আলোকচিত্র

শিবসা নদীতে এক রাত

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: বুধ, ১৬/০৩/২০১১ - ৪:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৮ই ফেব্রুয়ারি রাত। কুটকুট করে মশা কামড়ায়, মশা ঠিক না, এক ধরনের পোকা, আমাদের দেশে বলে ঊনি পোকা। আমার দুরাবস্থা দেখে একজন মশা তাড়ানোর পেস্ট এনে দিলো। সেটা লাগিয়ে আরাম পাচ্ছি। এই মশার পেস্ট নিয়ে একটা মজার কাহিনি আছে, এই সুন্দরবনেই কয়েকবছর আগে। তখন সবেমাত্র সুন্দরবনের সাথে প্রেম জমে উঠেছে। একদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে পেস্ট ভেবে এই ঔষধ ব্রাশে লাগিয়ে দাঁত মাজতে লেগেছিলাম।


ছবিব্লগঃ ক্লিনিক-এ-আরিফগ্রাফি (এক)

অনুপম ত্রিবেদি এর ছবি
লিখেছেন অনুপম ত্রিবেদি (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/০৩/২০১১ - ১১:২২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই কিলিনিকে রুগী আসে কতকগুলান এক্সটেনশন লয়া, তার মইধ্যে .NEF-ই বেশি। তয় অনেক .JPEG-ও আসে মাগার এট্টু কম আরকি! আরে ভাই, একেকজনের একেক পরবলেম, কেউ লাইট লয়া গিয়াঞ্জামে পড়ছে, কেউ দল-বল লয়া মিল্লা-মিশ্যা একটা HDR হইতে চায় আবার কারু কারু শরিল্লের রঙ সব উদাম কইরা ব্লিচ মাইরা সাদা-কালু করতে চায়। এইসব লয়া মহা ফ্যাসাদে আছে এই কিলিনিকের ডাগদর-এ-আলা। তয় আইজ নিকি এক রুগীর উড়পে কামরুপকামাক্ষা থিকা আগত নয়া একটা চাক্কু-মাক্কু অপারেশন হইবো। এই বুলুগে হেইটা এখন আমরা লাইভ পড়ুম!!! কি মজা ... কি মজা ...


কল্পবাস্তবতা আর...

নির্জন স্বাক্ষর এর ছবি
লিখেছেন নির্জন স্বাক্ষর [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/০৩/২০১১ - ৩:০৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তারা দুই বন্ধু।

দুইজনেরই জীবনে অনেক কিছু করার শখ ছিলো, শেষমেশ সেসব শখের কিছুই করতে না পেরে তারা ছকে বাঁধা জীবনে অভ্যস্ত হয়ার চেষ্টা করে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অফিস করে, বাসায় ফেরে তারপর ঘুমায়। আবার পরের দিন যায় অফিসে। তাই প্রতি সপ্তাহ শেষে দুই বন্ধু এই নিরামিষ জীবনের হতাশা দূর করতে বার-এ যায় চিবিয়ে একদম ছিবড়ে করে ফেলা জীবনটায় সাময়িক উত্তেজনা আনতে।


যমুনা থেকে ঝিলম - ১

সংসপ্তক এর ছবি
লিখেছেন সংসপ্তক (তারিখ: সোম, ১৪/০৩/২০১১ - ৫:৫১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সচলত্ব প্রাপ্তির পর প্রথম লেখা হাসি


১০১টা ছবির গল্প-পাঁচ

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: রবি, ১৩/০৩/২০১১ - ৮:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কড়া রোদ বাইরে, জোয়ারের ঠেলা পেয়ে আমাদের ট্রলার চলছে স্বাভাবিকের চাইতে দ্রুত, চালকের সাথে হিসাব কষে দেখলাম এই গতিতে বেলা দুটো নাগাদ বুড়িগোয়ালিনী পৌঁছে যাবো। নদীর নাম খেলপেটুয়া। উজানে বলে এদিককার পানি কিছুটা পরিষ্কার। হড্ডা স্টেশন পেরিয়ে এসেছি ঘণ্টাখানিক হবে। সামিয়ানার নিচে বসে ঝিমাতে ঝিমাতে গতকাল রাতের ঘটনা আরেকবার মনের পর্দায় দেখছি।


ছবিব্লগঃ অন্যআলো

অনুপম ত্রিবেদি এর ছবি
লিখেছেন অনুপম ত্রিবেদি (তারিখ: শনি, ১২/০৩/২০১১ - ১০:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[যারা 'মেইনস্ট্রিম ফটোগ্রাফি'র গুনমুগ্ধ দর্শক এবং এডিটেড ফটোগ্রাফির সামনে দাঁড়িয়ে বিব্রত বোধ করেন, তারা দয়া করে এই লেখাটা এড়িয়ে যাবেন। তারপরও কেউ ভুল করে ঢুকে যদি এই চিন্তায় ব্যস্ত হন যে 'ফটোশপ এসে কাটাকুটি করে ফটোগ্রাফিটাকে নষ্ট করে দিলো', তবে তাদের জন্য আমার এক গামলা ভর্তি করুণা পড়ে রইলো। ঐ গামলা থেকে করুণা তোলার লোটা নিজ দায়িত্বে সংগ্রহ করবেন।]


স্বাধীনতা

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৩/২০১১ - ৫:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে
রক্ত লাল রক্ত লাল
রক্ত লাল.........


প্রতিবেশীর হক আদায় করুন

ফাহিম হাসান এর ছবি
লিখেছেন ফাহিম হাসান (তারিখ: শুক্র, ০৪/০৩/২০১১ - ৫:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]ব্যস্ত নগর জীবনে অনেক সময় আমাদের প্রতিবেশীর খোঁজ-খবর নেওয়া হয়ে উঠে না। বহুতল আবাসিক এলাকায় জানাই হয়ে উঠে না পড়শির নাম। অথচ বিপদে পড়লে এদের কাছেই চট-জলদি সাহায্যের জন্য দৌড়াতে হয়। এক যুগ আগেও পাড়ার প্রবীণদের জানা থাকতো সব বাসিন্দাদের ঠিকুজি-কুলুজি। শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বিনিময় ছিল সামাজিকতার অঙ্গ। শুক্রবার নামাজে কুশল জিজ্ঞাসা, শীতে কারো উঠানে ব্যাডমিন্টন কোর্ট কেটে তুমুল প্রতিযোগিতার খেলা


জীবন-মরণ খেলার কৌশল

ফাহিম হাসান এর ছবি
লিখেছেন ফাহিম হাসান (তারিখ: রবি, ২৭/০২/২০১১ - ৯:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আমেজ সবখানে। ব্লগ উপচে পড়ছে বাংলদেশের জয়ের আবেগে। আমি খেলা ভালো বুঝি না। বন্ধুরা যখন তুমুল তর্কে ব্যস্ত, আমি তখন দুই দিকেই মাথা নাড়ি। সাধারণ জ্ঞানে এইটুকু বুঝি - যে কোন খেলাতেই জিততে হলে কৌশলী হতে হয়। দুই পক্ষের মাঝে সামর্থ্যের তারতম্য থাকতেই পারে, কিন্তু সঠিক সময়ে নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত, কূট বুদ্ধির যথাযথ প্রয়োগ অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলকেও জিতিয়ে দিতে পারে।


শিখবা নাকি ক্যামেরাবাজী?: বাবুর ছবি

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি
লিখেছেন এস এম মাহবুব মুর্শেদ (তারিখ: শুক্র, ২৫/০২/২০১১ - ৯:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার বাবু হবার পর থেকে বাবুর ছবি তোলার ধুম পড়ে গেলো। কিন্তু লক্ষ্য করলাম যে সব ছবিই আসলে মন মত হয় না। এ বিষয়ে ওয়েবে ঘাঁটাঘাটি করে কিছু বিষয় জানা গেলো। বিষয়গুলো আলোচনা করা যাক:

১। বাবুদের মুখভঙ্গী খুব দ্রুত বদলায়। তাদের মুডও খুব বদলায়। সুতরাং প্রচুর ছবি তুলতে হবে। খটাশ খটাশ করে তুলতেই থাকুন। দেখবেন এর মধ্যে একটা চমৎকার মুখভঙ্গী ধরা পড়েছে আপনার ক্যামেরায়।