বাবা, তোমাকে নিয়ে লিখবো প্রায়ই ভাবি... কলমে কিংবা কিবোর্ডে, ভেবে পাইনা কি করে শব্দগুলো সাজিয়ে নেওয়া যায়! জানি, "অন্ধকারে সিগারেট" অথবা "আব্বুকে মনে পড়ে"-- অমন মায়াজাগানিয়া পোস্ট লেখা আমার সাধ্যের বাইরে, কিন্তু হিজিবিজি হলেও কিছু লিখতে ভীষণ মন চাইছে যে.... মেয়েরা নাকি বাপঘেঁষা হয়, আমিও হয়তো হতাম-- সবাই তো বলে আমাদের মুখের আদল এক, স্বভাবেও হয়েছি অনেকখানি একই... তবু পুরোপুরি ত...
শীত নিয়ে আবার ভানতে বসবো ভাবি নাই। যা হোক শীত পড়তিসে কাল থেকে মালুম।
১) কবীর সুমন চিড়িয়াখানার কথা মনে করিয়ে দিলেন।
২) গুচ এ একটা "হোক-হোক' গুরুপ হইসে। তাদের কাজই ওটা।হাইবারনেশানে লোকে ব্লগ না খুলে মকশো করে, টই-এ কাজ সারছে। কাবলিদার ভুতোর মত। আর হোক-হোক।
৩)বাঁকুড়ায় নিশ্চয় গুড় জ্বাল দেওয়া শুরু হয়েছে, গন্ধ আসতিসে। এই তো সেই বছর, ঢাল থেকে নামতেই। হুম, বাসে বড্ড সময় নেয়।
৪) বই এর কাজ এখনও শ...
সন্ধ্যার আকাশ জুড়ে পাষাণ তারাদের মেলা দেখতে দেখতে একই আকাশের নীচে কোথায়, কোন দুরতম জানলায় অস্পষ্ট মুখের আদল বদলাতে বদলাতে কার চেহারায় স্থির, তার হদিস এই জন্মে আর নাই জানা হলেও, এইটুকু হাতড়ে হাতড়ে পাওয়াই যায়, সাইকেলের বয়স ছিলো ষোলো, দুই বেণীর তখন সবে মাত্র তেরো...মাথা পাগল হাওয়ায় হাওয়ায় সেই মাফলার উড়ে যাবার কিছুদিন আগে শেষবারের মতো গ্রামে এসেছিলো দুরদেশী যাত্রাদল...দুই বেণীর রজঃপা...
সেদিন খোমাখাতা খুলেই মেজাজ টং হয়ে গেল। জনৈক সচল তার স্ট্যাটাসে টাঙ্গিয়ে রেখেছে, "মেঘদলের কনসার্টে যাবেন?"। তারিখটা আগেই জেনেছিলাম, ইচ্ছা করেই ভুলে গিয়েছিলাম। মনোকষ্ট বাড়িয়ে লাভ কী? নচ্ছাড় বালক সব ভন্ডুল করে দিল। এর কোন অর্থ হয়? তোর যেতে ইচ্ছা হয়েছে তুই যা, এভাবে রাষ্ট্র করার মানে কী? ঘরের দেয়ালে সাঁটা বিশ্ব মানচিত্র আমার দিকে তাকিয়ে দাঁত বের করে হাসতে লাগল। হাসিটার সাথে বালকের হা...
তরুণ বয়সটা খুবই খতরনাক্- মাথার ভেতরের দুনিয়াটা ভেঙেচুরে উলটপালট করে দেয়। বাইরের জিনিসগুলো তখনও আস্ত থাকে বলে মনে হয় সেগুলোর সবকিছু চুরমার করে ফেলি। মানুষ শেষ পর্যন্ত সৃষ্টিশীল বলে নতুন করে গড়ার ইচ্ছেটা ভাঙার সাথে সাথেই প্রবলতর হয়ে উঠে।
মানুষের জন্মের সময় মস্তিষ্কে সাম্য-অসাম্যের কোনো উপাদান থাকে কিনা জানি না, তবে শৈশবকালে অসাম্যের দিকগুলো খুব একটা ধরা দেয় না। আস্তে আস্তে ব...
বাংলা লিখতে এমনই অভ্যস্থ হয়ে গেল সে যে লেকচার নোটগুলি পর্যন্ত ঘ্যাচম্যাচ করে বাংলায় লিখে যায়। আমাকে বল্লো, "নোট নেয়া ছাড়া আর কিছুই তো হাতে লিখি না, সব তো টাইপ করি। নোট বাংলায় না নিলে বাংলা লেখার চর্চা কেমন করে হবে?" কথা ঠিক। এ লেখার শিরোনামটা এরকমই একটা লেকচার-নোট থেকে নেয়া, পুরানি কাগজপত্র ঘাটতে ঘাটতে পাওয়া।
আমি খেয়াল করে দেখলাম, আমাদের অতি চ...

আজকে দুপুর বেলায় আমাদের ব্লকের আলমগীর মামা যখন মাথায় করে তোষক পত্র সব নিচে নিয়ে যাচ্ছিল তখন চার বছর আগের কথা হুট করে মনে পড়ে গেল। সেদিনও সামনে আলমগীর মামা আর পেছনে আমি ছিলাম। পার্থক্য শুধু আমরা সেদিন সিঁড়ি বেয়ে নিচতলা থেকে পাঁচতলায় উঠছিলাম। আর আজকে নামছি।
এই ওঠা আর নামার মধ্যে চারটা বছর কিভাবে মিইয়ে গেল বুঝতেও পারলাম না।
আই ইউ ...
প্রিয় হাসিখুশি,
আজ ছুটি। কলেজ নেই, কিন্তু প্রচুর কাজ ছিল। কিছুই করতে পারলাম না। ছ’টা বড় লেখা লিখতে হবে বিভিন্ন কাগজের জন্য। কিছুতেই লেখায় মন বসছে না। স্বাতী এসে ফিরে গেছে বলে মন খারাপ আর তাই লিখতে পারছি না, এমনটা নয়। মন খারাপ হয়ে আছে এমনিতেই। কেন খারাপ হচ্ছে জানলে তো মন ভালো করার জন্য একটা ব্যবস্থা নেওয়া যায়। যে অসুখ তুমি বুঝতেই পারলে না, তার চিকিৎসা করবে কি করে? কিন্তু এমনটা মাঝে...
মুরুব্বীরা বলেন, কারো আর্থ-সামাজিক অবস্থা আর রুচির পরিচয় পাওয়া যায় তার বাথরুম দেখে। বাংলাদেশের পাবলিক টয়লেটগুলার অবস্থা সম্পর্কে অনেকেরই ভাল ধারনা থাকার কথা। কোথাও বের হওয়ার আগে আমি সবসময় টয়লেট সেরে নেই। তারপরো কেন জানি বিধাতা আমার দিকে মুখ তুলে চান না। ফলস্বরূপ আমাকে কিছুক্ষণের মধ্যেই ইতিউতি চাইতে হয়। এম্নিতে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে পড়তে আমার কোন সমস্যা নাই, কিন্তু সাথে বড় বা...
আইভরি কোস্টে তখন সন্ধ্যা ৭টার একটু বেশি বাজে। আবিদজান শহরের এক প্রান্তে, বিমানবন্দরগামী রাস্তার আলোগুলো জ্বলে উঠেছে। কালো রঙের বিএমডব্লিউটার চালক বুঝতে পারেন তিনি ভুল পথে চলে এসেছেন। ঠিক রাস্তায় উঠতে হলে তাকে এখন যেতে হবে উলটো দিকে। তবে কথা হল এ সড়কে গাড়িঘোড়ার গড় গতি ঘণ্টায় ৭০ কিমি। সাতপাঁচ ভেবে তিনি সামনে তাকান। না, বিপরীত দিক থেকে কোন গাড়ি আসছে না। রিয়ার ভিউ আয়নাতেও তেমন নি...