বিশ্বজুড়ে বরাহ শিকার- আমরা যা করতে পারি

হাসান মোরশেদ এর ছবি
লিখেছেন হাসান মোরশেদ (তারিখ: শনি, ২৭/০২/২০১০ - ১০:১৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঘটনা কি?

ঘটনা হলো, যুক্তরাজ্য তার একটি আইন পরিবর্তনের চিন্তাভাবনা করছে, ফরেন সেক্রেটারী ডেভিড মিলিব্যান্ড ইতিমধ্যে এই ঘোষনা দিয়েছেন। কি আইন? আইনটি তৈরী হয়েছিল চতুর্থ জেনেভা কনভেনশনের আওতায় যার মুল কথা হচ্ছে- 'seek out and prosecute persons suspected of war crimes wherever and whoever they are, whatever their status, rank or influence, against whom good prima facie evidence has been laid.'

এই আইনের মুল ভিত্তি হচ্ছে Universal Jurisdiction- পৃথিবীর যে কোন দেশ তার দেশে আশ্রয় নেয়া প্রমানিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার অধিকার সংরক্ষন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক,ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ড, জার্মানী, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র তাদের দেশে আশ্রয় নেয়া ভিনদেশী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছে Universal Jurisdiction এর ভিত্তিতে।

আমাদের কি?

আমাদের অনেক কিছু। মুক্তিযুদ্ধের পর পর নেতৃস্থানীয় ঘাতক দালালদের একটা বড় অংশ রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছে যুক্তরাজ্যে। গোলাম আজম এখানে বসেই শুরু করেছিলো তার পুর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কর্মসূচী। বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের প্রধান ঘাতক চৌধুরী মইনুদ্দিন বহাল তবিয়তে আছে এখনো এখানে। এদের অনেকেই এখন আইনগত ভাবে যুক্তরাজ্যের নাগরিক।

এতো বছর এরা নিরাপদে এখানে আছে, কারন কার্যকর ভাবে এদের যুদ্ধাপরাধ কখনো প্রমান করা হয়নি। যদি বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নেয়া ঘাতকদের যুদ্ধাপরাধ প্রমান করতে পারে, তাহলে বিদ্যমান আইনের কারনে যুক্তরাজ্যের বাধ্যবাধকতা আছে তাদের আদালতেই এদের বিচার করার।
কিন্তু এই আইন বাতিল হয়ে গেলে ঘাতকদের বেঁচে যাওয়ার সুযোগ তৈরী হয়।

আমরা যা করতে পারি
এই আইন বাতিলের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে পার্লামেন্টের ভিতরে ও বাইরে নানা কর্মসূচী গৃহীত হয়েছে।
সাংসদদের একটা বড় অংশ, এমনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল সহ মানবাধিকার সংগঠন এবং আরো বিভিন্ন গ্রুপ সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য নানামুখী উদ্যোগ গ্রহন করেছে।
আমরা যে কেউ ইচ্ছে করলেই অন্ততঃ একটি কর্মসূচীতে অংশ নিতে পারি, সেটি হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনকে ই-মেইল করা।

আমি মেইলের একটা নমুনা এখানে দিয়ে দিচ্ছি। যে কেউ এটি কপি করে মেইল পাঠাতে পারেন

Subject: Don't change the law on universal jurisdiction
From: "HASAN MURSHED" To: "Gordon Brown - Prime Minister" (msu.correspondence@fco.gov.uk)

Dear Prime Minister
Re: Don't change the law on universal jurisdiction

I am shocked at suggestions by the Foreign & Commonwealth Office Minister Ivan Lewis and Foreign Secretary David Miliband, that Britain may consider changing its laws to avoid any future attempts to bring to trial suspected war criminals, Israeli or otherwise.

The UK must not renege on its international treaty obligations, particularly those under the Fourth Geneva Convention (Article 146) to seek out and to bring to trial persons suspected of war crimes wherever and whoever they are, whatever their status, rank or influence, against whom good prima facie evidence has been laid.

I oppose any attempt to undermine the judiciary’s independence and integrity. A judge who finds sufficient evidence of a war crime must have power to order the arrest of a suspect, subject to the usual rights to bail and appeal.

The power to arrest individuals reasonably suspected of war crimes anywhere in the world should they set foot on UK soil is an efficient and necessary resource in the struggle against war crimes, and must not be interfered with. Nor should the government succumb to pressure from any foreign power to change this crucial aspect of the judicial process.

I therefore urge the government to state clearly that it will not change the law on universal jurisdiction, and will continue to allow victims of war crimes to seek justice in British courts.

Sincerely,
HASAN MURSHED

লাভ হবে?
হবে। জনমতের চাপে যুক্তরাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত বদলের অনেক অনেক উদাহরন আছে। যেহেতু এই সিদ্ধান্ত বদলের ফলে আমাদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির সম্ভাবনা নষ্ট হবার আশংকা আছে সেহেতু আমাদের দায়িত্ব চাপ সৃষ্টির ন্যুনতম সুযোগটি ও নেয়া।


মন্তব্য

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

ওকে!
ধন্যবাদ...

হাসান মোরশেদ এর ছবি

হাসি
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

সামী মিয়াদাদ [অতিথি] এর ছবি

ধন্যবাদ মোরশেদ ভাই। পাঠিয়ে দিলাম। আপনার এই লেখার লিংক টা কি অন্যত্র শেয়ার করতে পারি?

হাসান মোরশেদ এর ছবি

নিঃসংকোচে।
শুধু লিংক নয়, এই কন্টেন্ট নিয়ে অন্য কোথাও পোষ্ট ও দিতে পারেন। গুরুত্ব বিবেচনায়- এ ক্ষেত্রে কোন আপত্তি নেই।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

বর্ষা এর ছবি

ওকে। শেয়ারে দিলাম ফেইসবুকে।
********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

স্বাধীন এর ছবি

চিন্তার কথা। তো হঠাৎ করে এরা আইন পরিবর্তন করছে কেন? তাঁদের যুক্তি কি পরিবর্তনের পক্ষে? ফেইসবুকে শেয়ার করছি আর মেইল করে দিচ্ছি।

হাসান মোরশেদ এর ছবি

চিন্তার কথাই বটে।
যতোটুকু জানি, আইন পরিবর্তনের পেছনে কাজ করছে বৃটিশ সরকারের হাত ধুয়ে ফেলার ফন্দী- বিশেষ করে ফিলিস্তিন ইস্যুতে।
ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষে দু পক্ষই ভিন্ন মাত্রায় মানবাধিকারের চরম লংঘন করছে। যুক্তরাজ্যে দু পক্ষেরই অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আছে যারা এসবের পেছনে ইন্ধনদাতা।
এখন দুপক্ষই আইনের সুযোগে বৃটিশ সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করছে অপরপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে।

এমনিতেই অর্থনৈতিক দূরবস্থায় বিপর্যস্ত বৃটিশ সরকার সম্ভবতঃ এই আইনকে তাদের জন্য বাড়তি ঝামেলা মনে করছে।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

সুমন চৌধুরী এর ছবি

মেইল করা হইলো।

কিন্তু ব্রাউন সাহেবের নজরে এইটা পড়লে হয়। বিটিশ তো...কিছুই বলা যায় না ...



অজ্ঞাতবাস

বর্ষা এর ছবি

( গুল্লি)
********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

মণিকা রশিদ এর ছবি

ফেইসবুকে শেয়ার করছি।
____________________________
শান্তিও যদি সিংহের মত গর্জায়, তাকে ডরাই।
--নরেশ গুহ

----------------------------------------------
We all have reason
for moving
I move
to keep things whole.
-Mark Strand

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

মেইল করছি।
____________________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ !

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

ব্রিটিশরা নিজেদের গা বাঁচাতেই আইন পরিবর্তন করছে কিনা, কে জানে।
গণহারে একই মেইল করলে স্প্যামিংয়ের পর্যায়ে পড়ে কিনা ভাবছি। অন্য আর কি কি উপায়ে আমাদের বক্তব্য জানানো যায়?

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

রাহিন হায়দার এর ছবি

একই প্রশ্ন আমারও।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

হাসান মোরশেদ এর ছবি

না স্প্যামিং হবেনা। এটি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ক্যাম্পেইনের একটি স্বীকৃত পদ্ধতি। এ ছাড়া চিঠি, ফ্যাক্স ও করা যায়।

ইতিমধ্যে গর্ডন সাহেব ৭,০০০ এর বেশী মেইল পেয়ে গেছেন। নানামুখী ক্যাম্পেইনের ফলে এর মধ্যে ১২৩ জন এমপি সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন এই ইস্যুতে ' Early Day Motion' এর ।
Early Day Motion হচ্ছে একটা নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি, যার ফলে কোন বিতর্কিত বিষয় সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবার আগে হাউস অফ কমন্স এ বিতর্কের জন্য উত্থাপিত হবে।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

হিমু এর ছবি

গত বছরের ডিসেম্বরে একটি স্থানীয় আদালতে নালিশ দায়ের করার পর সেই আদালত যুদ্ধাপরাধের দায়ে ইসরায়েলি রাজনীতিক ৎসিপি লিভনি-কে গ্রেফতারের পরোয়ানা জারি করে। এজন্যে লিভনি ব্রিটেন সফর বাতিল করতে বাধ্য হয়। এ নিয়ে কূটনৈতিক ধমকাধমকি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এক পর্যায়ে উচ্চতর আদালত ঐ পরোয়ানা রদ করে।

এটাই হচ্ছে মামুদের ঘটনা। আর এর ছায়ায় চৌধুরী মঈনুদ্দিনের মতো নরকের কীটগুলি পার পেয়ে যায়।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

হাসিব এর ছবি
প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

মেইলে কাজ হওয়ার কথা।

সাইফ তাহসিন এর ছবি

করলাম, খোমাখাতায় ঝুলাইলাম
=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদ্বপি গরীয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আমি আমার নাতি পুতিরে কইতে পারুম, "জানোস ব্যাটা, তোগো দাদা একবার বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীরে ইমেইল করছিলো..."
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

হিমু এর ছবি

ঘটনার আড়ালে ঘটনা চাইপা যাইস না। গর্ডন ব্রাউন বরং তার নাতিনাতনিরে বলবে, জানিস দাদুভাই, এই আমাকেও হারু গোধূলি ছাড় দেয়নি, একদিন মেইল করে জিজ্ঞেস করছিলো, "ভাইডি আপনার শালি আছে?"



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- হ, ভুল হৈয়া গেছে দোস্ত। সত্তরোর্ধ মিসেস গর্ডনের কথাও বলতে ভুলে গেছিলাম।

গর্ডন যখন হারু গোধূলির কথা বলবে, তখন পর্দার আড়াল থেকে আঁচলে চোখ মুছতে মুছতে এসে সামনে দাঁড়াবেন তিনি। এসেই বলবেন, "জানিস দাদুরা, দস্যু খাড়াবুব তার কামড় থেকে আমাকেও রেহাই দেয় নি। এমনকি এই বয়সেও!"

বলতে বলতেই তিনি কাপড় সরিয়ে যেইনা কামড়ের ক্ষতস্থান দেখাতে যাবেন, অমনি মি. গর্ডন চোখ গরম করে তাকাবেন, "শালিরে কতো কইরা বলি একটু ঢাইকা ঢুইকা চলতে, কথা হুনে না। দস্যু খাড়াবুব কামড়াইবো না তো কি কোলে নিয়া আদর করবো? তুমিই তো কইছিলা আইনটা বাতিল করতে!"
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

একই মেইলের কপি পাঠালে কি লাভ হবে। পার্সোনালাইজ করে দিবো একটা দেখি।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

আগের ঘটনা সম্ভবত এটা



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

নীড় সন্ধানী এর ছবি

একটু বদলে দিয়ে পাঠালাম।

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-
সেই সুদুরের সীমানাটা যদি উল্টে দেখা যেত!

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

ঠিকাছে... ধন্যবাদ
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

মৃদুল আহমেদ এর ছবি

পাঠালাম এইমাত্র।
শুয়োর মারা বাণপত্র।
--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

মুস্তাফিজ এর ছবি

আমিও
পাঠালাম এইমাত্র।
শুয়োর মারা বাণপত্র। হাসি

...........................
Every Picture Tells a Story

যূথচারী এর ছবি

ধন্যবাদ। সাকসেসফুলি সেন্ট। (Your message has been sent.)


চোখের সামনে পুড়ছে যখন মনসুন্দর গ্রাম...
আমি যাই নাইরে, আমি যেতে পারি না, আমি যাই না...


চোখের সামনে পুড়ছে যখন মনসুন্দর গ্রাম...
আমি যাই নাইরে, আমি যেতে পারি না, আমি যাই না...

s-s এর ছবি

মেইল করে দিয়েছি - আশা করি সফল হবো।

এনকিদু এর ছবি

বিদেশি নাগরিক ( যেমন আমি বাংলাদেশি নাগরিক ) যারা, তাদের মতামতকে কি যুক্তরাজ্যের সরকার দাম দিবে ?


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

হাসান মোরশেদ এর ছবি

যে কোন দেশের যুদ্ধাপরাধী যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করলে কিংবা অবস্থান করলে তার বিচার যুক্তরাজ্যের আদালতে হতে পারবে- এটি যুক্তরাজ্যের স্থানীয় কোন আইন নয়, এর ভিত্তি হচ্ছে Universal Jurisdiction।
এর কোন পরিবর্তন মানে হচ্ছে মানবাধিকার লংঘন এবং মানবাধিকার কোন দেশের নিজস্ব বিষয় নয়। জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার সনদে স্বাক্ষরকারী প্রতিটি দেশ এটি মানতে বাধ্য।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

মর্তুজা আশীষ আহমেদ [অতিথি] এর ছবি

মেইল পাঠানো হলো। কিন্তু কাজ হবে কি?
------মর্তুজা আশীষ আহমেদ

তমিজউদদীন লোদী এর ছবি

তথ্যভিত্তিক চমৎকার লেখাটির জন্য মোবারকবাদ।
খুব ভালো লাগলো লেখাটি।

তমিজ উদদীন লোদী

তাসনীম এর ছবি

১৯৯৪/৯৫ সালে ব্রিটিশ চ্যানেল ফোর একটা প্রামাণ্য অনুষ্ঠান করে চৌধুরী মইনুদ্দিন সহ চারজন রাজাকারের উপর। ডকুমেন্টারিটার বিষয়বস্তু ছিল যে ব্রিটিশ আইনেই এদের বিচার সম্ভব। বাংলাদেশে তখন বিস্তর লেখালেখি হয়েছিল এই নিয়ে, ডকুমেন্টারিটা পাওয়াও যেত মার্কেটে। এরপর আর কোন ফলোআপ দেখিনি।

জনমতের চাপে যুক্তরাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত বদলের অনেক অনেক উদাহরন আছে। যেহেতু এই সিদ্ধান্ত বদলের ফলে আমাদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির সম্ভাবনা নষ্ট হবার আশংকা আছে সেহেতু আমাদের দায়িত্ব চাপ সৃষ্টির ন্যুনতম সুযোগটি ও নেয়া।

সহমত। কিন্তু এই চাপটা ব্রিটেনের ভেতর থেকে আসতে হবে। ব্রিটেনে এর পক্ষ/বিপক্ষের জনমত কি রকম?

ধন্যবাদ এই বিষয়ে লেখার জন্য।
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++
মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না?

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

সাদা মন এর ছবি

এইমাত্র পাঠালাম।

বরাহ শিকার জারী থাকুক

opu এর ছবি

মেইল করলাম। ধন্যবাদ এই তথ্যের জন্য। আরো প্রচারনা চালাতে হবে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে।

যুধিষ্ঠির এর ছবি

উত্তম প্রস্তাব। মেইল পাঠালাম, আর খবর ছড়িয়ে দিচ্ছি।

অতিথি লেখক এর ছবি

এক ব্যক্তি একাধিক আইডি থেকে মেইল পাঠালে গ্রহণযোগ্য হবে? আগেই একটা পাঠিয়েছি, ভাবছি আরো একটা পাঠাবো।
-বুদ্ধু

গৌরীশ রায় [অতিথি] এর ছবি

পাঠালাম এবং ফেসবুকে শেয়ার করলাম ।

অতিথি লেখক এর ছবি

মেইল করলাম।
কিছু একটা অন্ততো হোক...
সবাইকে প্রচারনা চালাতে হবে যার যার অবস্থান থেকে ।

ধন্যবাদ

রণদীপম বসু এর ছবি

বৃটেটে যে বাঙালিরা রয়েছেন, তাদের মেইলগুলো সম্ভবত আরো ইফেক্টিভ হতো। তারা বিষয়টা কিভাবে নিয়েছেন ? এ ব্যাপারে প্রচার কেমন হচ্ছে কে জানে।

হাসান মোরশেদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অনেক ধন্যবাদ চমৎকার এ উদ্যোগটির জন্য।

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

অতিথি লেখক এর ছবি

প্রস্তাব অতি উত্তম। চাপ দেওনের বিকল্প নাই।
শাহিদ

অতিথি লেখক এর ছবি

মেইল দেওয়াছাড়া তো উপায় দেখি না। চাপসৃষ্টি করা তো কঠিন। তো কঠিন দিয়ে শুরু করতে হবে।

এম এস আর শাহিদ

সুমিন শাওন এর ছবি

মেইল একটা আমিও পাঠালাম, কিন্তু আইনের এ পরিবর্তনের সাথে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী বাংলাদেশী যুদ্দ্বাপরাধীদের কোন বাড়তি সুবিধা পাওয়ার সুযোগ নেই বলে আমার এক আইনজীবি বন্ধু জানিয়েছেন-কেননা, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী কোন বাংলাদেশী-বৃটিশ বাংলাদেশের আদালতে যুদ্দ্বাপরাধী প্রমানিত হলে আইন পরিবর্তনের আগে যে পদ্দ্বতিতে তাদের ফিরিয়ে নিতে হতো এ নতুন আইনের ফলে তার কোন ব্যত্যয় হবে না এবং এর সাথে বাংলাদেশ চ্যাপ্টার-এর কোন সংঘর্ষ নেই।

তবে এ আইন পরিবর্তনের উদ্যোগটি বিশ্বমানাবাধিকার রক্ষায় বৃটেনের ভুমিকাকে দারুন প্রশ্নবিদ্ধ্ব করবে নিঃসন্দেহে-এর জন্য হলেও সকলকে প্রতিবাদে এগিয়ে আসা উচিৎ

ধন্যবাদ আপনাকে
-----------------------------------------------------------------------------
'কবি তাঁর স্বপ্নের চেয়েও বড়'

'কবি তাঁর স্বপ্নের চেয়েও বড়'

হাসান মোরশেদ এর ছবি

সুমিন শাওন,
আমরা কি নিশ্চিত '৭১ এর পর যে যুদ্ধাপরাধীরা বৃটেনে পালিয়ে গিয়েছিলো, ধরা যাক চৌধুরী মইনুদ্দীন- তারা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লালন করছে?
যারা বৃটিশ নাগরিকত্ব পেয়ে গেছে এবং দ্বৈত নাগরিকত্ব বজায় রাখেনি তাদেরকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ সম্ভব কিনা সেটা কিন্তু ভাবনার বিষয়।

বাংলাদেশ সরকার যদি তাদের যুদ্ধাপরাধের প্রমান দিতে পারে তাহলে বিদ্যমান আইনে বৃটেনের আদালতেই তাদের বিচার সম্ভব। যদি ও এই আইন রদ পরিকল্পনার আসল উদ্দেশ্য ইসরাইলী যুদ্ধাপরাধীদের ছাড় দেয়া কিন্তু এই সুযোগে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীরা পার পাবে।

সে কারনেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া জরুরী মনে হচ্ছে।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

এই লেখাটা ফেইসবুক আর টুইটারে ছড়িয়ে দিতে অনুরোধ জানাই।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

এক লহমা এর ছবি

আইন বাতিল হওয়াটা কি বন্ধ হয়েছিল?

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।