পুর্বকথাঃ
'সসেমিরা' একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ সঙ্কটজনক অবস্থা অথবা কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা। শব্দটি কালিদাসের 'দ্বাত্রিংশৎ-পুত্তলিকা' আখ্যানকাব্যে বর্ণিত চারটি শ্লোকের প্রত্যেকটির আদ্যাক্ষরের সমষ্টি।
আমার হাতে যদি কখনো একটা টাইম মেশিন এসে পড়ে আর তাতে করে যদি অতীতে ফেরার সুযোগ দেয়া হয়,আমি দ্বিধায় পড়ে যাব।আমি কেন, বেশির ভাগ মানুষের তাই হবার কথা,কারন কোনটা ছেড়ে কোনটা বাছব সেই জাতীয় সমস্যা এটা।তবে ইদানিং মনে হয় একাত্তরের ষোলই ডিসেম্বরে ফিরতে পারাটাই সবচেয়ে দারুণ ব্যাপার হবে।স্বাধীনতার এগার বছর পর আমার জন্ম,একাত্তরের ষোলই ডিসেম্বর আমি দেখিনি,কিন্তু কল্পনা করতে পারি সেদিন বিকেল সাড়ে চারটায় রেস্কোর্স
৭৫ বছর বয়স্ক পাকিস্তানী গোফা খানের সাথে সাক্ষাতের ব্যাপারটা উল্লেখযোগ্য কোন বিষয় ছিল না, কিন্তু ইয়াহিয়া খানের বিষয়ে তার দেয়া কিছু অগুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ঘটনাটা বলতে হচ্ছে। সিঙ্গাপুরে ৪ ঘন্টার একটা ট্রানজিটে পরবর্তী বিমানে আরোহনের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে তার সাথে সামান্য আলাপ হয়েছিল।
দুজনেই দুজনকে বলবো, 'অনেক দিন দেখা হয় নি'।
এইভাবে যাবে দিনের পর দিন, বত্স়রের পর বত্স র।...”
উঠোনের এক কোণেই দোতলার সিঁড়ি উঠেছে । সিঁড়ির নিচের ত্রিভুজাকৃতির খোপটাতেই খড়ির দু’টো চুলো। নানির সারাটা দিন কাটতো ওখানে বসেই। সকালের নাস্তা, দুপুরের ভাত, সন্ধ্যাতেই হয়ে যেত রাতের খাবারও। ভোরে ওখানে বসেই রুটি বেলতেন আর আমরা নানিকে কেন্দ্র করে অর্ধবৃত্তাকারে বসতাম নাস্তা করতে। গরম গরম রুটি চুলো থেকে সরাসরি কাঁসার থালায়। মাথার উপর উঠোনের অনেকটা জায়গা ধরে ছেয়ে ছিলো একটা পেয়ারা গাছের শাখা-প্রশাখা। বলধরা
ই-বই এবং পিডিএফ তৈরি ও প্রকাশে সচলায়তনের সহযোগিতা চাই ৷
কবিতা ও প্রবন্ধের বই ৷
বেয়াদব গদ্য চাই
রাজিব মাহমুদ
ভূমিকাঃ
যখন পার্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছিলাম, তখন আমরা বাঙালী শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর একুশেকে কেন্দ্র করে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতাম। আমাদের বাংলাদেশী ছাত্র সংগঠনের বাৎসরিক কর্যক্রমের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান হতো সেটাই, ভার্সিটির বড় অডিটোরিয়াম ভাড়া করে এবং সবার জন্য উন্মুক্ত করে। যতদুর জানি আজও পার্ডুতে এটা অব্যাহত আছে। এখনকার কথা জানি না, তবে আমাদের সময় অনুষ্ঠানটার মৌলিক কাঠামো ছিল অনেকটা এরকমঃ