ভ্যাঙ্কুভারে আসার পর কয়েকদিন রঙ দেখতে দেখতে মাথা খারাপ অবস্থা।
আমার আর মাতিসের কোন কাজ নাই। ওর স্কুল ছুটি হলে বিকেলে আমরা দুজন ঘুরি, রাস্তায়, পার্কে, ট্রেইলে।
ঘুরতে ঘুরতে রঙ দেখি, এইসব রঙ ...
৫ | লিখেছেন ত্রিমাত্রিক কবি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১২/২১/২০১১ - ১:৪৫অপরাহ্ন)
আপনি ভ্যাঙ্কুভার আছেন নাকি? সামনের মাসে ভ্যাঙ্কুভার আসতেছি।
ছবির কথা কি কমু, অসাম।
_____________________________
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই;
একজীবনেই অনেক জিনিস সস্তা দামী
বেবাক কিছু আমার কিন্তু পেতেই হবে -
এই রকম ছবি আমিও তুলছি এই সামারে। আপ্নের থেকে বেশি দূরে না, পাশের প্রভিন্সেই। আপ্নে যদি দেখতেন সেই ছবির সৌন্দর্য মুস্তাফিজ ভাই, নির্ঘাত বুকের ডান পাশে বাম হাত দিয়া চাইপা ধইরা আঁ আঁ করতে করতে বইসা যাইতেন। আফসুস............আমি ছবি তুল্লে ছবি এমন হয় কেন?
এই রে চোখ ঝলসে গেল মুস্তাফিজ ভাই। এসব কি তুলছেন?
আবার শুনি বাস্তবে এর চেয়েও সুন্দর!!!
-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?
প্রথম বছর বলে এ কথাটা বলতে পারছেন। এরপর বলবেন "আমার আর মাতিসের কোনো অবসর নেই"। অবসর থাকতে থাকতেই লেখালেখি আর ছবি-টবি যা যা করবার করে নিন, প্রান ভরে। নিজের অজান্তেই কখন যেন যন্ত্র হয়ে যাবেন। আপনার প্রবাসী জীবন আনন্দময় হোক, এই কামনা থাকলো।
এরকম দৃশ্য আমাদের এখানে দেখা হয় না। ছবি নিয়ে কিছু বল্লাম না। আর সবাই আমার কথাগুলি আগেই বলে দিয়েছে
ভাবী, আসলেই আমাদের কোন কাজই নেই। আমি একটা পার্ট টাইম এণ্ট্রিলেভেলের কাজ করি যেখানে শুধুমাত্র সময়মত যাওয়া ছাড়া আমার আর মাথা খাটাতে হয়না, শান্তির চাকরি (যদিও পয়সা কম)। আর মাতিসের স্কুল? হোমওয়ার্ক থাকেনা বলে সে যে কী শান্তিতে আছে তা বোঝানো যাবেনা।
ভালো থাকবেন।
কানাডা সম্পর্কে আমার আকর্ষন দুর্নিবার। জানিনা কপালে কি আছে, একবার স্বচক্ষে দেখার খুউব ইচ্ছা। আপনি সৌভাগ্যবান ভাই। বলার কিছু নাই। দারুণ সব ছবি। দারউণ। ভ্যাঙ্কুভার সম্পর্কে আরো লিখুন।
মন্তব্য
দারুন কিছু ছবি দেখলাম মামা। ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ মামা
মাথা ঘুরায় গেল, করসেন কী!
------------------------------------
সময় এসেছে চল ধরি মোরা হাল,
শক্ত কৃপাণে তুলি বরাহের ছাল।
ঃ)
আপনি ভ্যাঙ্কুভার আছেন নাকি? সামনের মাসে ভ্যাঙ্কুভার আসতেছি।
ছবির কথা কি কমু, অসাম।
_____________________________
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই;
একজীবনেই অনেক জিনিস সস্তা দামী
বেবাক কিছু আমার কিন্তু পেতেই হবে -
দেখা হবে
দারুণ সব ছবি! কিন্তু কেন যেন গাছের রঙ সবুজ না হলে আমার মন ভরে না।
.......................................................................................
Simply joking around...
তবু তো রঙ আছে। এখন তো পাতাই নাই, শুকনা।
দারুন মুস্তাফিজ ভাই !! ওরাও বুঝেছে যে একজন রঙ্গীন মনের মানুষ এসেছে...হা...হা।
না মাহবুব, ওরা এখনও বুঝেনাই।
আসলেই রংঙের দুনিয়া। এতো এতো রং চারপাশে !
উত্তর আমেরিকার একটা অন্যতম দেখার মত জিনিস এই রং। চমৎকার সব ছবি দিয়ে ধরেছেন! অনেকদিন পর আপনার ছবি দেখলাম সচলে। এগুলো কি স্ট্যানলি পার্কে তোলা?
ফ্লিকারে দেখি সব ছবি প্রাইভেট করা - তাই ফেইভ দিতে পারলাম না!
ঃ)আমরা পৌঁছানোর সময়টাতে এগুলো শেষের পথে, আগামি বছর চেষ্টা থাকবে প্রথম থেকে ধরে রাখার।
কী রঙ্গীন !
ধন্যবাদ কালো কাক
অনেকদিন পর মুস্তাফিজ ভাইর ছবির পোস্ট পেলাম।
ছবিগুলো নিয়ে কোন কিছু বলার দরকার নাই। বরাবরের মতোই ....................
ধন্যবাদ শান্ত
ও মুস্তাফিজ ভাই, রং দেখে তো মাথা ঘুরাইতেছে!
চোখ বন্ধ করে থাকলে মাথা ঘুরা বন্ধ হয়ে যাবে।
আহা! কী বাহারি বং। ছবিগুলো দেখে কোন সুদূরে হারিয়ে গেলাম!
ধন্যবাদ, এত্ত, এত্ত সুন্দর ছবির জন্য।
ধন্যবাদ প্রৌঢ় ভাবনা।
ওরে বাপ্রে...কি চমৎকার চমৎকার ছবি রে । ছবি
হয়েছে
ধন্যবাদ সুলতান।
আপনিও দেশান্তরি হলেন?
এখন আমার কাছেও মনে হচ্ছে
অনেক সুন্দর ছবিগুলো!!
ধন্যবাদ তৃষা
দীর্ঘশ্বাস !
দীর্ঘশ্বাস কেনো প্রিয়ম?
জটিল
ধন্যবাদ
খাইছে!!
আমার বিলুপ্ত হৃদয়, আমার মৃত চোখ, আমার বিলীন স্বপ্ন আকাঙ্ক্ষা
্ধন্যবাদ তারাপ কোয়াস
প্রকৃতির রঙ আপনার ফটোগুলোতে আরও বর্ণিল, আরও সুন্দর দেখাচ্ছে
ধন্যবাদ উচ্ছলা
কি বলব বলুন ......
রঙ নয়... জীবনের মিশেল। খুবই ভালো লাগল।
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
ধন্যবাদ তাপস শর্মা
খুব সুন্দর। ফল সিজন আমার খুব ভালো লাগে। এতো রঙ!
আমারও ভালো লেগেছে
ছবি খুব সুন্দর হয়েছে, কিন্তু আমি তো আপনার লেখার ভক্ত হয়ে গিয়েছি। শুধু ছবিতে মন ভরে নাই
------------------------
[ওয়েবসাইট] [ফেইসবুক] [ফ্লিকার ]
ফাহিম হাসান, আপনি অনেকদিন খুব চুপচাপ!
একটু ব্যস্ততা ছিল ভাই। গুঁতো মারার জন্য ধন্যবাদ।
গতকাল একটা পোস্ট দিয়েছি
------------------------
[ওয়েবসাইট] [ফেইসবুক] [ফ্লিকার ]
ধন্যবাদ ফাহিম। লেখা তৈরী হচ্ছে।
এই রকম ছবি আমিও তুলছি এই সামারে। আপ্নের থেকে বেশি দূরে না, পাশের প্রভিন্সেই। আপ্নে যদি দেখতেন সেই ছবির সৌন্দর্য মুস্তাফিজ ভাই, নির্ঘাত বুকের ডান পাশে বাম হাত দিয়া চাইপা ধইরা আঁ আঁ করতে করতে বইসা যাইতেন। আফসুস............আমি ছবি তুল্লে ছবি এমন হয় কেন?

ধন্যবাদ গৃহবাসী।
ছবির ব্যাপারটা চর্চার।
সুন্দরবনের লেখাটা পড়ে যা বুঝেছি আপনার লেখার হাত চমৎকার কিন্তু আপনি আমার চাইতেও বড় ফাঁকিবাজ।
সব ঋতুতেই কোন না কোন ফ্যাকড়া লাগানো আছে - গ্রীষ্মে গরম লাগে, শীতে ঠাণ্ডা লাগে, বর্ষাকালে বৃষ্টি পড়ে কিন্তু এই পাতাঝরার সময়টুকুতে কোন গিয়ানজাম লাগে না।
আপনার তোলা ছবিগুলো এত সুন্দর হয় কেন? আপনার গুণে, নাকি ক্যামেরার গুণে, নাকি আপনার এডিটিংয়ের গুণে?
আপনাদের চোখের গুণে।
দারুণ সব ছবি। এবং আমি জানি, বাস্তবে এর চেয়েও সুন্দর।
ধন্যবাদ। আসলেই বাস্তবে আরো সুন্দর।
এই রে চোখ ঝলসে গেল মুস্তাফিজ ভাই। এসব কি তুলছেন?

আবার শুনি বাস্তবে এর চেয়েও সুন্দর!!!
-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?
ধন্যবাদ নীড় সন্ধানী।
আমার আর মাতিসের কোন কাজ নাই
প্রথম বছর বলে এ কথাটা বলতে পারছেন। এরপর বলবেন "আমার আর মাতিসের কোনো অবসর নেই"। অবসর থাকতে থাকতেই লেখালেখি আর ছবি-টবি যা যা করবার করে নিন, প্রান ভরে। নিজের অজান্তেই কখন যেন যন্ত্র হয়ে যাবেন। আপনার প্রবাসী জীবন আনন্দময় হোক, এই কামনা থাকলো।
এরকম দৃশ্য আমাদের এখানে দেখা হয় না। ছবি নিয়ে কিছু বল্লাম না। আর সবাই আমার কথাগুলি আগেই বলে দিয়েছে
--------------------------------------------------------------------------------
ভাবী, আসলেই আমাদের কোন কাজই নেই। আমি একটা পার্ট টাইম এণ্ট্রিলেভেলের কাজ করি যেখানে শুধুমাত্র সময়মত যাওয়া ছাড়া আমার আর মাথা খাটাতে হয়না, শান্তির চাকরি (যদিও পয়সা কম)। আর মাতিসের স্কুল? হোমওয়ার্ক থাকেনা বলে সে যে কী শান্তিতে আছে তা বোঝানো যাবেনা।
ভালো থাকবেন।
আহ্ কী রঙ! অদ্ভুত সুন্দর সব ছবি! দেখেই মন ভরে যায়।
আমার কোন পোস্টে আগে প্রহরীর দেখা মিলতো প্রথমেই। তারপরও ধন্যবাদ দেখে যার জন্য।
ফল কালার আসলেই দারুণ জিনিস! আমি আগে ভাবতাম সব ক্যামেরার কারসাজি, কিন্তু এইবার এপালেশিয়ানের কাছে এসে পুরাই মাথা খারাপ অবস্থা...
ক্যামেরার কাজ কিছু থাকেই, তারপরও প্রকৃতির শতাংশও আমরা ধরতে পারিনা।
কয়েকটা ছবি বেশ সুন্দর
আমার কাছে সবগুলাই সুন্দর।
ধন্যবাদ
কানাডা সম্পর্কে আমার আকর্ষন দুর্নিবার। জানিনা কপালে কি আছে, একবার স্বচক্ষে দেখার খুউব ইচ্ছা। আপনি সৌভাগ্যবান ভাই। বলার কিছু নাই। দারুণ সব ছবি। দারউণ। ভ্যাঙ্কুভার সম্পর্কে আরো লিখুন।
চেষ্ঠা থাকবে, তবে সময় পাইনা।
নতুন মন্তব্য করুন