Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

অণুগল্প

এরা সত্যিই এগিয়ে গেছে

দেবোত্তম দাশ এর ছবি
লিখেছেন দেবোত্তম দাশ (তারিখ: শুক্র, ২৪/০৪/২০০৯ - ৫:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

small
ওদের কথাবার্তার ধরন আর ভাষার টান শুনেই বোঝা যাচ্ছিল ইংরাজীটা ওদের মাতৃভাষা। দুজনের মধ্যে কথাবার্তা ইংরাজীতেই হলেও আমি আমার মত করে বাংলায় অনুবাদ করছি।

ছেলে ঃ- (মেয়েটির হাত ধরে) ওহ্ ডার্লিং, তুমি যদি আজ ফিরে না আসতে তাহলে আমি বোধহয় মরেই যেতাম, তুমি কি জানো না আমি তোমায় কত ভালোবাসি!

মেয়ে ঃ- (আর্দ্র চোখে রোমাণ্টিক একেবারে সিনেমার মত ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে) ...


জোনাকি

কুঙ্গ থাঙ এর ছবি
লিখেছেন কুঙ্গ থাঙ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৩/০৪/২০০৯ - ১২:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সন্ধ্যে হলে দলংদের বাঁশঝাড়ের ফাঁক দিয়ে মিটমিট আলো জ্বেলে উড়ে যায় আশ্চর্য জোনাকির দল। কয়েকটাকে ধরে বোতলে ভরতে যাবে এমন সময় মা বলে উঠে, এটা পাপ বাবা। জোনাকি ধরলে রাতে খারাপ স্বপ্ন দেখবি। মার কথা গ্রাহ্য করেনা দলং। বোতলের জোনাকি ধানের গোলার আড়ালে লুকিয়ে রেখে ভাবতে বসে, জোনাকি কোথা থেকে কিভাবে ঐ আলো পায়। ছেড়ে দিতে হতে পারে এই ভয়ে মাকেও জিজ্ঞেস করা হয়না। আবার মায়ের বলা স্বপ্নের আশ...


এই রিমি, দাঁড়া...!

রণদীপম বসু এর ছবি
লিখেছেন রণদীপম বসু (তারিখ: বুধ, ২২/০৪/২০০৯ - ২:৪৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ধাম করে জড়িয়ে ধরলো সে। এবং কিছু বুঝে ওঠার আগেই নরোম ঠোঁট দুটো সজোরে চেপে ধরলো আমার খসখসে গালে। একটা মৌ মৌ গন্ধে কয়েক মুহূর্ত কেটে গেলো। যখন বুঝতে শুরু করলাম একটি সদ্য তরুণী-দেহ তার সমগ্র সত্তা দিয়ে অক্টোপাশ-বন্ধনে আমাকে আস্টেপৃষ্ঠে পিশে ফেলতে চাইছে, কী যেন হয়ে গেলো আমার ! এই প্রথম টের পেলাম, শক্ত-সমত্থ তরুণ শরীরটাতে বুঝি মনের আড়ালে মিশে লুকিয়ে ছিলো একটা বেয়াড়া পুরুষও ! কিন্তু তার ...


অণুগল্প: উল্টোরথ আর উড়োপথ

তীরন্দাজ এর ছবি
লিখেছেন তীরন্দাজ (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৪/২০০৯ - ৫:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১) উল্টোরথ!

মনটা ভালো ছিল না একেবারেই। একদিকে কাঠফাটা রোদের নির্মম কামড়, অন্যদিকে নিজের পকেটের করুন অবস্থা। এরই মাঝে মোটরসাইকেলওয়ালা একজন পুলিশের সার্জেন্ট যখন এক হতদরিদ্র রিক্সাওয়ালার কাছ থেকে দশ টাকা ঘুষ নিতে দেখলাম, আরো বেশী বিক্ষিপ্ত হয়ে উঠলো মেজাজটি।

পাশের পার্কের একটি বেঞ্চে গিয়ে বসলাম। বিশাল এক ইউক্যালিপটাসের ছায়াতেও দরদরিয়ে ঘাম ছুটলো শরীরে। সুমনার কথা মনে হলো। এ...


দু'টি অণুগল্প: ইশ্বরের সৃষ্টি ও সিদ্ধান্ত

তীরন্দাজ এর ছবি
লিখেছেন তীরন্দাজ (তারিখ: বুধ, ১৫/০৪/২০০৯ - ৪:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অণুগল্প এক

খুব সূচারু নিপুনতায় মানুষকে তৈরী করলেন ইশ্বর। প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যোগ করলেন অসীম যত্নের সাথে। বুদ্ধিবৃত্তিক বৈশিষ্টআর মনন প্রদান করলেন নিজস্ব চিন্তাশীলতার আলোকে। তারপর সামান্য পিছিয়ে নিজের সৃষ্টিকে পর্যবেক্ষণ করে সে সৃষ্টির পরিপূর্ণতায় নিজেই অবাক আর আনন্দিত হলেন। প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সেভাবেই কাজ করছে, যেভাবে চেয়েছিলেন তিনি। বুদ্ধির বিকাশেও এই সৃষ্টি ত...


শুয়োর

সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি
লিখেছেন সংসারে এক সন্ন্যাসী (তারিখ: শনি, ১৪/০৩/২০০৯ - ৭:৪৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ সচলায়তনে "গরু" আর "গাধা" নামে দুটো গল্প প্রকাশিত হতে দেখে এই প্রবাহে অবদান রাখার লক্ষ্যে খুদে একখানা গল্প অনুবাদ করে ফেললাম হাসি । রূপকধর্মী এই গল্পটি প্রকাশে কিছুটা দ্বিধা অবশ্য ছিলো...

শুয়োর

মূল রচনা: তুরখান রাসিয়েভ

এক সবজি-বাগানে ঢুকে পড়লো শুয়োর। দেখে বাগানের মালিক চিত্কার করে উঠলো:
- ভাগ! বেরিয়ে যা আমার বাগান থেকে! আমার বাগানে এসে কেন ঘাঁটাঘাঁটি করতে হবে তোকে!
...


মরীচিকা

দেবোত্তম দাশ এর ছবি
লিখেছেন দেবোত্তম দাশ (তারিখ: বিষ্যুদ, ১২/০৩/২০০৯ - ১০:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

small
এই তোর নাম কি, আর এখানে এলি কি করে?

আমার নাম জামাল প্রশ্নের বাকিটা শেষ না করে এবার জামাল জিজ্ঞেস করে, তোমার বাড়ীই বা কোথায় আর তুমিই বা কি করে এখানে এলে ?

আমার বাড়ী পাঞ্জাবে, লেকিন ওহ হিন্দুস্থানওয়ালা পাঞ্জাব নেহী, পাকিস্থানওয়ালা পাঞ্জাব, সমঝা। আর আমি কি করে এখানে এসেছি তা জানি না, তবে এক চাচাজী আমাকে রোজ স্কুল থেকে ফেরার সময় আমার সাথে গল্প করত আর মাঝে মাঝে চকলেট ...


আমাদের বাজারের পাগলী - (যমুনি পাগলী ০১)

দেবোত্তম দাশ এর ছবি
লিখেছেন দেবোত্তম দাশ (তারিখ: মঙ্গল, ১০/০৩/২০০৯ - ১১:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

small
আমার এখনো স্পষ্ট মনেআছে সেই ছোট্টবেলা আমাদের শহরের বাজারে যমুনি নামে এক পাগলী ছিল। আমাদের বাসা বাজারের লাগোয়া ছিল বলেই বোধহয় এই পাগলীকে আমরা রোজ দেখতাম। পাগলীটি মাঝে মাঝেই খুব চেঁচাতো আর মাঝে মাঝেই কি সব উদ্ভট আওয়াজ করতো তা লিখে বোঝাতে পারবো না। ওহ্ বলতে ভুলে গেছি মহিলাটি সম্ভবতঃ বিহারী ছিল কারন রেগে গেলে সে হিন্দীতে গালিগালাজ করত আ...


| তিল-গপ্পো | হেমন্তে যেইসব অশরীরীরা শীতের চা পান করে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৯/০৩/২০০৯ - ৫:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তুমি ভাঙতে থাক, আমি চা খাওয়া শেষ হলেই যোগ দিব উৎসবে। চায়ের উপযোগিতা আমার নিউরনে দ্রুত ধরা দেয় না, হালকা কুসুমগরম হলে আমি অমোঘ আরাম পাই; শরীরের আরাম মানসিক নিবিষ্টতার প্রাথমিক সিঁড়ি। শরীর ভাঙতে থাকুক, তুমি অণু-পরমাণু ছুঁয়ে কোর্য়াক হয়ে যাবে; বিবিধ শক্তি থেকে একদা জন্ম দিবে তোমার শরীরভর। আমরা তখন চিরায়িত দর্শক, ব্যস্ততম পরিব্রাজক।
এই চায়ের তাপ হারানো কিংবা গুণগত মান নিয়ে পরীক্ষা হ...


অণুগল্প : তার মৃত্যুর জন্য সে নিজেই দায়ী.........

কীর্তিনাশা এর ছবি
লিখেছেন কীর্তিনাশা (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০৩/২০০৯ - ১২:৫৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি চাইনি এভাবে তার মৃত্যু হোক। চেষ্টা করেছি অনেক তাকে ও’পথ থেকে ফেরাতে। কিন্তু তার মৃত্যু যেন ওখানেই লেখা ছিল। অবধারিত ছিল আমার সমস্ত প্রচেষ্টা বিফলে যাওয়া। তাই তো সে গট গট করে হেটে ঠিক সে জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালো যেখানে একটু পরেই নেমে আসবে ঢল। ভাসিয়ে নিয়ে যাবে তাকে।

আমি চিৎকার করে তাকে ফেরানোর চেষ্টা করেছি। হাততালি দিয়েছি তার দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য। এমনকি রেগে গিয়ে থুথুও ছিটিয়েছ...