তাইওয়ানের মামুন বলে, আয় না ছড়া লেখি!
বাংলাদেশের আলসে মৃদুল কয়, ঠিকাসে, দেখি...
জি-টক খুলে টক করে,
নানান কথার চক্করে
একটি ছড়া বেরিয়ে আসে, দিলাম দিয়ে সেটাই...
দ্বন্দ্বমুখর ছন্দ দিয়ে ছড়ার দুঃখ মেটাই!
এই ছড়ায় কোরিয়ান এক যুবকের কাহিনী আছে। তাই ব্যবহৃত হয়েছে কিছু কোরিয়ান শব্দও। সেইসব শব্দ আবার উচ্চারণে কিছুটা বাংলাভাষার অনেক শব্দের মতোই। সেগুলোর অর্থবোধক টিকা ছড়ার নিচে দিয়ে দেয়া হল।
ল...
বাইরে এখন চমৎকার সামার, চাঁদিফাটা গরম পড়ে নি বলে উপভোগ্য সময়। এইরকমই একটা দিনে এই কবিতাটা লেখা হয়েছিলো, তখন অবশ্য শীতের মুলুকে থাকতাম, কাজেই সামার ব্যাপারটা আরো বেশি কাঙ্খিত ছিলো। ঘোর গরম শুরু হওয়ার আগেই তাই দিয়ে দিলাম এখানে, সাভানার আর্ট একদিন পরে হবে। মোটামুটি নিজের গল্প, অনুভূতি আর ছবি নিজেরই, তবে আশা করি গোটা ব্যাপারটা সার্বজনীনই হবে। যাঁরা কবিতার নিয়মিত পাঠক নন, তাঁদ...
আগেরটা খুবই ছোটো হওয়া বিধায় কম্পেনসেট করতে আরেকটা দিলাম। বিদেশের। গ্রীক উপকথা।
এখন একটু বেশী রাতে, এই সাড়ে দশ কি এগারোটায় বাইরে গিয়ে রাত আকাশের দিকে চেয়ে উত্তরের দিকে তাকালে দেখি সপ্তর্ষির জিজ্ঞাসা চিহ্ন ঢলে পড়েছে পশ্চিমে আর পুবের দিকে উঠে আসছে W এর মতন চেহারা নিয়ে ক্যাসিওপিয়া নক্ষত্রমন্ডল।
উপকথায় ইনি ছিলেন ইথিওপিয়ার রাণী, নীলোৎপলবর্ণা অপরূপা, রাজা সেফিউসের (সেফিউসের নাম ...
প্রাচীন ভারতীয় উপকথায় চন্দ্র আর সাতাশটি নক্ষত্র নিয়ে গল্প আছে। গল্পটা হলো এই: দক্ষের সাতাশজন কন্যার সঙ্গে চন্দ্রদেবের বিবাহ হলো। প্রজাপতি ব্রহ্মা স্বয়ং এই বিবাহ দিলেন আর চন্দ্রের কাছে প্রতিশ্রুতি আদায় করলেন যে সে প্রত্যেক স্ত্রীকেই সমান ভালোবাসবে, সমান সঙ্গ দেবে, সমান প্রীতি-উপহার ইত্যাদি দেবে। চন্দ্রদেব সম্মত হলেন। সম্মত না হয়ে করেন কি? আরে বুড়া দাদুর সামনে কিকরে বলেন আর অ ...
আমার সব ম্যাক্রো লেভেল দর্শনেই একটা না একটা ফাঁক রয়েই গেছে। একেবারে নিশ্ছিদ্র কোনটাই নেই। এটা তেমন অসুবিধার কিছু না, একদিক দিয়ে দেখলে 'কিপস লাইফ ইন্টারেস্টিং'। ধর্মচিন্তায় যেমন মনের সুখে সংশয়বাদী (বা এগনস্টিক) হয়ে বইসা ছিলাম, 'সায়েন্টিফিক মেথডে' আর 'রিজনে' এ্যাক্কেরে পূর্ন বিশ্বাস নিয়ে। হঠাৎ বাসায় আজগুবি কিছু ঘটনা ঘটলো (লেখাটা সচলের জন্যই দেয়া, কিন্তু স...
আসেন একটা গল্প বলি। আজ যেহেতু শুভ দিন তাই কঠিন কোন বাস্তবতার গল্পে তাইলে আজ আর না যাই। এই গল্পের নায়ক একজন দুখী বালক। গল্পের শুরু সেই এমন একটা সময়ে যখন সচলে চলছে নব্য প্রস্তর যুগ। ছাগু বিহীন এই সচলে তখন রমরমা অবস্থা। এইটা ঠিক সেই সময় যখন হিমু, ধূগো কিংবা দ্রোহী মেম্বার শালীর সন্ধানে যেকোন সিরিয়াস পোস্টও ছিনতাই করতে পারে, রেনেট কিংবা খেকশিয়াল দা যখনো অতিথি ঠিক সেই সময়, ঠিক সেই সময় এ...

ভূমিকাঃ
আমার একটা ডাইরী আছে যেখানে মরার আগে কি কি করে যেতে চাই তার একটা তালিকা বানানো আছে। ঐ খান থেকে ভালো কয়েকটা আপনাগোরে শুনাইঃ-
১। কয়েক লাখ গাছ লাগানো, যাতে মরার আগেই যে পরিমাণ অক্সিজেন বিনষ্ট করছি বাঁচার নামের তামাশায় তার কিছু হইলেও বদলা দিয়ে যেতে পারি
২। বুয়েনেস আইরেসে এস্তাদিও আলবার্তো জ়ে আর্মান্দোতে দিয়েগো মারাদোনার পাশে বসে বোকা জুনিয়রস...
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে জানার আগ্রহ আমার বেশ ছোটবেলা থেকেই । জিনিসটা কি সেই সময়ের স্কুলের সাধারন জ্ঞান ক্লাস নাকি হঠাৎ করে অমুক মামা, তমুক চাচুর বিদেশে চলে যাওয়া এবং সেখান থেকে অনেকদিন পর পর টেলিফোন বা চিঠি পাঠান - কোনটা থেকে শুরু হল ঠিক মত মনে নেই । তবে মনে আছে সে সময়ে আমার সমবয়সী আরো কয়েকটি শিশুর সাথে একটা খেলা খেলতাম বিভিন্ন দেশের নাম বলার । নিয়ম খুব সহজ । খেলোয়াড়েরা সবাই গ...
মেঘগুলো কাল পাহাড় ছুঁয়ে জল ঝরালো
আমার শহর তুমুল ঝড়ে সিক্ত হলো,
আলসে ধরে বসে থাকি জানলা ধারে
রিকশা নিয়ে বাইরে যাবার ছুতোটা নেই।
এখন তুমি ভিন্ন দেশে অন্য ঘরের ঘরনী যে !
বন্ধু আমার বার্তা দিল তোমার দেশে বৃষ্টি এখন।
স্মৃতিমেদুর
আমি তোমার ফেলে যাওয়া বাংলাদেশে
জানলা দিয়ে বর্ষা দেখি,
মোবাইল ফোনে চেয়ে থাকি।
ফেলে আসা ফোনগুলো সব বাজতো যদি ভুল করেও।
হোটেল বুক করা হয়ে গিয়েছে, এর পর দেখা গেলো উইকেন্ডের আবহাওয়া অতিশয় মনখারাপ-করা। বেড়াতে গিয়ে বৃষ্টি হলে সব মাটি, কিন্তু উপায়ান্তর না পেয়ে রওনা হয়ে গেলাম। প্রথম দিনটা কাটালাম টাইবি আইল্যান্ডের সমুদ্রতটে। খুব আলাদা কিছু না, আর আমি নিজে সমুদ্রের তেমন ভক্ত নই, খুব তাড়াতাড়ি বোরড হয়ে যাই, তবু গেলাম।
২
৩
মেঘলা আকাশ আর ঝিরঝিরে বৃষ্টি, অনেক লোকজন থাকলেও ...