ব্লগের ব্যানারে 'পাকিপনা' দেখে খুবই আমোদ অনুভব করলাম। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি, মার্চ এবং ডিসেম্বরে পাকিস্তান-বিরোধিতা করাই উচিৎ। নইলে আর বাঙালি কিসের? লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত যে স্বাধীনতা, এইসব রসিকতার মধ্য দিয়েই তার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হয়। সুতরাং সকল ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন, আধিপত্য এবং বৈষম্যকে পাকিপনা বলার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ আস্বা...
সে দিন বরাবরের মতো বিকালে টিউশনিতে গেছি। রাত প্রায় ৯টা বেজে গেছে। হঠাৎ করে আমার ছাত্রের আব্বা এসে বলল, "স্যার, তাড়াতাড়ি হল এ চলে যান। ঢাকা ভার্সিটিতে নাকি গোলমাল চলছে।" বললাম কেন এবং কিভাবে? উনি আমাকে তেমন কিছু বলতে পারল না। আমিও মনে করলাম আরে এটা আর কি? তখন দেশের যা অবস্থা তাতে কিছু গোলমাল হতেই পারে। পরে হলে এসে শুনলাম, যে সেনাবাহিনীর লোকজন এর সাথে ছাত্রদের কি যেন খেলার মাঠে সমস্যা ...
বিজ্ঞাপনটা অনেকটা এই রকম।
একদল বিদেশি নারী পুরুষ বাংলাদেশি পোষাকে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাচ্ছেন। সবাই নিজের ভাষায় ধন্যবাদ জানালেন ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে, সবশেষে একজন পুরুষ ইংরেজীতে বললেন, থ্যাঙ্ক ইউ বাংলাদেশ।
এরপর গায়েবি আওয়াজ, নিজের ভাষায় কথা বলুন, একটেল থেকে পাঁচটি FnF নম্বরে, প্রতি মিনিট মাত্র ৬৮ পয়সা।
মোবাইল কোম্পানীগুলো অনেক কিছুতে স্পন্সর করে, ওরা জব তৈরি করছে, ছাত্রদ...
[justify]বাংলা ব্লগিঙে চারবছর একমাসের মতো হতে চলল। প্রথম বছর দেড় ব্লগিং খুব সহজ মনে হতো। মাথায় বা আঙ্গুলে কুড়কুড় করলেই ঠুসঠাস টাইপ করে ফেলতাম। তারপর একসময় মনে হলো এভাবে না। খিয়াল করে লিখতে হবে। ধুনফুন ব্লগের দিন শেষ, দিন বদলের বাংলাদেশ। নাইলে পাঠক ধোলাই দিতে কার্পণ্য করবে না। আস্তে আস্তে দেখি এমনকি ধোলাই খাওয়ার মতো আইডিয়াগুলিও খুলির খানাখন্দকে খাবি খাচ্ছে। আঙ্গুল না চললে মাথা চলে ...
দিনটা খুব উত্তেজনায় কাটছে আজ! রাতের অপেক্ষায়,কনকের চোখে এখনি চকচকে হাসি খেলছে।
তিথির ফোন আসে,
-‘হ্যালো তিথি! কি খবর?’
-‘হুঁম, ভাল। তোমার?’
-‘ভাল। জানো আজ রাত শহীদ মিনারে কাটাব?’
-‘মানে!?’
-‘মানে আবার কি! শুভ ভাইও থাকবে! ওখানে কি হয় দেখব।‘
-‘ও দুই পাগলে হল মেলা! ভাল। তিন নম্বর পাগল হিসেবে আমাকে নিতে পার। (ছোট দীর্ঘশ্বাস) অবশ্য বাসা থেকে অনুমতি দিবে না।’
-‘(মন খারাপ করে) ও,তাহলে কি আর করা!’
-...
১
২
[justify]"ফ্রাংকদের (আল্লাহ তাদের ধ্বংস করু...
আমার নিজের বই ছাড়া যত বই আছে সব কার্টন খুলে গতকাল রাতে ফ্লোরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেললাম। কার্টন উল্টাই আর ছুঁড়ে ছুঁড়ে মারি ফ্লোরে
শেলফ টেলফ কিচ্ছু নাই তাই সব বইই কার্টনে রাখি। দুই ধরনের কার্টন। পড়া বইয়ের জন্য এক ধরনের আর না পড়া বইয়ের জন্য আরেক ধরনে। কাল সবগুলাই তিনটা ঘরের ফ্লোরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিড়ি ধরিয়ে বইয়ের উপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে নামগুলা পড়া শুরু করলাম। অনেক পদের অনেক অনেক বই। পদ্য-গ...
১.
মেজাজটাই চড়ে গেল পল্লবের। কলেজের একজন সহকারী অধ্যাপকের মুখে এমন কথা শুনলে মেজাজের আর দোষ কি? বলে কি না- "দুয়েকটা কঠিক অংক মুখস্থ করলে কিচ্ছু হয় না"। পল্লবকে দেখে কিন্তু বুঝা যাচ্ছে না যে সে এত ক্ষেপে আছে। সে নড়েচড়ে ঘাড় সোজা করে সোফায় হালকা হেলান দিয়ে বসে। হাত দুটো একসাথে মুঠো করে শক্ত করে ধরে রাখে। পল্লবের ভিতরে যত রাগ তার সবটুকু উত্তাপ বয়ে যায় দুই হাতের ঐ শক্ত মুঠোর উপর দিয়ে। মু...
মঙ্গলবার ২৩.০২.২০১০
[justify]আবারো জঘন্য আবহাওয়া। সেই ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু করে এক্কেবারে এই সপ্তাহান্তের শুরু পর্যন্ত টানা তুষারপাত আর বদখৎ শীতে হাঁফিয়ে উঠেছিলাম ঠিক। রবিবার নাগাদ তুষারপাত থেমেছে, তাপমাত্রা বাড়ছে, বরফ গলছে এগুলিও সব ঠিক। সমস্যা হচ্ছে বরফ গলবার সাথে সাথে গুরফগুলিও হিমবাহের আগের তাজা চেহারায় ফিরতে শুরু করেছে। সাড়ে ষোলকলা হিসাবে গতরাত থেকে শুরু হয়ে...