মাঝে মাঝে ভালো লাগে না কিছুই, মাঝে মাঝে পালাতে ইচ্ছে করে। চেনা হাতঘড়ি, রোদচশমা কিংবা প্রিয় মানুষটিকেও অসহ্য মনে হয়। যেনো অন্যকোথাও যাবার কথা ছিল—
মৃত্যুমুখ অবধি ছড়ানো এ গাথা— এক অসম্ভব সেতু ছড়ানো চারপাশে। মেঘের মধ্যে উড়ছে আমাদের ঘরবাড়ি যাবতীয় ভালো লাগা। দ্যাখো, দু’হাতে চোখ ঢেকেও আমি তাকে থামাতে পারছি না! শিথিল স্বপ্নের মতো ঘুমন্ত আগুন থেকে বেরিয়ে সে বসে আছে নিষিদ্ধ করাতকলের পাশে।
[justify]

এটা অতি পুরোন এক লেখা। এবং ভয়াবহভাবে আবেগপ্রসূত! আবেগে যাঁদের আপত্তি আছে তাঁদের ভেতরে প্রবেশ না করাই ভালো। বস্তুত এই লেখাটি কখনোই প্রকাশিত হবার সম্ভাবণা ছিলনা। আজকে হঠাৎ সামনে পড়ায় কী ভেবে প্রকাশ করে দিলাম!
অনেকদিন কিছু লিখিনা। মাঝে মঝে লিখতে ইচ্ছে করে।
তক্ষক ডাকছে।
সেই সাথে আছে ঝিঁঝিঁ পোকার জোরালো ঝিঁঝিঁ ডাক।

গ্রীষ্মকালে আমায় যখন কেউ প্রশ্ন করে, পাহাড়ে ক্যান যাস? জবাবে হাসিমুখে ভারিক্কি চালে বলে দিই “আমাকে জিজ্ঞেস করলে এই প্রশ্নের উত্তর কোনদিনই পাবিনা”। উক্তিটা আমার না, বিশ্বখ্যাত মার্কিন পর্বতারোহী এডমুণ্ড ভিশ্চাসের। শীতকালে পাবলিক যখন মুচকি হেসে শুধায় “কিরে ঘরে বসে আছিস ক্যান, পাহাড়ে উঠবি না?” তখন মুখ লুকিয়ে বলতে হয় মা’র পিটুনি আর বউর বকুনির ভয় ছাড়াও স্বীকার করতে হবে ওই তুষারআবৃত শৃঙ্গ জয়ের সাহস আমার নেই। এই বয়সে পিছলে পড়ে হাড়গোড় ভাঙার হুটকো ঝামেলায় নিজেকে জড়াতে চাইনা।
প্রথম বারের মত কোন একটি দেশে এলে দিন যাপনের সাথে সাথে নানান বিচিত্র অভিজ্ঞতা হয়। লম্বা সময় থাকলে সেই বিচিত্র ব্যাপার গুলো আর আলাদা করে তেমন বিশেষ কিছু মনে হয় না। দেশটির প্রতিটি ব্যাপার তখন উদয়স্তের সূর্যের মত স্বাভাবিক মনে হয়। বোস্টনে এসেছি প্রায় দু´মাস হয়ে গেল। ধীরে ধীরে এখানকার অনেক কিছুই চেনাজানা স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে; তবুও প্রতিনিয়ত নতুন কিছু আবিস্কারের নেশায় পর্যটকের মত ঘার বাঁকিয়ে এদিক সেদিক তাকাতে তাকাতে পথ চলি। শহরের বাইরের খোলসটা দেখা হয়ে গেলে, তারপর ঢুকবো এর রন্ধ্রে।
মধুবন্তী
১। যারা বইমেলায় আসতে পারেননি তাদের এই পোস্ট পড়া নিষেধ। কারো বইমেলানুভূতিতে আঘাত লাগলে লেখক দায়ী নহে।
২। “বই” ব্যাতীত উল্লিখিত সকল চরিত্র কাল্পনিক।
৩। বই হিংসুকদের জন্য অবশ্যপাঠ্য।
ইউনিভার্সিটি অব নিউ মেক্সিকোর বাংলাদেশী ছাত্র এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে, প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারী উপলক্ষে আমরা ইউনিভার্সিটিতে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে থাকি। এইবারের অনুষ্ঠানের একটা আয়োজন ছিল টক শো। তাতে সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলাম আমি সাফি, বিয়ের পক্ষে ছিল শাহেদ এবং বিবাহিতদের পক্ষে ছিলেন আবীর - যিনি বিয়ের পর থেকে এখন চরম বিয়ে বিরোধী। আলোচনার মূল বিষয় ঠিক করি - বিয়ে করা কী উচিত নাকি উচিত না?
[justify]২০০৮ সালে প্রথমবারের মত বিদেশ যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। তখন মাস্টার্স করার জন্যে সুইডেনে যাচ্ছি। মনে মনে ভেবে রেখেছিলাম একটি ডায়েরি সাথে নিব। দৈনন্দিন ঘটনা গুলো লিখে রাখবো। মাস্টার্স শেষ করে সুইডেন থেকে যখন ফিরে আসবো তখন সেই ডায়েরিটির প্রতিটি পাতা ভর্তি হয়ে যাবে। এই ভেবে একটি সবুজ রুলটানা খাতায় লেখাও শুরু করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে নানান ব্যস্ততায় সে খাতায় খুব বেশিদিন লেখা হয়নি। তবে যেটুকু লেখা হয়েছিল, সেটুকু পড়েই আমি টাইম মেশিনে চড়ে অতীতে ঘুরে আসার মত আনন্দ পাই।
যখন যেখানে গেছি সেখানকার প্রতিদিনের দিনলিপি লেখার ইচ্ছে আমার সব সময়ই ছিল কিন্তু কখনই তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। শুধু মাত্র গ্রীষ্মের এক ছুটিতে তিনদিনের প্যারিসের ভ্রমণের প্রায় দুইদিনের ঘোরাঘুরির উচ্ছ্বাসটা লিখে রাখতে পেরেছিলাম। যদিও সেই দুদিনের ঘটনা গুলো গুছিয়ে, লিখে সচলে প্রকাশ করতে আমার এত সময় লেগেছে যে এর মাঝে আরো কয়েকটি দেশ ভ্রমন হয়ে গিয়েছিল।