ছবি ও কবিতা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ৩১/০৩/২০১১ - ১২:৫৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কবিতার সাথে মিল লাগে এমন কিছু ছবি আর কবিতা/গান পেশ করলাম। আশা করি ভাল লাগবে আপনাদের।

আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে , I'll return to the Dhansiri's banks

আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে...
হয়তো বা হাঁস হব-কিশোরীর-ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,
সারাদিন কেটে যাবে কলমির গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;
আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালবেসে
জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
-জীবনানন্দ দাশ

বর্ণমালা

বাংলা ভাষা উচ্চারিত হলে নিকানো উঠানে ঝরে
রোদ, বারান্দায় লাগে জ্যোৎস্নার চন্দন।
বাংলাভাষা উচ্চারিত হলে অন্ধ বাউলের একতারা বাজে
উদার গৈ্রিক মাঠে, খোলা পথে, উত্তাল নদীর
বাঁকে বাঁকে, নদীও নর্তকী হয়।
যখন সকালে নতুন শিক্ষার্থী লেখে তার বাল্যশিক্ষার অক্ষর,
কাননে কুসুমকলি ফোটে, পুকুরে কলস ভাসে।
বাংলাভাষা উচ্চারিত হলে চোখে ভেসে ওঠে কত চেনা ছবি;
মা আমার দোলনা দুলিয়ে কাটছেন
ঘুমপাড়ানিয়া ছড়া কোনসে সুদূরে; সত্তা তার আশাবরী।
নানি বিষাদসিন্ধু স্পন্দে দুলে দুলে রমজানি সাঁঝে ভাজেন ডালের বড়া,
আর একুশের প্রথম প্রভাতফেরি- অলৌকিক ভোর।
-শামসুর রহমান

অভিমান

ভালোবাসি বলেই তোকে এত দুঃখ দেই প্রতিদিন

আবেগের খোলস ভেঙ্গে সাংসারিক দাবি ও অধিকারে তোর কাছে যাই
ছেড়ে চলে আসি
ফেলে চলে আসি

নেই প্রত্যাশা- নেই অভিমান
নেই জীবনে জীবন জড়ানো স্বপ্নের জাল
তবু কী অদ্ভুত জড়িয়ে থাকা; বৃক্ষ ও মাটিতে বটের লতানো শেকড়

ভালোবাসি বলেই ভালো না বেসেও কেটে যায বহুদিন
ভালবাসি বলেই ভালবাসার কথাটাই বলা হয় না তোকে ।

-মাহবুব লীলেন

The return 2

যে পাতা সবুজ ছিল, তবুও হলুদ হতে হয় —
শীতের হাড়ের হাত আজও তারে যায় নাই ছুঁয়ে —
যে মুখ যুবার ছিল, তবু যার হয়ে যায় ক্ষয়,
হেমন্ত রাতের আগে ঝরে যায় — পড়ে যায় নুয়ে —
পৃথিবীর এই ব্যথা বিহ্বলতা অন্ধকারে ধুয়ে
পূর্ব সাগরের ঢেউয়ে জলে জলে, পশ্চিম সাগরে
তোমার বিনুনি খুলে — হেঁট হয়ে — পা তোমার থুয়ে —
তোমার নক্ষত্র জ্বেলে — তোমার জলের স্বরে স্বরে
রয়ে যেতে যদি তুমি আকাশের নিচে — নীল পৃথিবীর ‘পরে!
– জীবনানন্দ দাশ

solitude

আকাশ ছোঁয়া দেবদারুর তলে দাঁড়িয়েছ কখনো?
কত তুচ্ছ তুমি!
একবুক সাগরে নেমে কখনো তাকিয়েছ দিগন্তে?
ঢেউয়ের ফেনার চেয়েও অকিঞ্চিৎকর তোমার অস্তিত্ব!
ঘন অমাবস্যায় কখনো তাকিয়েছ ওই তারাভরা আকাশটার পানে?
বিনয়ের সাথেই বলছি,
সেখানে তুমি মলিন ওই আলোকবিন্দুগুলোর চেয়েও!

স্রষ্টা তোমায় প্রতিমা হয়তো করেছেন, অনন্যা করেননি।

শুধু একটিবার এসে দেখে যাও এ হৃদয়ে তোমার স্থান-
আমার জগতে তোমাকে করেছি অনন্ত,
যেখানে আর কারো অস্তিত্ব নেই।
-(লেখকের নাম জানিনা)

স্বাধীনতা

মাগো আমি একটি কবিতা লিখেছিলাম;
ঊনচল্লিশ বছর আগে।
বোনের শহীদ হওয়া লজ্জা লাশের উপরে,
হায়েনার গুলিতে বাবার ঝাঁঝরা বুকের ছিদ্র পথে গড়িয়ে পড়া রক্তের অক্ষরে।
কবিতার চারটি চরণ ছিল মাত্র।
__________স্বাধীনতা
________বাংলাদেশ
______বাঙ্গালী
আর-
___লাল সবুজ একটি পতাকা।

আমার কবিতাটি রেখেছিলাম আলতো করে;
লুই আই কানের যত্নে গড়া
লাল ভবনে;
খুব যতনে।

রক্ত দেখি আজ কবিতার চরণে।
রাজাকার,যুদ্ধাপরাধী হায়েনাদের পাপিষ্ঠ পদাঘাতে
শত ছিন্ন হয়ে;
কবিতার খাতা এখন গুমড়ে কাঁদে।
মীর জাফর ঘসেটি বেগমদের ফুলে পূজিত হয়ে,
দেবতা হয়ে ওরা এসে বসে
লুই আই কানের লাল ভবনে।
রক্তের স্বাধ নেওয়া জিহ্বা ঢাকে,
লাল সবুজ পতাকায় মুখোশ বানিয়ে।

আর, আমি লজ্জিত হই, ব্যথিত হই।
ঘুমো ঘোরে হাতড়ে ফিরি,
মাগো আমার কবিতা কই!

-শুদ্ধ শারদ শিশির

বৃষ্টি ধারায় শোধাব আজ ...ভালোবাসার সবটুকু ঋণ

কাঁদছে আকাশ, কাঁদছে মন রিমঝিম বৃষ্টি তে বিরহী এ মন
বন্ধু তুমি ফিরে এসো ...সপ্ন ছোঁয়া বাদল দিন
বৃষ্টি ধারায় শোধাব আজ ...ভালোবাসার সবটুকু ঋণ ।
বন্ধু আমি একলা বসে, আশা নিরাশার বাদল দিন
বৃষ্টি ধারায় শোধাব আজ ...ভালোবাসার সবটুকু ঋণ ।
ও আকাশ কি আমারই মতন সপ্ন বেঁচেও সপ্নহীন
বৃষ্টি ধারায় শোধাব আজ ...ভালোবাসার সবটুকু ঋণ ।
বন্ধু তুমি ফিরে এসো ...সপ্ন ছোঁয়া বাদল দিন
বৃষ্টি ধারায় শোধাব আজ ...ভালোবাসার সবটুকু ঋণ ।

সমস্ত দিনের শেষে / At the day’s end

সমস্ত দিনের শেষে' শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে।
ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল ।
পৃথিবীর সব রঙ মুছে গেলে পান্ডুলিপি করে আয়োজন ,
তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল ।
সব পাখি ঘরে আসে - সব নদী।
ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন। থাকে শুধু অন্ধকার...
--জীবনানন্দ দাশ

বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি......./ I've seen the face of Bangla....

বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ
খুঁজিতে যাই না আর : অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুরের গাছে
চেয়ে দেখি ছাতার মতন বড় পাতাটির নিচে বসে আছে
ভোরের দোয়েল পাখি- চারিদিকে চেয়ে দেখি পল্লবের স্তূপ
জাম-বট-কাঠালের-হিজলের-অশথের করে আছে চুপ;
ফণীমনসার ঝোপে শটিবনে তাহাদের ছায়া পড়িয়াছে;
মধুকর ডিঙা থেকে না জানি সে কবে চাঁদ চম্পার কাছে
এমনই হিজল-বট-তমালের নীল ছায়া বাংলার অপরূপ রূপ
দেখেছিল; বেহুলাও একদিন গাংঙুরের জলে ভেলা নিয়ে-
কৃষ্ণা দ্বাদশীর জোছনা যখন মরিয়া গেছে নদীর চড়ায়-
সোনালি ধানের পাশে অসংখ্য অশ্বত্থ বট দেখেছিল, হায়,
শ্যামার নরম গান শুনেছিল- একদিন অমরায় গিয়ে
ছিন্ন খঞ্জনার মতো যখন সে নেচেছিল ইন্দ্রের সভায়
বাংলার নদী মাঠ ভাঁটফুল ঘুঙুরের মতো তার কেঁদেছিল পায়।
-জীবনানন্দ দাশ

হারালে সময় ফিরে আসেনা.../time does not wait for anyone

চেয়েছি তোমায় নিজন প্রহরে
হাতে হাত চোখে চোখ, হারাবো অবসরে
তুমি ভুলে যেওনা ভুল বুঝোনা
হারালে সময় ফিরে আসেনা...
আল্প ভালবাসা চেয়েছি এ জীবনে
সুখের সাগরে ভাসবো যে দুজনে
তুমি ফিরে এসোনা হাত ধরোনা
হারাবো দুজন এই ঠিকানা......

চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে, অন্তরে আজ দেখব যখন আলো নাহিরে

চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে।
অন্তরে আজ দেখব, যখন আলোক নাহি রে।।
ধরায় যখন দাও না ধরা
হৃদয় তখন তোমায় ভরা,
এখন তোমার আপন আলোয় তোমায় চাহি রে।।
তোমায় নিয়ে খেলেছিলেম খেলার ঘরেতে।
খেলার পুতুল ভেঙে গেছে প্রলয় ঝড়েতে।
থাক তবে সেই কেবল খেলা,
হোক-না এখন প্রাণের মেলা
তারের বীণা ভাঙল, হৃদয়-বীণার গাহি রে।।

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নীড় ছোট ক্ষতি নেই...আকাশ তো বড় /it doesn't matter if our home is small.. cause sky is unbound

নীড় ছোট,
ক্ষতি নেই ।
আকাশ তো বড় ।
হে মন বলাকা,
মোর
অজানার আহবানে
চঞ্চল পাখা মেলে ধরো ।

ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু

ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু,
পথে যদি পিছিয়ে পড়ি কভু॥
এই-যে হিয়া থরোথরো কাঁপে আজি এমনতরো
এই বেদনা ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, ক্ষমা করো প্রভু॥
এই দীনতা ক্ষমা করো প্রভু,
পিছন-পানে তাকাই যদি কভু।
দিনের তাপে রৌদ্রজ্বালায় শুকায় মালা পূজার থালায়,
সেই ম্লানতা ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, ক্ষমা করো প্রভু॥

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Nostalgia

করুণা করে হলেও চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও
আঙ্গুলের মিহিন সেলাই
ভুল বানানেও লিখো প্রিয়, বেশি হলে কেটে ফেলো তাও,
এটুকু সামান্য দাবি, চিঠি দিও, তোমার শাড়ির মতো
অক্ষর পাড়-বোনা একখানি চিঠি।
চুলের মতন কোনো চিহ্ন দিও বিস্ময় বোঝাতে যদি চাও ...
বর্ণণা আলস্য লাগে তোমার চোখের মতো চিহ্ন কিছু দিও!
আজো তো অমল আমি চিঠি চাই, পথ চেয়ে আছি,
আসবেন অচেনা রাজার লোক
তার হাতে চিঠি দিও, বাড়ি পৌঁছে দেবে ....
এমন ব্যস্ততা যদি শুদ্ধ করে একটি শব্দই শুধু লিখো, তোমার কুশল! ...

করুণা করে হলেও চিঠি দিও, ভুলে গিয়ে ভুল করে একখানি চিঠি
দিও খামে
কিছুই লেখার নেই তবু লিখো একটি পাখির শিস
একটি ফুলের ছোট নাম,
টুকিটাকি হয়তো হারিয়ে গেছে কিছু হয়তো পাওনি খুঁজে
সেইসব চুপচাপ কোন দুপুরবেলার গল্প
খুব মেঘ করে এলে কখনো কখনো বড় একা লাগে, তাই লিখো
করুণা করে হলেও চিঠি দিও, মিথ্যা করে হলেও বোলো, ভালবাসি
- মহাদেব সাহা

Escape

হারিয়ে গিয়েছি, এইতো জরুরী খবর
অবাক দু চোখে, ছায়া কাঁপে ভয়ে অভিমানে
হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই এখানে
হারাবো বলে, পা টিপে এগুতে গেলেই
গোটা শহর বাতি জ্বেলে সতর্ক
পায়ে পায়ে হারাবার জায়গা খুঁজে মরি।

কোথাও নেই ঝুম ঝুম অন্ধকার
তক্ষক ডাকা নিশুতিতে
রূপকথা শুনে শিউরে ওঠে না গা
স্বপ্নে আমার শরীরে কেউ
ছড়ায় না শিউলি ফুল
আলোর আকাশ নুয়ে এসে ছোঁয় না কপাল।

হারিয়ে যাইনি তবু, এটাই জরুরী খবর
আকাঙ্খা আর হতাশায় হারিয়ে যাওয়ার কোনো মানে নেই
নিবিঢ় ঘরে আধো আলো বিশ্বাসে
বুকের গভীরে কার যেন ডাক আসে।
যদি কোনদিন ঝরে ঝরে যায় অন্ধকার
ভালোবাসা ধুয়ে দেয় গোটা মুখ আমার
দু'চোখে স্বপ্ন ভরে দিয়ে যায় কেউ
যদি কোনদিন অটুট বিশ্বাসে
যদি কোনোদিন, যদি কোনোদিন
যদি কোনোদিন ...

গেয়েছে : অর্ণব।

lost in his thought
....পৃথিবীর পথে নয় — এইখানে — এইখানে বসে —
মানুষ চেয়েছে কিবা? পেয়েছে কি? কিছু পেয়েছে কি!
হয়তো পায় নি কিছু — যা পেয়েছে, তাও গেছে খসে
অবহেলা করে করে কিংবা তার নক্ষত্রের দোষে —
ধ্যানের সময় আসে তারপর — স্বপ্নের সময়!
শরীর ছিঁড়িয়া গেছে — হৃদয় পড়িয়া গেছে ধসে!
অন্ধকার কথা কয় — আকাশের তারা কথা কয়
তারপর, সব গতি থেমে যায় — মুছে যায় শক্তির বিস্ময়!

-জীবনানন্দ দাশ

আলোকচিত্র - আরিফুর রহমান (dr_sujon_bds@yahoo.com)


মন্তব্য

পাগল মন এর ছবি

আইডিয়াটা দারুন লাগলো, ছবি আর কবিতার মিতালী।
অনেকগুলো ছবিই বেশ সুন্দর।

------------------------------------------
হায়রে মানুষ, রঙিন ফানুস, দম ফুরাইলে ঠুস
তবুও তো ভাই কারোরই নাই, একটুখানি হুঁশ।

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

বাহ! দারুণ!
(ধরে নিচ্ছি মডেলদের ছবি ব্যবহারের আগে তাদের অনুমতি নিয়েছেন।)

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনার ধারনা সঠিক ... ধন্যবাদ

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

চলুক

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

তারাপ কোয়াস এর ছবি

২.৩.১৪ সবথেকে বেশী ভালো লাগলো।


love the life you live. live the life you love.

একজন পাঠক এর ছবি

জীবনানন্দ আমার প্রিয় কবি। কবিতা গুলোর সাথে ছবি বেশ ভাল লাগল। অর্নব এর গান এর সাথের ছবিটাও বেশ। চালিয়ে যান।

তিথীডোর এর ছবি

প্রিয় সব কবিতা আর গানের সঙ্গে মানানসই সব চমত্কার ছবি!
দারুণ দারুণ হে! হাসি
উত্তম জাঝা!

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

দ্রোহী এর ছবি

ভাইরে ভাই! অসাধারণ সব ছবি!

অতিথি লেখক এর ছবি

অসাধারণ সব ছবি।(বিশেষ করে ২, ৪, ৮, ৯, ১১, ১৩,১৪ )
উত্তম জাঝা!
********************
মেঘ রোদ্দুর

নীড় সন্ধানী এর ছবি

কী অসাধারণ সব ছবি। চোখে ধাঁধাঁ লেগে গেছে রীতিমতো। প্রথম ছবিটার সবুজের মায়াটা চোখে লেপটে গেছে।

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

ফাহিম হাসান এর ছবি

চমৎকার।
পায়রা দম্পতির ছবি খুব ভালো লাগলো।

ফাহিম হাসান এর ছবি

কবির নামের শুদ্ধ বানান: শামসুর রাহমান
আর জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কবিতার লাইনের ফরম্যাট ভেঙ্গে গিয়েছে।

নৈষাদ এর ছবি

মারাত্মক ছবি সব...।

মহাস্থবির জাতক এর ছবি

ছবি সব অনন্যসাধারণ, কিন্তু মডেলকে ব্যবহার করে তোলা ছবি প্রদর্শন-করাটা ব্যক্তিগত ব্যাপারের লংঘন মনে হলো।

_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!

(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)

অতিথি লেখক এর ছবি

কিন্তু মডেলকে ব্যবহার করে তোলা ছবি প্রদর্শন-করাটা ব্যক্তিগত ব্যাপারের লংঘন মনে হলো।

---------- মডেল রিলিজ এ সই করার সময় মডেল এটা বুঝেই সই করে যে তার ছবিটা আমি বাসার হার্ড ড্রাইভ এ রাখার জন্য নয় বরং বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রদর্শনের জন্য তুলছি

ফাহিম হাসান এর ছবি

সচলায়তন কোন মিডিয়া না।

আউল-বাউল-ফাউল এর ছবি

সচলায়তন কেন মিডিয়া নয়? বাণিজ্যিক না হলেও সচলায়তন অবশ্যই মিডিয়া। মিথষ্ক্রিয়ার মিডিয়া।

ফাহিম হাসান এর ছবি

ব্যাকরণগত অর্থে শব্দটা মিডিয়া নয়, মিডিয়াম (একবচন)।
আর ভাবগত অর্থেও সচলায়তনকে "মিডিয়া" হিসেবে সংজ্ঞায়িত করাটা ঠিক না (ব্যক্তিগত মত)।

আর মিথষ্ক্রিয়া যে কোন মিডিয়াতেই হয়। ব্লগে/অন্তর্জাল ফোরামে দ্রুত ও সরাসরি হয়।

----------------------------------------------
আরেকটা কথা@ পোস্ট লেখক আরিফুর রহমান: আপনার মন্তব্যটা রূঢ় মনে হয়েছে।

অতিথি লেখক এর ছবি

দেখুন সত্য শুনতে অনেক সময় রূঢ় লাগে। আমি আপনাদের অনেক ব্লগারদের মতো তর্কে পটু নই, আমার কোন ছবি সচলায়তন এর code of ethics এর বাহিরে হলে moderator দের প্রতি অনুরোধ রইল তা মুছে দিবার জন্য ।

উজানগাঁ এর ছবি

ছবি রেখে মডেল নিয়ে পড়লেন কেনোরে ভাই। মডেল রিলিজ কিংবা প্রদর্শনের ব্যাপারটা ফটোগ্রাফারের উপরই ছেড়ে দেয়া ভালো মনে হয়। কোনো ছবি কোথায় প্রদর্শন করেবেন কোথায় করবেন না সেটা একজন ফটোগ্রফারই ভালো জানবেন।

উজানগাঁ এর ছবি

আপনার পোস্টটা আজকে দেখলাম। ভালো হয়েছে। তবে কবিতা আর গান দুটোকে একসাথে না করে আলাদা-আলাদা পোস্ট হতে পারতো।

মুস্তাফিজ এর ছবি

চমৎকার

...........................
Every Picture Tells a Story

অতিথি লেখক এর ছবি

অসাধারণ। অবিশেষনসম্ভব।

---আশফাক

উচ্ছল এর ছবি

কবিতা আর ছবির মিতালী ........... দারুন লাগলো। চালিয়ে যান ভাই।

অতিথি লেখক এর ছবি

আরিফ ভাই,
আইডিয়াটা খুব ভালো হইছে।
আর আপনি তো ভাই একটা জেনুইন লোক তাই আপনার ছবি গুলোও আপনারই মতো।
মাঝে মধ্যে এমন পোস্ট দিয়েন, ভালো লাগে।
--
কালো ও সাদা

সাফি এর ছবি

দারুন সব ছবি। ২,৪ দেখে টাসকি পুরাই

অতিথি লেখক এর ছবি

অসাধারণ কনসেপ্ট। চালিয়ে যান।

----
বোকামানুষ

তাসনীম এর ছবি

অসাধারণ। প্রিয়তে নিলাম।

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

চমৎকার।

বইখাতা এর ছবি

আইডিয়া চমৎকার। কিছু কবিতার সাথে ছবি ঠিক মানানসই মনে না হলেও পুরো কম্পোজিশন চমৎকার লেগেছে।

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

মারাত্মক! মারাত্মক!!

সুরঞ্জনা এর ছবি

বাহ! সুন্দর ছবি। হাসি

............................................................................................
এক পথে যারা চলিবে তাহারা
সকলেরে নিক্‌ চিনে।

অতিথি লেখক এর ছবি

খুবই ভালো লাগলো। বিশেষ করে কবিতা নির্বাচনের কথা না বললেই নয়। আশা করি এরকম আর পোস্ট পাচ্ছি।

পথখোঁজা পথিক

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি

রিকশায় গোঁজা ফ্ল্যাগ আর দূরে বালকের স্বাধীনতার কম্পোজিশন দুর্দান্ত লাগলো।

___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

অনুপম ত্রিবেদি এর ছবি

জটিল লাগলো, আরিফ ভাই।

==========================================================
ফ্লিকারফেসবুক500 PX

oyahida jumar এর ছবি

অসাধারণ।

ফারুক হাসান এর ছবি

ভাই, দুর্ধর্ষ সব ছবি। কবিতার সাথে তাদের মিলও অসাধারণ। আইডিয়া হিসেবে সত্যি চমৎকার।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

দুর্দান্তিস

তয়

ভালোবাসি বলেই ভালো না বেসেও কেটে যায বহুদিন
ভালবাসি বলেই ভালবাসার কথাটাই বলা হয় না তোকে

এইটা আর এখনকার বাজারে চলে নারে ভাই
বরং

ভালোবাসা এক প্রমাণসাপেক্ষ প্রকল্পের নাম

এইটার বাজারমূল্য বেশি

অতিথি লেখক এর ছবি

কবি ঠিক এ বলেছেন

srijaan এর ছবি

কবিতা গুলি আগে এত ভালাগেনি

guest writer rajkonya এর ছবি

মুগ্ধ হওয়া ছাড়া আর কিই বা করার আছে আমার? ছবিতাগুলো চমৎকার।

সৈয়দ আফসার এর ছবি

উত্তম জাঝা!

__________♣♣♣_________
না-দেখা দৃশ্যের ভেতর সবই সুন্দর!

অতিথি লেখক এর ছবি

অসাধারন পোস্ট। ছবির সাথে কবিতা আর গানগুলো বেশ মানানসই হয়েছে। রবীন্দ্র সঙ্গীত গুলো আর অর্নবের 'হারিয়ে গিয়েছি' আমার খুবি প্রিয়, আর জীবনানন্দ দাশের কবিতা গুলো।

- নীলরতন

আইয়ুব জসিম এর ছবি

এই সাইটে কবিতা পড়ে আমি যথেস্ট খুশি,

নাশতারান এর ছবি

দারুণ এই পোস্টটা এতদিনে চোখে পড়লো। প্রতিটা ছবিই অসামান্য। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে হলুদ আলোয় দুধ বিক্রেতার ছবি। মডেলের আপত্তি না থাকলে আর কারো আপত্তি থাকার কারণ দেখি না। ওই দুধ বিক্রেতাও একজন মডেল। তাঁকে নিয়ে কোনো আপত্তি উঠছে না, উঠছে ওই মেয়েটাকে নিয়ে। হয়ত সে দেখতে অভাবী নয় বলেই। কিষাণী বা ভিখারী রমণীর ছবি দিলে কেউ আপত্তি তুলত না।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

ঈগল এর ছবি

চলুক

হ্যা, আমারও মনে হয় এই রকম মনভাব একই সাথে শ্রেণী বৈষম্য এবং লৈঙ্গিক বৈষম্য প্রকাশ করে। যতক্ষণ না ছবিটা কারো (নারী পুরুষ যেই হোক) সন্মানহানি করছে ততক্ষণ পর্যন্ত তেমন কোনো আপত্তির কারণ নেই। ব্যাপারটা নারীকে বোরকা পরিয়ে রাখতে হবে এই টাইপের হয়েযায় নাহলে।

লেখকের প্রতি: অসাধারণ সব ছবি ভাই হাসি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।