘটায়

৬. ১৯৭১ এ মেজর জিয়াউর রহমান

সাফি এর ছবি

ধন্যবাদ তন্ময় ভাই লিংকগুলোর জন্য।
আগেও একবার বলেছি - স্বাধীনতার ঘোষকের বিতর্কের জন্য না, বরং কুয়োট করা অংশের সূত্র পড়ার জন্য লিংক চেয়েছিলাম।

আলমগীর এর ছবি

সাফি
গুগল ঘেঁটে মনে হচ্ছে এটা প্রচলিত বিতর্কের মধ্যে একটা।
আলীগের ওয়েব সাইটে বলা আছে:

auto

মুস্তাফিজ এর ছবি

আমি পত্রিকায় প্রকাশিত সেই লেখাগুলোই খুঁজছি

...........................
Every Picture Tells a Story

আলমগীর এর ছবি

পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও ড. পারভীনই মনে হচ্ছে একমাত্র সূত্র। এখন গুগলে সার্চ দিলে আপনার এই পোস্ট চলে আসে।

অনুপম ত্রিবেদি এর ছবি

১০ জানুয়ারি বেঁচে থাক আমাদের বিশাল একটা প্রাপ্তি হয়ে। আমরা সেদিন স্বাধীন দেশে তাঁকে ফিরে পেয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধুর সেদিনের ভাষনের একটা অংশ, যেটাতে রবীন্দ্রনাথের কবিতা কোট করে বলেছিলেন, সবসময় কানে বাজে। বাংলাদেশের যে কোন সাফল্যে আমি ঐ লাইনগুলো আউড়াই - নিজের অজান্তে।

ব্যানারটা আজ সারাক্ষন অফিসে বসে দেখেছি। আপনিই পারেন এমন, লাল সালাম, বস।

===============================================
রাজাকার ইস্যুতে
'মানবতা' মুছে ফেলো
টয়লেট টিস্যুতে
(আকতার আহমেদ)

==========================================================
ফ্লিকারফেসবুক500 PX

রানা মেহের এর ছবি

মুস্তাফিজ ভাই
ব্যানারটা সুন্দর। কিন্তু অনন্যসাধারণ কোন ব্যাপার নয়।
সুন্দর ব্যানার আপনি অনেক করেছেন। ভবিষ্যতেও করবেন।
আজ আপনি যেভাবে ১০ জানুয়ারীকে চোখের সামনে এনে দিলেন লেখা দিয়ে ছবি দিয়ে তার কোন প্রতিস্থাপন হয়না।
ভালো থাকবেন
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ রানা মেহের। আমরা আসলে অনেক কিছুই ভুলে যাই।

...........................
Every Picture Tells a Story

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

বস, প্রিয়তে নিলাম... এই লেখা বহু তথ্যের রেফারেন্স হিসেবে কাজে লাগবে।

... আর দুর্দান্ত একটা ব্যানারের জন্যে ধন্যবাদ।

_________________________________________

সেরিওজা

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ রিজওয়ান
নীচে আরেকটা রেফারেন্স দিলাম

স্বাধীনতাস্বাধীনতা

...........................
Every Picture Tells a Story

তুলিরেখা এর ছবি

অসাধারণ একটা লেখা। কেমন শিরশির করে ওঠে সবকিছু।
মানুষের ইতিহাসের ধারার মধ্যে একটা ঘূর্ণীমোচড় হয়ে জেগে থাকে সেই রাতের একলা মানুষটি, সবাইকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে দিয়ে শান্তচিত্তে যে মৃত্যুর প্রতীক্ষা করছে। সে জানে লড়াই তার মানুষেরা করবে, মুক্তি আসবেই।
মাথা নুইয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে যাই।
লেখককে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

মুস্তাফিজ এর ছবি

সব শ্রদ্ধা ভালোবাসা সেই মানুষটার জন্য

...........................
Every Picture Tells a Story

দুর্দান্ত এর ছবি

সুন্দর ব্যানার আর আরো সুন্দর একটি লেখার জন্য ধন্যবাদ।
---
বঙ্গবন্ধু চাইলেই ৭১ মার্চে ভারতে বা অন্য কোন দেশে পালিয়ে যেতে পারতেন। সেখান থেকে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি নেতৃত্ব দিতে পারতেন। তাহলে বঙ্গবন্ধু সেদিন আর সবার মত নিরুদ্দেশ না হয়ে পাকিস্তানীদের বন্দী হবার সিদ্ধান্ত কেন নিলেন? এই প্রশ্নের জবাব আমি নিজেকে দেই এভাবে

(ক) শসস্ত্র সংগ্রামের নেতৃত্ব পেশাজীবী সৈনিকে বেশী কার্যকরি, তাই সেখানে বঙ্গবন্ধুর যে ভুমিকা ছিল, মানে প্রাথমিক জনসংযোগ ও মানুষের মনে স্বাধীনতা সংগ্রামের ফুলকি জ্বলে দেয়া - তা তিনি ঠিক পালন করেছেন - এবং তারপর পেশাজীবী নেতৃত্বের কাছে জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন

(খ) সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুকে হারানোর মত ঝুঁকি নেয়া যায় না, কারন ফলাফল যাই হোক, ডামাডোল শেষ হলে বঙ্গবন্ধুকে জাতির অক্ষত অবস্থায় প্রয়োজন। সে হিসাবে ভারতের হেফাজতে থাকার চাইতে পাকিস্তানের বন্দী হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের পক্ষে মতামত তৈরীতে সহায়ক হবে।

জানিনা এগুলোই অফিসিয়াল কারন কি না।
বঙ্গবন্ধুর বন্দী হবার সিদ্ধান্ত নিয়ে তথ্যবহুল কথা পড়তে চাই।

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ দুর্দান্ত
বঙ্গবন্ধু কোথায় এই না পালিয়ে যাবার কারন বলেছিলেন, সম্ভবত গণপরিষদের অধিবেশনে বক্তৃতায়। দেখি খুঁজে পাই কীনা।

উনার ধারণাটা ছিলো এরকম যে আন্দোলন যে পর্যায়ে ছিলো তাতে পিছিয়ে আসার কোন সূযোগ ছিলোনা, জীবিত মুজিবের চাইতে শহীদ মুজিব স্বাধীনতা আন্দোলন আরো বেগবান করতে পারবে।

...........................
Every Picture Tells a Story

মুস্তাফিজ এর ছবি

আমি এ সংক্রান্ত আরেকটি তথ্য পেয়েছি। ১৯৭২ এ ডেভিড ফ্রস্ট নামে এক বৃটিশ সাংবাদিক বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাতকার নিয়েছিলেন যা বিবিসি তে সম্ভবত ১৮ই জানুয়ারী প্রচারিত হয়েছিলো, এই সাক্ষাতকারের ভিডিওর কিছু কিছু অংশ নেটে পাওয়া যায়, আগ্রহীরা খুঁজে দেখতে পারেন। সেখান থেকে এ সংক্রান্ত অংশটুকুর বঙ্গানুবাদ তুলে দিচ্ছি

ডে ফ্রঃ আপনার ৩২ নং ধানমন্ডি বাড়ি থেকে সেদিন যখন আপনি বেড়িয়ে এলেন, তখন কি ভেবেছিলেন, আর কোনদিন আপনি এখানে ফিরে আসতে পারবেন?
বঙ্গবন্ধুঃ না, আমি তা কল্পনা করতে পারিনি। আমি ভেবেছি, এ-ই আমার শেষ। কিন্তু আমার মনের কথা ছিলো আজ আমি যদি আমার দেশের নেতা হিসেবে মাথা উঁচু রেখে মরতে পারি, তাহলে আমার দেশের দেশের মানুষের অন্তত লজ্জার কোন কারণ থাকবে না। কিন্তু আমি ওদের কাছে আত্মসমপর্ণ করলে কিংবা পালিয়ে গেলে আমার দেশবাসী পৃথিবীর সামনে আর মুখ তুলে তাকাতে পারবে না। আমি মরি, তাও ভালো। তবু আমার দেশবাসীর যেনো মর্যাদার কোন হানি না ঘটে।

...........................
Every Picture Tells a Story

অনিকেত এর ছবি

ব্যানার নিয়ে আগেই বলেছিলাম।
আর এখন লেখাটা পড়ে মুহ্যমান হলাম।

সেই বাহাত্তুরের মত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ফিরে আসুন আমাদের মাঝে
আজ দেশটার এইরকম ফিরে-আসা কিছু মানুষের খুব দরকার

অসামান্য লেখা, ব্যানার
শিল্পীমন নিয়ে অনেকেই হয়ত জন্মায় মুস্তাফিজ ভাই
কিন্তু এমন দেশ-প্রেমী উদার মন নিয়ে কতজন আসে--আমার জানা নেই।

আপনাকে প্রণাম---!

মুস্তাফিজ এর ছবি

আবারো ধন্যবাদ অনিকেত'দা।

...........................
Every Picture Tells a Story

অনিকেত এর ছবি

মুস্তাফিজ ভাই,
আমি বয়েসে আপনার ছোট হবো
আমাকে 'তুমি' করে বললে খুশি হবো---

শুভেচ্ছা নিরন্তর

মুস্তাফিজ এর ছবি

ঠিকাছে তোমাকে শুভেচ্ছা হাসি

...........................
Every Picture Tells a Story

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

লেখা আর ব্যানার, দুটোই দূর্দান্ত
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ নজরুল ভাই

...........................
Every Picture Tells a Story

নুরুজ্জামান মানিক এর ছবি

মুজিব শাসনামলের সবচেয়ে বেশি সমালোচনায় (বানোয়াট প্রচারনাসহ)চ্যাম্পিয়ন মিডিয়া হিসেবে নিঃসন্দেহে প্রথম আসবে দৈনিক গণকণ্ঠের নাম । সে সময়ের জাসদের মুখপাত্র হিসেবে এটি পরিচিত । এ থেকে অনেকে ভূ্লবশত মনে করেন "জাসদ" গঠনের পর তার "মুখপাত্র" হিসেবে " দৈনিক গণকণ্ঠ" প্রকাশিত হয়েছিল ।কিন্তু আসলে দৈনিক গণকণ্ঠ প্রকাশিত হয়েছিল জাসদের গঠনের (৩১ অক্টোবর '৭২) অনেক আগে । তাহলে প্রশ্ন আসে কবে ? আশ্চর্যজনক হলেও সত্য , দৈনিক গণকণ্ঠ প্রকাশিত হয়েছিল সেদিন যেদিন বংবন্ধু পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে ঢাকায় পৌছেন অর্থাৎ ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ তারিখে !!

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র' সৃষ্ট মুজিববাহিনী অন্যতম অধিনায়ক সিরাজুল আলম খানের পরামর্শে মুজিব বাহিনীর আফতাব আহমদের নির্বাহী পরিচালনায় আর কবি আল মাহমুদের সম্পাদনায় দৈনিক গণকণ্ঠ প্রকাশিত হয় । প্রকাশক ছিলেন মার্শাল মনি । উল্লেখ্য , তারা সবাই ষাটের দশকে গোপনে গড়ে উঠা স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াসের সদস্য ।

বংবন্ধু ফিরে আসার দিনই (শাসন কাজ শুরুই করেনি , ভাল -মন্দ দুর কি বাত ) তার বিরুদ্ধাচরন করার জন্য সিরাজুল আলম খানরা দৈনিক গণকণ্ঠ প্রকাশ করেছিলেন কার স্বার্থে ? কাদের পরামর্শে ?

নুরুজ্জামান মানিক
*******************************************
বলে এক আর করে আর এক যারা
তারাই প্রচণ্ড বাঁচা বেঁচে আছে দাপটে হরষে
এই প্রতারক কালে (মুজিব মেহদী)

নুরুজ্জামান মানিক
*******************************************
বলে এক আর করে আর এক যারা
তারাই প্রচণ্ড বাঁচা বেঁচে আছে দাপটে হরষে
এই প্রতারক কালে (মুজিব মেহদী)

মুস্তাফিজ এর ছবি

মানিক ভাই আবেগ নয় তথ্যপ্রমাণ থাকলে প্রকাশ করুন।

...........................
Every Picture Tells a Story

আলমগীর এর ছবি

জটিল ব্যানার মুস্তাফিজ ভাই।
(প্রোফাইলের ছবিটাও)

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ ভাই

প্রোফাইলের ছবিটা পহেলা বৈশাখের আগের দিন চারুকলায় তোলা, এরকম প্রায় শ'দুয়েক মুখোশের ছবি আছে আমার কাছে

...........................
Every Picture Tells a Story

আলমগীর এর ছবি

আমার একটা মুখোশ দরকার হাসি

মুস্তাফিজ এর ছবি

মুখোশ দিতে পারবোনা, মুখোশের ছবি দিতে পারবো। যদিও প্রতিবছর বেশ কয়টা মুখোশ কিনি তারপর সারা বছর বিদেশে বিলাই, এখন বাসায় একটা মাত্র আছে।

...........................
Every Picture Tells a Story

ধুসর গোধূলি এর ছবি
মুস্তাফিজ এর ছবি

এপ্রিলের ১২ তারিখ যোগাযোগ করতে হবে

...........................
Every Picture Tells a Story

মুস্তাফিজ এর ছবি

এপ্রিলের ১২ তারিখ যোগাযোগ করতে হবে

...........................
Every Picture Tells a Story

অতিথি লেখক এর ছবি

ব্যানারটা ব্যাপক হইছে। হাসি

- মুক্ত বয়ান।

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ মুক্ত বয়ান।

...........................
Every Picture Tells a Story

অনিন্দিতা চৌধুরী এর ছবি

মুস্তাফিজ ভাই, ব্যানার আর লেখা দুটোই দুর্দান্ত!

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ অনিন্দিতা চৌধুরী

...........................
Every Picture Tells a Story

অতিথি লেখক এর ছবি

ইয়ে কাগু!! মাইন্ড না করলে একখান কথা কইতাম!!

আমি আপনার ঐ খোমাখাতার অ্যালবাম থেইক্কা ব্যাবাক ছবি নামায়া ফালাইসি!!!

(কানে ধরার ইমো)!!!

ব্যানার আর লেখা এই দুইটার থেকে আমার ঐ অ্যালবামটাই বেশি ভালু লাগসে!!!

আমিই তানভী |

মুস্তাফিজ এর ছবি

আমিও তো অন্য জায়গা থেকে নামাইছি হাসি

...........................
Every Picture Tells a Story

সচল জাহিদ এর ছবি

চমৎকার ব্যানার মুস্তাফিজ ভাই। ছবিতে অনেকের ভীরে কি 'রহমান মুস্তাফিজ ভাইকে' ( বা দিক থেকে পঞ্চম জন) দেখা যাচ্ছে ?

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

মুস্তাফিজ এর ছবি

না হইলেও তার ভাই হৈরাতে

...........................
Every Picture Tells a Story

ফারুক হাসান এর ছবি

মুস্তাফিজ ভাই, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ আপনাকেও

...........................
Every Picture Tells a Story

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

ব্যানারটা দেখে মুগ্ধ হয়েছি অসংখ্য বার। পোস্টে ঢুকেও কিছু লিখে যেতে পারিনি, এতই মোহিত লেখাটা পড়েও। তাই অক্ষমতা স্বীকার করে স্রেফ একটা ছোট্ট মন্তব্য রেখে যাচ্ছি...

"পড়লাম"

মুস্তাফিজ এর ছবি

ধন্যবাদ

...........................
Every Picture Tells a Story

মৃদুল আহমেদ এর ছবি

এই ব্যানারটা আমাকে একেবারে থমকে দিয়েছে!
ইতিহাস যেন লাফ দিয়ে এসে পড়ল চোখের সামনে।
মনে হল, সেদিন নয়, আজই যেন ১৯৭২-এর ১০ই জানুয়ারি!

তিনদিন পর কমেন্ট করলাম। এর মধ্যে আর বলার মতো কিছু পাচ্ছিলাম না।
--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

অসাধারণ লেখা। ব্যানারটাও অসাধারণ।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।