
সদ্য সেমিস্টার শেষ হল; কাজের চাপে হপ্তাখানেক সচলে ঢুকতেই পারি নি। শুধু নিজের কাজই তো নয়, ক্লাস পড়ানো + খাতা দেখার কাজও আছে – চৈনিক প্রসাধনপটিয়সী, পূর্ব ইউরোপীয় বালিকা, মার্কিনী ব্লন্ডিনী সবার দায়িত্বই যখন আমার হাতে টিচিং অ্যাসিস্টেন্ট হিসাবে, তখন কর্তব্য বেড়ে যায় বই কি। ছাত্র(নাই বা হল)-ছাত্রীদের সন্তুষ্টও তো রাখতে হবে?
তা ‘বিদ্যাস্থানে ভয়েবচ’ কেন ...
১.
দ্রুত বড়লোক হতে কে না চায়?
সবচেয়ে বেশী চায় স্বচ্ছল মধ্যবিত্ত যারা প্রয়োজনের চেয়ে একটু বেশী আয় করে। ধরা যাক, আমি সেরকম একজন আবুল হোসেন। আমার মাসিক আয় ২৫০০০ টাকা। মাসিক খরচ ২০০০০ টাকা গিয়ে সঞ্চয় থাকে ৫০০০ টাকা। বছরে আমার জমে প্রায় ৬০০০০ টাকা। দশ বছরে জমবে ৬০০০০০ টাকা। তবু দেখা যায় এই টাকা দশ বছর জমিয়েও একটা গাড়ী কিনতে পারবো না, ততদিনে গাড়ীর দাম আরো বেড়ে যাবে এবং একশো বছর চাকরী কর ...
[প্রায় দু'মাস সচলে কোনো লেখা দেয়া হয়নি। না, ঠিক আলস্য বলা যাবেনা একে, বলা যায় জীবনের চক্করে পড়ে বেহুঁশ হয়ে যাবার ফল । চক্কর যে একেবারেই কেটে গেছে, তা নয়। কিন্তু কাটানোর চেষ্টায় রত আছি। একটা ছবি ব্লগ দিতে খুব ইচ্ছা করছিলো, তাই এই এলেবেলে লেখা ফেঁদে বসা আর কী!]
-----------------------------------------------------------------------------
ভোর আমার কাছে সব সময়ই একটা খুব ভালো লাগার সময়। কিন্তু সহজে তা দেখা হয় না বেশ রাত করে ঘুমানোর ফল ...
মা-বাবার সাথে হজ্বে গেলাম। সে এক বিরাট কেচ্চা। এতো এতো গরম, এতো এতো হাটা। তখন মনে হয়েছিলো কিভাবে সম্ভব? মক্কাতে প্রায় ৩৯ ডিগ্রী তাপমাত্রা। মদীনাতে গিয়ে তাপমাত্রা নেমে গেলো। ফজরের নামাযে সামার জ্যাকেট পরেও কাপাকাপি অবস্হা।
যাবার সময় তাপমাত্রা বেশ ভালোই। আসার আগমুহূর্তে ভাইয়া ফোন করে বল্লো তাপমাত্রা খুব নেমেছে। মাইনাস ১০ ডিগ্রী। প্লেন নামতেছে না। আমাদের এতো ঝামে ...
সময়ের বার্ধক্যে হেলে থাকা পুরোনো সেই মায়ার ভিত-
আমার স্মৃতির ভারে অবিন্যস্ত রাত্রি বপন,
দেখিনি সেদিন তাকে, কিংবা সেই স্বপ্নপুরীর মাঠটাকে;
ডোবার ঢেউয়ে বাঁশপাতার শেষ শব্দটাও ভয়ে গেল আটকে-
নিজের মধ্যে ক্রমশ নিশ্চুপ প্রত্যাগমন।
নিস্তব্ধ আঁধারে স্বপ্নগুলোর কুয়াশা বেয়ে মিলিয়ে যাওয়া-
ক্লান্ত পদক্ষেপের সাথে ধুঁকছে হিমবাতাস,
পরাজিত জীবনের গল্পগুলো এগিয়ে যায়, নির্বিকার
সেই পুরো ...
১।ফ্ল্যাশব্যাক
ভেবেছিলাম, টার্ম ফাইনালটা শেষ হোক। পুরোদমে উইকিবাজি শুরু করবো। সিনিয়র ভাইয়ারা পরামর্শ দিলেন, যা করার পিএল-এই শুরু করে দাও। পিএল খুবই প্রোডাক্টিভ সময়। এই সময়টাতে শরীর আর মনে যে জোশ আসে, তাতে ইন্টেলের চিপ ডিজাইন করাও তখন তুচ্ছ মনে হয়। আর উইকি তো উইকিই। সো, দেরি না করে লেগে পড়লাম উইকির ক্রিকেটপল্লী গোছগাছের কাজে। আগেই একটা পোস্টে বলেছি, আমাদের ক্রিকেটপল্লীর অবস্থ ...
জাতীয় সংসদের বর্তমান শীতকালীন অধিবেশনে নতুন শিক্ষানীতি গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি অভূতপূর্ব ঘটনা। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি সরকারের আমলে শিক্ষা কমিশন গঠিত হলেও কোনো কমিশনের প্রতিবেদনই শেষ পর্যন্ত সরকারিভাবে নীতি হিসেবে গৃহীত হয় নি। বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে যেটি গৃহীত হয়েছিল, সেটিও শামসুল হক কমিশনের প্রতিবেদনের আলোকে নানা মাত্রায় খণ্ডিত এক ...
টার্মের শেষদিকে সবার অবস্থা হয়ে পড়ে ঝড়ো কাকের মত; ক্লাসটেস্ট, অ্যাসাইনমেন্ট আর কুইজের খপ্পরে রীতিমত ত্রাহি মধুসূদন দশা। এই সময় আমাদের মত বিটকেলে কজন সবার কানে মন্ত্রণা জপে দিতে থাকি, চল বাক্সপ্যাটরা গুছিয়ে একটা ট্যুর দিয়ে আসি। এক দুজন করতে করতে দলও ক্রমে ভারি হয়ে উঠতে থাকে, কিন্তু গোলটা বাঁধে গন্তব্য নিয়েই, যাবটা কই? একজন কক্সবাজারের নাম প্রস্তাব করলে বাকিরা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দে ...
অ্যাডামের স্বর্গীয় প্রতিশোধ
--------------------------
অনেক অনেক আগের কথা। বিগব্যাং এর ধাক্কা ঈশ্বর তখনো সামলে উঠতে পারেননি। একেতো পাশের নরকের মত গরম হয়ে আছে চারপাশ, তার উপর স্বর্গে নেই কারেন্ট। থাকবেই বা কী করে, তখনো বিগব্যাং এর দুষ্ট কণাগুলো ইলেকট্রনে পরিণত হতে পারেনি। আর ইলেকট্রন ছাড়া ইলেকট্রিসিটি তৈরী করার ক্ষমতা ঈশ্বরের থাকলেও, তার মাথায় আসেনি। তাই ঈশ্বরের মেজাজ চড়ে আছে।
প্রথম কয়েক ম ...
কর্মচারী ঝুকে আছে আর স্যার ফাইল না পড়েই একটার পর একটা সই করছেন, এইরকম দৃশ্য দেখানো হয় গড় পড়তা নাটকে সিনেমায়। যদিও বাস্তবে স্যার সই টা ছাড়া সব করেন, হাসেন, ক্রুব্ধ হন, আকার ইকার হ্রস্বউকার দেন, বিগলিত হন, উতি পাতি করেন, নানা কসরতে শরীর মুচড়ান। যখন খুশি হন, তখন-ই শুধু যগৎ উদ্ধার করে নাটকের দৃশের মতো সই করেন। এই হচ্ছে জনসেবা। এই জনসেবা হয় কোনো প্রকার দায়দায়িত্ব না নিয়েই। কেইস মতো লক্ষ বা ...