এই লেখাটা ঈশানের জন্যে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০১/০১/২০১২ - ১:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই লেখা আমাদের লেখার কথা ছিলো না।

এই লেখায় ঈশানের আসবার কথা ছিলো না। কথা ছিলো আমাদের মতোই ঘরে বসে সে নববর্ষে উদযাপন করবে, বুয়েটের স্যারদের মতই তারও পরিবার আছে।

বন্ধুমহলে পরিচিত মুখ ঈশানের কৃতিত্ব কিন্তু এখানেই শেষ হয়ে যাচ্ছে না। কম্পিউটার সায়েন্স পড়ুয়া তৌসিফ আহমেদ ঈশান একজন সৃজনশীল প্রোগ্রামারও বটে।

বুয়েটের শেষবর্ষের বিদায়ী ব্যাচের ঐতিহ্য জাঁকজমক করে র‍্যাগ উৎসব করা। সে লক্ষ্যেই বর্তমান বিদায়ী ব্যাচ (ক্যানভাস’২০০৬) আয়োজন করেছিলো তাদের চারদিন ব্যাপী র্যাসগ উৎসব। প্রথম রাতে ছিলো সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, দ্বিতীয় রাতের কনসার্টে আসার কথা গায়ক জেমসের, তৃতীয় রাতে আরেকটি কনসার্টে আসবে ব্যান্ডদল মাইলস্‌ আর শেষ রাতটা গ্রাজুয়েশন নাইট।

২৭ তারিখের সন্ধ্যা ভালোয় ভালোয় পেরিয়ে গেলেও গোলযোগের শুরু হলো ২৮ তারিখের জেমসের কনসার্টের রাতে।

যারা বুয়েটের কনসার্টে গেছেন, তারা জানেন ক্যাফেটরিয়ার সামনের প্রাঙ্গনটার চারপাশে বাঁশ ফেলে সাময়িক একটা ফেন্স তৈরী করা হয়। এই ফেন্সের ভেতরে থাকেন বিদায়ী ব্যাচের বুয়েটিয়ানেরা। ফাঁক গলে অবশ্য মাঝেমাঝেই ঢুঁকে পড়ার চেষ্টা করে জুনিয়র ব্যাচের ছেলেরা।

২৮ তারিখের রাতের কনসার্টে এই ফেন্সের প্রবেশমুখে দাঁড়িয়েছিলো আমাদের বন্ধু ঈশান। সদা হাস্যমুখী এই ছেলেটা কখনো কোনো রাজনৈতিক কাজে জড়িত না থাকলেও বন্ধুদের সাহায্য করতে সে সবসময়ই ইচ্ছুক থাকে। গোলমাল বাঁধলো তখন, যখন ০৮’ ব্যাচের (দুই বছরের জুনিয়র) এমএমই বিভাগের ছাত্র সুজিত সাহা জোর করে এই ফেন্সের ভেতরে ঢুঁকতে চায়। ফেন্সের প্রবেশমুখে থাকা ঈশান আর সৌমিক তাকে ভেতরে ঢুঁকতে বাঁধা দিলে সুজিত সাহা নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে। বাজে ভাষায় গালিগালাজের পর সুজিত সাহা জোরগলায় জানায়- তার নাম সুজিত সাহা, তাকে কেউ দেখে নিতে চাইলে সে নজরুল ইসলাম হলে আসতে পারে।

কনসার্টের শেষে রাত ২টার দিকে বিদায়ী ব্যাচের আয়োজকেরা এই বিষয়ে নজরুল ইসলাম হলে গেলে সেখানে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে সুজিত সাহা ০৬’ ব্যাচের নাহিয়ান নাসিরের বুকে লাথি মেরে বসে। ঘন্টাতিনেক বাদানুবাদের শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের হস্তক্ষেপে এই বিতন্ডা থামে। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি যে র্যা গ উৎসবের জন্যে নেয়া হয়েছিলো, সেটি সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের স্বার্থে বিদায়ী ব্যাচের আয়োজকেরাও এই ঘটনার এখানেই শেষ বলে মেনে নেয়।

২৯ তারিখের কনসার্ট আর ৩০ তারিখের রাতজুড়ে চলা গ্রাজুয়েশন নাইটের সমস্ত উৎসব পরিকল্পনা অনুসারেই হয়। র্যা গ উৎসব শেষে আজ ভোরে চোখে কান্না নিয়ে ঘুমোতে যায় ০৬’ব্যাচের ছাত্ররা।

অথচ আজ বেলা বারোটার দিকে নজরুল ইসলাম হলনিবাসী ০৬’ব্যাচের ছেলেদের উপরে হামলা করে এই রাজনৈতিক জোর খাটানো ছাত্রলীগ কর্মী। কোন রাজনৈতিক কারণ ছাড়াই সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত আক্রোশ নিয়ে নজরুলের ০৬’ ব্যাচের ছেলেদের থাকবার রুমগুলোতে খোঁজ করতে থাকে। চারতলায় কাউকে না পেয়ে সুজিত সাহা, সাইফুল্লাহ শিকদার মিথুন (০৮’ ব্যাচ, পুরকৌশল বিভাগ) আর আরিফ রায়হান দিপ (০৯’ ব্যাচ, যন্ত্রকৌশল বিভাগ) নেমে আসতে থাকে নিচে। দোতলায় এক কক্ষে তারা খুঁজে পায় ঈশানকে। দুর্ভাগ্য ঈশানের, হলনিবাসী না হলেও এই গ্রাজুয়েশন নাইটের শেষে ঘুমাতে এসেছিলো সে এই নজরুল ইসলামের হলের এক বন্ধুর কক্ষে। বেসবল ব্যাট, হকিস্টিক আর লোহার রড নিয়ে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পেটাতে থাকে এই তিনজন। ঈশানের চীৎকার শুনে বেরিয়ে আসে ০৭’ ব্যাচের এক জুনিয়র। ঝুঁকে পরে সে ঈশানকে রক্ষা করে। ০৮’ ব্যাচের সিনিয়র বলে তার অনুরোধে ঈশানকে মার দেয়া বন্ধ করে এই ছেলেরা। ০৭’ব্যাচের ছেলেটি ০৬’ব্যাচের আরেক বড়ভাইকে রক্ষার্থে তার নিজের রুমে আটকে রাখে।

এরপরেই ঈশানের বন্ধুদের সহযোগিতায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় স্কয়ার হাসপাতালে। ইতিমধ্যে তার দুই পা’ই সম্পূর্ণ থেতলে দেয়া হয়েছে, হাতের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আগামীকাল তার অপারেশন।

বিকেল থেকে বুয়েটের এম এ রশীদ ভবন- চলতি কথায় রেজিস্টার বিল্ডিং- এর সামনে এই ঘটনায় জড়িত দোষীদের তাৎক্ষণিক বহিষ্কার চেয়ে ভীড় জমাতে থাকে সাধারণ ছাত্ররা। স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করবেন না কেউই রশীদ ভবনের দোতালা যতদূর দৃষ্টি যায় করিডোর আর সিঁড়ির রাস্তায় বসে আছে বুয়েটের অসংখ্য সাধারণ ছেলেমেয়ে। তারা শাস্তি চায় অপরাধীদের, তারা ঈশানের উপর এই মধ্যযুগীয় হামলার বিচার চায়।

প্রো-ভিসি হাবিবুর রহমানের কক্ষের সামনে ভীড় করে আছে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা। অথচ অপ্রয়োজনে আইনের বিভিন্ন ফাঁক দেখিয়ে কালক্ষেপণ করার চেষ্টা করছেন তিনি। প্রথমে বলা হয়েছে মিটমাটের কথা, এরপর বলা হয়েছে এক টার্মের বহিষ্কার (এই আদেশ আবার অফিসিয়াল নোটপ্যাডে নয়- সাধারণ কাগজে এসেছে।)চাওয়া হচ্ছে চাক্ষুষ সাক্ষ্য, বলা হচ্ছে তারা ‘দেখবেন’ বিষয়টি। অথচ বুয়েটের ছাত্ররা জানে এই দেখা কখনোই শেষ হয় না। নিকট অতীতেও আহসানউল্লাহ হলে ঘটে যাওয়া ‘রাজনৈতিক ঘটনাবলী’ দেখতে চেয়ে হল খালি করে দেয়া হয়েছিলো। কাটানো হয়েছিলো সময়, স্তিমিত করা হয়েছিলো আন্দোলন।

বুয়েটের সাধারণ ছাত্ররা এবার ঐক্যবদ্ধ হয়েছে প্রতিকারের জন্যে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, অফিসিয়াল কাগজে নোটিশ এসেছে আজীবন বহিষ্কারাদেশের কথা- তবে রেখে দেয়া হয়েছে শুভংকরের ফাঁকি- তদন্ত সাপেক্ষে !! বুয়েটের ছাত্ররা এখনো অবরোধ করে রেখেছে প্রো-ভিসির কক্ষ। তাদের দাবি অনুযায়ী চিরকালীন বহিষ্কার করা হোক দোষীদের।

বিভিন্ন নিউজ চ্যানেলে এই বিষয়ে আসছে অত্যন্ত বিভ্রান্তিমূলক খবর। বলা হচ্ছে, ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীন গোলমালে একজন আহত হয়েছে। আপনাদের কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ, এই ভুল খবরটি ছড়াবেন না বা প্রচার করবেন না। ঈশান আমাদের মতো সাধারণ এক বুয়েটিয়ান। কখনই তার কোন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছিলো না।

সংযুক্তিঃ
এই ফেসবুক পেজে গেলে জানা যাবে ঘটনার সর্বশেষ আপডেট।

ছবি: 
02/06/2007 - 3:11pm

মন্তব্য

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

এসব কী হচ্ছে? এরকম একটা খবর পড়ে নববর্ষ শুরু করতে হল?

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

হাসিব এর ছবি

৮০০ সাক্ষি লাগবে এরকম একটা কানাঘুষা ফেইসবুকে দেখলাম। প্রকৃত ব্যাপারটা কী? বুয়েটের নির্বোধ কর্তৃপক্ষের কেউ এইকথা দাবি করেছে নাকি?

স্বাধীন এর ছবি

চরম হতাশাজনক ঘটনা। তবে আশার কথা যে সাধারণ ছাত্ররা একতাবদ্ধ। এই ঐক্য অটল থাকুক এই কামনা করি। সাধারণ ছাত্ররা যদি সর্বক্ষেত্রে সজাগ থাকে তবেই এই দুর্বৃত্তদেরকে প্রতিরোধ করা সম্ভব। লেখক/লেখকদেরকে অনুরোধ জানাচ্ছি শেষ আপডেট কি হলো তা এই ব্লগেও জানানোর জন্যে। ঈশানের অপারেশন সফল হোক এই কামনাও করি। সেই সাথে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। একেকটি ঘটনা ঘটে যায়, কিন্তু সেভাবে কেউই সাজা পায়না, আর এই সব ঘটনা চলতেই থাকে। এই চিত্রের পরিবর্তন হওয়া দরকার। আশা করি, ফেইসবুক, ব্লগ, সহকারে বিকল্প মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে এবার একটি দৃষ্টান্তমূলক কিছু ঘটবে। সাধারণ ছাত্রদের প্রতি সমর্থন রইলো।

হাসিব এর ছবি

বিভিন্ন নিউজ চ্যানেলে এই বিষয়ে আসছে অত্যন্ত বিভ্রান্তিমূলক খবর। বলা হচ্ছে, ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীন গোলমালে একজন আহত হয়েছে। আপনাদের কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ, এই ভুল খবরটি ছড়াবেন না বা প্রচার করবেন না।

এটা গুরুতর অভিযোগ। আরো একটা স্পেসিফিক করে উল্লেখ করলে ভালো হয়। জিনিসটা ডকুমেন্টেড থাকে। কয়টার খবর, কোন চ্যানেল, কোন রিপোর্টার সংবাদ কভার করলে তার নাম ইত্যাদি। বুয়েটে ছাত্র-সাংবাদিকদের একটা দল থাকার কথা। তারা কী করছে?

স্বাধীন এর ছবি

জিনিসটা ডকুমেন্টেড থাকে।

সহমত, সেই সব পত্রিকা, চ্যানেলের রিপোর্টগুলো ডকুমেন্টেড রাখা দরকার।

রাজিব মোস্তাফিজ এর ছবি

পোস্টে উল্লেখ করা ফেসবুক পেজের লিংকে পেলাম

দেশ টিভিতে নাকি বলা হচ্ছে বুয়েটের পরিস্থিতি এখন শান্ত...হা হা প গে!!!

আমরা এখনও সবাই যার যার জায়গায় অনড় হয়ে বসে আছি! আন্দোলন এখন আগের চেয়েও বেগবান হচ্ছে...কারণ আমরা কিছুতেই কোন অন্যায় সিদ্ধান্ত মেনে নিব না!!

----------------------------------------------------------------------------
একশজন খাঁটি মানুষ দিয়ে একটা দেশ পাল্টে দেয়া যায়।তাই কখনো বিখ্যাত হওয়ার চেষ্টা করতে হয় না--চেষ্টা করতে হয় খাঁটি হওয়ার!!

হাসিব এর ছবি

সামুতে একটা পোস্ট দেখলাম। সেখানে লেখা

...... এটিএন নিউজ করে বুয়েটের পোলাপান আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিছে, ..... ..... শাইখ সিরাজের চ্যানেল আই কয় বুয়েটের পোলাপান সইরা গেছে, ..... অঞ্জনের মাছরাঙ্গা টিভি কয় বুয়েটে ছাত্রলীগের দুইগ্রুপের মারামারিতে ১ জন আহত।

নোট: ডটগুলো সেন্সরকরা অগুরুত্বপূর্ন শব্দাবলী।

moutushi এর ছবি

The Advisor of the Reporter's Club of BUET is a faculty member of CT who is notorious for being a die hard AL supporter. I guess that answers your query. Actually Advisors of all key clubs of BUET are die hard AL supporters মন খারাপ

নিস্তব্ধ চারপাশ  এর ছবি

ঈশান ভাইয়া দ্রুত সেরে উঠুক ,আর ওই ৩ কুলাঙ্গার কে বুয়েট থেকে আজিবনের জন্য বহিস্কার করা হোক

সজীব এর ছবি

আমরা ১১ ব্যাচ এর বুয়েটিয়ান রাও একজোট হয়ে দাঁড়িয়েছি ইশান ভাই এর পাশে... আমরা এর বিচার চাই... আর কত মেধাবি মুখ এভাবে বর্বরতা এর শিকার হবে???

তাপস শর্মা এর ছবি

ভীষণ দুর্ভাগ্যজনক...

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

সুজিত সাহা, সাইফুল্লাহ শিকদার মিথুন আর আরিফ রায়হান দিপুর ছবি জুড়ে দেয়া হোক এই পোস্টে। মানুষ দেখুক চিনুক এবং ঘৃণা করুক। ঘৃণাতে এদের কিছু যায় আসেনা, তারপরও এদের প্রতি ঘৃণা জানানো দরকার!

আমার খুব কৌতুহল হয় এদের বাবা মা ভাই বোনের চেহারা দেখতে! তারা কি লজ্জিত! এদের মায়েরা কী জানে তাঁরা কোন প্রাণী জন্ম দিয়েছেন!

ঈশানের জন্য শুভকামনা। ঈশান যেখানে যাবে এইসব কীটপতঙ্গেরা তার হাজার মাইলের ভেতরেও থাকবে না কখনো! এরা আর ২/৫ বছরেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে!

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

সচল জাহিদ এর ছবি

সহমত। এদের চিনে রাখুক সবাই এবং ঘৃনা করুক।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

হ্যা ছবি জুড়ে দেয়া হোক।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

শেখ জয় এর ছবি

বুয়েটের ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা একটা খবর জানে তো ? তাদেরই এক কৃতি বড়ভাই, রশীদ হলের শামিম ওরফে বস্তি শামীম- কিছুদিন আগেও রাস্তায়, জনসম্মুখে একটা ঠাডানো চড় খেয়েছে ?

না জানলে জেনে রাখুক। মাইরধোর খাওয়ার আগে মানসিক প্রস্তুতি থাকা ভালো।

সবজান্তা এর ছবি

পালের গোদা সুজিতের ফেসবুক প্রোফাইল দেখে বুঝলাম, গোপালগঞ্জই সকল ক্ষমতার উৎস হাসি

!!! এর ছবি

গোপালগঞ্জ? তাহলে হইসে আর বিচার।

দেবজিত এর ছবি

@!!!চলুক

সচল জাহিদ এর ছবি

চলুক

নিয়মিত আপডেট আসুক এই পোষ্টে। বুয়েট থেকে ছাত্র-নামধারী এই কীটদেরকে বের করে দেয়া হোক আজীবনের জন্য।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

একটা অনুরোধ,

এই লেখাটা যে-ই পড়ুন, দয়া করে শেয়ার করুন। এবং সংহতি প্রকাশ করুন। জনমত বড় একটা ব্যাপার। বুয়েটের সাধারণ ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ যে অবস্থান সেটাতে সবাই অংশ নিন।

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

অনিন্দ্য এর ছবি

যে কথাটা বলা হচ্ছে না, তা হলো দোষীদের বহিষ্কার করলেই বুয়েট প্রশাসন এর দায় শেষ হয় না। কোন পরিবেশ এ একজন ছাত্রকে ৩-৪ জন ছাত্র নামধারী জানোয়ার পিটাতে যায়, সেটাও তাদের ব্যাখ্যা করা উচিত। ছাত্রদের হাতে রড, হকিস্টিক তুলে দিচ্ছে কারা? তাদের এত সাহস হয় কি করে যে একজন মানুষকে পিটিয়ে হাত পা ভেঙ্গে দেয়?

সুজিত সাহা, সাইফুল্লাহ শিকদার মিথুন আর আরিফ রায়হান দিপুকে সবারই ঘৃণা করা উচিত। কিন্তু তাদেরকে এই জায়গায় নিয়ে আসলো কারা? কেন pro-vc নামে একটি পদ বানানো হয়েছিল?

বুয়েটিয়ান এর ছবি

গ্র্যাড নাইট শেষ করে বাসায় ফিরি সকালে। একঘুমে ১টা। উঠে ফেসবুকে ঢুকামাত্রই সেই চিরাচরিত মেসেজ - 'কিরে কালা, কেমন আসোস?' তারপর কিছুক্ষণ এটা সেটা আলাপ সেরে আমি গেলাম খানাপিনা করতে। সেসময়েই ফোন, 'ঈশানরে তো মাইর দিসে!!' মাথাটা ঘুরিয়ে উঠে। ঈশানকে? কিভাবে সম্ভব? এই না কথা বললাম? মাইর দিয়েছে নাকি লীগের জুনিয়র পোলাপাইন। ক্যাম্নেকী? ঘোরের মাঝে স্কয়ার হাসপাতালের দিকে ছুট লাগাই। ইমার্জেন্সীতে ঢুকে দেখি থ্যাতলানো পা আর ভাঙ্গা হাত নিয়ে প্রায় অচেতন হয়ে শুয়ে আছে ঈশান। সামনে বড় করে লটকানো এই ছবি-

গা গুলিয়ে উঠে, দুর্বল লাগে, ঈশানের দিকে তাকানোর সাহস হয় না। একবার এক্স-রে রিপোর্টটা আর একবার নিজের হাতের দিকে তাকাই। বেসবল ব্যাটের এক আঘাতে হাড় দুটকরো করে দিতে পারে যেসব জানোয়ার তাদের প্রতি তীব্র আক্রোশে মুঠি পাকাই।

প্রাথমিক এক্স-রে শেষে ঈশানের পায়ে স্টিচ দিয়ে ব্যান্ডেজ করে আর হাতটা গলার সাথে লটকে দিয়ে কেবিনে নিয়ে আসা হয় সন্ধ্যার দিকে। চুপচাপ ছেলেটার দিকে তাকালেই কান্না আসে তখন। সেই ক্লাস ফাইভ থেকে চিনি ওকে, কখনো এরকম দেখি নাই। তীব্র ব্যাথায় কুচকে আসা ওর চেহারার দিকে তাকিয়ে খালি বলি,'দোস্ত সাহস রাখ, আজ একটা কিছু হবেই।' কিন্তু আমি জানি, নিজের বক্তব্যে আমি নিজেই সন্দিহান। কিছু নোংরা রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষকেরা আজ কিছুই হতে দিতে চাইবে না। তাও আমি আশাবাদী; আমরা আজ হয়তো পারবো। আমার বন্ধুরা আজ যা করেছে, করছে সেটি অকল্পনীয়। যেই বন্ধুরা তার ভার্সিটি জীবনের শেষ থার্টি ফার্স্ট নাইটটা রেজিস্টার বিল্ডিংয়ের করিডরে কাটিয়ে দিতে পারে তারা আজ না জিতলে কে জিতবে? আজ তাই সবার প্রতি আহবান, ওদের সাথে থাকুন, আমাদের সাথে থাকুন, বিবেকের সাথে থাকুন। কিছু নীতিবিবর্জিত শিক্ষক সমাজের কাছে আমরা হেরেছি একাধিকবার, আর নয়।

* আজকে অর্থোপেডিক স্পেশালিস্ট ঈসানকে দেখেন নাই। কাল দেখবেন এবং আশা করছি দুপুরের দিকে ওর অপারেশন হবে। সবাই দোয়া রাখবেন।
* ঈসানের বেডের পাশে বসে আছি এরকম সময় কেবিনের টিভিতে খবরে দেখাচ্ছিলো এটা নাকি ছিলো রাজনৈতিক মারামারি। দেখে আমারই চোখে পানি চলে আসছিলো, আর যে ছেলেটা ভাঙ্গা হাত নিয়ে বেডে শুয়ে ছিলো তার অনুভুতি কেমন তা আমি কল্পনাও করতে চাই না। আমি শুধু বলতে চাই ঈসান জীবনেও কোন রাজনৈতিক দলের কাছ দিয়েও যায় নাই; আজকের আক্রমণ ছিলো রাজনৈতিক মদদপুষ্ট কিছু কুলাঙ্গার ছেলেপেলের নিরীহ ছাত্রদের উপর ক্ষমতার প্রদর্শনী। যেসব মিডিয়া এটাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চাইছেন তাদের বলছি, আজ আপনারা এদের রেহাই দিয়ে ভবিষ্যতের আরো সহস্র নিরীহ বুয়েটিয়ানের গর্দানকে গিলোটিনে ফেলে দিচ্ছেন।

joeta Chowdhury এর ছবি

যে পদের (প্রো-ভিসি) একাডেমিক কোন প্রয়োজন নেই সে পদ তৈরি করা এবং সম্পূর্ণ অযোগ্য একটা লোককে সেখানে বসিয়ে ক্যাম্পাসে দলীয় লোকদের সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েক করা হল কেন এবং এইসব নোংরা কাজ যে ভিসি এবং তার অনুগত কয়েকজনের মদদে হচ্ছে তা স্পষ্ট। প্রিয় বুয়েটের এমন অবস্থা দেখলে সত্যিই মন খারাপ হয়ে যায়।

যদিও বুয়েট ছেড়েছি আজ থেকে ৮ বছর আগে তারপরেও প্রিয় বুয়েটের খবর শুনলে মনটা খারাপ হয়ে যায়
ঈশানের সুস্থতা কামনা করছি

তানজিম এর ছবি

এইভাবে মেরে হাত ভেঙে দেয়ার জন্য ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হউক।

কল্পলোকের অধিবাসী এর ছবি

একটু আগে একজনকে এই সংক্রান্ত একটা লিংকে নিচের মন্তব্যটা করতে দেখলাম -

তারা খারাপ কাজ করেছে। কিন্তু তাদেরকে আজীবন বহিস্কার করাটা কি আরো খারাপ নয়? এটা কেমন ডিসিশন হল!!!

তাকে কিভাবে বোঝাই যে তার এই তুলনাটা একদমই যাচ্ছে তাই হয়েছে, তাই ভাবছি চিন্তিত

বুয়েটের সবার সাথে একাত্ম আছি চলুক

ওসিরিস এর ছবি

আমরা আগামীকাল বিকালের ভেতর কিছু রেজাল্ট আশা করছি। অন্তত ততক্ষণ পর্যন্ত এই পোস্টটা কি স্টিকি করা যায়?

আয়নামতি এর ছবি

অনার্যের সাথে সহমত। ঈশানের দ্রুত সুস্হতা কামনা করছি।

ফাহিম এর ছবি

জানোয়ারদের শাস্তি চাই: বুয়েটের সব ব‌্যাচের পোলাপান হকিস্টিক দিয়ে অন্তত: একটা করে বাড়ি দিবে।

=======================
কোথাও হরিণ আজ হতেছে শিকার;

guest এর ছবি

চলুক

অরিত্র অরিত্র এর ছবি

যে পদের (প্রো-ভিসি) একাডেমিক কোন প্রয়োজন নেই সে পদ তৈরি করা এবং সম্পূর্ণ অযোগ্য একটা লোককে সেখানে বসিয়ে ক্যাম্পাসে দলীয় লোকদের সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েক করা হল কেন এবং এইসব নোংরা কাজ যে ভিসি এবং তার অনুগত কয়েকজনের মদদে হচ্ছে তা স্পষ্ট। প্রিয় বুয়েটের এমন অবস্থা দেখলে সত্যিই মন খারাপ হয়ে যায়। মন খারাপ

ঈশান ভাইয়া, তুমি দ্রুত সেরে উঠ। তোমার এই অবস্থার জন্য দায়ী অমানুষদের প্রতি শুধুই ঘৃণা।

দ্রোহী এর ছবি

ঈশান ছেলেটা ভারি বোকা, সোনার ছেলেদের বাধা দেয়!

এক্সপোর্ট কোয়ালিটির চোতমারানি না হলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভিসি/প্রোভিসি/প্রক্টর প্রভৃতি ক্ষমতাবান পদাধিকারী হওয়া যায় না মনে হয়।

onogh এর ছবি

এক্সপোর্ট কোয়ালিটির চোতমারানি না হলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভিসি হওয়া যায় না মনে হয়।

এরকম ঢালও মন্তব‌্য করা কি ঠিক? আপনি কয়জন ভিসি কে চেনেন বা কয়জন সম্পর্কে খোজ রাখেন?

-অনঘ

দ্রোহী এর ছবি

না ভাই, এরকম ঢালাও মন্তব্য করা মোটেও ঠিক না। বুঝতেই পারছেন ইচ্ছা করেই করেছি। দেঁতো হাসি

বাংলাদেশে ভিসি/প্রোভিসি/প্রক্টর হওয়ার যোগ্যতা কী ভাইজান? একটু বলেন শুনি ভিসি/প্রোভিসি/প্রক্টর হইতে গেলে একজন প্রফেসরের তুলনায় অতিরিক্ত কী যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। চোখ টিপি

একটা লিস্ট দেন কে কে এক্সপোর্ট কোয়ালিটি না। তারপর না হয় মন্তব্য সংশোধন করে ব্র্যাকেটে ওনাদের নাম দিয়ে লিখে দেব যে ওনারা এক্সপোর্ট কোয়ালিটির না।

onogh এর ছবি

ব‌্যক্তিগত ভাবে অন্তত তিনজন ভিসিকে চিনি যারা অত্যন্ত সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের চুতমারানি হিসেবে ভাবতে পারছিনা, দু:খিত। বিশেষ কোন একজন ভিসি চুতমারানি হতেই পারেন, আপনি দায়িত্ব নিয়ে খুজে বার করুন কারা কারা এক্সপোর্ট কোয়ালিটি। না যেনে ঢালাও মন্তব্য করাটা বোধহয় কিছুটা দায়িত্বহীনতার পরিচায়ক।

আর এক্সপোর্ট কোয়ালিটি বলে আপনি অষ্ট্রেলিয়া আর আমি কানাডায়।

----------------

অনঘ

পল্লব এর ছবি

হুম, দ্রোহী ভাই, মন্তব্যটা একটু ঢালাও হয়ে গেসে। আমি নিজেও দুই ধরণের ভিসিরেই চিনি, একদম সামনে থেকে। তাই এই আপত্তিটা করতে পারতেসি।

==========================
আবার তোরা মানুষ হ!

লীন এর ছবি
নাশতারান এর ছবি

এই নোংরা কীটগুলোর বিনাশ চাই। সবাই লেখাটি ছড়িয়ে দিন। রাজনৈতিক কোন্দল বলে এই ঘটনার মোড় যেন ঘুরিয়ে দেওয়া না যায়।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

শ্যামল এর ছবি

বুয়েটের প্রশাসন আগেও নপুংশক ছিল, এখনও আছে।

আমাদের সময়ে সনি (কেমিকৌশল ৯৯) হত্যামামলা নিয়ে ঘৃণ্য, ন্যাক্কারজনক দলবাজির কথা মনে করিয়ে দিল। প্রশাসন, দল বা লীগ সবই এক, এরা শুধু মুখোশ বদলে আসে।
এইসব পশুদের জন্য তীব্র ঘৃণা। আরও লজ্জা লাগছে আমি নিজেও নজরুল ইসলাম হলে ছিলাম বলে।

আমাদের সময়ে নজরুল ইসলাম হলের দারুণ একটা সুনাম ছিলঃ সেটা হল সিনিয়র জুনিয়র দারুণ সম্পর্ক। সনি হত্যার জের ধরে তৎকালীন ছাত্রদল হলে হলে গিয়ে ফ্রন্টের ও সাধারণ(যারা অনশন ও আন্দোলন করছিল) ছেলেদের মারতে থাকে। একমাত্র নজরুল ইসলাম হলেই ওরা ঢুকতে পারেনি। কারণ সব সাধারণ ছাত্ররা মিলে ওদেরকে রুখে দিয়েছিলাম। যে কয়জনের নাম মনে পড়ছে তারা ছিল ৯৮ এর শাকিল,রুমন, মহিউদ্দিন, ৯৯ এর রায়হান, ০০ সুমন, মুকুল, ০১ এর হেলাল, সোহান। আর সবচে বিষফোড়া ছিল প্রথম আলোর রিপোর্টিং-সব কথায় রেজিষ্ট্রার(মো। শাহজাহান) আর ভিসির (আলী মুর্তাজা-জামাত)উদ্ধৃতি দিয়ে দুধারি রিপোর্টিং।

এইসব পশুদের বিচার করতে সকল সাধারণ ছাত্রদের ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত।

সাধারণ বুয়েটিয়ান এর ছবি

আপডেটঃ

১। সারারাত সাধারণ ছাত্রদের সিঁড়িতে অপেক্ষমান বসিয়ে রাখার পরে প্রো-ভিসি তদন্তের জন্যে সময় চেয়েছেন ৭২ ঘন্টা। এই ৭২ ঘন্টার পরে বুয়েটের এই সেমিস্টারের যাবতীয় কর্মকান্ড বন্ধ হয়ে যাবে। বোধগম্য হচ্ছে, ৭২ ঘন্টা সময় তাই এজন্যেই দেয়া হলো- যাতে আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।

২। বুয়েট এলাকার সামনে প্রচুর পুলিশের আনাগোণা দেখা যাচ্ছে, এর সাথে যুক্ত হয়েছে সম্মানিত শিক্ষকদের উস্কানি দেয়া মন্তব্য। বুঝতে কষ্ট হয় না দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মাঠে নামা সাধারণ ছাত্রদের কেউ উত্তেজিত হয়ে কোন কিছু করলেই হল ভ্যাকেন্ট করার আয়োজনের অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ। পূর্বেও এসব পরিস্থিতিতে যা ঘটেছে- এবং অবধারিত ভাবেই হল খোলার নির্দেশ এসেছে পুরো বিষয় থিতিয়ে যাবার পরে।

এমতাবস্থায় সাধারণ ছাত্রদের প্রতি অনুরোধ, শান্ত থাকুন/থাকো/থাকিস। কোনক্রমেই কর্তৃপক্ষকে হল ভ্যাকেন্ট করার নির্দেশ দেয়ার মতো সুযোগ দেয়া যাবে না।

৩। সাধারণ ছাত্ররা- যারা বাসায় বা হলের বাইরে অবস্থান করছেন; তাদের উদ্দেশ্যে বলছি- প্লিজ বুয়েটে এসো। দাবি আদায়ের এই আন্দোলনে অংশ নাও। নইলে হয়তো একদিন ঈশানের জায়গায় তোমাকেও আসতে হতে পারে। সেদিন হয়তো তোমার জন্যেও অন্য কেউ এগিয়ে আসবে।

guest_writer এর ছবি

বুয়েটে বিচারের দাবিতে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা

স্বাধীন এর ছবি

অকুপাই বুয়েট চলুক

guest_writer এর ছবি

সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হল মেয়েরাও কাল সারারাত কুয়াশার মাঝে বুয়েটের পথে বসে ছিলো!! (এ এম ই ভবনের সামনে ও রেজিস্টার ভবনেও )
তাদেরকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাতে চাই বাংলাদেশের পারিপার্শীক্তা বিবেচনায়।

সাকিন উল আলম ইভান এর ছবি

বুয়েট সন্ত্রাসমুক্ত হোক এই কামনায় ............

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

খুবই দুঃখজনক ঘটনা। বুয়েট রাজনীতিমুক্ত হোক এই কামনায়...

মাসুম এর ছবি

বুয়েটের মত শিক্ষা প্রতিস্টানে যদি এরকম অবস্হা হয় তাহলে কেমনে কি !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

ঈশানের জন্যে খুব খারাপ লাগছে ।

airborne এর ছবি

We have some serious problem in existing politics system. Why the nuts politicians use and support student politics like this? BUET is now like this? Why? Why we cant allow our young and energetic potential leaders to go for their dreams? General students.....be aware. Im an army officer and i found how a concentration is broken to dissolve an issue of justice. Justice delayed only to be denied. We faced the same in pilkhana incidence. 57 officers dead and AL leaders are still at loose. We have to follow orders. You do not. Take it to a greater level. We are morally with you and against all violences in the name of political power. Respect for all BUETians, not for league guys from G Ganj. May Allah make you successful. Wish a Joint Task Force could treat those cadres a really good lesson.

হাসিব এর ছবি

১. দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন।

We faced the same in pilkhana incidence. 57 officers dead and AL leaders are still at loose.

২. আপনি ঠিক কোন দাওটা এখানে মারতে চান? ৫৭টা অফিসার মারা গেছে এইটা আওয়ামী লীগের দোষ? সেইটা হলেও তার সাথে বুয়েটের ঘটনার সম্পর্ক কী?

পল্লব এর ছবি

(বাংলায়)

==========================
আবার তোরা মানুষ হ!

Tutul এর ছবি

হাবিবুর রহমানের কাজকর্ম দেখলে খালি ইয়াজ্দ্দিনের কথা মনে পড়ে

কালো কাক এর ছবি

কী ভয়ংকর ! একটা জুনিয়র ছেলে কীভাবে সিনিয়র একজনের সাথে গলা তুলে কথা বলে সেটাই ভাবতে পারিনা , পিটানো তো অনেক দূরের কথা !

বুয়েট কতৃপক্ষ কিছুই করবেনা। ক্লাস শেষ, একটা নোটিস দিয়ে হল ভ্যাকেন্ট করে দিবে। কদিন পর পরীক্ষা , এই সুযোগটা তারা নেবে।
তবু আশা করি এই জানোয়ারগুলো শাস্তি পাবে। শুধু আজীবন বহিষ্কারই নয়, প্রচলিত আইনের শাস্তিও হতে হবে।

তিথীডোর এর ছবি

এই পিশাচগুলোর যথোপযুক্ত শাস্তি চাই।

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

রাইহান এর ছবি

কিছুক্ষণ আগে DSW(Department of Student Welfare) স্যার রেজিগনেশন লেটার দিয়েছেন!

Australia এর ছবি

ভিসি'র পদত্যাগ চাই......

সচল জাহিদ এর ছবি

DSW (Director of Student Welfare)


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

বুয়েটিয়ান এর ছবি

অন্যকেউ এর ছবি

ছবিটার মাপে কিছু গড়মিল হয়েছে দেখা যাচ্ছে। মডারেটরদের কেউ কি অনুগ্রহ করে ঠিক করে দেবেন?

_____________________________________________________________________

বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখো দ্বিতীয় বিদ্যায়।

Protibaad এর ছবি

Shadharon Students er uddeshshe bolchhi, apnara Haal chhere diben na please... BUET admin jai boluk, guilty students gulo j raajnoitik doler e hok na keno, tader k shasti pete hobe must, Bikkhov cholte thakbe,apnara Guilty'r Political Party'r kachhe o proshno rakhen j, Ki kore tader chhotro chhayai eshob Terrorist Aasroy pachchhe???Guilty karo na karo shontaan , tar o future amader vaba ta e manobotabodh but tara to karo proti Manobotabodh dekhachchhe na,ulta Power dekhachchhe.Oi student der to Study kora dorkar na,only power dekhano e oder Goal.So, oder to BUET er moto jaigai thaka uchit na.Infact oder moto students e dorkar nai BUET er...Tahole ora keno oi Biddashalai thakbe???Shadharon students e parbe milestone toiri korte....Akjon shadharon manusher Atta jodi jege uthe to shei Jagorone shobai k Jagorito koren Apnara....Don't ever Give-up plz......Guilty der Shasti pawaye apnara ai Issue k shesh korben.Allah apnader shahajjo korun...

লীন এর ছবি

বুক ভরা ব্যাথা নিয়ে বলছি...

এই লেখা আমাদের লেখার কথা ছিলো না।

একমত হতে পারছি না। এই লেখা আসবেই, নিয়মিত। যদি না... বুঝে নাও।

এই লেখায় ঈশানের আসবার কথা ছিলো না।

একমত। বোকা কিন্তু মেধাবী ছেলেটাকে চিনি। আল্লাহ ভরসা।

বিবর্ন সময় এর ছবি

প্রিয় বুয়েট রাজনীতি মুক্ত হোক।
শেয়ার করলাম।

রিফাত এর ছবি

এই ঘটনায় দেশের যেকোন সচেতন নাগরিকের বিচলিত হওয়া উচিৎ। আমি বুয়েটের ছাত্র না হলেও আরেকটি সরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের '০৮ ব্যাচ এর ছাত্র হিসেবে নিজেই অত্যন্ত লজ্জিত বোধ করছি। অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বা যে কারণেই হোক, কিছু ভবিষ্যৎ প্রকৌশলী হকিস্টিক নিয়ে তাদের সিনিয়রকে মারতে যাবে এটা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনীতি ও সবধরণের বুলিইং নিষিদ্ধ করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

Mahmud এর ছবি

Ishaner jonno Shuvokamona thaklo. R political pishach der jonno dhikkar r ghrina.

Australia এর ছবি

ভিসি'র পদত্যাগ চাই............

কালো কাক এর ছবি

অপরাধী ছেলে তিনটার আজীবন বহিষ্কার প্রথম এজেন্ডা হওয়া উচিত। ভিসি/প্রো-ভিসির পদত্যাগ ইস্যুতে এরা ছাড় পেয়ে যেন না যায়।

রংধনু এর ছবি

সহমত

ফারুক হাসান এর ছবি

অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ঘটনা। আশা করছি, দোষীর দল তাদের পাপ্য শাস্তি ভোগ করবে। আর ঈশানের জন্য অনেক শুভকামনা রইল, ছেলেটা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক।

ছাত্ররাজনীতির মুখোশ পড়ে থাকা জানোয়ারদের হাত থেকে প্রিয় বুয়েট মুক্ত হোক সেই কামনাও করি।

স্পর্শ এর ছবি

ক্যান্সারাক্রান্ত ছাত্ররাজনীতি...
অতএব, তোমরা তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

সাজ্জাদ সাজিদ এর ছবি

অদ্ভুত এক আঁধার এসেছে আজ, যারা অন্ধ তারাই চোখে দেখে সবচেয়ে বেশি।
অন্ধ বুয়েট প্রশাসন দেখছে চমৎকার, যা দেখছি না আমরা কেউ...!
তাই তারা দ্বিধান্বিত, নির্দোষ(!!) ছাত্রলীগ কর্মীদের আদৌ কি শাস্তি দেয়া যায়?
ছাত্ররাজনীতির এই রূপ আর কত দেখতে হবে?
আর কত দেখতে হবে অন্ধ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভুমিকা??

চরম উদাস এর ছবি

ভয়ংকর! কিছু প্রতিকার করার এটাই সময়।

নজমুল আলবাব এর ছবি

প্রতিবাদ, এবং কঠোর আন্দোলন চাই।

MS এর ছবি

ঈশানের একটা ভাংগা হাত যদি কোনো প্রতিষ্ঠানকে তার উল্টোপথের যাত্রা থেকে ঘুরিয়ে দিতে পারে, তবে সেটাই হবে ব্যক্তি হিসাবে ঈশানের সবচেয়ে বড় অবদান। তার এই আত্ত্বত্যাগকে আমরা ব্যর্থ করে দিতে পারি না?

রুখে আমাদের দাড়াতেই হবে? এখনই সময়।

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি

আমরা একি ক্লাশের, ও আমার বন্ধু। গতকাল ১ টার আগেও ওর সাথে কথা হলো। তারপরি সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেলো ওর, আমাদের। মন খারাপ

২৭, ২৮, ২৯, ৩০ এই চারদিন ছিল আমাদের বিদায়ী ব্যাচের র‍্যাগ অনুষ্ঠান। ২৮ তারিখের কনসার্টের ঘটনার সূত্রপাত তা সবাই পড়েছেন, জেনেছেন। এরপর ঘটনাটিকে সমাধান করা হয়। কিন্তু পশুগুলো তা মেনে নেয় নি।

৩০ তারিখ ছিলো গ্রজুয়েশন নাইট। আমি, ঈশান, আমাদের সিএসি বি সেকশনের সবাই একসাথে ছিলাম, অনেক মজা হয়েছে সারা রাত। শেষে ব্যথাতুর বিদায়ের মাধ্যমে ভোর ৬টা ৭টার দিকে সবাই হলে ঘুমাতে যাই। আমাদের ব্যাচের বেশিরভাগ ছাত্রই ছিলো গভীর ঘুমে অচেতন। এই সুযোগটাই পশুগুলো নেয়।

এদিকে ৬/৭টার দিকে ঘুমালেও আমাদের সিএসিয়ানদের ৮:৩০ টায় ছিল গ্রাফিক্সের শেষ এসাইনমেন্ট সাবমিশন। যার জন্য আমরা ঘুমাতেও পারি নি, ৯ টার দিকে আমরা সিএসি রা আইএসি ল্যাবে চলে যাই। ঈশান ছিলো, আমরা সবাই ছিলাম। এসাইনমেন্ট দেখানো শেষ হলে সবাই যার যার গন্তব্যে চলে যেতে থাকি। ঈশান নজরুল হলে যায়, ও একা ছিল তখন। আমরা কেউ যদি ওর সাথে থাকতাম তবে কিছু হতো না এটা ভেবে আমরা সবাই নিজেদের কে বকছি। মন খারাপ এরপরই ১ টার দিকে শুয়োরের বাচ্চাগুলো পাশবীয় ভাবে আমাদের প্রিয় বন্ধুটিকে পঙ্গু করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে বেছে বেছে নির্দিষ্ট জায়গায় পেটাতে থাকে। ওর দুহাত দুপা গুড়িয়ে দেয়। বামহাতের হাঁড় ৩ খণ্ড হয়ে যায়। পা ক্ষত বিক্ষত করে ভর্তা করে ফেলে। এবং একটি অসাধারণ সুস্থ ছেলের জীবন ধ্বংস করে দেয়, সাথে আমাদেরও। আমরা নিস্তব্ধ হয়ে যাই, সিএসি ০৬ রা, এরপর থেকে আমাদের মুখে কোন শব্দ ছিলো না, কোন বোধ ছিলো না। তৎক্ষণাৎ অন্য ডিপার্টমেন্টের ০৬ রা আমাদের পাশে এসে দাঁড়ায়, ওরা এগিয়ে যায়। পরে জুনিয়র ব্যাচগুলোও আমাদের সাথে একাত্ম হয়। হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে প্রোভিসির রুমের সামনে দাবি নিয়ে ঘিরে থাকি।

এবার গতরাতের কিছু চিত্র তুলে ধরি। রাত ৮ টা। অনেক টালবাহনার পর সাক্ষীদের জবানবন্দী নেওয়া শুরু করে। প্রথমে বলে ৫ জন হলেই চলবে। আমরা ৮ জনকে পাঠাই। কিছক্ষণ পর এসে নির্বোধ স্যারগুলো বলে সাক্ষী পর্যাপ্ত নয়। সবাই ক্ষেপে যাই। বলি আমরা হাজার জনই সাক্ষী। সবাই পিটিশনে সিগ্নেচার করে পাঠাই।

রাত ১০ টার দিকে একটা নোটিশ দেয়। তাতে লেখাছিল *প্রাথমিক তদন্ত, *শুধুমাত্র বহিস্কার(মেয়াদ উল্লেখ ছিল না), এবং *পুনর্তদন্তমূলক শব্দ গুলো, এরপর আমাদের ধৈর্যের বাধ ভেঙে যায়। আমিসহ আরো ৩ জন সবার প্রতিনিধি হিসেবে প্রোভিসির বদ্ধ কক্ষে প্রবেশ করি। এরপরই এই অদ্ভুত শিক্ষকদের মুখোশ খুলে যায়। প্রথমে আমাদের চারজনকে তাদের দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করে, বলে সবাই তো উন্মাদ, আমরা অবশ্যই তা না, তারপর কালক্ষেপণের পক্ষে সাধারণ ছাত্রদের বুঝাতে আমাদেরকে বলে। আমরা তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ করায় সুর পাল্টায়। আমরা বলি নোটিশ থেকে ঐ রহস্যজনক শবদগুলোকে বাদ দিতে হবে, *চূড়ান্ত তদন্ত, *আজীবন বহিস্কার এই শব্দগুলো জুড়ে দিতে। তখন প্রোভিসি ক্ষেপে গিয়ে আমাদের চার জনের উপর চড়াও হয়, বকা দিতে থাকেন। আমরা অনড় থাকি দাবিতে। পরে একসময় উনি বলেন "দেখে নিবো তোমাদের চারজনকে কে সার্টিফিকেট দেয়, সার্টিফিকেট নিতে তো তোমাদের আমার কাছে আবার আসতে হবে!!" উনি কতটা নিচে নামতে পারেন সেটা আমাদের বোঝা হয়ে গেলো।

তবে কিছু স্যার আমাদেরকে অর্ডিন্যান্সটা পড়তে দিলেন। দেখলাম বস্তুত, বুয়েটে আজীবন বহিস্কার করার ক্ষমতা শুধুমাত্র বোর্ড অব রেসিডেন্স এন্ড ডিসিপ্লিন, ঐ সভা থেকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সেই সভা হবার আগে আবার ইনভেস্টিগেশন কমিটির রিপোর্ট লাগে। ইনভেস্টিগেশনে আবার দুপক্ষের বক্তব্য শুনতে হয়। দীর্ঘ প্রক্রিয়া। তখন আমরা স্যারদের বললাম ইমার্জেন্সি বিষয়ক কতটুকু ক্ষমতা ভিসির আছে, বললো যে অর্ডিন্যান্সে শুধু ইমার্জেন্সির একটাই রুল আছে আর সেটা হলো 'হল ভ্যাকেন্ট' করা, আজীবন বহিস্কার ইমার্জেন্সিতে নাই। তাই আমরা এরপর লিগ্যাল ওয়েতে আগাবো বলে সিদ্ধান্ত নিলাম সবাই আলোচনা করে। দীর্ঘ প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য ডেডলাইন বেধে দিলাম ১-১-১২ অর্থাৎ আজকের ৫ টা পর্যন্ত। কিন্তু তারা আবার টালবাহানা শুরু করলেন। সারারাত-দিন শেষে একটু আগে তারা নতস্বীকার করে নোটিশ দিলেন, কিন্তু সময় বাড়ালেন ৪৮ ঘণ্টার।

এই ৪৮ ঘণ্টা আমরা সবাই প্রোভিসির রুমের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিয়ে থাকবো। আগের ইতিহাসের পুনারবৃত্তি হতে কিছুতেই দিবো না। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না- উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধ পরিকর। উপযুক্ত বিচার ছিনিয়ে এনেই আমরা কেবল ঘরে ফিরবো!!! সবাই সাথে থাকুন।

----------------------------------------------
বন্ধু হিসেবে ঈশানের কিছু কথা বলতে চাই। আমি এতো ভদ্র আর সহজ সরল ছেলে এই জীবনে কমই দেখেছি। ও প্রচণ্ড উদ্যমী একটা ছেলে।কিছুদিন আগের হয়ে যাওয়া সিএসি ফেস্টিভল ২০১১ এ ওছিল অন্যতম একজন সংগঠক। আর ভেরিরিসেন্টলি ওর ছিলো ঈর্ষণীয় সব অর্জন, দুটো প্রতিযোগিতায় ১ম ও তয় হয় যথাক্রমে। এই রকম ব্রিলিয়ান্ট একটা ছেলের উপর এরকম পাশবীয় নির্যাতন আমরা কিছুতেই মেনে নেবো না।


_____________________
Give Her Freedom!

চরম উদাস এর ছবি

চলুক

তাপস শর্মা এর ছবি

লং প্রসেসিং এর ব্যাপারটা কখনোই মেনে নিওনা তোমরা। অর্থাৎ ওরা বলতে পারে যে এখন আমরা বিচার এর ব্যবস্থা করছি, সময় লাগবে - প্রোসেসিং, নিয়ম নাই ইত্যাদি।

নিয়ম নাই আবার কী ? এখন বানান নিয়ম। ডাক দেন আপনার সমস্ত হর্তা কর্তা কিংবা কুত্তাদের। বানান এক্ষুনি নিয়ম। মানুষের জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে আর নিয়মের বুলি কপচানো হচ্ছে?

ছাত্ররা চাইলে এক্ষুনি সব বদলে দিতে পারে। যদি এতগুলি স্টুডেণ্ট একসাথে থাকে তাহলে ওরা নত হতে বাধ্য। ওরা এখন চাইবে সময় নিয়ে গড়িমসি করতে, এটা করলে ওদের সুবিধা হল আন্দোলনের জোয়ারটা কমে আসে। এবং এটাই ওরা চায়। তারপর ওরা লিডারদের টার্গেট করবে। এটাই হয়, এটাই হয়ে আসছে।

কিন্তু তোমরা সেটা হতে দিওনা। এখনই কর যা করার। না হলে ভবিষ্যৎ এ ও আর কিছু বদলাবে না। সমবেত এই জোয়ার যাতে স্তব্ধ না হয় সেদিকেই খেয়াল রাখ।

হয় এখন, নইলে কক্ষনো নয়...

রাসেল এর ছবি

চলুক

অন্যকেউ এর ছবি

চলুক
সাথে আছি।

_____________________________________________________________________

বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখো দ্বিতীয় বিদ্যায়।

রাব্বানী এর ছবি

চলুক
কিসের এক পাকিস্তান আমলের অর্ডিন্যান্স যেটা বদলানো যায় না? বুয়েট সবসময় একই কথা বলে, 'অর্ডিন্যান্স এ নাই'। অর্ডিন্যান্স আপডেট করলে তো আর বলদের মত বসে থাকা যায় না

শিশিরকণা এর ছবি

ঐসব সার্টিফিকেটের ভয় দেখায় লাভ নাই। সার্টিফিকেট জীবনে কোনদিন দরকার হয় না। বুয়েটিয়ানের পরিচয় তার কাজে, কাগজে না।

~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~

তানিম এহসান এর ছবি

চলুক

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

ঈশান এবং অন্যদের উপর যা হয়েছে সেটা ফৌজদারী অপরাধ। এটা বুয়েটের হলে না হয়ে ঢাকার যে কোন রাস্তায় হলে এতক্ষণে পুলিশ অপরাধীকে হাজতে পুরতো। বুয়েট বাংলাদেশের বাইরের কোন জায়গা না। সেখানেও বাংলাদেশের আইন প্রযোজ্য। আজকে যদি ঈশান বা তার অভিভাবকেরা ফৌজদারী মামলা করেন তাহলে অপরাধী আর তাদের গডফাদারেরা পালিয়ে কুল পাবে না। বুয়েটের ছাত্রলীগের যে খোদ ছাত্রলীগের মূল সংগঠনে কোন বেইল নাই সেটা তখন টের পাবে। আদালতে দাঁড়িয়ে দুই/তিন জন সাক্ষী দেয়া যথেষ্ট। দুনিয়ার কোন জায়গায় ৮০০ সাক্ষীর দরকার হয় না। যারা এইসব হাইকোর্ট দেখানোর চেষ্টা করে তারা আসলে দুর্বৃত্তদের সহযোগী। যারা আন্দোলন করার চেষ্টা করছেন, তাদেরকে অনুরোধ করছি একজন ভালো ক্রিমিনাল ল'ইয়ারের সাথে কথা বলে দ্রুত আইনী পদক্ষেপ নিন। থানা মামলা না নিলে আদালতে মামলা করা যায়। সময় নষ্ট করবেন না।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

স্বাধীন এর ছবি

সহমত পাণ্ডব'দা সাথে।

সাম্য এর ছবি

চলুক

রাব্বানী এর ছবি

এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। আমার মনে হয়ে তাদের দুই ভাবেই শাস্তি হওয়া উচিত - বুয়েটের ছাত্র বলে বুয়েট প্রশাসন কর্তৃক এবনং বাংলাদেশের ফৌজদারি আইন অনুসারে

দ্রোহী এর ছবি

অভিযুক্ত তিন ছাত্রলীগ কর্মী ছাত্রলীগ তথা আওয়ামী লীগের কতটুকু উপকারে আসবে জানি না। কিন্তু এই তিনটি ছেলে তাদের অপরাধের শাস্তি না পেলে কতজন তরুণ আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকবে সেটা কি আওয়ামী লীগের কর্তা ব্যক্তিরা জানে?

আফসোস, আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সবসময় অপরাধীদের পক্ষে থাকে। মন খারাপ

অন্যকেউ এর ছবি

আফসোস, আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সবসময় অপরাধীদের পক্ষে থাকে।

_____________________________________________________________________

বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখো দ্বিতীয় বিদ্যায়।

hritwik এর ছবি

ঈশানের জন্য বুয়েটে উপস্থিত থাকেতে না পারলেও দয়া করে শেয়ার করুন...কিছুটা হলেও মানসিক শান্তি তো পাবেন...শুধুমাত্র Culprits-দের আজীবন বহিষ্কার কেন চাওয়া হচ্ছে বুঝতে পারলাম না...সেই সাথে ক্রিমিনাল কোর্টে বিচার কেন চাইব না????

নাশতারান এর ছবি

মানসিক শান্তি দিয়ে কী হবে?

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি
মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি


_____________________
Give Her Freedom!

হিমু এর ছবি

সনি খুন হওয়ার পর যে ছাত্র আন্দোলন হয়েছিলো, সেটা আলী মর্তুজা পুলিশ লেলিয়ে পিটিয়ে ঠাণ্ডা করতে চেয়েছিলো। পুলিশ আমাদের জুনিয়র একটা মেয়েকে চারপাশ থেকে ঘিরে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছে, আর মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে হাতজোড় করে না মারতে অনুরোধ করছে, এমন একটা ছবি ছাপা হয়েছিলো কাগজে। সেটা দেখে আমাদের তৎকালীন ডিন দাঁত বের করে হেসে বলেছিলেন, সাংবাদিকের ক্যামেরা দেইখা ওড়না ফালায় দিয়া ছবি তুলছে। বুয়েট শিক্ষকদের কি খুব বেশি উত্তরণ ঘটেছে তারপর? খুনী-মস্তানের পাছার চামড়া বাঁচানোর জন্য তারা য়্যাত্তো ভারি ভারি পিএইচডি করা প্রফেসররা একজোট হয়েছেন, এরকম হাই-প্রোফাইল উকিল প্যানেল তো আলবদর নেতাদেরও নাই।

রাজিব মোস্তাফিজ এর ছবি

খুনী-মস্তানের পাছার চামড়া বাঁচানোর জন্য তারা য়্যাত্তো ভারি ভারি পিএইচডি করা প্রফেসররা একজোট হয়েছেন, এরকম হাই-প্রোফাইল উকিল প্যানেল তো আলবদর নেতাদেরও নাই।

একেকটা কাজেম আলী! শিক্ষক নামের এসব কলংকদের মুখে থুতু দেই!

----------------------------------------------------------------------------
একশজন খাঁটি মানুষ দিয়ে একটা দেশ পাল্টে দেয়া যায়।তাই কখনো বিখ্যাত হওয়ার চেষ্টা করতে হয় না--চেষ্টা করতে হয় খাঁটি হওয়ার!!

শ্যামল এর ছবি

হিমু ভাই পুরোপুরি একমত।

আমরা প্রতিরাতে সবাই ক্যাম্পাসে থাকতাম। দল/শিবিরের আক্রমণ ঠেকানোর জন্য। বিশাল জমায়েত হত।

আমি ছিলাম সেই অনশন ধর্মঘটে। শেষ পর্যায়ে সেই সব শিক্ষক ও পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে দল/শিবির লাঠি সোঠা নিয়ে আক্রমণ করেছিল। মূর্তাজা কি বলেছিল জানেনঃ " কতিপয় দুষ্কৃতিকারীরা এইসব ঘটাচ্ছে।" (অথচ বুয়েটের ৬০-৭০% ছাত্র ছাত্রী সেই মিছিলে ছিল।) ক্রূর হেসে "অইসব অনশন কারীরা লুকিয়ে খাবার খায়; তাহলে এটা কিসের অনশন হল?"

কিছুই পালটায় নি। এখন তো এইসব শিক্ষকদের কাজকর্ম দেখলে মনে হয় সরাসরি লীগে যোগ দিয়ে ফেলেছেন।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

১লা জানুয়ারী, ২০১২ সালে অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডঃ আবু সিদ্দিক কর্তৃক জারীকৃত জরুরী বিজ্ঞপ্তি নং- সংস্থা/রে-৫৬৫০ –এ বর্ণিত সিদ্ধান্ত নং-৪-এ বলা হচ্ছে,

“অদ্য ১/১/২০১২ ইং তারিখ সকাল ১১:৩০ ঘটিকার মধ্যে উক্ত ঘটনায় জড়িত ছাত্রদেরকে উপাচার্য মহোদয়ের ক্ষমতাবলে ৬ (ছয়) মাসের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় হতে বহিষ্কার করা হবে।”

এতে সাধারণভাবে যা বোঝা যায়ঃ

১। এটি একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। সুতরাং অপরাধীরা ছয় মাসের বহিষ্কারাদেশ ছাড়া অন্য কোন শাস্তি পাচ্ছে না। কোন অপরাধের প্রেক্ষিতে নির্বাহী আদেশে কোন শাস্তি প্রদান করা হলে একই কর্তৃপক্ষ ঐ অপরাধের জন্য পুনরায় শাস্তি দিতে পারে না।
২। “ঘটনায় জড়িত” বললে তাতে ঈশান বা তার মত ভিকটিমদেরকেও বোঝায়। এই যুক্তিতে কর্তৃপক্ষ ঈশানকেও বহিষ্কার করতে পারবে।

আন্দোলনকারীদেরকে কর্তৃপক্ষের এই আইনী ভাষা ও তার মারপ্যাঁচ বুঝতে হবে।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

কালো কাক এর ছবি

আগামীকাল ৩টায় "বোর্ড অব রেসিডেন্স এন্ড ডিসিপ্লিনারী কমিটি"র সভায় তাহলে কী হবে এটা যদি চুড়ান্ত শাস্তি হয়? আর প্রচলিত আইনে ফিজিক্যাল অ্যাসল্টের শাস্তি হবে না কেন?
এই নোটিসে দোষী ছাত্রদের নামপরিচয়ও দেয়া হয়নি !

অরফিয়াস এর ছবি

ছাত্র ও শিক্ষক নামের কলঙ্কদের জন্যই আজকে এই অবস্থা, আমি কখনই মানতে পারিনা যে, পড়াশোনা করলেই মানুষ হওয়া যায়, এরা তারই দৃষ্টান্ত| যেখানে এধরনের অন্যায়ের প্রতিবাদে শিক্ষকদের সংহতি প্রকাশ করা উচিত সেখানে তা না করে কুকুরের মতো পা-চাটার পথ বাছার পেছনে কি যৌক্তিকতা থাকতে পারে? আমি নিজের অভিজ্ঞতায়ও একই জিনিসের মুখোমুখি হয়েছি, যেসব শিক্ষক বলে, এসব আন্দোলনের কথা মিডিয়ায় আসলে প্রতিষ্ঠানের নাম খারাপ হবে, তাদের মতো জানোয়ারদের শিক্ষক হওয়াই উচিতনা, এরা শুধু শিক্ষক না মানুষ নামেরই কলঙ্ক|

তিনজন অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সম্পূর্ণরূপে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের আহব্বানের সাথে একমত পোষণ করি ..

----------------------------------------------------------------------------------------------

"একদিন ভোর হবেই"

রাফি এর ছবি

চলুক

khochavai এর ছবি

নতুন কোন গল্প নয়। অনেক দিনের কথা। রাজনৈতিক অঙ্গনে এদের বিরুদ্ধে বলার যেন কেউ নেই। তাছাড়া রাজনৈতিক সিনিয়রা এ ব্যবাপারে কোন নিয়ন্ত্রণের যোগ্যতা রাখে না বলেই আমার বিশ্বাস। তাদের হাতগুলো এখন নিস্তেজ। নেতৃত্বে ঘুণ ধরেছে। তাদের কেউ মানে না বলে্ই হয়তো তাঁরা কিছু বলে না। ঘটনাটি বড়্ই দুঃখজনক।আমাদের আরো সচেতন হতে হবে। রাজনৈতিক নেতাদের সামনে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের সুশৃঙ্খলা আনতে হলে তাঁদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমাত থাকা খুবি জরুরী।

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

জাবি জীবনে বার তিনেক আন্দোলন করতে হয়েছিলো, নানা ইস্যুতে। তা থেকে লভ্য জ্ঞান হলো এই যে, নিজেদের দাবীতে অটল থেকে সব আদায় করেই নিতে হয়, শিক্ষকেরা কখনই ছাত্রদের ভালো চায়না। সাধারণ ছাত্রদেরতো আরও না!

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

ওবাক  বিষ্যয় এর ছবি

বুয়েট এ প্রবেশ করেছিলাম অনেক আশা ও ভালবাসা নিয়ে।ঠিক যতটাই না আশা, নিয়ে এসেছিলাম ঠিক তটটাই হতাশ হলাম বুয়েট life এর শেষ কিছু দিনের ঘটনা দেখে।বিশেষভাবে এই ঘটনার চক্ষুষ সাক্ষী আমি।রুম নাম্বর বলতে চাই না।ঘটনার দিন দুপুরে কম্পিউটার এর সামনে বসে PL এর পড়া পড়ছিলাম ,হটাট পাসের রুম থেকে চিৎকার !!!!!! বের হলাম ,দেখলাম আমার সামনে ২জন ছোট ভায় বড় ভাইকে টেনে নিয়ে floor ফেলে baseball bat rod দিয়ে পিটাচ্ছে।মানুষ একটা পশুকে ও এভাবে পিটাই না।politics খুবই নংড়া যা মানুষকে নেকড়ে করে দেয়।এই politics এর
কারনে ১ বছর সেশন জট নিয়ে 4 বছর এর course 5 বছর এ শেষ করছে সবাই।সবার কাছে একটাই প্রশ্ন আমরা কি এখনো ১৯৫৭ সাল অথবা ১৯৬৯ সালের গন আন্দলন এর মত সময়ে বসবাস করি ??? এখন ও কি সৈরাচারী শাসক আছে যে কারনে ছাত্র রাজনীতির প্রয়োজন???????????আর কত নীরিহ ছেলে ছাত্র নেতাদের হাতে প্রান দিবে??dhaka university সেই মেধাবী ছাত্রের কথা কি মনে পড়ে কি সবার ??যে গরীব মায়ের first class first হওয়া ছাত্র ...ছাত্রলীগের ছেলারা তাকে মেরে ফেলেছিল।বুয়েটের সনি আপুর মূত্যুর কি আজ ও বিচার হয়েছে????প্রশাসন তদন্ত করতে গিয়ে কথায় যেন হারিয়ে যাই।কারন কেঁচো ধরতে গেলে যে সাপ বেরিয়ে আসবে।।প্রশাসন নিজেই রাজনীতির সাথে
জড়িত।আমদের বরতমান ভি সি স্যার নাকি হাসিনা ম্যাডাম এর হোম টিউটর ছিলেন।।যে কারনে জুনিয়র হয়েও POLITICAL জোরে ভি সি হয়েছেন।আপনারা নিচ্চয় জানেন না কিছুদিন আগে স্যারদের আন্দলনের অনেক গুল কারনের
মধ্যে এটা একটা ছিল।যে নিজের ছেলে FIRST না হয়েও EEE department এর টিচার করতে চেয়েছিল।পরে স্যারদের আন্দলনে এটা হয় নাই।এমন একটা ভি সি এর কাছ থেকে বেসি কি আসা করেন???আমি কখনো ব্লগ লিখিনাই বাংলায় অনেক আনাড়ি,এটা পড়লে বুঝতে পারবেন,একারনে আমি SORRY..আমি ব্লগ লিখতাম না..কিন্তু ইষান ভাইয়ের মতন নীরহ ছেলের উপর এমন অত্যাচার দেখে নিজের চোখের পানি ধরে রাখতে পারি নাই।।আজ ইষান ভাই এর এমন হয়েছে কাল আমার অথবা আপনাদের হতে পারে।দেশ নিয়ে অনেক কিছুই ভাবতাম ,এখন ভাবি না।।বাবা মার টাকা ছিল না তাই
হয়ত বুয়েটে ভরতি হওয়া।।হয়ত বা প্রচন্ড ঘৃনা নিয়ে senior বড় ভাইদের মতন কোন একদিন দূর দেশে পাড়ি দিব।আসা করি কতিপয় পশুর জন্য বুয়েটের স্টুডেন্টদের কেও ভূল বুঝবেন না PLZZZZZZZ .সবাই এক গোয়ালের গরু না আর সবাই এক ঘাস খাই না।ধন্যবাদ সবাইকে।।

মেহবুবা জুবায়ের এর ছবি

একটা দৈনিক কাগজেও খবরটা পেলাম না। আমাদের দেশে বিচার হয় না, হবেও না। আমাদের উৎসাহে ভাটা পড়বে, আর এর সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা ফাঁক গলে পার পেয়ে যাবে। আমরা কী ঈশানের জন্য কিছু করতে পারিনা? ওর যাতে উন্নত, সঠিক ও ভালো চিকিৎসা হয় তার জন্য কিছু?

মাহবুব ময়ূখ রিশাদ এর ছবি

দুঃখজনক। তারচেয়েও বেশি হতাশাজনক

------------
'আমার হবে না, আমি বুঝে গেছি, আমি সত্যি মূর্খ, আকাঠ !

বন্দনা এর ছবি

বুয়েটের ছোটভাইগুলা এই রাজনীতিক পান্ডাগুলাকে হারিয়ে দিবে এই প্রত্যাশা করে যাই।

গৌতম এর ছবি

বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা জেগেছে। আশায় বুক বাঁধছি।

অপরাধীদের শাস্তি চাই।

.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আমরা আর কতটা নষ্ট হলে বুঝতে পারব যে আমরা নষ্ট? আর কতটা পেছালে আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাবে? আর কয়টা মেধার মৃত্যু হলে শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি নিষিদ্ধ হবে?

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি

বিডিনিউজে কেবলই তিনজনকে ছয়মাসের বরখাস্ত করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করার খবর দেখলাম। সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলেছে, তারপরে রেসিডেন্স এন্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটি নিয়মানুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা নেবে। আর ঈশানের চিকিৎসা খরচও নেবে বলেছে বুয়েট কর্তৃপক্ষ -

BUET authorities have already announced to bear the expenses of his treatment.

Pro-vice chancellor Prof Habibur Rahman told bdnews24.com: "The university authorities at an emergency meeting, decided to initially expel the three for six months after getting the proof of allegations against them."

"A four-strong committee to look into the matter was also formed at Sunday's meeting. The committee was told to submit its findings by 9am Monday. After that, the residence and disciplinary committee meeting will ensure punishment as per rules," he said.

___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

প্রীতম এর ছবি

তীব্র ধিক্কার জানাই এ জঘন্য ঘটনার। বর্তমান সময়ে ছাত্র রাজনীতির সুফলের চেয়ে কুফলই বেশি। কিন্তু রাজনীতির মানেই হলো সমাজের সকল অরাজকতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সমাজের এসব নরজন্তুদের দমন করা। এই নিন্দাজনক হামলার বিরুদ্ধে যে শক্ত প্রতিবাদ গড়ে উঠেছে এটাও একটা রাজনৈতিক পদক্ষেপ বটে। ঈশানের ওপর এ ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার হবেই, হতেই হবে।

আতিক এর ছবি

জানতে বড় ইচ্ছা করে, বুয়েটের কোন ছাত্র যদি প্রো ভিসির হাত-পা বেসবল ব্যাট দিয়ে গুঁড়িয়ে দিত, তাকে শাস্তি দিতে ৮০০ সাক্ষী প্রয়োজন হত কিনা।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

শুধু বহিষ্কার না, এই হারামজাদাগুলোর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনেও শাস্তির নিশ্চয়তার বিধান করতে হবে। আর শিক্ষক নামের যেসব মাদারচোদ এদের বাঁচানোর চেষ্টা করবে তাদেরকেও হুকুমের আসামী বলে মামলায় ঢুকিয়ে দিন। শুয়োরের বাচ্চারা অনেক দেখাইছে, এবার আপনাদের পালা।

ইরফান এর ছবি

ঢাবি তে অবস্থানকালে আমি নিজেও এরকম আওয়ামী বর্বরতার শিকার হয়েছিলাম ১৯৯৯ সালে। আমার অভিজ্ঞতা বলে এসব অপরাধীরা শিক্ষকদের পৃষ্ঠপোষকতায় কাজ করে। আমার নিজের ডিপার্টমেন্টের Student Advisor ঘটনার দিন আমাকে ডেকে নিয়ে সমস্ত আমার জবানবন্দি নেন। তারপর রাত্রে হলে গিয়ে জড়িতদেরকে ডেকে নিজের রুমে নিয়ে গিয়ে হলের ছাত্রলীগ কর্মীদের যে তালিকা আছে সেটা থেকে অপরাধীদের নাম মুছে দেন। আমার এক বন্ধু এ ঘটনা জানতে পেরে আমাকে সতর্ক করে দেয়। সেই শিক্ষক এবং ছাত্রলীগ কর্মীদের পরিকল্পনা ছিল আমি যদি কোনও তদন্ত করার জন্য চেষ্টা করি তাহলে আমি মিথ্যাবাদী প্রমানিত হব এবং আমি নিজেই ঢাবি থেকে বহিষ্কার হব। সেই শিক্ষক পরদিন সকালে আমাকে ডেকে নিয়ে বলেন তদন্তের সব ব্যবস্থা হয়ে গিয়েছে, আমি এখন আমার লিখিত জবানবন্দী জমা দিতে পারি। আমার সৌভাগ্য পাঁচ মিনিট আগে আমার সেই বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। আমি সুন্দর করে বলি আমি কোনও তদন্ত চাই না। আমাকে মারধর করার ঘটনার সাক্ষী ছিল কমপক্ষে ৫০ জন শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারী। আমার জন্য তারা কোনও আন্দোলন করেনি। ইশানের সৌভাগ্য তোমরা তার পাশে আছ। এসব শিক্ষকরা রাজাকারদের চেয়েও খারাপ। তাদের বিচার কোনওদিন হবে না কারন আইনের অনেক ফাঁক।

airborne এর ছবি

আপনি ঠিক কোন দাওটা এখানে মারতে চান? ৫৭টা অফিসার মারা গেছে এইটা আওয়ামী লীগের দোষ? সেইটা হলেও তার সাথে বুয়েটের ঘটনার সম্পর্ক কী?

দুঃখিত যদি কাউকে দায়ি না করে থাকি। কাকে দায়ি করব? মুজিব, ভাশানি কি এই জন্য AL ছাত্রা লিগ প্রতিস্থা করেছেন? মনে হয় না। ভাইরা , আজকে আর্মি অফিসার মারা গেলে buet এর সাথে কেন সম্পরক থাকবে না? অফিসার গুলা কি এভবে মরতে চেয়েছিল? আর আপ নার কি মনে হয় dean কার order এ এইশব ঢাকা দিচ্ছেন? কে বলসে? আর জাই হক মনে হয় না সরকার ছাড়া আর কারও নিরদেশ। ভাইরা কাল কে অফিসার মরসে, আজ সাধারন এক ছাত্র আহত। কাল কে আর ১০ জন। আর অফিসার গুলা কে কি পাক আর্মি মারল? না আমাদের দেশের কেও? কারা মারাল? usa? জামাত? তাহলে কারা আমার ইয়ার মে্ট কে মারল? একি গ্রুপ এর লোক না তারা? শম্পরক তা clear আশা করি। pls beware. save yourselves what we were failed of. আর প্লিজ় আমদের ভুল বুঝবেন না। আম রা আমদের অবস্থান কারো কাছে ক্লিয়ার করতে পারি নাই। কারন সরকারি অডার মা্ন তে হয় আমাদের। খারাপ আমাদের বানানো হয় যাতে আম রা আপ নাদের সাথে থা্ক তে না পারি।

কালো কাক এর ছবি

কীসের মধ্যে কী শুরু করসেন এসে !

হিমু এর ছবি

আপনি যেহেতু জানেন, আপনি পরিষ্কার করে বলেন, ৫৭ জন অফিসারকে কারা মারলো। কে জানে সুজিত সাহাই হয়তো বেইসবল ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে ঐ ৫৭ জন অফিসারকে মেরে ফেলেছে, আমরা হয়তো জানি না। আপনি একটু খোলাসা করে বলেন, এইটার একটা হেস্তনেস্ত তো করা দরকার।

নীড় সন্ধানী এর ছবি

আপনি কী কোন সংস্থার লোক। নাম প্রকাশ না করেও সংস্থার নাম বলতে পারেন। তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারেন। কে কাকে কিভাবে নির্দেশ দিয়েছে। আপনি বলেছেন আপনাদের সরকারী নির্দেশ মানতে হয়, আপনাদের খারাপ বানানো হয়। কি জাতীয় নির্দেশ মানতে হয়, কে নির্দেশগুলো দেয়, এগুলো আপনি পাবলিকলি বলতে পারেন।
অ.ট.- আপনি কি র‍্যাব?

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

আমি শিপলু এর ছবি

আর একটি মুক্তিযুদ্ধ হোক। আমাদের শিক্ষাঙ্গন এদের হাত থেকে মুক্তির জন্য। জেগে উঠুক সেই সুপ্ত প্রতিবাদী কন্ঠ, লৌহ কঠোর আন্দোলনের নতুন বছর। সাথে আছি ভাই। রেগে টং

arif এর ছবি

বেশ কিছুদিন ধরেই দেখছি ভাবটা এমন যে আমরা বুয়েটে আছি,আমাদের উপর যা মনে চায় চালানো হবে আর আমাদের কাজ হবে তা বসে চুপচাপ মেনে নেয়া।

বুয়েটের ছাত্ররা বাংলাদেশের অন্য যেকোন university ছাত্রদের চেয়ে তুলনামুলক শান্ত(কিছু ব্যতিক্রম থাকবেই)।বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই বলা যায় ছাত্রদের উপর অনেকটা জুলুম চাল্লাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। কিছুদিন আগে লীগ হারামীরা ছাত্রফ্রন্ট কর্মীদের মারল পরা তাদের বিরুদ্ধেই মামলা হল আর প্রশাসন লীগ ওয়ালাদের বাচাতে পুলিশ নিয়ে এল হলে হলে।তাখন প্রশাসন বলল তারা দেখবে।ছাত্ররা তা বিশ্বাস করল কিন্তু কিছুই হল না।

তারপপর মুসলিম দের নবী(সা) কে নিয়ে এক বদমাইশ LAN বাজে কথা ছড়ালে তার প্রতিবাদ করলে VC উলটা সাফাই গাইল আর বলল তোমরা বুখারী শরীফ পড়েছ আমি দুই বার পড়েছি।বলল বিচার করবে কিন্তু পরে এর কোন বিচার সে করেনি।অথচ শুনেছি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে,আর মাথায় sample হিসেবে টুপি তো আছেই।

তারপর কিছুদিন আগে স্যারদের strike এর সময় ছাত্ররা কিছু দাবি নিয়ে(এখানে দাবি উল্লেখ করা হল না)গেল বলল সব মানলাম।তদন্ত করে দেখবে সেই তদন্ত আজও চলে।

এইজন্যই আজ বুয়েটের ছাত্ররা ক্যাম্পাস ছড়ছে না কারণ এদের তদন্তে এরা আজীবন time নিবে। এই সময় দিলেই এরা হল vacant করে দিত।

এইবার আসি pro VC প্রসঙ্গে।এই নামের কোন পদ কোনদিন বুয়েটে ছিল না, আর দরকার ও নেই।সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কারণে এই পদ দেয়া হয়েছে।এবং আরো মজার ব্যাপার হল সে PRO VC হয়েছে তার চেয়ে সিনিয়র ১২ জন স্যারকে টপকে।বুঝে তাহলে অবস্থা।আর একটা কথা হল বুয়েটে বঙ্গবন্ধু পরিষদের হোতা হলেন এই জনাব প্রো ভি,সি।এই রকম back ground ওয়ালা লোকের কাছ থেকে আর কতটুকু আশা করা যায়।

এই সব বিষয় বিবেচনা করেই ছাত্ররা আজ মাঠে নেমেছে ।ন্যায় বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ছাত্ররা ক্যাম্পাস ছাড়বে না এটাই সবার অঙ্গীকার।[/restrict]

olosh এর ছবি

pro ভিসি বারো নয়, পন্‍চাশ জনকে টপকেছেন।

সাফি এর ছবি

জনৈক ছোট ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস সূত্রে জানতে পারলাম বুয়েটে এই মুহূর্তে দুই ট্রাক দাঙ্গা পুলিশ আনা হয়েছে, এ ব্যাপারে কেউ কিছু জানেন? বুয়েটে যারা আছেন সেল্ফোনে আপডেট দিতে পারেন।

নীড় সন্ধানী এর ছবি

এই জাতীয় অপরাধের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শাস্তির কোন ব্যবস্থা নাই। বহিষ্কার ছমাস নয়, চিরকালের হলেও সেটা আংশিক বিচার হবে। এটা স্পষ্টই ফৌজদারী অপরাধ। এই জঘন্য অপরাধ দেশের আর দশটা ছিচকা অপরাধীর মতোই বিচার হওয়া উচিত। উপরে ষষ্ঠ পান্ডবের মন্তব্যে যা বলা হয়েছে সেভাবেই ব্যবস্থা নেয়া উচিত। (আর আমার ক্ষমতা থাকলে সুজিতের নলাও সেরকম গুরা করতে বলতাম)

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

MIUপাঠক এর ছবি

ওরে সর্বনাশ! এদিকে তো দেখি মন্ত্যবের বন্যা বয়ে যাচ্ছে! একেবারেই ভিন্ন কিছু না ঘটলে আমি বর্জ্য ছুয়ে বলতে পারি ঈশানের ঘটনা দুইদিন পরেই সবাই ভুলে যাবে আবার কোনো এক কিষানের যখন একই হাল হবে সবাই আজকে মত মন্তব্যের বন্যা ছুটিয়ে ফেলবেন! যেই লাউ সেই কদু অবস্থা!

এরে তারে দোষ দিয়ে লাভ নাই ভাই সাহেবেরা। নিজের দিকে দৃষ্টি স্থির করুন! আজকের ভিসি বলেন আর যাই বলেন এনারাও একসময় আপনাদের মত বিদিশি "স্থায়ী মাথা নষ্ট" করা ডিগ্রী নিয়ে ওই চেয়ারে গিয়ে বসেছেন! একদিন আপনারাও কেউ হয়ত সেই চেয়ারটি আলোকিত করবেন। কিন্তু সিস্টেমের যেই অবস্থা একেবারেই ব্যতিক্রম কিছু না ঘটলে ওই একই কদু আর লাউই থাকবে!

এবার নড়েচড়ে বসুন, যদি পুলিশ কেস করতে হয় আপনি কি সাক্ষী হতে তৈরী? নাকি জিআরই টোফেল বা পরীক্ষা আছে এসব কারণ খুজতে ব্যস্ত হয়ে যাবেন? সারা জীবন শুনলাম আম-ছাত্ররা নাকি রাজনীতি চায় না! আপনারা কি প্রস্তুত সরকার ভিত্তিক রাজনীতি কে ক্যাম্পাস থেকে বিদায় করার জন্য সমস্বরে "না" বলার? নাকি এখানেও নিজের কাপুরুষতা আড়াল করার কোনো কারণ খুজবেন?

আপনারা না পারলে আমাকে একটা চাকরি যোগার করে দিন, কিছু রাজনৈতিক পাচাটা "স্থায়ী মাথা নষ্ট" শিক্ষকদের এটলিস্ট বেসবল ব্যাট দিয়ে পিষে ফেলবো (শাস্তি হিসেবে না হয় চাকরিটা আমার আজীবনের জন্য চলেই যাবে)!!!

সোহেল এর ছবি

খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
ছাত্রলীগের মারধরের পর ছাত্রদের হল ত্যাগের নির্দেশ।
এক ই ধরনের আর ও একটি ঘটনা, এর কি কোন প্রতিকার নেই?
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-01-02/news/213445

সার্থক এর ছবি

দুই এর অধিক ট্রাক দাঙ্গা পুলিশ এখন বুয়েটে অবস্থান করছে, তবে মেইন গেটের বাইরে । ডিসিপ্লিনারি কমিটির বৈঠক এখনো চলছে। শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলছে।

তাসনীম এর ছবি

এইমাত্র দেখলাম।

বুয়েটের দুই ছাত্রলীগকর্মী স্থায়ীভাবে বহিষ্কার

খবরটা কি সত্য?

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

সচল জাহিদ এর ছবি

বুয়েটে ছাত্র মারধর, দুজনকে আজীবন বহিষ্কার

সাবাশ বুয়েটের সাহসী ছাত্র-ছাত্রীরা। সেই সাথে বুয়েট প্রশাসনকেও ধন্যবাদ দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দানের জন্য। কিন্তু হাইকোর্টে রীট করে এই অপরাধীরা যেন আইনের ফাঁক গলে বের না হয়ে যায় যেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিৎ। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, অধিকাংশ ক্ষেত্রে যা হয়, এই দোষী ছাত্ররা এখন হাইকোর্টে রীট করবে। ফলে হাইকোর্ট বুয়েট প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত সেক্ষেত্রে স্থগিত করবে। এর পর এই দোষীরা আবার ক্লাস করতে পারবে আর সেই সাথে কেইসও চলবে। তারপর একসময় রাজনৈতিক ফায়দা নিয়ে এই কেইসগুলোতে ওরা জিতে যাবে। কিছুই হবেনা ওদের। সনি হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের ক্ষেত্রে ঠিক এমনটিই ঘটেছিল।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

তানিম এহসান এর ছবি

রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তিতে শিক্ষার্থীদের চাইতে শিক্ষকরা অনেক অনেক বেশি পারঙ্গম, এর হাজারোটা প্রমাণ দেয়া যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে অনেকবারই মনে হয়েছে শিক্ষকরা পড়াবেন দেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নয় । ছাত্র রাজনীতি বন্ধের আগে শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ করে দেয়া উচিত, ছাত্র রাজনীতি’র এই করুণ দশার পেছনে শিক্ষকদের ভূমিকাকেও কোনভাবে ফেলে দেয়া যাবেনা।

বিশ্ববিদ্যালয় কেবলমাত্র সার্টিফিকেট পাওয়ার জায়গা নয়, নয় কেবলমাত্র লেজুড়বৃত্তি শেখার। বুয়েট এর মত একটি প্রতিষ্ঠানে যখন এইরকম একটি ঘটনার পর শিক্ষকরা দলীয় পরিচয় ধারণ করে পাশ কাটিয়ে যেতে চায় তখন আতংকিত না হয়ে পারা যায়না। যেসব শিক্ষকরা শুধুমাত্র ক্ষমতা ধরে রাখার লোভে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত চাওয়াকে কায়দা-কৌশলে এড়িয়ে যেতে চান তাদের উদ্দেশ্যে থুথু মেরে গেলাম।

আজীবন বহিষ্কার বিষয়ে ‘সচল জাহিদ’ ভাইয়ের উপরের মন্তব্য ধরে বলতে চাই - কোর্টেও যেন এ লড়াই চলমান থাকে।

সাথে আছি।

চরম উদাস এর ছবি

চলুক

শিশিরকণা এর ছবি

ছাত্র রাজনীতি বন্ধের আগে শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ করে দেয়া উচিত

সত্য।

~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~

রাজিব মোস্তাফিজ এর ছবি

এই অসাধারণ ভিডিওটাও থাকুক এইখানে--

http://www.youtube.com/watch?v=PvSgiHu68xc

----------------------------------------------------------------------------
একশজন খাঁটি মানুষ দিয়ে একটা দেশ পাল্টে দেয়া যায়।তাই কখনো বিখ্যাত হওয়ার চেষ্টা করতে হয় না--চেষ্টা করতে হয় খাঁটি হওয়ার!!

জি.এম.তানিম এর ছবি

ভিডিওটা সম্ভবত সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

jesmin akhter এর ছবি

আজ আমার দেশ পত্রিকায় দেখলাম ঐ কাউওয়াড দের দুই জনকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হযেছে।এটা কি সত্যি?যদি সত্যি হয় তবে আর এক জনকে কেনো বহিষ্কার করা হলোনা।আবার আমাদের সময় পত্রিকায় দেখলাম ঐ পশুদের তিন জন কে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হযেছে।এ ধরনের বিভ্রান্তি কর সংবাদ আমরা মিডিয়ার কাছে আসা করতে পারিনা।সাধারন ছাত্রদের কাছে আমার অনুরোধ আপনারা আরও তিব্র ভাবে প্রতিবাদি হন।বাংলার প্রতিটা মানুষ জানুক যাতে তারাও প্রতিবাদে সামিল হতে পারে।যদি আমরা সবাই মিলে তিব্র ভাবে প্রতিবাদি হই তবে ঐ সব মুখধারিদের সমাজ থেকে বোল্ড আউট করে দিতে পারবো পুরাটা না পারলেও কিছুটা।আর ঈশান ভাইযার জন্য আল্লাহর কাছে আমরা দো্যা কড়ছি যাতে আল্লাহ তাকে সুস্ত করে তুলেন।

সাফি এর ছবি

আমি যতদূর জানি, এবং ঈশানের ভাষ্যমতেও তিন জন তার রুমে ঢুকে। এর মধ্যে দুজন তাকে মারতে থাকে। এ সময় ঈশান রুম থেকে বের হয়ে যায়, তখন তৃতীয় জন বাকী দুজনকে থামায়।

উচ্ছলা এর ছবি

গুন্ডা-পান্ডা আর তাদের মদদ দানকারীদের সর্বগ্রাসী দৌরাত্বের অবসান হোক। লেখাটি শেয়ার করছি, অন্তত এটুকু সহযোগীতা করতে পারব।
ঈশানের জন্য শুভকামনা।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

একই ধরনের আরেকটি লেখা। প্রথম আলো, জানুয়ারি ৪, ২০১২ থেকে।

জি.এম.তানিম এর ছবি

এই পোস্টে ছবির ক্যাপশনে ভুল রয়েছে। এগুলো অফিসের সামনে অবস্থান নেওয়া ছাত্রদের ছবি।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।