ইচ্ছে ছিলো গ্রীক পুরাণের বীরদের নিয়ে একটা কাহিনীমালা লেখার। পুরানো বিষয়। বাংলা ব্লগের যাত্রা শুরু হয়েছে সাত বছর হলো, এখনো এই বিষয়ে কেউ কিছু লেখেন নি তা তো না। বরং এই বিষয়টা লেখালেখির মধ্যে শীর্ষেই থাকবে। সে থাকুকগে, আমি আমার মতন লিখবো। বলে তো দিলাম। এখন দেখা যাক আসলে আমি কত বড় যোদ্ধা। অলসতার সাথে লড়াইয়ে আমি জিতলেই কেবল এই লেখালেখি হতে পারে। তাহলে শুরু হয়ে যাক-
বসন্ত কাল। জ্বলন্ত হলুদে ঝলসে আছে প্রকৃতি। চারপাশে এতো হলুদ যে চোখ ঝাঁঝিয়ে যায়। কৃষ্ণচূড়ায় ছেয়ে থাকা বন। হঠাৎই গাছে গাছে বিদ্রোহ শুরু হল। চারপাশ দাউদাউ করে আগুন জ্বলে উঠে। হুতাশন, সর্বত্র হুতাশন। নাকে এসে পোড়া গন্ধ জ্বালা ধরায়। ধড়মড় করে জেগে উঠলেন রংবালা। ততক্ষণে আগুন স্নানঘর, রান্নাঘর ছাড়িয়ে পাশের ঘরের পূবদিকের আলমিড়া পর্যন্ত চলে এসেছে। স্বপ্ন ও জাগরণের দ্বিধান্বিত সাঁকো পার হতে কয়েক সেকেন্ড সময়
সম্প্রতি মানবাধিকার রক্ষার জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (আমার উপলব্ধি ঃ আলমগীর যে দলেরই হোক তার কাজ হল বিনোদন দেয়া ! )
যেভাবে বাংলালিঙ্ক দামে পুরস্কার পাওয়া যাচ্ছে তাতে জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান সময়ে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়াও বিচিত্র নয় ! বরং সম্ভাবনা আছে ( যে যাই বলুক পুরস্কার তো আম্রিকার হাতেই থাকে !
)
বাংলাদেশের ১৮তম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের জন্মদিন ৯ মার্চ !
অনেকেই এই তথ্যটি জানেন না। অনেকে এই তথ্যটিও জানেন না তার মৃত্যুদিন ১১ মার্চ ও হয়ে যেতে পারতো ! ! !
অনেকে এই তথ্যটিও জানেন না যে তিনি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতিও হয়ে যেতে পারতেন, হয়ে যেতে পারেন! আমরা কিছুক্ষনের মধ্যে সাময়িক অভিভাবকহীন ও হয়ে যেতে পারি!
৪২ বছরেও আমাদের ঘুম ভাঙেনি। অনেক হয়েছে এবার আমরা ভোর দেখতে চাই। প্রসঙ্গতই আমার এই লেখাটা যুদ্ধাপরাধী আর জামাত-শিবির নিয়ে। ব্যক্তিগত ভাবে জামাত-শিবির আমার খুবই অপছন্দের। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে জামাতে ইসলামের রাজনীতি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এই নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে দেয়া হয় আর ধীরে ধীরে বিভিন্ন কলাকৌশল অবলম্বন করে তারা আজ বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক দলের একটি। ২০০১ সালের সালে
বার্তা আসে
আসে সংকেত প্রবাহ
আমিও কুঠার হাতে
অরণ্যের গহীন ধাঁধায়
মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র কারিগর।
কাহিনী সংক্ষেপ--
বরিশালের এক গ্রামে মোতালেব কারিগর নামে একজন হাজামকে একঘরে করার ফতওয়া দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ যে তিনি একাত্তরে পবিত্র কোরআন শরিফ হাতে নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছেন। তিনি লোকচক্ষুর আন্তরালে চলে যান।
[justify]সারা দেশে মন্দির পোড়ে, হিন্দুদের বাড়িতে হামলা হয়, রামুতে বৌদ্ধ পল্লীতে হামলা হলো, এরকম অনেক ঘটনাই অতীতে ঘটেছে- কোনটিরই বিচার হয়নি, দায়সারা তদন্ত হলেও দোষীদের ধরা হয়নি। অথচ ব্লগে-ফেসবুকে ইসলামের কটূক্তিকারীদের শনাক্ত করতে কমিটি হয়ে গেছে। কার কোন কথাটি উগ্র, কার কোন কথাটি ধর্মপ্রাণ মানুষের কোমল ধর্মানুভূতিতে আঘাত দিয়েছে- সেসব নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে বসবেন সরকার। বেশ ভাল কথা- কিন
ইউসুফ মিয়া গাড়ি নিয়ে বেরুনের সঙ্গে সঙ্গেই একটা ভাল খ্যাপ পেয়ে গেলো। ছেলেটার মাথা দিয়ে গলগল করে রক্ত পড়ছে। মেডিক্যাল যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে ভাড়াটাও বেশি পাওয়া যাবে। আবার মেডিক্যাল থেকে ভাল ফিরতি খ্যাপও পাওয়া যায়। মেডিক্যালের ভাড়া মারতে তার সবচেয়ে ভাল লাগে। অসুস্থ, দূর্বল, মৃতপ্রায় লোকগুলো বেশি ভাড়া দিতে কৃপণতা করে না।
ফেব্রুয়ারির ১৬ তারিখে ওবামা প্রশাসনের উদ্দেশ্যে "Express concern against International War Crime Tribunal and Mob Justice in Bangladesh" নাম দিয়ে একটা আর্জি/পিটিশন পেশ করা হয় এইখানে (https://petitions.whitehouse.gov/petition/express-concern-against-international-war-crime-tribunal-and-mob-justice-bangladesh/6gg04svt)। পিটিশনটি আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল এর বিপক্ষে। Mob এর বাংলা দাড়ায় হ