ড.ইউনূস অর্থনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট একজন মানুষ হলেও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাবার পর শান্তির একজন দূত হিসেবেই দেশ বিদেশের মানুষের কাছে পরিচিত পান। কিন্তু নিজের গ্রামীন ব্যাংক এবং হালের সামাজিক ব্যবসা ছাড়া তাকে বিশ্ব শান্তির কোন বিষয় নিয়েই সরব দেখা যায় না। বিশ্ব শান্তির কথা না হয় বাদই দিলাম দেশের শান্তি যখন বিনষ্ট তখন কেন তাকে সক্রিয় দেখা যায় না - বর্তমানে এ প্রশ্ন সবার।
ঢাবি’তে আমার একজন শিক্ষক বলেছিলেন মাইক্রোফাইনান্স হ্যাজ ইটস ঔন বিউটি। উন্নয়নকর্মী পেশায় একযুগ অতিক্রম করেছি, কিন্তু মাইক্রোফাইনান্সে কাজ করার ইচ্ছে ছিলোনা তাই সুযোগ হয়নি, আর ব্যাক্তিগতভাবে মাইক্রোফাইনান্সে মোটাদাগে বলার মতো কোনও বিউটি খুঁজে পাইনি। সুতরাং সেই পুরোনো দিনের সিনেমার গানটাই ভাঁজি- যার নয়নে যারে লাগে ভালো ..........।।
[ মাইক্রোক্রেডিট বা গ্রামীণ ব্যাংকের সমালোচকরা তাঁদের আলোচনায় বা বিতর্কে অন্যতম জোরালো পয়েন্ট হিসেবে যে অভিযোগটি উত্থাপনের মাধ্যমে অন্যান্য অভিযোগগুলোকে যুক্তিসিদ্ধতায় অব্যর্থ করে তুলতে সচেষ্ট হয়ে ওঠেন তা হচ্ছে ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার (Rate of Interest)। অথচ এ বিষয়টির স্পষ্ট একটা তথ্যগত ধারণা বা চিত্র খুব স্বাভাবিকভাবে দায়িত্বশীল কোন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যথাযথ প্রচারের ব্যবস্থা নেয়া হলে বর্তমানে প্রচলিত কিছু মিথজুজুর অদ্ভুত বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতো না এবং অন্যান্য সৃষ্ট অভিযোগগুলোর বস্তুনিষ্ঠতাও অধিকতর সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করা যেতো। ]
…
…
ভূমিকা:
কোন একটি হিন্দি ছায়াছবিতে নানা পাটেকার অভিনীত চরিত্রটি খুন না করেও খুনের দায়ে জেলে যায়। জেলে একজনের সঙ্গে কথোপকথনে তার সংলাপটি এরকম- ‘আমি অন্ধের কাছে আয়না বিক্রি করি, তারপর তাদের দেখতে শেখাই’। বলছি ড. ইউনূসের কথা, যিনি গ্রামীণ ব্যাংক নামক একটি প্রতিষ্ঠান গড়েছেন, খ্যাতি ও সমালোচনা কুড়িয়েছেন, দেশের জন্য সম্মান এনেছেন। এক সময় সামরিক সরকারের আনুকূল্যে রাজনীতি করতে চেয়েছেন, এবং অবশেষে খুব অপমানজনকভাবে তাঁরই গড়া প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় নিচ্ছেন।
অধিকাংশ জাতির কিছু গর্ব থাকে, থাকে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দেখানোর মতো কিছু ব্যক্তিত্ব৷ হতাশার বিষয়, আমাদের দেশে এমন ব্যক্তিত্বের বড় অভাব৷
ডিসেম্বরের এক তারিখ বিডিনিউজ২৪ প্রফেসর ইউনূসকে নিয়ে একটা ব্রেকিং নিউজ দেয়। ‘নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত একটা তথ্যচিত্রে ইউনূসের বিরুদ্ধে কোটি কোটি ডলার সরানোর অভিযোগ’। গ্রামীণ ব্যাংকে ইউরোপ থেকে আসা বিপুল পরিমাণের ঋণের একটা বিশাল অংশ তিনি অন্য একটি সহকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণে স্থানান্তর করেন। ইউরোপের দেশগুলো সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত চেয়েও আদায় করতে ...
.
দু’জনকে দুই মেরুর অর্থনীতিবিদ বলা হয়। কেন বলা হয় তা বুঝি না আমি। অর্থনীতি আমার পঠিত বিষয় নয়, কিংবা এ বিষয়ে খুব একটা জানিও না। যেটুকু জানি, দুজনই বাঙালি, অর্থনীতির ছাত্র ও অধ্যাপক এবং নোবেল লরিয়েটও। অমর্ত্য সেন (Amartya Sen), একজন তাত্ত্বিক অর্থনীতিবিদ, যাঁকে কল্যাণমূলক অর্থনীতির প্রবক্তা বলা হয়। তিনি তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন যে, দুর্ভিক্ষের সাথে উৎপাদনের সম্পর্ক ক্ষীণ, বরং খাদ্যের অসম ...
প্রফেসর ইউনূসকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে ‘সত্তরতম জন্মদিনে প্রফেসর ইউনূস’, এই অভিন্ন শিরোনামে একটি লেখা গতকাল (২৭-০৬-২০০৬) অন্তর্জালের জনপ্রিয় দুটো ব্লগে (সচলায়তন ও সামহোয়ারইন) পর পর পোস্ট করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই কৌতুহলী ব্লগারদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয় এতে। নিজ নিজ মতামত তুলে ধরে অনেকেই বিচিত্র সব মন্তব্যও করেন যার যার রুচি, বিশ্বা...