গোধূলির বর্ণিল আলোর উৎসব শেষে সন্ধ্যা হবে হবে প্রায়। আমি আর নানাজান পেনশনের টাকা তুলে বাড়ি ফিরছি। রাস্তায় নানাজানের কাছ থেকে ৩০ টাকা নিয়ে নানাজানকে রিক্সায় বসিয়ে রেখে কিনতে গিয়েছি এল.আর.বি-ফিলিংসের 'ক্যাপস্যুল ৫০০ মিলিগ্রাম'। আমার কেনা অডিও ক্যাসেটের অনেকগুলোই নানাজানের মমতাময় স্মৃতিতে আবৃত।
চাচ্চু ওর নাম নয়। কিন্তু আমরা সবাই ওকে চাচ্চু নামেই ডাকি। কারণ সালাম সালাম হাজার সালাম গানের প্রখ্যাত গীতিকার ফজল-এ-খোদার পুত্র সে। ওর বাবা আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় ভাই।ভাইয়ের পুত্র হিশেবে ও আমাদের ভাতিজা।আর ভাতিজা আমাদের চাচ্চু ডাকবে সেটাই তো স্বাভাবিক।কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, গায়ে গতরে উচ্চতায় ভাতিজা আমাদের সমান সমান আকার ধারণ করলেও ওর আচরণ বাবুসোনা টাইপের। বয়স বাড়ছে কিন্তু ভাতিজা আমাদের বড় হচ্
আমার ফেইসবুক নিউজফিডে মাঝে মধ্যে Wasfia Nazreen এর বিভিন্ন পোস্ট আসে। উনি এবং নিশাত মজুমদার প্রথম দুই বাংলাদেশি এভারেস্ট জয়ী নারী। মোটামুটি একই সময়ে তারা এভারেস্টে ওঠেন। বাংলাদেশী মেয়ে এভারেস্টের চূড়ায় উঠবে আমরা বেঁচে থাকতে, কেন জানি এটা কোনদিন ভাবিনি। একবার ৫-৭ দিনের জন্য ট্রেকিং করতে গিয়েছিলাম কেওকারাডং এবং তাজিনডং এর দিকে। ভীষণ কষ্ট হয়েছিল। বলা যায়, সেটা ছিল আমার জীবনের একমাত্র রিস্কি এ
শুক্রবার সকাল – সপ্তাহান্তের দু’দিন ছুটির কেবল শুরু; এই কিছুদিন আগেও এসময়টাতে আমাকে বিছানা থেকে উঠানো কারো সাধ্যে ছিলোনা!
আমার জাগরণগুলি স্বপ্নের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে কমজোরি তথা অনির্ভরযোগ্য হয়ে উঠছে।
-সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়

ব্লগ হচ্ছে শ্বাস নেয়ার মত। অক্ষর-শব্দের ধ্যানের মত! দূষণহীন জঙ্গলে গিয়ে গেরিলা মায়ের পিঠে ঠেস দিয়ে জিরিয়ে নেয়ার মত!
মণিকা'দিকে বলেছিলাম তাঁকে একটা চিঠি লিখব। (হতে পারে বলেছিলাম, প্রেমপত্র লিখব। কিন্তু সে কী আর জনসমক্ষে স্বীকার করা উচিত হবে!)
“বাবা ওই গাড়িটা কি গাড়ি”, রন্টু মুগ্ধ দৃষ্টিতে লাল রঙের সশব্দে চলে যাওয়া ফায়ার ব্রিগেডের গাড়িটির দিকে চেয়ে প্রশ্ন করল।
“ফায়ারব্রিগেড এর গাড়ি, বাবা”।
“ওটা কই যায় ?”
“আগুন থামাতে যায় বাবা, কোথাও আগুন লাগলে ওই গাড়িটা গিয়ে আগুন নেভায়”।
আজ নিজের সাথে দেখা হয়ে গ্যালো বহুদিন পর।
মাঝখানের দিনগুলো কাজ, বিপি, টেনশন, ঘোড়দৌড় - এইসব।
জানিনা কেনো আজগুবি ইচ্ছে হলো পার্কে গিয়ে বসি, স্বাস্থ্যচিন্তা হবে হয়তোবা, অথবা বৃষ্টি আসবে তা টের পেয়ে মনে হলো দেখি কালো হয়ে গ্যালে ক্যামন লাগে বাড়িঘর ছাড়া গাছেদের আকাশ। বেঞ্চে বসতেই আমিও এসে বসলো পাশে।
ছোটবেলা থেকে বই পড়ার ক্ষেত্রে একটা বিচ্ছিরি অভ্যাস গড়ে উঠেছে আমার। বই পড়ছিতো পড়ছি, সেদিন আর অন্যকিছু করা হচ্ছে না। বই পড়া শুরু করে তার ভেতরে ঢুকে গেলামতো হলো, ওটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাকি সব কাজ বন্ধ। আগে এতে খুব একটা সমস্যা হত না। তেমন কাজকর্মতো ছিল না, অঢেল সময়। ইচ্ছেমত বই পড়ে যাচ্ছি। ইদানীংকালে এতে বেশ সমস্যা হয়। এই অভ্যাসের কারণে বই পড়াই বেশ কমে গিয়েছে আজকাল। কাজ-অকাজ-কুকাজের ভীড়ে